Tag: BrahMos

BrahMos

  • India Vietnam: ভারত থেকে ব্রহ্মোস মিসাইল কিনতে চলেছে ভিয়েতনাম

    India Vietnam: ভারত থেকে ব্রহ্মোস মিসাইল কিনতে চলেছে ভিয়েতনাম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-ভিয়েতনাম (India Vietnam) সম্পর্কে অগ্রগতি। খুব শীঘ্রই ভারত থেকে ব্রহ্মোস মিসাইল কিনতে চলেছে ভিয়েতনাম। দুই দেশের মধ্যে শীঘ্রই এই নিয়ে চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে চলেছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর, আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই ৭০০ মিলিয়ন ডলার মূল্যের ব্রহ্মোস মিসাইল সিস্টেম চুক্তি সই করার দিকে এগোচ্ছে দুই দেশ। এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে, ফিলিপিন্সের পর ভিয়েতনাম হবে দ্বিতীয় দেশ, যারা ভারত থেকে ব্রহ্মোস সুপারসনিক ক্রুজ মিসাইল কিনবে।  

    চুক্তির খসড়া চূড়ান্ত

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই ব্রহ্মোস নিয়ে ভিয়েতনামের (India Vietnam) প্রতিরক্ষা মন্ত্রনালয়ের সঙ্গে কথা হয়েছে। ভিয়েতনাম দীর্ঘ সময় ধরে চুক্তির চূড়ান্ত খসড়া চেয়ে অপেক্ষা করছে। এই খসড়ায় চুক্তির পরিমাণ, ডেলিভারি সময়সীমা, পেমেন্ট শর্তাবলী ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত থাকবে। ভিয়েতনামের সেনা ও নৌবাহিনী উভয়ই এই মিসাইল কেনার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। ভারত এবং ভিয়েতনামের প্রতিরক্ষা সম্পর্ক ক্রমশ শক্তিশালী হচ্ছে। সম্প্রতি ভিয়েতনাম আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা এক্সপো ভাইড-২৪-এ ভারতের প্যাভিলিয়ন যৌথভাবে উদ্বোধন করেন ভিয়েতনামের পাবলিক সিকিউরিটি মন্ত্রী, জেনারেল লুং তাম কোয়াং, ভারতের প্রতিরক্ষা উৎপাদন সচিব, সঞ্জীব কুমার, এবং ভারতের ভিয়েতনামে রাষ্ট্রদূত সন্দীপ আর্য।

    আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী মোদির ঐতিহাসিক সফর! ভারত কুয়েতের মধ্যে ৪টি মউ চুক্তি স্বাক্ষরিত

    ভাইড-২৪-এ ভারতের প্রদর্শন

    ভাইড-২৪-এ (India Vietnam) বিশ্বব্যাপী প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির মধ্যে ভারতীয় প্রতিরক্ষা প্রযুক্তিও প্রদর্শিত হয়েছিল। ভারতের তরফে ওই মেলায় ব্রহ্মোস অ্যারোস্পেস, ডিআরডিও, হ্যাল, এবং ম্যাগন ডক শিপবিল্ডার্স ছিল। ভারতের সেনাবাহিনীর উপ-মুখ্য সদস্য, লেফটেন্যান্ট জেনারেল এন. এস. রাজা সুব্রহ্মণী ভিয়েতনামে সফর করছেন। তিনি ভাইড-২৪-এ অংশ নিয়েছেন। ভিয়েতনামে অফিসিয়াল সফরের সময়, তিনি হ্যানয়ে জাতীয় কনভেনশন সেন্টারে ভিয়েতনাম পিপলস আর্মির (VPA) ৮০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানে অংশ নেন। সেনাবাহিনীর একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “এই সফর দুই দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করেছে, যা কৌশলগত সহযোগিতা এবং বিশ্বাসের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত এবং এটি ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে নিরাপত্তা বৃদ্ধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Pakistani Spies: ব্রহ্মসের প্রাক্তন বিজ্ঞানীর ল্যাপটপ হ্যাক করতে পাক চররা ব্যবহার করত ৩টি অ্যাপ!

