Tag: Border

Border

  • BSF: অনুপ্রবেশ রুখতে সীমান্তে মৌমাছি চাষের উদ্যোগ নিল বিএসএফ

    BSF: অনুপ্রবেশ রুখতে সীমান্তে মৌমাছি চাষের উদ্যোগ নিল বিএসএফ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনুপ্রবেশ রুখতে সীমান্তে মৌমাছি চাষের উদ্যোগ নিল বিএসএফ (BSF)। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে পাচার, অপরাধ ও চোরাচালান ঠেকাতে মৌমাছিকে পাহারাদার হিসেবে ব্যবহার করবে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী। এ কারণে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের ৪ হাজার ৯৬ কিলোমিটার সীমান্তজুড়ে মৌমাছির চাক বসাচ্ছে বিএসএফ।

    কী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে? (BSF)

    বিএসএফের (BSF) সঙ্গে সীমান্ত পাহারায় মৌমাছিও থাকবে। এতে যেমন সীমান্ত সুরক্ষার কাজ হবে, তেমনি স্থানীয়দের জীবিকার সংস্থান হবে। প্রাথমিকভাবে পশ্চিমবঙ্গের নদিয়া জেলায় বিএসএফের ৩২ ব্যাটালিয়ন এই উদ্যোগ নিয়েছে। ভারত-বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে মানুষের মৃত্যুর সংবাদ প্রায়ই পাওয়া যায়। এই নিয়ে সংশ্লিষ্ট সরকার ও সাধারণ মানুষের প্রতিবাদ ও ক্ষোভের মুখে পড়তে হয় বিএসএফকে। ধারণা করা হচ্ছে, এমন বদনাম থেকে রেহাই পেতে বিকল্প পথ হিসেবে এ ধরনের পরিকল্পনা বেছে নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। পরীক্ষামূলকভাবে গড়ে তোলা হচ্ছে মৌমাছিদের বাহিনী। বিএসএফের এই প্রকল্পকে বাস্তবায়ন করতে হাত বাড়িয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের আয়ুষ মন্ত্রণালয়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নির্দেশনায় ‘ভাইব্র্যান্ট ভিলেজ প্রোগ্রামের’ আওতায় সীমান্তবর্তী এলাকায় মৌমাছি পালন এবং মধুর গুণগত মান পরীক্ষাকে একটি পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে নিয়েছে ভারত সরকার। সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোর অর্থনৈতিক বিকাশ ও সার্বিক উন্নয়নে এই প্রকল্পকে কৌশলগতভাবে ব্যবহারের সুযোগ হিসেবে দেখছে বিএসএফ।

    কী বললেন বিএসএফের কর্তা?

    বিএসএফ (BSF) সূত্রে খবর, প্রাথমিকভাবে নদিয়ার কৃষ্ণগঞ্জ থানার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকায় মৌমাছির ২০টি বাক্স স্থাপন করা হয়েছে। স্থানীয় গ্রামবাসীরা সেই মৌমাছির দেখভালের পাশাপাশি মধু সংগ্রহ করবেন। এতে আর্থিকভাবে লাভবান হবেন গ্রামবাসীরাই। এই বিষয়ে দক্ষিণবঙ্গ সীমান্তের বিএসএফের জনসংযোগ আধিকারিক ডিআইজি একে আর্য্য বলেন, এই প্রকল্প সফল হলে আগামী দিনে দক্ষিণবঙ্গ সীমান্তজুড়ে কাঁটাতারে মৌমাছির বাক্স স্থাপন করা হবে। তবে, এই মুহূর্তে ২০০টি বাক্স স্থাপনের লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। যার খরচ সরকার বহন করবে। এই প্রকল্পের আওতায় সীমান্তের বেড়ার কাছে কৌশলগতভাবে মৌমাছির বাক্স স্থাপন করা হয়েছে। সীমান্ত বেড়ার কাছে মৌমাছির বাক্সগুলি মাটির সামান্য উপরে রেখে, তার কাছাকাছি মৌমাছি-বান্ধব ফল ও ফুলের গাছ স্থাপন করা হয়। বাক্সগুলোকে প্রাকৃতিক ছায়া দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। যাতে মৌমাছিদের আকর্ষণের একটি অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়। আর সীমান্তে যেখানে এই বাক্স লাগানো হয়েছে, সেখানে চোরাচালান সংক্রান্ত কোনও অভিযোগ আমাদের কাছে আসেনি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BSF: সীমান্তে বিএসএফের তৎপরতা! পাচারের আগেই ১০ কোটি টাকার সোনার বিস্কুট বাজেয়াপ্ত

