Tag: border security force

border security force

  • BSF Chief: জঙ্গি অনুপ্রবেশের জের! বিএসএফের প্রধান এবং উপপ্রধানকে অপসারণ করল কেন্দ্র

    BSF Chief: জঙ্গি অনুপ্রবেশের জের! বিএসএফের প্রধান এবং উপপ্রধানকে অপসারণ করল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিএসএফ-এর ডিরেক্টর জেনারেল (BSF Chief) নিতীন আগরওয়াল এবং তাঁর ডেপুটি স্পেশাল ডিজি (পশ্চিম) ওয়াই বি খুরানিয়াকে শুক্রবার পদ থেকে অপসারণ করল কেন্দ্র। পদস্থ এই দুই অফিসারকে অবিলম্বে তাদের রাজ্য ক্যাডারে ফেরত পাঠানোর নির্দেশও জারি করেছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। জম্মু ও কাশ্মীরের আন্তর্জাতিক সীমানা (Border Security Force) পেরিয়ে বার বার জঙ্গি অনুপ্রবেশ এবং উপত্যকায় অশান্তির কারণে এই পদক্ষেপ হতে পারে বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল। আবার অনেকের অনুমান বাহিনীর মধ্যে বোঝাপড়া ঘটাতে ব্যর্থ এই দুই অফিসার। সামনেই স্বাধীনতা দিবস। দেশের নিরাপত্তা জোরদার করতে তাই এই পদক্ষেপ করল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক।

    কেন অপসারণ (Border Security Force) 

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সূত্রের খবর, বিএসএফ প্রধানের (BSF Chief) বিরুদ্ধে সমন্বয়ের অভাব সহ গুরুতর বিষয়ে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়াও আন্তর্জাতিক সীমান্ত থেকে ক্রমাগত অনুপ্রবেশ এবং একের পর এক জঙ্গি হামলার জেরে কেন্দ্রের এই পদক্ষেপ। মন্ত্রকের এক অফিসারের কথায়,”বাহিনীর মধ্যে নিয়ন্ত্রণের অভাব এবং অন্যান্য সহযোগী সংস্থার সঙ্গে সমন্বয়ের অভাবের কারণেই ওই দুই অফিসারকে পদ খোয়াতে হল।” বিএসএফের প্রায় ২.৬৫ লাখ কর্মী রয়েছেন যাঁরা পশ্চিমে পাকিস্তান এবং পূর্বে বাংলাদেশের সীমান্ত পাহারা দেয়। কিন্তু সাম্প্রতিক অতীতে সীমান্তে (Border Security Force) একের পর এক জঙ্গি হামলার জেরে বাহিনীর কার্যকারিতা নিয়ে উঠছিল প্রশ্ন। এবার বড় পদক্ষেপ করল কেন্দ্র।  

    আরও পড়ুন: বিপর্যস্ত ওয়েনাড়ে স্থানীয়দের বিক্ষোভের মুখে রাহুল গান্ধী

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশিকা

    বিএসএফের ডিজির (BSF Chief) পদে ছিলেন নীতিন আগরওয়াল। তিনি গত বছরের জুন মাসে ওই পদে নিযুক্ত হয়েছিলেন। সময়ের আগেই তাঁকে অপসারিত করে রাজ্য স্তরের ক্যাডারে ফেরত পাঠানো হল। অন্য দিকে, স্পেশাল ডিজি (পশ্চিম) পদে এত দিন ছিলেন ওয়াইবি খুরানিয়া। তাঁকেও রাজ্যে ফেরত পাঠানো হয়েছে। ১৯৮৯ সালের কেরল ক্যাডারের আধিকারিক ছিলেন নীতিন। খুরানিয়া ছিলেন ১৯৯০ সালের ওড়িশা ক্যাডারে। দু’জনকেই সময় শেষ হওয়ার আগেই পদ থেকে অপসারণ করা হয়েছে। শুক্রবার পৃথক ভাবে দু’টি বিজ্ঞপ্তিতে সেই নির্দেশিকা দিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। দ্রুত এই নির্দেশ কার্যকর করতেও বলা হয়েছে। তবে ওই দুই পদের দায়িত্বে কাদের আনা হচ্ছে তা এখনও স্পষ্ট করেনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nadia: সীমান্তে কাঁটাতার কেটে অনুপ্রবেশের চেষ্টা, বিএসফের গুলিতে হত পাচারকারী

