Tag: boycott

boycott

  • Malda: সামাজিক বয়কটে মধ্যযুগীয় বর্বরতার শিকার দলেরই কর্মী, অভিযুক্ত তৃণমূল প্রধানের স্বামী

    Malda: সামাজিক বয়কটে মধ্যযুগীয় বর্বরতার শিকার দলেরই কর্মী, অভিযুক্ত তৃণমূল প্রধানের স্বামী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জমি সংক্রান্ত একটি পারিবারিক বিবাদ হয়েছিল দলেরই তৃণমূল কর্মীর সঙ্গে। পরে রাস্তায় ফেলে মারধর করে গ্রাম ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তা নিয়ে গ্রামে সালিশি সভা ডাকা হয়। কিন্তু সেই সভা থেকে তৃণমূল প্রধানের স্বামী, দলের এই কর্মীকে সমাজচ্যুত করার নিদান দিয়েছিলেন। এরপর থেকে ওঁই আক্রান্ত তৃণমূল কর্মী প্রাণ ভয়ে আতঙ্কে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন পরিবারের সদস্যদের নিয়ে। অভিযোগের কাঠগড়ায় স্থানীয় তৃণমূল পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামী। ইতিমধ্যে জেলা শাসক, পুলিশ সুপার, মন্ত্রী এবং মুখ্যমন্ত্রীকে অভিযোগ জানিয়েছেন আক্রান্ত তৃণমূল কর্মী। দলের নেতাদের দ্বারা মধ্যযুগীয় বর্বরতার শিকার হয়েছেন যে তৃণমূল কর্মী, তাঁর নাম হাবিবুল রহমান। ঘটনা ঘটেছে মালদার মোথাবাড়ি (Malda) এলাকায়।

    ঘটনা কীভাবে ঘটেছিলে (Malda)?

    স্থানীয় (Malda) সূত্রে জানা গিয়েছে, হাবিবুলের চাচাতো ভাই কাসিম শেখের পরিবারের সঙ্গে একটি জমি নিয়ে বিবাদ হয়। প্রথমে সালিশি সভায় হাবিবুলের কাছে ৫ হাজার করে টাকা নেওয়া হয়। একই ভাবে বাড়ির কিছু অংশ জমি ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু হাবিবুল নিজের জমি ছাড়েননি। কিন্তু ইতিমধ্যে আবার সালিশি হলে তাঁকে আবার দেড়লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়। কিন্তু স্থানীয় তৃণমূল প্রধানের স্বামী সানাউল আবারও সালিশি ডাকলে হাবিবুল জাননি। এরপর সনাউল এবং গ্রামের মোড়ল ভাদু শেখকে ডেকে হাবিবুলকে সামজিক বয়কট করেন। নিদান দেওয়া হয়, গ্রামে তাঁদের একঘরে করা হয়েছে, কোনও দোকান জিনিস দেবে না। অসুস্থ হলে মিলবে না ওষুধও। বন্ধ মসজিদে যাওয়া, এমনকী পরিবারের একজন মারা গেলে কেউ মাটি পর্যন্ত দিতে আসেনি। অবশেষে হাবিবুল থানায় অভিযোগ জানালে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। অভিযুক্তদের মধ্যে ৯ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে মূল অভিযুক্ত এখনও অধরা। কিন্তু হাবিবুল বর্তমানে ঘরছাড়া।

    হাবিবুলের বক্তব্য

    আক্রান্ত হাবিবুল বলেছেন, “আমি থানায় (Malda) অভিযোগ জানানোর পর হামলা করেছে তৃণমূল প্রধানের অনুগামীরা। আমার বাড়িতে হামলা হয়, বাড়ি ভাঙচুর হয়। তিন ঘণ্টা ধরে ভাঙচুর চালায়। পরিবারের এক সদস্যের মৃত্যুতে কবরটা দিতেও আসেননি কেউ। আমরা ভয়ে গ্রামছাড়া। এখনও মূল অভিযুক্তরা অধরা। তাই ভয়ে গ্রামে ঢুকতে পারছি না।”

