Tag: Bombay hIgh Court

Bombay hIgh Court

  • Bombay High Court: ইদ-ই-মিলাদের মিছিলে তারস্বরে মাইক! বড় পর্যবেক্ষণ বম্বে হাইকোর্টের

    Bombay High Court: ইদ-ই-মিলাদের মিছিলে তারস্বরে মাইক! বড় পর্যবেক্ষণ বম্বে হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উৎসবে মাইক বাজানো নিয়ে বুধবার বম্বে হাইকোর্ট (Bombay High Court) তাৎপর্যপূর্ণ পর্যবেক্ষণ করেছে। আদালতের মতে, ‘‘গণেশ উৎসবের (Ganesh Chaturthi) সময় তার স্বরে মাইক বাজানো যদি ক্ষতিকারক হয়, তবে ঈদ-ই-মিলাদ-উন-নবীর মিছিলের সময়ও তা সমান ক্ষতিকারক।’’ প্রধান বিচারপতি ডিকে উপাধ্যায় এবং বিচারপতি অমিত বোরকারের ডিভিশন বেঞ্চ একটি জনস্বার্থ মামলার শুনানির সময় এই মন্তব্য করেন।

    মামলাকারীদের দাবি (Bombay High Court) 

    প্রসঙ্গত, এই মামলায় ইদ-ই-মিলাদ-উন-নবীর মিছিলে ডিজে নাচ এবং লেজার শো- এর ওপর নিষেধাজ্ঞা আনার দাবি জানান মামলাকারীরা (Bombay High Court)। এর পাশাপাশি, পুলিশকে এ বিষয়ে নির্দেশ দিতেও আর্জি জানান আবেদনকারীরা। যুক্তি হিসেবে তাঁরা তুলে ধরেন যে কোরান বা হাদিস কোনও বইতেই ডিজে সিস্টেমের ব্যবহার এবং লেজার লাইট ব্যবহার করে ইদ-ই-মিলাদ-উন-নবী পালন করতে হবে এমন কথা বলা নেই।

    হাইকোর্ট (Bombay High Court) তার আগের আদেশের উল্লেখ করে

    প্রসঙ্গত, এর আগে গণেশ উৎসবের (Ganesh Chaturthi) সময় আদালত একটি নির্দেশ দিয়েছিল। বুধবার এই মামলার শুনানির সময়, আদালত সেই আদেশের কথা উল্লেখ করে। সেই আদেশে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ সাউন্ড সিস্টেম এবং লাউড স্পিকারের ব্যবহারের নিষেধাজ্ঞায় জোর দিয়েছিল। সেই নির্দেশ উল্লেখ করে হাইকোর্ট জানায়, গণেশ পুজোর মাইক ক্ষতিকারক হলে ইদ-ই-মিলাদ-উন-নবীর মিছিলের সময়ও তা সমান ক্ষতিকারক। প্রসঙ্গত, ২০০০ সালের শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ী তার স্বরে মাইক বাজানো বেআইনি।

    লেজার লাইট কী ক্ষতি করতে পারে তা মামলাকারীদেরই জানাতে হবে

    এর পাশাপাশি, লেজার লাইটের ব্যবহারে মানুষের কী কী ক্ষতি হয়, সে নিয়েও বিজ্ঞানসম্মত রিপোর্ট বোম্বে হাইকোর্টে জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ (Bombay High Court)। এদিনই বিচারপতিদের বেঞ্চ জানায়, আমরা কেউ বিশেষজ্ঞ নই, তাই লেজার লাইট কী ক্ষতি করতে পারে তা মামলাকারীদেরই জানাতে হবে। মামলা করার আগে এবিষয়ে মামলাকারীদের লেজার লাইটের ক্ষতিকারক দিকগুলি খুঁজে রাখা উচিত ছিল বলে জানিয়েছে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Supreme Court: বম্বে হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত হচ্ছেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি!

