Tag: Border

Border

  • Amit Shah: জঙ্গিদের অসৎ পরিকল্পনা ব্যর্থ করতে বিভিন্ন সংস্থাকে উদ্যোগী হওয়ার নির্দেশ শাহের

    Amit Shah: জঙ্গিদের অসৎ পরিকল্পনা ব্যর্থ করতে বিভিন্ন সংস্থাকে উদ্যোগী হওয়ার নির্দেশ শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সীমান্ত অঞ্চলে সন্ত্রাসবাদীদের অসৎ পরিকল্পনা ব্যর্থ করতে বিভিন্ন সংস্থাকে উদ্যোগী হওয়ার নির্দেশ দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। মঙ্গলবার শ্রীনগরের রাজভবনে একটি উচ্চ-স্তরের নিরাপত্তা পর্যালোচনা বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন তিনি। সেখানে জম্মু-কাশ্মীর কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি ছিল মূল আলোচ্য বিষয়। সম্প্রতি কাঠুয়া-জম্মু সীমান্তে অনুপ্রবেশ এবং জম্মু বিভাগের অভ্যন্তরীণ অঞ্চলের পরিস্থিতি উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

    উন্নয়নমূলক কাজের অগ্রগতি পর্যালোচনা (Amit Shah)

    এর আগে এদিনই শাহ আর একটি বৈঠকে সভাপতিত্ব করে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন। কেন্দ্রশাসিত এই অঞ্চলে বিভিন্ন পরিকাঠামো ও জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা করা হয়। তাঁকে জানানো হয় যে জম্মু-শ্রীনগর হাইওয়ের আপগ্রেডেশন, একাধিক নতুন সেতু নির্মাণ এবং রাস্তা চওড়া করার ফলে দুই প্রধান শহরের মধ্যে সফরের সময় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গিয়েছে। আগে জম্মু থেকে শ্রীনগরে যেতে আট ঘণ্টা বা তারও বেশি সময় লাগত। চেনানি ও বানিহাল টানেল এবং রাস্তা চওড়া করায় এখন এই সময় কমে প্রায় অর্ধেক হয়ে গিয়েছে (Terrorists)।

    ট্রেন পরিষেবার উদ্বোধন

    আগামী ১৯ বা ২০ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কাটরা-শ্রীনগর ট্রেন পরিষেবার উদ্বোধন করতে পারেন। এটি একটি পরিকাঠামো প্রকল্প, যার লক্ষ্য রেল নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কাশ্মীরকে দেশের বাকি অংশের সঙ্গে যুক্ত করা। জানুয়ারির মাঝামাঝি সময় থেকে কাশ্মীরে নিয়মিত ট্রেন চলাচল পরিষেবা শুরু করার পরিকল্পনা ছিল। তবে নিরাপত্তা সংক্রান্ত উদ্বেগের কারণে এটি এখনও শুরু হয়নি। আশা করা হচ্ছে, শীঘ্রই পর্যটকরা ট্রেনে করে কাশ্মীর ভ্রমণ করতে পারবেন (Amit Shah)।

    বৈঠকে যাঁরা ছিলেন

    এদিনের নিরাপত্তা পর্যালোচনা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জম্মু ও কাশ্মীরে কর্মরত সমস্ত নিরাপত্তা সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তারা। এঁদের মধ্যে ছিলেন সেনা, সিআরপিএফ, বিএসএফ এবং জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ। তাঁরা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত করেন। বর্তমানে যে সব অভিযান চলছে এবং আন্তর্জাতিক সীমান্ত ও নিয়ন্ত্রণ রেখায় বাড়তি সতর্কতার প্রয়োজনীয়তা নিয়েও আলোচনা করেন। সীমান্ত অঞ্চলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে এবং আন্তঃসীমান্ত অনুপ্রবেশ রোধ করার উপায় নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়। শাহ নিরাপত্তা বাহিনীকে নির্দেশ দেন, তারা যেন অসাংবিধানিক উপাদান এবং জঙ্গিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়। এর পাশাপাশি সাধারণ মানুষের আস্থা পেতে তাদের অপারেশনে জনবান্ধব পদক্ষেপ বজায় রাখার ওপরও জোর দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন নিরাপত্তা বাহিনীর এক পদস্থ কর্তা। তিনি বলেন, “স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াই অবশ্যই নিরন্তর হতে হবে। কিন্তু জনগণের প্রতি সংবেদনশীল দৃষ্টিভঙ্গি বজায় রাখতে হবে।”

    জম্মু ও কাশ্মীর কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল

    জম্মু ও কাশ্মীর কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল (Terrorists)। তাই কেন্দ্র সরাসরি এর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করে। শাহ বলেন, “এই অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতায় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে।” লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহা কেন্দ্রশাসিত এই অঞ্চলের স্বরাষ্ট্র বিভাগের দায়িত্বে রয়েছেন। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তিনিও (Amit Shah)। বর্তমান পরিস্থিতিতে কেন্দ্রশাসিত এই অঞ্চলে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি রক্ষায় মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লার ভূমিকা আর আগের মতো নেই। গত কয়েক বছরে নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যালোচনা সংক্রান্ত নতুন প্রোটোকল গড়ে উঠেছে। তার ফলে এখন এই অঞ্চলের বিষয়গুলিতে কেন্দ্রীয় সরকারের তদারকি আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

    উন্নয়ন নিশ্চিত করার নির্দেশ

    এর আগে উন্নয়ন পর্যালোচনা সভায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কেন্দ্রীয় সরকারের উন্নয়ন অ্যাজেন্ডার অধীনে বাস্তবায়িত গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামো ও কল্যাণমূলক প্রকল্পগুলির অগ্রগতি মূল্যায়ন করেন। এই সভায় মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা এবং লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ  সিনহাও অংশ নেন। এর পাশাপাশি কেন্দ্র ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের উচ্চপদস্থ কর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।আলোচনার মূল লক্ষ্য ছিল পরিকাঠামো উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা, পর্যটন বৃদ্ধি, সংযোগ সুবিধা উন্নত করা এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলজুড়ে কল্যাণমূলক (Terrorists) প্রকল্পের বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা। শাহ বলেন“জম্মু ও কাশ্মীরের দ্রুত ও সমৃদ্ধিশালী উন্নয়ন নিশ্চিত করতে কেন্দ্র সম্পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের লক্ষ্য হল জম্মু ও কাশ্মীর উভয় অঞ্চলের মানুষের জীবনে পরিবর্তন আনা (Amit Shah)।”

