Tag: BJP West Bengal

BJP West Bengal

  • RG Kar: পরিস্থিতি বেগতিক, স্কুল পড়ুয়াদের আন্দোলন ভাঙতে ‘ঘুষ’ দেওয়ার সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার মমতার

    RG Kar: পরিস্থিতি বেগতিক, স্কুল পড়ুয়াদের আন্দোলন ভাঙতে ‘ঘুষ’ দেওয়ার সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার মমতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর আন্দোলনে (RG Kar) উত্তাল রাজ্য। জেলায় জেলায় স্কুলপড়ুয়াদের মিছিলে ভীত রাজ্য সরকার আন্দোলন বন্ধের হুঁশিয়ারি দিয়ে নির্দেশিকা জারি করতে বাধ্য হয়। কিন্তু তাতে কী? নির্দেশকে থোড়াই কেয়ার! চলতে থাকে আন্দোলন। হাওড়ার তিন স্কুলকে শো-কজও করে রাজ্য। তাতেও আন্দোলন থামেনি। তাই পরিস্থিতি বেগতিক বুঝে পড়ুয়াদের বাগে আনতে সম্প্রতি উচ্চ মাধ্যমিক পড়ুয়াদের শিক্ষক দিবসেই ট্যাব দেওয়ার ঘোষণা করে মমতা সরকার (Nabanna)। নবান্ন (Nabanna) সূত্রে জানানো হয়, আগামী ৫ সেপ্টেম্বর শিক্ষক দিবস উপলক্ষ্যে কলকাতায় মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতিতে একটি অনুষ্ঠান হবে। সেখানে তিনি কিছু ছাত্রছাত্রীর হাতে প্রতীকী অর্থ তুলে দেবেন। আর ওই দিনই রাজ্য সরকার উচ্চ মাধ্যমিক পড়ুয়াদের অ্যাকাউন্টে ট্যাব বা মোবাইল কেনার অর্থ বাবদ ১০ হাজার টাকা পাঠাবে।

    অ্যালটমেন্ট অর্ডার বাতিল

    কিন্তু পিছু হটতে হল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। এভাবে যে পড়ুয়াদের আন্দোলন (RG Kar) কেনা যাবে না, তা বুঝে যেতেই অ্যালটমেন্ট অর্ডার বাতিল করল তৃণমূল সরকার। মমতা সরকারের এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে তোপ দেগেছে রাজ্য বিজেপি। গেরুয়া শিবিরের নেতা তথা বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়ের দাবি, এটা আসলে ছাত্র-ছাত্রীদের ঘুষ দেওয়া হচ্ছিল। সিদ্ধান্ত থেকে পিছু হটতে হল মুখ্যমন্ত্রীকে। কারণ তিনি বুঝে গিয়েছেন, ঘুষ দিয়ে আন্দোলনের (RG Kar) আগুন নেভানো যাবে না।

    কী লিখলেন জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়?

    মঙ্গলবার সকালে বিজেপির সাধারণ সম্পাদক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় সমাজ মাধ্যমের পাতায় বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি লেখেন, ‘‘আবার পিছু হঠলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিলোত্তমার বিচার চেয়ে সারা রাজ্যে স্কুল পডুয়াদের মধ্যে প্রতিবাদের ঢেউ উঠেছে। সরকারি-বেসরকারি স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী, প্রাক্তনীরা ভয় ভেঙে মাঠে রয়েছেন। আন্দোলন চালাচ্ছেন। তাঁদের বাঙালি সমাজের কাছে প্রশ্ন, আর কবে চিত্ত স্বাধীন হবে। ভয় পেয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতাও। স্কুল পডুয়াদের আন্দোলন ভাঙার জন্য ঘুষ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল সরকার। ৫ সেপ্টেম্বর শিক্ষক দিবসের দিন বেলা ১২টায় ১৩ লক্ষ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির পড়ুয়াদের ১০ হাজার টাকা করে ঘুষ দেওয়ার কথা ছিল। খরচ হত ১৩০০ কোটির বেশি। তার জন্য বাজার থেকে ৩০০০ কোটি টাকা ঋণও নিয়েছে নবান্ন। কিন্তু আন্দোলনের আগুন নেভানো যাবে না, মুখ্যমন্ত্রী তা বুঝে গিয়েছেন। তাই ছাত্র-ছাত্রীদের ঘুষ (RG Kar) দেওয়ার ১৩০০ কোটি টাকার অ্যালটমেন্ট অর্ডার বাতিল করে দেওয়া হয়েছে।’’

    মুখ্যমন্ত্রীর পরাজয় সময়ের অপেক্ষা (RG Kar)

