Tag: Blood Sugar Level

Blood Sugar Level

  • Diabetes: ডায়াবেটিস রুখতে চান? কোন‌ পাঁচ সবজি নিয়মিত খেলেই নিয়ন্ত্রণে থাকবে রক্তের শর্করা? 

    Diabetes: ডায়াবেটিস রুখতে চান? কোন‌ পাঁচ সবজি নিয়মিত খেলেই নিয়ন্ত্রণে থাকবে রক্তের শর্করা? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    পৃথিবী জুড়ে‌ বাড়ছে ডায়াবেটিসের (Diabetes) সমস্যা।‌ বাদ নেই ভারত। রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়ছে। প্রবীণদের পাশপাশি এই রোগে আক্রান্ত কম বয়সিরাও। এমনকি স্কুল পড়ুয়াদের মধ্যেও দেখা দিচ্ছে ডায়াবেটিস। চিকিৎসকদের একাংশের আশঙ্কা, যে হারে ডায়াবেটিস আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে, তাতে পরবর্তী প্রজন্ম একাধিক রোগে ভুগতে পারে। তাঁরা জানাচ্ছেন, কিডনি, চোখ থেকে বন্ধ্যাত্ব সহ একাধিক শারীরিক সমস‌্যার কারণ ডায়াবেটিস। তাই যাদের পরিবারে ডায়াবেটিস আক্রান্ত রয়েছেন, তাদের বাড়তি সতর্কতা জরুরি। তাই প্রয়োজন আগাম সচেতনতা। এমনই পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। মূলত খাবারেই বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন। সাম্প্রতিক এক আন্তর্জাতিক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, খাবার ঠিকমতো খেলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ সহজে সম্ভব। তাই চিকিৎসকদের পরামর্শ, বাড়তি নজর থাকুক খাবারে। কিন্তু কোন সবজি নিয়মিত খেলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ সহজ হবে?

    রোজ মেনুতে থাকুক পালং শাক ও ব্রোকলি (Diabetes)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, নিয়মিত পালং শাক ও ব্রোকলি খেলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ সহজ হয়। তাঁরা জানাচ্ছেন, ব্রোকলিতে থাকে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার। পাশপাশি অনেক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট। এই উপাদানগুলো রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। পাশপাশি পালং শাকে থাকে ভিটামিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। তাই নিয়মিত পালং শাক খেলে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমে।

    ঢ্যাড়শ নিয়ন্ত্রণে রাখবে রক্তে শর্করার পরিমাণ

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ঢ্যাড়শ নিয়মিত খেলে শরীরে একাধিক উপকার হয়। বিশেষত ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ঢ্যাড়শ বিশেষ সাহায্য করে। তাই চিকিৎসকদের পরামর্শ শিশুদের বিশেষ করে নিয়মিত ঢ্যাড়শ খাওয়া দরকার। তাঁরা জানাচ্ছেন, ঢ্যাড়শে পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও ভিটামিন সি থাকে। এগুলো‌ দেহের খনিজ পদার্থের চাহিদা পূরণ করে। ফলে কিডনি ও পাকস্থলী ভালো থাকে। ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমে। পাশপাশি ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধ শক্তিও বাড়ায়। তাই শিশুদের ডায়বেটিসের (Diabetes) ঝুঁকি কমাতে ঢ্যাড়শ বিশেষ উপকারী।

    পটল খেলে কমবে ঝুঁকি

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, পটলে গ্লাইসেমিক ইনডেক্স-র পরিমাণ খুব কম। তাই ডায়াবেটিস আক্রান্তেরা যেমন নিয়মিত পটল খেতে পারেন, তেমনি যাদের পরিবারে কেউ ডায়াবেটিস আক্রান্ত, তারাও ডায়বেটিস রুখতে নিয়মিত পটল খেতে পারেন। এতে ভিটামিন এ এবং সি রয়েছে। এর ফলে, এই সবজি চোখ ও ত্বক ভালো রাখতে বিশেষ সাহায্য করে। তাই নিয়মিত পটলের তরকারি খেলে শরীরের জন্য বিশেষ উপকারী (Diabetes)।

    ঝিঙে ডায়বেটিস রুখতে বিশেষ সাহায্য করে (Diabetes)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ঝিঙেতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেশিয়াম। এছাড়াও রয়েছে ভিটামিন বি৬। তাই নিয়মিত ঝিঙে খেলে ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণ সহজে হয়।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Blood Sugar Diet: ব্লাড সুগার কমানোর জন্য সাতটি খাদ্য