    তিনদিনের ভূস্বর্গ সফরের সময় শাহ স্থানীয় প্রতিনিধিদের সঙ্গেও আলোচনা করেন। শাসন ব্যবস্থা, উন্নয়ন ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত নানা বিষয়ে তিনি স্থানীয়দের মতামতও নেন। আন্তর্জাতিক সীমান্ত বরাবর কাঠুয়া জেলার হীরানগর সেক্টর পরিদর্শনের সময় শাহ বিএসএফ কর্মীদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দেন। একটি অভিজাত সীমান্ত সুরক্ষা ইউনিট (Terrorists) হিসেবে বাহিনীর প্রশংসাও করেন তিনি (Amit Shah)।

  • BSF: অস্ত্র ব্যবহার কীভাবে করতে হয়, বাংলাদেশ সীমান্তে থাকা বাসিন্দাদের দেখাল বিএসএফ

    BSF: অস্ত্র ব্যবহার কীভাবে করতে হয়, বাংলাদেশ সীমান্তে থাকা বাসিন্দাদের দেখাল বিএসএফ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিন্ময় প্রভু গ্রেফতার হওয়ার পর থেকেই উত্তাল বাংলাদেশ। হিন্দুদের ওপর ক্রমাগত হামলার ঘটনা ঘটছে। কলকাতা দখলের হুমকি দিয়েছে তারা। বাংলাদেশের সার্বিক পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে সীমান্তে নজরদারি আরও জোরদার করতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর দফতরও সক্রিয়। এই আবহের মধ্যে রাজ্যের উত্তরবঙ্গ সীমান্তে বিএসএফের (BSF) পক্ষ থেকে বড় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হল। যুদ্ধক্ষেত্রে কীভাবে অস্ত্র ব্যবহার করতে হয়, তা সীমান্ত এলাকার আমজনতাকে দেখাল বিএসএফ।

    বিএসএফের পক্ষ থেকে কী উদ্যোগ নেওয়া হয়? (BSF)

    সীমান্তে শত্রু পক্ষের সঙ্গে মোকাবিলা করার ক্ষেত্রে বিএসএফের (BSF) ব্যবহৃত অত্যাধুনিক অস্ত্র প্রদর্শনী-সহ সীমান্তে অপরাধমূলক কাজ রুখতে ডগ স্কোয়াডের প্রদর্শনীও হয়। বিএসএফের উত্তরবঙ্গ ফ্রন্টিয়ারের পক্ষ থেকে ভারত বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী জেলার গ্রাম এবং শহরগুলিতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সোমবার জলপাইগুড়ি শহরে অস্ত্র প্রদর্শনী, কেরিয়ার কাউন্সিলিং-সহ অন্যান্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল ব্রিগেডিয়র রাজীব গৌতম সহ ৯৮/১৫১/০৬/৪০ নম্বর কোম্পানির উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। প্রসঙ্গত, সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করতে ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ঘোষণা করেছেন, “সংবেদনশীল এলাকাগুলিতে নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে আন্তঃরাষ্ট্রীয় সীমান্তের জন্য ব্যাপক বড় পরিকল্পনা আনছি। নিরাপত্তা বলয়ে কমপ্রিহেনসিভ ইন্টিগ্রেটেড বর্ডার ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে আনছি।” এই পরিস্থিতি বিএসএফের এই উদ্যোগ অভিনব।

    আরও পড়ুন: ‘‘ঢাকা থেকে ৩ লক্ষ হাতে টানা রিকশা রওনা দিয়েছে কলকাতা দখলের জন্য’’, কটাক্ষ শুভেন্দুর

    সীমান্তে কড়া নজরদারি বিএসএফের

    বাংলাদেশ জুড়ে অশান্ত পরিবেশ। এই অবস্থায় বাংলাদেশিদের অনুপ্রবেশের ঘটনা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কর্তারা। কারণ, ভারত ও বাংলাদেশের সীমান্তের (BSF) ৯০০ কিলোমিটারের বেশি রয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। এর মধ্যে আবার ৪০০ কিলোমিটারের বেশি বর্ডারে কাঁটাতার নেই। এইসব কাঁটাতারহীন সীমান্ত দিয়ে অবাধ অনুপ্রবেশ করতে পারে বাংলাদেশিরা। বিশেষ করে দুই ২৪ পরগনা এবং নদিয়া জেলার বর্ডারকেই টার্গেট করে। কারণ, এই তিন জেলা থেকে ভারতে প্রবেশ করলে খুব সহজেই শহর কলকাতার ভিড়ে মিশে যাওয়া যায়। কিছুদিন আগেই কলকাতার একটি হোটেল থেকে সেলিম মাতব্বর নামে একজন বাংলাদেশিকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি বাংলাদেশের বিএনপি দলের একজন সক্রিয় সদস্য বলে জানা গিয়েছে। তাঁকে জেরা করে জানা গিয়েছে, তিনি ২০২৩ সালে নদিয়া জেলার সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন। সেই কারণে বর্ডার এলাকায় নজরদারি বৃদ্ধি করেছে বিএসএফ।

    দক্ষিণবঙ্গ সীমান্তের ডিআইজি কী বললেন?