    Pakistani Spies: ব্রহ্মসের প্রাক্তন বিজ্ঞানীর ল্যাপটপ হ্যাক করতে পাক চররা ব্যবহার করত ৩টি অ্যাপ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘ব্রহ্মসে’র প্রাক্তন বিজ্ঞানী নিশান্ত আগরওয়ালকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে সেশন কোর্ট। অভিযোগ, তিনি ভারতীয় সেনার গোপন তথ্য ফাঁস করে দিয়েছেন পাকিস্তানের (Pakistani Spies) কাছে। নিশান্ত চাকরি করতেন ভারতের নাগপুরে মিসাইল অ্যাসেম্বলিতে। পুরস্কারপ্রাপ্ত এই বিজ্ঞানীর বিরুদ্ধে অভিযোগ, পাকিস্তানকে ভারতীয় সেনার গোপন তথ্য পাচার করেছিলেন। ক্রিমিনাল প্রসিডিওর কোডের ২৩৫ নম্বর ধারায় তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করেছে আদালত। কেবল তথ্য পাচারই (Pakistani Spies) নয়, ভারতের অস্ত্রসম্ভার সংক্রান্ত খবরাখবরও তিনি পাচার করেছেন বিদেশি শক্তির কাছে।

    গ্রেফতার নিশান্ত (Pakistani Spies)

    ২০১৮ সালে ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইয়ের হাতে তুলে দিয়েছিলেন এই অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছিল নিশান্তকে। সেই সময় তিনি নাগপুরে ব্রহ্মসের ক্ষেপণাস্ত্র কেন্দ্রের প্রযুক্তিগত গবেষণা বিভাগে নিযুক্ত ছিলেন। চাকরি করতেন সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির দলেই। এই বিজ্ঞানীকে গ্রেফতার করেছিল সামরিক গোয়েন্দা এবং উত্তরপ্রদেশ ও মহারাষ্ট্র পুলিশের সন্ত্রাসবাদ বিরোধী স্কোয়াডের এক যৌথ দল। জানা গিয়েছিল, নেহা শর্মা ও পূজা রঞ্জন নামে দুটি ফেসবুক প্রোফাইলের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল নিশান্তের। এই ফেক দুই প্রোফাইলের নেপথ্যে ছিল পাক গোয়েন্দারা। প্রোফাইল দুটি চালাত আইএসআই এজেন্টরাই, ইসলামাবাদ থেকে।

    কী বলেছিলেন তদন্তকারী অফিসার?

    উত্তরপ্রদেশ এটিএসের তদন্তকারী আধিকারিক পঙ্কজ আওয়াস্থি অবশ্য আদালতে জানিয়েছিলেন, পাকিস্তান থেকে জনৈক সেজাল একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট খুলেছিলেন। সেই ফাঁদেই পড়েন নিশান্ত। এই ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে সে চ্যাট করত তার পাকিস্তানি অপারেটিভ এবং ভারতীয় ‘শিকারে’র সঙ্গে। নিশান্ত-সেজালের চ্যাট খতিয়ে দেখে তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, সেজাল একটি গ্রুপের অংশ, যার মাধ্যমে ভারতীয় প্রতিরক্ষা দফতরের পদস্থ কর্তাদের ফাঁদে ফেলে গোপন তথ্য হাতিয়ে নেওয়া হত।

