Tag: Bolpur

Bolpur

  • Bolpur: বগটুইয়ের স্মৃতি ফিরল বোলপুরে! ঘুমন্ত অবস্থায় মা-ছেলেকে পুড়িয়ে খুন, সিবিআই তদন্তের দাবি

    Bolpur: বগটুইয়ের স্মৃতি ফিরল বোলপুরে! ঘুমন্ত অবস্থায় মা-ছেলেকে পুড়িয়ে খুন, সিবিআই তদন্তের দাবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বগটুইয়ের ছায়া এবার বোলপুরে। রাতে ঘুমন্ত অবস্থায় বাড়িতে অগ্নিসংযোগ! অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যু হল মা ও ছেলের। গুরুতর জখম অবস্থায় বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছেন বাবা। বৃহস্পতিবার রাতে মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে বোলপুর (Bolpur) থানার রায়পুর-সুপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের রজতপুর গ্রামে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Bolpur)

    প্রতিদিনের মতো খাওয়া-দাওয়া সেরে বৃহস্পতিবার রাতেও একতলার ঘরে ঘুমাতে গিয়েছিলেন একই পরিবারের ৩ জন। ঘরের জালনা তাঁদের খোলা ছিল। স্ত্রী রূপা বিবি (৩০), ছেলে আয়ান শেখকে (৪) নিয়ে ঘুমাচ্ছিলেন আব্দুল আলিম (৩৮)। অভিযোগ, জানালা দিয়ে কেউ বা কারা কেরোসিন তেল ছিটিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। কিছুক্ষণের মধ্যেই তা বিধ্বংসী রূপ নেয়। আগুন জ্বলতে দেখে চিৎকার শুরু করেন প্রতিবেশীরা। ততক্ষণে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। ঘটনায় অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যু হয়েছে মা ও চার বছরের ছেলের। গুরুতর জখম অবস্থায় মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন আব্দুল আলিম। তাঁকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখানেই তাঁর চিকিৎসা চলছে। আব্দুল পেশায় ঠিকাদারি কাজ করতেন। আত্মীয়দের দাবি, ওর কোনও ব্যবসায়িক শত্রু ছিল না। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় বোলপুর থানার পুলিশ। তদন্তের স্বার্থে নমুনা সংগ্রহের কাজ শুরু হয়েছে।

    আরও পড়ুন: চোপড়াকাণ্ডে সিবিআই তদন্তের দাবি জানালেন শুভেন্দু

    পরিবারের লোকজনের কী বক্তব্য?

    ঘটনা প্রসঙ্গে, নিহত রূপা বিবির বাবা শেখ করিম বলেন, “কেরোসিন তেলের গন্ধ বের হচ্ছে, তেল ছিটিয়ে পুড়িয়ে মেরেছে । আমার জামাই বোলপুরে ঠিকাদারির কাজ করত। ওর তেমন কেউ ছিল কি না জানি না। আমরা সিবিআই তদন্তের দাবি জানাচ্ছি।”

    বোলপুরের ঘটনায় তাজা হয়েছে বগটুইয়ের স্মৃতি!

    এই ঘটনায় আতঙ্কিত এলাকাবাসী, তাজা হয়েছে বগটুইয়ের (Bogtui) স্মৃতি। প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের ২১ মার্চ রাতে বীরভূমের রামপুরহাট থানার বগটুইয়ের (Bogtui) এলাকায় বেশ কয়েকটি বাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। তাতে মৃত্যু হয় ১০ জনের। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে বগটুই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শুরু করে সিবিআই। সেই সময় এই ঘটনাকে ঘিরে আলোড়িত হয়েছিল গোটা রাজ্য।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bolpur: হকার উচ্ছেদে অক্ষত পার্টি অফিস! তৃণমূলের কার্যালয় বলেই কি ছাড়? শোরগোল বোলপুরে

    Bolpur: হকার উচ্ছেদে অক্ষত পার্টি অফিস! তৃণমূলের কার্যালয় বলেই কি ছাড়? শোরগোল বোলপুরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারি জমিতে অবৈধ দখল বিষয়ে কড়া অবস্থান নিয়ে উচ্ছেদের নির্দেশ দিয়েছেন। এরপর থেকে কলকাতা সহ জেলায় জেলায় পুরসভা এবং পুলিশ প্রশাসন হকার উচ্ছেদ অভিযানে নেমে পড়েছে, কিন্তু এই উচ্ছেদ অভিযানে তৃণমূল কার্যালয় এখনও অক্ষত রয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বোলপুরে (Bolpur) উচ্ছেদ অভিযানে ফুটপাত থেকে সরকারি জায়গা উদ্ধার করতে গেলে, তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়কে উচ্ছেদ না করার অভিযোগ করে সরব হয়েছে বিজেপি। তৃণমূলের কার্যালয় বলেই কি ছাড়? এই প্রশ্ন উঠেছে এলাকায়।

    অবৈধ নির্মাণ ছিল তৃণমূল কার্যালয় (Bolpur)!

