Tag: bomb blast

bomb blast

  • Arambagh: গোঘাটে বেআইনি বাজি কারখানায় বিস্ফোরণ, উড়ে গেল চালাঘরের একাংশ

    Arambagh: গোঘাটে বেআইনি বাজি কারখানায় বিস্ফোরণ, উড়ে গেল চালাঘরের একাংশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর ২৪ পরগনার দত্তপুকুরের পর এবার আরামবাগের (Arambagh) গোঘাটে বেআইনি বাজি কারখানায় বিস্ফোরণ। বাড়ির মধ্যেই বাজি তৈরি হত বলে জানা গেছে। সেখানেই বুধবার আনমানিক দুপুর ১২টা নাগাদ বাজি তৈরি করতে গিয়ে এই বিস্ফোরণে ঘটে বলে অনুমান।

    বিস্ফোরণের জেরে উড়ে যায় চালা ঘরের একাংশ (Arambagh)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, আরামবাগের (Arambagh) গোঘাটের মান্দারণ পঞ্চায়েতের মোষপুর এলাকার বাসিন্দা সেখ লাল্টু নিজের বাড়িতেই বেআইনিভাবে গোপনে বাজি কারখানা চালাতো। সেখানে হঠাৎই এই বোমা বিস্ফোরণ ঘটেছে। আগুন লেগে যায় চালা ঘরে। ঘটনা জেনে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এলাকার বাসিন্দারা। যদিও নিজেরাই সাবমার্সিবল চালিয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যায় গোঘাট থানার পুলিশ। ঘটনার পর এলাকায় প্রচুর মানুষ জমায়েত হয়। যদিও প্রকাশ্যে কেউ ভয়ে এবিষয়ে মুখ খুলতে চাননি। তবে, ঘটনাস্থলে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে রয়েছে ওই চালাঘরের অ্যাসবেস্টস ও টিন। এদিক ওদিক পরে রয়েছে বাজি তৈরির সরঞ্জাম, বাজির খোলসহ অন্যান্য জিনিসপত্র। এমনকী বারুদে ভরা বাজি তৈরির মেশিন পড়ে রয়েছে পরিত্যক্ত জায়গায়। ঘটনার পর পলাতক বাড়ির মালিক সেখ লাল্টু।

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    প্রায় দশ বছর আগে বোমা তৈরি করতে গিয়ে এই বাড়িতেই বড়সড় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছিল। সেই সময় উড়ে গিয়েছিল বাড়ির চাল। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল প্রতিবেশীদের বাড়িও। এমনকী মৃত্যু হয়েছিল বাড়ির এক মহিলার। সেই ঘটনার পর ফের এই ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এলাকা জুড়ে। অনেকেই ভয়ে মুখ খুলতে না চাইলেও প্রতিবেশী কয়েকজন বলেন, আগের ঘটনার অভিজ্ঞতা ও আতঙ্কের কথা। তাদের ধারণা বাজি তৈরি করতে গিয়েই এই বিস্ফোরণ ঘটেছে। কিন্তু এখানেই প্রশ্ন দত্তপুকুরের ঘটনার পরেও কেন শিক্ষা নিচ্ছে না প্রশাসন? তাহলে কি প্রশাসন কোনও খোঁজখবর রাখেনি নাকি পুলিশ প্রশাসনের মদতেই এই বাজি তৈরির কারখানা চলতো। যদি ফের বড়সড় দুর্ঘটনা ঘটতো তার দায় কে নিত?

    বিস্ফোরণ নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    এই ঘটনা প্রসঙ্গে আরামবাগ (Arambagh) সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি বিমান ঘোষের বক্তব্য, দত্তপুকুর ও এগরার ঘটনার পরেও পুলিশ প্রশাসন নাকে তেল দিয়ে ঘুমায় আর তৃণমূল নেতাদের মদতে রাজ্যে তৈরি হচ্ছে বারুদের স্তুপ। এতে সাধারণ মানুষের আতঙ্কে রাতের ঘুম উড়ে গেছে। যদিও তৃণমূলের পক্ষ থেকে তাদের যোগ থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bomb Blast: দত্তপুকুরে আরও তিনটি গোডাউনের হদিশ, মজুত প্রচুর পরিমাণে রাসায়নিক, বাজি

    Bomb Blast: দত্তপুকুরে আরও তিনটি গোডাউনের হদিশ, মজুত প্রচুর পরিমাণে রাসায়নিক, বাজি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দত্তপুকুরে বেআইনি বাজি কারখানার মালিক কেরামত আলির আরও একটি গোডাউনের হদিশ মিলল। সেখানে বোমা তৈরির সরঞ্জাম থরে থরে সাজানো ছিল। মঙ্গলবার সকালেই পুলিশ সেই গোডাউনের হদিশ পায়। এছাড়়াও এদিন বিস্ফোরণস্থলের (Bomb Blast) পাশেই আরও দুটি গোডাউনের পুলিশ হদিশ পায়। গোডাউন দুটিতে সাটার দেওয়া ছিল। এদিন সাটার খুলতেই থরে থরে সাজানো বাজি উদ্ধার করে পুলিশ।

    পুলিশ তল্লাশি চালিয়ে কত বাজি বাজেয়াপ্ত করল?