    Supreme Court: বম্বে হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত হচ্ছেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) কলেজিয়াম বম্বে হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি দীপঙ্কর দত্তকে (Dipankar Dutta) সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগের সুপারিশ করেছে। ২৬ সেপ্টেম্বর সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি উদয় উমেশ ললিতের নেতৃত্বে কলেজিয়ামের বৈঠক হয়। ওই বৈঠকেই সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হিসেবে দীপঙ্কর দত্তকে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়।

    বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত ২০০৬ সাল থেকে কলকাতা হাইকোর্টের (Kolkata High Court) বিচারপতির দায়িত্বে ছিলেন। ২০২০ সালে বম্বে হাই কোর্টের (Bombay High Court) প্রধান বিচারপতি নিযুক্ত হন তিনি। স্কুল শিক্ষা বিভাগ, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়, পশ্চিমবঙ্গ বোর্ড ইন সেকেন্ডারি এডুকেশন এবং পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশনের হয়েও একাধিক মামলা লড়েছেন দীপঙ্কর। 

    আরও পড়ুন: তৃণমূল নেতা-মন্ত্রীদের সঙ্গে পিএফআই যোগসূত্র ভাবাচ্ছে গোয়েন্দাদের

    ১৯৬৫ সালে জন্ম বিচারপতি দীপঙ্কর দত্তের। তিনি কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি সলিল কুমার দত্তের পুত্র। তাঁর শ্যালক অমিতাভ রায় সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি। কলকাতা হাইকোর্টের ওয়েবসাইট থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ১৯৮৯ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের (Calcutta University) হাজরা ল’ কলেজ থেকে এলএলবি পাশ করেন দীপঙ্কর।

    আরও পড়ুন: মনোনয়ন তুললেন থারুর-বনসল! কংগ্রেস সভাপতির দৌড়ে কারা?  

    কলকাতা হাইকোর্টে অ্যাডভোকেট হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। ২০০২ থেকে ২০০৪ পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গ সরকারের (West Bengal Government) জুনিয়র স্ট্যান্ডিং কাউন্সেল ছিলেন দীপঙ্কর। ১৯৯৬-৯৭ এবং ১৯৯৯-২০০৬ সাল পর্যন্ত হাজরা ল’ কলেজে গেস্ট লেকচারার ছিলেন তিনি। বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টে ৩৪ জন বিচারকের মধ্যে রয়েছেন ২৯ জন। এর মধ্যে রয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতিও।

    প্রসঙ্গত, ২৩ শে সেপ্টেম্বর  বিচারপতি  ইন্দিরা বন্দ্যোপাধ্যায়  অবসর গ্রহণ করেছেন। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি উদয় উমেশ ললিতের নেতৃত্বাধীন কলোজিয়ামটিতে  প্রধান বিচারপতি ছাড়াও রয়েছেন আরও পাঁচ বিচারপতি। ২৭শে আগস্ট সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই তাঁর প্রথম সুপারিশ।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • Bombay High Court: দখল হয়েছিল কিশোরীবেলায়, নবতিপর বৃদ্ধাকে ফ্ল্যাট ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ বম্বে হাইকোর্টের

    Bombay High Court: দখল হয়েছিল কিশোরীবেলায়, নবতিপর বৃদ্ধাকে ফ্ল্যাট ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ বম্বে হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ আট দশক পরে ফিরে পেতে চলেছেন হারানো অধিকার। যখন তাঁর ফ্ল্যাট দুটি দখল হয়ে যায় তখন তিনি ছিলেন বছর তেরোর কিশোরী। বর্তমানে তাঁর বয়স ৯৩। এতদিনে মিলল বিচার। আট সপ্তাহের মধ্যে দক্ষিণ মুম্বইয়ের (Mumbai) রুবি ম্যানসনের দুটি ফ্ল্যাট তার মালিক অ্যালিস ডিসুজাকে ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে বম্বে হাইকোর্ট (Bombay High Court)। আগামী আট সপ্তাহের মধ্যে মহারাষ্ট্র সরকারকে দখলদার হটিয়ে ফ্ল্যাট দুটি ডিসুজার হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