    বৃহস্পতিবার বোলপুর শহর জুড়ে চলেছে বেআইনি উচ্ছেদ অভিযান। দখল করা রাস্তার জমি পুনরুদ্ধার কাজে নেমেছে পুরসভা। শান্তিনিকেতনের ভুবনডাঙায় পে-লোডার নামিয়ে ভেঙে দেওয়া হয়েছে বহু দোকান। কিন্তু রাস্তার উপরে নির্মাণ করা তৃণমূলের পার্টি অফিসকে ভাঙা হয়নি। বিরোধীদের অবশ্য অভিযোগ, সরকারি জমি দখল করে এই অবৈধ নির্মাণ হয়েছিল। সমস্ত দোকান ভাঙা হলেও এই তৃণমূল কার্যালয়ে হাত দেওয়া হয়নি!

    প্রশাসনকে ধিক্কার বিজেপির

    বিজেপির বোলপুর (Bolpur) সাংগঠনিক জেলা সভাপতি সন্ন্যাসীচরণ মণ্ডল বলেছেন, “এই কাজ অত্যন্ত বেআইনি। তৃণমূলের দলীয় কার্যালয় (Tmc party office) রেখে দিয়ে বাকি সমস্ত কিছু ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হল, এই ঘটনা অত্যন্ত অন্যায়। ভাঙলে এক সঙ্গে সব ভেঙে দেওয়া উচিত। পুরসভার ওয়ার্ডগুলিতে তৃণমূলের ফল খারাপ হওয়ায় এই ভাবে মানুষের উপর অত্যাচার করা হচ্ছে। আমি বোলপুর পুরসভা ও প্রশাসনকে ধিক্কার জানাই।”

    আরও পড়ুনঃকুলপিতে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তৃণমূল বিধায়ক ও ব্লক সভাপতির মধ্যে প্রকাশ্যে কাজিয়া!

    পুর-প্রতিনিধির বক্তব্য

    বোলপুর (Bolpur) পুরসভার পুর-প্রতিনিধি এবং দলীয় কার্যালয়ের (Tmc party office) দায়িত্বে থাকা সুকান্ত হাজরা বলেছেন, “ইতিমধ্যেই আমরা দলীয় কার্যালয়ের উপর টিনের ছাউনি থেকে শুরু করে ভিতরের জিনিসপত্র সরাতে শুরু করে দিয়েছি। দোকান যখন ভাঙা পড়েছে, ঠিক এই পার্টি অফিসও ভাঙা পড়বে। বিরোধীদের উচিত রাজনীতি না করে অবৈধ দখলের বিরুদ্ধে আমাদের পাশে দাঁড়ানো।” আবার বোলপুরের পুরপ্রধান পর্ণা ঘোষ বলেছেন, “দলীয় পার্টি অফিস হোক বা অন্য নির্মাণ, যা কিছুই সরকারি জায়গা দখল করে থাকবে, সেটাই ভাঙা পড়বে। এখানে রাজনীতির কোনও যোগ নেই।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশই সার! কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে বুলডোজার চলল বীরভূমে, সরব বিজেপি

    Birbhum: মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশই সার! কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে বুলডোজার চলল বীরভূমে, সরব বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উচ্ছেদ অভিযানে বুলডোজার নামানোয় রাজ্যজুড়ে বিক্ষোভের আঁচ পেয়ে মুখ্যমন্ত্রী মুখ খোলেন। একমাসের জন্য বুলডোজারে না করে দিয়েছেন তিনি। হকারদের পুনর্বাসনের কথাও উঠে এসেছে নবান্নের বৈঠকে। কিন্তু, তারপরেও ভিন্ন ছবি দেখা গেল বীরভূমে (Birbhum)। শুক্রবার সকালে বোলপুর শহরে দখলদারদের উচ্ছেদ করতে চলল বুলডোজার। আর এই উচ্ছেদ অভিযানে ব্যবহার করা হল কেন্দ্রীয় বাহিনীকে। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Birbhum)

    এদিন পুরসভার পক্ষ থেকে বোলপুর (Birbhum) শহরের চৌরাস্তা মোড় থেকে শান্তিনিকেতন মোড় পর্যন্ত এই উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়। উচ্ছেদ যে হবে সে কথা পুরসভার পক্ষ থেকে আগাম মাইকিং করে জানিয়েও দেওয়া হয়। তারপর থেকেই তা নিয়ে এলাকায় বাড়ছিল চাপানউতোর। তবে, বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বাস পেয়ে দোকানদাররা ভেবেছিলেন, এখনই এসব আর কিছু হবে না। তবে, এদিন সকালে দোকান ভাঙতে বুলডোজার এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীকে দেখে, হতবাক হয়ে যান ব্যবসায়ীরা। এই বিষয়ে এলাকারই এক হকার বলেন, “আমাদের স্থায়ী দোকান। ১৯৯৮ সাল থেকে আছে। এটাই আমাদের উপার্জনের একমাত্র পথ। এখন যদি এটাও ভেঙে দেয় তাহলে খাব কী আমরা? উচ্ছেদ করার আগে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করুক। মুখ্যমন্ত্রী সময় দেওয়ার পরও কেন এভাবে দোকান ভাঙা হল তা বুঝতে পারছি না।

    আরও পড়ুন: ব্যাঙ্ক লোন নিয়ে ফ্ল্যাট! বেআইনি জানতে পেরে ঘুম উড়েছে আবাসিকদের

    প্রশাসনের কর্তাদের কী বক্তব্য?