    দত্তপুকুরে বিস্ফোরণের (Bomb Blast) দিন কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আরও একটি বেআইনি কারখানার হদিশ পাওয়া গিয়েছিল। পাঁচিল ঘেরা পরিত্যক্ত জমিতেই বেআইনি বাজি কারখানা গজিয়ে উঠেছিল। সেখানে হানা দিয়ে উদ্ধার হয়েছিল শক্তিশালী বোমা তৈরির রাসায়নিক। রীতিমতো ল্যাবরেটরি তৈরি করে এই বেআইনি কারবার চলত। উত্তেজিত জনতা সেদিন সেই বেআইনি কারখানা ভাঙচুর করে দেয়। কারখানার সামনে দাঁড়িয়ে থাকা একটি প্রাইভেট গাড়ি ভাঙচুর করে গুঁড়িয়ে দেয়। ভয়াবহ বিস্ফোরণে ৯ জনের মৃত্যুর পর টনক নড়েছে পুলিশের। সোমবার রাতে দত্তপুকুরের মোচপোল, কাঠুরিয়া-সহ বিভিন্ন এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে ১২ হাজার ৯৪০ কেজি নিষিদ্ধ বাজি উদ্ধার করেছে পুলিশ। রাতেই ৫-৬টি গাড়ি করে উদ্ধার হওয়া বাজি নিয়ে যাওয়া হয় থানায়। বেআইনি বাজি কারখানার মালিক কেরামত আলির আরও একটি গোডাউনের হদিশ মিলল।

    কেরমাতের গোডাউন থেকে কী কী মিলল?

    বাজি উদ্ধারে তল্লাশি চালানোর পাশাপাশি, এফআইআরে নাম থাকা রমজান আলি ওরফে কালোর খোঁজ করছে পুলিশ। মূল অভিযোগকারী প্রভাস চক্রবর্তীর অভিযোগে নাম রয়েছে এই আইএসএফ কর্মীর। তাঁর বিরুদ্ধে কেরামত আলির সঙ্গে যোগসাজশে বেআইনি বাজি কারবারে মদত জোগানোর অভিযোগ রয়েছে। দত্তপুকুরের মোচপোল গ্রামে রমরমিয়ে চলত কেরামত আলির বেআইনি বাজি কারবার। বিস্ফোরণস্থলের (Bomb Blast)  কয়েকশো মিটার দূরে মজুত করা রয়েছে বাজি ও রাসায়নিক। ভয়াবহ বিস্ফোরণে কেরামত ও তার ছেলে-সহ ৯ জনের মৃত্যুর ২ দিন পর মোচপোল গ্রামে ফের বাজির পাহাড়ের খোঁজ। বিস্ফোরণস্থল থেকে কিছুটা দূরে বাঁশ বাগানের মধ্যে কেরামতের আরও একটি গোডাউনের হদিশ মিলল। গোডাউনের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম ক্লোরাইড উদ্ধার হল। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, বাড়ি ভাড়া নিয়ে বেআইনি বাজির কারবার ফেঁদে বসেছিল কেরামত আলি। গুদামে এখনও মজুত রয়েছে প্রচুর রাসায়নিক। পাশেই আরও একটি বন্ধ ঘরে বাজি ঠাসা রয়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের। ঘন জনবসতি এলাকায় এ ধরনের গুদাম থাকায় আতঙ্কিত এলাকার বাসিন্দারা। তাঁদের অভিযোগ, এর আগেও গুদাম ভাড়া করে বাজির কারবার চালাত কেরামত। বসতি এলাকায় বিপজ্জনক ব্যবসা নিয়ে আপত্তি জানালে কেরামত আলি হুমকিও দিত বলে অভিযোগ।

     

     দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Duttapukur: দত্তপুকুর বিস্ফোরণে উড়ল বাড়ির চাল, মেয়ের বিয়ে নিয়ে দুশ্চিন্তায় হামিদ আলি

    Duttapukur: দত্তপুকুর বিস্ফোরণে উড়ল বাড়ির চাল, মেয়ের বিয়ে নিয়ে দুশ্চিন্তায় হামিদ আলি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দত্তপুকুরের (Duttapukur) মোচপোলে বেআইনি বাজি কারখানার বিস্ফোরণে ডুবল হামিদ আলির পরিবারে সুখের দিন। ছোট মেয়ের বিয়ের দিন ঠিক হয়ে গিয়েছে। বাড়িতে শুভ অনুষ্ঠানের আনন্দেই মেতেছিলেন হামিদসাহেব ও তাঁর স্ত্রী মা মহিনুর বিবি। কিন্তু,  বিস্ফোরণের জেরে তাঁদের বাড়ি ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উড়ে গিয়েছে বাড়ির চাল। এখন জমানো অর্থে তাঁরা বাড়ি ঠিক করবেন, না মেয়ের বিয়ে দেবেন, সেই নিয়ে এখন প্রবল চিন্তায় হামিদসাহেব।

    বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার নিয়ে কী বললেন পরিবারের লোকজন?

