Tag: BNS

  • NIA: পিএনবির কারেন্সি চেস্টে ১৭ কোটির জালনোট! গ্রেফতার ব্যাঙ্কের ম্যানেজার, নেপাল-যোগ খতিয়ে দেখছে এনআইএ

    NIA: পিএনবির কারেন্সি চেস্টে ১৭ কোটির জালনোট! গ্রেফতার ব্যাঙ্কের ম্যানেজার, নেপাল-যোগ খতিয়ে দেখছে এনআইএ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্কের (PNB) এক কর্তাকে গ্রেফতার করেছে ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (NIA)। তার জেরে উত্তরপ্রদেশে জাল নোট উদ্ধারের অন্যতম বড় ঘটনায় তদন্ত আরও জোরদার হয়েছে। মঙ্গলবার এনআইএর শীর্ষ আধিকারিকরা জানান, ব্যাঙ্কের একটি কারেন্সি চেস্টের ভিতর থেকে উদ্ধার হওয়া ১৭.২৯ কোটি টাকা মূল্যের জাল নোট (Fake Currency Case) বৃহত্তর কোনও চক্রের অংশ কি না, এবং সেই চক্র আনুষ্ঠানিক ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থাকে ব্যবহার করে কাজ করছিল কি না, তা এখন খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    এনআইএর হাতে গ্রেফতার পিএনবির ম্যানেজার (NIA)

    সোমবার জগাধরি কারেন্সি চেস্টের ম্যানেজার অমিত কুমারকে গ্রেফতার করেছে এনআইএ। এই মামলায় নাম থাকা অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অভিযুক্ত তিনি। সাহারানপুরের সোফিয়া মার্কেট এলাকার ব্যাঙ্কের কারেন্সি চেস্টে ভারতীয় জাল নোট শনাক্ত হওয়ার পর পিএনবির যে তিন আধিকারিক তদন্তকারীদের নজরে আসেন, অমিত তাঁদের অন্যতম।

    পিএনবি কর্তার এই গ্রেফতারি যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সন্দেহভাজন জাল নোট কোনও ব্যক্তিগত বাহক, গোপন আস্তানা বা সীমান্ত এলাকা থেকে উদ্ধার হয়নি; বরং তা উদ্ধার হয়েছে ব্যাঙ্কের কারেন্সি চেস্টের ভিতর থেকেই। তাই প্রশ্ন উঠছে, কীভাবে জাল নোটগুলি ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থায় ঢুকল এবং তার কোনও অংশ পরবর্তী কালে বৈধ ব্যাঙ্কিং চ্যানেলের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছিল কি না।

    এনআইএ জানিয়েছে, মামলাটি পিএনবির কারেন্সি চেস্টে জাল নোট সংক্রান্ত একটি ষড়যন্ত্রের সঙ্গে যুক্ত। তদন্তের মাধ্যমে পুরো “ষড়যন্ত্রের সম্পূর্ণ চিত্র” উদঘাটন এবং অন্যান্য অভিযুক্তকে শনাক্ত ও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

    তদন্তে তিন পিএনবি আধিকারিক

    তদন্তে চিহ্নিত তিন পিএনবি আধিকারিক হলেন— সিনিয়র ডিভিশনাল ম্যানেজার রবি কুমার কানসে, সোফিয়া মার্কেট কারেন্সি চেস্টের ম্যানেজার সুশীল কুমার এবং জগাধরি কারেন্সি চেস্টের ম্যানেজার অমিত কুমার। প্রাথমিক তদন্তে তাঁদের তথাকথিত যোগসূত্র সামনে আসার পর ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ সাসপেন্ড করেন তিনজনকেই।

    পরবর্তী কালে এসআইটি (SIT) এবং ক্রাইম ব্রাঞ্চ তিন আধিকারিকের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ইলেকট্রনিক ডিভাইস ও বিভিন্ন নথি বাজেয়াপ্ত করে। তাঁদের যোগাযোগ, গতিবিধি এবং অন্য ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্ভাব্য যোগসূত্র খুঁজে বের করতে ওই সব সামগ্রী পরীক্ষা করা হচ্ছে।

