Tag: bomb

bomb

  • Murshidabad: ভোট এলেই বোমা তৈরির জন্য কদর বাড়ে ওদের! একদিনে আয় পাঁচ-আট হাজার টাকা

    Murshidabad: ভোট এলেই বোমা তৈরির জন্য কদর বাড়ে ওদের! একদিনে আয় পাঁচ-আট হাজার টাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য সরকারের হাত ধরে মুর্শিদাবাদে (Murshidabad) নতুন কোনও শিল্প না এলেও বোমা তৈরির কারবার কুটির শিল্পের আকার নিয়েছে। এমনই অভিযোগ বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতাদের। ভোট এলেই বোমা তৈরির কারবারীদের কদর বাড়তে শুরু করে। প্রয়োজন মতো দর হাঁকিয়ে বসে। এমনিতেই দিন মজুরি বা কোথাও কাজ করে একদিনে এত টাকা পাওয়া যায় না, একদিন বোমা তৈরি করে যা রোজগার হয়।

    বোমা তৈরি করতে একদিনে পাঁচ থেকে আট হাজার টাকা আয় (Murshidabad)

    পঞ্চায়েত ভোট ঘোষণার আগে থেকে মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলার একাধিক ব্লকে বোমা মজুত করা শুরু হয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে শাসক দলের মদতেই এই কারবার চলে। আর বোমা তৈরির কারবারিরাও নিজেদের মতো দর হেঁকে বসে। যার কাজের হাত যত ভালো, তার রেটও বেশি। তবে, বোমা বাঁধতে গিয়ে মৃত্যুর ঘটনা এই জেলায় ঘটেছে। পঞ্চায়েত ভোটের আগে বেলডাঙায় বোমা বাঁধতে দুজন তৃণমূল কর্মীর মৃত্যু হয়। আর সামশেরগঞ্জ, বেলডাঙা, রেজিনগর সহ জেলার একাধিক এলাকায় বোমা মজুত রয়েছে। অভিযান চালিয়ে পুলিশ প্রচুর বোমা বাজেয়াপ্ত করে। জানা গিয়েছে, বোমা তৈরির জন্য কারবারীদের পাঁচ থেকে আট হাজার টাকা একদিনে মজুরি দেওয়া হয়। লোভনীয় অর্থের জন্যই অনেকেই বোমা তৈরির কারবারে নামও লেখায়। আর কয়েক মাস পর লোকসভা ভোট। আর এই ভোট আসতেই আবার ওদের ডাক পড়তে শুরু করেছে। পুলিশ কড়া নজরদারি না দিলে এই সব কারবারীরা রমরমিয়ে বোমা তৈরির কাজ শুরু করবে। এমনিতেই এই জেলায় বোমা তৈরি কুটির শিল্পের আকার নিয়েছে, ভোটের আগে এই কারবার আরও জড়ালো হবে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

    পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন স্থানীয় বাসিন্দাদের

    স্থানীয় বাসিন্দারা জানাচ্ছেন, পরিত্যক্ত বোমা প্লাস্টিকের পাত্রে রাখা থাকে। পুলিশ গিয়ে তা উদ্ধার করে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ এলাকার মানুষ দেখতে পান না। জানতে পারেন না কে বা কারা ওই বোমা রেখে যায়। কিন্তু, পুলিশ জানতে পারে যে সেখানে বোমা রয়েছে। পুলিশ এসে সেই বোমা উদ্ধার করে। পুলিশ জানায়, গোপন সূত্রে খবর মিলেছে। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অপরাধী ধরা পড়ে না। কখনও পুলিশ অনেক পরে দুষ্কৃতীদের গ্রেফতার করে। পুলিশ কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করলে এই কারবার বন্ধ করা সম্ভব হয়। কিন্তু, পুলিশের ভুমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: মুর্শিদাবাদের তিনটি জায়গা থেকে বিপুল পরিমাণে বোমা উদ্ধার, চাঞ্চল্য

    Murshidabad: মুর্শিদাবাদের তিনটি জায়গা থেকে বিপুল পরিমাণে বোমা উদ্ধার, চাঞ্চল্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দত্তপুকুর বিস্ফোরণকাণ্ডের পর নড়েচড়ে বসেছে পুলিশ প্রশাসন। জেলায় জেলায় শুরু হয়েছে পুলিশি অভিযান। পুলিশি অভিযানেই মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) একাধিক জায়গা থেকে বিপুল পরিমাণে উদ্ধার হল বোমা। এই ঘটনায় রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। কে বা কারা বোমা মজুত করেছিল তা জানতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

