Tag: blro

blro

  • Gangarampur: বালি মাফিয়াদের দৌরাত্ম্যে আক্রান্ত খোদ সরকারি আধিকারিক, কেড়ে নেওয়া হয়েছে মোবাইল

    Gangarampur: বালি মাফিয়াদের দৌরাত্ম্যে আক্রান্ত খোদ সরকারি আধিকারিক, কেড়ে নেওয়া হয়েছে মোবাইল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে আগামীকাল চতুর্থ দফা নির্বাচন। বালি মাফিয়াদের দৌরাত্ম্য আটকাতে গিয়ে আক্রান্ত হলেন সরকারি আধিকারিক। অবৈধ বালি পাচার আটকাতে গিয়ে খোদ সরকারি অফিসারকে অপদস্তু হতে হল, কেড়ে নেওয়া হল মোবাইল। ঘটনা ঘটেছে দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাটের গঙ্গারামপুরে (Gangarampur)। ঘটনায় তীব্র চাঞ্চাল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।

    ঘটনা কীভাবে ঘটল (Gangarampur)?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গঙ্গারামপুরের (Gangarampur) পুনর্ভবা নদীর বানগড় এবং নারায়ণপুরে এলাকার বালি মাফিয়ারা দেদার বালি পাচার করছিল। এই মাফিয়াদের বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে গিয়ে আক্রান্ত হন খোদ সরকারি আধিকারিক। ঘটনার কথা জানিয়ে ইতিমধ্যে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে ভূমি ও ভূমি সংস্কর দফতরে। যদিও ঘটনায় বালি মাফিয়াদের সঙ্গে এলাকার তৃণমূল নেতৃত্বের সঙ্গে বিশেষ যোগ রয়েছে বলে অভিযোগ করেছে জেলা বিজেপি। অপরে পাল্টা অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল।

    কোনও ক্রমে প্রাণে বেঁচে যান

    সংবাদ মাধ্যমে এই খবর জানাজানি হতেই এলাকার প্রশাসন ইতিমধ্যেই নড়েচড়ে বসেছে। গত দুই দিন আগে এই গঙ্গারামপুরে (Gangarampur) পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৩টি ট্রাক্টার এবং ২টি মোটর বাইক আটক করা হয়েছে। একই সঙ্গে বালি মাফিয়াদের দৌরাত্ম্য রুখতে শনিবার গঙ্গারামপুরের পশ্চিম হালদারপাড়া এলাকায় অভিযান চালাতে যায় ভূমি রাজস্ব ও ভূমি সংস্কার দফতরের আধিকারিকেরা। মূলত অভিযোগ হল, অভিযান চালাতে গেলে ভূমি রাজস্ব ও ভূমি সংস্কার দফতরের আধিকারিকদের বাধা দেওয়া হয়। একই ভাবে তাঁদেরকে হেনস্থা করা হয় এবং জোর করে মোবাইল কেড়ে নেওয়া হয়। এই ঘটনায় কোনও রকমে প্রাণে বেঁচে যান তাঁরা। ঘটনায় গঙ্গারামপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করার কথাও জানিয়েছেন সরকারি আধিকারিকেরা। ঘটনায় তদন্তের জন্য পুলিশের পক্ষ থেকে সব রকম আশ্বাস দিয়েছে পুলিশ।

    আরও পড়ুন: থানায় বিক্ষোভ বিজেপির, ভুয়ো ভিডিও বানাতে এসে বিধায়কের সামনেই মার খেলেন তৃণমূল কর্মী

    বিজেপির বক্তব্য

    দক্ষিণ দিনাজপুরের (Gangarampur) নদী থেকে বালি পাচার বন্ধ হওয়ার বিষয়ে জেলা বিজেপির সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী বলেছেন, প্রশাসনের প্রত্যক্ষ মদতে এই অবৈধ বালি পাচার চলছে। অবিলম্বে এই পাচার বন্ধ না হলে আগামী দিনে বৃহত্তর আন্দোলনে নামবো। এই বালি পাচারের টাকা জেলার ব্লক থেকে কালীঘাট পর্যন্ত যায়। এই সিন্ডিকেট বন্ধ করতে হবে।” একই ভাবে তৃণমূলের পক্ষ থেকে জেলা সভাপতি সুভাষ ভাওয়াল বলেছেন, “এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের কেউ জড়িত নয়।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dadagiri: গোঘাট বিএলআরও অফিসে ঢুকে তৃণমূল নেতার দাদাগিরি, আতঙ্কিত আধিকারিকরা