    এনআইএর হাতে তদন্তভার

    ৩ সেপ্টেম্বর তদন্তভার নেওয়ার পর এনআইএ মামলাটি নতুন করে নথিভুক্ত করেছে। এর আগে ২৯ অগাস্ট সদর বাজার থানায় ভারতীয় ন্যায় সংহিতার (BNS) ধারা ১৭৮-এর অধীনে মূল এফআইআর দায়ের করা হয়েছিল। জাল নোট উদ্ধারের আগে মুদ্রাগুলি কীভাবে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় গিয়েছিল, সেই গোটা গতিপথ পুনর্গঠনের চেষ্টা করছেন (Fake Currency Case) তদন্তকারীরা।

    কীভাবে জাল নোট ঢুকল মুদ্রা সরবরাহ ব্যবস্থায়?

    তদন্ত থেকে উঠে আসা তথ্য অনুযায়ী, ৬ জুলাই সাহারানপুর থেকে ১১১ কোটি টাকা মূল্যের মুদ্রা কারেন্সি-হ্যান্ডলিং নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্কের (RBI) জয়পুর দফতরে পাঠানো হয়েছিল। ওই চালানে লেখা ছিল— ৫০০ টাকার নোটের ১,৯০০ বান্ডিল এবং ২০০-এর ৮০০ বান্ডিল।

    চালানটির প্যাকিং ও পাঠানোর প্রক্রিয়াও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। জানা গিয়েছে, এই কাজের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল এক গৃহপরিচারকের হাতে। তবে ঠিক কোন পর্যায়ে সন্দেহের তালিকায় থাকা জাল নোটগুলি মুদ্রা সরবরাহ ব্যবস্থায় ঢুকেছিল, সেটিই এখন তদন্তের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

    জাল নোটের অনিয়ম ধরা পড়ার আগে কারেন্সি চেস্ট থেকে ব্যাঙ্কের বিভিন্ন শাখা এবং এটিএম-এ ওই নোটগুলির কিছু অংশ পাঠানো হয়েছিল কি না, সেই সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে (NIA)। এই তদন্তের অন্যতম বড় প্রশ্ন হল—সন্দেহমূলক জাল নোটের কতটা ইতিমধ্যেই বাজারে ঢুকে পড়েছে। কারেন্সি চেস্টের বাইরে কত পরিমাণ নোট গিয়েছিল, আদৌ গিয়েছিল কি না—তা এখনও নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি।

    নেপালের সঙ্গে সম্ভাব্য যোগসূত্রের তদন্ত

    তদন্তে সম্ভাব্য আন্তঃসীমান্ত যোগসূত্রের দিকটিও সামনে এসেছে। তিন অভিযুক্তের যোগাযোগ ও গতিবিধি খতিয়ে দেখছে পুলিশ। তাঁদের সঙ্গে নেপাল সীমান্তের কাছাকাছি বা সীমান্তের ওপারে সক্রিয় (Fake Currency Case) কোনও ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর যোগাযোগ ছিল কি না, তা-ও যাচাই করা হচ্ছে। অভিযুক্তরা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে পারেন—এই আশঙ্কার কারণেই তাঁদের বিরুদ্ধে দ্রুত লুকআউট নোটিশ জারি করা হয়েছিল।

    তবে নেপালের সঙ্গে কোনও নিশ্চিত যোগসূত্র এখনও প্রতিষ্ঠিত হয়নি। তদন্তকারীরা আপাতত একে তদন্তের একটি সম্ভাব্য দিক হিসেবেই দেখছেন। সাহারানপুরের এসএসপি অভিনন্দন এর আগে তল্লাশির সময় গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছিলেন। তিন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিশ জারির কথাও জানিয়েছিলেন তিনি। পুলিশের আশঙ্কা ছিল, অভিযুক্তরা নেপালে পালিয়ে যেতে পারেন। সেই (NIA) কারণেই তাঁদের বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিশ জারি করা হয়।

     

  • Rahul Gandhi: খাড়গের সভার পর ‘শুদ্ধিকরণ’ বিতর্ক, রাহুলের বিরুদ্ধে দায়ের মামলা

