Tag: blast

blast

  • Budge Budge Blast: এগরার পর বজবজ! বিস্ফোরণে বাজি কারখানার মালিকের স্ত্রী, মেয়েসহ তিনজনের মৃত্যু

    Budge Budge Blast: এগরার পর বজবজ! বিস্ফোরণে বাজি কারখানার মালিকের স্ত্রী, মেয়েসহ তিনজনের মৃত্যু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ব মেদিনীপুরের এগরার পর দক্ষিণ ২৪ পরগনার বজবজ। বেআইনি বাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণে (Budge Budge Blast) কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। আগুনে ঝলসে কারখানার মালিক জয়দেব ঘাঁটির স্ত্রী, মেয়ে এবং শাশুড়ির মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদের নাম যমুনা দাস (৬০), জয়শ্রী ঘাঁটি (১০) ও পম্পা ঘাঁটি (৩০)। জয়দেববাবুর স্ত্রী পম্পাদেবী, মেয়ে জয়শ্রী এবং যমুনাদেবী তাঁর শাশুড়ি ছিলেন। ঘটনায় আরও একজন গুরুতর জখম হয়েছেন। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বিস্ফোরণের খবর পেয়ে দমকলবাহিনী গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    কয়েকদিন আগেই পূর্ব মেদিনীপুরের এগরার খাদিকুল গ্রামে বেআইনি বাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ (Budge Budge Blast) হয়। তাতে কারখানার মালিকসহ ১০ জনের মৃত্যু হয়। সেই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই রবিবার সন্ধ্যায় বজবজের চিংড়িপোতা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার নন্দরামপুর দাসপাড়ায় বাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ হয়। তবে, আচমকা কীভাবে বিস্ফোরণ ( BudgeBudge Blast) ঘটল তা জানা যায়নি। ওই কারখানায় কতজন কাজ করছিলেন, বোমা তৈরি হচ্ছিল কি না তা এখনও পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করে বলা হয়নি। তবে, চিংড়িপোতা এলাকায় একাধিক বেআইনি বাজি কারখানা রয়েছে। এগরার ঘটনার পরও এই সব বেআইনি কারবার বন্ধে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনও উদ্যোগ নেওয়া হয়নি বলে স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ। আর তার জেরেই অকালে তিনজনের প্রাণ গেল।

    বিস্ফোরণের তদন্তভার নিল সিআইডি

    বজবজ বিস্ফোরণকাণ্ডে তদন্তভার নিল সিআইডি। সোমবার দুপুরে সিআইডি (এসএস) সায়ক দাস ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। ঘটনাস্থল থেকে বেশকিছু নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরে, সিআইডি কর্তা বলেন, সমস্ত বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনাস্থল থেকে বারুদের নমুনা পাওয়া গিয়েছে। ফরেন্সিক টিমকে খবর দেওয়া হয়েছে।

    বজবজে বেআইনি বাজি কারখানার বিস্ফোরণ নতুন নয়

    বজবজ এলাকায় এর আগেও একাধিক বিস্ফোরণের (Budge Budge Blast) ঘটনা ঘটেছে। জানা গিয়েছে, গত মার্চ মাসে মহেশতলা পুরসভার ৩০ নম্বর ওয়ার্ডে পুঁটখালি মণ্ডলপাড়ায় বেআইনি বাজি কারখানায় বিস্ফোরণ ঘটে। তাতে তিনজনের মৃত্যু হয়। এর আগে ২০২১ সালে ডিসেম্বর মাসে বজবজ-২ ব্লকের নোদাখালি থানার মোহনপুর আর্যপাড়ায় বেআইনি বাজি কারখানায় বিস্ফোরণের (BudgeBudge Blast) ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার পর পরিবেশ দফতর জেলা প্রশাসন এবং পুলিশ প্রশাসনকে দিয়ে একটি কমিটি গঠন করে দিয়েছিল। কমিটির কাজ ছিল, এই বিষয়ে নজরদারি করা। সেই কমিটি যে শুধু লোকদেখানো ছিল তা এদিনের ঘটনায় আরও একবার প্রমাণিত হয়ে গেল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Blast: ফের বিস্ফোরণ! এবার মুর্শিদাবাদে নাম জড়ালো তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যের, জখম ২