    BSF: সীমান্তে বিএসএফের তৎপরতা! পাচারের আগেই ১০ কোটি টাকার সোনার বিস্কুট বাজেয়াপ্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সীমান্তে সোনা পাচারচক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে। তবে, বিএসএফের কড়া নজরদারির কারণে বার বারই পাচারকারীরা ধরা পড়ছে। এবারও ৬ কেজি ৭০০ গ্রাম সোনার বিস্কুট সহ এক দুষ্কৃতীকে পাকড়াও করল বিএসএফ (BSF)। ধৃতের নাম আজর মণ্ডল। তার বাড়ি বাগদার রাজকোল এলাকায়। উত্তর ২৪ পরগনার বাগদা থানার রণঘাট এলাকা থেকে তাকে ধরা হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (BSF)

    বিএসএফ (BSF) সূত্রে জানা গিয়েছে, পাচারকারী আজর একটি  বাইকে চেপে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের দিক থেকে রণঘাট এলাকায় আসছিল। তার কোমরে কাপড়ে বাঁধা ছিল সোনার বিস্কুট। বাগদায় এক ব্যক্তির কাছে সেগুলি তার পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব ছিল। বাগদার রণঘাট ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে কর্তব্যরত জওয়ানরা আগেই খবর পেয়েছিলেন, ওই রাস্তা দিয়ে রাতে বিপুল অঙ্কের সোনা পাচার হবে। স্বাভাবিকভাবে রাস্তায় বাড়ানো হয় নজরদারি। ওই পাচারকারীকে নিরাপত্তা দিতে আরও একটি মোটরবাইকে একজন পিছু নিয়েছিল। রাত ১১টা নাগাদ ওই যুবক রণঘাটের রাস্তা দিয়ে বাগদা রোডের কাছে পৌঁছয়। তখন জওয়ানরা মোটরবাইকটি ঘিরে ফেলেন। ওই যুবক পালানোর চেষ্টা করছিল। রিভলভার বের করতেই সে ধরা দিতে বাধ্য হয়। তল্লাশি চালিয়ে তার কাছ থেকে সোনার বিস্কুটগুলি উদ্ধার করা হয়। তারপর তল্লাশি করতেই যুবকের কোমরে বাঁধা কাপড়ের বেল্ট থেকে ১৭টি সোনার বার উদ্ধার হয়। প্রসঙ্গত, বুধবার রাতেও পেট্রাপোল সীমান্তে খালি ট্রাক থেকে ছোট্ট মাপের ৬০টি সোনার বিস্কুট উদ্ধার হয়। যার বাজারমূল্য প্রায় সাড়ে চার কোটি টাকা। গ্রেফতার করা হয়েছিল ওই ট্রাকের চালককে। কিন্তু তাতেও সোনা পাচার কমছে না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। প্রশ্ন উঠেছে সীমান্তবর্তী থানাগুলির ভূমিকা নিয়েও।

    বিএসএফের আধিকারিক কী বললেন?

    বিএসএফের (BSF) ৬৮ নম্বর ব্যাটালিয়নের এক আধিকারিক বলেন, ‘সোনা পাচারের সময় একজনকে ধরা হয়েছে। তার কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ সোনা উদ্ধার হয়েছে। উদ্ধার হওয়া সোনার বিস্কুটের বাজারমূল্য প্রায় ১০ কোটি ৩২ লক্ষ টাকা। পাচারকারীর মোটরবাইকটি আটক করা হয়েছে।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dengue: বাংলাদেশে বাড়ছে ডেঙ্গি, সীমান্তে সক্রিয় কিট পাচারচক্র! কীভাবে?

    Dengue: বাংলাদেশে বাড়ছে ডেঙ্গি, সীমান্তে সক্রিয় কিট পাচারচক্র! কীভাবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সীমান্তে গরু পাচার, হেরোইন পাচার, সোনা পাচার হওয়ার খবর শোনা যায়। এবার ভারত-বাংলাদেশে উত্তর ২৪ পরগনা সীমান্ত এলাকায় ডেঙ্গি (Dengue) কিট পাচার চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে। কারণ, পুলিশ বিএসএফের নজর এড়িয়ে ছোট জিনিস পাচার করা তুলনায় সহজ। তাই, সীমান্তে এই কিট পাচার চলছে। পুলিশ ও বিএসএফের হাতে কয়েকজন পাচারকারী গ্রেফতারও হয়েছে। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে কয়েক লক্ষ টাকার কিট। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করেই এই তথ্য সামনে এসেছে।

    কেন বাংলাদেশে পাচার করা হচ্ছে ডেঙ্গি কিট? (Dengue)