    Rahul Gandhi: খাড়গের সভার পর ‘শুদ্ধিকরণ’ বিতর্ক, রাহুলের বিরুদ্ধে দায়ের মামলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হলদ্বানিতে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের সভার পর রামলীলা ময়দানে তথাকথিত শুদ্ধিকরণ অনুষ্ঠানকে (Purification Controversy) কেন্দ্র করে বিতর্কের জেরে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়েছে। অভিযোগ, এই ঘটনাকে ঘিরে রাহুলের মন্তব্যে দলিত সম্প্রদায়ের পাশাপাশি শুদ্ধিকরণ অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদেরও অপমান করা হয়েছে।

    রাহুলের বিরুদ্ধে এফআইআর (Rahul Gandhi)

    হলদ্বানি কোতোয়ালি থানায় এই মামলা দায়ের হয়েছে হলদ্বানির ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা অমিত কুমারের অভিযোগের ভিত্তিতে। তিনি ওই শুদ্ধিকরণ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১৯৬ ও ২৯৯ ধারা এবং তফসিলি জাতি ও তফসিলি জনজাতি (অত্যাচার প্রতিরোধ) আইনের ৩(১)(কিউ) ধারা প্রয়োগ করা হয়েছে।

    অমিত কুমার এবং বিনোদ কুমার আর্য এর আগে রাহুলের মন্তব্য নিয়ে হলদ্বানি কোতোয়ালি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। অভিযোগকারীদের দাবি, রামলীলা ময়দানে তথাকথিত শুদ্ধিকরণ নিয়ে রাহুলের মন্তব্যে দলিত সম্প্রদায়ের মানুষের ভাবাবেগে আঘাত লেগেছে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই পরবর্তী সময়ে মামলা রুজু করা হয়।

    খাড়গের সভার পর থেকেই বিতর্ক

    গত ৮ অগাস্ট হলদ্বানির রামলীলা ময়দানে একটি জনসভায় ভাষণ দেন খাড়গে। সভা শেষ হওয়ার পর বিজেপির নেতা ও কর্মীরা ওই ময়দানে শুদ্ধিকরণ যজ্ঞ করেন বলে অভিযোগ। পাশাপাশি গোটা চত্বরে গঙ্গাজল ছড়ানো হয় বলেও জানা যায়।

    এই শুদ্ধিকরণ কর্মসূচির পক্ষে সওয়াল করেন বিজেপির উত্তরাখণ্ড সভাপতি মহেন্দ্র ভট্ট-সহ দলের একাধিক নেতা। এদিকে, কংগ্রেস এই ঘটনায় তীব্র আপত্তি জানায়। দলের অভিযোগ ছিল, খাড়গে দলিত সম্প্রদায়ের মানুষ হওয়ার কারণেই তাঁর সভাস্থল শুদ্ধিকরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় বিজেপি নেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও জানায় কংগ্রেস।

    বিষয়টি নিয়ে সরব হন রাহুল

    পরবর্তী সময়ে রাহুলের বক্তব্যেও উঠে আসে রামলীলা ময়দানের শুদ্ধিকরণের প্রসঙ্গ। তিনি শুদ্ধিকরণ কর্মসূচির সঙ্গে দলিতদের মর্যাদার প্রশ্নটি যুক্ত করেন এবং খাড়গের সভার পর কেন এমন কর্মসূচির প্রয়োজন হল, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন (Rahul Gandhi)।

    কংগ্রেস নেতাদের বক্তব্য, খাড়গের সভার পর অনুষ্ঠানস্থল শুদ্ধিকরণ করা আসলে দলিত সম্প্রদায়ের প্রতি অপমান এবং বৈষম্যের প্রকাশ।

    অন্যদিকে, রাহুলের মন্তব্যকেই অপমানজনক বলে অভিযোগ করেছেন মামলার অভিযোগকারী। তাঁর দাবি, ওই মন্তব্যে দলিত সম্প্রদায়ের পাশাপাশি শুদ্ধিকরণ অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া মানুষদেরও অসম্মান করা হয়েছে।

    কোন কোন ধারায় মামলা?