    বম্বে হাইকোর্টের (Bombay High Court) নির্দেশ…

    রুবি ম্যানসনের প্রথম তলায় রয়েছে ৫০০ ও ৬০০ বর্গফুটের দুটি ফ্ল্যাট। ২৯৪২ সালের ২৪ মার্চ ভারতের প্রতিরক্ষা আইনে ব্যক্তিগত সম্পত্তি দখলের নির্দেশ জারি করে ব্রিটিশ সরকার। সেই আইন বলে ডি-সুজার ফ্ল্যাট দুটি অধিগ্রহণ করে সরকার। ১৯৪৭ সালের ১৫ অগাস্ট স্বাধীন হয় ভারত। ফ্ল্যাটের মালিকানা ফিরে পাওয়ার লড়াই শুরু হয় ডি-সুজার। তার পর আরব সাগর দিয়ে বয়ে গিয়েছে লোনা জলের রাশি। সময় গড়িয়েছে। ফ্ল্যাটের দখল ফিরে পাননি ডিসুজা। শেষমেশ বৃহস্পতিবার বম্বে হাইকোর্টের (Bombay High Court) বিচারপতি আরডি ধানুকা এবং এমএম সাথয়ের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, ১৯৪৬ সালের জুলাই মাসে ডি-রিকুইজিশন আদেশ দেওয়া সত্ত্বেও ফ্ল্যাটগুলির মালিকানা ডিসুজাকে হস্তান্তর করা হয়নি।

    আরও পড়ুুন: ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টকে হত্যার ছক কষছে রাশিয়া?

    দুটি ফ্ল্যাটই প্রাক্তন এক সরকারি কর্মীর উত্তরাধিকারীরা দখলে রেখেছেন। আদালতে পেশ করা পিটিশনে ডিসুজা জানিয়েছেন, রিকুইজিশন আদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছিল। তবে এখনও পর্যন্ত ফ্ল্যাটের দখল সঠিক মালিকের কাছে হস্তান্তর করা হয়নি। বিল্ডিংয়ের অন্যান্য ফ্ল্যাটের দখল তাদের মালিকদের হস্তান্তর করা হয়েছে। যদিও তাঁকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়নি তাঁর ফ্ল্যাট দুটি। বৃহস্পতিবার মহারাষ্ট্র সরকারকে আদালতের (Bombay High Court) নির্দেশ, আট সপ্তাহের মধ্যে বর্তমান দখলদারদের কাছ থেকে ফ্ল্যাট দুটি নিয়ে হস্তান্তর করতে হবে মালিক ডিসুজাকে।

    তিরানব্বইয়ে তাহলে শেষ হাসি হাসলেন ডিসুজাই!

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mamata Banerjee: হতে পারে কারাদণ্ড! জাতীয় সঙ্গীত অবমাননা মামলায় মমতার আবেদন খারিজ বম্বে হাইকোর্টে

    Mamata Banerjee: হতে পারে কারাদণ্ড! জাতীয় সঙ্গীত অবমাননা মামলায় মমতার আবেদন খারিজ বম্বে হাইকোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বম্বে হাইকোর্টে (Bombay High Court) খারিজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) আবেদন। ২০২১ সালে মুম্বইয়ের এক অনুষ্ঠানে জাতীয় সঙ্গীত (National Anthem) অবমাননার অভিযোগ ওঠে তৃণমূল (TMC) নেত্রীর বিরুদ্ধে। জাতীয় সঙ্গীতের অমর্যাদা করেছেন বলে ফৌজদারি মামলা দায়ের করেছিলেন বিজেপির এক নেতা। সেই মামলা খারিজের আবেদন জানিয়েছিলেন মমতা। বুধবার তৃণমূল নেত্রীর সেই আবেদন খারিজ করে দেয় আদালত। যার জেরে কাটল না মুখ্যমন্ত্রীর অস্বস্তি।