    Nadia: সীমান্তে কাঁটাতার কেটে অনুপ্রবেশের চেষ্টা, বিএসফের গুলিতে হত পাচারকারী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিএসএফের সঙ্গে পাচারকারীর গুলির লড়াই! বিএসএফের (Nadia) গুলিতে মৃত্যু এক পাচারকারীর। ঘটনাটি নদিয়ার কৃষ্ণগঞ্জ থানার নোনাগঞ্জ বর্ডার এলাকার। জানা যায়, গতকাল গভীর রাতে নোনাগঞ্জ বর্ডার এলাকায় এক পাচারকারী সীমান্তে থাকা কাঁটাতার কাটছিল। তখন বিএসএফের তরফ থেকে তাকে আটকানোর চেষ্টা করা হয়। অভিযোগ, ঠিক তখনই ওই পাচারকারী বিএসএফকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এরপর বিএসএফের তরফ থেকেও তাকে লক্ষ্য করে গুলি করা হয়। ওই পাচারকারীর গায়ে গুলি লেগে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তার। যদিও পরবর্তীকালে তাকে উদ্ধার করে কৃষ্ণগঞ্জ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।

    পরিচয় জানার চেষ্টা

    তবে মৃত ওই পাচারকারীর পরিচয় এখনও জানা যায়নি। বিএসএফ এবং কৃষ্ণগঞ্জ থানার পুলিশের যৌথ উদ্যোগে ওই ব্যক্তির পরিচয় এবং ঠিকানা জানার চেষ্টা চলছে। মূলত ওই ব্যক্তি কী পাচার করত এবং কোন গ্যাঙের সঙ্গে যুক্ত, তাও জানার চেষ্টা করছে সীমান্ত রক্ষী বাহিনী (Nadia)। অন্যদিকে ওই পাচারকারীর মৃতদেহ আজ ময়নার তদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়।

    আগেও একই ধরনের ঘটনা

    প্রসঙ্গত এর আগেও ধানতলা থানার (Nadia) দত্তপুলিয়ায় ফেন্সিং না থাকার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ইছামতী নদীর ব্রিজের নিচ দিয়ে ভারত থেকে বাংলাদেশে ৬ থেকে ১০ টি গরু পাচার করার চেষ্টা করেছিল পাচারকারীরা। অভিযোগ, বিএসফের জওয়ানরা গরু পাচারকারীদের আটকাতে গেলে পাচারকারীরা বিএসএফকে লক্ষ্য করে পাথর ও বোমা ছোড়ে। পরে বিএসএফ কাউন্টার ফায়ার করলে বেশ কয়েকজন গরু পাচারকারী আহত হয়। তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজন বাংলাদেশ পালিয়ে গেলেও ধরা পড়ে যায় এক গরু পাচারকারী। তাকে পরবর্তীকাল ধানতলা পুলিসের হাতে তুলে দেয় বিএসএফ।

    পিছনে বড় বড় গাং

    বিএসএফের পাচারকারীদের এটা কোনও প্রথম ঘটনা নয়। গরু পাচার থেকে শুরু করে সোনার বিস্কুট সহ একাধিক জিনিস কখনও বাংলাদেশ থেকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে (Nadia), আবার কখনও ভারতের বর্ডার পার করে বাংলাদেশে পাচার হয়। বড় বড় গ্যাং কাজ করে এইসব পাচার চক্রের পিছনে। এর আগেও বিএসএফের তরফ থেকে পাচার চক্র রোধে একাধিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পাশাপাশি নিরাপত্তা আরও বাড়িয়ে তোলার চেষ্টা চালানো হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BSF: ভারতের আকাশে ফের পাক ড্রোন, গুলি করে নামাল বিএসএফ, উদ্ধার চিনের তৈরি অস্ত্র