    মামলায় ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১৯৬ ধারা প্রয়োগ করা হয়েছে। এই ধারায় ধর্ম, জাতি, জন্মস্থান, বসবাসের স্থান, ভাষা, জাতপাত বা সম্প্রদায়ের ভিত্তিতে বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে শত্রুতা, ঘৃণা বা বিদ্বেষ সৃষ্টি করা কিংবা তা বাড়ানোর চেষ্টা-সহ সামাজিক সম্প্রীতি ও শান্তির পরিপন্থী কর্মকাণ্ডের কথা বলা হয়েছে।

    ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ২৯৯ ধারা ইচ্ছাকৃত ও বিদ্বেষপূর্ণ এমন কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত, যার উদ্দেশ্য কোনও শ্রেণির ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করা বা তাদের ধর্ম ও ধর্মীয় বিশ্বাসকে অপমান করে ক্ষোভ সৃষ্টি করা।

    অন্যদিকে, তফসিলি জাতি ও তফসিলি জনজাতি (অত্যাচার প্রতিরোধ) আইনের ৩(১)(কিউ) ধারায় কোনও সরকারি কর্মচারীকে মিথ্যা বা জাল তথ্য দেওয়ার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যার উদ্দেশ্য সেই কর্মচারীকে তাঁর আইনসিদ্ধ ক্ষমতা ব্যবহার করে তফসিলি জাতি বা তফসিলি জনজাতির কোনও সদস্যের ক্ষতি বা হয়রানি করার দিকে পরিচালিত করা।

    রাজনৈতিক বিতর্ক এবার আইনি লড়াইয়ে

    রামলীলা ময়দানের তথাকথিত শুদ্ধিকরণকে ঘিরে বিজেপি ও কংগ্রেসের পরস্পরবিরোধী অভিযোগ এবার আইনি লড়াইয়ের পর্যায়ে পৌঁছেছে। কংগ্রেস যেখানে ঘটনাটিকে দলিতদের মর্যাদা ও বৈষম্যের (Purification Controversy) প্রশ্ন হিসেবে তুলে ধরেছে, সেখানে মামলার অভিযোগকারী রাহুলের মন্তব্যকেই দলিত সম্প্রদায় এবং শুদ্ধিকরণ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের প্রতি অপমানজনক বলে দাবি করেছেন (Rahul Gandhi)।

     

  • Chhattisgarh: শিবলিঙ্গ নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য, ছত্তিশগড়ে খ্রিস্টান ফোরামের সভাপতি গ্রেফতার

    Chhattisgarh: শিবলিঙ্গ নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য, ছত্তিশগড়ে খ্রিস্টান ফোরামের সভাপতি গ্রেফতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভগবান শিব ও শিবলিঙ্গকে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় আপত্তিকর মন্তব্য করার অভিযোগে ছত্তিশগড় (Chhattisgarh) খ্রিস্টান ফোরামের সভাপতি অরুণ পান্নালালকে গ্রেফতার করল রায়পুর পুলিশ (Shivling Remarks)। ৭ অগস্ট রাতে বছর পঁচাত্তরের পান্নালালকে গ্রেফতার করা হয়। তাঁর মন্তব্যে হিন্দু ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত লেগেছে বলে অভিযোগ পুলিশের। অভিযোগ, হংসরাজ গোয়েল নামে এক ব্যক্তির ফেসবুক পোস্টে ভগবান শিবকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেছিলেন পান্নালাল। এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসার পর বিজেপির মুখপাত্র অমিত চিনমানি সিভিল লাইনস থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পোস্ট ও মন্তব্যের পর্দার ছবি এবং তার ঠিকানাও পুলিশের কাছে জমা দেন তিনি। এর পর পান্নালাল এবং হংসরাজ গোয়েলের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ। বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে শত্রুতা বা বিদ্বেষ উসকে দেওয়া, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার উদ্দেশ্যে কাজ করা এবং শান্তিভঙ্গের প্ররোচনা দেওয়ার উদ্দেশ্যে ইচ্ছাকৃত অপমানের মতো অভিযোগে মামলা হয়েছে।

    বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পান্নালাল (Chhattisgarh)