    Blast: ফের বিস্ফোরণ! এবার মুর্শিদাবাদে নাম জড়ালো তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যের, জখম ২

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এগরাকাণ্ডের রেশ এখনও কাটেনি। তারই মাঝে ফের বিস্ফোরণ (Blast)। এবার ঘটনাস্থল মুর্শিদাবাদ জেলার রঘুনাথগঞ্জ থানার কাশিয়াডাঙা গ্রাম পঞ্চায়েতের গঙ্গাপ্রসাদ এলাকা। এখানেও নাম জড়িয়েছে গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল সদস্যের। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, এদিন দুপুরে ওই তৃণমূল সদস্যের বাড়ি থেকে বিস্ফোরণের আওয়াজ পাওয়া যায়। মুহূর্তের মধ্যে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বাড়ির ছাদে বোমা রাখা ছিল এবং রোদে শুকানোর সময় তাতে বিস্ফোরণ ঘটে বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, মজুত বোমা থেকেই এই বিস্ফোরণ। ওই পঞ্চায়েত সদস্যের ছেলে এবং নাতি এতে গুরুতর জখম হয়েছেন বলে খবর। যদিও বাড়ির লোক জখম হওয়ার কথা অস্বীকার করেছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করেছে। জখম দুজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    ঘটনার পর পরই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এলাকাবাসী। বোমা বিস্ফোরণ (Blast) যে ঘটেছে, তা অনেকেই জানলেও ক্যামেরার সামনে কেউ কিছু বলতে চাইছেন না। কারণ, যার বাড়িতে ঘটনা ঘটেছে সেই লেলি বিবি স্থানীয় তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যা। শাসক দলের বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস কারও নেই। এই ঘটনা নিয়ে শুরু হয়ে রাজনৈতিক তরজা। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে শাসক দলের নেতা-কর্মীরা বোমা মজুত করছে বলে বিরোধীরা বার বার অভিযোগ করছে। এদিনের এই ঘটনায় সেই অভিযোগ আরও একবার প্রমাণিত হয়ে গেল। এই প্রসঙ্গে মুর্শিদাবাদ জেলা উত্তরের সভাপতি ধনঞ্জয় ঘোষ বলেন, যে বিধানসভা এলাকায় বোমা বিস্ফোরণ হয়েছে, সেটি রাজ্যের মন্ত্রীর এলাকা। এবার পঞ্চায়েত ভোট সুস্থভাবে হলে তৃণমূল কোথাও জিততে পারবে না। তাই শাসক দলের নেতারা এভাবে বাড়ির মধ্যে বোমা মজুত করে রেখেছে। এলাকায় সন্ত্রাসের বাতাবরণ তৈরি করতেই এসব করা হচ্ছে।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    যদিও এই ঘটনা নিয়ে তৃণমূল সাংসদ খলিলুর রহমানকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি কোনও মন্তব্য করতে চাননি। তবে, তৃণমূলের জেলা নেতা অশোক দাস বলেন, সামনেই পঞ্চায়েত ভোট। তার আগে তৃণমূলকে ক্ষমতায় ফিরতে না দেওয়ার সবরকম চেষ্টা করছে বিরোধীরা। এসব করে কোনও লাভ হবে না। সাধারণ মানুষের মনে রয়েছে তৃণমূল। ভোটের ফলে তা প্রমাণ হয়ে যাবে। আর এই ধরনের ঘটনার পুলিশ তদন্ত করে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করবে।            

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • NIA: এনআইএ-জালে বেঙ্গালুরুর ক্যাফে বিস্ফোরণের মাস্টার মাইন্ড সাব্বির

    NIA: এনআইএ-জালে বেঙ্গালুরুর ক্যাফে বিস্ফোরণের মাস্টার মাইন্ড সাব্বির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এনআইএর (NIA) জালে ‘দ্য রামেশ্বরম ক্যাফে’ বিস্ফোরণের মাস্টার মাইন্ড। ধৃতের নাম সাব্বির। ঘটনার ১২ দিন পরে কর্নাটকের বেল্লারির কলবাজার এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে তাকে। প্রসঙ্গত, বেঙ্গালুরুর ‘দ্য রামেশ্বরম ক্যাফে’তে বিস্ফোরণ ঘটে ১ মার্চ।