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, হামিদসাহেব চাষবাস করেই সংসার চালান। তাঁদের ছোট মেয়ের বিয়ে নিয়ে নানান পরিকল্পনা করেছিলেন তাঁরা। সেইমতো প্রস্তুতিও নিচ্ছিলেন। ছোট মেয়ের বিয়ে ঠিক হয় উত্তর ২৪ পরগনার বিরা’র এক ছেলের সঙ্গে। হবু জামাই মুদি ব্যবসায়ী। বিয়ের দিন ধার্য হয়েছে ২৪ সেপ্টেম্বর। কিন্তু, তার আগেই ঘটে গেল এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। আকস্মিকভাবে ২৭ অগাস্ট বিস্ফোরণের ঘটনায় তাদের সমস্ত পরিকল্পনা ভেস্তে গেল একনিমেষে। জমানো অর্থে এখন বাড়ি ঠিক করবেন, না মেয়ের বিয়ে দেবেন, তা নিয়ে প্রবল চিন্তায় পড়েছেন পরিবারের সদস্যরা। উল্লেখ্য, রবিবার সকাল দশটা নাগাদ ইছাপুর নীলগঞ্জ গ্রাম পঞ্চায়েতের দত্তপুকুরের (Duttapukur) মোচপোল এলাকায় অবৈধ বাজি কারখানায় হওয়া তীব্র বিস্ফোরণে প্রায় ২০ থেকে ২৫ টি বাড়ি প্রবল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিস্ফোরণের তীব্রতায় ভেঙে পড়ে কারও বাড়ির ছাদ। কারও বাড়ির দেওয়াল ভেঙেচুরে যায়। তছনছ হয় বাড়ির সরঞ্জাম। ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ির তালিকায় রয়েছে হামিদসাহেবের বাড়িও। ছোট মেয়ের বিয়ের আনন্দ এক লহমায় ম্লান হয়ে গিয়েছে। এ প্রসঙ্গে হামিদসাহেবের স্ত্রী মহিনুর বিবি বলেন, আর্থিকভাবে আমরা এমন জায়গায় দাঁড়িয়ে, বাড়ি ঠিক করলে সমস্ত উপার্জন বাড়ি ঠিক করতে খরচ হবে। ছোট মেয়ের বিয়ে নিয়ে খুব চিন্তায় রয়েছি। অর্থ সাহায্যের আশা করে বাবা হামিদসাহেব বলেন, এখন যে পরিস্থিতিতে আমরা দাঁড়িয়ে, সেখানে মেয়ের বিয়ে নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যেই রয়েছি। সরকার যদি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন তাহলে উপকার হয়।

    প্রতিবেশীরা কী বললেন?

    হামিদসাহেবের ছোট মেয়ের বিয়ের কথা দত্তপুকুরের (Duttapukur) মোচপোল গ্রামের সকলেই জানেন। প্রতিবেশীরা বলেন, যদি একান্তই দেখা যায় তিনি প্রবল অর্থ সংকটে পড়েছে এবং সরকারের পক্ষ কোনও সাহায্য না পেলে হামিদসাহেবের মেয়ের বিয়ে নিয়ে তাঁকে চিন্তা করতে হবে না। আমরা গ্রামের সবাই চাঁদা তুলে তাঁদেরকে অর্থ সাহায্য করব।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Duttapukur: বিস্ফোরণকাণ্ডে চাপে পড়ে দত্তপুকুর থানার আইসি, নীলগঞ্জ ফাঁড়ির ওসি সাসপেন্ড

    Duttapukur: বিস্ফোরণকাণ্ডে চাপে পড়ে দত্তপুকুর থানার আইসি, নীলগঞ্জ ফাঁড়ির ওসি সাসপেন্ড

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দত্তপুকুর (Duttapukur) বোমা বিস্ফোরণের পর থেকেই স্থানীয় বাসিন্দারা পুলিশের দিকে বাব বার আঙুল তুলছিলেন। নিয়মিত মাসোহারা নিয়ে পুলিশ এই এলাকায় বেআইনি বাজি কারখানা চালাতে দিত। রাজ্যপাল থেকে বিরোধী দলনেতা সকলের কাছে স্থানীয় বাসিন্দারা এই অভিযোগ করে আসছিলেন। অবশেষে চাপে পড়ে দত্তপুকুর থানার আইসি শুভব্রত ঘোষ এবং নীলগঞ্জ ফাঁড়ির ওসি হিমাদ্রি ডোগরাকে প্রথমে ক্লোজ করা হয়। পরে, তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়।

    নতুন ওসি কে হলেন?

    দত্তপুকুরে (Duttapukur) বেআইনি বাজি কারখানা নিয়ে নির্দেশ অমান্য করায় শাস্তি হিসেবে প্রথমে হিমাদ্রি ডোগরাকে ক্লোজ করা হয়। পরে, কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগে সোমবার তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়। দত্তপুকুর থানার নীলগঞ্জ ফাঁড়ির নতুন ওসি হন সঞ্জয় বিশ্বাস। তবে, ফাঁড়ির ওসি শুধু নয় দত্তপুকুর থানার আইসি শুভব্রত ঘোষকেও সাসপেন্ড করা হয়েছে।

    ফাঁড়ির ওসি সাসপেন্ড হওয়া নিয়ে কী বললেন এলাকাবাসী?