    সিভিল লাইনস থানার পরিদর্শক যমন দেওয়াঙ্গন জানান, শুক্রবার রাতে পান্নালালকে গ্রেফতার করা হয়। পরদিন শনিবার, ৮ অগাস্ট তাঁকে ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে পেশ করা হলে আদালত তাঁকে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেয়। দেওয়াঙ্গন বলেন, “শুক্রবার রাতে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়। শনিবার তাঁকে ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে পেশ করা হয়। আদালত তাঁকে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠিয়েছে।” পুলিশ কর্তা তারকেশ্বর পটেল জানান, ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়ার পরেই পুলিশ তদন্ত শুরু করে। অভিযুক্তকে শনাক্ত ও গ্রেফতারের কাজে সাইবার শাখা-সহ পুলিশের একাধিক দলকে কাজে লাগানো হয় (Chhattisgarh)। পটেল বলেন, “ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করা একটি পোস্ট নিয়ে সিভিল লাইনস থানায় অভিযোগ পাওয়া গিয়েছিল। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু করা হয়। এরপর তদন্ত শুরু হয়। সাইবার শাখা এবং পুলিশের অন্যান্য দলের সহায়তায় তল্লাশি ও প্রযুক্তিগত নজরদারি চালানো হয়। এই মামলায় অভিযুক্ত অরুণ পান্নালালকে গ্রেফতার করা হয়েছে (Shivling Remarks)।”

    পুলিশি পদক্ষেপকে সমর্থন মুখ্যমন্ত্রীর

    পান্নালালের গ্রেফতারি নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেও সাই। তাঁর বক্তব্য, সনাতন ধর্মে শ্রদ্ধেয় ভগবান শিব এবং শিবলিঙ্গকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করা হয়েছে। সাই বলেন, “আমাদের সনাতন ধর্মে শ্রদ্ধেয় ভগবান শিব ও শিবলিঙ্গকে নিয়ে তিনি আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন। তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়েছে, তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে (Chhattisgarh)।” এদিকে মামলা দায়েরের পর রায়পুরে পান্নালালের বাড়ির বাইরে বজরং দলের একদল কর্মী বিক্ষোভ দেখান। পরে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ।

     

  • Ram Mandir: রামমন্দিরে দানসামগ্রী আত্মসাত করার অভিযোগে গ্রেফতার ৮, পাঠানো হল হেফাজতে

    Ram Mandir: রামমন্দিরে দানসামগ্রী আত্মসাত করার অভিযোগে গ্রেফতার ৮, পাঠানো হল হেফাজতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যার রামমন্দিরে (Ram Mandir) ভক্তদের দান আত্মসাত করার অভিযোগে চলা তদন্তে (Donation Embezzlement Case) বড় পদক্ষেপ উত্তরপ্রদেশ পুলিশের। শুক্রবার সকালে এই মামলায় এফআইআরে নাম থাকা আট অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতেরা হলেন অবিনাশ শুক্লা, অনুকল্প মিশ্র, লবকুশ মিশ্র, মনীশ কুমার যাদব, করুণেশ পান্ডে, রামশঙ্কর মিশ্র, সুভাষ শ্রীবাস্তব এবং রামশঙ্কর যাদব ওরফে টিন্নু যাদব। আদালত বন্ধ থাকায় তাঁদের সোমবার পর্যন্ত বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। ওই দিনই দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের বিশেষ আদালতে তোলা হবে তাঁদের।

    ভারতীয় ন্যায় সংহিতার যেসব ধারায় মামলা (Ram Mandir)

    পুলিশ ও প্রসিকিউশনের দাবি, সুভাষ ছাড়া বাকি সাত অভিযুক্তের কাছ থেকে মোট ৭৯ লক্ষ ৮৫ হাজার ৪৯৩ টাকা উদ্ধার হয়েছে। এঁরা সকলেই মন্দিরে ভক্তদের দেওয়া নগদ অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী গণনা, বাছাই এবং বান্ডিল তৈরির কাজে যুক্ত ছিলেন। উত্তরপ্রদেশ সরকারের নির্দেশে গঠিত তিন সদস্যের বিশেষ তদন্তকারী দলের (SIT) প্রাথমিক রিপোর্ট এবং শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্টের এক সদস্যের অভিযোগের ভিত্তিতে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার (BNS) ৩০৬, ৩১৬(৫), ৩১৭(৪), ৩১৭(৫), ৬১ ও ৩(৫) ধারায় এফআইআর দায়ের করা হয়।এদিকে, তদন্তের মধ্যেই নৈতিক দায় স্বীকার করে ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক চম্পত রাই এবং ট্রাস্টি অনিল মিশ্র পদত্যাগ করেছেন। যদিও তাঁদের কারও নাম এফআইআরে নেই। প্রথমে চম্পত দান চুরির অভিযোগ অস্বীকার করলেও, পরে সিটের তদন্তকে স্বাগত জানান তিনি। তার পরেই গ্রেফতার করা হয় তাঁদের।

