Tag: Bombing

Bombing

  • TMC Inner Clash: তিহাড় থেকে ফিরেছেন অনুব্রত, চরমে গোষ্ঠীকোন্দল, বোমার ঘায়ে পা উড়ল তৃণমূল কর্মীর

    TMC Inner Clash: তিহাড় থেকে ফিরেছেন অনুব্রত, চরমে গোষ্ঠীকোন্দল, বোমার ঘায়ে পা উড়ল তৃণমূল কর্মীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘদিন তিহাড় জেলে ছিলেন। গত বছরের শেষের দিকে ফিরেছেন গাঁয়ে (West Bengal)। তার পরেই তৃণমূলের কাজল শেখ গোষ্ঠীর সঙ্গে ঘাসফুল শিবিরেরই অনুব্রত মণ্ডলের অন্তর্দ্বন্দ্ব (TMC Inner Clash) চরমে ওঠে বলে অভিযোগ। তার জেরে হয় ব্যাপক বোমাবাজি। বোমাবাজির জেরে উত্তপ্ত বীরভূমের খয়রাশোল ব্লকের কাঁকরতলা থানার জামালপুর গ্রাম। স্থানীয় সূত্রে খবর, বালি বিক্রির টাকার বখরা নিয়েই তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষ হয়। বোমার ঘায়ে পা উড়ে গিয়েছে এক তৃণমূল কর্মীর। নাম শেখ সাত্তার আলি। জখম হয়েছেন আরও কয়েকজন। জানা গিয়েছে, অভিযুক্তরা তৃণমূল নেতা স্বপন সেন ও তৃণমূলের কোর কমিটির উজ্জ্বল হক কাদেরির ঘনিষ্ঠ। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে যায় কাঁকরতলা থানার পুলিশ।

    তিহাড় জেলে বন্দি ছিলেন অনুব্রত (TMC Inner Clash)

    গত প্রায় দু’বছর ধরে দিল্লির তিহাড় জেলে বন্দি ছিলেন তৃণমূল নেতা অনুব্রত। স্থানীয়দের একাংশের বক্তব্য, মমতা ঘনিষ্ট অনুব্রত যতদিন জেলে বন্দি ছিলেন, ততদিন একপ্রকার শান্তই ছিল বীরভূম। তাঁর গোষ্ঠীর লোকজন নিষ্ক্রিয় হয়েছিলেন। অনুব্রত জেলায় ফিরতেই তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল ফের প্রকাশ্যে এসেছে বলে তৃণমূলেরই একটি সূত্রের খবর।

    তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব

    বেশ কয়েক জায়গায় অনুব্রত গোষ্ঠীর লোকজনের সঙ্গে তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাধিপতি কাজল শেখের অনুগামীদের সংঘর্ষ হয়েছে। অনুব্রতর অবশ্য দাবি (TMC Inner Clash), বীরভূমে কোনও গোষ্ঠীকোন্দল নেই। তবে তৃণমূলের এই নেতা যে ঠিক বলছেন না, তা দাবি করেছেন তাঁর দলেরই একটি গোষ্ঠী। জানা গিয়েছে, উজ্জ্বল অনুব্রতের কাছের লোক। আর স্বপন, কালো শেখরা কাজল গোষ্ঠীর বলে জেলায় পরিচিত। বালির টাকার বখরা নিয়ে গত কয়েক দিন ধরেই এলাকায় উত্তেজনা ছিল। তার জেরেই সোমবার রাতভর জেলায় হয় বোমাবাজি। যার জেরে পা খোয়ান তৃণমূলের সাত্তার।

    উজ্জ্বলের অভিযোগ, তাঁকে খুনের উদ্দেশ্যেই সোমবার রাতে তৃণমূল নেতা কালো শেখের বাড়িতে জড়ো হন তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য মহিবুল শেখ-সহ বেশ কয়েকজন। তাঁর দাবি, গত কয়েক দিন ধরে ওই বাড়িতে বেআইনি অস্ত্র ও বোমা মজুত করা হচ্ছিল। যদিও কালোর অভিযোগ, সোমবার রাতে তাঁর বাড়ি লক্ষ্য করে বোমা ছুড়ছিলেন তৃণমূল নেতা উজ্জ্বলের অনুগামীরা (West Bengal)। অশান্তি এড়াতে এলাকায় টহল দিচ্ছে পুলিশ (TMC Inner Clash)।

  • Lok Sabha Election 2024: অর্জুনের আশঙ্কাই সত্যি হল! ভাটপাড়ায় বিজেপি নেতার বাড়ির সামনে বোমাবাজি