    আরজি কর আন্দোলনে অনেকটাই কোণঠাসা শাসক। হাইকোর্ট থেকে শীর্ষ আদালত, সর্বত্র মুখ পুড়েছে মমতা সরকারের। পথে নেমেছে নাগরিক সমাজ। এমন পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রীর পরাজয় যে সময়ের অপেক্ষা, তাও নিজের পোস্টে লিখেছেন জগন্নাথ। বিজেপির এই রাজ্য নেতার কথায়, ‘‘পিছু হঠেছে সরকার। কবে ফের এই ঘুষ দেওয়া হবে, তাও কিছু জানানো হয়নি। তরুণের স্বপ্ন আপাতত দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়েছে। হারবেন মুখ্যমন্ত্রী, আপনি হারবেন। আপনাকে আমরা হারাবোই।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: তৃণমূলের সন্ত্রাস, চাষ করতে পারছেন না বিজেপি কর্মীরা, পুলিশের দ্বারস্থ গেরুয়া শিবির

    Birbhum: তৃণমূলের সন্ত্রাস, চাষ করতে পারছেন না বিজেপি কর্মীরা, পুলিশের দ্বারস্থ গেরুয়া শিবির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বীরভূমে (Birbhum) চাষ করতে দেওয়া হচ্ছে না বিজেপি কর্মীদের। জেলার বিভিন্ন গ্রামে চাষ করতে পারছেন না তাঁরা। গ্রামে গ্রামে বিজেপি কর্মীদের চাষের ওপর ফতোয়া জারি করেছে শাসক দল। এমনই অভিযোগ করে জেলার (Birbhum) পুলিশ সুপারের দ্বারস্থ হলেন বিজেপির বীরভূম সাংগঠনিক জেলার সভাপতি ধ্রুব সাহা।  প্রসঙ্গত, এদিন লম্বোদর দাস, দামোদর পাল নামের জনৈক বিজেপি (BJP) কর্মীরা এই অভিযোগ দায়ের করেন। প্রত্যেকেই গ্রামে গ্রামে তৃণমূলের লাগামছাড়া সন্ত্রাসের কথা তুলে ধরেন নিজেদের অভিযোগে।

    সিউড়ি-২ নম্বর ব্লকের একাধিক গ্রামে সন্ত্রাস (Birbhum)

    আজ অর্থাৎ মঙ্গলবার বিজেপির বীরভূম (Birbhum) সাংগঠনিক জেলার সভাপতি ধ্রুব সাহা জেলা পুলিশ সুপারের সঙ্গে দেখা করেন। তাঁর অভিযোগ, ‘‘নির্বাচনের পর থেকেই সিউড়ি-২ নম্বর ব্লকের একাধিক গ্রামে সন্ত্রাস চলাচ্ছেন তৃণমূল কর্মীরা। বিজেপি (BJP) কর্মীদের বাড়িতে থাকতে দিচ্ছে না। চাষ করতে দেওয়া হচ্ছে না তাঁদের, ট্রাক্টর ভাড়া দেওয়া হচ্ছে না বিজেপি কর্মীদের। তাঁরা যাতে নিরাপদে তাঁদের বাড়িতে থাকতে পারে এবং চাষ করতে পারে তার ব্যবস্থা করতে হবে প্রশাসনকে।’’

    বেছে বেছে বিজেপি কর্মীদের টার্গেট করছে পুলিশ

    একই সঙ্গে ধ্রুব সাহার দাবির, ‘‘মল্লারপুরের (Birbhum) পাথাই গ্রামে পুলিশকে মারধরের ঘটনার পর বিজেপি কর্মীদের বাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাট করার হুমকি দিচ্ছে সিভিক ভলেন্টিয়াররা।’’ এই ঘটনাতেও পুলিশ সুপারের দ্বারস্থ হয়েছে বিজেপি। ধ্রুব সাহা অভিযোগ করেছেন, ‘‘মাস কয়েক আগে এখানে পুলিশকে মারধরের ঘটনা ঘটেছিল। কয়েকজন পুলিশ কর্মী আহত হয়েছিলেন। এই ঘটনার পর পুলিশ দোষী ব্যক্তিদের ধরতে না পেরে বেছে বেছে বিজেপি কর্মীদের টার্গেট করছে, বাড়িতে থাকতে পারছেন না গ্রামের মানুষেরা। সিভিক ভলেন্টিয়াররা বাড়িতে গিয়ে গিয়ে হুমকি দিচ্ছে বাড়ি ভাঙচুর করার, লুটপাট করে নেওয়ার।’’ পাশাপাশি তিনি এও জানিয়েছেন, যাঁরা প্রকৃত দোষী, যাঁরা পুলিশকে মারধর করেছেন, তাঁদেরকে চিহ্নিত করুক পুলিশ। এই ঘটনায় বিজেপি কর্মীদের টার্গেট করছে পুলিশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Post Poll Violence: ঘরছাড়া কর্মীদের নিরাপত্তা চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ শুভেন্দু অধিকারী

