Tag: blast case

blast case

  • Locket Chatterjee: পান্ডুয়ায় বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় এনআইএ তদন্ত চেয়ে পথে নামলেন লকেট

    Locket Chatterjee: পান্ডুয়ায় বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় এনআইএ তদন্ত চেয়ে পথে নামলেন লকেট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হুগলির পান্ডুয়ায় বোমা বিস্ফোরণে (Pandua Bomb Blast) বালকের মৃত্যুর ঘটনায় এবার এনআইএ (NIA) তদন্তের দাবি জানিয়ে পথে নামলেন হুগলির বিজেপি প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, পুলিশ শুধু বলে যাচ্ছে, তদন্ত হচ্ছে। কিন্তু তিন-চার ঘণ্টা কেটে গেলেও এখনও পুলিশের বম্ব স্কোয়াড এসে পৌঁছল না ঘটনাস্থলে। লকেটের (Locket Chatterjee) পাশাপাশি এদিন ঘটনার প্রতিবাদে জিটি রোড অবরোধ করলেন বিজেপির নেতা-কর্মীরা। উল্লেখ্য চলতি মাসের ২০ তারিখ পঞ্চম দফায় হুগলি লোকসভা কেন্দ্রে ভোট। আর তার আগে এই ঘটনায় তোলপাড় হচ্ছে এলাকা। ভোটের আবহে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজাও।

    ঠিক কী ঘটেছিল? 

    সোমবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা রয়েছে পান্ডুয়ায়। সেই সভাস্থল থেকে কিছুটা দুরেই ঘটল ভয়াবহ ঘটনা। স্থানীয় সূত্রে খবর, সোমবার সকাল সাড়ে ৮টা নাগাদ পান্ডুয়ার তিন্না এলাকার একটি পুকুরপাড় থেকে হঠাৎই প্রচন্ড বিস্ফোরণের শব্দ শোনেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তড়িঘড়ি পুকুর পাড়ে ছুটে এলে তারা দেখতে পান তিনটি বাচ্চা গুরুতর জখম অবস্থায় পড়ে রয়েছে। মৃত কিশোরের নাম রাজ বিশ্বাস। আহত দুই জন রুপম বল্লভ ও সৌরভ চৌধুরী। প্রত্যেকেরই বয়স ১১ থেকে ১৩ এর মধ্যে। এই ঘটনার পরেই এলাকায় যান লকেট (Locket Chatterjee)। ঘটনাস্থল ঘুরে দেখেন। এর পরেই বিস্ফোরণের ঘটনায় এনআইএ (NIA) তদন্তের দাবিতে তিন্না মোড়ের কাছে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করেন বিজেপি প্রার্থী। 

    লকেটের বক্তব্য (Locket Chatterjee) 

    লকেটে বক্তব্য, ‘‘আজ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা রয়েছে পান্ডুয়ায়। তাই আমাকে উঠে যেতে বলছে। কিন্তু আমি কী করে উঠব? ওই শিশুর মা আমাকে জিজ্ঞেস করছিলেন, এর পর কী হবে? আমাকে বলছিলেন, ধীরে ধীরে আপনারাও চলে যাবেন তো। পুলিশকে কোনও বিশ্বাস নেই। আমি ঢুকতে গেলাম, বলল ওদিকে যাবেন না। আরও বোম থাকতে পারে, তাহলে বোম স্কোয়াড কোথায়? দু ঘণ্টা আগে থেকে বলছে যে বোম স্কোয়াড এসে গিয়েছে, কিন্তু বোম স্কোয়াড আসেনি। আদৌ বোম স্কোয়াড আসবে? এনআইএ তদন্ত করতে হবে। আশপাশে এ ভাবে বোমা ছড়িয়ে রয়েছে? ভাবতেই পারছি না।’’

    আরও পড়ুন: ঝাড়খণ্ডের মন্ত্রীর পিএ-র পরিচারকের বাড়ি থেকে ২৫ কোটি টাকা উদ্ধার ইডির!

