Tag: booster dose

booster dose

  • Covishield: কোভিড টিকা কোভিশিল্ডে বিপদ! বিরল রোগের সম্ভাবনা রয়েছে কতটা?

    Covishield: কোভিড টিকা কোভিশিল্ডে বিপদ! বিরল রোগের সম্ভাবনা রয়েছে কতটা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২০-২১ এর মহামারীর সেই দিনগুলোর স্মৃতি এখনও দগদগে। করোনা ভাইরাসের হাত থেকে তখন কোভ্যাকসিন-কোভিশিল্ডের (Covishield) মতো টিকাগুলোই হাজার হাজার মানুষের প্রাণ রক্ষা করেছিল। কিন্তু এবার সেই করোনার টিকা কোভিশিল্ড নিয়ে বড়সড় তথ্য ফাঁস হল। আদালতে পেশ করা নথি বলছে বিরল ঘটনা হলেও কোভিশিল্ড টিকার (covishield vaccine) পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় টিটিএস বা ‘থ্রম্বোসিস উইথ থ্রম্বোসাইটোপেনিয়া সিনড্রোম’ -এর মতো বিরল রোগ। কোভিশিল্ডের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় (Covishield) কি হতে পারে মৃত্যু? এই নিয়ে প্রশ্নের দানা বেঁধেছে।

    আইনি মামলা দায়ের (Covishield)

    বিরল এই রোগে শারীরিক ক্ষতির পাশাপাশি মৃত্যু হয়েছে বলে সম্প্রতি একটি আইনি মামলা করা হয়েছে কোভিশিল্ড টিকা (Covishield Side Effect) প্রস্তুতকারীদের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে বেশ কয়েকটি পরিবার আদালতে অভিযোগ করেছে যে, কোভিশিল্ড টিকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া (Side Effect) মারাত্মক ক্ষতিকারক প্রভাব ফেলেছে।

    গত ফেব্রুয়ারি মাসে আদালতে জমা দেওয়া একটি নথিতে অ্যাস্ট্রাজেনেকা সংস্থা জানায়, তাদের তৈরি করা প্রতিষেধকের কারণে বিরল রোগ থ্রম্বোসিস উইথ থ্রম্বোসাইটোপেনিয়া সিনড্রোমে (TTS)-এ আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। এই রোগে আক্রান্ত হলে রক্তে অণুচক্রিকার পরিমাণ কমে যায় এবং রক্ত জমাট বাঁধতে শুরু করে।

    আরও পড়ুনঃ প্রয়াত হলেন সারদা মঠ ও রামকৃষ্ণ-সারদা মিশনের অধ্যক্ষা আনন্দপ্রাণা মাতাজি

    রোগের লক্ষণ

    এই বিরল রোগে শরীরের নানা জায়গায় রক্ত জমাট বেঁধে (Blood Clots) কমে যেতে পারে রক্তে প্লেটলেটসের মাত্রা। রক্তে প্লেটলেটসের মাত্রা কমে এলে তা শরীরের পক্ষে বিপজ্জনক হতে পারে। ফলে  মাথায় অসহ্য যন্ত্রণা, পেটে যন্ত্রণা, পা ফুলে যাওয়া, শ্বাসকষ্ট,  জ্ঞান হারানোর মত সমস্যা দেখা দিতে পারে।

    মূলত যাঁরা ভ্যাক্সজেভরিয়া বা অ্যাস্ট্রেজেনেকার কোভিশিল্ড টিকা নিয়েছেন বা জনসন অ্যান্ড জনসন/জ্যানসেন-এর কোভিড টিকা নিয়েছেন, তাঁদেরই এই ধরনের রোগের ঝুঁকি আছে। তাই উপরিউক্ত কোনোরকম সমস্যা হলে তৎক্ষণাৎ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

    প্রসঙ্গত, করোনা পর্বের ভারতে কোভিশিল্ড সর্বাধিক জনপ্রিয় হয়েছিল। ঘরে ঘরে মানুষ এই টিকার দুটি আবার কেউ কেউ তো তিনটি অর্থাৎ বুস্টার ডোজও (Booster dose) গ্রহণ করেছেন। সে ক্ষেত্রে এতদিন পর কোভিশিল্ড টিকা (Covishield) সম্পর্কিত এই ভয়ংকর তথ্য প্রকাশ্যে আসতে আতঙ্কিত হচ্ছেন সকলেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Covid 19: কেন্দ্রের পাঠানো করোনার বুস্টার ডোজ স্টোরে থেকে নষ্ট হয়েছে, বাড়তি উদ্বেগ রাজ্যে! 

    Covid 19: কেন্দ্রের পাঠানো করোনার বুস্টার ডোজ স্টোরে থেকে নষ্ট হয়েছে, বাড়তি উদ্বেগ রাজ্যে! 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের স্টোররুমে থেকে নষ্ট হয়েছে করোনা (Covid 19) টিকার ৫০ হাজার ডোজ। কিন্তু এখন করোনার সংক্রমণ বাড়তেই টিকাকরণে হিমশিম খাচ্ছে রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর। আর সময়মতো বুস্টার ডোজ না মেলায় বাড়তি উদ্বেগ তৈরি করছে করোনার নতুন প্রজাতি। রাজ্যের সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে করোনার টিকার ভান্ডার প্রায় শূন্য। তাই বিশেষজ্ঞ মহল করোনার নতুন প্রজাতির মোকাবিলা নিয়ে যথেষ্ট উদ্বিগ্ন। 

    করোনার নতুন প্রজাতির প্রকোপ কীভাবপ বাড়ছে রাজ্যে?

