Tag: book

book

  • Asansol: প্রেমিকাকে লেখা ৩২৭ ফুটের চিঠি ‘ভ্যালেন্টাইনস ডে’-তে সংরক্ষণের দাবি জানালেন প্রেমিক

    Asansol: প্রেমিকাকে লেখা ৩২৭ ফুটের চিঠি ‘ভ্যালেন্টাইনস ডে’-তে সংরক্ষণের দাবি জানালেন প্রেমিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৩২৭ ফুট চিঠি লিখে তাক লাগিয়েছেন আসানসোলের (Asansol) প্রেমিক অনুপম ঘোষাল। মনের কষ্ট তিনি ফুটিয়ে তুলেছিলেন তাঁর লেখনীর মধ্যে দিয়ে। তাঁর সেই চিঠি এখন আলোচ্য বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশ্ব প্রেম দিবসে সেই চিঠি নিয়েই তাঁর উৎকন্ঠা। বিশ্বের এই দীর্ঘতম চিঠি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ইঁদুরে ছিঁড়ে ফেলছে সেই চিঠি। তাই সংরক্ষণের দাবি তুলেছেন তিনি।

    ৩২৭ ফুট চিঠি নিয়ে বই লেখা হয়েছে (Asansol)

    আসানসোলের (Asansol) বার্নপুর রোডের বাসিন্দা অনুপম ঘোষাল। এক সময় সাংবাদিকতা করেছেন। বর্তমানে শারীরিক অসুস্থতার কারণে কিছুই করতে পারেন না। ২০০০ সালে অনুপমবাবুর প্রেমিকা তাঁকে ছেড়ে চলে যান। আর তখনই সেই প্রেমিকাকে ভুলতে চিঠি লিখতে শুরু করেন। সেটাকে তাঁর জীবনের সুইসাইড নোট বলেছেন তিনি। কিন্তু চিঠি লিখতে লিখতে এত বড় হয়ে যায় যে সেটা ক্রমেই একটি সাহিত্যে পরিণত হয়। ৩২৭ ফুট চিঠির দৌলতে রাতারাতি প্রচারের আলোয় চলে আসেন তিনি। তাঁকে নিয়ে এক সময় রীতিমতো চর্চা হয়েছে। বর্তমানে কলকাতার দুটি বড় পাবলিশার এই চিঠিকে প্রকাশ করেছে বই হিসেবে। সেই বই বইমেলাতে বিক্রিও হয়েছে।

    কী বললেন চিঠির লেখক?

    অনুপমবাবু বলেন, মনের জ্বালা থেকে চিঠি লিখেছিলাম। এখন সেই চিঠি আমাকে চর্চায় নিয়ে এসেছে। আমার এই চিঠি দিয়ে বই লেখা হবে, তা আমি ভাবতে পারিনি। তবে, আমার আক্ষেপ মূল চিঠিটি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে দিনে দিনে। এতবড় চিঠি সংরক্ষণ করে রাখা আমার পক্ষেও সম্ভব নয়। তাই আমি চাইছি, সরকার যদি উদ্যোগী হয়ে এই চিঠি সংরক্ষণের ব্যবস্থা করে তাহলে আমার এই সৃষ্টি বেঁচে থাকতে পারে। পাশাপাশি বর্তমান যুগের প্রেমিক-প্রেমিকাদের প্রতি আমার আর্তি, প্রেম আসবে যাবে। হয়তো প্রেম হারিয়ে যেতে পারে, কিন্তু কোনও অবস্থাতেই তার থেকে খারাপ কিছু নয়, বরং সৃষ্টিশীল কিছু করে রাখো, যেটা পৃথিবীতে ইতিহাস হয়ে থাকবে। আমার জীবনে আমি সেই শিক্ষাই পেয়েছি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Guiness World Records: মাত্র চার বছর বয়সেই বই প্রকাশ করে কব্জায় গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড

    Guiness World Records: মাত্র চার বছর বয়সেই বই প্রকাশ করে কব্জায় গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জীবনে কিছু অর্জন করতে হলে বয়স যে কোনও বাধাই নয়, তা প্রমাণ করে দিল একটি ফুটফুটে বাচ্চা। বয়স মাত্র ৪ বছর ২১৮ দিন। কিন্তু এরই মধ্যে একটি আস্ত বই প্রকাশ হওয়ার পর তার হাজার কপি বিক্রিও হয়ে গিয়েছে। আর এমন দুর্লভ গুণের জন্যই সে অর্জন করেছে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড-এর মতো দুর্লভ সম্মান।
    আবু ধাবির শহিদ রাশিদ আল মেহেরি সব থেকে কম বয়সে বই প্রকাশ করার মতো দুর্লভ কৃতিত্ব অর্জন করেছে। পুরুষদের বিভাগে তাই তার দখলে চলে এসেছে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড। 
    হাতি এবং ভল্লুকের বন্ধুত্ব হওয়া নিয়ে লেখা ওই বই ইতিমধ্যেই আরব দুনিয়ায় সাড়া ফেলে দিয়েছে।
    শুধু এই বাচ্চাটিই নয়, অসম্ভব গুণের অধিকারী তার আট বছরের বড় বোন। যাবতীয় উৎসাহ সে পেয়েছে তারই ওই বোনের কাছ থেকে। বাইলিংগুয়াল বই প্রকাশ করে ইতিমধ্যেই সে একই ধরনের রেকর্ডের অধিকারী। এই বয়সে সে রীতিমতো একটি পাবলিশিং হাউসও চালায়। এক সাক্ষাৎকারে আবু শহিদ জানিয়েছে, সে তার বোনের সঙ্গে একসঙ্গে পড়াশোনা করে, লেখে, আঁকে এবং না জানি আরও কত কীই করে। এই বই লেখার পিছনে মূল অনুপ্রেরণা তার এই বোনই। বোনকে দেখেই তার মনে হয়েছিল, সেও কিছু করে দেখাতে পারে।

    তার লেখা বইয়ের মূল বিষয়বস্তুটা ঠিক কী ? 

    গল্পটা মূলত একটি ভল্লুক আর একটি হাতিকে নিয়ে। একটি হাতি ভল্লুককে দেখে ভেবেছিল সে বোধহয় তাকে খেয়ে নেবে। কিন্তু পরিশেষে দেখা গেল আদৌ তা হল না। দুজনের মধ্যে গড়ে উঠল নিবিড় বন্ধুত্ব।

    কী বলছে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড কর্তৃপক্ষ ? 

    গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড সূত্রে জানা গিয়েছে, তার এই সৃষ্টি রেকর্ড গড়ল কি না, তা পরীক্ষা করে দেখা হয় ২০২৩ সালের ৯ই মার্চ। যদিও তখন সেই বইটির হাজার কপি বিক্রি হয়ে গিয়েছে। দুটি পশুর মধ্যে অভাবনীয় বন্ধুত্ব অসাধারণ মনে হয়েছে পাঠককূলেরও।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share