    এই বিষয়ে বিএসএফের (BSF) দক্ষিণবঙ্গ সীমান্তের ডিআইজি নীলোৎপল কুমার পাণ্ডে বলেন, “বিএসএফ সীমান্তে অনুপ্রবেশ, চোরাচালান রুখতে কড়া নজরদারি চালায়। বাংলাদেশে অশান্ত পরিস্থিতির জেরে অনুপ্রবেশ রুখতে নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে। জওয়ানদের সব সময়ে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।” জানা গিয়েছে, জওয়ানদের সাইকেল, সার্চ লাইট, দূরবীন সহ বিভিন্ন সামগ্রী দেওয়া হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BSF: সীমান্তে ১,৩০০ কোটি টাকার সোনা-রুপো বাজেয়াপ্ত, ১৫টি মানবপাচার বিরোধী ইউনিট গঠন

    BSF: সীমান্তে ১,৩০০ কোটি টাকার সোনা-রুপো বাজেয়াপ্ত, ১৫টি মানবপাচার বিরোধী ইউনিট গঠন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে সোনা ও রুপোর চোরাচালান ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছে। চলতি বছর অক্টোবর মাসের শেষে প্রায় ১,৩০০ কোটি টাকা মূল্যের এই মূল্যবান ধাতু আটক করেছে বিএসএফ (BSF)।

    আটক সোনা-রুপো (BSF)

    বিএসএফের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বাহিনী ২০২৪ সালের ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত (India Bangladesh Border) ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে মোট ১৭২.৮২৮ কেজি সোনা ও ১৭৮.৮০৫ কেজি রুপো আটক করা হয়েছে। গত বছর এই সময় আটক করা হয়েছিল ১৬৩.৩২৫ কেজি সোনা। এছাড়াও, বিএসএফ ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে ১১,৮৬৬.৭৮৮ কেজি মাদকদ্রব্য, ৩,২৬৫,৭০০টি জালনোট, ১৪টি আগ্নেয়াস্ত্র এবং ৫৭৪ রাউন্ড গোলাবারুদ আটক করেছে। বিএসএফ ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত সীমান্তে ৪,১৬৮ জনকে গ্রেফতার করেছে। ২২ জন চোরাচালানকারীকে নিউট্রিলাইজ করা হয়েছে।  

    মানবপাচার বিরোধী ইউনিট গঠন

    বার্ষিক প্রেস মিটে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিএসএফের (BSF) ডিরেক্টর জেনারেল দলজিত সিং চৌধুরী বলেন, “বাহিনী ভারত-বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সীমান্তে অনুপ্রবেশ, চোরাচালান এবং গ্রেফতারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।” তিনি বলেন, “বিএসএফ (BSF) ১৫টি মানবপাচার বিরোধী ইউনিট গঠন করেছে, যা স্থানীয় পুলিশ এবং সরকারি রেল পুলিশের সঙ্গে সমন্বয়ে রেলওয়ে স্টেশন এবং বাস স্ট্যান্ডে কাজ করছে।” তিনি জানান, অতিরিক্ত জনবল, বিশেষ পর্যবেক্ষণ সরঞ্জাম এবং যানবাহন মোতায়েন করে নজরদারি শক্তিশালী করার জন্য বিস্তারিত দুর্বলতা মানচিত্রও প্রস্তুত করা হয়েছে, যা অনুপ্রবেশ এবং চোরাচালান রোধে সহায়ক হবে।

    আরও পড়ুন: সশস্ত্র বাহিনীর বীরত্ব ও দেশপ্রেমের প্রতি শ্রদ্ধা, পতাকা দিবস তহবিলে দান করার আবেদন শাহের

    তিনি বলেন, “ইলেকট্রনিক সার্ভেইল্যান্স অফ ভানরেবল প্যাচেস (ESVP) প্রকল্পের অধীনে, সিসিটিভি এবং পিটিজি ক্যামেরা, আইআর সেন্সর এবং ইনফ্রারেড এলার্ম-সহ কমান্ড এবং কন্ট্রোল সিস্টেম সজ্জিত সমন্বিত পর্যবেক্ষণ প্রযুক্তি আন্তর্জাতিক সীমান্তের দুর্বল এলাকাগুলিতে সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলা করার জন্য স্থাপন করা হয়েছে।”

    ডিরেক্টর জেনারেল বলেন, “অনুপ্রবেশের অঞ্চল চিহ্নিত করা হয়েছে, সন্দেহভাজন রুটগুলিতে নজরদারি করা হচ্ছে এবং গ্রামবাসীদের সঙ্গে নিয়মিত বৈঠক ও যোগাযোগের মাধ্যমে সমন্বয় সাধন করা হচ্ছে।” তিনি বলেন, “রাতের সময় বেড়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্যাপক গাড়ি প্যাট্রোলিংও করা হয়, মোবাইল চেকপোস্ট স্থাপন করা হয় গভীর এলাকায় (India Bangladesh Border) এবং সংযোগ পয়েন্টগুলিতে (BSF)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: “মেয়ে-বউকে তুলে নিতে চায় ওরা”, বাংলাদেশ থেকে ফিরে বললেন সুনীতা

    Bangladesh: “মেয়ে-বউকে তুলে নিতে চায় ওরা”, বাংলাদেশ থেকে ফিরে বললেন সুনীতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিন্ময় প্রভুর গ্রেফতারের পর থেকে উত্তাল বাংলাদেশ। সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর ক্রমাগত অত্যাচার চলছে। বাংলাদেশের (Bangladesh) কী পরিস্থিতি, কী ভয়ানক অবস্থায় রয়েছেন সেখানকার হিন্দুরা, সেই অভিজ্ঞতার কথা শোনালেন বাংলাদেশ থেকে এপারে আসা বাসিন্দারা। প্রত্যকের চোখে-মুখে আতঙ্কের ছাপ।

    ভালো ভালো বউকে, মেয়েকে ওরা তুলে নিতে চায়! (Bangladesh)