    এ রাজ্যে হু হু করে বাড়ছে ডেঙ্গি। নদিয়া জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ৪ হাজার। উত্তর ২৪ পরগনা জেলাতেও বহু মানুষ আক্রান্ত। এর পাশাপাশি বর্ষায় বাংলাদেশেও ডেঙ্গির (Dengue) প্রকোপ ছড়িয়েছে। সে কারণেই ও দেশে ডেঙ্গি পরীক্ষার কিটের চাহিদা বেড়েছে। তা ছাড়া, পাচারকারীদের জেরা করে পুলিশ জানতে পেরেছে ভারত থেকে বাংলাদেশে কিট নিয়ে যেতে পারলে লাভ অনেক বেশি।বিভিন্ন বেসরকারি ল্যাবরেটরি থেকে কিট কিনতে পাওয়া যায়। ওদেশে ডেঙ্গি পরীক্ষার খরচও অনেক বেশি। এখানে যদি ডেঙ্গি পরীক্ষার জন্য ১০০ টাকা খরচ হয়, বাংলাদেশে খরচ পড়ে ১ হাজার টাকা। তাই এই চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে। ডেঙ্গি কিটের মতো ছোট জিনিস পাচারে ঝুঁকি অনেক কম। সীমান্তে থাকা কাঁটাতারের ওপারে ডেঙ্গি কিটের ব্যাগ ছুঁড়ে ফেলতে হবে। কাজ ঠিকঠাক হলেই মিলবে টাকা। পরে, পাচারকারীরা এসে সেই ব্যাগ নিয়ে চলে যায়। ডেঙ্গি কিট পাচার চক্রের সদস্যেরা নানা টোপ দিয়ে গ্রামের চাষি, বেকার যুবকদের এ কাজে লাগানোর চেষ্টা করছে।

    পুলিশ প্রশাসনের কী বক্তব্য?

    সম্প্রতি পেট্টাপোল থানার পুলিশের কাছে খবর এসেছিল, এক বাংলাদেশি পাচারকারী পেট্রাপোল সীমান্ত দিয়ে এ দেশ থেকে ডেঙ্গির (Dengue) কিট পাচার করার চেষ্টা করছে। ওই পাচারকারী আগেও এই কাজ করেছে। পুলিশ পেট্রাপোল সীমান্তে নজরদারি বাড়ায়। পাচারকারী সীমান্ত এলাকায় আসতেই তাকে হাতেনাতে পাকড়াও করা হয়। ধৃতের নাম মহম্মদ সোহেল রানা। বাড়ি বাংলাদেশের বেনাপোল থানার সাদিপুর এলাকায়। তার কাছ থেকে ৬৮ প্যাকেট ডেঙ্গির কিট আটক করা হয়। এক একটি প্যাকেটে ২৫টি করে কিট ছিল, যার মূল্য প্রায় ৪ লক্ষ টাকা। ধৃতকে জেরা করে পুলিশ জানিয়েছে, ২০২২ সালের নভেম্বর মাস থেকে ওই দুষ্কৃতী কয়েক বার ভারতে এসেছিল বৈধ পাসপোর্ট ও ট্যুরিস্ট ভিসা নিয়ে। প্রতি বারই সে ডেঙ্গির কিট কলকাতা থেকে কিনে বাংলাদেশে পাচার করেছে। এ বারই প্রথম ধরা পড়ল। এর আগেও একজনের কাছে থেকে ৯ লক্ষ টাকার কিট বাজেয়াপ্ত করা হয়। বনগাঁর এসডিপিও অর্ক পাঁজা বলেন, সন্দেহজনক কাউকে দেখলে তল্লাশি করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Road: খানাখন্দে ভরা রাস্তা সারাতে কী করলেন এলাকাবাসী?

    Road: খানাখন্দে ভরা রাস্তা সারাতে কী করলেন এলাকাবাসী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ বহু বছর আগে বালুরঘাট ব্লকের অমৃতখন্ড গ্রাম পঞ্চায়েতের দোল্লা থেকে শালগ্রাম সীমান্ত পর্যন্ত  প্রায় দীর্ঘ ৬ কিলোমিটার পিচের রাস্তা (Road) তৈরি করে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু, সেই রাস্তায় নিয়মিত নজরদারির অভাবে পিচের অস্তিত্ব এখন নেই বললেই চলে। দিনের পর দিন খানাখন্দে ভরা এই রাস্তা(Road) দিতে যেতে কালঘাম ছোটে এলাকাবাসীর। এই রাস্তার (Road) উপর আশপাশের কয়েক হাজার মানুষ নির্ভরশীল। কিন্তু, বাস্তবে পিচের উপর প্রলেপ দেওয়ার কোনও উদ্যোগই চোখে পড়েনি এলাকাবাসীর। তাঁরা জোটবদ্ধ হয়ে গণস্বাক্ষর করে প্রশাসনের কাছে রাস্তা সংস্কার করার জন্য দরবার করেছেন।  ক্ষুব্ধ এই এলাকার হাজার হাজার বাসিন্দারা।