    বোলপুরের (Birbhum) এসডিও অয়ন নাথ বলেন, ” রাস্তার ফুটপাতের পাশে থাকা দোকানগুলি অনেক সময় অস্থায়ীভাবে স্ট্রাকচার বানিয়ে তা একেবারে ফুটপাতের ওপর তুলে দিয়ে জিনিসপত্র রাখে। জোর করে দখল রেখেছে। সাধারণ পথচারীদের হাঁটাচলায় অসুবিধা হচ্ছে। দুর্ঘটনার সম্ভাবনাও বাড়ছে। অবৈধ নির্মাণগুলিও সরিয়ে নেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। যাঁদের কাছে স্থায়ী দোকানের বৈধ কাগজ রয়েছে তাও দেখাতে বলা হয়েছে।”

    সরব বিজেপি

    বুলডোজারের বিরুদ্ধে এর আগে সরব হয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। তবে, বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী একমাসের সময়সীমা ধার্য করার পরও বোলপুরের এই উচ্ছেদ অভিযান হওয়ায় সরব হয়েছে বিজেপি (BJP)। বিজেপি নেতৃত্বের বক্তব্য, ভোটের সময় কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ঠিকমতো করে ব্যবহার করা হয়নি। এখন উচ্ছেদ অভিযানে বুলডোজারের সঙ্গে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে নামানো হয়েছে। এসবের বিরুদ্ধে আমাদের আন্দোলন চলবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: অনুব্রতের বাড়িতে উড়ছে ‘জয় শ্রীরাম’ লেখা পতাকা! কটাক্ষ বিরোধীদের

    Anubrata Mondal: অনুব্রতের বাড়িতে উড়ছে ‘জয় শ্রীরাম’ লেখা পতাকা! কটাক্ষ বিরোধীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বীরভূমের (Bribhum) জেলা তৃণমূল সভাপতি তথা জেলবন্দি অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal)বোলপুরের বাড়িতে উড়ছে ‘জয় শ্রীরাম’-এর পতাকা। অনুব্রত জেলবন্দি থাকলেও পুলিশের নিরাপত্তাতেই রয়েছে দাপুটে এই তৃণমূল নেতার বাড়ি। কিন্তু তার মধ্যেই শনিবার সকালে দেখা গেল অন্য ছবি। পুলিশের ঘেরাটোপের মধ্যেও অনুব্রতর বাড়ির ছাদে উড়ল গেরুয়া পতাকা। যা নিয়ে ইতিমধ্যেই তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। 

    কে লাগাল পতাকা? (Anubrata Mondal)

    এক বছরের বেশির সময় বোলপুরের এই বাড়িতে নেই অনুব্রত (Anubrata Mondal) ও তাঁর কন্যা সুকন্যা। তিহাড় জেলে বন্দি তারা। তাঁর স্ত্রী গত হয়েছেন বেশ কয়েক বছর আগে। তবে কে লাগাল পতাকা? আগে একটা সময় ওই বাড়ির নীচে লাইন পড়ত মানুষের। এখন ফাঁকা পড়ে বাড়ি। নিরাপত্তারক্ষীরাই পাহারা দেন। মাঝে মাঝে আত্মীয়স্বজনরা আসেন। এছাড়া বাড়ির কাজের লোকেরাও মাঝে মধ্যে এসে ঘর পরিষ্কার করেন। তা ছাড়া আর কারও প্রবেশাধিকার নেই ওই বাড়িতে। বেশিরভাগ সময়েই তালবন্ধই হয়ে পড়ে থাকে। তালে  ‘জয় শ্রীরাম’ লেখা পতাকা ছাদের মাথায় কে লাগিয়ে গেল তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে। নিরপত্তারক্ষীরাও জানিয়েছেন, এ ব্যাপারে তারা কিছু জানেন না।    
    সম্প্রতি বীরভূমে (Bribhum) ভোট প্রচারে এসে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “কেষ্ট (Anubrata Mondal) ও তার মেয়েকে বন্দি করে রাখা হয়েছে, যাতে সে তৃণমূল করতে না পারে…আমি আপনাদের বলছি, দেখে নেবেন ভোটের পর ওদের ছেড়ে দেবে।”