    জানা গিয়েছে, দিন দশেক আগে বাংলাদেশের (Bangladesh) দিদি-দাদার বাড়িতে ঘুরতে গিয়েছিলেন বনগাঁর হরিদাসপুরের সুনীতি মৃধা। বছর পঞ্চাশের ওই মহিলার চোখেমুখে এখনও আতঙ্কের ছাপ। তিনি বলেন, “একদিন আমাকে এসে সেখানকার এক মুসলিম বলল, তোমরা নমঃশূদ্ররা ভারতে চলে যাও, নাহলে তোমাদের একটাকেও আস্ত রাখব না। “কী অবস্থা চলছে সেখানে? প্রশ্ন করতেই তিনি বললেন, “উরি বাবা, সে বলা যাবে না। বিশাল হামলা চলছে ওখানে। ভালো ভালো বউকে, মেয়েকে ওরা তুলে নিতে চায়। জামাতের দল আর খালাদের দল। মায়ের কাছ থেকে বাবার কাছ থেকে মেয়ে তুলে নিয়ে যাচ্ছে। ঘরে আগুন দিচ্ছে। জমি জমা দখল করে নেওয়ার হুমকি দিচ্ছে।” সুনীতির বক্তব্য, “দিনটা যা হোক করে কাটছে, কিন্তু রাতটা ভয়ঙ্কর। ওখানকার মানুষের প্রাণটা ধুকধুক করছে। ছেলেদের ধরে নিয়ে গিয়ে মারছে। আমাদের ভারতে যদি মুসলিমরা আসে চিকিৎসা করাতে, তাহলে আমি বলব ঘেঁটি ধরে বার করে দেওয়া উচিত। চাল গম, তেল কিচ্ছু পাঠানো যাবে না।”

    ইন্ডিয়ায় হয় না, বাংলাদেশে কেন?

    বাংলাদেশ (Bangladesh) থেকে আসা এক মুসলিম ব্যবসায়ী বলেন, “আমরা যারা ইন্ডিয়ায় আসি এখানকার পুলিশ প্রশাসন এখানকার মানুষ কোনওদিন কোনও প্রবলেম করে না। সবাই সাহায্য করে। কিন্তু,আমাদের দেশে সংখ্যালঘুদের ওপর যে ভাবে বাংলাদেশিরা অত্যাচার করছে সেটা দুঃখজনক।ওখানে ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দিয়েছে। তাদের ঘর থেকে মেয়েদের তুলে নিয়ে যাচ্ছে। যুদ্ধের সময় যেমন হত। এটা বেশিরভাগ করছে আমাদের দেশের মৌলবাদীরা। ওই ব্যবসায়ী বলেন, আমি ধর্মে মুসলিম। এতদিন ধরে ইন্ডিয়ায় আসি, আমার ওপর কোনও দিন কোনও অত্যাচার হয়নি। তাহলে আমাদের দেশে সংখ্যালঘুদের ওপর এই অত্যাচার কেন?” প্রশ্ন ওই ব্যবসায়ীর।

    শুভেন্দুর আন্দোলন বাংলাদেশে প্রভাব!

    শুভেন্দু অধিকারীর আন্দোলন যে বাংলাদেশে (Bangladesh) প্রভাব ফেলছে, সেকথাও বললেন বাংলাদেশ থেকে এদেশে আসা বাসিন্দারা। পেট্রাপোলে অরাজনৈতিক ব্যানারে প্রতিবাদে নেমেছে বিজেপি। সোমবারই তাতে শামিল হন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। হিন্দু বাঁচাও, সনাতনীদের রক্ষা করার সুর চড়ান তিনি। চিন্ময়কৃষ্ণের মুক্তির দাবি যাতে এপার বাংলা থেকে ওপার বাংলায়ও পৌঁছে যায়, তার দাবিতে বেলুন ওড়ান তিনি। বাংলাদেশে অশান্তি যারা পাকাচ্ছে, তাদের হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “ভারত বিশ্বের শক্তিশালী রাষ্ট্র। সীমান্তে অনেকগুলো শব্দদানব রাখা রয়েছে। দুটি যদি ঘুরিয়ে দেয় না ভারতের বীর সেনা, ছুটে পালিয়ে যাবে মোল্লার দল।” কিন্তু শুভেন্দুর হুঁশিয়ারি যে সে বাংলায় প্রভাব ফেলছে, সে কথাও বললেন বাংলাদেশ থেকে আসা এই প্রৌঢ়া।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nadia: নদিয়ায় হরিনাম বন্ধে ফতোয়া বাংলাদেশের! বিএসএফের উদ্যোগে হচ্ছে নাম সংকীর্তন

    Nadia: নদিয়ায় হরিনাম বন্ধে ফতোয়া বাংলাদেশের! বিএসএফের উদ্যোগে হচ্ছে নাম সংকীর্তন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিলিগুড়ির রামকৃষ্ণ মিশনে হামলার ঘটনা নিয়ে রাজ্যজুড়ে তোলপাড় চলছে। কার্তিক মহারাজকে নিয়ে মমতার বক্তব্যের প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছেন সাধুসন্তরা। এই আবহের মধ্যে এবার চৈতন্য মহাপ্রভুর জন্মভূমি নদিয়ায় (Nadia) হরিনাম সংকীর্তন বন্ধ করার ফতোয়া দিল বাংলাদেশ। যা সামনে আসতেই ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। গ্রামবাসীরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। পরে, বিএসএফের উদ্যোগে হচ্ছে নাম-সংকীর্তন অনুষ্ঠান।

    হরিনাম বন্ধে ফতোয়া দিল বিজিবি! (Nadia)