    কত বোমা বাজেয়াপ্ত করল পুলিশ? (Murshidabad)

    মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলায় প্রায় দিনই বোমা উদ্ধারের ঘটনা ঘটছে। মঙ্গলবারই সূতির শাহজাদপুরে একটি বাড়ির পিছন থেকে বালির স্তূপের মধ্যে চার জার ভর্তি বোমা উদ্ধার  করে পুলিশ। এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য দেখা যায়। বোমা বাজেয়াপ্ত করে পুলিশ। এছাড়াও সালার এবং ভরতপুরে বুধবার সকালে বেশ কয়েকটি তাজা বোমা উদ্ধার করে পুলিশ। লোহাদা গ্রামের ঘোষ পুকুরে পাড়ে জঙ্গলের ভিতর একটি ব্যাগের মধ্যে থেকে প্রায় ৬টি তাজা বোমা উদ্ধার করে পুলিশ। এই বোমাগুলি ব্যাগের ভিতর কাঠের গুঁড়ো দিয়ে ঢাকা ছিল বলে জানা যায়। একই দিনে সালারের ধনডাঙা গ্রামের পুকুর পার থেকে পুলিশ আটটি বোমা উদ্ধার করে। এই বোমগুলি নিষ্ক্রিয় করার জন্য বোম স্কোয়ার্ডকে ডাকা হয়েছে বলে জানা যায়। মুর্শিদাবাদ জেলায় পঞ্চায়েত ভোট শুরু হওয়ার আগে থেকে প্রতিনিয়ত চলছে বোমা উদ্ধার, বোমাবাজি এবং এই বোমের আঘাতে মানুষের মৃত্যুও ঘটেছে। দুদিন আগেই খড়গ্রামের তেজপাড়া মাঠে ব্যাপক বোমাবাজি করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনার জেরে আতঙ্কিত গ্রামবাসীরা পুলিশকে খবর দেন। ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছে তদন্ত শুরু করে। এরপরে আরব শেখ নামে এক ব্যক্তিকে পুলিশ গ্রেফতার করে। এরপরই জেলায় বিপুল পরিমাণে বোমা উদ্ধারের ঘটনায় নতুন করে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।

    বোমা উদ্ধারের ঘটনা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    কিছুদিন আগে বহরমপুরের সাংসদ অধীর চৌধুরী বলেছিলেন, মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলা বারুদের উপর দাঁড়িয়ে আছে। যে কোনও সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। বিজেপি নেতা লাল্টু দাস বলেন, তৃণমূলের দৌলতেই এসব বোমা মজুত রয়েছে। শুধু বোমা উদ্ধার করলেই হবে না, বোমা মজুতকারীদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে ব্যবস্থা নিতে হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: বগটুইকাণ্ডে মূল অভিযুক্ত মৃত লালন শেখের বাড়ির কাছে উদ্ধার হল বোমা, চাঞ্চল্য

    Birbhum: বগটুইকাণ্ডে মূল অভিযুক্ত মৃত লালন শেখের বাড়ির কাছে উদ্ধার হল বোমা, চাঞ্চল্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বীরভূমের (Birbhum) বগটুইয়ে নিহত লালন শেখের বাড়ির বাগান থেকে উদ্ধার হল বোমা। বগটুইকাণ্ডের অন্যতম অভিযুক্ত ছিলেন লালন। সিবিআই হেফাজতে তাঁর মৃত্যু হয়। মঙ্গলবার সকালে সেই লালন শেখের বাড়ির বাগান থেকে প্রচুর পরিমাণে তাজা বোমা উদ্ধার করে পুলিশ। রামপুরহাট থানার বগটুই গ্রামের পশ্চিমপাড়ায় লালন শেখের বাড়ি। বাড়ির সামনেই বাগান থেকে উদ্ধার হয় বোমা। বাগানের মাটিতে গর্ত করে বোমাগুলি রাখা ছিল। পরে, বোমাগুলি উদ্ধার করে একটি প্লাস্টিকের পাত্রে রাখা হয়। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Birbhum)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২২ সালের ২১ মার্চ বীরভূমের (Birbhum) বগটুই গ্রামে তৃণমূল কংগ্রেসের বড়শাল গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান ভাদু শেখকে খুনের অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ, এই খুনের প্রতিশোধ নিতে সেদিন রাতেই বগটুই গ্রামে গণহত্যা চলে। গ্রামে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। ১০ জনের মৃত্যু হয়। ঘটনায় মূল অভিযুক্ত ছিলেন লালন শেখ। দীর্ঘ সময় গা ঢাকা দিয়েছিলেন লালন। পড়শি রাজ্য ঝাড়খণ্ড থেকে তাঁকে সিবিআই গ্রেফতার করে। সেই সিবিআই হেফাজতে থাকাকালীনই গত বছর ১২ ডিসেম্বর তাঁর অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়। রামপুরহাটে সিবিআইয়ের ক্যাম্প অফিসের বাথরুমে ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয় লালনের। বগটুইয়ের ঘটনার পর তাঁর বাড়ি সিল করে দিয়েছিল সিবিআই। পরে যদিও আদালতের নির্দেশে তা খুলেও দেওয়া হয়। সেই বাড়িরই সামনে বাগান থেকে উদ্ধার হয় বোমা। পুলিশ এসে বোমাগুলি উদ্ধার করে। ইতিমধ্যেই বম্ব স্কোয়াডকে খবর দেওয়া হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল ঘিরে রেখেছে।