    সামনে পঞ্চায়েত ভোট। বেহাল রাস্তা নিয়ে কী বলছেন এলাকাবাসী? Road

    এই  রাস্তাটি (Road) অমৃতখণ্ড গ্রাম পঞ্চায়েতের দোল্লা এলাকার জাতীয় সড়ক থেকে  শালগাম সীমান্ত হয়ে শহরের দিকে গিয়েছে।  এই রাস্তার ধারে দোল্লা, ডুমুইর,শনিহারা -বিরহীনি, ঝিনাই পোতা, হাসইল, অযোধ্যা গ্রাম রয়েছে।  এছাড়াও বালুরঘাট শহরের ১৫ এবং ২০ নম্বর ওয়ার্ডবাসীর ভরসা এই রাস্তা।  শহরের দিকে রাস্তাটি (Road) ঠিক থাকলেও, গ্রামীণ এলাকার মানুষেরই দুর্ভোগ বেশি। প্রতিদিন এই রাস্তা দিয়ে কয়েক হাজারেরও বেশি মানুষ যাতায়াত করেন। সীমান্তের গ্রামের বাসিন্দাদের শহরের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য এই রাস্তাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আর কঙ্কালসার রাস্তাটিতে হামেশাই ঘটছে ছোটখাট দুর্ঘটনা। বেহাল রাস্তাটি অবিলম্বে সংস্কারের দাবি তুলেছেন স্থানীয় মানুষজন।  অভিযোগ (Road), দীর্ঘ কয়েকবছর ধরে এই গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাটি সংস্কারে পঞ্চায়েত বা জেলা পরিষদ এমনকী পূর্ত দফতরের কোনও হেলদোল নেই। অথচ এই রাস্তার (Road) ধারেই রয়েছে বেশ কয়েকটি প্রাথমিক, উচ্চমাধ্যমিক ও স্বাস্থ্যকেন্দ্র।। প্রতিদিন তাই এই রাস্তার উপরই নির্ভর করেন হাজার হাজার বাসিন্দা।  স্থানীয় বাসিন্দা সুজিত কর্মকার বলেন, রাস্তাটি(Road) আমাদের কাছে  বিভীষিকা হয়ে উঠেছে। রাস্তায় অসংখ্য গর্ত। ছোট খাটো দুর্ঘটনা ঘটেই চলেছে। কেউই দেখার নেই। আমরা বাসিন্দারা গনস্বাক্ষর করে রাস্তা সংস্কারের দাবি জানিয়েছি। মিনতি লোহার নামে এক বাসিন্দা বলেন, রাস্তা থেকে পিচ উঠে যাওয়ায়  টোটো বা অন্যান্য কোনও গাড়ি  যেতে খুব সমস্যা হয়। রোগীকে অ্যাম্বুল্যান্স করে নিয়ে যেতে চরম নাকাল হতে হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের সকলের বক্তব্য, সামনেই পঞ্চায়েত ভোট। রাস্তা সংস্কারের জন্য সকলের কাছে আমরা দরবার করব। আর রাস্তা ঠিক না হলে প্রয়োজনে আন্দোলন করব।

    যদিও এই বিষয়ে বিজেপি পরিচালিত অমৃতখন্ড গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান অনুপ সরকার বলেন, পিচের রাস্তা (Road) ব্লক ও জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে সংস্কার করা হয়। পঞ্চায়েত তা করতে পারে না। আমরা সংস্কার করতে পারলে বহু আগেই তা সংস্কার করে দিতাম। কয়েকবার রাস্তাটি সংস্কার করার জন্য চিঠি দিয়েছি। আবার তাদের জানাব। কিন্তু, রাস্তা সংস্কার করার বিষয়ে কেউ কোনও উদ্যোগ নিচ্ছে না।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Animal: মালদহের আমবাগানে আচমকা দেখা মিলল নীল গাইয়ের, তারপর কী হল?

    Animal: মালদহের আমবাগানে আচমকা দেখা মিলল নীল গাইয়ের, তারপর কী হল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ আমবাগানে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে নীলগাই (Animal)। নিজেদের চোখকে বিশ্বাস করতে পারছিলেন না ইংরেজবাজার ব্লকের যদুপুর-২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের আমজামতলা গ্রামের  সুকুমার সাহা, নয়ন মণ্ডলরা। মুহূর্তের মধ্যে সেই খবর ভাইরাল হয়ে যায়। আর চোখের দেখা এক পলক দেখতে ভিড় জমালেন এলাকার বাসিন্দা। দিনভর নীলগাইকে নিয়ে মজেছিলেন আমজামতলার বাসিন্দারা। অনেকে কাছে গিয়ে তাকে ধরার চেষ্টা করলেন। কিন্তু, তার নাগাল পেল না কেউ। গত বছর মে মাস নাগাদ মালদহের হরিশচন্দ্রপুরের কনকনিয়া এলাকায় নীলগাই দেখতে পেয়েছিলেন এলাকাবাসী। সাধারণত উত্তরপ্রদেশ এবং মহারাষ্ট্রের জঙ্গলে নীলগাই সব থেকে বেশি দেখা যায়। মালদহের আদিনা ডেয়ার পার্কেও নীলগাই (Animal) রয়েছে। ফলে, বহু আগে থেকে নীল গাইয়ের সঙ্গে এই জেলার মানুষ পরিচিত। তবে, বাড়ির দুয়ারে এভাবে নীলগাই চলে আসবে তা গ্রামের বাসিন্দারা ভাবতেও পারেননি।