    স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্যে করোনার (Covid 19) নতুন প্রজাতির প্রকোপ বাড়ছে। করোনার পজিটিভিটি রেট ১৮ শতাংশ ছাড়িয়েছে। বিশেষত কলকাতা, উত্তর চব্বিশ পরগনা, হাওড়া, হুগলির মতো জেলাগুলির সংক্রমণের হার চিন্তা বাড়াচ্ছে। কিন্তু পরিস্থিতি মোকাবিলার মূল হাতিয়ার যে করোনা টিকা, তা আপাতত পর্যাপ্ত নেই রাজ্যের কাছে। স্বাস্থ্য দফতরের একাংশ জানাচ্ছে, সময়মতো বুস্টার ডোজ দিতে না পারায় এই পরিস্থিতি। করোনার বুস্টার ডোজ নেওয়ার জন্য কোনওরকম উদ্যোগ স্বাস্থ্য দফতরের তরফে নেওয়া হয়নি। যার ফলে দীর্ঘদিন রাজ্যের বিভিন্ন সেন্টারে কোভিশিল্ড ও কোভ্যাকসিন পড়ে ছিল। 

    কীভাবে নষ্ট হল করোনার টিকা?

    স্বাস্থ্য দফতরের এক আধিকারিক জানান, রাজ্যের ভান্ডারে কয়েক লাখ করোনা (Covid 19) টিকা ছিল। কিন্তু সেগুলি ব্যবহার করা হয়নি। ফলে ৩১ মার্চের মধ্যে সেই টিকা নষ্ট হয়ে যেত। একদিকে যেমন এত টিকা নষ্ট হলে বিশাল পরিমাণ আর্থিক ক্ষতি হত, তেমনি বহু মানুষ স্বাস্থ্য পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হতেন। তাই দিল্লির তরফে জানানো হয়, টিকা অন্য রাজ্যে পাঠানো হোক। রাজ্য ব্যবহার করতে না পারায়, কয়েক মাস আগে ১০ লাখ কোভিশিল্ড পাটনায় পাঠানো হয়েছে। আর আড়াই লাখ কোভিশিল্ড গিয়েছে হায়দরাবাদ। কিন্তু তারপরেও ৫০ হাজার টিকার ডোজ রাজ্যের স্টোররুমে পড়ে থেকে নষ্ট হয়েছে। 

    টিকা দেওয়ার তৎপরতাই নেই

    করোনার (Covid 19) নতুন প্রজাতি শক্তিশালী হওয়ার ইঙ্গিত পাওয়ার পরেও রাজ্যের তরফে টিকা দেওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ তৎপরতা নজরে আসেনি বলেই অভিযোগ করছে একাংশ। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, জানুয়ারি মাস থেকেই রাজ্যে করোনা টিকাকরণের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। ফেব্রুয়ারি মাস থেকে গোটা রাজ্যে দৈনিক করোনা বুস্টার নেওয়ার সংখ্যা হয়ে দাঁড়িয়েছিল মাত্র ২০০-২৫০ জন। অধিকাংশ সরকারি হাসপাতালে আপাতত করোনা টিকার ভান্ডার প্রায় খালি। বেসরকারি হাসপাতালগুলিতেও যে সংখ্যক ডোজ রয়েছে, তা চলতি সপ্তাহেই শেষ হয়ে যাবে বলে আশঙ্কা করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। বিশেষজ্ঞেরা জানাচ্ছেন, ঠিক সময়ে টিকাকরণ কর্মসূচি চললে এবং প্রয়োজনীয় টিকা পাওয়ার জন্য আবেদন করলে পরিস্থিতি মোকাবিলা সহজ হতে পারত। 

    কী জানালেন স্বাস্থ্য অধিকর্তা?

    যদিও রাজ্যের স্বাস্থ্য অধিকর্তা সিদ্ধার্থ নিয়োগী জানান, কেন্দ্রের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। টিকা পাঠানোর আবেদনও করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞ মহল অবশ্য মনে করছে, রাজ্যের টিকাকরণের বিষয়ে আরও বেশি তৎপরতা জরুরি ছিল। করোনার মতো মহামারি রুখতে টিকা নেওয়ার জন্য লাগাতার প্রচার জরুরি। জনস্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতনতার অভাব রয়েছে, এ তো স্পষ্ট। তাই করোনার (Covid 19) টিকা ও বুস্টার ডোজ নেওয়া কতখানি জরুরি, সে বিষয়ে মানুষকে বোঝানোর দায়িত্ব সরকারের। ঠিক সময়ে বুস্টার ডোজ নিলে মোকাবিলা আরও সহজ হত বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Covid Booster Dose: কোভিডের দ্বিতীয় বুস্টার ডোজের প্রয়োজনীয়তা নেই, জানাল কেন্দ্র

    Covid Booster Dose: কোভিডের দ্বিতীয় বুস্টার ডোজের প্রয়োজনীয়তা নেই, জানাল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোভিডের দ্বিতীয় বুস্টার ডোজের (Covid Booster Dose) কোনও প্রয়োজনীয়তা নেই। এমনটাই জানাল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক। বিশ্বজুড়ে করোনার বাড়বাড়ন্ত হলেও, এই দফায় এখনও সেভাবে ভারতে থাবা বসাতে পারেনি করোনা। আর তাই এমনটা মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। দেশজুড়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৩৪ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এখনও সেভাবে নিয়ন্ত্রণের বাইরে যায়নি সংক্রমিতের সংখ্যা। এই অবস্থায় এ দেশের মানুষের একটির বেশি বুস্টারের প্রয়োজন নেই। মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে এমনই জানানো হয়েছে। তবে প্রত্যেককে বুস্টারের প্রথম ডোজ নেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে। জারি করা হয়েছে সতর্কতা। NTAGI-এর তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, দেশে করোনা বুস্টারের প্রথম ডোজ এখনও বহু মানুষের সম্পূর্ণ হয়নি। ফলে এই অবস্থায় প্রথম ডোজ না নিয়ে দ্বিতীয় ডোজের কোনও প্রয়োজন নেই। 