    Dadagiri: গোঘাট বিএলআরও অফিসে ঢুকে তৃণমূল নেতার দাদাগিরি, আতঙ্কিত আধিকারিকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ গোঘাট -২ ব্লকে ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরে তখন সাধারণ মানুষের ভিড়ে গম গম করছে। রেভেনিউ অফিসার সোম শেখর সরকারের চেম্বারে চলছে জমির মিউটেশন নিয়ে শুনানি। তাই, ঘরে এলাকার মানুষের ভিড়ও ছিল। আচমকাই সেখানে গোঘাট-২ পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ সাহাবউদ্দিন খান ঢোকেন। মিউটেশন সংক্রান্ত কোনও একটি বিষয় নিয়ে প্রথমে কথা হয়। আধিকারিকের কথা তাঁর পছন্দ হয়নি। তাই, তিনি স্বমূর্তি ধারণ করেন। প্রথমেই রেভেনিউ অফিসারের সঙ্গে তিনি বচসায় জড়িয়ে পড়েন। তাঁকে শারীরীকভাবে হেনস্থা করা হয়। টেবিলে থাকা ফাইলপত্র সব ফেলে দেওয়া হয়। সামনে থাকা চেয়ার উল্টে দেওয়া হয়। এককথায় ওই আধিকারিকের ঘরে ঢুকে তৃণমূল নেতা তান্ডব (Dadagiri) চালায় বলে অভিযোগ। ইতিমধ্যেই বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের সব স্তরে জানানো হয়েছে। বিএলআরও ইতিমধ্যেই গোঘাট থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    কেন বিএলআরও অফিসে ঢুকে দাদাগিরি দেখালেন ওই তৃণমূল নেতা? Dadagiri

    ঘটনার সূত্রপাত শুক্রবার দুপুরের পর। গোঘাট ২ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির খাদ্য কর্মাধ্যক্ষ তথা এলাকার তৃণমূল নেতা সাহাবউদ্দিনসাহেব জমি সংক্রান্ত বিষয়ে ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরে যান। ২ মার্চ  তাঁর মিউটেশনের দিন ধার্য হয়।কিন্তু, সেদিন ওই নেতা অফিসে কোনওকারণে যেতে পারেননি। সেই বকেয়া কাজ করতেই এদিন দুপুরে অফিসারের কাছে হাজির হয়েছিলেন ওই তৃণমূল নেতা। অফিসার নিয়ম মেনে কয়েকদিন পর আসার কথা বলেন। কিন্তু, এদিন সেই কাজ করে দেওয়ার জন্য ওই তৃণমূল নেতা চাপ দিতে থাকেন। এরপরই দুজনের মধ্যে বচসা হয়। পরে, শাসক দলের ওই নেতা অফিসের মধ্যে দাদাগিরি (Dadagiri) দেখান বলে অভিযোগ।

    এই বিষয়ে রেভেনিউ অফিসার সোম শেখর সরকার বলেন, আমি হেয়ারিং করছিলাম। তিনি প্রথম থেকেই আমার সঙ্গে অভব্য আচরণ করতে থাকেন। নিয়ম মেনে কয়েকদিন পর তাঁকে আসতে বলি। তিনি সে সব কথা না শুনে আমার উপর চড়াও হন। আমাকে হেনস্থা করেন। টেবিলের নথি ফেলে দেন। এই ঘটনায় আমি খুব আতঙ্কিত হয়ে পড়ি। বিএলআরও আনন্দ বিশ্বাস বলেন, ওই নেতা এসে রেভেনিউ অফিসারের সঙ্গে খুব খারাপ ব্যবহার করেন। অফিসের মধ্যে তান্ডব চালান। বিষয়টি প্রশাসনের সব স্তরে জানিয়েছি। যার বিরুদ্ধে এত অভিযোগ সেই তৃণমূল নেতা সাহাবউদ্দিন খান বলেন,কথা কাটাকাটি হয়েছিল। তা মিটিয়ে নেওয়াও হয়েছে। কোনও তান্ডব চালানো হয়নি। দাদাগিরি দেখানো হয়নি। আমরা একসঙ্গে বসে চা খেয়েছি। এসব অপপ্রচার করা হচ্ছে। তবে, তৃণমূলের গোঘাট ২ নম্বর ব্লক সভাপতি অরুণ ক্যাউড়া তাঁর পাশে দাঁড়াননি। তিনি বলেন,এই ঘটনা নিন্দনীয়। দল কোন ভাবেই সমর্থন করে না। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: অভিযোগ জানাতে লম্বা লাইন, জমি কি আদৌ ফেরত পাবেন সন্দেশখালির সর্বহারারা?