    আর পড়ুন: পাকিস্তানের চেয়ে বেশি পরমাণু অস্ত্র রয়েছে ভারতের হাতে, বলছে রিপোর্ট

    আওয়াস্থি আদালতে জানিয়েছেন, সেজালের নির্দেশেই আগরওয়াল তাঁকে পাঠানো লিঙ্কে ক্লিক করতেন। এভাবে তিনি তিনটি অ্যাপস ইনস্টল করেছিলেন তাঁর পার্সোনাল ল্যাপটপে, ২০১৭ সালে। এই অ্যাপগুলি হল ‘কিউহুইস্পার’, ‘চ্যাট টু হায়ার’ এবং ‘এক্স ট্রাস্ট’। এই তিনটি অ্যাপের মাধ্যমেই নিশান্তের ল্যাপটপ থেকে তথ্য চুরি করত পাক হ্যাকাররা। তদন্তে জানা গিয়েছে, বিএপিএলের সিকিউরিটি নর্মস উপেক্ষা করে ব্রহ্মস মিসাইল সম্পর্কিত তথ্য রাখা ছিল নিশান্তের ল্যাপটপে। নিশান্তকে বলা হয়েছিল লিঙ্কদিনেও সেজালের সঙ্গে চ্যাট করতে (Pakistani Spies)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Nishant Agarwal: পাকিস্তানের গুপ্তচর! ব্রহ্মস অ্যারোস্পেসের তরুণ ইঞ্জিনিয়ার নিশান্তের যাবজ্জীবন

    Nishant Agarwal: পাকিস্তানের গুপ্তচর! ব্রহ্মস অ্যারোস্পেসের তরুণ ইঞ্জিনিয়ার নিশান্তের যাবজ্জীবন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ভারতের অন্যতম সেরা সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ব্রহ্মসের প্রাক্তন ইঞ্জিনিয়ার (Ex-Brahmos Engineer) নিশান্ত অগরওয়ালকে (Nishant Agarwal) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিল আদালত। অভিযোগ, পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের হয়ে চরবৃত্তি করেছেন তিনি। সোমবার নাগপুরের জেলা আদালত নিশান্ত আগরওয়ালকে এই সাজা দেয়। পাশাপাশি, তাঁকে সরকারি গোপনীয়তা আইনে ১৪ বছরের কারাদণ্ড এবং ৩০০০ টাকা জরিমানাও করা হয়েছে।

    কী অভিযোগ

    ব্রহ্মস অ্যারোস্পেস প্রাইভেট লিমিডেটের মেধাবী কর্মী তথা কৃতি বিজ্ঞানী (Ex-Brahmos Engineer) ছিলেন নিশান্ত (Nishant Agarwal)। নাগপুরের ব্রহ্মস অ্যারোস্পেস প্রাইভেট লিমিডেটের প্রযুক্তি সংক্রান্ত গবেষণার অন্যতম বিজ্ঞানী ছিলেন তিনি। অভিযোগ, সেখানে চার বছর কাজ করার সময় গুপ্তচর বৃত্তিতে জরিয়ে পড়েন নিশান্ত। পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাচারের অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। নেহা শর্মা এবং পূজা রঞ্জন নামে দুটি ফেসবুক প্রোফাইলের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন নিশান্ত। তদন্তকারীরা জানতে পারেন, দুটিই ছিল ফেক প্রোফাইল। পিছনে ছিল পাকিস্তানি গোয়েন্দারা। ইসলামাবাদ থেকে আইএসআই এজেন্টরাই ওই প্রোফাইল দুটি চালাত। 

    আরও পড়ুন: এনডিএ জোট এগিয়ে ২৯২ আসনে, দিল্লির মসনদে ফের মোদি?

    কীভাবে টার্গেট নিশান্ত

    পুলিশ সূত্রে খবর, অনলাইনে কার সঙ্গে যোগাযোগ করছেন, সেই বিষয়ে উদাসীন ছিলেন নিশান্ত (Nishant Agarwal)। এর ফলেই তিনি আইএসআই-এর সহজ টার্গেট হন। ২০১৮ সালে উত্তরপ্রদেশ এবং মহারাষ্ট্র পুলিশের সন্ত্রাস দমন শাখা গ্রেফতার করে তাঁকে। নাগপুর দায়রা আদালতে বিচারক এম ভি দেশপাণ্ডে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের দায়ে সোমবার দোষী সাব্যস্ত করে নিশান্ত আগরওয়ালকে। ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের (Ex-Brahmos Engineer) সেরা তরুণ বিজ্ঞানীর পুরস্কার জিতেছিলেন নিশান্ত। তিনি এই কাজ করতে পারেন, তা তাঁর সহকর্মীরা ভাবতেই পারছেন না। সোমবার অতিরিক্ত দায়রা বিচারক এমভি দেশপাণ্ডে জানিয়েছেন, ফৌজদারি বিধির ২৩৫ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে নিশান্তকে। এ ছাড়াও তথ্যপ্রযুক্তি আইনেও দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে তাঁকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BrahMos Missiles: আরও চাপে চিন! ফিলিপিন্সে পোঁছল ভারতের ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র