    নদিয়ার (Nadia) কৃষ্ণগঞ্জের সীমান্তবর্তী একটি গ্রাম বিজয়পুর। এই গ্রাম থেকে বাংলাদেশ অনেকটাই কাছে। গত ৩৫ বছর ধরে সেখান গ্রামবাসীদের উদ্যোগে অষ্টম প্রহর নাম সংকীর্তনের অনুষ্ঠান হয়ে আসছে। বাংলাদেশের নিরাপত্তার রক্ষা বাহিনী (বিজিবি) এই সীমান্ত লাগোয়া বিজয়পুর গ্রামে নাম সংকীর্তন বন্ধ করার  ফতোয়া জারি করে বলে অভিযোগ। যার জেরে অনুষ্ঠান হওয়া একরকম অনিশ্চিত হয়ে প়ড়েছিল। যে নাম সংকীর্তনের অনুষ্ঠান শুধুমাত্র একটা অনুষ্ঠান নয়, স্থানীয় মানুষদের জন্য আবেগ এবং ঐতিহ্যের মেলবন্ধনের আরেক নাম। বিজিবি-র ফতোয়ার কারণে অনুষ্ঠান বন্ধ হওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়। স্থানীয় গ্রামবাসীরা বিএসএফের কাছে এই বিষয়ে অভিযোগ দায়ের করেন। পরে, বিএসএফের হস্তক্ষেপে ফের গ্রামবাসীরা নাম সংকীর্তন অনুষ্ঠান করছেন বলে জানা গিয়েছে।

    আরও পড়ুন: আদালতের দ্বারস্থ শুভেন্দু-হিরণ, কোলাঘাটকাণ্ডের কথা জানানো হল শাহকেও

    ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা কী বললেন?

    বাংলাদেশের এই ফতোয়া নিয়ে ক্ষুব্ধ গ্রামের (Nadia) বাসিন্দারা। তাঁরা বলেন, আমরা ভারতবর্ষে বসবাস করি। আমাদের নিজের দেশের ধর্মীয় অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের নিরাপত্তা রক্ষীরা কীভাবে ফতোয়া দিতে পারে তা আমরা বুঝতে পারছি না। শেষ পর্যন্ত বিএসএফের হস্তক্ষেপে বাংলাদেশের বিজিবির হুঁশিয়ারিকে উপেক্ষা করে আবারও শুরু হল বিজয়পুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে নাম সংকীর্তনের অনুষ্ঠান। এ বিষয়ে আমরা বিএসএফের কাছে কৃতজ্ঞ। বিএসএফের আধিকারিকরা যদি হস্তক্ষেপ না করত, তাহলে আমরা এই অনুষ্ঠান করতে পারতাম না। গ্রামের এক মহিলা বলেন, আমরা ভারতের নাগরিক, কাঁটাতারের জিরো পয়েন্টে বসবাস করি। বিএসএফদের কারণে আমরা সুষ্ঠুভাবে জীবন যাপন করি। কোনও ভয় ভীতি নেই। আর পাঁচটা গ্রামের মতোই আনন্দ উৎসবের মুখর হয়ে থাকে এই গ্রাম। তবে, এই অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে শুধু বিজয়পুর গ্রামের মানুষ নয় আশপাশের বেশ কয়েকটি গ্রামের মানুষ এই অনুষ্ঠানে সামিল হন। আর সেটাকেই বন্ধ করার লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশিদের। সেটা বিএসএফের কারণে তারা করতে পারেনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BSF: ভোটের মুখে সীমান্তে প্রায় ৫ কোটি টাকা সোনা বাজেয়াপ্ত করল বিএসএফ, গ্রেফতার ৪

    BSF: ভোটের মুখে সীমান্তে প্রায় ৫ কোটি টাকা সোনা বাজেয়াপ্ত করল বিএসএফ, গ্রেফতার ৪

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের মুখে সীমান্তে বিপুল পরিমাণ সোনা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। বিএসএফের (BSF) জালে ধরা পড়ল সোনা চোরাচালান চক্র। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে ৪ কোটি ৭০ লক্ষ টাকা মূল্যের ৭ কেজি ওজনের সোনা নিয়ে তিন মহিলা পাচারকারী সহ সোনা সংগ্রহ করতে আসা মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    ২০টি সোনার বিস্কুট এবং ৮ পিস সোনার ইট উদ্ধার (BSF)

    দক্ষিণবঙ্গ সীমান্তের অধীনে নদিয়া জেলার সীমান্ত এলাকায় মোতায়েন জওয়ানরা বর্ডার ফাঁড়ি গেদে ৩২ ব্যাটালিয়ন গোয়েন্দাদের কাছ থেকে গোপন খবরের ভিত্তিতে একটি বিশেষ অভিযান চালায়। বিএসএফ একটি সোনা চোরাচালান চক্রের হদিশ পায়। তাদের কাছ থেকে ২০টি সোনার বিস্কুট এবং ৮ পিস সোনার ইট সহ সোনা চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত তিন নারী চোরাকারবারীকে গ্রেফতার করেছে। এই সোনার চালান সংগ্রহ করতে আসা মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে বিএসএফ (BSF)। এই সোনা ভারত থেকে বাংলাদেশে পাচার করে কলকাতায় আনার পরিকল্পনা ছিল চোরাকারবারি চক্রের। উদ্ধার করা সোনার মোট ওজন ৭ কেজি।

    আরও পড়ুন: কার্টুনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে প্রাণ নাশের হুমকি! তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মালব্য

    ময়ূরহাট হল্ট রেলওয়ে স্টেশনে গ্রেফতার

    বিএসএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, ২৮ মার্চ সীমান্ত ফাঁড়ির গেদে সৈন্যরা বিএসএফ-এর (BSF) গোয়েন্দা বিভাগ থেকে খবর পায় যে গেদে-শিয়ালদা লোকাল ট্রেনে সোনার চালান করা হচ্ছে। এই তথ্যের ভিত্তিতে, বর্ডার ফাঁড়ির গেদে কর্মীরা একটি বিশেষ অভিযানে শিয়ালদাগামী ট্রেনে উঠে সন্দেহভাজনদের শনাক্ত করে এবং ৩ মহিলা পাচারকারী সোনার চালান নিয়ে ময়ূরহাট হল্ট রেলওয়ে স্টেশনে নামে। যখন তারা ডিলারকে দিতে যাচ্ছিল, তখন জওয়ানরা সোনার চালান সংগ্রহ করতে আসা ডিলার সহ তিন জন নারী চোরাকারবারীকে আটক করে এবং তাদের কাছ থেকে ৭ কেজি সোনার বিস্কুট এবং বিভিন্ন আকারের সোনার ইট উদ্ধার করে। গ্রেফতার হওয়া চোরাকারবারিরা নাম অপূর্ণা বিশ্বাস,আশিমা মুহুরী, মিতালী পাল, এদের প্রত্যেকের বাড়ি নদিয়া জেলার গেদে মাঝের পোদা এলাকায় এবং গ্রেফতারকৃত ব্যবসায়ী সৌমেন বিশ্বাস নদিয়ার চাঁদপুর সীমান্তবর্তী এলাকায় বাড়ি।

    পাচারকারীদের বক্তব্য?