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) বিরুদ্ধে অভিযোগ…

    একুশের ১ ডিসেম্বর মুম্বই সফরে কবি জাভেদ আখতারের আয়োজনে এক অনুষ্ঠানে শহরের বিশিষ্টজনেদের সঙ্গে মিলিত হন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওই অনুষ্ঠানের শেষে পরিবেশিত হয় জাতীয় সঙ্গীত। অভিযোগ, জাতীয় সঙ্গীত শুরুর সময় বসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। শুধু তাই নয়, জাতীয় সঙ্গীত শেষ হওয়ার আগেই সভাস্থল ছেড়েও চলে যান মমতা। এর পরেই তাঁর বিরুদ্ধে জাতীয় সঙ্গীত অবমাননার অভিযোগ ওঠে। মুম্বইয়ের আদালতে অভিযোগ দায়ের করেন বিজেপি নেতা বিবেকানন্দ গুপ্ত। সেই মামলা খারিজের দাবিতে বম্বে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন মমতা।

    আরও পড়ুুন: ‘‘১৫-২০ দিন অপেক্ষা করুন, দেখুন কী হয়’’, বাংলার বিজেপি সাংসদদের কেন বললেন শাহ?

    মুম্বইয়ের ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট এই মামলায় প্রথমে সমন পাঠায় মুখ্যমন্ত্রীকে। পরে মুম্বইয়ের এক বিশেষ আদালত সেই সমন খারিজ করে দেয়। বিশেষ আদালতের রিভিউ পিটিশন দায়ের করেছিলেন মমতা। আদালতে তাঁর আইনজীবী জানিয়েছিলেন, ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে কোনও সরকারি পদাধিকারীর বিরুদ্ধে সমন জারি করতে গেলে অনুমোদন নেওয়া বাধ্যতামূলক। এ ক্ষেত্রে সেই অনুমোদন নেওয়া হয়নি। এর পরেই খারিজ হয়ে যায় সমন। পরে সেই মামলা খারিজ করে দেওয়ার আবেদন জানানো হয় বম্বে হাইকোর্টে।

    বিচারপতি অমিত বোরকারের সিঙ্গল বেঞ্চ খারিজ করে দেয় মমতার আবেদন। তিনি বলেন, আদালতের নির্দেশে কোনও ভুল নেই। বেআইনি বিষয়ও নেই। তাই এই আবেদন গৃহীত হবে না। বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর আবেদন খারিজ হয়ে যাওয়ায় এবার মুম্বইয়ের আদালতের হাজিরা দিতে হবে পারে মমতাকে। এই মামলায় দোষী প্রমাণিত হলে তিন বছরের কারাদণ্ডেও দণ্ডিত হতে পারেন তৃণমূল নেত্রী।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bombay High Court: বিবাহিত মহিলাদের বাড়ির কাজ করতে বলা নিষ্ঠুরতা নয়, জানাল বম্বে হাইকোর্ট

    Bombay High Court: বিবাহিত মহিলাদের বাড়ির কাজ করতে বলা নিষ্ঠুরতা নয়, জানাল বম্বে হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘কোনও বিবাহিত মহিলাকে (Married Woman) যদি গৃহস্থালির কাজ (Household Work) বলা মানে, তিনি কাজের লোক (Maid) হয়ে গেলেন না। এটি কোনওভাবে নিষ্ঠুরতাও (Cruelty) নয়।’ এমনটাই জানাল বম্বে হাইকোর্ট। একটি মামলায় আজ এই পর্যবেক্ষণ করেছে বম্বে হাইকোর্টের (Bombay High Court) ঔরঙ্গাবাদ বেঞ্চ (Aurangabad Bench)। আদালত জানিয়েছে, যে বিয়ের আগে মহিলাকে উল্লেখ করে দিতে হবে যে তিনি ঘরের কাজ করতে না চাইলে করবেন না।   

    বিচারপতি বিভা কঙ্কনওয়াড়ি এবং রাজেশ পাতিলের বেঞ্চ বলে, “যদি একজন বিবাহিত মহিলাকে পরিবারের প্রয়োজনে গৃহস্থালির কাজ করতে বলা হয়, তবে তিনি দাসী হয়ে গেলেন এটা ভাবার কোনও কারণ নেই। যদি তাঁর নিজের সংসারের কাজ করার ইচ্ছা না থাকে। তাহলে বিয়ের আগেই মহিলার বলা দেওয়া উচিত যে তিনি ঘরের কাজ করতে পারবেন না। যাতে বর বিয়ের বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করার সুযোগ পান। বা বিষয়টির অন্য কোনও সমাধান খুঁজে বের করতে পারেন।”