    শমীক ভট্টাচার্যের বক্তব্য 

    লকেটের পাশাপাশি এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য বলেছেন, ‘‘গত ১৪ মাসে বোমা বিস্ফোরণে (Pandua Bomb Blast) এই নিয়ে ৯ জন কিশোর বা শিশু মারা গিয়েছে। কেউ বল ভেবে খেলতে গিয়ে অধিকাংশ ক্ষেত্রে মারা গিয়েছে। শৌচাগারে গিয়ে মারা গিয়েছে। জঙ্গলে পা পড়ে বিস্ফোরণ হয়েছে, সেখানে মারা গিয়েছে। আমরা কোন রাজ্য বসবাস করছি? বারুদের স্তূপের উপর পশ্চিমবঙ্গ। কারণ যে রাজনৈতিক দলটিকে দুভার্গ্যবশত তৃতীয়বারের জন্য ক্ষমতায় নিয়ে আসা হয়েছে, তাঁদের রাজনীতির ভিতটাই বোমা, হিংসা,সন্ত্রাস, দখলদারি। আজকে তাঁদের কারণে গোটা পশ্চিমবঙ্গে এই অবস্থা তৈরি হয়েছে। বগটুইয়ের ঘটনার পর মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন সমস্ত অফিসারদের ছুটি বাতিল করে দিয়ে, ১৫ দিন সময় দিলাম, সমস্ত অস্ত্র উদ্ধার করো। আর তারপরে কতগুলি বিস্ফোরণ পশ্চিমবঙ্গে হয়েছে?!’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: মথুরাপুরে বোমা বাঁধতে গিয়ে বিস্ফোরণ, জখম তৃণমূলের এক যুবক

    South 24 Parganas: মথুরাপুরে বোমা বাঁধতে গিয়ে বিস্ফোরণ, জখম তৃণমূলের এক যুবক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বোমা বাঁধতে গিয়ে তা ফেটে গুরুতর জখম তৃণমূলের এক যুবক। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে মথুরাপুর থানার ঘোড়াদল এলাকায়। আহত যুবকের নাম আরিফ হোসেন মোল্লা। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রবিবার ভোরে বাড়ির কাছেই বোমা বাঁধছিল আরিফ হোসেন মোল্লা। তখনই বিস্ফোরণ হয়। বিকট শব্দে স্থানীয় বাসিন্দারা ছুটে এসে দেখেন, বোমা বিস্ফোরণের জেরে ঝলসে গেছে আরিফ। এর পরেই তাঁকে উদ্ধার করে ডায়মন্ড হারবার মেডিক্যাল কলেজ (South 24 Parganas) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় মথুরাপুর থানার পুলিশ। তবে কী কারণে এই বোমা বিস্ফোরণ, তার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

    মায়ের বক্তব্য

    মা সমিয়ন বিবি বলেন, আমার দুই ছেলে। বড় ছেলে মধ্যমগ্রামে কাজ করে, আর ছোট এই ছেলে কলকাতায় বই বাঁধাইয়ের কাজ করত। কিন্তু নির্বাচনের জন্য বাড়িতে (South 24 Parganas) এসেছে। হোসেন রাজনীতির কারণেই বোমা বাঁধার কাজ করছিল বলে জানান মা। তিনি আরও বলেন, তাঁদের পরিবার তৃণমূল পার্টি করে। রাত তখন বাজে ৩ টে। সেই সময় আমরা বাড়িতে সবাই ঘুমাচ্ছিলাম। হঠাৎ ছেলে বাবা গো, মা গো বলে চেঁচিয়ে ওঠে। গিয়ে দেখি সারা শরীর ঝলসে গেছে। এর পর ছেলেকে নিয়ে হাসপাতালে আসি। এখান থেকে ডাক্তাররা কলকাতায় নিয়ে যেতে বলেছে। কিন্তু বুঝতে পারছি না, ছেলের এখন কী হবে!

    পঞ্চায়েত নির্বাচন কতটা সুরক্ষিত?

    রাজ্যে পঞ্চায়েত ভোটের মনোনয়ন পর্ব থেকেই সারা রাজ্য জুড়ে সন্ত্রাসের বাতাবরণ, এমনই অভিযোগ করছে রাজ্যের বিরোধী দলগুলি। বিরোধীরা বলছেন, গত ৯ দিনে রাজনৈতিক সংঘর্ষে মারা গেছেন ৭ জন। মুহূর্মুহূ উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে কোচবিহারের দিনহাটা, উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া, মালদার চাঁচল, মুর্শিদাবাদের ডোমকল, বীরভূমের নানুর, পূর্ব মেদিনীপুরের বকচা, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার (South 24 Parganas) ক্যানিং, মিনাখাঁ এবং ভাঙড়। সর্বত্রই বিরোধীরা মনোনয়ন করতে গিয়ে বার বার আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ভাঙড়, ক্যানিং এবং দিনহাটাতে হয়েছে ব্যাপক বোমাবাজি। শুধু তাই নয়, হুগলির খানাকুল থেকে উদ্ধার হয়েছে ড্রাম ভর্তি তাজা বোমা। রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে হাইকোর্ট কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে নির্বাচনের নির্দেশ দিয়েছে। কমিশন এই নির্দেশের বিপক্ষে ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন করার পর বিরোধীরা মনে করছেন, নির্বাচন কমিশন কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট করাতে চায় না। অপর দিকে, মনোনয়নের সময় রাজনৈতিক হিংসা কবলিত এলাকাগুলি পরিদর্শন করেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। সেই সঙ্গে বিরোধীদের মনোনয়ন করাকে সুনিশ্চিত করেন তিনি। রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে শান্তিপূর্ণ ও অবাধ নির্বাচন করতে কড়া বার্তা দিয়েছেন রাজ্যপাল। নির্বাচন কেমন কাটে, সেটাই এখন দেখার।       