    তৃণমূলের মদতেই দত্তপুকুরের (Duttapukur) মোচপোল গ্রামে বেআইনি বাজি কারখানা গড়ে উঠেছিল। তবে, শুধু একটা নয়, গোটা গ্রাম জুড়েই বেআইনি বাজি কারখানা রয়েছে। একাধিক গোডাউন রয়েছে বাজির। আর বাজির আড়ালেই রমরমিয়ে বোমা তৈরি চলত। মুর্শিদাবাদ থেকে মোটা টাকা দিয়ে শ্রমিক নিয়ে এসে চলত বোমা তৈরি। বোমা বিস্ফোরণে ইতিমধ্যেই সরকারি তথ্য অনুযায়ী ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। বেসরকারি মতে সেই সংখ্যাটি-১০। এরমধ্যে মুর্শিদাবাদের চারজনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। রবিবার রাতে রাজ্যপাল ঘটনাস্থলে আসলে স্থানীয় বাসিন্দারা গোটা গ্রাম ঘুরিয়ে বেআইনি বাজি কারখানার রমরমার বিষয়টি তুলে ধরেন। সোমবার দিনভর বিরোধী দলনেতা সহ প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী, সিপিএমের রাজ্য নেতা মহম্মদ সেলিম সহ একাধিক রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারা ঘটনাস্থলে যান। রাজনৈতিক নেতাদের কাছে স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ জানিয়েছিলেন, পুলিশ মাসোহার নিয়ে এই কারবার চালাত। বেআইনি বাজি কারখানা নিয়ে পুলিশের কাছে বলতে গেলে তারা ভয় দেখাতো। বিস্ফোরণ হবার পরও পুলিশ ভয় দেখাচ্ছে বলে অভিযোগ। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, এতজনের তরতাজা প্রাণ যাওয়ার পর রাজ্য সরকারের টনক নড়ল। আগে ব্যবস্থা নেওয়া হলে অকালে প্রাণ যেত না। এরজন্য রাজ্য সরকারি দায়ী। শুধু নীলগঞ্জ ফাঁড়ির ওসি বা দত্তপুকুর থানার আইসি-র বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলে হবে না। এই চক্রের সঙ্গে যে বা যারা জড়িত রয়েছে তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘‘দত্তপুকুর বিস্ফোরণে ব্যবহার করা হয়েছিল আরডিএক্স,’’ বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ‘‘দত্তপুকুর বিস্ফোরণে ব্যবহার করা হয়েছিল আরডিএক্স,’’ বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দত্তপুকুর বিস্ফোরণকাণ্ডে সোমবার দুপুরে মোচপোল গ্রামে যান বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বিস্ফোরণে  ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের লোকজনের সঙ্গে তিনি কথা বলেন। বিরোধী দলনেতাকে সামনে পেয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ  উগরে দেন এলাকাবাসী।

    বিরোধী দলনেতাকে (Suvendu Adhikari) কী বললেন স্থানীয় বাসিন্দারা?

    এদিন বেলা তিনটে নাগাদ শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) দত্তপুকুর গ্রামে যান।  বিস্ফোরণস্থল থেকে এক কিলোমিটার দূরে তিনি গাড়ি থেকে নামেন।  সেখান থেকে দলীয় কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে পায়ে হেঁটে ঘটনাস্থলে যান। রাস্তার দুধারে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষজন তাঁর সাথে কথা বলার চেষ্টা করেন। তিনি সকলকে বলেন, ভরসা রাখুন, বোমা বিস্ফোরণের এনআইএ তদন্ত হবে। এরপর তিনি বিস্ফোরণস্থলে যান। বোমা বিস্ফোরণের উল্টো দিকে ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ির  ছাদে ওঠেন তিনি। সেখান থেকে দুর্ঘটনাস্থল তিনি খতিয়ে দেখেন। সেখানে থেকে নীচে নেমে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের লোকজনের সঙ্গে তিনি কথা বলেন। স্থানীয় বাসিন্দারা বিরোধী দলনেতাকে  সামনে পেয়ে বলেন, তৃণমূলের মদতেই বেআইনি বাজি কারখানা চলতো।  পুলিশ নিয়মিত মাসোয়ারা নিত। তাদের কাছে অভিযোগ জানালে উল্টে তারা আমাদের ধমক দিত। ঘটনার দিনও পুলিশ মাসোহারা নিয়ে যায়। বোমা বিস্ফোরণে  ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের এক সদস্য বলেন, বিস্ফোরণ আমাদের বাড়ির সমস্ত কিছু ভেঙে চুরমার হয়ে গেছে। ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ব্যবস্থা করলে ভালো হয়। বিষয়টি দেখবেন। তিনি এ বিষয়ে আশ্বাস দেন এবং একাধিক ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ি তিনি ঘুরে দেখেন।

    কী বললেন বিরোধী দলনেতা? (Suvendu Adhikari)

    দত্তপুকুরে বিস্ফোরণস্থলে দাঁড়িয়ে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, বিস্ফোরণে আরডিএক্স ব্যবহার করা ছিল। আমরা এই ঘটনার এনআইএ তদন্তের দাবি জানাচ্ছি। পাশাপাশি তিনি বলেন, বিস্ফোরণে যাদের ক্ষতি হয়েছে তাদেরকে ক্ষতিপূরণও দিতে হবে। গ্রামবাসীরা প্রত্যেকেই চাইছেন এনআইএ তদন্ত হোক তার সঙ্গে সহমত পোষণ করছি। পাশাপাশি তিনি এদিন আরও জানান রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষ ও দত্তপুকুর থানার আইসি দুজন মিলিত হয়ে এই ব্যবসা চালাচ্ছিলেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Duttapukur: বিস্ফোরণস্থল থেকে ৩০০ মিটার দূরে ফের ছিন্নভিন্ন দেহ উদ্ধার, গ্রেফতার তৃণমূল কর্মী