    বোমা উদ্ধারের ঘটনা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপির বীরভূম (Birbhum) জেলার সভাপতি ধ্রুব সাহা বলেন, পঞ্চায়েত ভোটের সময় তৃণমূল এই বোমা মজুত করে রেখেছিল। আমাদের দাবি, অবিলম্বে দোষীদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। অন্যদিকে, তৃণমূলের রামপুরহাট-১ ব্লকের সভাপতি সৈয়দ সিরাজ জিম্মি বলেন, এই ধরনের ঘটনায় তৃণমূল কোনওভাবেই জড়িত নয়। পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে। প্রকৃত সত্য উদঘাটন হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: হরিহরপাড়ায় স্কুলের কাছেই মিলল দু’ ব্যাগ সকেট বোমা, খড়গ্রামেও উদ্ধার তাজা বোমা

    Murshidabad: হরিহরপাড়ায় স্কুলের কাছেই মিলল দু’ ব্যাগ সকেট বোমা, খড়গ্রামেও উদ্ধার তাজা বোমা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনের ভোটপর্ব মিটে গেলেও মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলাতে বেশ কিছু দিন ধরে বিভিন্ন জায়গাতে উদ্ধার হচ্ছে তাজা বোমা। বুধবার ফের মুর্শিদাবাদের দুটি থানা এলাকা থেকে বিপুল পরিমাণ বোমা উদ্ধার হল। হরিহরপাড়ায় স্কুল থেকে ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে সকেট বোমা উদ্ধার হয়েছে। কে বা কারা এত বোমা মজুত করেছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

    স্কুলের কাছে কত বোমা উদ্ধার হল?

    বুধবার সকালে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) হরিহরপাড়া থানার সদানন্দপুর এলাকায় হরিহরপাড়া থানার পুলিশ তল্লাশি চালিয়ে সদানন্দপুর প্রাইমারি স্কুল থেকে ৩০ মিটারের মধ্যে দু’ ব্যাগ ভর্তি সকেট বোমা বাজেয়াপ্ত করে। খবর ছড়িয়ে পড়তেই চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায়। কোনওরকম অপ্রীতিকর ঘটনা তাড়াতে ঘটনাস্থল পাহারা দিয়ে রয়েছে কেন্দ্র বাহিনীর জওয়ান ও হরিহরপাড়া থানার পুলিশ। ইতিমধ্যে বোমাগুলি নিষ্ক্রিয় করার জন্য বোম্ব স্কোয়াডের কর্মীদের খবর দেওয়া হয়েছে। কে বা কারা কী কারণে বোমা মজুত করে রেখেছিল তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে হরিহরপাড়া থানার পুলিশ।

    কী বললেন এলাকাবাসী?