    ক্যাফেতে বিস্ফোরণ

    জানা গিয়েছে, সেদিনের ওই বিস্ফোরণে জখম হয়েছিলেন ১০ জন। পুলিশ জানিয়েছে, বিস্ফোরণ ঘটনার জন্য ব্যবহার করা হয়েছিল আইইডি। বিস্ফোরক কম শক্তি সম্পন্ন হওয়ায় অভিঘাত জোরালো হয়নি। তার জেরেই ঘটেনি প্রাণহানির ঘটনা। ৫ মার্চ কর্নাটক সরকার ওই ঘটনার তদন্তভার হস্তান্তর করে এনআইএকে (NIA)। এনআইএ তদন্তের পাশাপাশি বেঙ্গালুরু পুলিশ বিস্ফোরণের ঘটনায় বেআইনি কার্যকলাপ (প্রতিরোধ) আইন ও বিস্ফোরক পদার্থ আইনের অধীনে মামলা দায়ের করে।

    অভিযুক্তের ছল-চাতুরি

    তার পরেই তদন্তে নামে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। ক্যাফেতে লাগানো সিসিটিভির ফুটেজে দেখা গিয়েছে, বিস্ফোরণের আগে এক ব্যক্তি ক্যাফেতে ঢুকে কাঁধের ব্যাগটি নামিয়ে রাখে। ব্যাগটিতে বিস্ফোরক ছিল। টাইমার দিয়ে সেটি নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছিল বলে অনুমান তদন্তকারীদের। ব্যাগটি রেখে ওই ব্যক্তি খাবারের কুপন নেয়। যদিও খাবার না খেয়েই বেরিয়ে যায় ক্যাফে থেকে। তার পরেই কান ফাটানো আওয়াজে কেঁপে ওঠে এলাকা। জখম জন ১০ জন। তদন্তভার হাতে নিয়েই অভিযুক্তের হদিশ দিতে পারলে ১০ লক্ষ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করে এনআইএ। অভিযুক্তকে ‘ওয়ান্টেড’ও ঘোষণা করা হয়।

    আরও পড়ুুন: দ্বিতীয় দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল বিজেপি, কারা রয়েছেন তালিকায়?

    গত সপ্তাহে অভিযুক্তের খোঁজে যৌথভাবে অভিযান চালায় এনআইএ এবং সেন্ট্রাল ক্রাইম ব্রাঞ্চ। কলবাজার থেকে আটক করা হয় এক কাপড় ব্যবসায়ীকে। এখান থেকেই আটক করা হয় পিএফআইয়ের এক সদস্যকেও। বুধবার গ্রেফতার করা হয় মূল চক্রী সাব্বিরকে।

    তার আগে সিসিটিভির ফুটেজ স্ক্যান করে অভিযুক্তদের ছবি প্রকাশ করেন তদন্তকারীরা (NIA)। তদন্তে জানা যায়, বেঙ্গালুরুর ওই ক্যাফেতে বিস্ফোরক বোঝাই ব্যাগ রেখে অভিযুক্ত স্থানীয় একটি মসজিদে গিয়ে পোশাক বদলে নেয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Kerala Blast: কেরল বিস্ফোরণের নেপথ্যে হামাসের উসকানি! তদন্ত দাবি বিজেপির  

    Kerala Blast: কেরল বিস্ফোরণের নেপথ্যে হামাসের উসকানি! তদন্ত দাবি বিজেপির  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার ভার্চুয়ালি ভাষণ দিয়েছিলেন প্রাক্তন হামাস নেতা খালেদ মাশাল। তার আগে আগেই কেরলের মলপ্পুরমে মিছিল বের হয় প্যালেস্তাইনের সমর্থনে (Kerala Blast)। মিছিলের আয়োজক জামাত-ই-ইসলামির যুব সংগঠন। পরে আয়োজন হয় সভার। সেই সভায়ই ভার্চুয়ালি ভাষণ দেন খালেদ।

    খালেদের বক্তব্যের সঙ্গে বিস্ফোরণের যোগ!