    ৫০ কোটিরও বেশি টাকার সম্পত্তি অটোচালকের!

    ধৃতদের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ টিন্নু। একসময় তিনি অযোধ্যায় অটোরিকশা চালাতেন। পরে বিশ্ব হিন্দু পরিষদে (VHP) যোগ দিয়ে চম্পতের ব্যক্তিগত চালক হন এবং করসেবকপুরমের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। তদন্তকারীদের দাবি, মন্দিরের দানবাক্সের চাবি তাঁর কাছেই থাকত এবং দানের নিরাপত্তা, গণনা ও ব্যাঙ্কে পৌঁছে দেওয়ার পুরো ব্যবস্থার ওপর তাঁর ব্যাপক প্রভাব ছিল। অভিযোগ, নগদ অর্থ, সোনা, রুপো ও হিরের অলঙ্কার আত্মসাৎ করে তিনি ৫০ কোটিরও বেশি টাকার সম্পত্তি করেছেন। যদিও টিন্নুর দাবি, তিনি দান পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না, এবং ২০০৮ সালেই অটো চালিয়ে উপার্জিত অর্থে (Ram Mandir) ওই সম্পত্তি কিনেছিলেন। টিন্নুর ভাইপো মনীশও দান গণনার কাজে যুক্ত ছিলেন। তাঁর বাড়ি থেকেও চুরি হওয়া অর্থ উদ্ধার হয়েছে। রামশঙ্কর মিশ্র ওরফে রবি দীর্ঘদিন ধরে দান আত্মসাতের চক্রে সক্রিয় ছিলেন বলে অভিযোগ। তদন্তকারীদের দাবি, তিনি নিয়ম ভেঙে আর্থিক প্রক্রিয়া পরিচালনা করতেন এবং তাঁর ছেলে অনুকল্প এবং জামাই লবকুশ মিশ্রকেও এই কাজে যুক্ত করেন। সিসিটিভি ফুটেজে তাঁকে নগদ অর্থ বাছাই করতে দেখা গিয়েছে (Donation Embezzlement Case)।

    উদ্ধার লাখ লাখ টাকা

    অনুকল্প রামশঙ্করের ছেলে এবং ট্রাস্টি অনিল মিশ্রের আত্মীয়। তিনি অযোধ্যার মিল্কিপুর এলাকার বাসিন্দা। তাঁর বাড়ি থেকেও নগদ অর্থ উদ্ধার হয়েছে। লবকুশও দানসামগ্রী গণনার কাজে যুক্ত ছিলেন। তদন্তে দাবি, অনুকল্পের সঙ্গে মিলে তিনি অর্থ আত্মসাতে সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছিলেন। সিসিটিভিতে তাঁর কর্মকাণ্ড ধরা পড়েছে এবং তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে প্রায় ১২ লাখ টাকা। মন্দিরের পরিচারক হিসেবে দানের নগদ অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী গণনার দলে ছিলেন অবিনাশ। তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে উদ্ধার হয়েছে ৫ লাখ টাকা। প্রাক্তন ব্যাঙ্ককর্মী সুভাষ পুরো নগদ গণনা ব্যবস্থার তদারকির দায়িত্বে ছিলেন। এদিকে, করুণেশের বিরুদ্ধে দানের আর্থিক নথিতে কারচুপি করার অভিযোগ উঠেছে। আট অভিযুক্তের মধ্যে পাঁচজনের সরাসরি যোগ রয়েছে ট্রাস্টের সদ্য পদত্যাগী দুই পদাধিকারীর সঙ্গে। টিন্নু ছিলেন চম্পতের চালক এবং মনীশ তাঁর ঘনিষ্ঠ আত্মীয়। আবার, রামশঙ্কর, তাঁর ছেলে অনুকল্প এবং জামাই লবকুশ ট্রাস্টি অনিলের সঙ্গে সম্পর্ক যুক্ত (Ram Mandir)।

    কী বলছে সিসিটিভির ফুটেজ?