    Lok Sabha Election 2024: অর্জুনের আশঙ্কাই সত্যি হল! ভাটপাড়ায় বিজেপি নেতার বাড়ির সামনে বোমাবাজি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের (Lok Sabha Election 2024) গণনা কেন্দ্রে তৃণমূল গন্ডগোল করতে পারে, এমনই আশঙ্কা করে কমিশনে চিঠি দিয়েছিলেন বারাকপুরের বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিং। তাঁর আশঙ্কা প্রকাশ করার মধ্যে গণনার ঠিক আগেই ফের ভাটপাড়ায় বিজেপি নেতার বাড়ি সামনে বোমাবাজি করার অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Lok Sabha Election 2024)

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শান্তিপূর্ণভাবে ভোট মিটলেও ভোট (Lok Sabha Election 2024) গণনার আগেই নতুন করে অশান্তি ছড়াচ্ছে ভাটপাড়ায়। বারাকপুর সাংগঠনিক জেলার প্রাক্তন সভাপতি উমাশঙ্কর সিংয়ের বাড়ির সামনে মঙ্গলবার রাতে বোমাবাজি করার অভিযোগ উঠেছে। ভাটপাড়া পুরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের আটচালা বাগান রোড এলাকায় গভীর রাতে দুষ্কৃতীরা বোমা ছুড়ে পালিয়ে যায়। স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, “আমি দোকানে বসেছিলাম। আচমকা বোমাবাজির আওয়াজ শুনে ছুটে আসি। ঘটনাস্থলে এসে দেখি রাস্তায় ধোঁয়া হয়ে রয়েছে। বিজেপি নেতার বাড়ির সামনে বোমাবাজি করে চলে গিয়েছে।” প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগে ভয়েস মেসেজ করে অর্জুন সিংকে গুলি করে খুন করার হমকি দেওয়া হয়। এনিয়ে পুলিশ কমিশনারেটের পাশাপাশি বিজেপি প্রার্থী কমিশনে অভিযোগ জানিয়েছিলেন। এই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই এবার বোমাবাজির ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    আরও পড়ুন: “তৃণমূলের একটাই অস্ত্র, এটা হতে দেব না,” বাংলায় এসে তীব্র আক্রমণ মোদির

    বোমাবাজি করে সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করতে চাইছে তৃণমূল

    বোমাবাজির ঘটনা নিয়ে ইতিমধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে সরব হয়েছেন বারাকপুরের বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিং। তিনি বলেন, ভোট (Lok Sabha Election 2024) গণনার দিন যতই এগিয়ে আসছে ততই মানুষকে ভয় দেখাতে তৃণমূল দুষ্কৃতীরা নানান পন্থা অবলম্বন করছে। বোমাবাজির ঘটনা নিয়ে তিনি বলেন, বিজেপি নেতার বাড়ির সামনে বোমাবাজি করে এলাকায় সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করতে চাইছে তৃণমূল। আর এলাকায় সিসি ক্যামেরা রয়েছে। ফলে, কারা বোমাবাজি করেছে তা পরিষ্কার। আমি পুলিশ প্রশাসনকে বলব আপনারা অপরাধীদের দ্রুত গ্রেফতার করার ব্যবস্থা করুন, না হলে এর পাল্টা প্রতিরোধ তৈরি হলে তখন সামাল দিতে পারবেন না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: খড়গ্রামে গুলি, নবগ্রামে বোমা! মুখ্যমন্ত্রীর সভার দিন উত্তপ্ত মুর্শিদাবাদ

    Murshidabad: খড়গ্রামে গুলি, নবগ্রামে বোমা! মুখ্যমন্ত্রীর সভার দিন উত্তপ্ত মুর্শিদাবাদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জেলায় মুখ্যমন্ত্রীর (Mamata Banerjee) সভার দিনেই মুর্শিদাবাদে (Murshidabad) চলল গুলি। এদিন জেলায় সভা ছিল মুখ্যমন্ত্রীর। সভা শুরু আগে মুর্শিদাবাদের খড়গ্রামে তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীদের মধ্যে বচসা। হাতাহাতির মাঝেই গুলি চালানোর অভিযোগ। বুধবার দুপুরে দিয়ারা মল্লিকপুর গ্রামে তৃণমূল কংগ্রেসের অঞ্চল সভাপতি ও ওই গ্রামের পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যা জিতা খাতুন ও তার অনুগামীদের মধ্যে বাকবিতন্ডা শুরু হয়। হাতাহাতিতে চলাকালীন এক যুবক পিস্তল বের করে পর পর দুই রাউণ্ড গুলি চালায় বলে অভিযোগ। 