     বিরোধীদের দাবি

    এ প্রসঙ্গে কংগ্রেস, সিপিএমের মতো বিরোধীদের দাবি, বিজেপির সঙ্গে তলায় তলায় বোঝাপড়া রয়েছে তৃণমূল নেতাদের। তারই প্রকাশ হল ছাদের পতাকায়। বীরভূম (Bribhum) সিপিএম এর জেলা সম্পাদক গৌতম ঘোষ বলেন, “ওদের সম্মতিতে এটা ঘটেছে। আমার কাছে যা খবর আছে তাতে মনে হয় ওদের পরিবারের লোকেরা তলে তলে বিজেপি করছে। এখন তৃণমূলের যা অবস্থান তাতে রাম নবমীর পতাকা ওরাই ঝোলাবে। আগে থেকে সবাই বুঝতে পারছেন যে, বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ রাখলেই বেরোনোর ছাড়পত্র পাওয়া যাচ্ছে। সেই কারণেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়েরাও যোগাযোগ রাখছেন। ফলে অনুব্রত (Anubrata Mondal) যদি বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ রেখে বেরিয়ে আসেন, তা হলে অবাক হওয়ার কিছু নেই।” অন্যদিকে কংগ্রেস নেতা জয়দেব মুখোপাধ্যায় সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “আগেই বোলপুর এসে অধীর চৌধুরী বলে গিয়েছিলেন যে, অনুব্রত মণ্ডলকে (Anubrata Mondal) জেল থেকে বের হতে গেলে হাতে বিজেপির পতাকা নিয়ে বেরোতে হবে। ফলে সে রকম কোনও ঘটনা ঘটলে অবাক হওয়ার কিছু নেই।”

    আরও পড়ুন: “সকলে টাকা পায়, আমি কেন পাই না?”, ভোটপ্রচারে নেমে ফের বিক্ষোভের মুখে শতাব্দী!

    যদিও  এপ্রসঙ্গে দলের মুখপাত্র জামশেদ আলি খান বলেন, ‘‘অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal) একজন ধর্মপরায়ণ মানুষ। ফলে তাঁর বাড়িতে যদি জয় শ্রীরামের পতাকা ওড়ে, তাতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। আর রাম তো কারও একার নয়, বাড়িতে রামের পতাকা ঝুলবে, এতে অবাক হওয়ার কী আছে?’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Drunk Police: নেশায় বেহুঁশ পুলিশ! রাস্তার ধার থেকে তুলে মানরক্ষার চেষ্টা সহকর্মীদের

    Drunk Police: নেশায় বেহুঁশ পুলিশ! রাস্তার ধার থেকে তুলে মানরক্ষার চেষ্টা সহকর্মীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নেশায় হুঁশ নেই। ডাকাডাকি করে অনেক পড়ে মিলছে সাড়া। কথা বলতে গিয়ে জিভ জড়িয়ে আসছে। ভরদুপুরে কারণসুধা পান করে বেহুশ পুলিশ কনস্টেবল (Drunk Police)। বোলপুরে মদ খেয়ে রাজ্য পুলিশের কনস্টেবলকে উর্দি পড়ে গড়াগড়ি দিতে দেখা গেলো, কার্যত হাঁসির রোল পড়েছে বোলপুর লজমোড়ে। পথের ধার থেকে থানার অন্য পুলিশ শেষে তাঁকে ধরে নিয়ে অন্যত্র চলে গেলেন। ওই পুলিশ নিজের নাম শান্ত মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন। তার উর্দিতে থাকা ব্যাচেও এস মুখার্জী লেখা ছিল।

    বোলপুর থানার লজমোড়ে পড়ে ছিলেন ওই পুলিশ 

    বৃহস্পতিবার বোলপুর থানার লজমোড়ে একটি মদের (Drunk Police) দোকানের উল্টোদিকে উর্দি পড়ে মদ খেয়ে রাজ্য পুলিশের কনস্টেবলকে গড়াগড়ি দিতে দেখা যায়। বৃহস্পতিবার এই ঘটনায় কার্যত হাঁসির রোল পড়েছে বোলপুর লজমোড়ে। মজার ছলে অনেকে ছবি তুলে রেখেছেন মোবাইলে। ওই পুলিশকে যখন জিজ্ঞেস করা হয় তুমি কি মদ খেয়েছ? তিনি সম্মতিসূচক ভাবে মাথা নাড়িয়ে উত্তর দেন। তবে নিজেকে কেষ্ট মণ্ডলের (সম্ভবত অনুব্রত) ভাই বলে বসেন। এদিকে সাধারণ মানুষ তারা প্রশ্ন তুলছেন যারা নিরাপত্তা দেয় তারা কী করে ডিউটি চলাকালীন উর্দি পড়ে মদ খেতে পারে। তার পর আবার রাস্তায় চিৎপাত হয়ে পড়ে থাকেন।