    Post Poll Violence: ঘরছাড়া কর্মীদের নিরাপত্তা চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ শুভেন্দু অধিকারী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২১-এর ভয়ানক রাজনৈতিক রোগ ফিরে এসেছে ২০২৪-এ। ভোট মিটতেই শাসকদলের অত্যাচারে (Post Poll Violence) ঘরছাড়া হয়েছেন বিরোধী রাজনৈতিক দলের হাজার হাজার কর্মী। আক্রান্তদের মধ্যে বেশিরভাগ বিজেপির সদস্য। এবার লোকসভা ভোট পরবর্তী রাজনৈতিক হিংসায় ঘর ছাড়াদের নিরাপত্তা চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন শুভেন্দু অধিকারী। বিচারপতি প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং হিরন্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বুধবার আদালতে এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

    হাইকোর্টে বিজেপি কর্মীদের নিরাপত্তা চেয়ে মামলা

    প্রসঙ্গত এর আগে কলকাতা হাইকোর্টের গ্রীষ্মকালীন বেঞ্চের বিচারপতি কৌশিক চন্দ্র এবং অপূর্ব সিনহার ডিভিশন বেঞ্চ ৬ই জুন ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে রাজ্যের তীব্র সমালোচনা করেছিল। একটি জনস্বার্থ মামলার প্রেক্ষিতে সেদিন শুনানি হয়। শুনানি চলাকালীন ডিভিশন বেঞ্চ রাজ্যকে অবিলম্বে যাতে (Post Poll Violence) হিংসা বন্ধ হয় তার জন্য প্রশাসনকে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেয়। সেদিন হাইকোর্টে রাজ্য পুলিশ অক্ষম হলে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তার ব্যবস্থা করার হুঁশিয়ারি দেয়। অভিযোগ উঠছে ভোট পরবর্তী হিংসায় ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। ঘর ছাড়া হয়েছেন কয়েক হাজার। ইতিমধ্যেই কলকাতার মাহেশ্বরী ভবনে ঠাঁই দাওয়া হয়েছে বহু বিজেপি কর্মীদের। তাঁরা কবে বাড়ি ফিরতে পারবেন তার জন্য দিন গুনছেন। রাজ্যে সাত দফায় ভোট হয়েছে। অন্য বারের তুলনায় শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হয়েছে। কিন্তু ভোট শেষ হতেই কেন্দ্রীয় বাহিনী নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছে। এরপরই শুরু হয়েছে শাসক দলের অত্যাচার। খুন, জখম, মারধরের পাশাপাশি বিজেপি কর্মীদের দোকান ভাঙচুর করা হয়েছে। তাঁদের বাড়িঘর ঘিরে হামলা করা হচ্ছে। অনেকেই এর জেরে ঘরছাড়া হয়েছেন। তাই আক্রান্তদের নিরাপত্তা চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    ফিরে এল ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস (Post Poll Violence)

    প্রসঙ্গত ২০২১ সালেও ভোটের পর রাজনৈতিক হিংসার (Post Poll Violence) ঘটনা ঘটেছিল। বিজেপির কয়েক হাজার কর্মী এক বছরের বেশি সময় ঘরছাড়া ছিলেন। যারা ঘরে ফিরেছিলেন তাঁরাও নিজের ভিটে মাটিতে উঠতে পেরেছিলেন কয়েক মাস পর। অনেকে কোন রাজনৈতিক দল না করার মুচলেকা লিখে বাড়ি ফিরেছিলেন। এবারও ধীরে ধীরে পরিস্থিতি সেদিকেই যাচ্ছে বলে অভিযোগ রাজ্য বিজেপির নেতাদের। সেবার ভোটের পর বিভিন্ন কমিশন রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় ঘোরার পর প্রশাসন ব্যবস্থা নিতে শুরু করেছিল।

    আরও পড়ুন: মানিকতলা সহ রাজ্যের চার বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন, তারিখ জানাল কমিশন

    এবার পরিস্থিতি আরো বিপজ্জনক বলে দাবি করা হচ্ছে বিজেপির তরফ থেকে। বিজেপির অভিযোগ এলাকায় এতটাই সন্ত্রাস (Post Poll Violence) যে বিষয়গুলো সামনে সামনে আনাও কষ্টসাধ্য হয়ে দাঁড়াচ্ছে। বহু ক্ষেত্রে বিষয়টি সংবাদ মাধ্যমের সামনে আসছে না এতটাই সন্ত্রাস রয়েছে ওই সমস্ত গ্রামীণ এলাকায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP West Bengal: এবার যোগ্য শিক্ষকদের পাশে বিজেপি, আইনি সহায়তা দিতে গঠন করা হল লিগ্যাল সেল