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    এই ঘটনায় কংগ্রেসের (INC) ব্লক সভাপতি অভিযোগের আঙুল তুলেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC)  অঞ্চল সভাপতি আলতামাস কবীরের বিরুদ্ধে। যদিও গুলি চলার ঘটনা অস্বীকার করে, ঘটনাকে পারিবারিক অশান্তি বলে জানিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় খড়গ্রাম থানার পুলিশ। লোকসভা নির্বাচনের আগে জেলায় মুখ্যমন্ত্রীর (CM Mamata Banerjee) সভার দিন দিবালোকে গুলি চালানোর ঘটনায় প্রশাসনের সতর্কতা প্রশ্নের মুখে। গুলি চলার ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক মাধ্যমে। যদিও ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম। 

     নবগ্রামে বোমা উদ্ধার 

    অন্যদিকে এদিন বোমা উদ্ধার হল মুর্শিদাবাদের (Murshidabad)  নবগ্রামে। বুধবার সকালে রাস্তার পাশের একটি ঝোপে ব্যাগভর্তি তাজা বোমা দেখতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁরা পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ এসে ওই এলাকা ঘিরে রাখে। বোমা উদ্ধারের জন্য খবর দেওয়া হয় বম্ব স্কোয়াডে (Bomb Squad) । জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) নবগ্রাম থানা এলাকার মুহুরুল গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত গ্রামদিঘি এলাকার রাজ্য সড়কের পাশের ঝোপে একটি প্লাস্টিকের ব্যাগ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়েরা। ব্যাগটিতে প্রচুর তাজা বোমা রাখা ছিল। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে পুলিশ। স্থানীয়দের নিরাপত্তার কথা ভেবে এলাকাটি ঘিরে ফেলা হয়েছে। বোমাগুলিকে নিষ্ক্রিয় করার জন্য খবর দেওয়া হয় বম্ব স্কোয়াডে (Bomb Squad)। মনে করা হচ্ছে ভোটে ব্যবহারের জন্য বোমা নিইয়ে আশা হয়েছিল। কিন্তু শেষ প্রাপকের কাছে পৌঁছনর আগেই তা বাজেয়াপ্ত হয়েছে। প্রসঙ্গত রাজ্য জুড়ে যে পরিমাণ বোমা উদ্ধার হচ্ছে তাতে ভোটর আবহ দক্ষিণবঙ্গে (South Bengal) পৌঁছলে অশান্তি বাড়ার ইঙ্গিত মিলেছে।

    আরও পড়ুন: রাতভর বিদ্যুৎহীন এলাকা! রাস্তাতেই রাত কাটালেন দক্ষিণ দমদমের বাসিন্দারা

    তৃণমূলকে আক্রমণ সুকান্তর

    বারবার বোমা উদ্ধারে তৃণমূলকে আক্রমণ করেছেন সুকান্ত মজুমদার। বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেছেন,”তৃণমূলের বোমা তৈরি কুটির শিল্পে পরিণত হয়েছে।” 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Ranaghat: “আমার বাড়ি লক্ষ্য করে পর পর বোমা মারল তৃণমূলের দৃষ্কৃতীরা”, বললেন বিজেপি নেতা

    Ranaghat: “আমার বাড়ি লক্ষ্য করে পর পর বোমা মারল তৃণমূলের দৃষ্কৃতীরা”, বললেন বিজেপি নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের মুখে তৃণমূলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ করল বিজেপি। এমনিতেই রানাঘাটের (Ranaghat) বিজেপির প্রার্থী জগন্নাথ সরকারের গাড়িতে হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই এবার তৃণমূলের বুথ সভাপতির বাড়ির সামনে বোমাবাজি করার ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Ranaghat)

    শুক্রবার রাতে রানাঘাট (Ranaghat) শহরের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপির ২৩৮ বুথ সভাপতি কল্যাণ কুমার ঘোষের বাড়ির সামনে বোমাবাজির করা হয় বলে অভিযোগ। নদিয়ার রানাঘাটে বিজেপি নেতার বাড়ি লক্ষ্য করে বোমাবাজির ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রাতে শহরের ভট্টাচার্য পাড়ায় নিজের বাড়িতেই স্ত্রীকে নিয়ে ছিলেন বিজেপির বুথ সভাপতি কল্যাণ কুমার ঘোষ। অভিযোগ, আচমকাই তিনি পরপর তিনটি বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পান পান। এমনকী বোমাবাজির পর তিনজনকে এলাকা ছেড়ে দৌড়ে পালিয়ে যেতে দেখেন তিনি। এই বিষয়ে বিজেপির বুথ সভাপতি কল্যাণবাবু বলেন,আমি যখন বাড়ি থেকে স্কুটি করে দলের কাজে বের হবো বলে প্রস্তুতি নিচ্ছি। সেই সময়ই বাড়ির সামনে পরপর তিনটি বোমা ছোড়া হয় আমার বাড়ি লক্ষ্য করে। বাড়ি থেকে বেরিয়েই দেখি, তিনজন দুষ্কৃতী ঘটনাস্থল থেকে দৌড়ে পালায়। তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এই হামলা চালিয়েছে। এই ঘটনায় আমরা আতঙ্কিত। বিষয়টি নিয়ে রানাঘাট থানায় অভিযোগ জানানোর পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনেও অভিযোগ দায়ের করবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। রাতে শহরে প্রতিবাদ মিছিল বের করে বিজেপি পক্ষ থেকে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। যদিও এই বোমাবাজির ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়।