     কোথায় থেকে এসেছিল নীল গাইটি? Animal

    আমজামতলা গ্রামের ধার দিয়ে পরই মহানন্দা নদী বয়ে গিয়েছে। নদীর ওপারেই বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জ এলাকা। বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া ওই এলাকায় বিশাল ঘন জঙ্গল রয়েছে। সেখানে নীল গাই থাকতে পারে। গরম পড়তেই মহানন্দা নদীতে এখন হাঁটু সমান জল।  সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়াজাল এই এলাকায় অনেকটা এলাকা জুড়ে নেই বললেই চলে।  ফলে, খুব সহজেই বাংলাদেশ থেকে আসা সম্ভব। স্থানীয়দের আশঙ্কা, নদীর জল কম থাকায় বাংলাদেশের ওই জঙ্গল থেকে নীলগাইটি আমজামতলায় চলে আসে। এই গ্রামে সুকুমার সাহার একটি নার্সারি রয়েছে। সেখানেই প্রথম নীলগাইটি (Animal) সকলের নজরে পড়ে। সুকুমারবাবু বলেন, অন্যদিনের মতো আমি নার্সারিতে কাজ করছিলাম। আচমকাই হরিণের মতো একটি প্রাণীকে (Animal) আমবাগানের কাছে ঘোরাঘুরি করতে দেখি। কাছে গিয়ে বুঝতে পারি নীল গাই। স্থানীয় বাসিন্দা বাবলু হালদার, নয়ন মণ্ডলদের মতো গ্রামের প্রচুর মানুষ আম বাগানে ছুটে আসেন। খবর যায় আশপাশের গ্রামে। কেউ টোটো ভাড়া করে, কেউ বাইক নিয়ে আমজামতলায় ভিড় করেন। অনেকে চোখের সামনে নীলগাই দেখে মোবাইলে ছবিও তোলেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, সীমান্ত লাগোয়া গ্রাম। আমাদের জেলায় নীল গাই আদিনা ডেয়ার পার্ক ছাড়া কোথাও নেই। কিন্তু, সেখান থেকে নীল গাই আসার কোনও সম্ভাবনা নেই। এখন সীমান্তের ওপারে বাংলাদেশ। সেখানকার জঙ্গল থেকে নদী পেরিয়ে এই নীল গাই এখানে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। বন দপ্তরকে জানানো হয়। তবে, বন দপ্তরের কর্মীরা আসার আগেই সোমবার সন্ধ্যার পর আর নীলগাইটিকে গ্রামের কোথাও দেখা যায়নি। মঙ্গলবার সকাল থেকে গ্রামের বাসিন্দারা নীলগাইয়ের খোঁজে তল্লাশি চালায়। কিন্তু, কোথাও তার হদিশ মেলেনি। সম্ভবত, সোমবার রাতের অন্ধকারে নীলগাইটি ফের নদী পেরিয়ে বাংলাদেশের সীমান্ত লাগোয়া জঙ্গলে ফিরে গিয়েছে। এই বিষয়ে জানতে বন দপ্তরের এক আধিকারিককে ফোন করা হলে তিনি ফোন না তোলায় কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Indo Pak Border: সীমান্তে ফের মিলল চিনে তৈরি ড্রোন, তারপর…

    Indo Pak Border: সীমান্তে ফের মিলল চিনে তৈরি ড্রোন, তারপর…

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সীমান্তে (Indo Pak Border) মিলল চিনা ড্রোন। তবে সেটি নষ্ট হয়ে গিয়েছে। বিএসএফ এই ড্রোনটি খুঁজে পেয়েছে। পঞ্জাবের অমৃতসর জেলার ছান্না কালান গ্রামের একটি খেতে মিলেছে ড্রোনটির ধ্বংসাবশেষ। বিএসএফের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি রাতে বিএসএফের টহলদারি দলটি খেতে ড্রোনটিকে পড়ে থাকতে দেখে। প্রোটোকল মেনে সঙ্গে সঙ্গেই পদক্ষেপ করে বিএসএফের ক্যুইক রেসপন্স টিম। ড্রোনটিকে কোয়াডকপ্টার হিসেবে চিহ্নিত করেছে বিএসএফ (Indo Pak Border)। ড্রোনটি ডিজেআই ম্যাভিক ৩ ক্লাসিকের। এই ধরনের ড্রোন চিনে তৈরি হয়।