    আরও পড়ুনঃশান্তিপুরে প্রশাসনিক ভবন দখল তৃণমূলের! বিডিও অফিসে বিক্ষোভ বিজেপির

    অভিযুক্ত মোড়লের বক্তব্য

    অভিযুক্ত গ্রামের (Malda) মোড়ল ভাদু শেখ বলেছেন, “ওঁরা সমাজের কোনও কথা শোনেনি। ওঁরা কেবল নিজেদের কথাই বলে। আমাদের কথা শোনেন না। পাঁচ বার সালিশি করেছি। সালিশির নিদান পালন করেননি। আট মাস ধরে এই ঘটনা চলছে এলাকায়। হাবিবুলকে অনেক সুবিধা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু ওঁরা ওদের ভুলটাও স্বীকার করেনি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Road: রাস্তা সংস্কারের দাবিতে ভোট বয়কটের ডাক গ্রামবাসীদের! কোথায় জানেন?

    Road: রাস্তা সংস্কারের দাবিতে ভোট বয়কটের ডাক গ্রামবাসীদের! কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ পথশ্রী প্রকল্পে কোটি কোটি টাকা খরচ করে রাজ্য জুড়ে ঝাঁ চকচকে রাস্তা (Road) তৈরি করা হচ্ছে। এমনই দাবি তৃণমূল সরকারের। কিন্তু, বাস্তবে সেই উন্নয়নের ছিঁটেফোঁটা লাগেনি দক্ষিণ দিনাজপুরের  গঙ্গারামপুর ব্লকের বেলবাড়ি 2 /১ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়। এলাকায় বেহাল মাটির রাস্তা নিয়ে জেরবার এলাকাবাসী। জানা গিয়েছে, কার্গিল মোড় থেকে নয়াবাজার ঘাট ও নন্দনপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার কৃষ্ণচূড়া মোড় থেকে পশ্চিম যাদবপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত মাটির রাস্তাটি দীর্ঘদিন ধরে  বেহাল হয়ে পড়ে রয়েছে।  বর্ষার সময় এই মাটির রাস্তা (Road) দিয়ে হাঁটাচলা করা দায় হয়ে দাঁড়ায়। এরফলে নয়াপাড়া, যাদববাটি ,দক্ষিণ বেলবাড়ি, মোহিনীপাড়া সহ সংলগ্ন এলাকার কয়েক হাজার মানুষদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, দীর্ঘদিন ধরে এই রাস্তা (Road) সংস্কার করার জন্য দরবার করেছি। কিন্তু, প্রশাসনের হেলদোল নেই। সামনে পঞ্চায়েত নির্বাচন। তাই, আমরা জোটবদ্ধ হয়ে  এই বেহাল রাস্তা (Road) সংস্কারের দাবিতে ভোট বয়কটের ডাক দিয়েছি। শুধু তাই নয় এলাকার কৃষ্ণচূড়া মোড়ে ভোট বয়কটের পোস্টারও লাগানো হয়। পোস্টারে লেখা রয়েছে, দীর্ঘদিনের বেহাল রাস্তা (Road) সংস্কার করা না হলে ভোট বয়কট করা হবে।

    কী বললেন শাসক দলের জনপ্রতিনিধিরা? Road

    ভোট বয়কটের বিষয় নিয়ে বেলবাড়ি 2 /১গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান ঝর্ণা কর্মকার বলেন, ইতিমধ্যেই রাস্তার (Road) টেন্ডার হয়ে গিয়েছে। তৃণমূলের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করতে চক্রান্ত করে পোষ্টার লাগিয়েছে। এসব করে কোনও লাভ নেই। আমরা ধারাবাহিকভাবে উন্নয়ন করি। ফলে, সাধারণ মানুষ জানেন এসব পোস্টার দিয়ে বিভ্রান্ত করে কোনও লাভ হবে না। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ মফিজউদ্দিন মিঁয়া বলেন, নয়াবাজারের রাস্তার (Road) কাজের টেন্ডার হয়ে গিয়েছে। দ্রুত কাজ শুরু হবে। পাশাপাশি, অন্যান্য রাস্তার (Road) কাজ‌ও পঞ্চায়েত ভোটের আগে করা হবে।

    বেহাল রাস্তা নিয়ে কী বলছে বিজেপি নেতৃত্ব?