    BrahMos Missiles: আরও চাপে চিন! ফিলিপিন্সে পোঁছল ভারতের ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কূটনৈতিক এবং সামরিক ক্ষেত্রে বড় পদক্ষেপ করল ভারত। চিনকে চাপে রাখতে ইতিমধ্যেই ফিলিপিন্সের সঙ্গে সামরিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। ওই চুক্তির আওতায় শুক্রবার সকালেই ফিলিপিন্সে প্রথম দফায় পৌঁছল ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র (BrahMos Missiles)। ইতিমধ্যেই চিনকে নিশানায় রেখে লাদাখ ও অরুণাচলে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র বসিয়েছে ভারত। এবার এই জাহাজ বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র চলে গেল ফিলিপিন্সের নৌ বাহিনীর হাতেও।

    সর্ববৃহৎ সামরিক রফতানি চুক্তি 

    ফিলিপিন্সের সঙ্গে এখনও পর্যন্ত সর্ববৃহৎ সামরিক রফতানি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ভারত (India-Philippines Relations)। শুক্রবার ভোরেই ফিলিপিন্সে পৌঁছে যায় ভারতের ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র। ভারতীয় বায়ুসেনার (IAF C-17) বিমানে চাপিয়ে ফিলিপিন্সে ক্ষেপণাস্ত্র পাঠানো হয়। বৃহস্পতিবার রাতে নাগপুর থেকে রওনা দেয় বায়ুসেনার ওই বিমান। শুক্রবার ভোরে ফিলিপিন্সের রাজধানী ম্যানিলায় পৌঁছয়। এর সঙ্গে ছিল তিনটি সাধারণ বিমানও। যাতে ছিল অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম এবং ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্রের সহায়ক যন্ত্রাংশ।

    কেন ফিলিপিন্সে ব্রহ্মস

    ফিলিপিন্সের উপকূলীয় নিরাপত্তার কাজে ভারতে তৈরি ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহৃত হবে। পশ্চিম ফিলিপিন্স সাগরে আধিপত্য নিয়ে চিনের সঙ্গে সংঘাত রয়েছে ফিলিপিন্সের। সেই আবহে ভারতের সঙ্গে ফিলিপিন্সের এই সামরিক চুক্তিতে চিনের উপর চাপ বাড়বে বলে মনে করছেন কূটনীতিকরা। ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে যৌথ উদ্যোগে গঠিত ব্রহ্মস এরোস্পেস সংস্থায় তৈরি ব্রহ্মস ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র শব্দের চেয়েও দ্রুতগামী। স্থলভূমির পাশাপাশি ডুবোজাহাজ, জাহাজ, যুদ্ধবিমান থেকে ছোড়া সম্ভব। এই ক্ষেপণাস্ত্রই এবার শোভা পাবে ফিলিপিন্সের নৌ বাহিনীর সমর সম্ভারে। 