    জিজ্ঞাসাবাদে চোরাকারবারীদের বক্তব্য, একই গ্রামের এক অজ্ঞাত ব্যক্তির জন্য আমরা কাজ করতাম। সোনা পাচার করার জন্য আমরা প্রত্যেকে ১০০০ টাকা পেতাম। কিন্তু, সোনার চালান নিয়ে ময়ূরহাট রেলস্টেশনে পৌঁছলে বিএসএফ সোনাসহ আমাদের আটক করে। সোনার চালান সহ গ্রেফতার হওয়া সকল চোরাকারবারীকে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কলকাতা জোনাল ইউনিটের রাজস্ব গোয়েন্দা দফতরের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: মুর্শিদাবাদ থেকে সহজেই বাংলাদেশ! ৫৯ বছর পর নৌবন্দর পরিষেবা ফের চালু

    Murshidabad: মুর্শিদাবাদ থেকে সহজেই বাংলাদেশ! ৫৯ বছর পর নৌবন্দর পরিষেবা ফের চালু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) ময়া নৌবন্দর থেকে বাংলাদেশের রাজশাহীর সুলতানগঞ্জ নৌবন্দর পরিষেবা ফের চালু হল। সোমবার লালগোলার ময়া গ্রামে নৌবন্দর পরিষেবার উদ্বোধন করেন কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিএসএফ ও কেন্দ্রীয় জাহাজ মন্ত্রকের আধিকারিকরা। নৌপথে বাংলাদেশ-ভারতে পণ্য আনা-নেওয়া বন্ধ হওয়ার পর শুরু হয় সড়ক ও রেলপথ ব্যবহার। এতে উভয় দেশের পণ্য পরিবহণ খরচ বেশি হত। এবার নৌবন্দর চালু হওয়ায় খুশি দু’দেশের মানুষ।

    ৫৯ বছর পর আবার চালু হল (Murshidabad)

    জানা গিয়েছে, এক সময় এই মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) নৌবন্দর দিয়ে পণ্য আনা-নেওয়া হত। ১৯৬৫ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের আগে সুলতানগঞ্জ-ময়া ও গোদাগাড়ি-লালগোলা নৌপথ বন্ধ হয়ে যায়। অবশেষে দীর্ঘ ৫৯ বছর পর আবার চালু হল নৌবন্দর পরিষেবা। নৌবন্দর চালু হওয়ায় ভারত থেকে পণ্য আমদানিতে সময় ও খরচ দু’টোই কমবে। এতে দুই দেশের ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, বছরে এই নৌপথে হাজার কোটি টাকার বাণিজ্য হবে। বাংলাদেশের রাজশাহী থেকে মুর্শিদাবাদের ধুলিয়ান পর্যন্ত ৭৮ কিলোমিটার একটি নৌপথের অনুমোদন থাকলেও পদ্মার নাব্যতার সমস্যার কারণে কার্যকর করা যায়নি। ফলে রুটটি সুলতানগঞ্জ থেকে ময়া নৌবন্দর পর্যন্ত সংক্ষিপ্ত করা হয়। আড়াআড়িভাবে ২০ কিলোমিটার পদ্মা নদী পাড়ি দিয়ে পণ্য আনা-নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। শুরুতে এই নৌপথে ভারত থেকে পাথর, বালি ও বিভিন্ন ধরনের খাদ্যসামগ্রী আনা হবে। এই নৌবন্দর চালুর ফলে বিপুলসংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ হবে বলে আশাবাদী এলাকার বাসিন্দারা।

    কী বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী?

    ভারত-বাংলাদেশের মৈত্রী স্থাপনে ব্যবসা-বাণিজ্য বৃদ্ধি করতেই এই দেশ থেকে পণ্য সহজেই পৌঁছে যাবে ওপারে। শুধু তাই নয়, ত্রিপুরাতেও সহজেই পণ্য পৌঁছবে। দূরত্ব কমবে অনেকটাই। ঠিক তেমনই ওপার থেকে পণ্য পৌঁছে যাবে ভারতে। প্রসঙ্গত, ২০১৫ সাল থেকে মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) থেকে বাংলাদেশ নৌপথ পুনরায় চালুর ভাবনা শুরু হয়। সেই কারণেই চিঠি পাঠানো হয় দুই দেশকে। ২০১৮ সালে মার্চ মাসে জমি ও নদী পরিদর্শন করা হয় সংশ্লিষ্ট দফতরের পক্ষ থেকে। এরপর ২০২২ সালের এপ্রিল মাসে মউ স্বাক্ষর করা হয়। মোট ২৫ বিঘা জমির ওপর ৫২ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয় এই বন্দর। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর বলেন, সাধারণ মানুষ, স্থানীয় ব্যবসায়ীদের অনেকটাই সুবিধা হবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উদ্যোগে এটা বাস্তবায়িত হয়েছে। তবে, বন্দরে যাওয়ার রাস্তা বেহালের কারণে রাজ্য সরকারকে তিনি দায়ী করেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • North Bengal: উত্তরবঙ্গ জুড়ে রমরমিয়ে চলছে গরু-মহিষ পাচার! কোন পথে জানেন?