    স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, স্কুলের কাছে এভাবে বোমা রাখা ঠিক হয়নি। বোমা বিস্ফোরণ হলেই বড় বিপদ হওয়ার আশঙ্কা ছিল। বিশেষ করে স্কুলের পড়ুয়াদের জখম হওয়ার সম্ভাবনা ছিল। অবিলম্বে প্রশাসনের ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। অভিযুক্তদের গ্রেফতার না করা হলে এই ধরনের ঘটনা আরও ঘটবে।

    খড়গ্রামেও উদ্ধার হল প্রচুর বোমা

    মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলার খড়গ্রাম থানার সাদল গ্রাম পঞ্চায়েতের সুন্দরপুর গ্রামে মাঠের মধ্যে থেকে দুই বালতি তাজা বোমা উদ্ধার করল পুলিশ। এলাকার বাসিন্দারা প্রথমে দুই বালতি তাজা বোমা মাঠের মধ্যে পড়ে থাকতে দেখেন। পরে, পুলিশকে খবর দেওয়া হয়, পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুই বালতি তাজা বোমা উদ্ধার করে। যদিও এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার হয়নি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: কালিয়াচকে লিচু বাগানে বোমা তৈরি করতে গিয়ে বিস্ফোরণে মৃত ১, আহত ২

    Malda: কালিয়াচকে লিচু বাগানে বোমা তৈরি করতে গিয়ে বিস্ফোরণে মৃত ১, আহত ২

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বোমা বানাতে গিয়ে বিস্ফোরণ হয়ে মৃত এক এবং আহত দুই ব্যক্তি। ঘটনাটি ঘটেছে কালিয়াচকের খাসচাঁদপুরের একটি লিচু বাগানে। জানা গেছে, মৃত ওই ব্যক্তির নাম মুকলেসুর রহমান। বৈষ্ণবনগর থানা এলাকার ঘেরা ভগবানপুরের বাসিন্দা এই ব্যক্তি। ঘটনায় এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য। বাকিদের নাম ও পরিচয় এখনও জানা যায়নি।

    কীভাবে ঘটল ঘটনা?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে কয়েকজন নির্জন স্থানে বোমা বাঁধছিল। এমন সময় আচমকাই বোমা বিস্ফোরণে গোটা এলাকা কেঁপে উঠে। রক্তাক্ত অবস্থায় ঘটনাস্থল থেকে পালানোর চেষ্টা করে আহতরা। কিন্তু ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ২০০ মিটার দূরেই মারা যায় মুকলেসুর রহমান। এরপর বাকি আহতরা তাকে ছেড়ে পালিয়ে গেছে বলে জানা যায়।

    পুলিশের ভূমিকা

    বিস্ফোরণের ঘটনার খবর পুলিশের কাছে গেলে ঘটনাস্থলে আসে বিশাল পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী। এখনও পর্যন্ত এলাকায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে বোমা তৈরির সরঞ্জাম ও উপকরণ। পুলিশ ইতিমধ্যেই সেগুলোর নমুনা সংগ্রহ করেছে। এর পরেই এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপান উতর শুরু হয়েছে এলাকায়।

    কংগ্রেসের বক্তব্য

    কংগ্রেসের পক্ষ থেকে কালিয়াচক ব্লক কংগ্রেসের প্রেসিডেন্ট মিজানুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, গতকাল রাতে রাজ্যের মন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিনের বাড়ির কাছে এক লিচু বাগানে বোমা বাঁধতে গিয়ে বিস্ফোরণে নিহত হয় এক ব্যক্তি। এই বোমা এলাকায় সন্ত্রাস সৃষ্টির জন্যই বানাচ্ছিল তৃণমূল আশ্রিত দুস্কৃতীরা। সাধারণ মানুষকে আতঙ্কিত করার কাজই করছে রাজ্যের শাসক দল। তাই বলব প্রশাসন যেন এলাকায় টহলদারি নিয়মিত করে। তিনি আরও বলেন, বিস্ফোরণের এই ঘটনার পেছনে যারা আছে সেই দুষ্কৃতীদেরকে অবিলম্বে পুলিশ যেন গ্রেফতার করে।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    অপর দিকে মালদা জেলা পরিষদের তৃণমূলের সদস্য আব্দুর রহমান বলেন, ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের কোন‌ও সম্পর্ক নেই, কংগ্রেসের সব অভিযোগ ভিত্তিহীন। আমরা চাই পুরো ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত হোক। দোষীদের চিহ্নিত করে দ্রুত শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Cooch Behar: ভোটের আগে দিনহাটায় ফের বোমা বিস্ফোরণ, আহত ৪

    Cooch Behar: ভোটের আগে দিনহাটায় ফের বোমা বিস্ফোরণ, আহত ৪

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরবঙ্গের সন্ত্রস্ত এলাকা রাজ্যপাল পরিদর্শন করে ফেরার পরই আজ মঙ্গলবার দিনহাটায় (Cooch Behar) ফের বোমা বিস্ফোরণে আহত ৪ জন। এর মধ্যে দু’জন শিশু। রাজ্য জুড়ে যেভাবে ভোটের আগে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটছে, তাতে জেলা জুড়ে আতঙ্কের বাতাবরণ তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন বিরোধীরা।

    কীভাবে বিস্ফোরণ হল (Cooch Behar)?

    রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচনের আবহে একদিকে বীরভূম, মুর্শিদাবাদে যেমন বোমা-বন্দুক উদ্ধার হয়েছে, তেমনি বোমা বিস্ফোরণে উত্তাল হয়ে উঠল দিনহাটা। মঙ্গলবার বোমা বিস্ফোরণ ঘটে দুপুর ১২ টার সময়। কোচবিহার জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কুমার সানি রাজ বিস্ফোরণ সম্পর্কে তথ্য দিয়ে বলেন, গোসানমারি এলাকার ছোট নাটাবাড়িতে সাত্তার মিঞা নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে বিস্ফোরণ হয়। বিস্ফোরণে লতিফ মিঞা ও লুতফর মিঞা নামে দুই শিশু গুরুতর জখম হয়। বাড়ির মালিক সাত্তার নিজে এবং মুজফফর মিঞা নামে দুই প্রৌঢ়ও আহত হন। আহতদের দিনহাটা মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে আপাতত পুলিশ গিয়ে পৌঁছেছে। তবে কী কারণে, কীভাবে বোমা বিস্ফোরণ হল, সেই বিষয়ে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। ভোটের আগে এই ঘটনায় এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    আহত ব্যক্তির পরিবারের বক্তব্য

    আহত ব্যক্তি মুজফফর মিঞার (Cooch Behar) মেয়ে জানান, তাঁর বাবা টোটো চালাতেন। বাবা দ্রুত সরে যেতে না পারায় বিস্ফোরণের তীব্রতায় আহত হন। অপর দিকে আহত শিশুর পরিবার থেকে জানানো হয়, বল ভেবে খেলতে গেলে বোমায় আচমকা বিস্ফোরণ ঘটে। কিন্তু বাড়িতে কোনও বোমার কারখানা ছিল কি না, সেই বিষয়ে মুখ খুলতে রাজি হয়নি কোনও আহতের পরিবারই।  

    নির্বাচন কতটা সুরক্ষিত!

    দিনহাটা (Cooch Behar), শীতলকুচি, সিতাই পরিদর্শনে গিয়েছিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। কোচবিহারের সার্কিট হাউস থেকে কড়া বার্তা দিয়েছিলেন, দোষী দুষ্কৃতীদের অবিলম্বে গ্রেফতার করতে হবে। আইনের শাসন প্রয়োগে প্রশাসনকে হাইকোর্টের আদেশ অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে হবে। কিন্তু যেভাবে বোমা বিস্ফোরণ ভোটের আগে ঘটল, তাতে জেলার মানুষ ভীষণ আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন।    

       

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: দুবরাজপুরে প্রাইমারি স্কুল থেকে উদ্ধার বোমা, এলাকায় তীব্র আতঙ্ক

    Birbhum: দুবরাজপুরে প্রাইমারি স্কুল থেকে উদ্ধার বোমা, এলাকায় তীব্র আতঙ্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বীরভূমের (Birbhum) দুবরাজপুরের বিদ্যালয়ের রান্না ঘরের ছাদে বোমা উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল সোমবার। খবর দেওয়া হয় দুবরাজপুর থানার পুলিশকে। এদিনই দুবরাজপুরে আসার কথা ফিরহাদ হাকিমের। ভার্চুয়াল সভায় উপস্থিত থাকার কথা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তার আগে বোমা উদ্ধারে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।

    কীভাবে উদ্ধার হল বোমা (Birbhum)?

    সোমবার দুবরাজপুরের (Birbhum) লক্ষ্মীনারায়ণপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের আদমপুর গ্রামে প্রাইমারি স্কুল থেকে চারটি তাজা বোমা উদ্ধার হয়েছে। এলাকায় এই নিয়ে তীব্র চাঞ্চল্য শুরু হয়েছে। বোমা উদ্ধারে স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্ক ছড়িয়েছে স্কুল চত্বরে। আতঙ্কিত ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক-শিক্ষিকা ও অভিভাবকরা। সামনেই পঞ্চায়েত নির্বাচন, মাত্র আর ৫ দিন বাকি! ফলে এই বোমা কি নির্বাচনে ভোট লুট করার জন্য মজুত রাখা হয়েছিল? তাই নিয়ে শুরু হয়েছে তরজা। খবর পেয়েই ছুটে এসেছে এলাকার পুলিশ। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এই স্কুলেই মিড ডে মিলের খাবার রান্না হত। এই স্কুলের ছাদ থেকেই প্লাস্টিকে মোড়ানো তাজা বোমা উদ্ধার হয়। তবে কে বা কারা এই বোমা মজুত করেছে, সেই বিষয়ে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

    আর কোথায় উদ্ধার বোমা?

