Tag: Body Pain

Body Pain

  • Child Health: দিনভর দুষ্টুমি, লাফালাফি আর দৌড়, রাতে সন্তানের পায়ে অসহ্য যন্ত্রণা! কীসের ইঙ্গিত?

    Child Health: দিনভর দুষ্টুমি, লাফালাফি আর দৌড়, রাতে সন্তানের পায়ে অসহ্য যন্ত্রণা! কীসের ইঙ্গিত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিনভর দুষ্টুমি। লাফালাফি আর দৌড়। বাড়ির একরত্তির সারাদিনের হৈহৈ কাণ্ডে অস্থির সকলে। কিন্তু রাত বাড়লেই এক সমস্যা। প্রায় রাতেই পায়ে অসহ্য যন্ত্রণা। কখনও কেঁদে উঠছে।‌ সারা রাত পায়ের যন্ত্রণায় ঠিকমতো ঘুমও হচ্ছে না। সন্তানের কেন রাতে পায়ের যন্ত্রণা হচ্ছে, এ নিয়ে দুশ্চিন্তায় থাকেন অনেক বাবা-মা! চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, সতর্ক হতে হবে। না হলেই এই সমস্যার (Child Health) মোকাবিলা কঠিন হ‌য়ে উঠবে।

    রাত বাড়লেই কেন বাড়ে পায়ের যন্ত্রণা?

    শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, তিন বছরের পর থেকেই বহু শিশু রাতে পায়ের যন্ত্রণায় কাবু হয়। বছর দশেক পর্যন্ত এই সমস্যা থাকে‌। ছেলে-মেয়ে কমবেশি সকলেই এই সমস্যায় ভোগে। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় এই সমস্যার নাম গ্রোইং পেন (Child Health)। 
    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, তিন বছরের পর থেকেই শিশুর শরীরে উল্লেখযোগ্য ভাবে বিকাশ হয়। অর্থাৎ, হাত-পায়ের হাড় ও পেশির বিকাশ ঘটে। উচ্চতা বাড়ে। বছর দশেক পর্যন্ত বিশেষ ভাবে দৈহিক পরিবর্তন ঘটে। আর তার জেরেই এই ধরনের যন্ত্রণা হয়। শিশুরোগ‌ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, সাধারণত এই বয়সের শিশুরা দিনভর খুব ‘অ্যাক্টিভ’ থাকে। অর্থাৎ, দৌড়াদৌড়ি, লাফালাফি করে। ফলে, পেশি ও হাড় যথেষ্ট ক্লান্ত থাকে। পাশপাশি এগুলির এই বয়সে নতুন করে গঠন হয়। তাই রাতে বিশ্রামের সময় যন্ত্রণা অনুভব হয়। বিশেষত পেশির যন্ত্রণা বেশি হয়।

    তবে যন্ত্রণা কি গ্রোইং পেন? (Child Health)

    চিকিৎসকদের একাংশ অবশ্য জানাচ্ছেন, সব রকমের যন্ত্রণা কিন্তু গ্রোইং পেন নয়। তাই অভিভাবকদের সতর্কতা জরুরি। শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, সন্তান দিনভর ছটফটে রয়েছে। স্কুল যাওয়া কিংবা খেলাধুলো স্বাভাবিক ভাবেই করছে। রাতে পায়ের পেশিতে যন্ত্রণা (Child Health) হলেও, সকালে ঘুম থেকে উঠে‌ একেবারেই স্বাভাবিক হয়ে গিয়েছে। তাহলে বুঝতে হবে এটা গ্রোইং পেন। কিন্তু অনেক সময়ে শিশুদের হাড়ে একাধিক সমস্যা হয়। সেই যন্ত্রণা শুধু রাতে নয়, দিনেও হবে। যদি একটানা যন্ত্রণা অনুভব হয়, সারাদিন ক্লান্তিবোধ থাকে, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ জরুরি। তাছাড়া, জ্বর বা সর্দি-কাশির মতো উপসর্গ থাকলে হাতে-পায়ে যন্ত্রণা অনুভব হলে, কখনই শিশুকে অবহেলা করা যাবে না। দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। কারণ, সেক্ষেত্রে অন্য কোনও সমস্যা দেখা‌ দিতে পারে।

    গ্রোইং পেন দেখা দিলে কীভাবে খেয়াল রাখতে হবে?

    শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, গ্রোইং পেন দেখা দিলে পেশি আস্তে আস্তে ম্যাসাজ করতে হবে। তাতে সাময়িক আরাম পাওয়া যাবে। শিশুদের এই পায়ের যন্ত্রণার জন্য কোনও রকমের ওষুধ বা মলম না লাগানোই ভালো বলে মনে করছেন অধিকাংশ চিকিৎসক। তবে এই সময়ে পুষ্টির দিকে বাড়তি খেয়াল রাখা জরুরি বলে জানাচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। তাঁরা বলছেন, এই সময়ে পেশি ও হাড়ের বিকাশ ঘটে। তাই পুষ্টিতে বিশেষ নজরদারি জরুরি (Child Health)। ভিটামিন ডি-র ঘাটতি যাতে দেখা না‌ দেয়, সেদিকে বিশেষ নজরদারি দরকার। তাই শুধু ঘরের ভিতরে নয়, সূর্যের আলোতে শিশুদের খেলাধুলো প্রয়োজন। সেদিকে অভিভাবকদের নজরদারি দরকার। পাশাপাশি হাড়ের শক্তি বাড়াতে ক্যালসিয়াম জাতীয় খাবার খাওয়া দরকার। তাই নিয়মিত দুধ, ডিম সিদ্ধ, কলা, লেবু খেতে হবে। পাশপাশি বাদাম খাওয়া জরুরি। শরীরে ভিটামিন এবং প্রোটিনের জোগান থাকা জরুরি। তবেই পেশি শক্তিশালী হবে বলে‌ জানাচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। আর পেশি‌ শক্তিশালী হলে গ্রোইং পেন‌ মোকাবিলাও সহজ হবে। তাই মাছ, মাংস, পনির, এবং সবুজ সব্জি নিয়মিত খাওয়া দরকার। তবেই শিশুর বিকাশ‌ ঠিকমতো হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Osteoarthritis: বেশিক্ষণ হাঁটলেই হাঁটুতে যন্ত্রণা, ওঠা-নামা করতে কষ্ট! কীভাবে চিনবেন রোগ?

    Osteoarthritis: বেশিক্ষণ হাঁটলেই হাঁটুতে যন্ত্রণা, ওঠা-নামা করতে কষ্ট! কীভাবে চিনবেন রোগ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চট করে ওঠা-নামা করতে কষ্ট হয়। একনাগাড়ে দাঁড়িয়ে থাকাও কঠিন হয়ে পড়ে। আবার বেশিক্ষণ হাঁটাহাঁটি করলেও হাঁটুতে যন্ত্রণা শুরু হয়। বাঙালির হাড়ের জোর কি কমছে? সাম্প্রতিক এক সর্বভারতীয় সংগঠন হাড়ের রোগ নিয়ে গবেষণা চালিয়েছে। সেখানে জানা গিয়েছে, বাঙালিদের মধ্যে হাড়ের একাধিক সমস্যা দেখা দিচ্ছে। বিশেষত অস্টিওআর্থ্রাইটিসের মতো হাড়ের রোগ (Osteoarthritis) বাড়ছে। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, কম বয়স থেকেই সতর্ক না হলে বিপদ বাড়বে।

    কী বলছে সমীক্ষার রিপোর্ট? (Osteoarthritis) 

    সর্বভারতীয় ওই সংগঠনের সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুযায়ী, গোটা দেশেই অস্টিওআর্থ্রাইটিসের মতো রোগের প্রকোপ বাড়ছে। তবে, আক্রান্তের নিরিখে দেশের প্রথম চার রাজ্যের মধ্যে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। এ রাজ্যের ৪০ লাখের বেশি মানুষ অস্টিওআর্থ্রাইটিসে আক্রান্ত। ওই রিপোর্ট অনুযায়ী, ৫৫ বছরের উর্ধ্বে মানুষদের মধ্যে অস্টিওআর্থ্রাইটিসে আক্রান্তের ঝুঁকি বেশি দেখা যাচ্ছে। মহিলাদের মধ্যে বিশেষ করে এই রোগের প্রকোপ আরও বেশি। বাঙালি মহিলারাই এই রোগের সবচেয়ে বেশি শিকার হচ্ছেন।

    অস্টিওআর্থ্রাইটিস কী? কীভাবে চিনবেন এই রোগ? (Osteoarthritis) 