    North Bengal: উত্তরবঙ্গ জুড়ে রমরমিয়ে চলছে গরু-মহিষ পাচার! কোন পথে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু পাচারকাণ্ডে অনুব্রত মণ্ডল এখন জেলে রয়েছেন। দক্ষিণবঙ্গে এই পাচারচক্র ততটা এখন সক্রিয় না হলেও উত্তরবঙ্গ (North Bengal) জুড়ে রমরমিয়ে শুরু হয়েছে মহিষ এবং গরু পাচার। পুলিশের একটা অংশকে হাতিয়ার করে এই পাচারচক্র চলছে। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলার মানুষ।

    কোন পথে পাচার? (North Bengal)

    বিশেষ সূত্রে জানা গিয়েছে, মূলত উত্তরবঙ্গের (North Bengal) উত্তর দিনাজপুর, দার্জিলিং জেলার বিধাননগর, ঘোষপুকুর পেরিয়ে ফুলবাড়ি হয়ে জলপাইগুড়ি ময়নাগুড়ি, ধূপগুড়ি, বানারহাট, বীরপাডা হয়ে বারোবিষা সীমান্ত দিয়ে অসমে ঢুকে পড়ছে বেআইনি গরু ও মহিষ বোঝাই গাড়িগুলি। অসমের কয়েকটি জেলা পার হয়ে সোজা মেঘালয়ে চলে যায় গাড়িগুলি। উত্তরের ছয়টি জেলা পার হতে পারলে কেল্লাফতে এই পাচারকারীদের। জানা গিয়েছে, উত্তরপ্রদেশ থেকে মহিষ এবং গরু নিয়ে এসে পাঞ্জিপাড়ায় সেগুলোকে নামানো হয়। সেখান থেকে কন্টেনার গাড়ি করে (যে গাড়িগুলি চারদিক বন্ধ) অসম এবং মেঘালয়ের উদ্দেশে রওনা করা হয়। একেবারে অস্বাস্থ্যকর এবং দমবন্ধ পরিবেশে গাড়িগুলিতে ওই মহিষগুলিকে নিয়ে যাওয়া হয়। বাইরে থেকে বোঝার উপায় নেই যে ওই গাড়ি গুলিতে গরু-মহিষ নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। প্রতি গাড়িতে ২৪-২৬ টি মহিষ নিয়ে যাওয়া হয়। যার অধিকাংশেরই বৈধ কাগজ নেই। গাড়িগুলিরও লাইভ স্টক পারমিট নেই বলেই জানা গেছে।

    কীভাবে সম্ভব এই পাচার?

    সম্প্রতি, বীরপাড়ায় একটি স্পেশাল চেকিংয়ে ৬ টি কন্টেনার গাড়ি থেকে ২৩৮ টি মহিষ উদ্ধার করা হয়। ঘটনায় ২০ জনকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের মধ্যে উত্তরপ্রদেশ, পাঞ্জিপাড়া ও আসামের বাসিন্দা ছিলেন। কিন্তু, কীভাবে সম্ভব এই পাচার? পাঞ্জিপাড়া থেকে গাড়ি লোড হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সেই গাড়ির নম্বর পাঠিয়ে দেওয়া হয় সংশ্লিষ্ট থানাগুলিতে, যে থানার অধীনের রাস্তা ব্যবহার করে গাড়িগুলি পার হবে। এই এলাকাগুলি পেরিয়ে গেলে বারোবিষা বা বক্সিরহাট সীমান্তে সেই গাড়িগুলির নম্বর মিলিয়ে দেখা হয় এবং বিনা চেকিং করেই গাড়িগুলি ছেড়ে দেওয়া হয়। পাঞ্জিপাড়া থেকে অসম রাজ্য বিনা বাধায় গাড়ি প্রতি একটা পরিমাণ অর্থ নির্ধারণ হয়। সেই অর্থই সংশ্লিষ্ট থানা এবং কিছু আধিকারিকের কাছে পৌঁছে যায়। প্রতিদিন প্রায় ৩৫-৪০ টি গাড়ি করে এই ভাবেই গরু-মহিষ পাচার হচ্ছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BSF: অনুপ্রবেশ রুখতে সীমান্তে মৌমাছি চাষের উদ্যোগ নিল বিএসএফ

    BSF: অনুপ্রবেশ রুখতে সীমান্তে মৌমাছি চাষের উদ্যোগ নিল বিএসএফ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনুপ্রবেশ রুখতে সীমান্তে মৌমাছি চাষের উদ্যোগ নিল বিএসএফ (BSF)। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে পাচার, অপরাধ ও চোরাচালান ঠেকাতে মৌমাছিকে পাহারাদার হিসেবে ব্যবহার করবে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী। এ কারণে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের ৪ হাজার ৯৬ কিলোমিটার সীমান্তজুড়ে মৌমাছির চাক বসাচ্ছে বিএসএফ।

    কী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে? (BSF)

    বিএসএফের (BSF) সঙ্গে সীমান্ত পাহারায় মৌমাছিও থাকবে। এতে যেমন সীমান্ত সুরক্ষার কাজ হবে, তেমনি স্থানীয়দের জীবিকার সংস্থান হবে। প্রাথমিকভাবে পশ্চিমবঙ্গের নদিয়া জেলায় বিএসএফের ৩২ ব্যাটালিয়ন এই উদ্যোগ নিয়েছে। ভারত-বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে মানুষের মৃত্যুর সংবাদ প্রায়ই পাওয়া যায়। এই নিয়ে সংশ্লিষ্ট সরকার ও সাধারণ মানুষের প্রতিবাদ ও ক্ষোভের মুখে পড়তে হয় বিএসএফকে। ধারণা করা হচ্ছে, এমন বদনাম থেকে রেহাই পেতে বিকল্প পথ হিসেবে এ ধরনের পরিকল্পনা বেছে নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। পরীক্ষামূলকভাবে গড়ে তোলা হচ্ছে মৌমাছিদের বাহিনী। বিএসএফের এই প্রকল্পকে বাস্তবায়ন করতে হাত বাড়িয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের আয়ুষ মন্ত্রণালয়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নির্দেশনায় ‘ভাইব্র্যান্ট ভিলেজ প্রোগ্রামের’ আওতায় সীমান্তবর্তী এলাকায় মৌমাছি পালন এবং মধুর গুণগত মান পরীক্ষাকে একটি পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে নিয়েছে ভারত সরকার। সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোর অর্থনৈতিক বিকাশ ও সার্বিক উন্নয়নে এই প্রকল্পকে কৌশলগতভাবে ব্যবহারের সুযোগ হিসেবে দেখছে বিএসএফ।

    কী বললেন বিএসএফের কর্তা?