    সেখানে প্যালেস্তিনীয় যোদ্ধাদের পক্ষে সমর্থন জোগাড় করতে বলা হয় শ্রোতাদের। ইহুদি সন্ত্রাসের হাত থেকে আল আকসা মসজিদ উদ্ধারের কথা বলেন এই মুসলমান নেতা। এর ঠিক দুদিন পরে রবিবার করলের একটি কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত প্রার্থনা সভায় আইইডি বিস্ফোরণ ঘটে। প্রার্থনা সভাটিতে অংশ নিয়েছিলেন খ্রিষ্টানদের একটি সম্প্রদায়। খালেদের বক্তব্যের সঙ্গে এই বিস্ফোরণের যোগ রয়েছে কিনা, তা জানতে চেয়ে তদন্ত দাবি করেছে বিজেপি, কংগ্রেস এবং বামেরা।

    প্যালেস্তাইনে হামলা হামাসের 

    ৭ অক্টোবর ইহুদিদের দেশ ইজরায়েলে হামলা চালায় মুসলমানের দেশ প্যালেস্তাইনের জঙ্গি গোষ্ঠী হামাস (Kerala Blast)। ইহুদিদের ধরে ধরে কার্যত কচুকাটা করে হামাসের জঙ্গিরা। এর পরেই প্রতিরোধ গড়ে তোলে ইজরায়েল। তেল আভিভের পাশে দাঁড়ায় ভারত, আমেরিকা, কানাডা সহ বিশ্বের বহু দেশ। ইজরায়েলের হামলায় আক্ষরিক অর্থেই কোণঠাসা হয়ে পড়েছে হামাসের জঙ্গিরা। আন্তর্জাতিক মহলের একাংশের মতে, তাই চলছে হামাসের পক্ষে সমর্থন জোগাড়ের কাজ।

    আরও পড়ুুন: ‘‘ভাই-ভাইপো, বাড়ির কুকুর-বিড়াল দুর্নীতিতে যুক্ত’’, মমতাকে নিশানা দিলীপের

    শুক্রবার কেরলে যে জনসভার আয়োজন করা হয়েছিল, তার আয়োজক ছিলেন জামাত-ই-ইসলামি সেন্ট্রাল কাউন্সিলের সদস্য আবুসালেম আহমেদ। প্যালেস্তাইনে বর্ণবিদ্বেষী শক্তি সংগঠিতভাবে গণহত্যা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয় সভায়। ভারতও ওই সংগঠিত শক্তির অংশ বলেও দাবি করা হয়। এর পরেই দেশজুড়ে শুরু হয় বিতর্ক। সভা ও মিছিলের অনুমতি দিয়ে বিপাকে পড়ে কেরলের বাম সরকার। কেরলের বিজেপি সহ সভাপতি ভিটি রেমা বলেন, “ভারতের মতো ধর্মনিরপেক্ষ দেশে ইসলামি সন্ত্রাসবাদীরা নিজেদের আসল চেহারা দেখাচ্ছে। সবাই জানে, হামাসই প্রথম ইজরায়েলকে আক্রমণ করেছিল।” কেরল বিজেপির সভাপতি কে সুরেন্দ্রণ বলেন, “মলপ্পুরমের সভায় হামাস নেতা খালেদ মাশালের ভাষণ অত্যন্ত উদ্বেগজনক। পিনারাই বিজয়নের কেরল পুলিশ কোথায়? প্যালেস্তাইন বাঁচাওয়ের নামে সন্ত্রাসীদের যোদ্ধা হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে। এটা মেনে নেওয়া যায় না।” পুরো ঘটনায় (Kerala Blast) কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন সুরেন্দ্রণ।