    আরও পড়ুন: দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ! ভোটের মধ্যেই মুর্শিদাবাদের দুই ওসিকে সাসপেন্ড করল কমিশন

    বিজেপি প্রার্থীর গাড়ির ওপর হামলা

    প্রসঙ্গত, রানাঘাট (Ranaghat) লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী তথা  প্রাক্তন সংসদ জগন্নাথ সরকারের গাড়িতে দুষ্কৃতীরা হামলার ঘটনা ঘটে। পরে, তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার  বিরুদ্ধে ভারতীয় জনতা পার্টির পক্ষ থেকে ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক শান্তিপুর ঘোড়ালিয়া বাইপাস মুখে রাস্তা অবরোধ করা হয়। তাদের দাবি, অবিলম্বে মিথ্যে মামলাকারীদের গ্রেফতার করতে হবে। দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে সাজানো সমস্ত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করতে হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Diamond Harbour: ভোটের মুখে এবার উত্তপ্ত ডায়মন্ড হারবার, চলল গুলি, পড়ল বোমা, আহত শিশু-সহ ২

    Diamond Harbour: ভোটের মুখে এবার উত্তপ্ত ডায়মন্ড হারবার, চলল গুলি, পড়ল বোমা, আহত শিশু-সহ ২

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের মুখে উত্তপ্ত ডায়মন্ড হারবার (Diamond Harbour), পড়ল বোমা, চলল গুলি। ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রের রবীন্দ্রনগরের চার নম্বর ওয়ার্ডের গুলজার বাগ এলাকায় দুই তৃণমূল গোষ্ঠীর মধ্যে জমি দখলকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। অশান্তির মাঝেই আচমকাই বোমা পড়তে শুরু করে এলাকায়। প্রায় ২৫টি বোমা পড়ে বলে স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন। একই সঙ্গে চলে গুলিও। তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লোকসভাকেন্দ্রে এই ঘটনা ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।

    স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য

    স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গিয়েছে, “শূন্যে তিন রাউন্ড গুলি চালানো হয়। বোমার স্প্লিন্টার ছিটকে এসে একটি শিশুও আহত হয়েছে। আরও এক ব্যক্তি মারাত্মক ভাবে আহত হয়েছেন। তাঁকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।” এই ঘটনার প্রসঙ্গে স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, “গোলাব, মিনু আরও একজন ছিল। বোমা ফেলছিল তারা। এখন হুমকি দিচ্ছিল যে গোটা পাড়ার মানুষকে মেরে ফেলব তারা। আমার বাড়ির পাশেও বোমা ফেলে। একই ভাবে আমার ঘরে বৃদ্ধ মা রয়েছেন। গুন্ডারা বলছে উড়িয়ে দেব সব।”

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    এই ঘটনায় তৃণমূলের (TMC) একপক্ষের অভিযোগ, জমি দখলে বাধা দিলে অপরপক্ষের লোকজন ঝামেলা শুরু করে, তারপরেই শুরু হয় মারধর, আশান্তি। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় রবীন্দ্রনগর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশের সঙ্গে নামানো হয় র‍্যাফ। এরপর অভিযান চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে তাজা বোমা উদ্ধার করে স্থানীয় পুলিশ।

    আরও পড়ুন: ভোটের মুখে এবার উত্তপ্ত ডায়মন্ড হারবার, চলল গুলি, পড়ল বোমা, আহত শিশু-সহ ২

    আগেও বোমাবাজি হয়েছে

    উল্লেখ্য এর আগেও গত ১৮ মার্চ ওই একই জায়গায় বোমা বাজির ঘটনা ঘটেছিল। আর এবার ফের একই ঘটনায় আতঙ্কে এলাকাবাসী। তবে প্রশ্ন কিন্তু থেকেই যাচ্ছে। কেন বারবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhisekh Banerjee) গড়ে এমন বোমাবাজি অশান্তির ঘটনা ঘটছে? নাকি ভোটের মুখে এসব বোমাবাজি, গোলাগুলির ঘটনা কি ইচ্ছে করেই ঘটাচ্ছে রাজ্যের শাসক দল! সাধারণ মানুষের মনে এক প্রকার আতঙ্ক যে সৃষ্টি হয়েছে সে কথা এলাকার অনেক মানুষ মনে করছেন। যদিও গোটা ঘটনায় এখনও পর্যন্ত স্থানীয় কোনও তৃণমূল নেতৃত্বের তরফে প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: বিজেপিকে সমর্থন করায় হামলা, ব্যাপক বোমাবাজি, দুজন গুলিবিদ্ধ, অভিযুক্ত তৃণমূল