    BJP West Bengal: এবার যোগ্য শিক্ষকদের পাশে বিজেপি, আইনি সহায়তা দিতে গঠন করা হল লিগ্যাল সেল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার যোগ্য অথচ চাকরি হারাদের পাশে বিজেপি (BJP West Bengal)। যোগ্য শিক্ষক কিন্তু নিজের চাকরি খুইয়েছেন, এমন শিক্ষকদের আইনি সহায়তা দেবে রাজ্য বিজেপি। আদালতে আইনি লড়াই করার জন্য বিজেপির তরফে তৈরি করা হল লিগ্যাল সেল। পাঁচ সদস্যকে নিয়ে এই সেল গঠন করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আগামী বুধবার থেকে চালু করা হবে একটি বিশেষ পোর্টাল।

    করা কারা রয়েছেন এই সেলে (BJP West Bengal)?

    বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, এসএসসিতে চাকরি হারা শিক্ষকদের মধ্যে যোগ্য শিক্ষকদের আইনি সাহায্য দিতে বিজেপি (BJP West Bengal) রাজ্য স্তরে পাঁচ সদস্যের লিগ্যাল সেল গঠন করেছে। এই সেলের মধ্যে রয়েছেন আইনজীবী তীলক মিত্র, রাহুল সরকার, কৌস্তভ চট্টোপাধ্যায়, সহশ্রাংশু ভট্টাচার্য এবং সুকান্ত চট্টোপাধ্যায়। আগামী বুধবার থেকে যোগ্য শিক্ষকদের জন্য একটি পোর্টাল খোলা হচ্ছে। নিজের নিজের অভিযোগের কথা জানিয়ে আইনি সহায়তা পেতে পারেন ভুক্তভুগীরা। প্রয়োজনে সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে সাহায্যের আশ্বাস দেওয়া হয় বিজেপির পক্ষ থেকে।

    বিজেপির বক্তব্য

    রাজ্য বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “বিজেপির (BJP West Bengal) যে লিগাল সেল রয়েছে, তার পক্ষ থেকে আমরা আজ পাঁচ সদস্যের একটি টিম গঠন করেছি। একটি পোর্টাল আগামী বুধবার থেকে খোলা হবে। যাঁদের চাকরি চলে গিয়েছে এবং যাঁরা নিজেদের যোগ্য মনে করছেন তাঁরা সকলে এই পোর্টালে আবেদন করতে পারবেন। নিজের নিজের নাম নথিভুক্ত করে রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন। দরকার হলে আমরা হাইকোর্টে এবং সুপ্রিম কোর্টে সকলকে সহযোগিতা করব। তবে আইনি খরচ বিজেপির পক্ষ থেকে বহন করা হবে।”

    আরও পড়ুনঃ উত্তরবঙ্গে এবার ইলিশ মিলবে কম দামে, হিলিতে চালু হবে ‘ইন্টিগ্রেটেড চেকপোস্ট’

    মোদি সহায়তা কেন্দ্রের কথা বলে ছিলেন

    রাজ্যে প্রায় ২৬ হাজার চাকরি বাতিল হওয়ায় সরব হয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। তিনি রাজ্যের নির্বাচন প্রচারে এসে তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “শিক্ষক নিয়োগের দুর্নীতিতে অনেক যোগ্য প্রার্থী মুশকিলে পড়েছেন। বাংলার বিজেপি (BJP West Bengal) সভাপতিকে বলেছি যোগ্যদের সহযোগিতা করতে জেলা স্তরে লিগাল সেল এবং একটি সোশ্যাল মিডিয়ার টিম এবং প্ল্যাটফর্ম তৈরি করতে।” এবার প্রধানমন্ত্রীর কথায় এই পরিষেবা চালু করল বিজেপি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Krishnanagar: প্রার্থীর সামনেই সম্মুখসমরে দুই গোষ্ঠী, চাপে মহুয়া