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজীব চন্দ্রশেখর ঘটনাটিকে কংগ্রেস এবং সিপিএমের তুষ্টিকরণের রাজনীতি বলে অভিহিত করেছেন। কেরলে হিংসা এবং জিহাদ ছড়ানোর জন্য ইন্ডি জোট ভারতে হামাস জঙ্গিদের আমন্ত্রণ জানিয়েছে বলেও অভিযোগ তাঁর। বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র সুধাংশু ত্রিবেদী বলেন, “মিছিল হয়েছিল কেরলে। আইন-শৃঙ্খলা রাজ্যের বিষয়। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা তদন্ত করবে বক্তৃতাটি লাইভ না রেকর্ড করা। রেকর্ড করা হলে কে এবং কীভাবে ভিডিওটি পেল তা তদন্ত করা হবে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Egra Blast: বাজির আড়ালে বোমা! এগরায় বিস্ফোরণকাণ্ডে এনআইএ তদন্তের দাবি সুকান্ত-শুভেন্দুর

    Egra Blast: বাজির আড়ালে বোমা! এগরায় বিস্ফোরণকাণ্ডে এনআইএ তদন্তের দাবি সুকান্ত-শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এগরার খাদিকুল গ্রামে বাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণে (Egra Blast) ইতিমধ্যেই ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত বেশ কয়েকজনকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এগরায় বাজি কারখানায় বিস্ফোরণের ঘটনার এনআইএ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।  বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার অভিযোগ করেছেন মুখ্যমন্ত্রীর ব্যর্থতার কারণেই এই ঘটনা ঘটেছে।

    সুকান্তর দাবি

    এই ঘটনায় পঞ্চায়েত ভোটের আগে আইন-শৃঙ্খলা ব্যবস্থা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠল বলে অভিমত সুকান্ত মজুমদারের। তিনি বলেন, ‘এটাই তো পশ্চিমবঙ্গের শিল্প। তৃণমূল তো গোটা রাজ্যে বোমা বন্দুকের কারখানা করেছে। গোটা দেশে একমাত্র পশ্চিমবঙ্গে এই ধরণের ঘটনা ঘটে। আর মুখ্যমন্ত্রীর কোনও লজ্জাও নেই। এরকম নির্লজ্জ মুখ্যমন্ত্রী আমরা জীবনে দেখিনি যে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছে দিয়েছে। এতো পঞ্চায়েতের প্রস্তুতি হচ্ছে। আমি দেখলাম ক্ষতবিক্ষত দেহাংশ পড়ে আছে। ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। দেহ লোপাট হবে। আমরা দাবি করছি এর এনআইএ তদন্ত হোক। এই দাবিতে আমি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে চিঠি লিখছি’।

    এনআইএ তদন্তের দাবি

    মঙ্গলবার দুপুরে কেঁপে উঠল পূর্ব মেদিনীপুরের এগরার খাদিকুল গ্রাম। বিস্ফোরণের তীব্রতায় একাধিক ব্যক্তির মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে। খবর পেয়ে গ্রামে পুলিশ ঢোকার চেষ্টা করতেই তাদের ঘিরে ধরে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, রাস্তায় ছিন্নভিন্ন হয়ে পড়ে রয়েছে কয়েকটি দেহ। জখম হয়েছে আরও কয়েকজন। তাঁদের দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, বাজি কারখানায় বিস্ফোরণ ঘটেছে। সূত্রের খবর, বাজি তৈরির আড়ালে বোমা তৈরি হত। সেখান থেকেই এই বিস্ফোরণ। ইতিমধ্যে তদন্তে নেমেছে এগরা থানার পুলিশ।

    এ দিন সকাল এগারোটা নাগাদ কৃষ্ণপদ ওরফে ভানু বাগের বাড়িতে এই ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে৷ বিস্ফোরণের জেরে গোটা বাড়িটি উড়ে যায়৷ ওই বাড়ির চারপাশেই ছড়িয়ে ছিঁটিয়ে পড়েছিলেন মৃত এবং আহতরা। এই ঘটনার তদন্তভার সিআইডি-কে দেওয়া হয়েছে৷ যদিও বিরোধীরা এনআইএ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন৷ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও জানিয়েছেন, এনআইএ তদন্তে রাজ্য সরকারের আপত্তি নেই৷