    ব্যাপক তল্লাশি

    বিএসএফের তরফে জারি করা বিবৃতিতে এও বলা হয়েছে, যে এলাকায় ড্রোনটি পড়েছিল, সেই এলাকায় ব্যাপক তল্লাশি চালানো হয়েছে। রাত ৯টা ১২ মিনিট নাগাদ বিএসএফের টহলদারি ভ্যানটি আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত একটি ছোট্ট ড্রোনের হদিশ পায়। সেটি পড়েছিল খেতে। উদ্ধার করার পরেই জানা যায়, ড্রোনটি কোন গোত্রের, তৈরিই বা হয়েছিল কোথায়। ড্রোনটির গতিবিধি সম্পর্কেও জানার চেষ্টা করছে বিএসএফ। গত শুক্রবারই চিনে তৈরি একটি ড্রোনকে গুলি করে নামিয়েছিল বিএসএফ। ঘটনাটি ঘটেছিল পঞ্জাবেরই গুরুদাসপুরে ভারত-পাকিস্তান আন্তর্জাতিক সীমান্তের কাছে।

    ড্রোনের মাধ্যমে পাচার

    পঞ্জাবে ভারত-পাক সীমান্তে ড্রোন উদ্ধারের ঘটনা অবশ্য এই প্রথম নয়। এর আগেও একাধিকবার পাকিস্তান থেকে পাঠানো ড্রোন গুলি করে নামিয়েছে বিএসএফ। এই ড্রোনের মাধ্যমে কখনও মাদক, কখনও আবার অস্ত্র পাচার করছে পাকিস্তানে ঘাঁটি গেড়ে থাকা দুষ্কতীরা।

    আরও পড়ুুন: সুবক্তা, দলের একনিষ্ঠ সৈনিক শমীক ভট্টাচার্যকেই রাজ্যসভায় পাঠাচ্ছে বিজেপি

    জানা গিয়েছে, পঞ্জাব লাগোয়া পাকিস্তান সীমান্ত থেকে গত এক বছরে একশোরও বেশি ড্রোন উদ্ধার করেছে বিএসএফ। উদ্ধার করা হয়েছে ৫০০ কেজিরও বেশি মাদক। বিএসএফের তরফে জানানো হয়েছে, গত বছর তারা সীমান্ত লাগোয়া এলাকা থেকে গুলি করে নামিয়েছে ১০৭টি ড্রোনকে। ৪৪৫ কেজি হেরোইন, ২৩টি অস্ত্র ও ৫০৫ রাউন্ড গুলিও উদ্ধার করেছে বিএসএফ (Indo Pak Border)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • BSF: মানবিক বিএসএফ! সীমান্তের জিরো পয়েন্টে বাবাকে শেষ শ্রদ্ধা জানালেন মেয়ে

    BSF: মানবিক বিএসএফ! সীমান্তের জিরো পয়েন্টে বাবাকে শেষ শ্রদ্ধা জানালেন মেয়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাম লিয়াকত মণ্ডল। তাঁর বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনার বাগদার হরিহরপুরে। বেশ কয়েকবছর আগে বাংলাদেশের এক যুবকের সঙ্গে মেয়ের বিয়ে দিয়েছিলেন। মেয়ে এখন বাংলাদেশের নাগরিক। অসুস্থতার কারণে লিয়কত সাহেবের মৃত্যু হয়। বিএসএফের (BSF) সহযোগিতায় মৃত বাবাকে শেষ দেখা দেখতে পেলেন সীমান্তের ওপারে থাকা মেয়ে। সাদা কাপড়ে মোড়া বাবার দেহ দেখে কান্নায় ভেঙে পড়লেন তিনি। বিএসএফের মানবিক মুখ দেখলেন সকলে।

    ঠিক কী ঘটেছিল? (BSF)

    বাবার মৃত্যুর খবর বাংলাদেশে থাকা মেয়ের কাছে পৌঁছেছিল। কিন্তু, পাসপোর্ট জটে আটকে কাঁটাতার পেরিয়ে ভারতে আসতে পারেননি বাংলাদেশের বাসিন্দা মেয়ে। আর দ্রুত পাসপোর্ট ভিসা তৈরি করে তাঁর পক্ষে আসা সম্ভব ছিল না। বিজিবি- বিএসএফের (BSF) কাছে তাঁর কাতর আবেদন ছিল, যেন একবার বাবাকে শেষ দেখা দেখতে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। কারণ, বাবার মৃত্যুর খবর পেয়ে মেয়ে আসতে চেয়েছিলেন পৈতৃক ভিটেতে। তাঁর ইচ্ছা ছিল, বাবার মৃতদেহ শেষবার দেখার। লিয়াকত সাহেবের পরিবারের লোকজন হরিহরপুর গ্রামের পঞ্চায়েত সদস্যকে বিষয়টি জানান। পঞ্চায়েত সদস্য মধুপুর ক্যাম্পের বিএসএফ কর্তাদের অনুরোধ করেন, লিয়াকত সাহেবের মেয়েকে যাতে শেষবারের মতো বাবাকে দেখতে দেওয়া হয়। এরপরই বিএসএফের পক্ষ থেকে বিজিবির সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। বিজিবি-র মাধ্যমে মেয়েকে দু’দেশের জিরো পয়েন্টে আনার কথা বলা হয়। এরপরই সীমান্তের জিরো পয়েন্টে লিয়াকতের মৃতদেহ আনা হয়। ওপার থেকে মেয়েও আসেন। শেষমেশ বিএসএফের (BSF) সহযোগিতায় জিরো পয়েন্টে লিয়াকত সাহেবের দেহ আনা হয়। বাবাকে শেষ দেখার পাশাপাশি শেষ শ্রদ্ধাও জানান মেয়ে।