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Duttapukur blast: দত্তপুকুর বিস্ফোরণকাণ্ডে বিজেপির দাবি খারিজ হাইকোর্টে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে রিপোর্ট এনআইএ-র  

    Duttapukur blast: দত্তপুকুর বিস্ফোরণকাণ্ডে বিজেপির দাবি খারিজ হাইকোর্টে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে রিপোর্ট এনআইএ-র  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দত্তপুকুর বিস্ফোরণকাণ্ড (Duttapukur blast) মামলায় এনআইএ এবং সিবিআই তদন্তের দাবিতে সোমবার হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী এবং রাজর্ষি লাহিড়ি। মঙ্গলবার বিজেপির সেই আর্জি খারিজ করে দিল আদালত। তদন্তভার রাজ্যের হাতেই রাখার নির্দেশ হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের। আদালত জানিয়ে দিয়েছে, তদন্ত এখন প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। তাই এ ধরনের মামলা অপ্রাসঙ্গিক। তবে মামলাকারী চাইলে যথাযথ ফোরামে গিয়ে আবেদন জানাতে পারেন।

    ঘটনাস্থলে এনআইএ

    রবিবার বিস্ফোরণের খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন এনআইএর প্রতিনিধি দল। এদিন মামলার শুনানিতে এনআইএ আদালতকে জানায়, “আমাদের টিম ঘটনাস্থলে কাজ করছে। ‘এক্সপ্লোসিভ সাবসটেনস অ্যাক্ট’ প্রয়োগ করা হয়নি। তার বদলে ‘ফায়ার সেফটি অ্যাক্ট’ যুক্ত করা হয়েছে। তদন্ত এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এনআইএর আইনজীবীর উদ্দেশে বলেন, “এমন নয় যে, ঘটনাটি বহু দিন আগে ঘটেছে। তদন্ত শুরু হয়নি এমনটাও নয়। রাজ্যের তদন্ত (Duttapukur blast) শুরু হয়েছে। ফলে রাজ্যের বিষয়ে এখনই এনআইএ হস্তক্ষেপের প্রয়োজন নেই।” এর পরেই মামলা খারিজ করে দেন প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, “বিস্ফোরণ হয়েছে, মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু এটা এ রাজ্যে নতুন নয়। গোটা দেশেই বাজি কারখানায় এই ধরনের বেআইনি কাজ হয়।”

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে রিপোর্ট

    এদিকে, বিস্ফোরণকাণ্ডে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে রিপোর্ট পাঠাল এনআইএ। বিস্ফোরণস্থলে কী ধরনের বারুদ মিলেছে, বিস্ফোরণের তীব্রতা কতটা ছিল, এমন নানা বিষয়ে মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে রিপোর্ট পাঠালেন এনআইএর তদন্তকারী আধিকারিকরা। সোমবার ঘটনাস্থলে গিয়ে একাধিক ছবি এবং ভিডিও-ও তুলেছিলেন তাঁরা। পাঠানো হয়েছে সেগুলিও।

    আরও পড়ুুন: উৎসবের মুখে মোদি সরকারের ‘উপহার’, ২০০ টাকা কমছে রান্নার গ্যাসের দাম

    রবিবার ছুটির দিনের সকালে আচমকাই কেঁপে ওঠে দত্তপুকুর (Duttapukur blast) এলাকা। বাজি কারখানায় বিস্ফোরণের জেরে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে সরকারিভাবে জানানো হয়। যদিও স্থানীয়দের দাবি, নিহতের সংখ্যা আরও বেশি। বিস্ফোরণের অভিঘাতে ছিন্নভিন্ন হয়ে যায় দেহ। ভেঙে পড়ে আশপাশের বেশ কয়েকটি পাকা বাড়িও। ঘটনায় এনআইএ এবং সিবিআই তদন্তের দাবি তোলে বিজেপি। দ্বারস্থ হয় আদালতের। বিস্ফোরণের খবর পেয়ে এলাকায় যান এনআইএর তদন্তকারী আধিকারিকরা। সেই রিপোর্টই পাঠানো হয় দিল্লিতে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
LinkedIn
Share