    প্রতিবেশী দেশগুলির মতো এ দেশেও যাতে করোনা (Covid Booster Dose) বাড়বাড়ন্ত না হয়, সেজন্যে আগে থেকেই প্রস্তুত থাকতে চাইছে কেন্দ্র। তার জন্য একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। 

    ইন্ডিয়ান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন এবং কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক সম্প্রতি একযোগে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনায় বসে। সেখানেই যৌথভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, বর্তমান পরিস্থিতিতে করোনা বুস্টারের দ্বিতীয় ডোজের (Covid Booster Dose) কোনও প্রয়োজন নেই।

    আরও পড়ুন: ‘মুকুল রায় বিরোধী দলনেতা হোন, চেয়েছিলেন মমতা’, তোপ শুভেন্দুর

    প্রসঙ্গত সম্প্রতি করোনার (Covid Booster Dose) প্রকোপে মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে চিন। ফলে চিন নিয়ে গোটা বিশ্বের মানুষের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়তে শুরু করে। চিনে যখন করোনা আক্রান্তের সংখ্যা হু হু করে বাড়ছে, সেই সময় ভারতেও যাতে তার প্রভাব না পড়ে, তার জন্য কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে নতুন করে জারি করা হচ্ছে একাধিক গাইডলাইন।

    নয়া নির্দেশিকা  

    সোমবার কোভিড-১৯ (Covid Booster Dose) নিয়ন্ত্রণে নয়া নির্দেশিকা জারি করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। এর আগে রবিবার, ১ জানুয়ারি থেকে চিন, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, হংকং, দক্ষিণ কোরিয়া এবং জাপান থেকে আসা যাত্রীদের আরটি-পিসিআর পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করেছে কেন্দ্র। এবার এই নির্দেশিকায় কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে এদিন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রকের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, শুধু কোভিড-১৯ আরটি-পিসিআর পরীক্ষা করলেই হবে না। এই ছয় দেশ থেকে আগত যাত্রীদের, ভারতে আসার আগে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সেই পরীক্ষা করাতে হবে। যাত্রার আগেই পরীক্ষার রিপোর্ট এয়ার সুবিধা অ্যাপে আপলোড করতে হবে। অন্যান্য দেশ থেকেও যারা এই ছয়টি দেশ ছুঁয়ে ভারতে আসবেন, তাঁদেরকেও এই বিধি মানতে হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 
     

  • Covid Booster Dose: কোভিডের বুস্টার ডোজ অ্যান্টিবডির স্থায়ীত্ব বাড়ায়, জানাচ্ছে গবেষণা

    Covid Booster Dose: কোভিডের বুস্টার ডোজ অ্যান্টিবডির স্থায়ীত্ব বাড়ায়, জানাচ্ছে গবেষণা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভার্জিনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অফ মেডিসিনের সাম্প্রতিকতম গবেষণায় কোভিড-১৯ – এর বুস্টার ডোজের (Covid Booster Dose) উপকারিতা সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। সমীক্ষাটিতে প্রমাণিত হয়েছে যে, কীভাবে ফাইজার এবং মর্ডানা বুস্টার ভ্যাকসিনগুলি শরীরে তৈরি হওয়া কোভিড -১৯- এর অ্যান্টিবডিগুলিকে প্রভাবিত করে। গবেষকদের মতে, একটি বুস্টার কোভিড-১৯ সংক্রমণ- এর বিরুদ্ধে শরীরে বেশি শক্তিশালী এবং টেকসই অ্যান্টিবডি তৈরি করে।  

    কী জানিয়েছেন গবেষকরা?

    গবেষকরা তাঁদের এই গবেষণা অ্যানালস অফ অ্যালার্জি, অ্যাজমা এবং ইমিউনোলজির বৈজ্ঞানিক জার্নালে প্রকাশ করেছেন। প্রবীণ গবেষক জেফরি উইলসন বলেন, “এই ফলাফলগুলি অন্যান্য সাম্প্রতিক রিপোর্টের সঙ্গে মানানসই এবং এর থেকে প্রমাণিত হয়েছে যে, বুস্টার শটগুলি (Covid Booster Dose) ভ্যাকসিন দ্বারা উত্পাদিত অ্যান্টিবডিগুলির স্থায়িত্ব বাড়ায়।”   

    উইলসন এবং তাঁর ১১৭ জন সহকারী স্বেচ্ছা সেবকদের ওপরে একটি গবেষণা চালান। ২২৮ জন স্বেচ্ছা সেবকের ওপর এই গবেষণা চালানো হয়। প্রাথমিক সিরিজ এবং বুস্টারের (Covid Booster Dose) এক  সপ্তাহ থেকে ৩১ দিন পর অ্যান্টিবডির মাত্রা একই রকম ছিল। কিন্তু সেই ব্যক্তিদের শরীরে কোভিড-১৯ – এর ভাইরাস আছে কি না তা পরীক্ষা না করেই অ্যান্টিবডিগুলি বহুক্ষণ শরীরে ছিল। 

    গবেষক স্যামুয়েল আইলসওয়ার্থ বলেন, “আমাদের প্রাথমিক ধারণা ছিল যে বুস্টার (Covid Booster Dose) প্রাথমিক ভ্যাকসিন সিরিজের তুলনায় উচ্চতর অ্যান্টিবডি তৈরি করবে। আমরা দেখতে পেয়েছি যে বুস্টার দীর্ঘস্থায়ী অ্যান্টিবডি সৃষ্টি করে।”

    আরও পড়ুন: আহত ঋষভ পন্থকে সরানো হল কেবিনে, কিন্তু কেন?    