    ওই কনস্টেবলের নাম শান্ত মুখার্জি 

    জানা গিয়েছে, ওই কনস্টেবলের নাম শান্ত মুখার্জি। উর্দি পড়ে দীর্ঘক্ষণ ওই লজমোড়ে এলাকায় পড়ে থাকার পর বোলপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। এদিকে বোলপুর থানার এক পুলিশ আধিকারিক (Drunk Police) রাকেশ তামাং বলেন,‘ অসুস্থ হয়ে ঘুমিয়ে গিয়েছে।’ পড়ে বোলপুর থানার পুলিশ ওই নেশাগ্রস্ত পুলিশকে পুলিশের গাড়ি করে তুলে নিয়ে যায়। সংবাদমাধ্যমের কর্মীরা ওই নেশাগ্রস্ত পুলিশকে প্রশ্ন করলে তিনি অশ্লীল ভাষায় কথা বলেন।

    আরও পড়ুন: ‘দলের কোনও দিশা নেই, সনাতন ধর্ম বিরোধী’, ইস্তফা দিলেন কংগ্রেস মুখপাত্র গৌরব বল্লভ

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ED: নিয়োগ দুর্নীতিতে মন্ত্রীর বাড়িতে ১৪ ঘণ্টা তল্লাশি ইডি-র, বাজেয়াপ্ত ৪১ লক্ষ টাকা

    ED: নিয়োগ দুর্নীতিতে মন্ত্রীর বাড়িতে ১৪ ঘণ্টা তল্লাশি ইডি-র, বাজেয়াপ্ত ৪১ লক্ষ টাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার প্রায় ১৪ ঘণ্টা ধরে রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহার বোলপুরের বাড়িতে তল্লাশি চালাল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। তদন্তের খবর পেয়ে দলীয় কর্মসূচি ছেড়ে বাড়ি ফিরে আসেন মন্ত্রী। রাত ১০টা ৪০ নাগাদ তাঁর বাড়ি থেকে বের হন ইডি (ED) আধিকারিকরা। দিনভর তল্লাশি চালিয়ে ইডি আধিকারিকরা কী করলেন তা নিয়ে শনিবার জেলাজুড়ে জোর চর্চা চলছে। জানা গিয়েছে, ৪১ লক্ষ টাকা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

    মন্ত্রীর বাড়িতে দিনভর তল্লাশি চালিয়ে কী পেল ইডি? (ED)

    শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সোজা বীরভূমে অনুব্রতের গড়ে হানা দেয় ইডি (ED)। ইডি সূত্র অনুযায়ী, শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে ইতিমধ্যে ইডির হাতে ধৃত তৃণমূল প্রাক্তন যুবনেতা কুন্তল ঘোষের কাছ থেকেই বোলপুরের বিধায়ক চন্দ্রনাথ সিনহার নাম জানতে পারেন তদন্তকারীরা। কুন্তলের কাছ থেকে ১০০ জনের নাম লেখা তালিকায় ছিল তাঁর নামও। তালিকায় থাকা এই ১০০ জন শিক্ষক নিয়োগের নামে আর্থিক দুর্নীতিতে জড়িত বলে কুন্তল ইডির কাছে বয়ান দেয়। তার ভিত্তিতেই শুক্রবার অনুব্রত ঘনিষ্ঠ বিধায়কের বাড়িতে তল্লাশি চালান কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা। রাজ্যের ক্ষুদ্র ও কুটিরশিল্প মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহার নিচুপট্টির বাড়িতে সকাল ৮টা ৪০ নাগাদ পৌঁছে যান ইডির ৮ থেকে ১০ জনের আধিকারিক দল। সঙ্গে ছিল বিশাল কেন্দ্রীয়বাহিনী। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় শুক্রবার ১৪ ঘণ্টা ধরে তল্লাশির পর ইডি আধিকারিকরা মন্ত্রী ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন, একাধিক নথিপত্র পরীক্ষা করে কিছু কিছু বাজেয়াপ্তও করেছেন বলে খবর। সূত্রের খবর, মন্ত্রীকে একদিন ইডি দফতরে হাজিরা দেওয়ার জন্য সমন পাঠানো হতে পারে। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে রাজ্যের ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহার নাম পেয়েই তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়েছে বলে দাবি কেন্দ্রীয় তদন্তকারীদের। সূত্রের খবর, মন্ত্রীর ছেলে ও স্ত্রীকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে এদিন। বাজেয়াপ্ত হয়েছে জমির দলিল ও বেশ কিছু নথিপত্র এবং নগদ ৪১ লক্ষ টাকা। সেগুলি কীসের, তা খতিয়ে দেখবে ইডি।

    আরও পড়ুন: লোকসভা ভোটের মুখে পুরুলিয়ায় বিজেপি কর্মী খুন! অভিযুক্ত তৃণমূল

    কী বললেন মন্ত্রী?