    তদন্তে জানা গিয়েছে, দানবাক্সে জমা পড়া অর্থ এবং ব্যাঙ্কে জমা হওয়া অর্থের মধ্যে অসঙ্গতি ধরা পড়ার পর মন্দির কর্তৃপক্ষ গোপন ক্যামেরা বসায় (Donation Embezzlement Case)। সেই ফুটেজে দেখা যায়, অভিযুক্তরা সিসিটিভির সামনে দাঁড়িয়েই গোপনে কিছু টাকা পকেটে পুরে ফেলছেন। কখনও বান্ডিলে অতিরিক্ত নোট ঢুকিয়ে পরে ব্যাঙ্কে যাওয়ার পথে সেই নোট বের করে নেওয়া হত। নগদের পাশাপাশি ভক্তদের দেওয়া কিছু গয়নাও আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগ। তবে মন্দিরে দান করা (Donation Embezzlement Case) ২০০ কেজি রুপো চুরির দাবি তদন্তে ভিত্তিহীন বলে প্রমাণিত হয়েছে (Ram Mandir)।

     

  • Keralam Vishu AD Row: প্রতিবাদীদের বিরুদ্ধে হওয়া মামলা প্রত্যাহার করতে হবে পুলিশকে, কেরলে কৃষ্ণ-মাংসকাণ্ডে সরব ভিএইচপি

    Keralam Vishu AD Row: প্রতিবাদীদের বিরুদ্ধে হওয়া মামলা প্রত্যাহার করতে হবে পুলিশকে, কেরলে কৃষ্ণ-মাংসকাণ্ডে সরব ভিএইচপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেরলে কৃষ্ণের মাংস খাওয়ার ছবি কাণ্ডে পুলিশের দ্বিচারিতার বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানাল বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। আলাপ্পুঝা জেলার চের্থালায় মেহের মান্ডি অ্যান্ড গ্রিলস দ্বারা প্রস্তুত ও বিতরণ করা বিষু শুভেচ্ছা কার্ডের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ প্রদর্শনকারীদের বিরুদ্ধে চের্থালা পুলিশ যে মামলা দায়ের করেছে, অবিলম্বে তা প্রত্যাহার করার দাবি জানাল বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (VHP)। পরিষদের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক অনিল ভিলায়িল-ই এমন দাবি তুলেছেন (Keralam Vishu AD Row)।  ওই কার্ডে ভগবান শ্রীকৃষ্ণকে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা নিয়ে আপত্তি ওঠে বিভিন্ন মহলে। এই প্রতিষ্ঠানটির মালিক মোহাম্মদ শেমির ও তাঁর সহযোগীরা। তিনি বলেন, “এই ধরনের মামলা পিনারাই বিজয়ন সরকারের নীতির অংশ হিসেবে চালানো হচ্ছে, যেখানে অপরাধীদের রক্ষা করা হয় এবং যারা তা প্রকাশ করে তাদের শাস্তি দেওয়া হয়।”

    মেহের মান্ডি অ্যান্ড গ্রিলসের ঘটনা কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয় (Keralam Vishu AD Row)

    তাঁর আরও অভিযোগ, মিথ্যা মামলায় অভিযুক্তদের বাড়িতে, এমনকি মহিলাদের ঘরেও পুলিশ ঢুকে পড়েছে, যা মোটেই কাম্য নয়। তাঁর দাবি, এই বিষয়ে কথা বলা কর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার করতে হবে এবং তাঁদের কাছ থেকে বাজেয়াপ্ত করা মোবাইল ফোন অবিলম্বে ফিরিয়ে দিতে হবে। চের্থালার ঘটনাকে উল্লেখ করে ভিলায়িল বলেন, “মেহের মান্ডি অ্যান্ড গ্রিলসের ঘটনা কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। কেরালামের প্রায় আটটি জায়গায়—মান্ডি দোকান, মায় একটি জুতোর দোকানেও—ভগবান কৃষ্ণকে আপত্তিকরভাবে উপস্থাপন করে একই ধরনের বিষু শুভেচ্ছা দেখা গিয়েছে। বেঙ্গালুরুতেও এমন একটি ঘটনার খবর মিলেছে।”