    সংক্রমণের পরে বা টিকা দেওয়ার পরে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অ্যান্টিবডির মাত্রা স্বাভাবিকভাবেই হ্রাস পায়। তবে টিকার ফলে ভবিষ্যতের সুরক্ষাকে নিশ্চিত করা হয়। গবেষকরা দেখেছেন যে মডার্না বুস্টার (Covid Booster Dose) দ্বারা তৈরি অ্যান্টিবডিগুলি ফাইজার বুস্টার দ্বারা তৈরি অ্যান্টিবডিগুলির চেয়ে দীর্ঘস্থায়ী। মডার্নার অ্যান্টিবডি ফাইজারের অ্যান্টিবডির থেকে পাঁচ মাস বেশি দীর্ঘস্থায়ী। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Covid-19 review meet: ‘ভিড়ে মাস্ক পরুন, বুস্টার ডোজ নিন’, চিনে করোনার বাড়বাড়ন্তর পরই পরামর্শ কেন্দ্রের

    Covid-19 review meet: ‘ভিড়ে মাস্ক পরুন, বুস্টার ডোজ নিন’, চিনে করোনার বাড়বাড়ন্তর পরই পরামর্শ কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের ঊর্ধ্বমুখী বিশ্বের কোভিড গ্রাফ (Covid-19 review meet)। প্রতিবেশী দেশে বেসামাল করোনা পরিস্থিতি। চিনে হু হু করে বাড়ছে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা। আর এই পরিস্থিতি দেশে করোনার বাড়বাড়ন্ত ঠেকাতে আজ, বুধবার তড়িঘড়ি বৈঠক ডাকে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক। দেশের কোভিড পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে প্রতি সপ্তাহে বৈঠকে বসবে স্বাস্থ্য মন্ত্রক। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য স্বাস্থ্য আধিকারিকদের নিয়ে একটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক করেন। উল্লেখযোগ্যভাবে সবাই মাস্ক পরে ছিলেন সেই বৈঠকে। তাহলে আবার বাধ্যতামূলক হতে চলেছে মাস্ক?

    কী বললেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী? 

    বৈঠকের পরে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী (Covid-19 review meet) বলেন, “কয়েকটি দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় আজ বিশেষজ্ঞ এবং আধিকারিকদের সঙ্গে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখলাম। করোনা এখনও শেষ হয়নি। সকলেই আমি সতর্ক থাকতে এবং নজরদারি আরও বাড়াতে নির্দেশ দিয়েছি। আমরা যে কোনও পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে তৈরি আছি।”

    আরও পড়ুন: শীতকালে মেথি শাক খান আর চিরতরুণ থাকুন

    এখনও এই নিয়ে কোনও নির্দেশিকা জারি করেনি কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক (Covid-19 review meet)। তবে অনেকেই মনে করছেন, আবার ফিরে আসতে চলেছে মাস্ক। ফিরে আসতে পারে কোভিড বিধির কড়াকড়ি। বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, টেস্ট চালিয়ে যেতে হবে, পজিটিভ রোগীর নমুনার জিনোম সিকোয়েন্সিংও করা হবে। গত ২৪ ঘণ্টায় ১২৯ জন নতুনভাবে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এই মুহূর্তে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ৩,৪০৮জন। গত ২৪ ঘণ্টায় একজনের মৃত্যু হয়েছে। চিনের ‘জিরো কোভিড নীতি’- তে ক্ষুব্ধ সে দেশের জনগণ। ফলে, সম্প্রতি চিন তা থেকে সরে এসেছে। ভারতকে হয়তো নতুন করে করোনা বিধিনিষেধ আরোপ করতে হবে। ভারতে এখন অবধি করোনা নিয়ন্ত্রণে থাকলেও কোনওরকম ঝুঁকি নিতে রাজি নয় দেশ। 

    বিষয়টি নিয়ে নীতি আয়োগের (Covid-19 review meet) সদস্য ভিকে পল বলেন, “আপাতত সকলের জন্য মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক না করা হলেও ভিড়ের জায়গায় সেই করোনা বিধি মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছে কেন্দ্র। ভিড়ের জায়গায় মাস্ক ব্যবহার করুন – সেটা ভিতরে হোক বা বাইরে। যাঁদের কো-মর্বিডিটি আছে বা যাঁদের বয়স বেশি, তাঁদের ক্ষেত্রে এটা অনেকটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।” 

    তিনি আরও বলেন, “মাত্র ২৭-২৮ শতাংশ মানুষ প্রিকশন ডোজ নিয়েছেন। মূলত প্রবীণ নাগরিক এবং বাকিদের প্রিকশন ডোজ নেওয়ার আর্জি জানানো হচ্ছে। প্রিকশন ডোজ নেওয়া কার্যকরী। প্রত্যেককে প্রিকশন ডোজ নিতে বলা হচ্ছে।”

    বুধবার কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকে চিঠি দিয়ে ভারত জোড়ো যাত্রায় কোভিড নীতি অনুসরণ করার পরামর্শ দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তা না করা গেলে পদযাত্রা বন্ধ রাখা উচিত বলে চিঠিতে বলেন তিনি।

    বিশ্বের অন্যান্য দেশে সম্প্রতি করোনা সংক্রমণের ঘটনা বৃদ্ধি পাওয়ার পর রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকে চিঠি দিয়ে করোনা আক্রান্তদের জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের পরামর্শ দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যসচিব রাজেশ ভূষণ। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
  • Covid Booster Dose: পুজোর আগেই ৫ কোটি বুস্টার ডোজ দেওয়া সারতে হবে, নির্দেশ স্বাস্থ্য দফতরের 