    ভারতীয় দণ্ডবিধির (IPC) ৪৯৮ এ  অধীনে দায়ের করা একটি মামলার শুনানি চলাকালীন আদালত এই পর্যবেক্ষণ জানায়। এক মহিলা স্বামী এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে নিষ্ঠুরতার অভিযোগে মামলা দায়ের করেন। এই ধারা অনুযায়ী, যদি কোনও স্বামী বা স্বামীর আত্মীয় কোনও মহিলাকে নিষ্ঠুরতার শিকার করেন, তবে তাঁদের তিন বছর পর্যন্ত কারাবাস ও জরিমানা হবে। ৪৯৮ ধারা ছাড়াও ওই মহিলা স্বামীর বিরুদ্ধে ৩২৩ (স্বেচ্ছায় আঘাত করা), ৫০৪ (ইচ্ছাকৃত অপমান) এবং ৫০৬ (অপরাধমূলক ভয় দেখানো) ধারার অধীনে মামলা করেছেন।

    আরও পড়ুন: এটি আর্থিক তছরুপের সহজ পন্থা, ফের ডিয়ার লটারি নিয়ে সরব শুভেন্দু  

    শ্বশুর ও স্বামীর বিরুদ্ধে মহারাষ্ট্রের নান্দেড় জেলার ভাগ্যনগর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন মহিলা। তিনি অভিযোগ করেন যে, বিয়ের পর এক মাস তাঁর সঙ্গে ভালো আচরণ করা হয়েছিল। কিন্তু তারপরে শ্বশুরবাড়ির লোক তাঁর সঙ্গে দাসীর মতো আচরণ করতে শুরু করে। মহিলার আরও দাবি, বিয়ের এক মাস পরে শ্বশুরবাড়ির লোকজন এবং স্বামী গাড়ি কেনার জন্য ৪ লক্ষ টাকা দাবি করতে শুরু করেন। তাঁর বাবা সেই টাকা অসামর্থ হলে, এরপর স্বামী তাঁকে মারধর করেন এবং মানসিকভাবে নির্যাতন করেন।    

    অভিযুক্ত ব্যক্তি এবং তাঁর পরিবার আদালতকে জানিয়েছে যে, মহিলা আগেও বিবাহিত ছিলেন। তাঁর প্রথম স্বামীর বিরুদ্ধেও একই ধরনের অভিযোগ তুলেছিলেন। তাঁদের দাবি, ঘটনায় কোনও সত্যতা নেই। তাই তাঁর প্রথম স্বামীকেও  আদালত বেকসুর খালাস দিয়েছে।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Reproductive Choice: সন্তানের জন্ম দিতে স্ত্রীকে চাপ দিতে পারেন না স্বামী, যুগান্তকারী রায় বম্বে হাইকোর্টের

    Reproductive Choice: সন্তানের জন্ম দিতে স্ত্রীকে চাপ দিতে পারেন না স্বামী, যুগান্তকারী রায় বম্বে হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্তান জন্ম দেওয়ার জন্য স্ত্রীর ওপর কোনও রকম চাপ সৃষ্টি করতে পারবেন না তাঁর স্বামী। সন্তানের জন্ম দিতে চান কি না সেই সিদ্ধান্ত (Reproductive Choice) স্ত্রী নিতে পারবেন। এক মামলায় এমনই যুগান্তকারী রায় দিল বম্বে হাইকোর্ট (Bombay High Court)। 

    সম্প্রতি বম্বে হাইকোর্টে এক মামলার শুনানি চলাকালীন প্রশ্ন ওঠে, একজন নারী তাঁর স্বামীর অনুমতি ছাড়াই যদি গর্ভপাত (Reproductive Choice) করান, তাহলে হিন্দু বিবাহ আইন অনুযায়ী অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে কি না। ওই মামলায় বিচারপতি অতুল চন্দুরকর এবং উর্মিলা জোশী-ফালকের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, একজন নারীকে সন্তানের জন্ম দেওয়ার জন্যে বাধ্য করা যায় না। 

