Tag: BJP Sajal Ghosh

BJP Sajal Ghosh

  • BJP News: রাজ্যের ২ বিধানসভা উপনির্বাচনে প্রার্থী ঘোষণা বিজেপির, বরানগরে লড়বেন সজল ঘোষ

    BJP News: রাজ্যের ২ বিধানসভা উপনির্বাচনে প্রার্থী ঘোষণা বিজেপির, বরানগরে লড়বেন সজল ঘোষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের সঙ্গে এই রাজ্যের দুই আসনে অনুষ্ঠিত হবে বিধানসভার উপনির্বাচন। একটি উত্তর ২৪ পরগনার বরানগর এবং অপরটি মুর্শিদাবাদের ভগবানগোলা। মঙ্গলবারই এই দুই কেন্দ্রে প্রার্থী ঘোষণা করল ভারতীয় জনতা পার্টি (BJP News)। তৃণমূলের ত্যাগী বিধায়ক তাপস রায় বরানগর আসন থেকে ইস্তফা দেন। বর্তমানে তিনি উত্তর কলকাতা লোকসভা আসনে বিজেপি প্রার্থী। তাঁর ছেড়ে যাওয়া আসনে গেরুয়া শিবির প্রার্থী করেছে ৫০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তথা বিজেপি নেতা সজল ঘোষকে। অন্যদিকে তৃণমূল বিধায়ক ইদ্রিস আলির মৃত্যুর ফলে খালি হওয়া ভগবানগোলা কেন্দ্রে বিজেপির (BJP News) প্রার্থী হয়েছেন ভাস্কর সরকার।

    কোথায় কবে ভোট?

    ২০২৪ সালে অনুষ্ঠিত হতে চলা ১৮তম লোকসভা নির্বাচন ৭ দফায় অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিটি দফাতেই কোনও না কোনও আসনে ভোট হবে বাংলায়। এর মধ্যে তৃতীয় দফার ভোটের দিন অর্থাৎ ৭ মে মুর্শিদাবাদ লোকসভা কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ। সেদিনই উপনির্বাচন হবে ভগবানগোলায়। অন্যদিকে, বরানগরের উপনির্বাচন হবে সপ্তম দফার ভোটের দিন অর্থাৎ ১ জুন। প্রার্থী (BJP News) হওয়ার পর সজল ঘোষ বলেন, ‘‘আমার উপরে আস্থা রাখায় দলকে ধন্যবাদ৷ আমার রাজনৈতিক গুরু তাপস রায়। তাঁর আশীর্বাদ নিয়েই আমি এগোব। উত্তর কলকাতায় আমাদের সংগঠন শক্তিশালী৷ আশা করছি দলকে আমি নিরাশ করব না।’’

    সব থেকে আগে প্রার্থী ঘোষণা গেরুয়া শিবিরের

    প্রসঙ্গত, ইতিমধ্যেই দুটি পর্যায়ে রাজ্যের লোকসভার ৩৮টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা হয়ে দিয়েছে বিজেপির (BJP News)। গেরুয়া শিবিরের বাকি রয়েছে চারটি আসনের প্রার্থী ঘোষণা। আসানসোল, ডায়মন্ডহারবার, বীরভূম এবং ঝাড়গ্রাম। মঙ্গলবার উপনির্বাচনের দুটি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে দিল বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। যদিও এখনও পর্যন্ত এই দুই আসনে কোনও প্রার্থী ঘোষণা করতে পারেনি তৃণমূল, বামফ্রন্ট বা কংগ্রেস শিবির। ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, সব থেকে আগে প্রার্থী ঘোষণা করায় প্রচারে বেশ খানিকটা এগিয়ে থাকবেন ২ কেন্দ্রের উপনির্বাচনের বিজেপি (BJP News) প্রার্থীরা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ananya Banerjee: ভাবাবেগে আঘাত! তৃণমূল কাউন্সিলর অনন্যার বিরুদ্ধে পথে বিজেপি