    ইডি (ED) বোলপুরের বাড়িতে হানা দেওয়ার সময় মন্ত্রী এই বাড়িতে ছিলেন না। তিনি ছিলেন মুরারইয়ে গ্রামের বাড়িতে। ইডি হানার খবর পেয়ে দুপুর প্রায় ২টো নাগাদ বোলপুর এসে পৌঁছন। তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে ইডি। মুরারই থেকে বোলপুর আসতে ২ থেকে ৩ ঘণ্টা সময় লাগার কথা। কিন্তু মন্ত্রী প্রায় ৫ঘণ্টা পর এলেন কেন? মন্ত্রী এই বিষয়ে খোলসা করে কিছু বলতে চাননি। তিনি শুধু বলেন, “আমাকে যা যা জিজ্ঞাসা করা হয়েছে,আমি সেসবের উত্তর দিয়েছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: কেষ্ট গড়় বোলপুরে প্রিয়া সাহার ওপর আস্থা বিজেপি-র

    BJP: কেষ্ট গড়় বোলপুরে প্রিয়া সাহার ওপর আস্থা বিজেপি-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেষ্ট গড় বোলপুরে এবার দলীয় নেত্রী প্রিয়া সাহাকে বিজেপির (BJP) প্রার্থী করা হয়েছে। এমনিতেই কেষ্ট গড়ে তৃণমূল গোষ্ঠী কোন্দলে জর্জরিত। কাজল বনাম অনুব্রতের অনুগামীদের মধ্যে মারামারি লেগেই রয়েছে। গরু পাচার কাণ্ডে কেষ্ট এখন তিহার জেলে রয়েছেন। টলমলে কেষ্ট গড়়ে এবার প্রিয়াকেই বাজি রেখেছে বিজেপি নেতৃত্ব। বঙ্গ বিজেপি-তে এই নেত্রীর নাম খুব একটা বেশি  সামনে আসেনি। স্বাভাবিকভাবেই তাঁর রাজনৈতিক পরিসর এবং ব্যক্তিগত জীবন অনেকের কাছেই অজানা। বোলপুর কেন্দ্রে বিজেপি-র নতুন প্রার্থী নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

    কে এই প্রিয়া? (BJP)

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রিয়া সাঁইথিয়া মহাবিদ্যালয় থেকে সংস্কৃতে স্নাতক হন। ছাত্রজীবন থেকেই তাঁর রাজনীতির প্রতি আকর্ষণ ছিল। তাঁর নাম প্রচারে খুব একটা না এলেও ভোটযুদ্ধে তিনি এই প্রথম নন। আগে তিনি কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরবর্তীতে তিনি যোগ দেন বিজেপিতে (BJP)। ২০১৫ সালে পুরসভা ভোটে পদ্ম প্রতীকে লড়েওছিলেন। সেই প্রথম ভোটযুদ্ধে তিনি জয়ী হয়েছিলেন। ৩ নম্বর ওয়ার্ড থেকে কাউন্সিলর হন। পরে, ২০১৬ এবং ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে তিনি সাঁইথিয়া কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হন। কিন্তু, সেই সময় জয়ের মুখ অবশ্য দেখেননি। বীরভূমে বিজেপি-র কর্মসূচিতে প্রথম সারিতে দেখা যায় তাঁকে। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, লোকসভার ময়দানে এরকম আনকোরা মুখের উপর ভরসা করে কি আদৌ অনুব্রত গড়ে ভোট বৈতরণী পার করতে পারবে বিজেপি তা নিয়ে বীরভূম জুড়ে চর্চা শুরু হয়েছে।

    জয়ের বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী বিজেপি প্রার্থী?

    জয়ের বিষয়ে অবশ্য আত্মবিশ্বাসী বিজেপি (BJP) প্রার্থী প্রিয়া সাহা। তিনি বলেন, অনুব্রত মণ্ডলের এখন কী পরিস্থিতি তা সকলেই জানেন। বীরভূম আগে অনুব্রতের গড় ছিল। এখন ওই দলে কোন্দল লেগেই রয়েছে। দুর্নীতিগ্রস্ত দলের ওপর আর সাধারণ মানুষের আস্থা নেই। তাই, জয়ের বিষয়ে আমরা নিশ্চিত।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: ‘কেষ্ট’র নাকি শনির দশা চলছে! ৫০ কেজি ঘি দিয়ে বিরাট হোম-যজ্ঞের আয়োজন বোলপুরে

    Birbhum: ‘কেষ্ট’র নাকি শনির দশা চলছে! ৫০ কেজি ঘি দিয়ে বিরাট হোম-যজ্ঞের আয়োজন বোলপুরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনির দশা কাটাতে শনিবারে কেষ্টর নামে বিরাট যজ্ঞের আয়োজন। এই যজ্ঞ মহোৎসবের মহাপ্রসাদ খাবেন ১০ থেকে ১২ হাজার মানুষ। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তদন্তে বীরভূমের (Birbhum) জেলা তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল গরু পাচার এবং কয়লা পাচার মামলায় দিল্লির তেহার জেলে বন্দি রয়েছেন। তৃণমূলের অবশ্য বক্তব্য, কেষ্ট বিহনে জেলা তৃণমূল কার্যত অভিভাবকহীন হয়ে পড়েছে। আর তাই তাঁর অনুগামীরা মঙ্গল কামনায় বিশেষ হোম-যজ্ঞের আয়োজন করেছেন। আগামী ১০ ফেব্রুয়ারিতে হবে এই মহাযজ্ঞ। জেলায় এই নিয়ে তীব্র শোরগোল।