    গ্রামবাসীদের ভোট বয়কট প্রসঙ্গে বিজেপির জেলা সম্পাদক বাপি সরকার বলেন, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বিভিন্ন স্থানে বিশেষ করে রাস্তার দাবিতে ভোট বয়কটের পোষ্টার দেখা যাচ্ছে। প্রশাসনের ব্যর্থতা ও তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় কোন্দলের কারণে রাস্তা সংস্কারের কাজ হয়নি। তবে, ভোট বয়কট গনতান্ত্রিক পদ্ধতি নয়, মানুষের গনতান্ত্রিক উপায়ে এই বঞ্চনার জবাব দিতে হবে।

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • East Bengal vs Mohun Bagan: ডার্বি জিততে দেশী ফুটবলাররাই ভরসা মোহনবাগানের! সম্মান বাঁচানোর লড়াই ইস্টবেঙ্গলের

    East Bengal vs Mohun Bagan: ডার্বি জিততে দেশী ফুটবলাররাই ভরসা মোহনবাগানের! সম্মান বাঁচানোর লড়াই ইস্টবেঙ্গলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইএসএলে আজ ডার্বি। মুখোমুখি ইস্টবেঙ্গল এফসি ও এটিকে মোহনবাগান। প্লেয়ার থেকে শুরু করে সমর্থকদের মধ্যে ম্যাচের শুরু থেকেই উত্তেজনা চরমে থাকে। টিকিট নিয়ে বিবাদ, সমর্থকদের মধ্যে অসন্তোষ, তবু শনিবার যুবভারতীতে ডার্বি ঘিরে সাজ সাজ রব। কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা। আইএসএলে ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগান মুখোমুখি সাক্ষাতে পাঁচবারই জয় পেয়েছে সবুজ-মেরুন। সব মিলিয়ে টানা সাতবার কলকাতা ডার্বিতে জয় মোহনবাগানের। তবু এধরনের ম্যাচে কাউকেই এগিয়ে রাখা যায় না।

    ৩ বিদেশিকে পাচ্ছে না মোহনবাগান 

    খাতায়-কলমে যদি বিচার করা যায়, তা হলে শনিবারের ম্যাচে সে ভাবে কাউকে এগিয়ে রাখা যাবে না। মোহনবাগান তিন বিদেশিকে পাচ্ছে না। ব্রেন্ডন হ্যামিল কার্ড সমস্যায় খেলতে পারবেন না। হুগো বুমোস এবং কার্ল ম্যাকহিউয়ের চোট রয়েছে। তিন বিদেশিই চলতি মরসুমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন। জনি কাউকো চোটের জেরে মরসুম থেকেই ছিটকে গিয়েছেন। ফলে শনিবার মূলত দেশী ফুটবলারদের হাতেই থাকবে মোহনবাগানকে জেতানোর ভার। লিস্টন কোলাসো, মনবীর সিংহরা চলতি মরসুমে ছাপ ফেলতে পারেননি। আগের মরসুমের সাফল্য এ বার দেখাতে পারেননি। কিন্তু ডার্বির মতো একটা ম্যাচে সাফল্য পেলে সমর্থকরা অতীতের পারফরম্যান্স ভুলে যেতে সময় নেবেন না। এই দুই ফুটবলারের কাছে অনেক আশা রয়েছে সমর্থকদের। আক্রমণ ভাগে দিমিত্রি পেত্রাতোস এবং রক্ষণে স্লাভকো দামিয়ানোভিচকেও বাড়তি ভূমিকা নিতে হবে।