    Covid Booster Dose: পুজোর আগেই ৫ কোটি বুস্টার ডোজ দেওয়া সারতে হবে, নির্দেশ স্বাস্থ্য দফতরের 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুজোর আগেই রাজ্যের সমস্ত যোগ্য প্রাপককে  কোভিড টিকার বুস্টার ডোজ দেওয়ার কাজ শেষ করতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য দফতর (Health Department)। নবান্নে (Nabanna) আজ রাজ্যের সাস্থ্য সচিব নারায়ণ স্বরূপ নিগমের নেতৃত্বে এক উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য সচিব সহ দফতরের অন্যান্য আধিকারিক,সব জেলাশাসক ও জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিকেরা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে এখনও পর্যন্ত রাজ্যে ছ কোটির বেশি মানুষ কোভিডের প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন। এদের মধ্যে ১ কোটি ২১ লক্ষ ৬৫ হাজার মানুষ বুস্টার ডোজ নিয়েছেন। বাকি ৫ কোটির বেশি মানুষের এখনও পর্যন্ত এই বুস্টার ডোজ বকেয়া রয়েছে। তাঁরা যাতে পুজোর আগেই বুস্টার ডোজ পান তা নিশ্চিত করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আশা কর্মীদের এই কাজে নিযুক্ত করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে রাজ্যে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মিশনের দেওয়া টাকা সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে নির্দিষ্ট খাতে খরচ করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: “করোনা ভাইরাস ক্লান্ত নয়, আগামী মাসে ফের বাড়বে আক্রান্তের সংখ্যা”, সতর্কবার্তা ‘হু’ প্রধানের

    প্রসঙ্গত, স্বাস্থ্য মিশনের টাকা ইতিমধ্যেই রাজ্যগুলিকে পাঠিয়েছে কেন্দ্র সরকার। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে আশাকর্মী নিয়োগের কাজ শেষ করার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্র সরকার। 

    শনিবার স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের (Ministry of Health and Family Welfare) দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা (Coronavirus) আক্রান্ত হয়েছেন ১৩,২৭২ জন। গতকাল যে সংখ্যাটা ছাপিয়েছিল ১৫ হাজারের গণ্ডি। সংক্রমণের পাশাপাশি গত ২৪ ঘণ্টায় খানিকটা কমেছে অ্যাকটিভ কেস। দেশের সক্রিয় রোগী বর্তমানে ১ লক্ষ ১ হাজার ১৬৬ জন। গোটা দেশে অ্য়াকটিভ কেসের হার কমে হয়েছে ০.২৩ শতাংশ। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের বুলেটিন অনুযায়ী, ভারতে একদিনে করোনায় প্রাণ হারিয়েছেন ৩৬ জন। দেশে এখনও পর্যন্ত কোভিডে মোট মৃতের সংখ্যা ৫ লক্ষ ২৭ হাজার ২৮৯।

    আরও পড়ুন: হু হু করে বাড়ছে দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা, একদিনে আক্রান্ত ১২ হাজারের বেশি

    এই পরিস্থিতিতে করোনা নিয়ে আগে থেকেই সতর্ক থাকতে চাইছে রাজ্য সরকার। তাই পুজোর উৎসবে, জমায়েতের কারণে যাতে কোনওভাবেই রোগের বাড়বাড়ন্ত না হয়, সেই দিকে খেয়াল রাখতেই তড়িঘড়ি এই ব্যবস্থা।  

  • Corbevax Booster Dose: কোভিশিল্ড-কোভ্যাক্সিনের পর বুস্টার ডোজ হিসেবে নেওয়া যাবে কর্বেভ্যাক্সও, অনুমোদন কেন্দ্রের

    Corbevax Booster Dose: কোভিশিল্ড-কোভ্যাক্সিনের পর বুস্টার ডোজ হিসেবে নেওয়া যাবে কর্বেভ্যাক্সও, অনুমোদন কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুস্টার ডোজ (Booster Dose) নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের। এতদিন কোভিডের টিকা হিসেবে কোভিশিল্ড (Covishield) ও কোভ্যাক্সিন (Covaxin) ব্যবহার করা হত। করোনা (Corona) প্রতিষেধক হিসেবে বুস্টার ডোজেও অনুমোদন পেয়েছিল কোভ্যাক্সিন ও কোভিশিল্ড। এবার কোভ্যাক্সিন ও কোভিশিল্ডের সঙ্গে অনুমোদন পেল কর্বেভ্যাক্সও (Corbevax)। দেশে এই প্রথম বুস্টার ডোজ হিসেবে ব্যবহার করা হবে কর্বেভ্যাক্সকে। এই টিকা এতদিন প্রাথমিক ডোজ হিসেবে ব্যবহৃত হত। এই প্রথমবার যে, করোনা প্রতিরোধে ব্যবহৃত প্রথম ভ্যাকসিন থেকে অন্য ভ্যাকসিন বুস্টার ডোজ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে।

    কেন্দ্রের স্বাস্থ্য দফতর থেকে কর্বেভ্যাক্সকে এই ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। ১৮ বছরের বেশি বয়সিদের জন্য প্রফিল্যাকটিক ডোজ হিসেবে বায়োলজিক্যাল ই কর্বেভ্যাক্স (Biological E’s Corbevax) ব্যবহার করা যাবে। অর্থাৎ যেসব ব্যক্তিরা কোভিড ভ্যাক্সিনে কোভিশিল্ড বা কোভ্যাক্সিন দুটি ডোজ নিয়েছেন তারা এখন থেকে তৃতীয় ডোজে কর্বেভ্যাক্স নিতে পারবেন।

    আরও পড়ুন: ভয় ধরাচ্ছে করোনা, দেশে একদিনে আক্রান্ত ১৬,০৪৭ জন, মৃত্যু ৫৪ জনের

    জাতীয় প্রযুক্তিগত উপদেষ্টা গ্রুপের (NTAGI) সুপারিশ মেনে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সিদ্ধান্তে বলা হয়েছে, ১৮ বছরের বেশি বয়সিদের জন্য কোভিশিল্ড বা কোভ্যাক্সিনের দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার তারিখ থেকে ছয় মাস বা ২৬ সপ্তাহ শেষ হওয়ার পর কর্বেভ্যাক্স সতর্কতামূলক ডোজ হিসেবে নেওয়া যাবে।