    কোথায় অনুষ্ঠিত হবে যজ্ঞ (Birbhum)?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বীরভূমের (Birbhum) বোলপুর রেলওয়ে ময়দানে সর্বজনীন দুর্গামন্দিরে করা হবে এই মহাযজ্ঞ। তাকে ঘিরেই এখন জেলায় ব্যাপক প্রস্তুতি, সেই সঙ্গে চলছে বিশাল আয়োজন। দুর্গামন্দিরের সামনে যে পোস্টার দেওয়া হয়েছে তাতে স্পষ্ট করে লেখা রয়েছে, অনুব্রত মণ্ডল হলেন বীরভূমের রূপকার। তাঁর মঙ্গল কামনা করে দীর্ঘায়ুর জন্য শুভাকাঙ্খীগণ এই যজ্ঞের আয়োজন করেছেন। তাই সকলকে বিশেষ ভাবে আমন্ত্রণ।

    আয়োজকদের বক্তব্য

    বোলপুরের (Birbhum) স্থানীয় ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক সুনীল সিংহ এই মহাযজ্ঞ সম্পর্কে জানিয়েছেন, “৫০ কেজি ঘি, ৫ কুইন্টাল বেলকাঠ প্রজ্বলন করে যজ্ঞ করা হবে। সকাল ৯ টা থেকে ১২ টা পর্যন্ত চলবে এই যজ্ঞ। এরপর শুরু হবে মহাপ্রসাদ বিতরণ। প্রথমে ভেবেছিলাম ৫ থেকে ৬ হাজার লোকসমাগম হবে। কিন্তু দাদার ভক্তদের প্রবল উৎসাহে মনে হচ্ছে সংখ্যাটা ১০ হাজারের বেশি হবে।” তিনি এই প্রসঙ্গে আরও বলেন, “আমরা দাদার অন্ধভক্ত, তিনি আমাদের অভিভাবক। মিথ্যা মামলায় তাঁকে ফাঁসানো হয়েছে। এজেন্সি জোর করে তাঁকে ধরে রেখেছে। কেষ্টদার মঙ্গল কামনায় আমরা মা দুর্গার কাছে যজ্ঞের আয়োজন করেছি। আমরা আশা করছি তিনি যেন দ্রুত আমাদের কাছে ফিরে আসেন।”   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: কিষাণ মান্ডিতে ধান কেনার ক্ষেত্রে চলছে কালোবাজারি! ক্ষুব্ধ চাষিরা

    Birbhum: কিষাণ মান্ডিতে ধান কেনার ক্ষেত্রে চলছে কালোবাজারি! ক্ষুব্ধ চাষিরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য সরকার কিষাণ মান্ডিতে ধান কেনার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছে। কিন্তু, সরকারি নির্দেশকে তোয়াক্কা না করে চলছে কালোবাজারি। বৃহস্পতিবার বীরভূমের (Birbhum) বোলপুর শ্রীনিকেতন ব্লকের বোলপুর কিষাণ মান্ডিতে এই ঘটনা সামনে আসতেই ক্ষোভে ফেটে পড়লেন কৃষকরা।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Birbhum)

    বীরভূমের (Birbhum) বোলপুর শ্রীনিকেতন ব্লকের বোলপুর কিষাণ মান্ডিতে ধান বিক্রি করতে এসে তিক্ত অভিজ্ঞতার শিকার হলেন পারুই থানার কসবা গ্রাম পঞ্চায়েতের গোপালনগর গ্রামের কৃষক বামাচরণ সামন্ত। এদিন তিনি বোলপুর কিষাণ মান্ডিতে ৬২ কুইন্টাল ধান বিক্রি করেন। তাঁর অভিযোগ, কুইন্টাল প্রতি ৪ কেজি পাঁচ কিলো এমনকী তিন কিলো করে ধান বেশি নিয়ে নেওয়া হচ্ছে। আর এই অভিযোগে রীতিমতো উত্তেজনার পরিবেশ তৈরি হল বোলপুরের কিষাণ মান্ডি চত্বরে। সরকারিভাবে বোলপুরের রামকৃষ্ণ রাইস মিলের মধ্যস্থতায় চাষিদের কাছে ধান কেনা হচ্ছে। বোলপুরের রামকৃষ্ণ রাইস মিলের বিরুদ্ধে অভিযোগ, কুইন্টাল প্রতি অতিরিক্ত ধান নিয়ে নেওয়া হচ্ছে চাষিদের কাছ থেকে। যদিও এ বিষয়ে রাইস মিলের ম্যানেজার  কোও মন্তব্য করতে চাননি। বোলপুরের রামকৃষ্ণ রাইস মিলের বিরুদ্ধে যখন ধান কেনা নিয়ে কালোবাজারের অভিযোগ উঠে আসছে ঠিক সে জায়গায় দাঁড়িয়ে আরো একটি চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। গরু পাচার কাণ্ডে কেন্দ্রীয় এজেন্সি এই রাইস মিলের মালিক কে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। সূত্রের খবর, গরু পাচার কাণ্ডের কালো টাকা কেষ্ট মণ্ডলের হাত ধরে এই রাইস মিলে বিনিয়োগ হয়েছে।

    চাষিরা কী বললেন?