    South 24 Parganas: বিজেপিকে সমর্থন করায় হামলা, ব্যাপক বোমাবাজি, দুজন গুলিবিদ্ধ, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোটে বিজেপিকে সমর্থন করেছিল। এটাই ছিল অপরাধ। আর তারপর থেকেই লাগাতার অত্যাচার চলত দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) মন্দিরবাজার ব্লকের কৃষ্ণপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের খেলারামপুর গ্রামে। বুধবার ভোর থেকে ফের মুড়িমুড়কির মতো গ্রামে বোমাবাজি করা হয়। দুজন বিজেপি সমর্থনকারীকে লক্ষ্য করে গুলিও চালানো হয়। আহত দুই যুবকের নাম এরাদ আলি মোল্লা ও সাইরাজ মোল্লা। তাঁদের ডায়মন্ড হারবার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এলাকায় আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (South 24 Parganas)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) খেলারামপুর গ্রামের বেশ কিছু তৃণমূল সমর্থক নির্দল হয়ে যান। নির্দল দাঁড়় করালেও তাঁরা বিজেপি প্রার্থীদের সমর্থন করেন। এরপরই শুরু হয় দ্বন্দ্ব। ভোটের ফল বের হওয়ার পর থেকেই এলাকায় দফায় দফায় তৃণমূলের লোকজন হামলা চালায় বলে অভিযোগ। এর আগেও ব্যাপক বোমাবাজির ঘটনা ঘটেছে। বুধবার ভোর থেকে ফের শুরু হয় বোমাবাজি। খেলারামপুর গ্রামে বিজেপি সমর্থনকারীদের বাড়ি লক্ষ্য করে বোমাবাজি করার অভিযোগ ওঠে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। এক বিজেপি সমর্থনকারী বলেন, পঞ্চায়েত ভোটে আমরা বিজেপিকে সমর্থন করেছিলাম। ওরা এখন আমাদের দলে টানার চেষ্টা করছে। আমরা রাজি নই বলেই এই হামলা। আমাদের একজনকে গুলি করা হয়েছে।

    গ্রামে বোমাবাজি নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    যুব তৃণমূলের মন্দিরবাজার ব্লকের সভাপতি রিঙ্কু ঘোষ বলেন, তৃণমূলের যুব নেতা পারিবারিক ঘটনা থেকে এই ঘটনা ঘটেছে। এরসঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই। তৃণমূলের নাম মিথ্যাভাবে জড়ানো হচ্ছে। এই গন্ডগোলের সঙ্গে বিজেপি জড়িত রয়েছে। বিজেপি নেতা রণজিৎ হালদার বলেন, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এসব করেছে। এসব মেনে নেওয়া যায় না। পুলিশ প্রশাসনের নজরদারির অভাবের কারণে এই ঘটনা ঘটেছে। আমরা দোষীদের শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Memari: দলীয় মিছিলে হামলা চালাল তৃণমূলের লোকজন, মেমারিতে দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে

    Memari: দলীয় মিছিলে হামলা চালাল তৃণমূলের লোকজন, মেমারিতে দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোটের আগে থেকেই পূর্ব বর্ধমানের মেমারি (Memari) ব্লকে তৃণমূলের কোন্দল মাথাচাড়া দিয়েছে। যতদিন যাচ্ছে এই এলাকায় তৃণমূলের কোন্দল তত প্রকট হচ্ছে। মেমারি ২ ব্লকের একটি বড় অংশ মন্তেশ্বর বিধানসভার মধ্যে পড়ে। সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী মন্তেশ্বরের বিধায়ক হওয়ার পরে স্থানীয় তৃণমূলে আলাদা গোষ্ঠী তৈরি হয় বলে অভিযোগ। প্রাক্তন ব্লক সভাপতি মহম্মদ ইসমাইল শেখ ও তাঁর অনুগামী বলে পরিচিতরা পঞ্চায়েত ভোটে টিকিট পাননি। একতরফাভাবে সিদ্দিকুল্লার ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত দলের ব্লক সভাপতি হরিসাধন ঘোষের লোকজন টিকিট পেলেও, বার বার দ্বন্দ্বের ঘটনা ঘটছে। বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন মুখ উঠছে জেলা তৃণমূলের মধ্যেও।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Memari)