    বিএসএফ (BSF) সূত্রে খবর, প্রাথমিকভাবে নদিয়ার কৃষ্ণগঞ্জ থানার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকায় মৌমাছির ২০টি বাক্স স্থাপন করা হয়েছে। স্থানীয় গ্রামবাসীরা সেই মৌমাছির দেখভালের পাশাপাশি মধু সংগ্রহ করবেন। এতে আর্থিকভাবে লাভবান হবেন গ্রামবাসীরাই। এই বিষয়ে দক্ষিণবঙ্গ সীমান্তের বিএসএফের জনসংযোগ আধিকারিক ডিআইজি একে আর্য্য বলেন, এই প্রকল্প সফল হলে আগামী দিনে দক্ষিণবঙ্গ সীমান্তজুড়ে কাঁটাতারে মৌমাছির বাক্স স্থাপন করা হবে। তবে, এই মুহূর্তে ২০০টি বাক্স স্থাপনের লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। যার খরচ সরকার বহন করবে। এই প্রকল্পের আওতায় সীমান্তের বেড়ার কাছে কৌশলগতভাবে মৌমাছির বাক্স স্থাপন করা হয়েছে। সীমান্ত বেড়ার কাছে মৌমাছির বাক্সগুলি মাটির সামান্য উপরে রেখে, তার কাছাকাছি মৌমাছি-বান্ধব ফল ও ফুলের গাছ স্থাপন করা হয়। বাক্সগুলোকে প্রাকৃতিক ছায়া দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। যাতে মৌমাছিদের আকর্ষণের একটি অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়। আর সীমান্তে যেখানে এই বাক্স লাগানো হয়েছে, সেখানে চোরাচালান সংক্রান্ত কোনও অভিযোগ আমাদের কাছে আসেনি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BSF: সীমান্তে বিএসএফের তৎপরতা! পাচারের আগেই ১০ কোটি টাকার সোনার বিস্কুট বাজেয়াপ্ত

    BSF: সীমান্তে বিএসএফের তৎপরতা! পাচারের আগেই ১০ কোটি টাকার সোনার বিস্কুট বাজেয়াপ্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সীমান্তে সোনা পাচারচক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে। তবে, বিএসএফের কড়া নজরদারির কারণে বার বারই পাচারকারীরা ধরা পড়ছে। এবারও ৬ কেজি ৭০০ গ্রাম সোনার বিস্কুট সহ এক দুষ্কৃতীকে পাকড়াও করল বিএসএফ (BSF)। ধৃতের নাম আজর মণ্ডল। তার বাড়ি বাগদার রাজকোল এলাকায়। উত্তর ২৪ পরগনার বাগদা থানার রণঘাট এলাকা থেকে তাকে ধরা হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (BSF)

    বিএসএফ (BSF) সূত্রে জানা গিয়েছে, পাচারকারী আজর একটি  বাইকে চেপে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের দিক থেকে রণঘাট এলাকায় আসছিল। তার কোমরে কাপড়ে বাঁধা ছিল সোনার বিস্কুট। বাগদায় এক ব্যক্তির কাছে সেগুলি তার পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব ছিল। বাগদার রণঘাট ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে কর্তব্যরত জওয়ানরা আগেই খবর পেয়েছিলেন, ওই রাস্তা দিয়ে রাতে বিপুল অঙ্কের সোনা পাচার হবে। স্বাভাবিকভাবে রাস্তায় বাড়ানো হয় নজরদারি। ওই পাচারকারীকে নিরাপত্তা দিতে আরও একটি মোটরবাইকে একজন পিছু নিয়েছিল। রাত ১১টা নাগাদ ওই যুবক রণঘাটের রাস্তা দিয়ে বাগদা রোডের কাছে পৌঁছয়। তখন জওয়ানরা মোটরবাইকটি ঘিরে ফেলেন। ওই যুবক পালানোর চেষ্টা করছিল। রিভলভার বের করতেই সে ধরা দিতে বাধ্য হয়। তল্লাশি চালিয়ে তার কাছ থেকে সোনার বিস্কুটগুলি উদ্ধার করা হয়। তারপর তল্লাশি করতেই যুবকের কোমরে বাঁধা কাপড়ের বেল্ট থেকে ১৭টি সোনার বার উদ্ধার হয়। প্রসঙ্গত, বুধবার রাতেও পেট্রাপোল সীমান্তে খালি ট্রাক থেকে ছোট্ট মাপের ৬০টি সোনার বিস্কুট উদ্ধার হয়। যার বাজারমূল্য প্রায় সাড়ে চার কোটি টাকা। গ্রেফতার করা হয়েছিল ওই ট্রাকের চালককে। কিন্তু তাতেও সোনা পাচার কমছে না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। প্রশ্ন উঠেছে সীমান্তবর্তী থানাগুলির ভূমিকা নিয়েও।

    বিএসএফের আধিকারিক কী বললেন?

    বিএসএফের (BSF) ৬৮ নম্বর ব্যাটালিয়নের এক আধিকারিক বলেন, ‘সোনা পাচারের সময় একজনকে ধরা হয়েছে। তার কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ সোনা উদ্ধার হয়েছে। উদ্ধার হওয়া সোনার বিস্কুটের বাজারমূল্য প্রায় ১০ কোটি ৩২ লক্ষ টাকা। পাচারকারীর মোটরবাইকটি আটক করা হয়েছে।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share