    কবে হয়েছিল চুক্তি

    ২০২২ সালের জানুয়ারি মাসে ফিলিপিন্সের সঙ্গে সামরিক চুক্তির ঘোষণা করে ভারত। চুক্তি যদিও ২০২১ সালের ৩১ ডিসেম্বরই স্বাক্ষরিত হয়।  বিদেশে সামরিক সরঞ্জাম রফতানির ক্ষেত্রে ফিলিপিন্সের সঙ্গে এই চুক্তি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই প্রথম অন্য দেশের সঙ্গে সামরিক সরঞ্জাম রফতানির এত বড় চুক্তি স্বাক্ষর করেছিল ভারত।  যা শুক্রবার বাস্তব রূপ পেল। মোট ২,৭০০ কোটি টাকার বিনিময়ে ভারতের সঙ্গে সামরিক চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ফিলিপিন্স। ওই চুক্তির আওতায় ২৯০ কিলোমিটার পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র  প্রযুক্তি কিনছে তারা। ক্ষেপণাস্ত্রের তিনটি ব্যাটারিও তাদের বিক্রি করছে ভারত। গত বছর ফেব্রুয়ারি মাসে ফিলিপিন্স নৌসেনার ২১ সৈনিককে এ বিষয়ে প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BrahMos Missile: সফল উৎক্ষেপণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্রের, ট্যুইট নৌসেনার

    BrahMos Missile: সফল উৎক্ষেপণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্রের, ট্যুইট নৌসেনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় নৌসেনার মুকুটে জুড়ল নয়া পালক। রবিবার সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি একটি ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্রের (BrahMos Missile) সফল উৎক্ষেপণ করেছে ভারতীয় নৌসেনা। আরব সাগরে কলকাতা ক্লাস ডেস্ট্রয়ার থেকে এই ব্রহ্মোস অ্যান্টি-শিপ ক্ষেপণাস্ত্রটি উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। এটি তৈরি করেছে ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গনাইজেশন বা ডিআরডিও। রবিবার একটি ট্যুইট করে ভারতীয় নৌসেনা এই মিসাইলের সফল উৎক্ষেপণের বিষয়ে জানায়। ট্যুইট বার্তায় লিখেছে, “আরব সাগরে যুদ্ধজাহাজ থেকে একেবারে সঠিকভাবে একটি ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করেছে ভারতীয় নৌসেনা। আত্মনির্ভর ভারত গড়ার লক্ষ্যে এগিয়ে যেতে ডিআরডিও সম্পূর্ণ ভারতীয় প্রযুক্তিতে এই ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করেছে।”

    ব্রহ্মোস মিসাইল (BrahMos Missile)…

    ব্রহ্মোস (BrahMos Missile) হল একটি মাঝারি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র। ভারত ও রাশিয়ার যৌথ উদ্যোগে এই মিসাইল তৈরির কাজ শুরু হয়েছিল। এখন ভারত নিজের প্রযুক্তি ব্যবহার করেই এই মিসাইল তৈরি করতে শুরু করেছে। ভারত এখন ব্রহ্মোস মিসাইল বিদেশেও রপ্তানি করছে। এই ক্ষেপণাস্ত্রের গতিবেগ শব্দের গতিবেগের থেকেও দ্রুত। যুদ্ধজাহাজ ছাড়াও ডুবোজাহাজ, বিমান এবং স্থলভাগ থেকে এই ক্ষেপণাস্ত্রের সফল উৎক্ষপণ করা সম্ভব।

    আরও পড়ুন:চিনকে কড়া বার্তা! ভারতীয় সেনায় প্রথম মিডিয়াম রেঞ্জ সারফেস টু এয়ার মিসাইল রেজিমেন্ট

    উল্লেখ্য, যখন প্রথম এই ক্ষেপণাস্ত্রের আত্মপ্রকাশ ঘটেছিল, সেই মুহূর্তে এই ব্রহ্মোসই ছিল বিশ্বের দ্রুততম সুপারসোনিক (শব্দের থেকেও বেশি দ্রুত গতিসম্পন্ন) ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র। শব্দের চেয়ে প্রায় ৩ গুণ বা ২.৮ মাখ গতিতে ছুটতে পারে ব্রহ্মোস মিসাইল (BrahMos Missile)। সুপারসনিক ক্রুজ মিসাইলের অ্যান্টি-শিপ সংস্করণ গত বছরের এপ্রিলে ভারতীয় নৌসেনা এবং আন্দামান ও নিকোবর কমান্ড যৌথভাবে সফলভাবে পরীক্ষা করেছিল।