    সূত্রের খবর, এই কর্বেভ্যাক্স হল ভারতের প্রথম দেশীয়ভাবে তৈরি আরবিডি প্রোটিন সাবুনিট ভ্যাকসিন যা ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সি শিশুদের টিকা দেওয়ার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে। ২০ জুলাইয়ে অনুষ্ঠিত একটি বৈঠকে কোভিড-১৯ ওয়ার্কিং গ্রুপ একটি ডাবল ব্লাইন্ড ব়্যান্ডমাইজড ফেজ-৩ ক্লিনিক্যাল স্টাডি থেকে তথ্য নিয়ে পর্যবেক্ষণ করে সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, করোনার সতর্কতামূলক বুস্টার ডোজ হিসেবে এই কর্বেভ্যাক্স মানব শরীরে ইমিউনিটি গড়ে তুলতে পারছে। এমনকি অ্যান্টিবডি গঠনেও সাহায্য করছে। ১৮ থেকে ৮০ বছর বয়সি স্বেচ্ছাসেবক যাঁরা আগে কোভিশিল্ড বা কোভ্যাক্সিন ডোজ পেয়েছিলেন, তাঁদের শরীর এই টিকা প্রয়োগ করে দেখা হয়, এর ফলে তাদের শরীরে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। ভারতের ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল (Drugs Controller General of India) বা ডিজিসিআই কর্বেভ্যাক্সকে ১৮ বছরের বেশি বয়সিদের জন্য প্রফিল্যাকটিক ডোজ হিসেবে অনুমোদন দিয়েছে। উল্লেখ্য ১০ এপ্রিল থেকে ১৮ বছরের বেশি বয়সিদের কোভিড ১৯ টিকার প্রফিল্যাকটিক ডোজ বা বুস্টার ডোজ দেওয়া শুরু হয়।

     

     

  • Free Covid-19 Booster Dose: আজ থেকে শুরু বিনামূল্যে বুস্টার ডোজ প্রদান, জানুন বিস্তারিত

    Free Covid-19 Booster Dose: আজ থেকে শুরু বিনামূল্যে বুস্টার ডোজ প্রদান, জানুন বিস্তারিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ থেকে সমস্ত প্রাপ্তবয়স্কদের বিনামূল্যে কোভিড টিকার (Covid-19 Vaccine) বুস্টার ডোজ (Booster Dose) দেওয়া শুরু করেছে কেন্দ্র। দেশজুড়ে আগামী ৭৫ দিন চলবে এই কর্মসূচি। শুধুমাত্র সরকারি স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলিতেই পাওয়া যাবে এই বুস্টার ডোজ। স্বাধীনতার ৭৫ তম বছর উপলক্ষে মোদি সরকারের ‘আজাদি কা অমৃত মহোৎসব’ – এর অংশ হিসাবে নেওয়া হয়েছে এই কর্মসুচি। এখনও অবধি, ১৮-৫৯ বছর বয়সী ৭৭ কোটি দেশবাসীর মধ্যে ১ শতাংশেরও কম বুস্টার ডোজ নিয়েছেন। ৬০ বছর বা তার বেশি বয়সের প্রায় ১৬ কোটি জনসংখ্যার প্রায় ২৬ শতাংশ মানুষকে বুস্টার ডোজ দিয়েছে কেন্দ্র সরকার। পাশাপাশি স্বাস্থ্যসেবা এবং ফ্রন্টলাইন কর্মীরা বুস্টার ডোজ পেয়েছেন।

      আরও পড়ুন: করোনার সেকেন্ড এবং বুস্টার ডোজের মধ্যে সময় কমালো কেন্দ্র     

    কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক গত সপ্তাহে জানিয়েছে, করোনার দ্বিতীয় এবং বুস্টার ডোজের মধ্যে ব্যবধান ন মাস থেকে কমিয়ে ছ মাস করা হয়েছে। ন্যাশনাল টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজরি গ্রুপ অন ইমিউনাইজেশন (NTAGI)-র সুপারিশের পরই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। 

    আরও পড়ুন: শিশুদের মধ্যে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ, স্কুল খোলা রাখার পক্ষেই সওয়াল চিকিৎসকদের   

    গত বছরের ১৬ জানুয়ারি দেশব্যাপী টিকাকরণ অভিযান শুরু হয়েছিল। প্রথম পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা কর্মীদের টিকা দেওয়া হয়েছিল। ২ ফেব্রুয়ারি থেকে ফ্রন্টলাইন কর্মীদের টিকা দেওয়া শুরু হয়। মার্চ মাস থেকে ৬০ বছরের বেশি বয়সি এবং ৪৫ বছরের উপরে কোমর্বিলিটির রোগীদের টিকা দেওয়া শুরু হয়েছিল। সরকারি তথ্য অনুসারে, ভারতের জনসংখ্যার ৯৬ শতাংশকে কোভিড টিকার প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে, ৮৭ শতাংশ মানুষ উভয় ডোজই পেয়েছে। এই বছরের ১০ এপ্রিল থেকে ১৮ বছরের বেশি বয়সি সকলকে বুস্টার ডোজ দেওয়া শুরু হয়। 

    বুস্টার ডোজ কর্মসূচিতে বাড়তি জোর দিচ্ছে কেন্দ্র। গত বুধবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর বলেছিলেন, ‘ভারত স্বাধীনতার ৭৫ তম বর্ষ উদযাপন করছে। আজাদি অমৃতকাল উদযাপনের আবহে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে ১৫ জুলাই থেকে পরবর্তী ৭৫ দিন দেশের সকল প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিককে বিনামূল্যে বুস্টার ডোজ প্রদান করা হবে।’