    আরও পড়ুন: ‘‘সঙ্ঘের পোশাকে থাকা ওই যুবক তৃণমূলের বুথ কমিটির সদস্য’’! তোপ সুকান্তর

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এগরার খাদিকুল গ্রামে একাধিক বাড়িতে অবৈধভাবে তৈরি হয় বাজি। প্রত্যেকটি বাড়িতে বেআইনিভাবে মজুত থাকে বাজির মশলা। কোন বৈধ লাইসেন্স নেই তাদের। পরিবারগুলি বাজি তৈরি করেই টাকা উপার্জন করে। বেশিরভাগ বাড়িতে এভাবেই বছরের পর বছর বাজি তৈরির কাজ চলছে। কৃষ্ণপদ বাগ ওরফে ভানু বাগের বাড়িতে বিস্ফোরণ হতেই অবৈধ কারবার সামনে আসে।

    কে এই কৃষ্ণপদ বাগ?

    বিজেপির পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, এই কৃষ্ণপদ বাগ ওরফে ভানু বাগ তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী। পুলিশ এই ব্যক্তিকে আগেও গ্রেফতার করেছিল। কিন্তু সে জামিন পেয়ে যায়। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, এটি বেআইনি বাজি কারখানা। যার মালিক কৃষ্ণপদ বাগ। তাকে ২০২২ সালের ১৯ নভেম্বর গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। পরে আদালত থেকে জামিন পায় সে। এই বিস্ফোরণের ঘটনার পর থেকেই পলাতক কৃষ্ণপদ। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Amritsar: ৭ দিনে ৩ বার! অমৃতসরের স্বর্ণ মন্দিরের কাছে ফের বিস্ফোরণ, গ্রেফতার ৫

    Amritsar: ৭ দিনে ৩ বার! অমৃতসরের স্বর্ণ মন্দিরের কাছে ফের বিস্ফোরণ, গ্রেফতার ৫

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাঞ্জাবের (Punjab) স্বর্ণ মন্দিরের (Golden Temple) কাছে আবার বিস্ফোরণ (Blast)। বুধবার মধ্য রাতে অমৃতসরে (Amritsar) স্বর্ণ মন্দিরের কাছে বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। এই নিয়ে স্বর্ণ মন্দিরের কাছে গত এক সপ্তাহে তৃতীয়বার বিস্ফোরণ হল। ক্রুড বোমা (Crude Bomb) বিস্ফোরণ করানো হয়েছিল বলে অনুমান। ইতিমধ্যেই পাঁচ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, স্বর্ণ মন্দিরের কাছে অশান্তি সৃষ্টি করাই তাঁদের লক্ষ্য ছিল।

    হতাহতের খবর নেই

    পুলিশ সূত্রে খবর, রাত সওয়া ১২টা থেকে সাড়ে ১২টার মধ্যে স্বর্ণমন্দির এলাকার শ্রী গুরু রামদাস নিবাসের কাছে বিস্ফোরণ ঘটে। হরমন্দির সাহিবের কাছে যে উদ্যান রয়েছে, তার সামনের গলিপথেই বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। তবে হতাহতের কোনও খবর নেই বলে পাঞ্জাব পুলিশ সূত্রে খবর। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় স্থানীয় পুলিশ এবং দমকল। পুলিশ স্বর্ণ মন্দির সহ গোটা এলাকা ঘিরে ফেলেছে। যে ঘরে বিস্ফোরণ হয়, সেখানে দুই ব্যক্তি ও এক মহিলা ছিলেন। তাদের ইতিমধ্যেই জেরা করা শুরু করেছে পুলিশ। এই ঘটনার পিছনে বড় কোনও নাশকতার ছক ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে এখনও অবধি কোনও সন্ত্রাসবাদী সংগঠন এই বিস্ফোরণের দায় স্বীকার করেনি বলেই জানা গিয়েছে।

    আরও পড়ুন: বিশ্বভারতীর মুকুটে নয়া পালক! বিশ্বে প্রথম হেরিটেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বীকৃতি