    BSF: ভারতের আকাশে ফের পাক ড্রোন, গুলি করে নামাল বিএসএফ, উদ্ধার চিনের তৈরি অস্ত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের একবার পাকিস্তানি ড্রোনের সাহায্যে অস্ত্র, মাদক দ্রব্য পাচার করা হচ্ছিল ভারতে। তবে ব্যর্থ প্রচেষ্টা। বুধবার মধ্যরাতে অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে পাকিস্তানি ড্রোনের সাহায্যে পাচার করা হচ্ছিল একাধিক চিনের তৈরি অস্ত্র। কিন্তু সেই অস্ত্র পাচারের আগেই দুষ্কৃতীদের প্রচেষ্টা ব্যর্থ করল বিএসএফ (Border Security Force)। জওয়ানদের তৎপরতায় উদ্ধার হল একাধিক মাদকদ্রব্য ও অস্ত্র। বিএসএফ (BSF) সূত্রের খবর, চিনের তৈরি পিস্তল, একাধিক ম্যাগাজিন সহ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে ৪৭ টি লাইভ রাউন্ড। ঘটনাটি ঘটেছে পাঞ্জাবের গুরদাসপুরের উনচা টাকালা গ্রামে।

    পাকিস্তানি দুষ্কৃতিদের প্রচেষ্টা ব্যর্থ

    বিএসএফ সূত্রে খবর, গতকাল পাঞ্জাবের গুরদাসপুরের উনচা টাকালা গ্রামের সীমান্তবর্তী এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছিল একটি বিএসএফ দল। অন্ধকার কুয়াশাচ্ছন্ন রাতে পাকিস্তানের দিক থেকে আসা একটি ড্রোনের শব্দ শুনতে পান জওয়ানরা। তারপর তাঁরা সেই ড্রোনের দিকে গুলি চালায়। গুলি চালানোর সময়, কিছু পড়ে যাওয়ারও শব্দ পেয়েছিলেন তাঁরা।

    বিএসএফ এক বিবৃতিতে বলেছে, এলাকাটির প্রাথমিক তদন্তের সময়, টাকালা গ্রামের এক চাষজমিতে কাঠের ফ্রেম দিয়ে প্যাকেজ করা একটি সন্দেহজনক প্যাকেট উদ্ধার করেছে তাঁরা। সেই প্যাকেট থেকেই উদ্ধার করা হয় ৪টি চিনের তৈরি পিস্তল, ৮টি ম্যাগাজিন এবং ৪৭ রাউন্ড গুলি।

    বিএসএফ-এর বড় সাফল্য

    সীমান্ত নিরাপত্তা বাহিনীর তরফে বলা হয়েছে, পাঞ্জাবের ভারত-পাকিস্তানের সীমান্তের ৩,৩২৩ কিলোমিটার জুড়ে এখনও তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে। প্রসঙ্গত, বিগত কয়েক মাস থেকে ভারত-পাক সীমান্তে পাকিস্তানি ড্রোনের উৎপাত বেড়েই চলেছে। এর আগেও গত বছরের অক্টোবরে, বিএসএফ পাঞ্জাবের গুরদাসপুর সেক্টরে আন্তর্জাতিক সীমান্ত বরাবর পাকিস্তানের দিক থেকে ভারতে প্রবেশকারী একটি ড্রোনকে দেখে গুলি চালিয়েছিল। তার আগে সেপ্টেম্বরেও, গুরদাসপুরের সীমান্তের কাছে পাকিস্তান থেকে আসা একটি ড্রোনের অনুপ্রবেশের প্রচেষ্টা ব্যর্থ করেছিল। ফলে বারবার পাকিস্তানি ড্রোন এ দেশে পাঠানোর চেষ্টা করা হলেও প্রত্যেকবারই বিএসএফ-এর জওয়ানরা দুষ্কৃতিদের প্রচেষ্টা ব্যর্থ করতে সক্ষম হয়েছে। এবারও তাই ঘটল। ফলে এটি এক বড় সাফল্য বিএসএফ-এর।

     
  • Indo Bangladesh Border: পাচার সহ নানা অপরাধ রুখতে দিনে রাতে এক যোগে টহল দেবে বিএসএফ-বিজিবি!