    এছাড়াও দুবরাজপুরের (Birbhum) যশপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের পছিয়াড়া গ্রামের শেখ আলমের বাড়ি থেকে ১৪ থেকে ১৫ টি বোমা উদ্ধার হয়েছে। উত্তর ২৪ পরগনার আমডাঙায়ও তাজা বোমা উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গেছে। সেখানে বোদাই পঞ্চায়েত এলাকা থেকে বস্তা ভর্তি ১৫টি তাজা বোমা উদ্ধার করে আমডাঙা থানার পুলিশ। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে উদ্ধার হওয়া বোমাকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে এলাকাগুলিতে।

    গ্রামবাসীদের বক্তব্য

    স্থানীয় গ্রমাবসী (Birbhum) মীর নাজিরুদ্দিন বলেন, এই স্কুলেই বুথ রয়েছে! সমানে পঞ্চায়েত ভোট। এখানে বোমা উদ্ধারে আমরা ভীষণ আতঙ্কের মধ্যে রয়েছি। একটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যদি বোমা উদ্ধারের ঘটনা ঘটে, এর থেকে লজ্জার কিছু হতে পারে না। তিনি আরও বলেন, ভোটদানের দিন কী ঘটবে, তা নিয়ে আমরা খুব দুশ্চিন্তায় রয়েছি।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    তৃণমূল নেতা ব্লক কনভেনর (Birbhum) রফিকুল খান বলেন, উদ্ধার হওয়া বোমার বিষয়ে পুলিশ প্রশাসন আছে। তারাই তদন্ত করবে। তিনি আরও বলেন, সত্যি কি বোমা? নাকি সুতলি দিয়ে বাঁধা রয়েছে কোনও বস্তু! তবে এখানে কোনও রাজনীতির যোগ নেই বলে মন্তব্য করেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: মজুত বোমায় বিস্ফোরণ, উড়ে গেল কংগ্রেস কর্মীর বাড়ির দেওয়াল

    Murshidabad: মজুত বোমায় বিস্ফোরণ, উড়ে গেল কংগ্রেস কর্মীর বাড়ির দেওয়াল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোটের আগেই কংগ্রেস কর্মীর বাড়িতে থাকা মজুত বোমা বিস্ফোরণে উড়ে গেল বাড়ির প্রাচীর। এছাড়াও সকেট বোমা উদ্ধার হল ডোমকলে। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আর মাত্র ৬ দিন বাকি! ইতিমধ্যেই রাজ্যে ১৩ জন মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। মুর্শিদাবাদে (Murshidabad) যেভাবে বোমা বিস্ফোরণ এবং সকেট বোমা উদ্ধার হয়েছে, তাতে জেলা জুড়ে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন সাধারণ মানুষ।

    কোথায় বোমা বিস্ফোরণ হল (Murshidabad)?

    রবিবার দুপুর নাগাদ চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে সামশেরগঞ্জ (Murshidabad) থানার জয়কৃষ্ণপুর মাঠপাড়া গ্রামে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় সামসেরগঞ্জ থানার পুলিশ। যদিও ঘটনার পর থেকেই পলাতক ওই কংগ্রেস কর্মী জাহাঙ্গির শেখ। আপাতত বোমা বিস্ফোরণের স্থান এবং বাড়িটিকে দড়ি দিয়ে ঘিরে রেখেছে পুলিশ। ইতিমধ্যেই বাড়ির এক সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগেই কংগ্রেস কর্মীর বাড়িতে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় রীতিমতো শোরগোল সৃষ্টি হয়েছে সামশেরগঞ্জের রাজনৈতিক মহলে। বোমা রাখার উদ্দেশ্য কী ছিল? কোন কাজে ব্যবহার করতে বোমা রাখা হয়েছিল? সেই বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