    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, অস্টিওআর্থ্রাইটিস এক ধরনের হাড়ের সমস্যা। হাড়ের শক্তি ক্ষয় হলে এই ধরনের রোগ হয়। ঘুম থেকে উঠলে, মূলত সকালের দিকে হাত-পায়ে জোর পাওয়া যায় না। কোমড়, হাঁটু সহ দেহের একাধিক অঙ্গের সচলতা কমতে থাকে। পাশপাশি দেহের বিভিন্ন অংশে যন্ত্রণা হয়। তাই চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, হাঁটু, কোমড়, ঘাড়ের মতো দেহের নানান জয়েন্টে বারবার যন্ত্রণা হলে, কিছু সময় একটানা হাঁটলে, হাটুর ব্যথা কিংবা পায়ে যন্ত্রণা দেখা দিলে, একেবারেই অবহেলা করা উচিত নয়। এগুলো অস্টিওআর্থ্রাইটিসের (Osteoarthritis) লক্ষণ।

    কীভাবে মোকাবিলা করবেন এই রোগের? (Osteoarthritis)

    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, এই রোগের একাধিক থেরাপি রয়েছে। আবার নির্দিষ্ট ওষুধ রয়েছে। কিন্তু এই রোগ নির্মূল সম্ভব নয়। তাই রোগ যাতে শরীরে বেশি বাসা বাঁধতে না পারে, সেদিকে বরং নজর দেওয়া জরুরি। তাই তিরিশের পর থেকেই বাড়তি সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। 
    বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, হাড়ের শক্তির দিকে নজর দেওয়া জরুরি। তাই নিয়মিত ডিম, দুধ, আপেলের মতো খাবার খেতে হবে। কারণ, এই ধরনের খাবারে প্রচুর ক্যালসিয়াম থাকে। পাশপাশি কিউই, নাশপাতি, লেবুর মতো ফল নিয়মিত খাওয়া জরুরি। এগুলো হাড়ের পুষ্টি জোগায়। 
    পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার পাশাপাশি শরীরের ওজনের দিকেও নজর রাখতে হবে বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা। কারণ, মাত্রাতিরিক্ত ওজনের জন্য হাড়ের শক্তি ক্ষয় হয়। শরীরের ওজন বেড়ে গেলে হাঁটু, কোমড়ের উপরে বাড়তি চাপ পড়ে। তাই স্থূলতা এড়াতে প্রয়োজনীয় সচেতনতা জরুরি। 
    নিয়মিত যোগাভ্যাসের পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। কারণ, এতে শরীরের সমস্ত অঙ্গের কার্যকারিতা বজায় থাকে। শরীর সচল রাখতে নিয়ম করে শারীরিক কসরত জরুরি বলেও জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Body Pain: শরীরে যন্ত্রণা, হাঁটলেই পায়ে ব্যথা? পেশির যন্ত্রণা কমানোর উপায় কী? 

    Body Pain: শরীরে যন্ত্রণা, হাঁটলেই পায়ে ব্যথা? পেশির যন্ত্রণা কমানোর উপায় কী? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বয়স তিরিশের চৌকাঠ পেরলেই বাড়ছে নানা সমস্যা। অধিকাংশ মানুষ এখন চেয়ারে বসে ল্যাপটপে কাজ করেন। দিনের বেশির ভাগ সময় বসে কাটান। তাই আরও সমস্যা বাড়ছে। তার মধ্যে ভোগান্তি বাড়াচ্ছে পেশির সমস্যা (Body Pain)। হাত-পায়ে যন্ত্রণা, কিছুক্ষণ হাঁটার পরেই পায়ে ব্যথা, পা ফুলে যাওয়া কিংবা ভারী কিছু তুলতে হলে কোমর বা হাতের পেশিতে খিঁচুনি অনুভব হওয়ার মতো সমস্যা বাড়ছে। তাই জীবন যাপনে বদল এনে পেশির সমস্যার সমাধান জরুরি, জানাচ্ছে চিকিৎসক মহল।

    কোন কোন খাবারে পেশি মজবুত হবে? 