    Ananya Banerjee: ভাবাবেগে আঘাত! তৃণমূল কাউন্সিলর অনন্যার বিরুদ্ধে পথে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত সোমবার কলকাতা পুরনিগমের বাজেট অধিবেশনে তৃণমূল কাউন্সিলর তথা অভিনেত্রী অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায় (Ananya Banerjee) খ্রিস্ট ধর্মের ফাদার ও নানদের সম্পর্কে অত্যন্ত আপত্তিকর মন্তব্য করেন। শোনান ‘যৌনগন্ধী’ গল্পও। তৃণমূল কাউন্সিলরের এমন মন্তব্যের কারণে বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চার তরফ থেকে বুধবারই নিউ মার্কেট থানায় এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। তাঁকে গ্রেফতারির দাবিও তুলেছে গেরুয়া শিবির। এদিন ঘটনার প্রতিবাদে হাজরা মোড় থেকে কালীঘাটে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির অভিমুখে যাওয়ার চেষ্টা করেন বিজেপির সংখ্যালঘু সেলের প্রতিনিধিরা। কিন্তু পুলিশ তাঁদের আটকে দেয়। পুলিশ আটক করে বিজেপি নেতাদের। ঘটনা নিয়ে অস্বস্তি বেড়েছে শাসক শিবিরের অন্দরে।

    আরও পড়ুুন: হাজার কোটির সাইবার ‘প্রতারণা’! ‘কিংপিন’ কুণালের একাধিক ডেরায় হানা ইডির

    কী বলছেন বিজেপি নেতা?

    বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চার রাজ্য সভাপতি চার্লস নন্দী সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘‘সংগঠনের তরফে নিউ মার্কেট থানায় অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে এফআইআর করা হবে। ওনার (Ananya Banerjee) পদত্যাগ দাবি করছি। দল থেকে বহিষ্কারেরও দাবি তুলছি।’’

    অনন্যার আপত্তিকর মন্তব্য, প্রতিবাদে বিজেপি কাউন্সিলররা

    গত সোমবার পুরসভার বাজেট বিতর্কে পশ্চিমী সংস্কৃতিতে ‘ফাদার’ এবং ‘নান’দের সম্পর্ক নিয়ে নানা গল্পের কথা উল্লেখ করেছিলেন অনন্যা (Ananya Banerjee)। এর পরে একটি গল্পও শোনান তিনি। সেই ‘যৌনগন্ধী’ গল্পে বাইবেলের ১১২ নম্বর অধ্যায়ে ‘গভীরে যাও, আরও গভীরে যাও’ বাণী রয়েছে বলে দাবি করেন তৃণমূল কাউন্সিলর। এখানেই ওঠে বিতর্ক। সেই সময়েই প্রতিবাদ জানান সজল ঘোষ সমেত অন্যান্য বিজেপি কাউন্সিলররা। এর পাশাপাশি ৬৩ নম্বর ওয়ার্ডের খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী তৃণমূল কাউন্সিলর সুস্মিতা ভট্টাচার্যের সঙ্গেও অনন্যার বাদানুবাদ বেঁধে যায়। সেই ইস্যুতে এবার আন্দোলনে নেমে পড়ল বিজেপিও। এ বার অনন্যার বলা গল্প নিয়েই পুলিশে তাঁর কাছে গ্রেফতারির আবেদন জানাতে এফআইআর দায়ের করা হল রাজ্য বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চার তরফে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Amherst Street PS: ‘‘তৃণমূল বলে কিছু নেই, পুলিশও কন্ট্রোলে নেই’’! থানায় যুবকের মৃত্যুতে বিস্ফোরক দিলীপ

