Tag: black fever

black fever

  • Black fever: ডেঙ্গির প্রকোপের মাঝেই কালাজ্বরের দাপট! রোগীমৃত্যুতে বাড়ছে উদ্বেগ! 

    Black fever: ডেঙ্গির প্রকোপের মাঝেই কালাজ্বরের দাপট! রোগীমৃত্যুতে বাড়ছে উদ্বেগ! 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বর্ষার মরশুম শুরু হতেই রাজ্য জুড়ে রোগের দাপট। ডেঙ্গি, ম্যালেরিয়া, টাইফয়েডে কাবু রাজ্যবাসী। তার মাঝেই নতুন উদ্বেগ হাজির। কালাজ্বরের (Black fever) দাপট ক্রমশ রাজ্যে বাড়ছে। ফলে, রাজ্যের মানুষের জন্য আরও এক বিপদ ক্রমশ জটিল হচ্ছে বলেই আশঙ্কা করছে চিকিৎসক মহল।

    কী বলছে স্বাস্থ্য দফতরের তথ্য? 

    রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত রাজ্যে কালাজ্বরে (Black fever) আক্রান্ত হয়েছেন মোট ১২ জন। মালদহ, বর্ধমান সহ একাধিক জেলায় কালাজ্বরের দাপট রয়েছে। কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে কালাজ্বরে আক্রান্ত হয়ে ৪৭ বছর বয়সি এক ব্যক্তি দিন কয়েক আগে মারা গিয়েছেন। স্বাস্থ্য দফতরের তথ্য অনুযায়ী, ওঁই ব্যক্তি মালদহের বাসিন্দা। গুরুতর অসুস্থ হয়ে যাওয়ায় তাঁকে দক্ষিণ কলকাতার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিন্তু তাঁর পরিস্থিতির ক্রমশ অবনতি ঘটে। তিনি মারা যান। এই ঘটনায় উদ্বেগ আরও বেড়েছে। কারণ, চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, কালাজ্বরের নির্দিষ্ট চিকিৎসা রয়েছে। কিন্তু তারপরেও রোগীমৃত্যুর ঘটনা ঘটলে, তা নিয়ে বাড়তি দুশ্চিন্তা তৈরি হয়। কারণ, এই ধরনের রোগে সংক্রমণের প্রকোপ বোঝা জরুরি, পাশপাশি কোন ধরনের সমস্যা থাকলে রোগীর পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে, সে সম্পর্কেও স্পষ্ট ধারণা করা দরকার। তা না হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ কঠিন হয়ে যায়।

    কীভাবে বুঝবেন কালাজ্বর (Black fever)? 

    চিকিৎসরা জানাচ্ছেন, কালাজ্বরের কিছু নির্দিষ্ট উপসর্গ রয়েছে। শরীরের তাপমাত্রা মারাত্মক বেড়ে যায়। বারবার জ্বর হলে, শরীরের তাপমাত্রা বাড়তে থাকলে সতর্ক হতে হবে। পাশপাশি পেটে যন্ত্রণা হয়। কালাজ্বরের অন্যতম উপসর্গ হল পেটের উপরের অংশে যন্ত্রণা। পেট ফুলে যাওয়া আর শরীরের ওজন দ্রুত কমে গিয়ে হাত-পা লিকলিকে রোগা হয়ে যাওয়া কালাজ্বরের অন্যতম উপসর্গ বলেও জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। এছাড়া, কালাজ্বর হলে ত্বকে কালো ছোপ দেখা দিতে পারে। জ্বর হলে শরীরের কোন অংশের রঙ পরিবর্তন হচ্ছে কিনা তা নজরে রাখা জরুরি বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞ মহল। এছাড়া, কালাজ্বরের (Black fever) অন্যতম উপসর্গ হল ডায়ারিয়া। জ্বরের সঙ্গে পেটের সমস্যা মারাত্মক বাড়লে সময় নষ্ট করা উচিত নয়। দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। না হলে বড় বিপদের আশঙ্কা বাড়তে থাকে।

    কালাজ্বর কি সংক্রামক রোগ? 

    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, কালাজ্বর (Black fever) ডেঙ্গি, ম্যালেরিয়ার মতো সংক্রামক রোগ। তবে, কালাজ্বর মাছির মাধ্যমে ছড়ায়। তাই এলাকার কেউ কালাজ্বরে আক্রান্ত হলে, অন্যদের সতর্ক হতে হবে। সচেতনতা না বাড়লে এই রোগ প্রতিরোধ কঠিন হয়ে উঠবে।

    কী পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা? 