    আদালত জানিয়েছে, ওই নারীর স্বামীর আবেদন আদালতে গৃহীত হলেও জন্মদানের বিষয়ে সিদ্ধান্ত (Reproductive Choice) নেওয়ার সম্পূর্ন অধিকার রয়েছে একজন মহিলার। ভারতের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২১ অনুযায়ী বিষয়টি নারীদের ব্যক্তিস্বাধীনতার অন্তর্ভুক্ত। এর পাশাপাশি আদালত জানিয়েছেন, বিয়ের পর একজন নারী যদি কর্মক্ষেত্রে যুক্ত থাকতে চান, তা কখনোই অপরাধ বলে গণ্য হতে পারে না। পরিবার আদালত ওই মহিলার পক্ষে রায় দিলে পাল্টা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন তার স্বামী। মুম্বাই হাইকোর্টও স্বামীর আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন। 

    আরও পড়ুন: মহারাষ্ট্রে চলন্ত বাসে আগুন, মৃত ১২, আহত ৩৮ 

    পেশায় শিক্ষিকা ওই মহিলা। ৪৭ বছর বয়সী শিক্ষক স্বামী তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে গর্ভপাতের (Reproductive Choice) অভিযোগ তুলে বিচ্ছেদের আবেদন জানান। তাঁর অভিযোগ, ২০০১ সালে বিয়ের পরেও স্বামীর অমতে চাকরি করেছেন তিনি। এমনকি দ্বিতীয়বার অন্তঃসত্ত্বা হলে স্বামীকে না জানিয়েই গর্ভপাত করিয়েছেন। এর পাশাপাশি ওই ব্যক্তির দাবি, ২০০৪ সালে তাকে না জানিয়েই ছেলেকে নিয়ে বাড়ি ছেড়েছিলেন তাঁর স্ত্রী। আর ফিরে আসেননি।   
     
    স্ত্রীর আইনজীবী জানিয়েছেন, মহিলা স্বামীর কথা মেনে (Reproductive Choice) নিয়েই প্রথম সন্তানের জন্ম দিয়েছিলেন। দ্বিতীয়বার অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে অসুস্থতার জন্য গর্ভপাত করাতে বাধ্য হয়েছিলেন। বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে এলেও ২০০৪ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত তাকে ফেরানোর স্বামী কোনো চেষ্টাই করেননি বলেও অভিযোগ করেন ওই মহিলা।    

    এমনকি সন্তানের লালন পালনের জন্যে ব্যয়ভারও বহন করেননি স্বামী। মহিলার (Reproductive Choice) আইনজীবী আরও জানান, তার মক্কেলকে সন্দেহ করতেন স্বামী ও তাঁর বোন। তাই স্বামীকে ছেড়ে অন্য জায়গায় থাকতে বাধ্য হয়েছিলেন তিনি।  
     
    আদালতের বক্তব্য, একজন নারী সন্তান জন্ম দেবেন কি না, সেই সিদ্ধান্তের (Reproductive Choice) জন্য তাঁর বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ তোলা যায় না। স্ত্রীর বাড়ি ছাড়ার প্রসঙ্গে আদালতের পর্যবেক্ষণ, কোনও নারীকে সন্দেহ করা হলে তার পক্ষে শ্বশুরবাড়িতে থাকা খুবই কঠিন। এর পরেই স্বামীর অভিযোগ খারিজের পাশাপাশি বিবাহবিচ্ছেদের আবেদনও নাকচ করে দেয় আদালত। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Chief Justice of India: উত্তরসূরির নাম সুপারিশ করলেন এনভি রমানা, কে হবেন প্রধান বিচারপতি?   

    Chief Justice of India: উত্তরসূরির নাম সুপারিশ করলেন এনভি রমানা, কে হবেন প্রধান বিচারপতি?   