    Amherst Street PS: ‘‘তৃণমূল বলে কিছু নেই, পুলিশও কন্ট্রোলে নেই’’! থানায় যুবকের মৃত্যুতে বিস্ফোরক দিলীপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের পুলিশ লক-আপে মৃত্যু ঘিরে উত্তাল শহর কলকাতা। থানার মধ্যে পিটিয়ে এক ব্যক্তিকে মেরে ফেলার অভিযোগ উঠল আমহার্স্ট স্ট্রিট থানার (Amherst Street PS) পুলিশের বিরুদ্ধে। এই অভিযোগ ঘিরে পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়ে মৃতের পরিবার। দফায় দফায় রাস্তা অবরোধ করেন স্থানীয়রা। ওঠে সিবিআই তদন্তের দাবি। এই ঘটনায় রাজ্য প্রশাসনকে তুলোধনা করেছে বিজেপি। থানার সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশের দাবি তুলেছে বিরোধীরা। এর পরই নড়েচড়ে বসেছে পুলিশ। ঘটনার সময় থানায় কর্মরত পুলিশকর্মীদের নামের তালিকা তৈরি করেছে লালবাজার।

    চোরাই ফোন কেনায় থানায় জিজ্ঞাসাবাদ

    জানা গিয়েছে, মৃত ব্যক্তির নাম অশোক সিং। বুধবার, ফোন চুরির একটি তদন্তে ওই ব্যক্তিকে থানায় ডেকে পাঠানো হয়েছিল। মৃতের পরিবারের দাবি, সম্প্রতি ২০০ টাকা দিয়ে একটি ফোন কিনেছিলেন অশোক। সেই নিয়ে থানা (Amherst Street PS) থেকে ফোন করা হয় তাঁকে। বলা হয়, ফোনটি চুরির ফোন। গতকাল থানায় তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করছিল পুলিশ। সেই সময় বছর বেয়াল্লিশের অশোকের মৃত্যু হয় বলে অভিযোগ। পরিবারের দাবি, থানার ভেতরে অশেককে পিটিয়ে খুন করা হয়েছে। যদিও পুলিশের পাল্টা দাবি, ওই ব্যক্তি আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়েন। 

    কী জানাচ্ছে মৃতের পরিবার?

    পরিবার সূত্রে খবর, বিকেল পাঁচটা নাগাদ আমহার্স্ট স্ট্রিট (Amherst Street PS) থানায় যান অশোক। কিছু ক্ষণ পরই থানায় পৌঁছে ওই ব্যক্তিকে থানার মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখেন তাঁর পরিবারের লোকজন। মৃতের মুখ দিয়ে রক্ত বেরোচ্ছিল বলেও অভিযোগ। পুলিশের তরফেই মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে অশোককে মৃত (Death In Police Station) বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। পরিবারের প্রশ্ন, থানায় ঢোকার আগে পর্যন্ত দিব্যি সুস্থ ছিলেন অশোক। ভিতরে ঢুকে কী করে অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন তিনি? অশোকের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই উত্তপ্ত হয়ে পড়ে গোটা এলাকা। থানার সামনে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন স্থানীয়রা। দীর্ঘক্ষণ রাস্তা অবরোধ চলে। তাঁদের দাবি, ঘটনার সিবিআই তদন্ত হলেই প্রকৃত সত্য সামনে আসবে।

    ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ বিজেপির

    এদিকে এই ঘটনায় পুলিশ-প্রশাসনের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে বিজেপি। আমহার্স্ট স্ট্রিট (Amherst Street PS) থানার ওসি সহ ডিউটিরত পুলিশ কর্মীদের ক্লোজ করে অবিলম্বে হেফাজতে নেওয়ার দাবিতে সরব হয়েছে গেরুয়া শিবির। রাতে থানার সমানে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি কাউন্সিলার সজল ঘোষ। তাঁর আরও দাবি, মৃত অশোক কুমার সিংয়ের দেহের ময়নাতদন্ত রাজ্য সরকারের কোনও হাসপাতালে না করে কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনস্ত যে কোনও হাসপাতালে করতে হবে৷ তাঁর দাবি কীভাবে ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে, তা জানার জন্য ময়নাতদন্তের রিপোর্ট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ৷