    Duttapukur: বিস্ফোরণস্থল থেকে ৩০০ মিটার দূরে ফের ছিন্নভিন্ন দেহ উদ্ধার, গ্রেফতার তৃণমূল কর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দত্তপুকুরের মোচপোলে বাজি কারখানায় বিস্ফোরণের (Duttapukur) ঘটনায় ঘটনাস্থলেই অধিকাংশের মৃত্যু হয়েছে। বাকিরা গুরুতর জখম রয়েছেন। ফলে, কথা বলার অবস্থায় অনেকেই নেই। বিস্ফোরণকাণ্ডে ইতিমধ্যেই পুলিশ একজনকে গ্রেফতার করেছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার গভীর রাতে নীলগঞ্জ এলাকা থেকে কেরামত আলির ‘সহযোগী’ শফিক আলি ওরফে শফিকুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃত ব্যক্তি তৃণমূল করত, দাবি পরিবারের লোকজনের। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কেরামতের ‘বাজি’র ব্যবসায় ‘অংশীদারিত্ব’ ছিল শফিকের। সূত্রের খবর, বিস্ফোরণে গুরুতর জখম হয়ে মৃত্যু হয়েছে কেরামতের। তাঁর ছেলেরও মৃত্যু হয়েছে বলে একটি সূত্রে জানা গিয়েছে। অন্যদিকে, সোমবার সকালে ফের দত্তপুকুরে ছিন্নভিন্ন দেহ উদ্ধার হল। বিস্ফোরণস্থল থেকে ৩০০ মিটার দূরে একটি পুকুরে এক ব্যক্তির দেহ উদ্ধার হল। তার মাথা ফাটা, কোমর থেকে পায়ের কোনও চিহ্ন নেই। পুলিশ দেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়।

    কী বললেন ধৃত ব্যক্তির পরিবারের লোকজন?

    দত্তপুকুরকাণ্ডে (Duttapukur) গ্রেফতার শফিকুল ইসলামের স্ত্রী জাহানারা বিবি বলেন, রবিবার বিকালে আমার স্বামীকে একজন ফোন করে। স্বামী বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে গেলেই তাকে গ্রেফতার করে। এই ধরনের কাজের সঙ্গে জড়িত নয় আমার স্বামী। কেরামতের সঙ্গে পাড়ার লোক হিসাবে কথাবার্তা হতো। বাজি কারবারের যে অভিযোগে স্বামীকে গ্রেফতার করা হল পুরোটাই চক্রান্ত। ধৃতের দাদা বাবলু ইসলাম বলেন, আমার ভাই তৃণমূল করত। ওই দলের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল। এই ঘটনায় ভাইয়ের কোনও সম্পর্ক নেই। ভাইকে ফাঁসানো হল।

    বাজি কারবারে মুর্শিদাবাদের একজন জড়িত, দাবি এলাকাবাসীর

    কেরামত আলির সহযোগী ছিল শফিক আলি। পাশাপাশি মুর্শিদাবাদের জিরাত শেখ নামে একজনের নাম উঠে আসছে। দত্তপুকুরে (Duttapukur) বাজি কারখানায় জিরাতের অন্যতম ভুমিকা রয়েছে, দাবি স্থানীয় বাসিন্দাদের। ঘটনার সময় সে ঘটনাস্থলে ছিল না মুর্শিদাবাদে ছিল, তা পুলিশের কাছে স্পষ্ট নয়। তবে, পুলিশ মুর্শিদাবাদের এই ব্যক্তির খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে। জানা গিয়েছে, কেরামত মোচপোল গ্রামে একজনের বাড়ি ভাড়া নিয়ে বেআইনি বাজি কারখানা গড়ে তুলেছিল। বাড়ির মালিকও এই কারখানায় কাজ করত। বিস্ফোরণের ঘটনায় তারও মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে। শফিক আলিকে জেরা করার পর আরও অনেক তথ্য জানা যাবে বলে পুলিশ আধিকারিকরা মনে করছেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এমনিতেই বাজি তৈরির কারখানা ছিল বেআইনি। সেখানে আতসবাজি শুধু নয়, বোমা তৈরি হয়। কেরামতের কারখানা থেকে কিছুটা দূরেই আরও একটি বেআইনি কারখানার হদিশ পায় এলাকাবাসী। পাঁচিল ঘেরা সেই জমিতেই বেআইনি বাজি ও বোমা তৈরি করা হত। রীতিমতো গবেষণাগার তৈরি করা হয়েছিল। এলাকাবাসী ভাঙচুর করার সময় দেখতে পায়, সেখানে পটাশিয়াম ক্লোরাইড মজুত করে রাখা রয়েছে। ফলে, সেখানে যে বোমা তৈরি হত, তার জ্বলন্ত প্রমাণ রয়েছে। ঘটনার পর থেকে কেউ না থাকায় সেই কারখানা ভাঙচুর করা হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bomb Blast: দত্তপুকুরে বিস্ফোরণের পরই আরও একটি বোমা তৈরির কারখানায় তাণ্ডব এলাকাবাসীর