    Indo Bangladesh Border: পাচার সহ নানা অপরাধ রুখতে দিনে রাতে এক যোগে টহল দেবে বিএসএফ-বিজিবি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কথায় বলে, বজ্র আঁটুনি ফস্কা গেরো! ভারত বাংলাদেশ সীমান্ত (Indo Bangladesh Border) রয়েছে কড়া প্রহরার ব্যবস্থা। ভারতের (India) দিকে সীমান্তে শ্যেন দৃষ্টি হানে বিএসএফ (BSF)। আর উল্টো দিকে কড়া নজরদারি রয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (BGB)। তার পরেও নিরাপত্তার ফোকর গলে নিরন্তর চলে পাচারের কাজ। কখনও গরু, কখনও বা জালনোট, আবার কখনও বা মাদক পাচার হয়ে যায় ক্যারিয়ারদের হাতফের হয়ে। জঙ্গি অনুপ্রবেশ এবং সীমান্তে (Indo Bangladesh Border) নানা অপরাধ মূলক কাজকর্মও চলে বলে অভিযোগ। এসব বন্ধে উদ্যোগী হল বিএসএফ এবং বিজিবি। দুই দেশের রক্ষীদের শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, ভারত বাংলাদেশ দুই দেশের প্রহরীরাই দিনের রাতে টহল দেবে সীমান্তে।

    বৈঠকে রয়েছেন…

    রবিরার সন্ধেয় শুরু হয়েছে ইনসপেক্টর জেনারেল বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স-রিজিওনাল কমান্ডার বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ লেভেল বর্ডার কোঅর্ডিনেশন কনফারেন্স। চলবে বুধবার পর্যন্ত। এই বৈঠকেই দুই দেশের সীমান্তপারের অপরাধ কমাতে তথ্য আদানপ্রদানের সিদ্ধান্তও হয়েছে বিএসএফ এবং বিজিবির মধ্যে। জানা গিয়েছে, ১১ সদস্যের বিএসএফ প্রতিনিধি দলে রয়েছেন অতুল ফুলঝেলে, আইপিএস, আইজি, বিএসএফ, সাউথ বেঙ্গল ফ্রন্টিয়ার, অজয় সিং, আইজি, বিএসএফ, নর্থ বেঙ্গল ফ্রন্টিয়ার, কমলজিৎ সিং বন্যাল, আইজি, বিএসএফ, গুয়াহাটি ফ্রন্টিয়ার এবং আটজন অন্য প্রতিনিধি। আর ১১ সদস্যের বিজিবি প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এবিএম নওরোজ এহসান, বিএসপি, পিএসসি, অতিরিক্ত মহা পরিচালক, এরিয়া কমান্ডার, উত্তর পশ্চিমাঞ্চল, রংপুর।

    আরও পড়ুন: মোদিকে দেখে এগিয়ে এলেন বাইডেন! আলিঙ্গন বন্ধু মাক্রঁর, শুরু জি-২০ বৈঠক

    বিএসএফের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দু পক্ষই অ্যাজেন্ডা পয়েন্টস শেয়ার করেছে। কো-অর্ডিনেটেড বর্ডার ম্যানেজমেন্ট প্ল্যান নিয়েও আলোচনা হয়েছে। এর মধ্যেই রয়েছে দিনে রাতে বিএসএফ ও বিজিবি সমান্তরালভাবে টহল দেবে। তথ্য আদানপ্রদানও করবে দুই দেশের রক্ষীবাহিনী। রক্ষীস্তরের বিভিন্ন পর্যায়ে বৈঠকও করবে দুই দেশ। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, আন্তঃসীমান্ত অপরাধ বন্ধে যৌথ প্রচেষ্টা চলবে বলেও আলোচনায় সিদ্ধান্ত হয়েছে। সীমান্তপারের অবৈধ কাজকর্ম রুখতেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে ঐকমত্যে পৌঁছেছে দুই দেশ। প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে সীমান্ত রয়েছে ২ হাজার ২১৬.৭ কিলোমিটার দীর্ঘ। এই সীমান্ত পেরিয়েই চলে অবৈধ নানা কাজকর্ম। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share