    চাষিদের বক্তব্য, নিয়ম অনুযায়ী কুইন্টাল হিসেবে ধান বিক্রির পর সেই টাকা চাষিদের দেওয়ার কথা। কিন্তু, আমাদের কাছে থেকে কুইন্টাল প্রতি ধান চার-পাঁচ কেজি করে বেশি নিচ্ছে। প্রশাসনের মদতেই এসব চলছে। আর আমাদের মতো চাষিরা বঞ্চিত হচ্ছি।

    কিষাণ মান্ডির দায়িত্বে থাকা আধিকারিক কী বললেন?

    বীরভূমের (Birbhum) বোলপুর কিষাণ মান্ডির দায়িত্বে থাকা এক আধিকারিক বলেন, চাষিরা ধান বিক্রি করতে আসছে। সঠিকভাবেই ধান কেনা হচ্ছে। কিন্তু, যে ধানের গুণগত মান খারাপ, সে ক্ষেত্রে কুইন্টাল প্রতি ধান তিন-চার কেজি করে অতিরিক্ত নেওয়া হচ্ছে। যদিও এটি সরকারি গাইডলাইনের বহির্ভূত।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: অনুব্রতের খাসতালুকে লক্ষ লক্ষ টাকার গাছ কেটে উধাও! জেলাজুড়ে চাঞ্চল্য

    Birbhum: অনুব্রতের খাসতালুকে লক্ষ লক্ষ টাকার গাছ কেটে উধাও! জেলাজুড়ে চাঞ্চল্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় ৩২ কিলোমিটার সেচ খাল সংস্কারের নামে লক্ষ লক্ষ টাকার গাছ কেটে সাফ করে দেওয়ার অভিযোগ। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে অনুব্রত মণ্ডলের খাসতালুক বীরভূমের (Birbhum) বোলপুরে। বন দফতরের অনুমতি ছাড়াই সেচ খালের দুদিকে হাজার হাজার বড় বড় গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ। সরকারের কোন দফতর বিপুল পরিমাণে গাছ কাটল? কোন খাতে গেল সেই টাকা? তার কোন সদূত্তর নেই। শাসক দলের নেতাদের মদতেই এই দুর্নীতি হয়েছে বলে বিরোধীদের অভিযোগ। ঘটনার তদন্তের দাবি করা হয়েছে।

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন? (Birbhum)

    বীরভূমের (Birbhum) বোলপুর থেকে কীর্ণাহার যাওয়ার রাস্তার ধারে প্রায় ৩২ কিলোমিটার একটি সেচ খাল রয়েছে। কমপক্ষে ৬ টি গ্রাম পঞ্চায়েত উপর দিয়ে বয়ে গিয়েছে সেচ খালটি। অর্থাৎ, এই খাল থেকে কংকালীতলা গ্রাম পঞ্চায়েত সহ বিপ্রটিকুরি, কীর্ণাহার ১ ও ২ গ্রাম পঞ্চায়েত, দাসকলগ্রাম ১ ও ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের মানুষ চাষের জল পেয়ে উপকৃত হন। এই খাল সংস্কার শুরু হয়েছে। আর দেখা যাচ্ছে সেচ খাল সংস্কার করতে গিয়ে দুদিকে থাকা হাজার হাজার গাছ কেটে সাফ করে দেওয়া হয়েছে। প্রায় এক মাস ধরে চলছে অপ্রয়োজনীয় ভাবে বৃক্ষ নিধন যজ্ঞ। বন দফরের কাছ থেকে কোনওরূপ অনুমতি না নিয়েই কীভাবে লক্ষ লক্ষ টাকার গাছ কেটে ফেলা হল? সরকারের কোনও দফতর এই গাছগুলি কাটল? তা এখনও কেউ কিছু বলতে পারছে না। স্থানীয় বাসিন্দা থেকে শুরু করে পথ চলতি মানুষজন জানাচ্ছেন, সেচ খালের দুদিকেই প্রচুর গাছ ছিল। ছোট-বড় গাছের জঙ্গল ছিল। সব কেটে সাফ করে দেওয়া হয়েছে। আর এই বিপুল পরিমাণে গাছ কেটে নেওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই মন খারাপ স্থানীয়দের। তাঁরা বলেন, ‘চোখের সামনে প্রচুর কাছ কেটে নেওয়া হল। এত গাছ কাটার দরকার ছিল না।’

    বন বিভাগের আধিকারিক কী বললেন?

    বন বিভাগের বোলপুর রেঞ্জের রেঞ্জার প্রদীপ হালদার বলেন, ‘গাছ কেটে নেওয়ার কোনও তথ্য আমরা পাইনি। এখন শুনলাম গুঁড়ি পরে আছে শুধু। আমাদের কাছে কোনও অনুমতি নেওয়া হয়নি।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share