    জিততে মরিয়া ইস্টবেঙ্গল

    ইস্টবেঙ্গলের কাছে হারানোর কিছু নেই। শেষ ম্যাচে মুম্বইকে হারিয়েছে তারা, যারা এ বার অপ্রতিরোধ্য ছিল। দু’বার হারিয়েছে বেঙ্গালুরুকে। জেতার মতো খেলেছে অনেক ম্যাচেই। কিন্তু শেষ দিকে মনোযোগ হারানোর কারণে ম্যাচ হারতে হয়েছে। তবে মুম্বইকে হারানো যে তাদের বাড়তি সুবিধা দেবে, এমনটা মনে করছেন না কোচ স্টিভন কনস্ট্যান্টাইন। বলেছেন, “ডার্বি বিশেষ ম্যাচ। এখানে কে এগিয়ে বা কে পিছিয়ে, তা দিয়ে কিছু বোঝা যায় না।”

    আরও পড়ুন: আর ক্লান্তি নয়, কয়েক মিনিটের ওয়ার্কআউটেই সুস্থ থাকবে শরীর, মন থাকবে ফুরফুরে

    কড়া নিরাপত্তা

    এবার ডার্বির আয়োজক ইস্টবেঙ্গল। ফলে তাদের কাছে এবারের ডার্বিটা চ্যালেঞ্জের। কারণ ময়দানে চলছে বয়কটের আবহ। সমর্থকদের একাংশ ডার্বি বয়কটের দাবি করেছেন। যদিও ডার্বি নিয়ে প্রস্তুতি সম্পূর্ণ বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের। ডার্বি নিয়ন্ত্রণ করতে মোট ১৭ জন DC পদমর্যাদার অফিসার, ২৬ জন AC পদমর্যাদার অফিসার, ৪৮ জন ইন্সপেক্টর, ৩২০ জন অফিসার ও বাকি পুলিশকর্মীরা। বিভিন্ন পদমর্যাদার অফিসার মিলিয়ে মোট ২ হাজার জন পুলিশকর্মী মোতায়েন থাকবে। তিনটে মোবাইল ভ্যান, তিনটে HRFS। এছাড়া প্রতিটা গেটে থাকবে অ্যাম্বুলেন্স এবং একটা বিশেষ নজরদারির ভ্যান। এছাড়াও একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে নিরাপত্তার জন্য।

    টিকিট নিয়ে অসন্তোষ

    টিকিট নিয়ে ইনভেস্টরের প্রতি অসন্তুষ্ট ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। ফিরতি ডার্বি আয়োজনের দায়িত্ব ইস্টবেঙ্গলের, সেক্ষেত্রে ইনভেস্টর সংস্থাই সমস্ত দায়িত্ব নিচ্ছে। ইস্টবেঙ্গল কর্মকর্তাদের ভিভিআইপি এবং ভিআইপি টিকিট পাঠালেও তা যথেষ্ট কম সংখ্যক। ডার্বি বয়কট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইস্টবেঙ্গল ক্লাব। ভিভিআইপি বা ভিআইপি টিকিট নাকি মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গলের মধ্যে সমান বন্টন হয়নি। এই বিষয়ে মোহনবাগান ক্লাবের তরফে বিবৃতিতে জানানো হয়, সমস্ত ভিভিআইপি এবং ভিআইপি টিকিট ফেরত দিচ্ছে তারা। আইএফএ-কে মোট ৫০০ টি টিকিট দিয়েছে ইস্টবেঙ্গলের ইনভেস্টর সংস্থা। আইএফএ -র তরফে এক বিবৃতিতে জানানো হয়, “৩০০ টিরও বেশি ক্লাব ও জেলা রয়েছে। এত অল্প সংখ্যক টিকিট গভর্নিং বডির সদস্য ও ক্লাবগুলোকে পর্যাপ্ত টিকিট দেওয়া সম্ভব নয়। টিকিট ম্যাচ আয়োজকদের ফিরিয়ে দিচ্ছে আইএফএ।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

     