    কোথায় সকেট বোমা উদ্ধার হল

    এবার ডোমকলে (Murshidabad) উদ্ধার তাজা সকেট বোমা। ডোমকলের ঘোড়ামারা পঞ্চায়েতের নিশ্চিন্তপুর এলাকার একটি ঝোপ থেকে উদ্ধার হয় বোমগুলি। শনিবার সকালে বোমার ব্যাগ ও বালতি দেখতে পায় স্থানীয়রা। তারপরেই খবর দেওয়া হয় ডোমকল থানার পুলিশকে। সেইমতো খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে ১৫ পিস তাজা সকেট বোমা উদ্ধার হয়। বোমা উদ্ধারের পর ঘটনাস্থল ঘিরে খবর দেওয়া হয় বোম ডিসপোজাল স্কোয়াডকে। তারপরে বিকেলের দিকে তারা এসে বোমাগুলি নিষ্ক্রিয় করে। তবে নির্বাচনের এক সপ্তাহ আগে তাজা সকেট বোমা উদ্ধারে রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।

    কতটা সুরক্ষিত নির্বাচন! এই নিয়ে বার বার প্রশ্ন তুলছেন সমাজকর্মীরা। যেভাবে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) রানিনগর, ডোমকল, সালার, সামসেগঞ্জ, নিমতিতা, ভরতপুর, বেলডাঙ্গায় পরপর নির্বাচনের আগে বোমা উদ্ধার, বোমা বিস্ফোরণের কথা উঠে এসেছে, তাতে আগামী ৮ই জুলাই কেমন ভোট হয়, সেটাই এখন দেখার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: রাষ্ট্রপতি পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষকের বাড়িতে বোমা, অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

    Murshidabad: রাষ্ট্রপতি পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষকের বাড়িতে বোমা, অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ইতিমধ্যেই প্রকাশিত হয়েছে। বোমাবাজি, গোলাগুলি, রাজনৈতিক হত্যা-সংঘর্ষের মধ্যে দিয়ে হয়েছে মনোনয়ন জমা, মনোনয়ন প্রত্যাহারও। আর এরপর প্রচার অভিযান শুরু হতেই দিকে দিকে শাসকের বিরুদ্ধে বিরোধী দলের কর্মী, প্রার্থী, সমর্থকদের লক্ষ্য করে আক্রমণের অভিযোগ থামছে না। নির্বাচনে ভোট দেওয়ার আগেই ফের উত্তপ্ত মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) রানিনগর।

    কী ঘটেছে (Murshidabad)?

    রানিনগরে (Murshidabad) ব্লক ২ এর মালিবাড়ি ১ গ্রাম পঞ্চায়েতের মরিচা গ্রামে রাষ্ট্রপতি পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষক আতাউর রহমানের বাড়ির লক্ষ্য করে বোমাবাজির অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার মধ্যরাতে। রাষ্ট্রপতি পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষক আতাউর রহমান পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ। সিপিএম জোট প্রার্থী-কর্মীদের সঙ্গে তাঁর অসুস্থ ছেলেকেও পুলিশ তুলে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ তোলেন।