    Sandeshkhali: অভিযোগ জানাতে লম্বা লাইন, জমি কি আদৌ ফেরত পাবেন সন্দেশখালির সর্বহারারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জমি ফিরে পেতে বিএলআরও অফিসে শত শত মানুষ অভিযোগ নিয়ে লাইনে। আন্দোলনের চাপে সময় বদলাচ্ছে সন্দেশখালির (Sandeshkhali)। আগে এলাকার মানুষের কোনও অভিযোগ প্রশাসনের কর্তারা শুনতেন না। এমনকী বিএলআরও অফিসের আধিকারিকের কাছে জমি নিয়ে অভিযোগ জানালে সেসব গ্রাহ্যই করা হত না বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ ছিল। এবার বিএলআরও অফিসে অভিযোগ জানাতে লম্বা লাইন পড়তে শুরু করেছে। ফলে এখন মানুষের অভিযোগ-সমস্যা জানানোর অবস্থা তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন এলাকার মানুষ। সন্দেশখালির ত্রিমণি বাজার সংলগ্ন এলাকায় ভূমি রাজস্ব দফতরে জমিহারা মানুষ জমি ফেরত পেতে অভিযোগপত্র জমা করছেন। ফলে রাজস্ব দফতরের অফিসের পাশে থাকা ফটোকপির দোকানে ব্যাপক ভিড়।

    এলাকার মানুষের বক্তব্য (Sandeshkhali)

    এলাকার জমিহারা এক প্রবীণ ব্যক্তি বলেন, “প্রত্যেক বছর যতবার দুয়ারে সরকার করা হয়েছে, তাতে হাঁটু পরিমাণ ধূলো জমে গিয়েছে কিন্তু একটাও ফাইল খুলে কাজ করেনি সরকারের আধিকারিকেরা। কোনও পাট্টা দেওয়া হয়নি। এমনকী টাকা দিয়েও কোনও কাজ করা যায়নি।” এলাকার আরও এক ভুক্তভোগী বলেন, “বিএলআরও নিজেই ঠিক করে কাজ করে না। ২০১৫ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত কোনও খাজনার রশিদ দেওয়া হয়নি আমাদের। আমি নিজে ২ বিঘা জমি বিক্রি করেছি। কিন্তু আমার রেকর্ডে দেখা যাচ্ছে ৪ বিঘা জমি বাদ দেওয়া হয়েছে। আসলে সরষের মধ্যেই ভূত রয়েছে।”

    জমি ফিরে পাওয়ার আশা!

    একই ভাবে এলাকার (Sandeshkhali) আরও এক ব্যক্তি বলেন, “বিরাট দুর্নীতি এবং জবরদখল হয়েছে এলাকায়। ১৪৩ বিঘা জমির মালিক আলমগীর কীভাবে হলেন? শেখ শাহজাহান এবং তাঁর মেয়ে সুমায়ার নামে কীভাবে বিপুল পরিমাণ জমি রেকর্ড হল? ঝুপখালি এবং বেড়মজুর এলাকার অনেক মানুষের জমির রেকর্ড বদলে গিয়েছে। অভিযোগ জানালেও কোনও লাভ হত না। কিন্তু এখন কিছুটা হলেও বদল ঘটছে। ফলে জমি ফিরে পাওয়ার একটা আশা রয়েছে।”