    ভারতের সঙ্গে চুক্তি ফিলিপিন্সের

    সূত্রের খবর, অন্য দেশেও ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র পাঠাচ্ছে ভারত। ২০২২ সালের জানুয়ারিতে ফিলিপিন্সের সঙ্গে ৩৭৫ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি হয় ভারতের। এই চুক্তি অনুযায়ী ফিলিপিন্সকে মিসাইল পাঠাবে ভারত। এই প্রথম ভারতে তৈরি অস্ত্র বিদেশে রপ্তানি করা হবে। দক্ষিণ চিন সাগরে বেজিংয়ের আগ্রাসনের মধ্যে ফিলিপিন্সের কাছে এই মিসাইলগুলি গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BrahMos Missile Misfire: ভুল করেই পাক ভূখণ্ডে ব্রহ্মোস! বরখাস্ত বায়ুসেনার তিন অফিসার

    BrahMos Missile Misfire: ভুল করেই পাক ভূখণ্ডে ব্রহ্মোস! বরখাস্ত বায়ুসেনার তিন অফিসার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  চলতি বছরের গোড়ায় পাকিস্তানে (pakistan) ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র (missile) আছড়ে পড়ার ঘটনায় বায়ুসেনার (IAF) তিন অফিসারকে (Officers) বরখাস্ত (termination) করল ভারত (india)। ভুল করেই ওই মিসাইল পাক-ভূখণ্ডে আছড়ে পড়ে।  ওই ‘দুর্ঘটনার’ জন্য এক জন গ্রুপ ক্যাপ্টেন ও দুজন উইং কম্যান্ডারকে সাসপেন্ড করা হল। বায়ুসেনার ওই তিন আধিকারিককে বরখাস্ত করল প্রতিরক্ষামন্ত্রক। 

    বায়ুসেনার তরফে এক বিবৃতিতে জানানো হয়, ‘২০২২-র ৯ মার্চ, ভুল করে ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার ঘটনায় প্রাথমিক ভাবে তিন জন অফিসারের গাফিলতি নজরে এসেছে। কেন্দ্রীয় সরকার তাঁদের সাসপেন্ড করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তিন জন অফিসারকেই এই সংক্রান্ত সরকারি নির্দেশ ২৩ অগাস্ট পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।’ সংবাদসংস্থা  সূত্রে খবর, কোর্ট অফ এনকোয়্যারি-তে ধরা পড়ে, ওই তিন জন অফিসার স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর বা SOP ঠিকঠাক মানেননি। সেখান থেকে কিছুটা সরে এসেছিলেন। আর সেই কারণেই ভুল করে ব্রহ্মোস পাকিস্তানের মাটিতে গিয়ে পড়ে। খানেওয়াল জেলার মিয়াঁ চান্নু-তে আছড়ে পড়ে ওই ক্ষেপণাস্ত্র।

    আরও পড়ুন: এসসিও-র বৈঠকে যোগ দিতে তাসখন্দে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং

    পাকিস্তান দাবি করেছিল, প্রায় ৪০ হাজার ফুট উচ্চতা দিয়ে তাদের আকাশসীমার প্রায় ১০০ কিলোমিটার ভিতরে ঢুকে আসে ওই ক্ষেপণাস্ত্র। আছড়ে পড়ার আগে তার গতিবেগ ছিল শব্দের থেকেও তিনগুণ বেশি। তবে ব্রহ্মোসের মুখে কোনও ওয়ারহেড না থাকায় সেটি ফাটেনি। পাকিস্তান অভিযোগ করে,  ভারতের আকাশসীমা থেকে আসা ওই ক্ষেপণাস্ত্র আছড়ে পড়ায় বহু মানুষের ঘরবাড়ি তছনছ হয়ে গিয়েছে। ঘটনার প্রতিবাদে পাকিস্তানে ভারতের প্রতিনিধিকে ডেকে পাঠায় ইসলামাবাদ। স্রেফ উদ্বেগ প্রকাশ করা নয়, ঘটনার তদন্তও শুরু করে দেয় পাকিস্তান।