    রাজ্য প্রশাসনকে আক্রমণ দিলীপ ঘোষের

    আমহার্স্ট স্ট্রিট (Amherst Street PS) থানার ঘটনায় রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ করেছেন সাংসদ দিলীপ ঘোষ। বৃহস্পতিবার সকালে, নিউটাউনে প্রাতর্ভ্রমণে বেরিয়ে বিজেপি সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি বলেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গে পুলিশের কাজকর্ম ক্রমশ খুব বিতর্কিত হয়ে যাচ্ছে। এমনিতেই পুলিশকে নিয়ে চিন্তা আছে। সিপিএম আমলে পুলিশকে ব্যবহার করা হতো। কিন্তু এখন গোটাটাই পুলিশ করছে। তৃণমূল পার্টি বলে কিছু নেই। পুলিশ টাকা তুলে দিচ্ছে। বিরোধীদের ঠান্ডা করছে। ফলে তাদের ওপর কোনও কন্ট্রোল নেই। যেখানে গণপ্রহারে লোক মরছে সেখানে পুলিশের দেখা নেই। যেখানে গুলি চলছে, পুলিশ দাঁড়িয়ে দেখছে। ঘরবাড়িতে আগুন লাগানো হচ্ছে, পুলিশ নির্বিকার।  আর এখানে, কার মোবাইল চুরি হয়েছে, কোনও তথ্য প্রমাণ ছাড়াই লোককে ডেকে থানায় পিটিয়ে মেরে (Death In Police Station) ফেলা হচ্ছে। এর পিছনে কী রহস্য? তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। মানুষ ভয়ে আছে। দুষ্কৃতীদের থেকে বাঁচতে মানুষ পুলিশের কাছে যায়। পুলিশ যদি এরকম অত্যাচার করে, তাহলে মানুষ কোথায় যাবে?’’

    খতিয়ে দেখছে লালবাজার

    এদিকে, এই ঘটনায় খতিয়ে দেখছেন কলকাতা পুলিশের একজন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার পদমর্যাদার পুলিশ আধিকারিক৷ এছাড়া ওই ঘটনার সময় আমহার্স্ট স্ট্রিট থানার (Amherst Street PS) অফিসার ইনচার্জ এবং অতিরিক্ত অফিসার ইনচার্জ-সহ যে ক’জন পুলিশকর্মী থানায় উপস্থিত ছিলেন, তাঁদের নামের তালিকা তৈরি করেছে লালবাজার৷ তাঁদের সঙ্গে আলাদা আলাদা করে কথা বলে ঠিক কী হয়েছিল, তা জানার চেষ্টা করবেন পুলিশ কর্তারা৷ ওই ব্যক্তিকে থানায় ডেকে কীভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল এবং থানায় ডাকার যে আইনি নিয়ম রয়েছে, তা এক্ষেত্রে মানা হয়েছিল কি না তাও খতিয়ে দেখছেন লালবাজারের তদন্তকারী আধিকারিকরা (Death In Police Station)। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ganga Arati: বিজেপির গঙ্গা আরতি কর্মসূচি নিয়ে ধুন্ধুমার বাবুঘাট, গ্রেফতার সজল ঘোষ

    Ganga Arati: বিজেপির গঙ্গা আরতি কর্মসূচি নিয়ে ধুন্ধুমার বাবুঘাট, গ্রেফতার সজল ঘোষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতায় গঙ্গা আরতি নিয়ে এবারে বিজেপি ও পুলিশের সংঘাত। গঙ্গা আরতির কর্মসূচি নিয়েই ধুন্ধুমার পরিস্থিতি বাবুঘাট চত্বরে। মঙ্গলবার বাবুঘাটে বিজেপির গঙ্গা আরতির কর্মসূচি আটকে দিল পুলিশ। এই নিয়েই বিজেপি নেতা সজল ঘোষ ও পুলিশের বচসা বাঁধে ও ধস্তাধস্তি শুরু হয়। অভিযোগ, ঘটনাস্থল থেকে টেনে সরানো হয় বিজেপি কর্মীদের। খুলে ফেলা হয়েছে গেরুয়া পতাকাও। শেষপর্যন্ত গ্রেফতার করা হয় বিজেপি কাউন্সিলর সজল ঘোষকে। তাঁকে টেনে-হিঁচড়ে লালবাজারে নিয়ে যায় পুলিশ।