    বিএসএফ নিয়ে কী বললেন বাংলাদেশের বধূ?

    লিয়াকত সাহেবের মেয়ে বলেন, ‘বাবার মৃত্যুর খবর পেয়ে মন ছটফট করছিল। কিন্তু, দুদেশের আইনি জটে সীমান্ত পেড়িয়ে আসা সম্ভব হচ্ছিল না। কিন্তু, বিএসএফ (BSF) উদ্যোগী হওয়ায় বাবার সঙ্গে শেষ দেখা করতে পারলাম। বিএসএফের কাছে আমি কৃতজ্ঞ।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bhairon Singh Rathore: মারা গেলেন ১৯৭১-এ পাক যুদ্ধের সৈনিক ভৈরোঁ সিং রাঠোর! শোকবার্তা প্রধানমন্ত্রীর

    Bhairon Singh Rathore: মারা গেলেন ১৯৭১-এ পাক যুদ্ধের সৈনিক ভৈরোঁ সিং রাঠোর! শোকবার্তা প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রয়াত হলেন ১৯৭১ সালে পাকিস্তান যুদ্ধের সৈনিক ভৈরোঁ সিং রাঠোর। জে পি দত্তর বিখ্যাত ছবি বর্ডারে সুনীল শেট্টির চরিত্রটি তৈরি হয়েছিল তাঁকে নিয়েই। রাজস্থানের প্রাক্তন সেনা ভৈরোঁ সিং রাঠোরের (Bhairon Singh Rathore) অনুকরণে তৈরি হয়েছিল এই চরিত্র। ভারতীয় সীমান্তরক্ষা বাহিনীর এই কিংবদন্তি সেনা ভৈরোঁ সিং রাঠোর ছিলেন দেশের গর্ব। ১৯৭১ সালে ভারত-পাক যুদ্ধে (1971 India-Pakistan war) অনন্য বীরত্বের নজির রেখেছিলেন তিনি। লোঙ্গেওয়ালা পোস্টে তাঁরই নেতৃত্বে মাত্র ১২০ জন সেনা মিলে রুখে দিয়েছিলেন পাক সেনার ট্যাঙ্ক বাহিনীকে! দু’হাজার সদস্যের সেই বাহিনীর তুলনায় ভারতীয় সেনার আয়তন ছিল নিতান্তই কম। কিন্তু কম ছিল না সাহস এবং শক্তি। তারই ফলস্বরূপ এসেছিল জয়। ১৯৭২ সালে সেনা পদকও পেয়েছিলেন ভৈরোঁ সিং রাঠোর। জীবনের তোয়াক্কা না করে নিজের মার্তৃভূমিকে বাঁচানোর জন্য লড়েছিলেন BSF-এর নায়েক ভৈরোঁ সিং।

    সোমবার জয়পুরের AIIMS-এ প্রয়াত হন ৮১ বছরের ভৈরোঁ সিং রাঠোর। ১৯৭১ সালের যুদ্ধের এই নায়কের প্রয়াণে শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শ্রদ্ধা জানিয়েছে তাঁর চরিত্রকে পর্দায় ফুটিয়ে তোলা অভিনেতা সুনীল শেট্টিও। পরিবার সূত্রে জানানো হয়েছে ১৪ ডিসেম্বর যোধপুরের অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সে ভর্তি করা হয় তাঁকে। ICU-তে তাঁর চিকিৎসা চলছিল। প্রয়াত নায়েক ভৈরোঁ সিংয়ের ছেলে জানিয়েছেন, বেশ কিছুদিন ধরেই তাঁর বাবা অসুস্থ ছিলেন। তাঁর পায়ে পক্ষাঘাতের লক্ষণ দেখা গিয়েছিল। সম্ভবত ব্রেন স্ট্রোক হয়েছিল তাঁর।

    আরও পড়ুন:নকাশ্মীরে সেনা অভিযানে খতম পণ্ডিত হত্যায় মূল অভিযুক্ত সহ ৩ লস্কর জঙ্গি