    এ যাবৎ শুধুমাত্র প্রথমসারির করোনা যোদ্ধা এবং ষাটোর্ধ্বদের বিনামূল্যে বুস্টার ডোজ (Coronavirus Booster Dose) দিত কেন্দ্র সরকার। বাকিদের টাকা দিয়ে নিতে হত বুস্টার ডোজ। শুক্রবার থেকে সব প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকই বিনামূল্যে বুস্টার ডোজ পাবেন। 

     

  • Covid Vaccine: করোনার সেকেন্ড এবং বুস্টার ডোজের মধ্যে সময় কমালো কেন্দ্র

    Covid Vaccine: করোনার সেকেন্ড এবং বুস্টার ডোজের মধ্যে সময় কমালো কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনাভাইরাস (Covid Vaccine) টিকার দ্বিতীয় (Second Dose) এবং বুস্টার ডোজের (Booster Dose) মধ্যে ব্যবধান কমাল কেন্দ্রীয় সরকার। বুধবার বিষয়টি নিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য সচিব রাজেশ ভূষণ। দেশের সব রাজ্য এবং কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলকে এই নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। নির্দেশ অনুযায়ী, দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার ৬ মাস বা ২৬ সপ্তাহ পরেই নেওয়া যাবে বুস্টার ডোজ। এত দিন সেই সময়সীমা ছিল ৯ মাস বা ৩৯ সপ্তাহ। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে , ‘ন্যাশনাল টেকনিক্যাল অ্যাডভাইসরি গ্রুপ অন ইমিউনাইজেশন’ (NTAGI)- এর প্রস্তাব অনুযায়ী কোভিড টিকার দ্বিতীয় ডোজ ও বুস্টার ডোজের মধ্যবর্তী সময়ের ব্যবধান কমানো হয়েছে।

    আরও পড়ুন: শিশুদের মধ্যে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ, স্কুল খোলা রাখার পক্ষেই সওয়াল চিকিৎসকদের
     
    দেশে কোভিড পরিস্থিতির ফের অবনতি হচ্ছে। মহামারীর মোকাবিলায় রাজ্যগুলিকে টিকাকরণে জোর দিতে বলা হয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের চিঠিতে। ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে সকলেই নিতে পারবেন কোভিডের বুস্টার ডোজ। ১৮ বছর থেকে ৫৯ বছর বয়সীরা দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার ৬ মাস পরেই বেসরকারি কোভিড টিকা কেন্দ্র থেকে বুস্টার ডোজ নিতে পারবেন। ৬০ বছরের বেশি বয়সীরা সরকারি টিকা কেন্দ্র থেকে বিনামূল্যে পাবেন বুস্টার ডোজ। পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর্মী এবং প্রথম সারির কর্মীরা সরকারি টিকা কেন্দ্র থেকে বুস্টার ডোজ পাবেন বলে জানিয়েছে কেন্দ্রে। কোউইন পোর্টালের মাধ্যমেই টিকা নেওয়ার নতুন সময় দেখতে পাওয়া যাবে।

    আরও পড়ুন: করোনায় আক্রান্ত হওয়া মানেই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়া নয়, জানাল হু

    দেশে গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই ভয় ধরাচ্ছে করোনার দৈনিক সংক্রমণ। সংক্রমণ পরিস্থিতি যাতে নাগালের বাইরে না যেতে পারে, সে জন্য টিকাকরণে জোর দিতে চাইছে সরকার। আরও দ্রুত বেশি মানুষকে বুস্টার ডোজ দিয়ে সুরক্ষিত করতে চাইছে কেন্দ্র। সে জন্যই দুই ডোজের মধ্যবর্তী সময়ের ব্যবধান কমানো হল বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। চিকিৎসকদের মতে, দ্বিতীয় ডোজের পর বুস্টার ডোজ নেওয়া থাকলে বাড়বে প্রতিরোধ ক্ষমতা। এর জেরে করোনাভাইরাসের সঙ্গে লড়াই করা সহজতর হবে। তাই বুস্টার ডোজ নেওয়ার বিষয়ে প্রচার চালানোর জন্য রাজ্যগুলিকে নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক (Ministry of Health and Family Welfare)।       

     

  • Covid 19 Vaccine: বাড়ছে করোনা সংক্রমণ, ঠিক কতটা জরুরি বুস্টার ডোজ? 

    Covid 19 Vaccine: বাড়ছে করোনা সংক্রমণ, ঠিক কতটা জরুরি বুস্টার ডোজ? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  দেশজুড়ে ফের ফণা তুলছে করোনা (Covid 19)। সংক্রমণে লাগাম টানতে টিকাকরণে (Vaccination) গতি এনেছে কেন্দ্র। জোড় দেওয়া হচ্ছে বুস্টার ডোজে (Booster Jab)। কোভিড টিকার তৃতীয় ডোজকে বুস্টার ডোজ বলা হয়। ভারতে একে পূর্ব সতর্কতা ডোজও বলা হয়ে থাকে। দ্বিতীয় টিকা নেওয়ার ৯ মাসের মাথায় দেওয়া হয় এই বুস্টার শট। 

    চলতি বছর ১০ এপ্রিল থেকে বুস্টার ডোজ দেওয়া শুরু করেছে কেন্দ্র সরকার। প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজের সময় যে টিকা দেওয়া হয়েছে, সেই টিকারই বুস্টার ডোজ দেওয়া হয়ে থাকে। অর্থাৎ কেউ যদি কোভিশিল্ডের প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ নেন, তাহলে তিনি সেরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়ার টিকাই বুস্টার ডোজ হিসেবে পাবেন। ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে সবাই নিতে পারবেন এই বুস্টার ডোজ। 