    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, পুষ্টিকর এবং পরিমিত খাবার জীবন শক্তি বাড়াতে সব চেয়ে বেশি সাহায্য করে। তাই পেশির দুর্বলতা কাটাতে নজরে থাকুক খাদ্যাভ্যাসে। 
    পুষ্টিবিদদের পরামর্শ, কার্বোহাইড্রেট ও প্রোটিন রয়েছে এমন খাবার তালিকায় থাকলে তবেই পেশির যন্ত্রণা (Body Pain) কমবে। পেশি মজবুত হবে। তাই তাঁরা আটার রুটি, বাজরা, যবের মতো দানাশস্যের যে কোনও রকম খাবার খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন। কারণ এই ধরনের খাবারে কার্বোহাইড্রেট থাকে। আবার এগুলোতে স্থূলতার সমস্যাও হয় না। অতিরিক্ত কার্বোহাইড্রেট আবার স্থূলতার সমস্যা তৈরি করে। তাই সমতা আনতে যব, ভূট্টা, বাজরার মতো দানাশস্যের তৈরি রুটি, পাউরুটি খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। 
    তাছাড়া নিয়মিত তরমুজ, আপেলের মতো ফল খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। পেশি মজবুত করতে এই দুই ফল বিশেষ সাহায্য করে। 
    নিয়মিত ডিমের কুসুম খাওয়া জরুরি। ডিমের কুসুমে থাকে একাধিক প্রোটিন ও ভিটামিনের উপাদান। এগুলো পেশিকে মজবুত করে। তাছাড়া মাংস বিশেষত চিকেন স্ট্র্যুর মতো খাবার পেশির জন্য বিশেষ উপকারী। তবে, চর্বিজাতীয় মাংস বা মাছ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। কারণ, তাতে পেশি মজবুত হলেও কোলেস্টেরল, রক্তচাপ সহ একাধিক সমস্যা তৈরি করতে পারে। তবে, নিয়মিত সোয়াবিন খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিবিদরা। কারণ, সোয়াবিনে থাকে পর্যাপ্ত প্রোটিন। কিন্তু তাতে কোলেস্টেরল বা স্থূলতার সমস্যা হয় না। তাই সবদিক থেকেই উপকার পাওয়া যায়।

    পেশির যন্ত্রণা (Body Pain) কমানোর উপায় কী? 

    পেশি দুর্বল হলেই হাতে-পায়ের যন্ত্রণা হয়। এমনকি পেশির সমস্যার জন্য কোমরেও নানান সমস্যা হয়। দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে বা বসে থাকলেও ব্যথা হয়। তাই পেশির যন্ত্রণা কমানো জরুরি বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। আর পেশির যন্ত্রণা (Body Pain) কমাতে মূল হাতিয়ার নিয়মিত ব্যায়াম। এমনটাই জানাচ্ছে বিশেষজ্ঞ মহল। তারা জানাচ্ছে, নিয়মিত হাত ও পায়ের কসরত জরুরি। অন্তত দিনে আধঘণ্টা ব্যায়াম করতে হবে। তবেই পেশি সচল থাকবে। পেশি যত সচল থাকবে, তত খিঁচুনি বা অন্যান্য সমস্যা কম হবে। তাছাড়া নিয়মিত হাঁটতে হবে। দিনে অন্তত আধ ঘণ্টা হাঁটলে পেশির যন্ত্রণার উপশম হবে। পাশপাশি, যাদের একটানা চেয়ারে বসে কাজ করতে হয়, চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, তাঁরা অন্তত ঘণ্টাখানেক কাজ করার পরে, মিনিট দশেক হাঁটা চলা করেন, সেদিকে নজর দিতে হবে। এক রকম ভাবে টানা বসে থাকলে, পেশির সমস্যা তৈরি হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Calcium: তিরিশের চৌকাঠ পেরিয়েই হাঁটু-কোমরের সমস্যা! কোন খাবারে মিলবে সমাধান? 

    Calcium: তিরিশের চৌকাঠ পেরিয়েই হাঁটু-কোমরের সমস্যা! কোন খাবারে মিলবে সমাধান? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কখনও একটানা বসে থাকলে নড়াচড়া করতে কষ্ট হয়। কোমরে ব্যথা হতে থাকে। আবার কখনও কিছুক্ষণ দাঁড়ানোর পরেই বা কয়েক পা সিঁড়ি দিয়ে উঠলেই হাঁটুর যন্ত্রণা শুরু হয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তিরিশের চৌকাঠ পেরিয়ে মহিলারা এই ধরনের সমস্যায় ভোগেন। বিশেষত, হাঁটু ও কোমরের যন্ত্রণায় তাঁদের শারীরিক ক্ষমতা কমতে থাকে। ঠিকমতো কাজ করতে পারেন না। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, ক্যালসিয়ামের (Calcium) ঘাটতিই বিপদ বাড়াচ্ছে।

    কী বলছে সমীক্ষার রিপোর্ট? 