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাঁর উত্তরসূরি হিসেবে সরকারের কাছে বিচারপতি উদয় উমেশ ললিতের (UU Lalit) নাম সুপারিশ করলেন সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) প্রধান বিচারপতি এনভি রমানা (NV Ramana)। রমানা অবসর নেবেন চলতি মাসের ২৬ তারিখে। তাই তাঁর উত্তরসূরির নামের সুপারিশ চেয়ে চিঠি পাঠানো হয় ভারতের প্রধান বিচারপতিকে (CJI)। সেই চিঠির জবাবেই বিচারপতি ললিতের নাম সুপারিশ করেন রমানা।

    প্রথা অনুযায়ী, সুপ্রিম কোর্টের সব চেয়ে প্রবীণ বিচারপতিই বসেন প্রধান বিচারপতির চেয়ারে। সেই মতো ললিতই হলেন রমানার পরে সব চেয়ে প্রবীণ বিচারপতি। রমানার প্রস্তাব  আইনমন্ত্রী অনুমোদন করলে দেশের ৫৯তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নেবেন ললিত। তবে এই পদে তিনি থাকবেন মাত্র ৭৪ দিন। ওই পদে তাঁকে বসানো হলে অবসর গ্রহণের দিন হবে ৮ নভেম্বর। তাঁর পরে প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের ওই পদে বসার কথা।

    আরও পড়ুন : ভোটারদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি দেওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হয় অর্থনীতি, জানাল সুপ্রিম কোর্ট

    প্রসঙ্গত, বিচারপতি হিসেবে ললিতই হবেন দেশের দ্বিতীয় প্রধান বিচারপতি যিনি বার কাউন্সিল থেকে সরাসরি সুপ্রিম কোর্টের বেঞ্চে যাবেন। তাঁর আগে এভাবে প্রধান বিচারপতির পদ অলঙ্কৃত করেছিলেন বিচারপতি এসএম সিক্রি। ১৯৭১ সালের জানুয়ারি মাসে দেশের ১৩তম প্রধান বিচারপতি পদে বসেছিলেন।

    আইনজীবী হিসেবে বম্বে হাইকোর্টে প্র্যাকটিস শুরু করেন ললিত। পরে চলে আসেন দেশের শীর্ষ আদালতে। এখানেই একের পর এক সাড়া জাগানো মামলায় অংশ নেন তিনি। সিবিআইয়ের হয়ে টু-জি স্পকট্রাম মামলায় স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর হয়েছিলেন ললিত। ২০১৪ সালের ১৩ অগাস্ট সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ করা হয় ললিতকে। তাঁর বাবা বিচারপতি ইউআর ললিত ছিলেন প্রবীণ অ্যাডভোকেট এবং দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি। তাঁর উল্লেখযোগ্য রায়গুলি মধ্যে রয়েছে তিন তালাককে অসাংবিধানিক ঘোষণা। অযোধ্যার বাবরি মসজিদ মামলা থেকেও নিজেকে সরিয়ে নিয়েছিলেন তিনি। বম্বে হাইকোর্টের বিতর্কিত স্কিন টু স্কিন রায় খারিজ করে দেন ললিতের বেঞ্চ।

    আরও পড়ুন : উপাসনাস্থল আইনের বিরোধিতায় নতুন কোনও আবেদন নয়, জানাল সুপ্রিম কোর্ট

  • Bombay High Court:  মুম্বই বিমানবন্দর সংলগ্ন ৪৮টি বিল্ডিং ভেঙে ফেলার নির্দেশ বোম্বে হাই কোর্টের, জেনে নিন কী কারণ

    Bombay High Court: মুম্বই বিমানবন্দর সংলগ্ন ৪৮টি বিল্ডিং ভেঙে ফেলার নির্দেশ বোম্বে হাই কোর্টের, জেনে নিন কী কারণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বোম্বে হাই কোর্ট (Bombay High Court) এবারে এয়ারপোর্টের (Mumbai Airport) কাছে ৪৮টি বিল্ডিং এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। কোর্ট থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, এই ৪৮ টি বিল্ডিং-এর বেশ কিছু অংশ বিমান ওঠা-নামায় অসুবিধা সৃষ্টি করছে।  যে অংশগুলোর জন্যে বিল্ডিং-এর উচ্চতা বেশি হচ্ছে, সেইসব অংশগুলো ভেঙে ফেলার নির্দেশ দিয়েছে বোম্বে কোর্ট।শুক্রবার বোম্বে হাই কোর্ট মুম্বইের জেলা কালেক্টরকে বিমানবন্দরের চারপাশে ৪৮টি বিল্ডিং-এর বেশ কিছু অংশ ভেঙে ফেলার নির্দেশ দিয়েছে। বলা হয়েছে একটি নির্দিষ্ট উচ্চতার উপরে নির্মিত অংশগুলি ভেঙে ফেলতে হবে। কারণ এই বিল্ডিংগুলো মুম্বাই বিমানবন্দরের রানওয়ের অ্যাপ্রোচ সারফেসগুলিতে বাধা সৃষ্টি করছে।