    এপ্রিল মাসে প্রতি সপ্তাহে ১০-১৫ লক্ষ করে বুস্টার ডোজ দেওয়া হয়েছে। তারপর চাহিদা খানিকটা কমলেও, মে-র দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে করোনা সংক্রমণ ফের বাড়তে শুরু করলে আবার বুস্টার ডোজের ঘাটতি দেখা দিতে শুরু করে। মে মাসের শেষ সপ্তাহে ২১.০৮ লক্ষ বুস্টার ডোজ দেওয়া হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: ঊর্ধ্বমুখী করোনারগ্রাফ, দেশজুড়ে ১৯৫ কোটি টিকাকরণ

    বিশেষজ্ঞদের মতে, কোভিডের দ্বিতীয় টিকার কারণে করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের সাথে অনেকটাই লড়তে সক্ষম হয়েছে দেশ। কিন্তু এখন আবার সেই রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কমতে শুরু করেছে। তাই চতুর্থ ঢেউকে প্রতিহত করতে বুস্টার ডোজ নেওয়া পরামর্শ দিচ্ছেন বিজ্ঞানীদের একাংশ। যদিও এনিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে বিজ্ঞানীদের মধ্যে।   

    আরও পড়ুন: বিমানে মাস্ক বাধ্যতামূলক, কেমন মাস্ক উড়ানে আদর্শ?

    কোনও কোনও বিজ্ঞানীর মতে এই মুহূর্তে করোনার যে ভ্যারিয়েন্টটি সংক্রমণ ছড়াচ্ছে তার শক্তি খুব বেশি নয়। বুস্টার ডোজ এই দুর্বল ভ্যারিয়েন্টে নিজের ক্ষমতা দেখাতে খুব বেশি সক্ষম নয়। বিশেষজ্ঞদের মতে শরীর নিজে থেকে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে নিতে পারে। অ্যান্টিবডি হ্রাস পাচ্ছে মানেই রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে উঠবে না এমনটা ভাবার কোনও কারণ নেই।  
    রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে ওঠার নেপথ্যে থাকে টি-সেল এবং বি-সেল। টি-সেল রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতারই একটি অংশ। কোনও ভাইরাসে আক্রান্ত কোষকে মেরে ফেলতে সাহায্য করে এই টি-সেল। কেউ কেউ বলেছেন করোনার এই ভ্যারিয়েন্টের জন্যে বুস্টার ডোজের কোনও প্রয়োজন নেই। একমাত্র নতুন কোনও ভ্যারিয়েন্ট এলেই বুস্টার ডোজের কথা ভাবা যেতে পারে।   

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বুস্টার ডোজ এই মুহূর্তে তাঁদেরই প্রয়োজন যারা এখন অবধি করোনায় একবারও আক্রান্ত হননি। তাঁদের সেই রোগের কোনও রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাও গড়ে ওঠেনি। তাঁরা বুস্টার ডোজ নিতে পারেন। অল্প বয়স্কদের এখনই প্রয়োজন নেই বুস্টার ডোজ। বয়স্করা নিতে পারেন।  

    বিশেষজ্ঞদের কেউ কেউ আবার সমস্ত প্রাপ্ত বয়স্কদের বুস্টার ডোজ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। তাঁরা জানাচ্ছেন, বুস্টার ডোজ নেওয়ায় কোনও ভয় নেই। বরং নেওয়া থাকলে অনেকটা নিশ্চিন্ত থাকা যায়। বুস্টার ডোজ নেওয়া থাকলে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার মতো খারাপ পরিস্থিতিতে যেতে পারে না এই মারণ ভাইরাস। জানাচ্ছেন, ৬০% রোগী ভর্তি আছে হাসপাতালে। তাঁদের মাত্র ৬% বুস্টার ডোজ নিয়েছেন। এক বেসরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকের প্রশ্ন, কিছু দিনের মধ্যেই করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট হাজির হবে। তখন কেন হাসপাতালে বুস্টার ডোজ নিতে দৌড়ব? আগে থেকে নিয়ে কেন প্রস্তুত থাকব না? বুস্টার ডোজ ভয়ঙ্কর পরিস্থিতিতে বাড়তি সুরক্ষা দিয়ে থাকে। বিশেষ করে যারা কোমর্বিলিটির রোগী, অর্থাৎ যাদের হৃদরোগ, ডায়েবেটিস, উচ্চ রক্তচাপের মতো সমস্যা আছে তাদের বুস্টার ডোজ নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন ডাক্তাররা। 

    ভেলোরের খ্রীষ্টান মেডিক্যাল কলেজের একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে, বুস্টার ডোজ হিসেবে কোভিশিল্ডই সবচেয়ে বেশি কার্যকরী। যদিও ভারতে এই মুহূর্তে সেই ব্যবস্থা নেই। অর্থাৎ আপনাকে প্রথম দুই ডোজে যে টিকা দেওয়া হয়েছে, সেই টিকাই দেওয়া হবে বুস্টার ডোজ হিসেবে। 

    বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, এই মুহূর্তে যে টিকাগুলি দেওয়া হচ্ছে তা করোনার প্রথম ভ্যারিয়েন্টের জন্যে বানানো হয়েছিল। ভাইরাস এখন মিউটেশনের মাধ্যমে প্রকৃতি বদলেছে। তাই এই ভ্যারিয়েন্টে খুব বেশি কার্যকর হবে না এই টিকা বলে মত তাঁদের।
    তাই যাদের বিপদের আশঙ্কা সব থেকে বেশি একমাত্র তাঁদেরকেই বুস্টার ডোজ নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন এই বিশেষজ্ঞরা। 

     

     

     

     

     

     

     

     

     

     

     

     

     

LinkedIn
Share