    Blood Sugar Diet: ব্লাড সুগার কমানোর জন্য সাতটি খাদ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্তমানে গবেষণা করলে দেখা যায় প্রতেকটি ঘরে অন্তত একজন করে সুগারে আক্রান্ত রোগী রয়েছে। সুগার এখন মহামারী আকার ধারন করেছে। এটি এমন একটি রোগ যা মানুষকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিচ্ছে।যেহেতু রোজকার জীবনযাত্রা, কাজ এবং খাওয়া-দাওয়া প্রভাব ফেলে সুগারের উপর তাই বেশিরভাগেরই প্রশ্ন সুগার হলে কী খাওয়া উচিত। কারণ ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখার ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল রোজকার ডায়েটে রাশ টানা। ডায়াবেটিসের সুর্নিদিষ্ট কোনও চিকিৎসা পদ্ধতি নেই। কেন মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হন তার সঠিক কারণও জানা নেই। অগ্ন্যাশয় থেকে পরিমাণ মতো ইনসুলিন তৈরি না হলে তখনই বাড়ে সমস্যা। কারণ তখন অতিরিক্ত শর্করা (Sugar) আর শোষণ করতে পারে না শরীর, ফলে রক্তে তার পরিমাণ বাড়তেই থাকে। শরীরে গ্লুকোজের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখে ইনসুলিন হরমোন। এই হরমোনের কার্যকারিতা ঠিক না থাকলেই সেখান থেকে একাধিক সমস্যা আসে। নিয়ম করে রক্ত পরীক্ষা করা, চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া এবং প্রয়োজনমত ওষুধ খাওয়া জরুরি। তবে এর পাশাপাশি খাবার আর পানীয় ঠিকমতো না খেলে কিন্তু এই রোগের হাত থেকে রেহাই নেই।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, আজকাল ২৫ থেকে ৩০ বছর বয়সীরাও ডায়াবেটিস রোগের ঝুঁকিতে রয়েছেন। চিকিৎসকরা সবসময় ডায়াবিটিস (Diabates) রোগীদের খাবারের প্রতি যত্ন নেওয়ার কথা বলেন। আপনারও যদি ডায়াবিটিস থাকে তাহলে এখনই খাদ্যাভ্যাসের দিকে যত্ন নিন, তাই জেনে নিন রোজকার ডায়েটে কী কী সবজি রাখলে ডায়াবিটিস নিয়ন্ত্রণ হবে সহজেই। কোন কোন সবজি খেতে হবে জেনে নিন।

    ​শশা(Cucumber)

    শসা খেলে ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে থাকে। পুষ্টিবিদদের মতে, এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার। গরমের সময় শশা খুবই উপকারী। আপনি আপনার খাদ্যতালিকায় শসার রায়তাও অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন। শশা ডায়াবিটিস বা সুগারের সমস্যা প্রতিরোধ করে। শশায় যে বিশেষ উপাদান রয়েছে তা রক্তের কোলেস্টরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। যদি ১০০ গ্রাম শশার রস খালি পেটে রোজ সকালে খালি পেটে খেলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে আসবে সহজেই।

     

    চিয়া এবং শণের বীজ (Chia and flax seeds)

    যারা ডায়াবেটিস রোগীর জন্য চিয়া বীজ এবং শণের বীজ দারুন কার্যকরী। ফাইবার সমৃদ্ধ এবং কার্বোহাইড্রেট যুক্ত চিয়া বীজ শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে এবং রক্তে চিনির মাত্রা কমাতে খুব কার্যকর হতে পারে।শণের বীজ নেই রক্তে শর্করার নিয়ন্ত্রণের উন্নতিতে সহায়ক।

    গাজর (Carrot)

    গাজরে ভিটামিন এ এবং অনেক খনিজ পাওয়া যায়।কোলেস্টেরল এবং ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে গাজর খুব ভালো সাহায্য করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, গাজরের মধ্যে থাকা পটাশিয়ামই এর মূল কারণ। গাজরে ক্যালরি খুব কম, ফ্যাট বার্ন হয় সহজেই। যার ফলে ওজন কমানো যায় সহজেই।এছাড়াও গাজরের মধ্যে থাকা পটাসিয়াম শরীরের খারাপ কোলেস্টরল কমাতে সাহায্য করে, পাশাপাশি বাড়ায় ইমিউনিটি। গাজরের মধ্যে রয়েছে ভিটামিন এ, সি, কে, বি ৬, পটাসিয়াম ও ফসফরাস। যা নানা রোগের জীবাণু ও ব্যাকটিরিয়ার হাত থেকে বাঁচায় শরীরকে। তাই প্রতিদিন সকালে ঘাম ঝরানোর পর যদি কাঁচা গাজর খাওয়া যায়। শরীর থেকে ধীরে ধীরে অতিরিক্ত শর্করা বেরিয়ে যাবে।

    বাদাম এবং বাদামের মাখন(Nuts and nut butter)

    গবেষণায় দেখা গেছে যে বাদামের মতো বাদাম এবং চিনাবাদাম এবং তা দিয়ে তৈরি বাদামের মাখন রক্তে শর্করার মাত্রা কমাতে এবং টাইপ ২ ডায়াবেটিস আছে এমন ব্যক্তিদের ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। চিয়া বীজের মতো, বাদামে থাকে ফাইবার এবং  কার্বোহাইড্রেট।

    ব্রকলি (Broccoli)

    নিউট্রিশন রিসার্চের একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে নিয়মিত ব্রকলি খেলে শরীরের মোট কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমে যায়। এর ফলে কার্ডিওভাসকুলার রোগের ঝুঁকি কমে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আরেকটি গবেষণায় দেখা গেছে যে খাদ্যতালিকায় ব্রকলির মতো ব্রাসিকা শ্রেণীর সবজি হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে পারে।

    ডিম(Egg)

    আপনি যদি ডিম খান তবে এটি আবার আপনার ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে খুব সহায়ক হতে পারে। ডিম স্বাস্থ্যকর চর্বির একটি বড় উৎস, যা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।কুসুমে বেশিরভাগ পুষ্টি উপাদান রয়েছে, তাই এটি আপনার ডায়েটে অন্তর্ভুক্ত করতে ভুলবেন না।

    মটরশুটি এবং মসুর ডাল(Beans and lentils)

    মসুর ডালকে বলা হয় ভিটামিনের ভাণ্ডার। এই মটরশুটিতে ভিটামিন ছাড়াও রয়েছে খনিজ, মাইক্রো এবং ম্যাক্রো উপাদান।মসুর ডাল কেবল পুষ্টি সমৃদ্ধ নয়, মসুর ডাল এবং মটরশুটি রক্তে শর্করার পরিমাণকে নিয়ন্ত্রণ করে শুধু শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে নয় ডায়াবেটিসের হাত থেকেও রক্ষা করতে পারে এই ডাল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

     

     

LinkedIn
Share