    কেন্দ্রীয় সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রকের সমীক্ষা বলছে, ভারতে ২৫ শতাংশ মহিলা বিপজ্জনক ভাবে ক্যালসিয়ামের (Calcium) অভাবে ভুগছেন। ৭৫ শতাংশ মহিলা প্রয়োজনীয় ক্যালসিয়াম পাচ্ছেন না। তবে, মহিলাদের পাশাপাশি পুরুষদের মধ্যেও ক্যালসিয়ামের অভাব দেখা যায়। যদিও মহিলাদের মধ্যেই এই সমস্যা বেশি। বিশেষত, তিরিশ বছরের উর্ধ্বে মহিলাদের মধ্যে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি বেশি দেখা যাচ্ছে।

    কীভাবে বুঝবেন ক্যালসিয়ামের (Calcium) অভাব হচ্ছে? 

    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, দেহে ক্যালসিয়ামের অভাব ঘটলে বেশ কিছু উপসর্গ দেখা যায়। যেমন, পেশির যন্ত্রণা হয়। হাত-পায়ের পেশির শক্তি কমতে থাকে। ফলে, কোনও ভারী জিনিস টানলে বা কোনও কাজ বেশি সময় একটানা করলে যন্ত্রণা শুরু হয়। কোমর ও হাঁটুর যন্ত্রণা হয়। ক্যালসিয়ামের (Calcium) অভাবে হাড়ের শক্তি কমতে থাকে। ফলে, কোমর ও হাঁটুর শক্তিক্ষয় হয়। ক্যালসিয়ামের অভাবে দাঁতের সমস্যাও দেখা যায়। ফলে, অকালে দাঁত পড়ে যাওয়ার ঝুঁকিও তৈরি হয় বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা।

    কোন কোন খাবার কমাবে ক্যালসিয়ামের (Calcium) ঘাটতি? 

    বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, মহিলাদের খাদ্যাভ্যাসে বাড়তি গুরুত্ব দেওয়া দরকার। তবেই ক্যালসিয়ামের (Calcium) ঘাটতি কমানো যাবে। নিয়মিত দুগ্ধজাত জিনিস খাদ্যাভ্যাসে রাখলে তবেই কমবে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি। কারণ, দুধে থাকে পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম। তাই দুধ, দই, পনির, চিজের মতো খাবার নিয়মিত খাবারের তালিকায় রাখতে হবে। তবেই দেহে পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম যাবে। দুধের পাশপাশি ডিমেও ক্যালসিয়াম পর্যাপ্ত থাকে। বিশেষত ডিমের সাদা অংশ। যাকে অ্যালবুমিন বলা হয়, তা দেহে ক্যালসিয়ামের চাহিদা মেটায়। তাই নিয়মিত ডিম খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। 
    সবুজ সবজি দেহে ক্যালসিয়ামের চাহিদা মেটাতে পারে। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, পালং শাক, ব্রকোলি, পুঁইশাকের মতো সবুজ সবজি দেহে ক্যালসিয়ামের জোগান দেয়। 
    খাবারের তালিকায় নিয়মিত সোয়াবিন রাখার পরামর্শ দিচ্ছে বিশেষজ্ঞ মহল। কারণ, সোয়াবিন দেহে ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণে সাহায্য করে।
    তাছাড়া, স্যালমন জাতীয় সামুদ্রিক মাছেও থাকে পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম। যা শরীরের জন্য খুব উপকারী। 
    নিয়মিত এই খাবার দেহে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি অনেকটাই পূরণ করতে পারবে বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকেরা। তবে, সমস্যা বেশি হলে চিকিৎসকের পরামর্শ মতো প্রয়োজনীয় ওষুধ খেতে হতে পারে বলে তাঁরা জানিয়ে দিয়েছেন।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Covid-19 Symptoms: শরীরের এই জায়গায় ব্যথা হলেই সাবধান হয়ে যান, হতে পারে করোনা