    Bomb Blast: দত্তপুকুরে বিস্ফোরণের পরই আরও একটি বোমা তৈরির কারখানায় তাণ্ডব এলাকাবাসীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দত্তপুকুরের জগন্নাথপুরে মোচপোলে বেআইনি বাজি কারখানায় বিস্ফোরণের (Bomb Blast) কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আরও একটি বোমা তৈরির কারখানার হদিশ পেলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ঘটনাস্থল থেকে ঢিল ছোঁড়়া দুরত্বে পাঁচিল ঘেরা পরিত্যক্ত জমিতে কারখানাটি চলত। সেখানে তিনটি ঘরের মধ্যেই বোমা তৈরির সরঞ্জাম মিলেছে। অনেক রাসায়নিক জিনিস মিলেছে। আর একটি প্রাইভেট গাড়ি ছিল। এখানে রমরমিয়ে বোমা তৈরি হত। বিস্ফোরণের পর পরই এই জায়গা ছেড়ে সকলেই পালিয়ে যায়। উত্তেজিত জনতা ওই কারখানায় এসে তাণ্ডব চালায়। কারখানার ভিতরে থাকা সমস্ত জিনিসপত্র ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। ভাঙচুর করা হয় গাড়ি।

    কী বললেন স্থানীয় বাসিন্দারা? (Bomb Blast)

    বেআইনি বাজি কারখানার মালিক আজিবর রহমান। তিনি স্থানীয় তৃণমূল কর্মী হিসেবে পরিচিত ছিল। ঘটনার পর থেকে তার হদিশ পাওয়া যায়নি। এদিন বিকেলের পর নতুন যে বোমা তৈরির কারখানার খোঁজ মিলেছে, সেই কারখানার কয়েকজন মালিক রয়েছে। সকলেই শাসক দলের সঙ্গে জড়িত। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, তৃণমূল নেতাদের মাথায় হাত থাকায় তারা রংবাজি করত। এলাকায় তাদের বিরুদ্ধে কারও মুখ খোলার সাহস ছিল না। এখন বিস্ফোরণ (Bomb Blast) হতেই সকলেই এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে। আমাদের দাবি, অবিলম্বে অভিযুক্তদের সকলকে গ্রেফতার করতে হবে। এই এলাকায় তৃণমূলের মদতেই এই সব বেআইনি কারখানা চলত। পুলিশকে হাত করেই এখানে এসব কারবার চলত।

    ঘটনাস্থলে ফরেন্সিক দল?

    এদিন বোমা বিস্ফোরণের (Bomb Blast) ফলে কারখানাটি প্রায় ধূলিসাৎ হয়ে গিয়েছে। আশপাশের বেশ কয়েকটি বাড়ি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যুদ্ধের পর ধ্বংসস্তূপের মতো গোটা এলাকা হয়ে রয়েছে। এদিন পুলিশ, দমকল বাহিনীর পর ঘটনাস্থলে বোম্ব স্কোয়ার্ডের লোকজন আসে। সিআইডি আধিকারিকরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এলাকার মানুষের সঙ্গে তাঁরা কথা বলেন। বিকেলের দিকে এলাকায় ফরেন্সিক টিম ঢোকে। তাঁরা কারখানার ধ্বংসস্তূপের মধ্যে থেকে নমুনা সংগ্রহ করে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Duttapukur: দত্তপুকুর বিস্ফোরণকাণ্ডে এনআইএ তদন্তের দাবি বিজেপির

    Duttapukur: দত্তপুকুর বিস্ফোরণকাণ্ডে এনআইএ তদন্তের দাবি বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর ২৪ পরগণার দত্তপুকুরের (Duttapukur) জগন্নাথপুর মোচপোলে বেআইনি বাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের পর থেকেই গ্রামে ব্যাপক উত্তেজনা রয়েছে। ঘটনার পর পুলিশ এলে তাঁদের ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখানোর পাশাপাশি গাড়িও ভাঙচুর করা হয়। ঘটনার পর এদিন দুপুরে বিজেপি মহিলা মোর্চার রাজ্য সভানেত্রী ফাল্গুনী পাত্র সহ দলীয় নেতারা ঘটনাস্থলে গেলে তাঁদের বাধা দেওয়া হয়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Duttapukur)

    স্থানীয় সূত্রের খবর, রবিবার সকালে ভয়াবহ দত্তপুকুরে (Duttapukur) এই এলাকার বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পান নীলগঞ্জ এলাকার বাসিন্দারা। এলাকার খুদে নামের এক বাজি ব্যবসায়ীর কারখানায় এই বিস্ফোরণ হয় বলে জানা গিয়েছে৷ উড়ে যায় তার কারখানার বাড়ির ছাদ। চারিদিকে ছড়িয়ে যায় বারুদ-সহ বাজি বানানোর অন্যান্য সরঞ্জাম। এদিক ওদিকে ছড়িয়ে পড়ে রক্তাক্ত দেহ। ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ১ কিলোমিটার দূরেও শোনা গিয়েছিল এই বিস্ফোরণের শব্দ বলে স্থানীয় বাসিন্দারা। ঘটনার পর পরই একাধিক বাড়ি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। জেসিবি এনে উদ্ধার কাজ করা হয়। এদিন ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান বিজেপির মহিলা মোর্চার রাজ্য সভানেত্রী ফাল্গুনী পাত্র। দলীয় নেতা কর্মীদের নিয়ে এলাকায় ঢুকতে গেলে পুলিশ প্রথমে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে। পরে, তাঁরা এলাকায় গেলে স্থানীয় বাসিন্দারাও তাঁদের বিক্ষোভ দেখান। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, নিয়মিত পুলিশ টাকা তুলত বলেই রমরমিয়ে এই বেআইনি কারবার চলত। পুলিশ কিছু বলত না।