    সেদিনের কাহিনী

    ১৯৭১ সালে রাজস্থান সীমান্তে মরুভূমি দিয়ে পাকিস্তান ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করে। চোখে-চোখ রেখে লড়াই করে ভারতীয় সেনা। জয়শলমেরে থর মরুভূমির মাঝে লোঙ্গেওয়ালা পোস্টে ডিউটিতে ছিলেন নায়েক ভৈরোঁ সিং। সঙ্গে ছিলেন আরও ছয় থেকে সাত জন BSF জওয়ান। পরে তাঁদের সঙ্গে যোগ দেয় সেনার ২৩ পঞ্জাব রেজিমেন্টের ১২০ জন। তবে এই ছোট্ট বাহিনীই ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর রুখে দেয় পাকিস্তানের সেনা ব্রিগেডকে। ধংস করে দেয় পাক সেনার ট্যাঙ্ক রেজিমেন্ট। দেশের পূর্ব এবং পশ্চিম দুই সীমান্তে পাক বাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধ চলেছিল সেই সময়। শেষপর্যন্ত হার মানতে বাধ্য হয় পাকিস্তান। ১৩ দিনের যুদ্ধের শেষে প্রায় ৯৩ হাজার সেনা নিয়ে ভারতের কাছে আত্মসমর্পণ করে পাক বাহিনী। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Bhutan Border: ৩০ মাস পর পুজোর মুখে খুলে গেল ভুটান সীমান্ত, খুশি পর্যটকরা

    Bhutan Border: ৩০ মাস পর পুজোর মুখে খুলে গেল ভুটান সীমান্ত, খুশি পর্যটকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুজোর মুখে সুখবর পর্যটকদের জন্য। দীর্ঘ দিন বন্ধ থাকার পর খুলে গেল ভুটান সীমান্ত (Bhutan Border)। করোনা অতিমারির জেরে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল ভুটান সীমান্ত। দীর্ঘ আড়াই বছর পর ফের পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হল ভুটানের দ্বার। ভুটানের রাষ্ট্রদূত (Ambassador) মেজর জেনারেল ভেটসপ নামগেল জানান, সম্পূর্ণ টিকাপ্রাপ্ত পর্যটকদেরই ভুটানে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। এই পর্যটকদের আলাদা করে নিভৃতবাসে থাকতে হবে না। শুধু ভ্যাকসিন নেওয়ার শংসাপত্র দেখালেই মিলবে রাজার দেশে প্রবেশাধিকার। করোনা অতিমারির বাড়বাড়ন্ত রুখতে ভুটান সরকার দীর্ঘদিন ধরে বাইরের পর্যটকদের (Tourist) দেশে প্রবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। সরকারের প্রাথমিক উদ্দেশ্য ছিল, প্রাণহানি রোধ করা। সরকারের কঠোর সিদ্ধান্তের জেরে হিমালয়ের কোলে অবস্থিত ছোট্ট এই দেশটিতে করোনায় মৃত্যুর হারও ছিল কম। 

    আরও পড়ুন: ভারতকে নিশানা করে মিথ্যা অভিযোগ! নিরাপত্তা পরিষদে ফাঁস হল পাকিস্তানের দ্বিচারিতা

    ভুটানের রাষ্ট্রদূত জানান, ভুটানে রাত্রিবাস করলে পর্যটকদের দিতে হবে দৈনিক ফি। ভারতীয়দের জন্য এই ফি-র পরিমাণ ধার্য করা হয়েছে ১২০০ টাকা (Rupee) করে। অন্যান্য দেশের পর্যটকদের জন্য ধার্য করা হয়েছে ২০০ মার্কিন ডলার। ভারত-চিন সেনা সংঘর্ষের প্রভাব পড়ছে প্রতিবেশী দেশ ভুটানেও। ২০১৭ সালে ভুটানের ডোকালাম(Doklam) সীমান্তে ভারত চিন সেনার সম্মুখ সমরের প্রভাব পড়েছিল সেদেশের পর্যটন শিল্পের ওপর। তবে এদিন রাষ্ট্রদূত জানিয়েছেন, সীমান্তের সমস্যা পর্যটন ক্ষেত্রে কোনও সমস্যার সৃষ্টি করবে না।

    ভুটান কর্তৃপক্ষের এই ঘোষণার পরে খুশির হাওয়া পর্যটকদের মধ্যে। এদিনই উত্তরবঙ্গের আলিপুরদুয়ার জেলার জয়গাঁও-ফুন্টশোলিং সীমান্তে (Border) কয়েকশো ভারতীয় ও ভুটানি নাগরিককে দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করতে দেখা গিয়েছে। প্রসঙ্গত, শুধুমাত্র ২০২০ সালেই ভুটানে গিয়েছিলেন ২৯ হাজার ৮১২ জন পর্যটক। এর মধ্যে ২২ হাজার ২৯৮ জন গিয়েছিলেন শুধু ভারত থেকেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
LinkedIn
Share