    Krishnanagar: প্রার্থীর সামনেই সম্মুখসমরে দুই গোষ্ঠী, চাপে মহুয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহুয়া মৈত্রর (Mahua moitra) নির্বাচনী প্রচারে ভরদুপুরে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। তৃণমূল নেতা (TMC) জেবের শেখের নামে গো ব্যাক স্লোগান দিল তৃণমূল কর্মীরা। এদিন কৃষ্ণনগর (Krishnanagar) লোকসভা কেন্দ্রের চাপড়া (Chapra)  থানার হাতিশালা (hatishala) জিদা এলাকায় চলছিল মহুয়া মৈত্রের নির্বাচনী প্রচার(Election campaign)। এরপরই তাঁর গাড়িতে দেখা যায় জেবের শেখকে। জেবের শেখ দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূল করলেও ২০২১ এর বিধানসভা ভোটে তৃণমূলের বিরুদ্ধে নির্দল হয়ে লড়াই করেছিলেন। জমানত বাজেয়াপ্ত হওয়া নির্দল (Independent) জেবের শেখকে মহুয়া মৈত্র জেলা সভাপতি হওয়ার পর পুনরায় তৃণমূলে যোগদান করিয়েছিলেন।

    আরও পড়ুন: ‘দলের কোনও দিশা নেই, সনাতন ধর্ম বিরোধী’, ইস্তফা দিলেন কংগ্রেস মুখপাত্র গৌরব বল্লভ

    তৃণমূল কর্মীকে হুমকি মহুয়ার

    এদিন মহুয়া মৈত্রের পাশে তাঁকে দেখতে পেয়েই বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে অন্যান্য তৃণমূল নেতৃত্ব। জানা যায়, গাড়ি থেকে জেবের শেখকে নামিয়ে দেওয়া হয়। এরপরেই জেবের শেখের নামে গো ব্যাক স্লোগান দিতে থাকে তারা। যদিও ক্ষুব্ধ কর্মীদের থামাতে দেখা যায় মহুয়া মৈত্রকে। কর্মীদের থামানোর সময় মহুয়াকে ধমক দিতে দেখা যায়। সেই সময়কার ঘটনা ক্যামেরাবন্দী করছিলেন এক তৃণমূল কর্মী। মহুয়া তাঁকে হুমকির সুরে বলেন, “ক্যামেরা বন্ধ কর। ছবি ডিলিট কর। নাহলে আমার কাছে খাবে এক।”

    সাংবাদিকদের  ‘দু-পয়সার’ বলেছিলেন মহুয়া 

    মহুয়া মৈত্রর উগ্র মেজাজের কথা সকলেরই জানা। ঘুষের বিনিময়ে প্রশ্ন কাণ্ডের তদন্তচলাকীন তদন্তকারীদের মেজাজ হারিয়ে অনেক কথা বলেছিলেন তিনি। পরে দোষী সাব্যবস্ত হয়ে তিনি তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছেন।  সাংবাদিকদের  ‘দু-পয়সার’ মন্তব্য করে নিন্দা কুড়িয়েছিলেন তিনি। এবার তার এলাকায় গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে নিজেদের দলের নেতাকেই তাড়ানো এবং ধমকের ঘটনায় তৃণমূলের নড়বড়ে সংগঠনের বিষয়টি প্রকাশ্যে চলে এল। যদিও এ বিষয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের আধিকারিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh: “কামারের ঘা ওরা দেখেনি, সিধে হয়ে যাবে সব”, স্বভাবসিদ্ধ হুঁশিয়ারি দিলীপের

    Dilip Ghosh: “কামারের ঘা ওরা দেখেনি, সিধে হয়ে যাবে সব”, স্বভাবসিদ্ধ হুঁশিয়ারি দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “এখনও দাদাগিরি শুরুই করিনি। ওরা এখন ঠুকঠাক করছে। যেদিন একটা ঘাম মারব না। কামারের ঘা ওরা দেখেনি সিধে হয়ে যাবে সব।”  বক্তা দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। দিলীপবাবুর নয়া মন্তব্যের জেরে শুরু হয়ে গেছে রাজনৈতিক তরজাও। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পর্কে তাঁর মন্তব্যে শুরু হয়েছিল বিতর্ক। এখনও সেই রেশ কাটেনি। সেই ঘটনায় নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। তাঁর নিজের দল এবং জাতীয় নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে শো কজও করা হয়েছিল। দিন কয়েক আগে তার জবাব দিয়েছেন বর্ধমান-দুর্গাপুর (Bardhaman Durgapur) কেন্দ্রের প্রার্থী। পুনরায় দিলীপ ঘোষের ‘দাদাগিরি’ মন্তব্যের জেরে ফের জলঘোলা হচ্ছে রাজনৈতিক মহলে।