    এরপরই দিল্লির তরফে শুরু হয়  কোর্ট অফ এনকোয়্যারি। সেই এনকোয়্যারির পরই তিন বায়ুসেনা অফিসারকে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত ভারতের। এদিকে শীঘ্রই এবার ব্রহ্মোস মিসাইল রফতানি করবে ভারত, এমনটাই জানানো হয়েছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে। ফিলিপিনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের সঙ্গে চুক্তিও স্বাক্ষর করে ফেলেছেন ব্রহ্মোস অ্যারোস্পেস প্রাইভেট লিমিটেড। তবে কতগুলি মিসাইল রফতানি করা হবে, তা জানা যায়নি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • ASTRA Missile: ভারতীয় নৌ, বায়ুসেনার হাতে আসছে দেশীয় “অস্ত্র”

    ASTRA Missile: ভারতীয় নৌ, বায়ুসেনার হাতে আসছে দেশীয় “অস্ত্র”

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অভাবটা মালুম হয়েছিল বালাকোট এয়ার স্ট্রাইকের (Balakote airstrike) সময়। ভালমানের এয়ার-টু-এয়ার মিসাইলের (Air-to-Air Missile) অভাবে কিছুটা পিছিয়ে আসতে হয়েছিল ভারতকে (India)। সেই ঘাটতি ঢাকতে বদ্ধপরিকর ছিল মোদি (Modi) সরকার। লক্ষ্য ছিল, দেশীয় উন্নতমানের দেশীয় আকাশ-থেকে-আকাশ নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করার। দীর্ঘ পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর সম্প্রতি কেন্দ্রের সবুজ সংকেত মিলেছে। অবশেষে, এবার ভারতীয় বায়ুসেনা (IAF) ও নৌসেনায় (Indian Navy) ব্যবহৃত যুদ্ধবিমানের মারণ ক্ষমতা আরও বৃদ্ধি করতে অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে “অস্ত্র”।

    মোদি সরকারের অষ্টম বর্ষপূর্তিতে (Modi@8) ‘আত্মনির্ভর ভারত’-এর প্রকৃষ্ট উদাহরণ তৈরি করল প্রতিরক্ষামন্ত্রক। ভারতীয় সামরিক শক্তি বৃদ্ধির জন্য মঙ্গলবার রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা ভারত ডায়নামিক্স লিমিটেড (Bharat Dynamics Ltd) এর সঙ্গে ২ হাজার ৯৭১ কোটি টাকার চুক্তি স্বাক্ষর করেছে কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রক (Ministry of Defence)। এই চুক্তি অনুযায়ী, ভারতীয় বায়ুসেনা ও নৌসেনার জন্য ‘অস্ত্র মার্ক ১’ (ASTRA Mk I) বিয়ন্ড ভিজ়্যুয়াল রেঞ্জ (BVR) এয়ার-টু-এয়ার মিসাইল বা সংক্ষেপে (BVRAAM) উৎপাদন করবে ভারত ডায়নামিক্স (BDL)।

    আরও পড়ুন: সমন্বয় বাড়াতে শিলিগুড়িতে কেন্দ্রীয় পুলিশ বাহিনীর সঙ্গে যৌথ মহড়া সেনার

    সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি বিমান থেকে নিক্ষেপযোগ্য দৃষ্টিসীমার বাইরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম  “অস্ত্র” আকাশ থেকে আকাশ ক্ষেপণাস্ত্রর পাল্লা ১১০ কিলোমিটার। ক্ষেপণাস্ত্রটির গবেষণা থেকে শুরু করে নির্মাণ ও পরীক্ষার দায়িত্বে ছিল কেন্দ্রীয় প্রতিলক্ষা গবেষণা সংস্থা ডিফেন্স রিসার্চ ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (DRDO)। এখন ক্ষেপণাস্ত্র এবং সম্পর্কিত সিস্টেমগুলির উৎপাদনের জন্য সমস্ত প্রযুক্তি বিডিএল-এর কাছে হস্তান্তর করেছে ডিআরডিও। 