    প্রধান বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত (Dipankar Datta) এবং বিচারপতি এমএস কার্নিকের (MS Karnik) নেতৃত্বে একটি ডিভিশন বেঞ্চ গঠন করা হয়েছে। যেখানে বলা হয়েছে, মুম্বইয়ের জেলা কালেক্টরকে ডিজিসিএ-এর (Director General of Civil Aviation) এই আদেশ মানতে হবে। এর পাশাপাশি এই বিল্ডিংগুলোর বেশি উচ্চতার অংশগুলো যে ভেঙে ফেলা হবে তার জন্যে ১৯ অগাস্টের মধ্যেই কোর্টের কাছে একটি হলফনামা দাখিল করতে হবে। কোর্ট আবার ২২ অগাস্ট এই বিষয়ে শুনানি করবে বলে জানিয়েছে।

    আরও পড়ুন: হত্যার হুমকি! বন্দুক কাছে রাখার আর্জি বজরঙ্গি ভাইজানের

    এছাড়াও ডিভিশন বেঞ্চ কর্তৃপক্ষকে পরামর্শ দিয়েছে যে সমস্ত বিল্ডিংগুলোকে নির্দিষ্ট উচ্চতা লঙ্ঘন করার জন্য নোটিশ জারি করা হয়েছে সেখানে বিদ্যুৎ এবং জল সরবরাহ বিচ্ছিন্ন করতে হবে। মুম্বই ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট লিমিটেড (MIAL) আদালতকে জানিয়েছে যে তারা এখন পর্যন্ত ৬১টি বিল্ডিং চিহ্নিত করেছে যা অবিলম্বে ভেঙে ফেলা যেতে পারে। কর্তৃপক্ষের মতে, এই বিল্ডিংগুলোর উচ্চতার জন্য ছাড়পত্রও নেই। ফলে বেশি উচ্চতার জন্য বিমান ওঠা-নামার সময় বাধার সৃষ্টি করে।

    কোর্ট থেকে জানানো হয়েছে, কালেক্টর আগে থেকেই এই সমস্যার ব্যাপারে জানতেন কিন্তু সময় মতো কোনও পদক্ষেপ নেয়নি ও সমস্ত দায়ভার বিএমসি-এর ওপর চাপিয়ে দেওয়া দেয় কালেক্টর। কালেক্টর জানিয়েছেন কোনও কিছু ভাঙা তাদের ক্ষমতায় নেই। একমাত্র বৃহন্মুম্বাই মিউনিসিপ্যাল ​​কর্পোরেশন (BMC) এটি করতে পারে। ফলে বিল্ডিংগুলোর বেশি উচ্চতার অংশগুলোকে ভেঙে ফেলার ঘটনাটি নিয়ে জোড় জল্পনা শুরু হয়েছে।

    মুম্বাই আরও পড়ুন: ফোন ট্যাপিং কাণ্ডে গ্রেফতার মুম্বইয়ের প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার

    প্রসঙ্গত, এই অভিযোগটি প্রথমে অ্যাডভোকেট যশবন্ত শেনয় দায়ের করেছিলেন। তিনি যুক্তি দিয়েছিলেন যে এই অংশগুলি এখানে বিমানবন্দরে টেক-অফ এবং অবতরণের সময় বিমানের জন্য বিপদ ডেকে আনতে পারে এবং কোনও দিন কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে যেতে পারে।

     

LinkedIn
Share