    বিডিও-র বক্তব্য

    ত্রিমণি বাজারে গেলেই দেখা যাচ্ছে বিএলআরও অফিসের পাশে বসে এলাকার মানুষেরা নিজেদের অভিযোগ জানাচ্ছেন। জমি ফিরে পাওয়ার আশা দেখতে পাচ্ছেন এলাকার একাংশের মানুষ। কিন্তু কবে এই প্রক্রিয়ার কাজ শেষ হবে তা এখনও প্রশাসন জানায়নি। অপর দিকে সন্দেশখালির (Sandeshkhali) বিডিও বলেছেন, “বিএলআরও অন্যায় করেছেন। এটা মেনে নেওয়া যায় না। আমি সব রিপোর্ট করে দিয়েছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Purba Bardhaman: অজয় নদে জেসিবি মেশিন দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকার বালি পাচার! ক্ষোভ বিজেপির  

    Purba Bardhaman: অজয় নদে জেসিবি মেশিন দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকার বালি পাচার! ক্ষোভ বিজেপির  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ব বর্ধমানের (Purba Bardhaman) মঙ্গলকোর্টের উপর দিয়ে বয়ে গিয়েছে অজয় নদ। এই নদের দুই পাড় থেকে বালু চুরি করে পাচার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। রাজস্ব না দিয়েই অবাধে বালি চুরি করে নেওয়া হচ্ছে। কোথাও কোনও রকম সরকারের অনুমতি নেওয়ার বালাই নেই। বিএলআরও এফআইআর করলেও বালিপাচারে নিস্ক্রিয় পুলিশ। একেবারে কার্যত পাইপ লাগিয়ে জেসিবি মেশিন দিয়ে অবাদে বালি চুরির ঘটনা ঘটছে। একই ভাবে সরকারি রাজস্বে প্রচুর ক্ষতির অভিযোগও উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে বিজেপি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে।

    বিজেপির অভিযোগ (Purba Bardhaman)

    অবাদে অজয় নদ (Purba Bardhaman) থেকে বালি চুরির ঘটনায় স্থানীয় বিজেপির পক্ষ থেকে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়েছে। বিজেপির অভিযোগ হল, “শাসক দল, পুলিশ, বিএলআরও একত্রিত বোঝাপড়া করে মাঝে মাঝে তাল্লাশি বা অভিযান করেন বটে, কিন্তু তাঁরা একত্রিত হয়ে সংগঠিত ভাবে এই পাচারকাণ্ডে অংশীদার হচ্ছেন।” ইতিমধ্যে বিজেপির পক্ষ থেকে এসডিওর কাছে অভিযোগ জানানো হয়েছে। এই এলাকার বিজেপি নেতা আলোকতরঙ্গ গোস্বামী জানিয়েছেন, “প্রশাসনকে অভিযোগ করেও কোনও লাভ হচ্ছে না।” অপর দিকে ব্লক ভূমি রাজস্ব আধিকারিক, পুলিশের দায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

    ব্লক ভূমি রাজস্ব আধিকারিকের বক্তব্য

    এই অবাদ বালি চুরির ঘটনায় স্থানীয় (Purba Bardhaman) ব্লক ভূমি রাজস্ব আধিকারিক রাহুল ঘোষ বলেন, “যখনই অভিযোগ পাচ্ছি সঙ্গে সঙ্গে রেইড করছি। এই প্রক্রিয়া নিয়মিত ভাবে করছি। গত বছর ডিসেম্বর মাসে প্রশাসনের পক্ষ থেকে থানায় একটি এফআইআর করা হয়। কিন্তু প্রশাসনের অভিযোগের পরেও কেন পুলিশ পদক্ষেপ নিচ্ছে না? পুলিশের ভূমিকা নিয়ে পুলিশই বলতে পারবে, আমি কিছু জানিনা।”

    মহকুমা শাসকের বক্তব্য

    মঙ্গলকোর্টে (Purba Bardhaman) অজয় নদের বালি চুরির ঘটনায় কাটোয়া মহকুমা শাসক অর্চনা পো ওয়াংখেড়ের জানিয়েছেন, “বিএলআরও বলেছেন থানায় এফআইআর করা হয়েছে। আমি জেলা প্রশাসনের সঙ্গে বিষয় নিয়ে আলোচনা করব। সমস্যা সমাধানের ব্যবস্থা দ্রুত করব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share