    তদন্তে পাঞ্জাব পুলিশ

    এই প্রথম বার নয়, সাত দিনের মধ্যে পর পর তিন বার স্বর্ণ মন্দির (Amritsar) এলাকায় বিস্ফোরণ হয়েছে। চলতি বছরের ৬ মে স্বর্ণ মন্দিরের কাছে হেরিটেজ সরণিতে প্রথম বিস্ফোরণ হয়। তার ঠিক দু’দিন পর একই এলাকায় আবার বিস্ফোরণের প্রবল শব্দ পাওয়া যায়। গত ৬ মে-র বিস্ফোরণের ঘটনায় ৬ জন আহত হন। বেশ কিছু বিল্ডিংয়ের কাঁচ ভেঙে যায় বিস্ফোরণের জেরে। এর ৩০ ঘণ্টা বাদেই ফের আরেকটি বিস্ফোরণ হয়। তবে এই বিস্ফোরণের মাত্রা কিছুটা কম ছিল। ওই বিস্ফোরণে ১জন আহত হন। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে যায় এনআইএ-র দলও। পুলিশের দাবি, বিস্ফোরণের পর ঘটনাস্থল থেকে কিছু লিফলেট পাওয়া গিয়েছে। বোমা ফাটার পর তার অবশিষ্টাংশও উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই বিস্ফোরণগুলির নেপথ্যে কার হাত রয়েছে, তা জানার জন্য তদন্ত চলছে। পাঞ্জাব পুলিশ ইতিমধ্যেই পাঁচ জনকে গ্রেফতার করেছে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Basanti: ফের রক্তাক্ত বাসন্তী! বোমা বাঁধার সময় বিস্ফোরণে মৃত্যু ১ জনের, আহত ২

    Basanti: ফের রক্তাক্ত বাসন্তী! বোমা বাঁধার সময় বিস্ফোরণে মৃত্যু ১ জনের, আহত ২

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের রক্তাক্ত দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসন্তী (Basanti)। বোমা বাঁধার সময় বিস্ফোরণে মৃত্যু হয়েছে ১ জনের। গুরুতর জখম হলেন তিনজন। পঞ্চায়েত ভোটের আগে শনিবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসন্তীর ভারতীর মোড়ের কাছে তীতকুমার এলাকায়।

    বিস্ফোরণে ভস্মীভূত

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বাসন্তী থানা এলাকার আমছাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের ভারতী মোড় এলাকায় মনিরুল খান নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে বোমা বাঁধার কাজ চলছিল। তখনই সশব্দে ফাটে বোমা। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ১ জনের। আহত হন ২ জন। আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যান স্থানীয়রা। হতাহতদের নাম পরিচয় এখনও জানা যায়নি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তুমুল উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। যে বাড়িতে বোমা বাঁধার কাজ চলছিল, বিস্ফোরণে ভস্মীভূত হয়ে যায় সেই বাড়ি। ছুটে আসেন স্থানীয়রা। তাঁরাই এসে দেখেন, বাড়ির ভিতরে থাকা তিনজন ঝলসে গিয়েছেন। মাটিতে পড়ে ছটফট করছেন। সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। খবর দেওয়া হয় থানায়। খবর পেয়ে বাসন্তী থানার পুলিশের বিশাল টিম ঘটনাস্থলে যায়। এলাকা ঘিরে ফেলে তারা। তবে এলাকাবাসী এ নিয়ে মুখ খুলতে নারাজ। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই শাসকদলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের অভিযোগ ওঠে।

    আরও পড়ুন: ‘এটা কেন্দ্রের জবাব দেওয়ার মতো বিষয় নয়’, আদানি ভাঙন নিয়ে মুখ খুললেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী 

    পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ

    বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “সামনে পঞ্চায়েত ভোট। তার আগে কোয়ালিফায়িং রাউন্ড চলছে তৃণমূলের। আসলে তৃণমূলই এখন বোমা। বোমাই তৃণমূল। তাই এসব চলবেই। পঞ্চায়েত ভোটের আগে গ্রামে অশান্তি ছড়াতে তৃণমূলই বোমা মজুত করছে।” বিরোধীদের কথায়, কাকদ্বীপ থেকে কোচবিহার সর্বত্র একই ঘটনা ঘটছে। বাসন্তী, ক্যানিং এলাকায় কার মদতে বোমা তৈরি হয় পুলিশ কি জানে না? কারা এলাকাকে বারুদের স্তূপে পরিণত করেছে তা-ও কি জানে না পুলিশ? প্রশ্ন বিরোধীদের। যার বাড়িতে বোমা বাঁধা হচ্ছিল তার খোঁজে শুরু হয়েছে তল্লাশি। অভিযুক্তের রাজনৈতিক পরিচয় জানার চেষ্টা করছেন পুলিশ আধিকারিকরা। এলাকায় পুলিশি টহলদারির অভাব রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।    

  • Mohali blast: নেপথ্যে জঙ্গি-যোগ? পঞ্জাবে পুলিশের সদর দফতরে গ্রেনেড হামলার তদন্ত পেতে পারে এনআইএ

    Mohali blast: নেপথ্যে জঙ্গি-যোগ? পঞ্জাবে পুলিশের সদর দফতরে গ্রেনেড হামলার তদন্ত পেতে পারে এনআইএ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোহালিতে পঞ্জাব পুলিশের (Punjab police) গোয়েন্দা বিভাগের সদর দফতরে গ্রেনেড হামলার তদন্তভার বর্তাতে পারে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ-র(NIA) ওপর। অন্তত এমনই খবর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে। যদিও গ্রেনেড হানার ঘটনাটিকে ছোট ঘটনা বলে মনে করছে পঞ্জাব সরকার।

    মোহালির (Mohali) সেক্টর ৭৭-এ রয়েছে পঞ্জাব পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের সদর দফতর। সোমবার রাত আটটা নাগাদ দফতরের বিল্ডিংয়ে আছড়ে পড়ে গ্রেনেড। প্রাণহানির কোনও ঘটনা না ঘটলেও, গ্রেনেড হামলার জেরে ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে যায় সদর দফতরের কাচের জানালা। এই হামলার আগে পঞ্জাব পুলিশের কাছে হুমকি চিঠি এসেছিল বলে সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর।

    যদিও ঘটনাটি ছোট ঘটনা বলে জানায় পঞ্জাবের আম আদমি পার্টির (APP) সরকারের প্রধান ভগবন্ত মান। রাজ্য সরকার যতই ঘটনাটি ছোট করে দেখাক না কেন, তবে রকেট হামলার এই ঘটনাটি মোটেই হালকাভাবে নিচ্ছে না কেন্দ্রীয় সরকার। মোহালির এই বিস্ফোরণের সঙ্গে জঙ্গি যোগের সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছে না অমিত শাহের মন্ত্রক। তদন্তের ভার দেওয়া হতে পারে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ-র হাতে। গোয়েন্দা দফতরের সামনে গ্রেনেড হামলার ঘটনাকে জঙ্গি কার্যকলাপের অংশ হিসেবেই তারা দেখছে বলে সূত্রের খবর।

    কংগ্রেস সরকারকে পরাস্ত করে পঞ্জাবের কুর্সিতে আসে আম আদমি পার্টি। মুখ্যমন্ত্রী হন ভগবন্ত মান। আপ ক্ষমতার আসার পর থেকে প্রায়ই অশান্তির খবর আসছে পঞ্চনদের রাজ্য থেকে। অথচ বিধানসভা নির্বাচনের আগে আম আদমি পার্টির প্রধান তথা দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল দাবি করেছিলেন, পঞ্জাবের ক্ষমতায় আপ এলে বদলে যাবে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতি। বিপুল জনসমর্থন নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে আপ। তবে ভোল বদলায়নি রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির।

    পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের সদর দফতরের সামনে গ্রেনেড হামলার ঘটনা প্রসঙ্গে আপ সুপ্রিমো কেজরিওয়াল বলেন, পরিকল্পিতভাবে পঞ্জাবের শান্তি নষ্ট করার চেষ্টা চলছে। মোহালি বিস্ফোরণ একেবারে কাপুরুষোচিত কাজ। আমরা কিছুতেই পঞ্জাবের শান্তি বিঘ্নিত হতে দেব না।

     

LinkedIn
Share