    সমর্থন বহু কর্মী ও ভোটারের

    তাঁর এই ধরনের মন্তব্যে দলের কর্মীরা অবশ্য বেজায় খুশি। তৃণমূলের অত্যাচারে মানুষ যেখানে সহ্যের শেষ সীমায় পৌঁছে গিয়েছেন, সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে দিলীপবাবুর এমন সোজাসাপ্টা কথাবার্তায় ভোটারদেরও অনেকে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের সাফ কথা, বুনো ওলের জন্য এমন বাঘা তেঁতুলেরই প্রয়োজন। দিলীপবাবু অবশ্য ভোটার এবং দলের কর্মীদের এই পালস বুঝেই ভোটের ময়দানে সোজা ব্যাটে খেলা শুরু করেছেন।

    দিনভর বর্ধমানের কুড়মুন গ্রামে প্রচার চালান দিলীপ ঘোষ

    জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার দিনভর বর্ধমানের কুড়মুন গ্রামে প্রচার চালান দিলীপ ঘোষ। কুড়মুন (Kurmun) গ্রামে প্রচার চলাকালীন মন্দিরে গিয়ে পুজোও দিয়েছিলেন তিনি। তারপর সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর এই দাদাগিরি মন্তব্য করে বসেন দিলীপবাবু (Dilip Ghosh)। দাদাগিরি মন্তব্যে বিতর্ক হচ্ছে জানানোয় দিলীপবাবু বলেন, “আমি মাঠে নেমে কাজ করি। ওদের মত খালি ভাষণবাজি করি না। আমার শিরোনামে আসার প্রয়োজন নেই। যাদের কাজ নেই তাঁরা এসব নিয়ে বেশি আলোচনা করছেন।”

     

    আরও পড়ুন: ‘দলের কোনও দিশা নেই, সনাতন ধর্ম বিরোধী’, ইস্তফা দিলেন কংগ্রেস মুখপাত্র গৌরব বল্লভ

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: জয়ের ব্যাপারে নিশ্চিত সুকান্ত, ভাবছেন এখন মার্জিন নিয়ে

    Balurghat: জয়ের ব্যাপারে নিশ্চিত সুকান্ত, ভাবছেন এখন মার্জিন নিয়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বালুরঘাট (Balurghat) লোকসভা আসনে বিজেপির (BJP) মনোনীত প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার আগে বালুরঘাট শহরে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালিতে অংশগ্রহণ করেন সুকান্ত মজুমদার এবং তার সঙ্গে ছিলেন ত্রিপুরার (Tripura) মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা (Manik Saha)।

    সুকান্তর মনোনয়নপত্র জমা (Balurghat)

    এছাড়াও উপস্থিত বিজেপির গঙ্গারামপুর, তপন, বালুরঘাট বিধানসভা বিধায়করা। বালুরঘাট শহরের বিজেপি মোড় এলাকা থেকে মিছিল করে বিজেপির প্রার্থী সুকান্ত মজুমদার সহ অন্যান্য নেতৃত্ব জেলা শাসকের দপ্তরে এসে পৌঁছান। মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার সময় প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা সহ বিজেপির অন্যান্য নেতৃত্ব। বিজেপি পার্টির সূত্রের খবর আজকের এই মিছিলে অন্তত ১৫ হাজার মানুষের জমায়েত হয়েছিল। বিশাল মিছিল ও কর্মী সমর্থকদের ভিড়ে স্পষ্টতই খুশি বিজেপি জেলা নেতৃত্ব।

    কী বললেন সুকান্ত?

    মনোনয়ন পত্র জমা করে বাইরে বেরিয়ে এসেই সুকান্ত মজুমদার বলেন, “আগেরবারের তুলনায় এবারে ভোটের ফলাফল আরও ভালো হবে এবং বালুরঘাটের আসনে বিজেপির জয়লাভ করবে। উন্নয়নের মিছিলে যেভাবে মানুষের উচ্ছ্বাস ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে তাতে এটাই প্রমাণ করে যে এবারেও এই আসলে বিজেপিরই জয় সুনিশ্চিত।” এই বিষয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন, “আমরা এই আসনে বিপুল ভোটে জিতব। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে আমরা এই আসন উপহার দেব আজকে মানুষের উচ্ছাস দেখে বোঝায় যাচ্ছে এই সিটটা কে দখল করবে। আজকে আমার সঙ্গে মনোনয়ন জমাতে উপস্থিত ছিল ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা। তিনিও আমাদের সাথে এই রোদের মধ্যে প্রায় ২ কিলোমিটার রাস্তা হেঁটেছে।” প্রসঙ্গত লোকসভার সেরা সাংসদের পুরষ্কার পেয়েছেন সুকান্ত মজুমদার। কেন্দ্র সরকারের বহু প্রকল্প বালুরঘাটকে উপহার দিয়েছেন সুকান্ত বাবু। সেই কারণে তার জয়ের ব্যাপারে সন্দেহ নেই বালুরঘাটবাসীর।
     
     
     