    রাষ্ট্রপতি পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষকের বক্তব্য

    মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) রাষ্ট্রপতি পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষক সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, তৃণমূল কংগ্রেস এলাকায় অশান্তি সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে। তিনি আরও বলেন, গতকাল রাতে আমার বাড়ির সামনে শাসক দলের দুষ্কৃতীরা এসে বোমাবাজি করে গেছে। এখানে মূলত সিপিএম সমর্থিত জোট এবং শাসক দল তৃণমূলের মধ্যে দ্বন্দ্ব হয়েছে। দিনের বেলায় বাচ্চা ছেলেদের বিষয় নিয়ে গোলমাল হয়, আর তারপরেই রাতের বেলায় এই বোমাবাজি হয়। তৃণমূলের গুণ্ডারা বোমা নিয়ে আঘাত করলে জোটের ছেলেরা আমার বাড়িতে আশ্রয় নেয়। আর এরপর পুলিশকে খবর দিলে, পুলিশ উল্টো আমার বাড়িতে তল্লাশি করে জোটের কর্মীদের তুলে নিয়ে যায়। তিনি আরও বলেন, সেই সঙ্গে আমার ছেলেকেও তুলে নিয়ে যায়। রাজ্যে স্বৈরাচারী আর দুষ্কৃতীদের শাসন চলছে বলে মন্তব্য করেন এই রাষ্ট্রপতি পুরুস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষক।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    অপরদিকে শিক্ষকের অভিযোগ অস্বীকার করেন ব্লকের তৃণমূল নেতৃত্ব। রানিনগর (Murshidabad) টু-এর তৃণমূল কংগ্রেস ব্লক সভাপতি শাহ আলম সরকার বলেন, গ্রামে অশান্তির মূল কারণ হচ্ছেন শিক্ষক আতাউর রহমান। পরিকল্পনা মাফিক এলাকায় অশান্তি সৃষ্টি করেছেন শিক্ষক। তিনি আরও বলেন, আমাদের তিন-চারজন কর্মীকে মেরে আহত করেছেন ওই শিক্ষক। আমাদের বেশ কিছু কর্মী বহরমপুর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। রাষ্ট্রপতি পুরস্কার প্রাপ্ত শিক্ষক সমাজের কলঙ্ক বলে মন্তব্য করেন ব্লক সভাপতি। বয়স্ক শিক্ষক মানুষ। আগে সিপিএম করতেন, কিন্তু ভালোমন্দের জ্ঞান নেই তাঁর। শিক্ষক আতাউর রহমান গ্রাম ছেড়ে অন্য কোথাও চলে গেলে গ্রামে নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে হবে, এমনটাই দাবি করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Bomb: বোমা বাঁধার সময় হাতেনাতে ধরা পড়ল দুজন, কাঠগড়ায় বিক্ষুব্ধ তৃণমূল

    Bomb: বোমা বাঁধার সময় হাতেনাতে ধরা পড়ল দুজন, কাঠগড়ায় বিক্ষুব্ধ তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দলের ফতোয়াকে ফুৎকারে উড়িয়ে তৃণমূলের অফিসিয়াল প্রার্থীর বিরুদ্ধে গোঁজ দাঁড়িয়েছে। রাজ্যের সব জেলায় এটাই চেনাচিত্র। এই নির্দল প্রার্থীরাই এখন তৃণমূলের মাথাব্যাথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইতিমধ্যেই রাজ্যে ৫৬ জনকে তৃণমূলের পক্ষ থেকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। এবার বোমা (Bomb) তৈরির অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ গোষ্ঠীর লোকজনের বিরুদ্ধে। রবিবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার কাঁথি-২ ব্লকের বসন্তিয়া এলাকায়। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    এদিন বসন্তিয়ায় বাদামের জঙ্গলের ভিতরে একটি ঘরের মধ্যে বোমা (Bomb) তৈরির কাজ চলছিল। স্থানীয় লোকজন দেখে পুলিশে খবর দেন। পুলিশ এসে বোমা তৈরির সরঞ্জাম সহ দুজনকে আটক করে। বেশ কয়েকটি বোমা ও তার সরঞ্জাম পুলিশ বাজেয়াপ্ত করে। পুলিশের হাতে আটক হওয়ার আগে অভিযুক্তরা বলেন, ২০০০ টাকা পারিশ্রমিক দেওয়া হবে বলে নিয়ে এসেছিল। তৃণমূলের জন্য বোমা তৈরির কথা বলা হয়েছিল। এদিন ২০০ টাকা অগ্রিম দিয়েছিল। আমরা বোমা তৈরির কাজ করছিলাম। এরমধ্যেই পুলিশ আমাদের ধরে নিয়ে যায়।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূলের স্থানীয় নেতা তপন কুমার সামন্ত বলেন, আমাদের পঞ্চায়েত এলাকায় বেশ কয়েকটি বুথে নির্দল প্রার্থী দিয়েছে। বিরোধীরা সমর্থন করেছে। আসলে তৃণমূলে হারানো তাদের লক্ষ্য। তাই, নির্দলের লোকজন বোমা তৈরির কাজ করছিল। বিষয়টি জানতে পেরে আমরা চড়াও হই। হাতে নাতে ধরে বোমা (Bomb) তৈরির কারবারিদের পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছি। বিজেপি সহ বিরোধীদের এই কাজে মদত রয়েছে।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপির কাঁথি সাংগঠনিক জেলার সহ সভাপতি অসীম মিশ্র বলেন, তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল ব্যাপক আকার নিয়েছে। তৃণমূলকে হারাতে তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ গোষ্ঠী বোমা (Bomb) তৈরি করছে। তৃণমূল বলেই এটা সম্ভব। বিজেপি বোমাবাজির রাজনীতির পছন্দ করে না। ওরা আমাদের নামে মিথ্যা অভিযোগ করছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share