    সজল ঘোষকে টেনে-হিঁচড়ে প্রিজন ভ্যানে তুলল পুলিশ

    এদিন সন্ধ্যায় বাজা কদমতলা ঘাটে রাজ্য বিজেপির পক্ষ থেকে আরতির আয়োজন করা হয়। কিন্তু সোমবারই তা বাতিল ঘোষণা করে কলকাতা পুলিশ। পুলিশের অনুমতি না থাকলেও এদিন ওই জায়গায় বিজেপি কর্মী সমর্থকরা যান। তখনই তাঁদের সরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে পুলিশের বিরুদ্ধে। বিজেপির অভিযোগ, পুলিশ ওই মঞ্চ খুলে দেয়। এর পর বিজেপি কাউন্সিলর তথা নেতা সজল ঘোষ দাবি করেন, সেনাবাহিনীর থেকে অনুমতি পেলেও গঙ্গা আরতি করতে বাধা দিচ্ছে পুলিশ। যা নিয়ে পুলিশকর্তাদের সঙ্গে বচসা বাধে তাঁর।

    পুলিশের অনুমতি নেই জানানো হলেই বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন সজল ঘোষ। ধস্তাধস্তি শুরু হয় বিজেপি কর্মীদের সঙ্গেও। তারপরই তৈরি হয় ধুন্ধুমার পরিস্থিতি। সজল ঘোষকে টেনে-হিঁচড়ে প্রিজন ভ্যানে তোলে পুলিশ। টেনে-হিঁচড়ে যখন তাঁকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, তখন কেন তাঁকে পুলিশ নিয়ে যাচ্ছে বলে বারবার জানতে চান সজল ঘোষ। পাশাপাশি তিনি লালবাজারে যাবেন না বলেও বারবার বলতে থাকেন। যদিও তাঁর কোনও কথাই শোনেনি পুলিশ। কলকাতা পুলিশ তাঁকে তুলে নিয়ে যাওয়ার কিছুটা আগেই বিজেপি নেতা সজল ঘোষ অভিযোগ করেন, পুলিশকে কাজে লাগিয়ে এ রাজ্যের সরকার মানুষের অধিকার কেড়ে নিচ্ছে। কেড়ে নেওয়া হচ্ছে ধর্মীয়, রাজনৈতিক অধিকার।

    বৃহস্পতিতেও বিজেপির কর্মসূচিতে বাধার আশঙ্কা

    মঙ্গলবারে গঙ্গা আরতির কর্মসূচিতে কলকাতা পুলিশের অনুমতি পাওয়া যায়নি। বৃহস্পতিবারের বিজেপির কর্মসূচিতেও এখনও পর্যন্ত অনুমতি পাওয়া যায়নি। ফলে আগামী দিনে অনুমতি পাবে কিনা তা নিয়ে আশঙ্কা রয়েছে। উত্তর কলকাতার সিমলা থেকে মধ্য কলকাতার কার্জন পার্ক পর্যন্ত পদযাত্রার ডাক দিয়েছে বিজেপির যুব শাখা। বিজেপি যা ঠিক করেছে তাতে সিমলা থেকে শুরু হয়ে কলেজ স্ট্রিট, ওয়েলিংটন স্কোয়্যার হয়ে পদযাত্রা আসবে ধর্মতলায়। এর পরে রানি রাসমণি রোড হয়ে যাবে কার্জন পার্কে। বিজেপি সূত্রে খবর, লালবাজারে আবেদন করা হলেও মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত প্রয়োজনীয় অনুমতি মেলেনি। বৃহস্পতিবার স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিন উপলক্ষে ম্যারাথন করতে চায় বিজেপি যুব মোর্চা। স্বামীজির মূর্তিতে মালা দিয়ে কর্মসূচি শুরু হবে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায়। তবে তার এক ঘণ্টা আগে থেকেই জমায়েতের ডাক দিয়েছে যুব মোর্চা। আজকের গঙ্গা আরতি নিয়ে যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হল, এর পর বৃহস্পতিবারের কর্মসূচির জন্য অনুমতি পাওয়া যাবে কি না তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে গেরুয়া শিবিরে।

     

LinkedIn
Share