     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi: কার্টুনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে প্রাণ নাশের হুমকি! তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মালব্য

    PM Modi: কার্টুনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে প্রাণ নাশের হুমকি! তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মালব্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস একটি কার্টুন প্রকাশ করেছে। যাতে দেখা যাচ্ছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) লাথি মেরে মই থেকে ফেলে দিচ্ছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ নিয়েই শুরু হয়েছে বিতর্ক। তৃণমূলকে কার্টুন ইস্যুতে কড়া আক্রমণ শানিয়েছেন বিজেপির এ রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা অমিত মালব্য। তাঁর মতে, এ ধরনের কার্টুন সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রাণনাশের হুমকি। এর পাশাপাশি অমিত মালব্য নির্বাচন কমিশনের কাছে এই ঘটনার তদন্ত চেয়ে আর্জিও জানিয়েছেন, নিজের এক্স হ্যান্ডেলের মাধ্যমে। এনিয়ে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন রাজ্য বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থায় একজন মুখ্যমন্ত্রী কিভাবে দেশের প্রধানমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে লাথি মারতে পারে!

    অমিত মালব্যর ট্যুইট

    অমিত মালব্য লেখেন, ‘‘কোনও শব্দই খুঁজে পাচ্ছিনা, এই ধরনের কার্টুনের নিন্দা করার জন্য। যেখানে তৃণমূল কংগ্রেস সরাসরি প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) সমেত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বাংলা বিজেপির নেতাদের প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে।’’

    তৃণমূলের পতন হচ্ছেই!

    প্রসঙ্গত, একাধিক দুর্নীতি, সন্ত্রাস প্রভৃতি ইস্যুতে লোকসভা ভোটের আগে বেশ কোণঠাসা অবস্থায় রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। একাধিক সমীক্ষায় উঠে এসেছে তাদের লোকসভা ভোটে ভরাডুবির খবর। ইতিমধ্যে একদা তাদের রাজনৈতিক রণনীতিকার প্রশান্ত কিশোরও তৃণমূলের পতনের পূর্বাভাস দিয়েছেন নিজের এক সাক্ষাৎকারে। এমতাবস্থায়, যত ভোট এগিয়ে আসছে তত বিজেপি এবং প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) সম্পর্কে কুরুচিকর মন্তব্য ভেসে আসছে তৃণমূল নেতাদের তরফ থেকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Firhad Hakim: আদর্শ আচরণ বিধি ভঙ্গ করেছেন ফিরহাদ হাকিম, কমিশনে নালিশ বিজেপির

    Firhad Hakim: আদর্শ আচরণ বিধি ভঙ্গ করেছেন ফিরহাদ হাকিম, কমিশনে নালিশ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের আগে কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমের (Firhad Hakim) বিরুদ্ধে আদর্শ আচরণ বিধি ভঙ্গের অভিযোগ। কমিশনের দ্বারস্থ বঙ্গ বিজেপি। জানা গিয়েছে, ফিরহাদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে এ নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে চিঠিও দিয়েছে বিজেপি। প্রসঙ্গত, রবিবার মধ্যরাতে গার্ডেনরিচে বেআইনি নির্মাণ হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে। মারা যান ৯ জন। আহতও হন বহু। যে এলাকায় এই ঘটনা ঘটে তা, মেয়রের খাস তালুক বলেই পরিচিত। ঘটনার পরে সোমবারই গার্ডেনরিচকাণ্ডে ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেন কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম (Firhad Hakim)। বিজেপির অভিযোগ, ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করে আদর্শ আচরণ বিধি লঙ্ঘন করেছেন মেয়র।

    বিজেপির চিঠি

    মেয়র ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করার পর পরেই বিজেপি নেতা শিশির বাজোরিয়া জাতীয় নির্বাচন কমিশনের পশ্চিমবঙ্গের দায়িত্বপ্রাপ্ত  সিইওকে চিঠি লেখেন। সেখানে শিশির লেখেন, ‘‘কলকাতা বন্দর এলাকার বিধায়ক ফিরহাদ হাকিম আদর্শ আচরণ বিধি অমান্য করেছেন। কলকাতা পুরনিগমের ১৩৪ নম্বর ওয়ার্ড মেটিয়াবুরুজে একটি মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। মডেল কোড অফ কন্ডাক্ট বা আদর্শ আচরণবিধি চালু হওয়ার ৪৮ ঘন্টাও অতিবাহিত না হতেই, ১৮৫এসি কলকাতা বন্দরের টিএমসি বিধায়ক (Firhad Hakim), পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মন্ত্রী এবং কেএমসির মেয়র ফিরহাদ হাকিম আদর্শ আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন।’’ বিজেপি ওই চিঠিতে আরও জানিয়েছে, মেটিয়াবুরুজের কেএমসি ১৩৪ ওয়ার্ডে একটি বেআইনি ভবন ধসে পড়ে যে দুর্ঘটনা ঘটেছে তা অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা। ফিরহাদ হাকিম দুর্ঘটনায় নিহতদের জন্য ৫ লক্ষ টাকা এবং আহতদের জন্য ১ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেন। এতে বিজেপির কোনও আপত্তি নেই। কিন্তু রাজ্য সরকারের যেকোনও উচ্চপদস্থ আধিকারিক ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করতেই পারতেন। কিন্তু টিএমসির একজন রাজনৈতিক নেতা যিনি স্থানীয় বিধায়কও, তিনি কীভাবে এই ঘোষণা করছেন? এমন প্রশ্ন তুলেছে গেরুয়া শিবির।