    শুক্র ও শনিবার রাতে মেমারি (Memari)-২ ব্লকের বোহার ১ পঞ্চায়েতের বিটরা গ্রামে পরস্পরের বিরুদ্ধে গোলমাল পাকানোর অভিযোগ তুলেছে তৃণমূলের দু’টি পক্ষ। গত দেড় মাসের মধ্যে এই ব্লকে শাসক দলের দ্বন্দ্বের ঘটনা বার তিনেক প্রকাশ্যে এসেছে। এ নিয়ে দলীয় নেতৃত্বও বিড়ম্বনায় পড়ছেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ময়না হালদার টুডুর অনুগামী বলে পরিচিত অঞ্চল তৃণমূল সভাপতি অনাথবন্ধু রায়ের নেতৃত্বে বিটরা গ্রামে শুক্রবার রাতে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে একটি মিছিল হয়। অভিযোগ, সেই মিছিলে ওই পঞ্চায়েতের উপপ্রধান জিন্নাত আলির অনুগামীরা হামলা চালান। মারধরে তিন জন জখম হন। অভিযোগ, পাল্টা আক্রমণও করা হয়। শনিবার থানায় অভিযোগ করে দু’পক্ষ। এর পরে আবার জিন্নাতদের অভিযোগ, শনিবার রাতে অনাথবন্ধুর লোকজন গ্রামে ‘বোমাবাজি’ করে।

    তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর নেতারা কী সাফাই দিলেন?

    ময়নার অভিযোগ, শুক্রবার রাতে ওই গ্রামে অনাথবন্ধুর নেতৃত্বে মোটরবাইক মিছিল হচ্ছিল। তখন আমাদের দলেরই কয়েক জন হামলা চালায়। তাতে অনাথবন্ধু-সহ তিন জন জখম হন। রাহুল শেখ নামে এক জনকে রাস্তায় মারধর করা হয়েছে। উপপ্রধান জিন্নাতের পাল্টা অভিযোগ, ওরা এলাকায় সন্ত্রাস তৈরি করছে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে হুমকি দিচ্ছে। তোলাবাজি করছে। মানুষ প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে। দলের কেউ জড়িত নয়।

    ব্লক তৃণমূল নেতৃত্ব কী বললেন?

    মেমারি (Memari) -২ ব্লক সভাপতি হরিসাধন ঘোষ বলেন, সমন্বয়ের অভাব হচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। ঠিক কী কারণে এই গোলমাল, তা জানার জন্য বৈঠক করার কথা চলছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Shantipur: বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্যর বাড়ির বিছানায় ফেলা হল বোমা, জখম ৩, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Shantipur: বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্যর বাড়ির বিছানায় ফেলা হল বোমা, জখম ৩, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্যর বাড়িতে আবারও বোমাবাজির ঘটনায় উত্তপ্ত নদিয়ার শান্তিপুর (Shantipur)। ঘুমন্ত অবস্থায় বিছানার মধ্যে বোমা মারার অভিযোগ ওঠে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার শান্তিপুর বেলঘড়িয়া-২ নম্বর পঞ্চায়েতের গবার চর মাঝেরপাড়া এলাকায়। ঘটনায় বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্যর নাবালক ভাইপো সহ তিনজন জখম হন। যদিও এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। ঘটনাস্থলে শান্তিপুর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Shantipur)  

    নদিয়ার শান্তিপুর (Shantipur) বেলঘড়িয়া-২ নম্বর পঞ্চায়েতে বিজেপির হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন গৌরাঙ্গ বিশ্বাস নামে এক দলীয় কর্মী। ভোটে জয়যুক্ত হন তিনি। তারপর থেকেই একাধিকবার গৌরাঙ্গ বিশ্বাস সহ অন্যান্য বিজেপি কর্মীদের বাড়িতে হামলা ও বোমাবাজির ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, সোমবার গভীর রাতে গৌরাঙ্গ বিশ্বাসের পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা বারান্দাতেই বিছানা করে ঘুমাচ্ছিলেন। তখনই একদল দুষ্কৃতী তাদের বাড়ি লক্ষ্য করে বোমাবাজি করে। যদিও একটি বোমা বিছানার উপরে পড়তেই গৌরাঙ্গবাবুর এক নাবালক ভাইপো, ভাই এবং ভাইয়ের স্ত্রী জখম হন। এছাড়াও বারান্দার পাশের একটি টিনের দরজা ভেঙেচুরে যায়। এরপরে আতঙ্কে রাতের ঘুম উড়ে যায় এলাকার লোকজনের।

    কী বললেন বিজেপির জয়ী সদস্য?