    বিস্ফোরণকাণ্ডে তদন্ত নিয়ে কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপির মহিলা মোর্চার রাজ্য সভানেত্রী ফাল্গুনী পাত্র বলেন, জেসিবি দিয়ে তথ্য প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা হচ্ছে। আর তাই আমাদের ঘটনাস্থলে ঢুকতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। আসলে পুলিশ মাসোহারা পেত বলেই চুপ ছিল। দু কিলোমিটার দুরে পুলিশ সুপারের অফিস। সেখানে এই ধরনের বেআইনি কারবার পুলিশ জানে না, এটা হতে পারে না। আমরা ঘটনার তীব্র নিন্দা করছি। বারুদের স্তূপে রয়েছে গোটা রাজ্য। তৃণমূল নেতাদের মদত রয়েছে। এই এলাকার বিধায়ক খাদ্যমন্ত্রী। তিনি এই বেআইনি বাজি কারখানার বিষয়ে সব জানেন। পঞ্চায়েত নির্বাতচনের সময় এখান থেকে বোমা সরবরাহ হয়েছে। দত্তপুকুরের (Duttapukur) এই ঘটনার এনআইএ তদন্ত দাবি করছি। রাজ্যের তদন্তকারী সংস্থা তদন্ত করলে প্রকৃত সত্য উদঘাটন হবে না।

    কী বললেন কংগ্রেস নেতৃত্ব?

    প্রদেশ কংগ্রেস নেতা কৌস্তভ বাগচী এদিন ঘটনাস্থলে যান। তিনি বলেন, এই ঘটনার জন্য স্থানীয় বিধায়ক তথা মন্ত্রী এবং মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত। পাশাপাশি এই ঘটনার আমরা এনআইএ তদন্তের দাবি করছি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bomb Blast: দত্তপুকুরে বেআইনি বাজি কারখানায় বিস্ফোরণ, মৃত ১০, জখম ১৪

    Bomb Blast: দত্তপুকুরে বেআইনি বাজি কারখানায় বিস্ফোরণ, মৃত ১০, জখম ১৪

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ব মেদিনীপুরের এগরার খাদিকুলের পর উত্তর ২৪ পরগনার দত্তপুকুরের জগন্নাথপুর মোচপোল সংলগ্ন একটি বেআইনিভাবে বাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ (Bomb Blast) ঘটে। বোমা বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে ঘটনাস্থল থেকে বেশ কয়েকটি মৃতদেহ দু-তিনশো মিটার দূরে কারও বাড়ির চালে, কারও পাঁচিলে, ছাদে উঠে যায়। আশপাশের পাকা বাড়ি গুঁড়িয়ে যায়। পাকা দোতলা বাড়ির বেশ কিছুটা অংশ ভেঙে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ও দমকল বাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে মৃতদেহ উদ্ধার করে। সব মিলিয়ে এদিন দুপুর পর্যন্ত ১০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। জখম হয়েছেন ১৪ জন। তাঁদের বারাসত জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, আহতদের মধ্যে কয়েকটি শিশু-ও থাকতে পারে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছিল? (Bomb Blast)

    দীর্ঘদিন ধরেই ওই বাড়িতে বেআইনি বাজি কারখানাটি চলছিল। এগরার খাদিকুলের ঘটনার পর পুলিশি অভিযানের কারণে কয়েকদিন বন্ধ ছিল। তারপর ফের রমরমিয়ে কারবার চলছিল। পুলিশকে হাত করেই এই কারবার চালাচ্ছিল বলে স্থানীয়দের দাবি। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন কারখানায় ২৬ জন কাজ কারছিলেন। সকাল সাড়ে ৮টা নাগাদ বাজি কারখানাটিতে বিস্ফোরণ (Bomb Blast) হয়। বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে, আশপাশের বাড়িগুলিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বার বার প্রশাসনকে জানিয়েও কাজ হয়নি বলে অভিযোগ তাঁদের। ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছতেই স্থানীয়রা তাঁদের কাছে ক্ষোভপ্রকাশ করতে থাকেন। ঘিরে ধরে চলতে থাকে স্লোগান। ভাঙচুর করা হয় পুলিশের গাড়ি। পরে, বিশাল বাহিনী নিয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ আসে। গত ১৬ মে পূর্ব মেদিনীপুরের এগরার খাদিকুল গ্রামের বাজি কারখানায় বিস্ফোরণ ঘটেছিল। মৃত্যু হয়েছিল ১১ জনের। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই পাঁচ দিনের মাথায়, ২১ মে রবিবার কলকাতার অদূরে বজবজের একটি বাড়িতে বাজি বিস্ফোরণকে কেন্দ্র করে আতঙ্ক ছড়িয়েছিল। পর পর দু’জায়গায় বেআইনি বাজি কারখানায় বিস্ফোরণের ঘটনায় নড়েচড়ে বসেছিল প্রশাসন। কিন্তু কার্যক্ষেত্রে দেখা গেল, সেই ঘটনার চার মাস কাটতে না কাটতেই আবারও বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল বাংলা। এ বারও কাঠগড়ায় সেই বেআইনি বাজি কারখানা। এর ফলে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠছে।