  • Aamir Khan: “আমার ছবি বয়কট করবেন না”, নেটিজেনদের অনুরোধ আমির খানের 

    Aamir Khan: “আমার ছবি বয়কট করবেন না”, নেটিজেনদের অনুরোধ আমির খানের 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আমার ছবি বয়কট করবেন না।আমি আমার দেশকে ভালোবাসি।” নেটিজেনদের এমনই আবেদন জানালেন বলিউডের ‘মিঃ পারফেকশনিস্ট’। দীর্ঘ চার বছর পর পর্দায় ফিরছেন আমির খান (Aamir Khan)। হলিউডি জনপ্রিয় ছবি ‘ফরেস্ট  গাম্প’-এর(Forest Gump) রিমেকে দেখা যাবে তাঁকে। ছবির নাম ‘লাল সিং চাড্ডা'(Laal Singh Chaddha)।  মুক্তি পেতে চলেছে ১১ অগাস্ট। 

    কিন্তু ছবিটি মুক্তি পাওয়ার আগেই ছবিটিকে বয়কটের ডাক দিয়েছেন নেট নাগরিকরা। “ভারত জুড়ে বাড়ছে অসহনীয়তা”— ২০১৫ সালে এক  সাক্ষাৎকারে আমিরের এই পুরনো মন্তব্যকে ঘিরেই এই জনরোষ। ফের নতুন করে সরব আমজনতা। আমির সেই সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, “আমাদের দেশ সহনশীল, কিন্তু এখানকার মানুষ এই পরিবেশকে অসুস্থ করে তুলছেন।” ৭ বছর পরে এই মন্তব্যেই বিপদে আমিরের আগামী ছবি ‘লাল সিং চাড্ডা’। ট্রেলার রিলিজের পর থেকেই এই ছবিকে বয়কটের ডাক দিয়েছে নেটপাড়ার একাংশ। ট্যুইটারে ট্রেন্ড করছে #BoycottLaalSinghChaddha। এবার ড্যামেজ কন্ট্রোলে নামলেন খোদ অভিনেতা।

    আরও পড়ুন: বুলেটপ্রুফ বলিউড! জানুন সলমন ছাড়াও বুলেটপ্রুফ গাড়ি আছে কোন তারকাদের কাছে

    সাংবাদিক সম্মেলনে আমিরকে প্রশ্ন করা হয়, তাঁর মন্তব্য নিয়ে সম্প্রতি যে জনরোষ তৈরি হয়েছে, তাই নিয়ে অভিনেতার কী মত? আমির বলেন, “আমি সত্যিই দুঃখিত। দুঃখিত এই কারণে যে কিছু মানুষ মনে মনে সত্যিই বিশ্বাস করেন যে আমি ভারতকে ভালোবাসি না। কিন্তু এটা একেবারেই সত্যি নয়। খুবই দুর্ভাগ্যজনক যে কিছু মানুষ এটা মনে করেন।” 

    তিনি আরও বলেন, “আমি দেশকে ভালবাসি। দয়া করে আমার ছবি বয়কট করবেন না। যাঁরা বলছেন বা মনে মনে বিশ্বাস করতে শুরু করেছেন, আমি দেশকে ভালবাসি না, তাঁরা ভুল ভাবছেন। আমার মন্তব্য কাউকে আঘাত করে থাকলে আমি দুঃখিত।” 

    আরও পড়ুন: জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের মঞ্চে সেরার শিরোপা সুরিয়া-অজয় দেবগনের, জয়জয়কার অভিযাত্রিকের

    টম হ্যাঙ্কসের জনপ্রিয় ছবি ফরেস্ট গাম্পের রিমেক লাল সিং চাড্ডা। লাল সিং চাড্ডার ভূমিকায় দেখা যাবে আমির খানকে। আমির খানের প্রেমিকার চরিত্রে দেখা যাবে করিনা কাপুর খানকে। এছাড়াও আমিরের মায়ের চরিত্রে দেখা যাবে মোনা সিংকে। এই ছবির হাত ধরেই বলিউডে ডেবিউ করতে চলেছেন তেলুগু অভিনেতা নাগা চৈতন্য। ছবিটি পরিচালনা করেছেন, অদ্বৈত চন্দন। 

     

     

LinkedIn
Share