    বিতর্কিত শুভেচ্ছা কার্ড

    তাঁর মতে, এসব ঘটনা একটি ধারাবাহিক প্রচেষ্টার ইঙ্গিত দেয়, যেখানে উসকানি দেওয়া এবং প্রতিক্রিয়া পরীক্ষা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, “মেহের মান্ডি অ্যান্ড গ্রিলসের বিজ্ঞাপন ও অনুরূপ ছবির বিরুদ্ধে হিন্দু সংগঠনগুলির তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে, এবং চের্থালা পুলিশের পদক্ষেপ পরিস্থিতিকে আরও উত্তেজিত করেছে।” তিনি জানান, এই বিষয়টির মোকাবিলা করা হবে আইনানুগ পথে এবং জনমতের মাধ্যমে। ভিলায়িলের প্রশ্ন, “মেহের মান্ডি অ্যান্ড গ্রিলসের বিতর্কিত শুভেচ্ছা কার্ডটি যারা শেয়ার করেছে—রাজ্যের ভেতরে ও বিদেশে—তাদের বিরুদ্ধে পুলিশ ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত কি না (Keralam Vishu AD Row)।” তিনি উল্লেখ করেন, ছবিটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে এবং বিপুল সংখ্যক মানুষের কাছে পৌঁছেছে।

    কৃষ্ণকে একটি আমিষ খাবারের সঙ্গে দেখানো হয়েছে

    তিনি বলেন, “হিন্দুদের অনুভূতিতে গুরুতর আঘাত লাগার পরেও কেরালামের শাসক দল, বিরোধী দলের নেতা, কিংবা আলাপ্পুঝার সাংসদ ও এআইসিসি সাধারণ সম্পাদক কেসি বেণুগোপাল কেউই কোনও প্রতিবাদ জানাননি।” তাঁর মতে, এলডিএফ ও ইউডিএফ—উভয় জোটের নেতৃত্বই এই ধরনের শক্তিকে উৎসাহ দিচ্ছে (VHP)। এই বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছে চের্থালায় অবস্থিত মেহের মান্ডি অ্যান্ড গ্রিলসের বিষু-থিমযুক্ত একটি বিজ্ঞাপন, যেখানে ভগবান কৃষ্ণকে একটি আমিষ খাবারের সঙ্গে দেখানো হয়েছে—যার মধ্যে ভাজা মুরগি সহ একটি বিরিয়ানির প্লেটও রয়েছে। ছবিটি ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে এবং চের্থালা ও আশেপাশের এলাকায় ভিএইচপি-সহ বিভিন্ন হিন্দু সংগঠন এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ করে (Keralam Vishu AD Row)।

    পরে অভিযোগের ভিত্তিতে চের্থালা পুলিশ ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (BNS)-এর ১৯২ ধারায় একটি মামলা দায়ের করে। মেহের মান্ডি অ্যান্ড গ্রিলসের বিজ্ঞাপন তৈরি ও প্রচার সংক্রান্ত তদন্তের অংশ হিসেবে সহ-মালিক আরশাদ নামে একজনকে হেফাজতে নেওয়া হয় এবং ইলেকট্রনিক ডিভাইস বাজেয়াপ্ত করা হয়। এরপর থেকে এই ঘটনাকে ঘিরে আরও বেড়েছে বিতর্কের পরিসর। কারণ অন্যান্য জায়গা থেকেও অনুরূপ ছবি (VHP) প্রকাশের খবর মিলেছে। প্রতিবাদ অব্যাহত রয়েছে কেরালামের বিভিন্ন অংশেও (Keralam Vishu AD Row)।

     

LinkedIn
Share