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    স্থানীয় বাসিন্দা জামাল হোসেন বলেন, আমরা এদিন সকালে একটি দোকানে বসেছিলাম। বিকট আওয়াজে গোটা এলাকা কেঁপে (Bomb Blast) ওঠে। আশপাশের কয়েকটি পাকা বাড়ি ভেঙে যায়। পাশের টালির চাল উড়ে যায়। আমাদের দোতলা বাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আমরা যে দোকানে বসেছিলাম সেই দোকানও ভেঙে গিয়েছে। আমাদের গায়ে ইঁট পড়েছে।

    বিস্ফোরণ নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতের উপ প্রধান শুভেন্দু নস্কর বলেন, আইএসএফ সদস্য জয়ী হয়েছে। আইএসএফের নেতা মদতেই এই কারবার চলত। এসব আমাদের অজানা ছিল। মুর্শিদাবাদের সব শ্রমিকরা কাজ করছিলেন। এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের কোনও মদত নেই। যদিও আইএসএফ নেতৃত্ব বলেন, এই ঘটনার জন্য তৃণমূল দায়ী।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পে

  • Bomb Blast: রঘুনাথগঞ্জে আইসিডিএস কেন্দ্রে বোমা বিস্ফোরণ, উড়ল ছাদ, ভাঙল ইটের দেওয়াল

    Bomb Blast: রঘুনাথগঞ্জে আইসিডিএস কেন্দ্রে বোমা বিস্ফোরণ, উড়ল ছাদ, ভাঙল ইটের দেওয়াল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচন ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই রাজ্যের একাধিক জেলায় বোমা বিস্ফোরণে (Bomb Blast) ঘটনা ঘটেছে। বিশেষ করে মুর্শিদাবাদ জেলায় একাধিক ব্লকে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এর আগে বেলডাঙ্গায় বোমা বাঁধতে গিয়ে বিস্ফোরণে তৃণমূল কর্মীর মৃত্যু হয়। এবার ফের মুর্শিদাবাদ জেলায় বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটল। রবিবার সাত সকালেই মুর্শিদাবাদের রঘুনাথগঞ্জের লক্ষ্মীজোলায় বন্ধ আইসিডিএস সেন্টারে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Bomb Blast)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৪ সালে লক্ষ্মীজোলায় এলাকায় আইসিডিএস কেন্দ্রটি তৈরি হয়। তৈরি হওয়ার পর থেকে প্রতিষ্ঠানটি চালু হয়নি। তবে, আইসিডিএস সেন্টারটির মূল ভবনটি বন্ধ থাকলেও বাইরে শিশুদের ক্লাস হয়। এদিন রবিবার বলে সেন্টার বন্ধ ছিল। আচমকাই বিকট শব্দে গোটা এলাকা কেঁপে ওঠে। বোমা বিস্ফোরণের (Bomb Blast) তীব্রতায় আইসিডিএস সেন্টারের ছাদ উড়ে গিয়েছে। ভেঙে গিয়েছে ইটের দেওয়াল। আইসিডিএস সেন্টারটি বন্ধ থাকায় বড়সড় দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, আচমকাই বিকট আওয়াজে গোটা এলাকা কেঁপে ওঠে। আমরা বাড়ি থেকে বেরিয়ে দেখি, পাড়ার মধ্যে থাকা আইসিডিএস কেন্দ্রটি ধোঁয়ায় ঢেকে গিয়েছে এবং সেন্টারের ছাদ উড়ে গিয়েছে। অন্যদিন, সেখানে শিশুরা পড়াশুনা করে। বড় বিপর্যয় হতে পারত। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

    কী বললেন স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধান?

    ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধান নাসিরুল ইসলাম ঘটনাস্থলে যান। তিনি বলেন, আইসিডিএস কেন্দ্রটি চালু হয়নি। সেখানেই কেউ বা কারা অনেক বোমা মজুত করে রেখেছিল। সেই বোমা থেকেই কোনওভাবেই বিস্ফোরণ (Bomb Blast) ঘটে। তবে, ঘটনার সময় আশপাশে কেউ ছিলেন না। তাই, কেউ জখম হয়নি। ঘটনার পর পরই ঘটনাস্থলে পুলিশ আসে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    বোমা বিস্ফোরণ (Bomb Blast) নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপি নেতা লাল্টু দাস বলেন, গোটা মুর্শিদাবাদ জেলাজুড়ে তৃণমূল বোমা, গুলি নিয়ে খেলা করছে। আইসিডিএস কেন্দ্রকেও এরা বাদ দিচ্ছে না। এসব জায়গায় শিশুরা থাকে, সেটাও ওরা ভুলে গিয়েছে। আমরা এই ঘটনায় দোষীদের শাস্তি দাবি করছি। অন্যদিকে, তৃণমূলের ব্লক সভাপতি সামিরুদ্দিন বিশ্বাস বলেন, এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূল কোনওভাবে জড়িত নয়। পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share