    কমিশনের ব্যাখা

    বিজেপির অভিযোগ যে অযৌক্তিক নয়, তা কমিশনের ব্যাখাতেই পরিষ্কার। কমিশনের ব্যাখা হল, আদর্শ নির্বাচনী আচরণ বিধি চালু হওয়ার পর কোনও রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করতে পারেন না। অর্থাৎ জনপ্রতিনিধিরা কোনও ধরনের ক্ষতিপূরণের কথা ঘোষণা করতে পারেন না। প্রয়োজন পড়লে মুখ্যসচিব বা কোনও অফিসারকে এই ঘোষণা করতে হয়। কিন্তু এই কাজ আধিকারিকদের বদলে ফিরহাদ হাকিম (Firhad Hakim) নিজে করলেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Justice Ganguly: মোদির সভায় যোগদান? বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় প্রার্থী হচ্ছেন তমলুকে?

    Justice Ganguly: মোদির সভায় যোগদান? বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় প্রার্থী হচ্ছেন তমলুকে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিচারপতির পদ ছাড়ছেন তিনি, আসছেন রাজনীতিতেও একথা রবিবারই এক সাক্ষাৎকারে জানিয়ে দিয়েছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Ganguly)। কিন্তু কোন দলে যাচ্ছেন তিনি? তা জানাননি। তবে তৃণমূলে যে একেবারেই নয়, সেটা স্পষ্ট করে দিয়েছেন। শোনা যাচ্ছে বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্য়ায়। প্রার্থী হতে পারেন তমলুক লোকসভা আসনে। চলতি সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জনসভায় তিনি যোগ দিতে পারেন বলেও শোনা যাচ্ছে। তবে এই জল্পনায় এখনও সিলমোহর দেয়নি গেরুয়া শিবির। এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও বিবৃতি আসেনি রাজ্য বিজেপির তরফে।

    কী বলছে গেরুয়া শিবির?

    বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে এ ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানিয়েছে, বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের (Justice Ganguly) ইস্তফা গৃহীত হলে তবেই তিনি প্রতিক্রিয়া দেবেন। অন্যদিকে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেছেন, “রাজনীতিতে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের মতো নিষ্ঠাবান মানুষকে দরকার, সে তিনি যে দলেই যোগ দিন না কেন।” সেই সঙ্গে তাঁর মত, ‘‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বিজেপিই বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের স্বাভাবিক পছন্দ হওয়া উচিত।’’

    গতকাল কী বলেছিলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়?

    বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় রবিবার বলেন, “আমি বিচারপতি পদ থেকে মঙ্গলবার পদত্যাগ করব। আগামিকাল (সোমবার) বিচারপতি হিসেবে আমার শেষ দিন। আমি সেদিন কোনও বিচারের কাজ করব না। কতগুলি মামলা অর্ধেক হয়ে রয়েছে, সেগুলি আমার লিস্ট থেকে রিলিজ করতে হবে। এরপর আমাদের হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে মৌখিকভাবে জানাব। মঙ্গলবার আমাদের রাষ্ট্রপতিকে চিঠি লিখে জানিয়ে দেব। যে মুহূর্তে আমি চিঠিটা পোস্ট করব, সেই মুহূর্ত থেকে আমার রেজিগনেশন কার্যকর হবে। এটাই কনস্টিটিউশন ও কনস্টিটিউশন ল’ এর প্রবিশন। সেটা মঙ্গলবার হবে। এরপর আপনাদের সব প্রশ্নের উত্তর দেব।” গতকাল তিনি আরও বলেন, “মঙ্গলবার দেড়টার সময় কোর্টে মাস্টারদা সূর্যসেন মূর্তির নীচে আমি আসব, সব প্রশ্নের উত্তর দেব। মাথা আমি এখনও নত করিনি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share