    বিজেপির জয়ী সদস্য গৌরাঙ্গ বিশ্বাস বলেন, নির্বাচনের আগে থেকেই তৃণমূল এসব করছে। এলাকায় সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করতে ওরা ফের আমার বাড়িতে বোমাবাজি করে। দলীয় নেতৃত্বকে জানিয়েছি। পুলিশে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। আমাদের দাবি, অবিলম্বে অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    বিজেপির তোলা অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করে শান্তিপুরের (Shantipur) বেলঘড়িয়া অঞ্চলের তৃণমূল নেতা রবীন্দ্রনাথ রায় বলেন, বিজেপি সম্পূর্ণ মিথ্যা অভিযোগ করছে। আমরা বিগত বেশ কয়েক বছর ধরে তৃণমূল করি। কিন্তু এলাকায় যাতে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় থাকে, সেই চেষ্টা করি সব সময়। বোমাবাজির ঘটনা আমরা কিছুই জানি না। বিজেপি মিথ্যে অভিযোগ করে তৃণমূলের নামে বদনাম করার চেষ্টা করছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Board: প্রধান হয়েছেন শাশুড়ি, তৃণমূলের বিপক্ষ গোষ্ঠী তাণ্ডব চালালো জামাইয়ের বাড়িতে!

    Panchayat Board: প্রধান হয়েছেন শাশুড়ি, তৃণমূলের বিপক্ষ গোষ্ঠী তাণ্ডব চালালো জামাইয়ের বাড়িতে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েতের বোর্ড (Panchayat Board) গঠন হওয়ার পরেই নবনির্বাচিত প্রধানের জামাইয়ের বাড়িতে বোমাবাজির ঘটনায় আতঙ্কে গোটা এলাকা। পরিবারের অভিযোগ, তৃণমূলেরই অন্য এক গোষ্ঠী এই বোমাবাজির সঙ্গে জড়িত। ঘটনাটি শান্তিপুর ব্লকের বেলঘড়ি ১ নম্বর পঞ্চায়েতের ফুলিয়ার ফুলিয়া পাড়ার। নবনির্বাচিত প্রধানের জামাই মিঠুন বসাকের অভিযোগ, গতকাল ওই পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠন হওয়ার পরে তাঁর শাশুড়ি বাসন্তী বসাক প্রধান নির্বাচিত হন। এর পরেই তাঁরা প্রত্যেকে বাড়ি চলে আসেন। অভিযোগ, গতকাল গভীর রাতে হঠাৎই তাঁদের বাড়ি লক্ষ্য করে ইট ছেড়ে দুষ্কৃতীরা। এর পরে তারা বাড়িতে ঢুকে তাণ্ডব চালায়। পরিবারের লোকজন বাইরে বেরিয়ে আসতেই ঘটনাস্থল ছেড়ে পালিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। যদিও বেশ কয়েক ঘণ্টা বাদে বাড়ি লক্ষ্য করে শুরু হয় বোমাবাজি। সেখানেই শেষ নয়, পরপর দু থেকে তিনবার বাড়িতে বোমা মারার অভিযোগ ওঠে। বিকট শব্দে আবার বাইরে বেরিয়ে আসেন পরিবারের লোকজন। দেখেন, বোমা বিস্ফোরণ অবস্থায় পড়ে রয়েছে।

    আতঙ্কে ঘুম নেই পরিবারের

    এর পরে শুরু হয় ব্যাপক আতঙ্ক। সারা রাত ঘুম নেই পরিবারের। গোটা এলাকায় আতঙ্কে সৃষ্টি হয়। খবর পেতেই ঘটনাস্থলে যায় শান্তিপুর থানার পুলিশ, তদন্ত শুরু করে। নবনির্বাচিত প্রধানের জামাই মিঠুন বসাকের এও অভিযোগ, তাঁর শাশুড়ি প্রধান (Panchayat Board) নির্বাচিত হলেও তাঁরা কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত নন। কিন্তু তাঁদের বাড়িতে কেন এভাবে হামলা চালানো হল, পুলিশ এর পূর্ণ তদন্ত করে দোষীদের শাস্তির ব্যবস্থা করুক। না হলে আগামী দিনে আরও বড় ঘটনা ঘটে যেতে পারে, আমরা নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছি।