    Covid-19 Symptoms: শরীরের এই জায়গায় ব্যথা হলেই সাবধান হয়ে যান, হতে পারে করোনা

     মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোভিডের(Coronavirus) আতঙ্ক এখনও পুরোপুরিভাবে কেটে উঠতে পারেনি বিশ্বব্যাপী মানুষ। ইতিমধ্যেই ভারতের বিভিন্ন জায়গায় করোনা রোগীদের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। এতদিনে করোনার বিভিন্ন প্রজাতি (covid variant) আসার সঙ্গে সঙ্গে কোভিডের লক্ষণেও অনেক পরিবর্তন দেখা গিয়েছে। আগে কোভিড (Covid-19) হলে সাধারণ উপসর্গ ছিল সর্দি-কাশি, জ্বর, স্বাদ ও ঘ্রাণশক্তি চলে যাওয়া ইত্যাদি। তবে এবার গবেষকরা করোনা সংক্রমণের নতুন উপসর্গের (New Coronavirus Symptoms) সন্ধান পেয়েছে। বিজ্ঞানী-গবেষকরা কোভিড নিয়ে গবেষণা করেই এই নতুন উপসর্গের উল্লেখ করেছেন। শরীরে ব্যথা, পেশীতে ব্যথা এগুলোই হল কোভিডের নতুন লক্ষণ। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, কোভিডে আক্রান্ত ৩জনের মধ্যে একজনের গায়ে ব্যথা, পেশীতে ব্যথা রয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংসস্থার(World Health Organization) একটি রিপোর্টে বিশ্লেষণ করে দেখা হয় যে, প্রায় ৫৬০০০ জন কোভিডে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ১৫ শতাংশ রোগীদের গায়ে, পেশীতে ব্যথা আছে।

    শরীরের কোথায় ব্যথা হতে পারে?

    শরীরের  সাধারণত কাঁধে, কোমরে ও পায়ে ব্যথা দেখা গিয়েছে। তবে এইসব উপসর্গের সঙ্গে মাথাব্যথা, ক্লান্তিভাবও পরিলক্ষিত হয়েছে।

    ব্যথার ফলে কীভাবে বুঝবেন যে আপনি কোভিডে আক্রান্ত কিনা?

    কোভিডে আক্রান্ত রোগীদের দেহে, পেশীতে  ব্যথা তো থাকবেই, এর সঙ্গে পেশী সঞ্চালন করলেও এই ব্যথা অনুভব করতে পারেন। অথবা পেশীকে ছুঁলেও ব্যথা অনুভব করতে পারেন।

    আরও পড়ুন: আসতে চলেছে করোনার চতুর্থ ঢেউ? আশঙ্কার কথা শোনালেন হু-এর বিজ্ঞানী

    কতদিন কোভিডের এই উপসর্গ দেখা দিতে পারে?

    গবেষণায় বলা হয়েছে, এটি করোনার প্রাথমিক উপসর্গ ও এটি ২-৫ দিন থাকতে পারে। তবে ৩৫ বছরের ঊর্ধবয়সীদের ৭-৮ দিন এই ব্যথা থাকতে পারে।

    গায়ে ব্যথা কীভাবে আপনার শরীরে প্রভাব ফেলতে পারে?

    কোভিডে আক্রান্ত রোগীদের গায়ে ব্যথা হলে দেহে স্ফীতাভাব দেখা যেতে পারে, সঙ্গে শরীরের ইমিউনিটিও  কমে যেতে পারে। তাছাড়াও ব্যথার সঙ্গে জ্বর, ক্লান্তিভাব দেখা যেতে পারে ও আপনার হাঁটাচলাতেও অসুবিধা হতে পারে। আবার করোনায় আক্রান্ত হয়ে এই ব্যথা থাকলে আপনার পেশীর কোষগুলিও নষ্ট হয়ে যাোয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    এর প্রতিকার কীভাবে করবেন?

    যদি আপনার শরীরে কোনও ব্যথা অনুভব হয়, তবে এটি করোনার লক্ষণ হতে পারে। তাই আপনাকে টেস্ট করে নেওয়া উচিত ও আইসোলেশনেও থাকা উচিত। ব্যথার জন্য সঙ্গে কিছু ব্যায়াম করতে পারেন ও খাদ্যতালিকায় পুষ্টিকর খাবার অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। এবং অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।

    আরও পড়ুন: করোনার ঊর্ধ্বগতি, ৯ হাজারের গণ্ডি ছোঁয়ার পথে দেশের দৈনিক সংক্রমণ

LinkedIn
Share