    বর্তমানে ব্রহ্মোস (BrahMos) ছাড়া, ভারতের সবকটি এয়ার-টু-এয়ার ক্ষেপণাস্ত্রগুলি বিদেশ থেকে আমদানি করা। ফলে, সেগুলি অত্যন্ত ব্যয়বহুল। কেন্দ্রে মোদি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে দেশীয় প্রযুক্তি উন্নয়ন ও দেশীয় অস্ত্র নির্মাণ ও উৎপাদনের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। সেই নিরিখে, এর নতুন দেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের  ফলে প্রতিরক্ষাক্ষেত্রে আত্মনির্ভর হওয়ার পথে আরও এক ধাপ এগলো ভারত।

    “অস্ত্র” হল ভারতের প্রথম সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এয়ার-টু-এয়ার ক্ষেপণাস্ত্র। ক্ষেপণাস্ত্রটি ভারতীয় বায়ুসেনার প্রধান ভরসা রুশ-নির্মিত সুখোই সু-৩০ এমকেআই (Sukhoi Su-30 MKI) যুদ্ধবিমানের সঙ্গে যুক্ত করা হবে। পাশাপাশি, বায়ুসেনার দেশীয় ‘তেজস’ (Tejas) এবং নৌসেনার প্রধান যুদ্ধবিমান ‘মিগ-২৯কে’ (MiG 29K) সজ্জিত হবে এই ক্ষেপণাস্ত্রে।

    আরও পড়ুন: ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’য় এবার মার্কিন অস্ত্র?

    ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে বালাকোট এয়ারস্ট্রাইকের সময় পাক বায়ুসেনা ব্যবহৃত মার্কিন নির্মিত ‘এফ-১৬’ (F-16) যুদ্ধবিমানে সঙ্গে আসা ‘এআইএম-১২০’ (AIM-120) এয়ার-টু-এয়ার মিসাইলের জন্য সরাসরি আক্রমণে যেতে পারেনি ভারত। কারণ, পাক বায়ুসেনার বিভিআর মিসাইলের নিশানায় চলে আসত ভারতীয় সুখোই বিমানগুলি। ভারত সেই সময় সিদ্ধান্ত নেয়, দ্রুত এই মিসাইলকে অন্তর্ভুক্ত করতেই হবে। 

    বর্তমানে ভারতের অস্ত্রাগারে রয়েছে ‘মিটিয়র’ (Meteor)-এর মতো যা এই মুহূর্তে বিশ্বের সেরা BVRAAM। ফরাসি যুদ্ধবিমান ‘রাফাল’- এর সঙ্গে এসেছে এই ক্ষেপণাস্ত্রটি। কিন্তু, এগুলির প্রতিটির দাম অনেক বেশি। তুলনায় ভারতে তৈরি ‘অস্ত্র’ মিসাইল অনেকটাই সস্তা। ডিআরডিও-র দাবি, পাক বায়ুসেনা ব্যবহৃত ‘এআইএম-১২০’ মিসাইলের সমতুল্য হচ্ছে ‘ASTRA Mk I’। 

    অন্যদিকে, গবেষণা চলা ‘ASTRA Mk II’ ও ‘অস্ত্র মার্ক III’ ভেরিয়েন্টগুলির পাকিস্তানের ব্যবহৃত মিসাইলের থেকে ঢের ভালো হবে এবং চিনা মিসাইলকে সমানে সমানে টক্কর দেবে। জানা গিয়েছে, এই দুই মিসাইলের পাল্লা হবে যথাক্রমে ১৬০ ও ৩৫০ কিলোমিটার।

    আরও পড়ুন: এমএসএমই থেকে প্রতিরক্ষা সামগ্রী কেনার পরিমাণ ছুঁল সর্বকালীন রেকর্ড

LinkedIn
Share