    মুর্শিদাবাদে জোট প্রার্থীর স্বামীকে কোপানোর অভিযোগ

    ঘটনার যেন শেষ নেই। পঞ্চায়েতে বোর্ড (Panchayat Board) গঠন হওয়ার পরে বাড়ি ফেরার সময় জোটের প্রার্থীর স্বামী সহ জোটের এক কর্মীকে রাস্তায় ফেলে ধারালো অস্ত্র  দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীর বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে, মুর্শিদাবাদে রানিনগর থানার বেণীপুর শিমুলতলা এলাকায়। জানা যায়, রানিনগর ২ নম্বর ব্লকের মালি বাড়ি দুই নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের মোট পঞ্চায়েত সদস্য ১৭ জন। তার মধ্যে ১০টিতে জয়ী হয় তৃণমূল। সাতটি আসনে জয়ী হয় বাম-কংগ্রেস জোট। ১০ জন নিয়ে পঞ্চায়েত বোর্ড গঠন করে তৃণমূল কংগ্রেস। বোর্ড গঠন শেষে জোটের প্রার্থীরা বাড়ি ফেরার সময় এক মহিলা প্রার্থীর স্বামী সহ আরও এক জোটের কর্মীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপানো হয়। এই ঘটনায় দুজন গুরুতর আহত হলে স্থানীয়রা উদ্ধার করে রানিনগর গোধনপাড়া গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করেন চিকিৎসকরা। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। যদিও কংগ্রেসের তোলা অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছে ব্লক তৃণমূল নেতৃত্ব। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় রাজনগর থানার পুলিশ। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে তারা। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: এবার তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে বোমাবাজি, আতঙ্কে মহিলারা, কাঠগড়ায় সিপিএম

    Murshidabad: এবার তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে বোমাবাজি, আতঙ্কে মহিলারা, কাঠগড়ায় সিপিএম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদের ধুলাউড়ি (Murshidabad) অঞ্চলের যুব তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতির বাড়িতে বোমা বিস্ফোরণ ঘটানোর অভিযোগ উঠল সিপিএমের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার রাত ১০ টার দিকে তুলসীপুর গ্রামে ধুলাউড়ি অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের যুব সভাপতি আঞ্জারুলের বাড়িতে বোমা বিস্ফোরণ হয় বলে জানা গেছে। পরপর তিনটি বোমা বিস্ফোরণ হয়। বাড়ির লোকজন ঘটনায় ভীষণ আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন।

    কীভাবে বোমা বিস্ফোরণ হল (Murshidabad)?

    তৃণমূল কংগ্রেসের সমর্থক হওয়ায়, তাঁর বাড়ি (Murshidabad) লক্ষ্য করে বোমা মারে দুষ্কৃতীরা। এরপর সেই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আঞ্জারুল, সিপিএমের দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ সরজমিনে গিয়ে তদন্ত শুরু করে দেখে, কে বা কারা এই বোমা বিস্ফোরণের পিছনে রয়েছে। যদিও ওই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সিপিএম নেতৃত্ব। তাঁদের দাবি, ভোটের দিন থেকেই  তৃণমূল কংগ্রেসের অত্যাচারে সিপিএম কর্মীরা এলাকাছাড়া রয়েছেন। সিপিএম কর্মীদের নামে মিথ্যে অভিযোগ দেওয়া হচ্ছে।

    আক্রান্ত পরিবারের বক্তব্য

    তৃণমূল নেতা আঞ্জারুলের মা মঞ্জুরা বিবি বলেন, ভোটের দিন থেকেই আমাদের উপর অত্যাচার চলছে। গতকাল রাতে পরপর তিনটি বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে সিপিএমের দুষ্কৃতীরা। আমার ছেলে আঞ্জারুল, রানা প্রত্যেকেই ঘরছাড়া সিপিএমের দুষ্কৃতীদের তাণ্ডবে। ভোটের দিনেই বাড়িতে ঢুকে মারামারি করে ছেলেদের সঙ্গে। প্রাণের ভয়ে ছেলেরা বাড়িতে ঢুকতে পারছে না। গতকাল রাতে ১০ টার পর আমি এবং আমার বৌমা বাড়িতে (Murshidabad) ছিলাম। রাতের খাবার খেয়ে নমাজ পড়ার পর হঠাৎ দেখি ঘর ধোঁয়ায় ভরে গেছে। এরপর বাইরে বেরিয়ে দেখি বোমা বিস্ফোরণ করেছে দুষ্কৃতীরা। যারা করেছে তাদের চিনি না। তবে সকলেই সিপিএম করে। আমরা দুই মহিলা আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছি। পুলিশে খবর দিলে পুলিশ আসে এবং এসে উল্টে আমদের বিরুদ্ধেই বোমা মারার অভিযোগ করে। অত্যন্ত অসহায় বোধ করছি!

    সিপিএমের বক্তব্য

    সিপিএমের ডোমকল (Murshidabad) লোকাল কমিটির সম্পাদক মস্তাফিজুর রহমান বলেন, সিপিএমের কর্মীরা এলাকায় তৃণমূলের অত্যাচারে ঘর ছাড়া। তৃণমূলের এই অভিযোগ মিথ্যা ভিত্তিহীন। তিনি আরও বলেন, তৃণমূলের কর্মীরা নিজেরাই বিস্ফোরণ ঘটিয়ে সিপিএমের বিরুদ্ধে মিথ্যা কেস দেওয়ার পরিকল্পনা করছেন।    

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share