    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, কালাজ্বরের ওষুধ বহু বছর আগেই আবিষ্কার হয়েছিল। কালাজ্বর (Black fever) হলে তার থেকে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে ওঠা সম্ভব। তাছাড়া, কালাজ্বরের নির্দিষ্ট চিকিৎসা পদ্ধতি রয়েছে। তাই কালাজ্বর হলে আতঙ্কিত হওয়ার দরকার নেই। বরং চিকিৎসকের পরামর্শ মতো চললে দ্রুত রোগ নিরাময় সম্ভব। কিন্তু কালাজ্বর ঠেকাতে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার উপরে বাড়তি নজরদারি জরুরি। বর্ষাকালে পেটের অসুখ, ডায়ারিয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে। এই সময় একেবারেই বাইরের খাবার খাওয়া উচিত নয়। বিশেষত জল খাওয়ার ক্ষেত্রে বাড়তি নজরদারি জরুরি। পরিশ্রুত জল খেতে হবে। বাচ্চাদের বাড়তি নজরদারি করতে হবে। যাতে তাদের কোনও ভাবে পেটের সমস্যা না হয়। তাহলেই সংক্রমণ রোগ ঠেকানো সহজ হবে। এমনই মনে করছেন বিশেষজ্ঞ মহল।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Black Fever: করোনার ঊর্ধ্বমুখী গ্রাফের মাঝেই কালাজ্বরের দাপট, রাজ্যে বাড়ছে উদ্বেগ 

    Black Fever: করোনার ঊর্ধ্বমুখী গ্রাফের মাঝেই কালাজ্বরের দাপট, রাজ্যে বাড়ছে উদ্বেগ 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশ জুড়ে ফের চোখ রাঙাচ্ছে করোনা।‌ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, অযথা ভয় পাওয়ার দরকার নেই। কিন্তু চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, সতর্ক থাকা জরুরি। আর এর মধ্যেই রাজ্যে আরেক বিপদ! বছর শেষে নতুন করে চিন্তায় ফেলেছে কালাজ্বর (Black Fever)। চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, কালাজ্বরের দাপট বাড়ছে। তাই ডেঙ্গি, করোনার মাঝে রাজ্যবাসীর জন্য নয়া বিপদ তৈরি করেছে কালাজ্বর।

    কী বলছে সরকারি তথ্য? (Black Fever)

    স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী, চলতি বছরে রাজ্যে ১৪ জন কালাজ্বরে আক্রান্ত হয়েছেন। হাওড়ার এক বাসিন্দা কালাজ্বরে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন। ফলে, উদ্বেগ বাড়ছে। ন্যাশনাল ভেক্টর বোর্ন ডিজিজের তথ্য অনুযায়ী, গোটা দেশে প্রায় সাড়ে তিনশোর কাছাকাছি মানুষ চলতি বছরে কালাজ্বরে আক্রান্ত হয়েছেন। পাঁচ জনের মৃত্যু হয়েছে। তার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে ১৪ জন আক্রান্ত।  ২০০৩ সাল থেকেই কেন্দ্রীয় সরকার দেশ থেকে কালাজ্বর (Black Fever) নির্মূল করার একাধিক পরিকল্পনা নিয়েছে। কিন্তু কেন্দ্রের পাশপাশি রাজ্যগুলোকেও এ ব্যাপারে উদ্যোগী হতে হবে। তবেই এই জ্বর দেশ থেকে নির্মূল হবে বলে সাফ জানাচ্ছেন স্বাস্থ্য মন্ত্রকের কর্তারা। কিন্তু কেন্দ্রের সঙ্গে সমন্বয়ের অভাব অনেক ক্ষেত্রেই সমস্যা তৈরি করে বলে জানাচ্ছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

    কালাজ্বর থেকে সতর্ক থাকতে কী বলছেন চিকিৎসকেরা? 

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, কালাজ্বরের কিছু নির্দিষ্ট উপসর্গ রয়েছে। জ্বরের পাশপাশি এই রোগ হলে বমি, পেটে যন্ত্রণা, গোটা শরীরে ব্যথা অনুভব হয়। পাশপাশি খিদে একদম কমে যায়। ত্বকের একাধিক জায়গায় কালো ছোপ হয়। অনেকের কালাজ্বর হলে ডায়েরিয়া হয়। তাই এই ধরনের উপসর্গ দেখা দিলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ মতো প্রয়োজনীয় শারীরিক পরীক্ষা করা দরকার। তবে, বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, অনেকের কালাজ্বর (Black Fever) হলে জ্বর ছাড়া আর কোনও উপসর্গ দেখা যায় না। তাই দীর্ঘদিন জ্বর আর পেট ব্যথার মতো উপসর্গ দেখা দিলে অবহেলা করা উচিত নয়। কারণ, চিকিৎসা শুরুতে দেরি হলে বিপদ বাড়তে পারে বলেই জানাচ্ছে বিশেষজ্ঞ মহল।

    কেন বিপদ বাড়ায় কালাজ্বর? (Black Fever) 

    বিশেষজ্ঞদের মতে, কালাজ্বরে আক্রান্ত হলে পাকস্থলী এবং লিভারে প্রভাব পড়ে। পাকস্থলীতে ঘা হতে পারে। পাশপাশি লিভারের কার্যক্ষমতা কমতে থাকে। এই দুই অঙ্গ বিকল হয়ে গেলে বড় সমস্যা দেখা যায়। তাই কালাজ্বরের চিকিৎসা দেরিতে শুরু হলে একাধিক শারীরিক জটিলতা তৈরি হতে পারে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। পাশপাশি, কালাজ্বর সংক্রমণ ছড়ায়। মাছির মাধ্যমে এই রোগ একজনের দেহ থেকে আরেকজনের দেহে ছড়িয়ে পড়ে‌। তাই একজনের এই রোগ (Black Fever) বাসা বাঁধলে দ্রুত রোগ নির্ণয় করা জরুরি। সংক্রামক রোগে রোগ নির্ণয়ে দেরি হলে আরও বেশি রোগ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি থাকবে, বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।  

  • Black Fever: জেলায় বাড়ছে কালাজ্বরের প্রকোপ, সংক্রমিত ৬৫

    Black Fever: জেলায় বাড়ছে কালাজ্বরের প্রকোপ, সংক্রমিত ৬৫

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য জুড়ে ফের বাড়ছে কালাজ্বরের (Black Fever) প্রকোপ। গত কয়েক সপ্তাহে বাংলার ১১টি জেলায় কালাজ্বরে সংক্রমিত হয়েছেন ৬৫ জন। সংক্রমণ রুখতে নজরদারি চলছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য দফতরের (Health department) এক শীর্ষ আধিকারিক। তিনি জানান, দার্জিলিং (Darjeeling), মালদহ (Malda), উত্তর দিনাজপুর (North Dinajpur), দক্ষিণ দিনাজপুর (South Dinajpur) এবং কালিম্পংয়ে এই জ্বরে আক্রান্তের সংখ্যা বেশি বলে জানান ওই আধিকারিক।

    উত্তরবঙ্গের পাশাপাশি দক্ষিণবঙ্গেও কালাজ্বরে সংক্রমণের খবর পাওয়া গিয়েছে। বীরভূম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া ও মুর্শিদাবাদের মতো জেলাগুলিতেও এই রোগে সংক্রমিতের খোঁজ মিলেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কালাজ্বর ছড়ায় মাছি থেকে। রোগের উপসর্গ হল, জ্বর থাকবে ১৪ দিন ধরে। জ্বরের পাশাপাশি কমে যাবে খিদে, কমবে ওজন। চামড়া যাবে শুকিয়ে। রক্তাল্পতা ও বমি বমি ভাবের উপসর্গও থাকবে। সংক্রমিতের যকৃত বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। চিকিৎসকদের মতে, সময় মতো কালাজ্বর ধরা পড়লে দ্রুত রোগ নিরাময় সম্ভব। স্বাস্থ্য দফতরের আধিকারিকরা জানান, জেলায় এই জ্বরের প্রকোপ বাড়লেও, কলাকাতায় এখনও সংক্রমিতের কোনও খবর মেলেনি। বিহার, উত্তর প্রদেশ এবং ঝাড়খণ্ডে যাঁরা দীর্ঘদিন ছিলেন, তাঁরাই এই জ্বরে সংক্রমিত হয়েছেন। বাংলাদেশ থেকে আসা বেশ কয়েকজনের শরীরেও এই জ্বরের সংক্রমণ দেখা গিয়েছে।

    আরও পড়ুন : কয়লা-কাণ্ডে ধৃত আরও এক ইসিএল কর্তা! ইডির দফতরে হাজিরা এড়ালেন তৃণমূল মন্ত্রী-বিধায়ক

    রাজ্য থেকে কালাজ্বর নির্মূল হয়ে গিয়েছিল বলে স্বাস্থ্য দফতরের তরফে জানানো হয়েছে। কিন্তু গত কয়েকদিনে ফের মিলছে সংক্রমিতের হদিশ। গত কয়েক দিনে ১১ জেলায় ৬৫ জনের শরীরে এই রোগের জীবাণু মিলেছে। সংক্রমণ রুখতে সরকার সব রকমের ব্যবস্থা নিয়েছে বলেও জানানো হয়েছে স্বাস্থ্য দফতরের তরফে। কালাজ্বরে সংক্রমিতদের নিখরচায় চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়ার সিদ্ধান্তের কথাও জানান রাজ্য সচিবালয়ের এক শীর্ষ আমলা। কোনও বেসরকারি ল্যাবরেটরি কিংবা হাসপাতালে পরীক্ষায় যদি কালাজ্বরের জীবাণুর হদিশ মেলে, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিককে জানানোর পরামর্শও দেওয়া হয়েছে। জ্বরে সংক্রমিতদের পুষ্টিকর খাবার দেওয়ার ব্যবস্থাও করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন আমলা। তবে এই রোগে এখনও পর্যন্ত একজনের মৃত্যুর খবর মেলেনি বলেও স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর।

    আরও পড়ুন : মশার উপদ্রব থেকে বাঁচতে নয়া পদ্ধতি আবিষ্কার আইসিএমআর-এর

LinkedIn
Share