Tag: Brahmos missile

Brahmos missile

  • BrahMos Missile: সফল উৎক্ষেপণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্রের, ট্যুইট নৌসেনার

    BrahMos Missile: সফল উৎক্ষেপণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্রের, ট্যুইট নৌসেনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় নৌসেনার মুকুটে জুড়ল নয়া পালক। রবিবার সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি একটি ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্রের (BrahMos Missile) সফল উৎক্ষেপণ করেছে ভারতীয় নৌসেনা। আরব সাগরে কলকাতা ক্লাস ডেস্ট্রয়ার থেকে এই ব্রহ্মোস অ্যান্টি-শিপ ক্ষেপণাস্ত্রটি উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। এটি তৈরি করেছে ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গনাইজেশন বা ডিআরডিও। রবিবার একটি ট্যুইট করে ভারতীয় নৌসেনা এই মিসাইলের সফল উৎক্ষেপণের বিষয়ে জানায়। ট্যুইট বার্তায় লিখেছে, “আরব সাগরে যুদ্ধজাহাজ থেকে একেবারে সঠিকভাবে একটি ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করেছে ভারতীয় নৌসেনা। আত্মনির্ভর ভারত গড়ার লক্ষ্যে এগিয়ে যেতে ডিআরডিও সম্পূর্ণ ভারতীয় প্রযুক্তিতে এই ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করেছে।”

    ব্রহ্মোস মিসাইল (BrahMos Missile)…

    ব্রহ্মোস (BrahMos Missile) হল একটি মাঝারি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র। ভারত ও রাশিয়ার যৌথ উদ্যোগে এই মিসাইল তৈরির কাজ শুরু হয়েছিল। এখন ভারত নিজের প্রযুক্তি ব্যবহার করেই এই মিসাইল তৈরি করতে শুরু করেছে। ভারত এখন ব্রহ্মোস মিসাইল বিদেশেও রপ্তানি করছে। এই ক্ষেপণাস্ত্রের গতিবেগ শব্দের গতিবেগের থেকেও দ্রুত। যুদ্ধজাহাজ ছাড়াও ডুবোজাহাজ, বিমান এবং স্থলভাগ থেকে এই ক্ষেপণাস্ত্রের সফল উৎক্ষপণ করা সম্ভব।

    আরও পড়ুন:চিনকে কড়া বার্তা! ভারতীয় সেনায় প্রথম মিডিয়াম রেঞ্জ সারফেস টু এয়ার মিসাইল রেজিমেন্ট

    উল্লেখ্য, যখন প্রথম এই ক্ষেপণাস্ত্রের আত্মপ্রকাশ ঘটেছিল, সেই মুহূর্তে এই ব্রহ্মোসই ছিল বিশ্বের দ্রুততম সুপারসোনিক (শব্দের থেকেও বেশি দ্রুত গতিসম্পন্ন) ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র। শব্দের চেয়ে প্রায় ৩ গুণ বা ২.৮ মাখ গতিতে ছুটতে পারে ব্রহ্মোস মিসাইল (BrahMos Missile)। সুপারসনিক ক্রুজ মিসাইলের অ্যান্টি-শিপ সংস্করণ গত বছরের এপ্রিলে ভারতীয় নৌসেনা এবং আন্দামান ও নিকোবর কমান্ড যৌথভাবে সফলভাবে পরীক্ষা করেছিল।

    ভারতের সঙ্গে চুক্তি ফিলিপিন্সের

    সূত্রের খবর, অন্য দেশেও ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র পাঠাচ্ছে ভারত। ২০২২ সালের জানুয়ারিতে ফিলিপিন্সের সঙ্গে ৩৭৫ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি হয় ভারতের। এই চুক্তি অনুযায়ী ফিলিপিন্সকে মিসাইল পাঠাবে ভারত। এই প্রথম ভারতে তৈরি অস্ত্র বিদেশে রপ্তানি করা হবে। দক্ষিণ চিন সাগরে বেজিংয়ের আগ্রাসনের মধ্যে ফিলিপিন্সের কাছে এই মিসাইলগুলি গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BrahMos Missile: সফল ‘ব্রহ্মোস’ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষামূলক নিক্ষেপ, অভিনন্দন জানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

    BrahMos Missile: সফল ‘ব্রহ্মোস’ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষামূলক নিক্ষেপ, অভিনন্দন জানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবারে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে আরও বেশি শক্তিশালী হয়ে উঠল ভারত। কয়েকদিন আগেই ভারতীয় সেনাকে ১২০টি ‘প্রলয়’ কোয়াসি-ব্যালিস্টিক বা আধা-ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দেওয়া সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। আর এবারে সফল হল ভারতের ‘ব্রহ্মোস এয়ার লঞ্চ ক্ষেপণাস্ত্র’ (BrahMos Air Launched) পরীক্ষা। প্রায় ৪০০ কিলোমিটার দূরে রেঞ্জে থাকা একটি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করতে সক্ষম হয়েছে এই ক্ষেপণাস্ত্র। গত বৃহস্পতিবার ভারতীয় বায়ু সেনা এই পরীক্ষা চালায়। সুখোই-৩০ এমকেআই যুদ্ধবিমান থেকে ছোঁড়া হয়েছে এই ব্রহ্মোস এক্সটেন্ডেড রেঞ্জ মিসাইল। ফলে এক্সটেন্ডেড পাল্লার সংস্করণের পরীক্ষায় সফল হল ভারতীয় বায়ু সেনা।

    সফল ব্রহ্মোস মিসাইলের পরীক্ষামূলক নিক্ষেপ

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এদিনের পরীক্ষাটি হয়েছে বঙ্গোপসাগর অঞ্চলে। পরীক্ষায় কাঙ্খিত লক্ষ্য অর্জন করা গিয়েছে। এছাড়াও স্থলে কিংবা জলে যে কোনও লক্ষ্যবস্তুকে আঘাত করতে সক্ষম এই ক্ষেপণাস্ত্র। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক বলেছে, “এই পরীক্ষা সফল হওয়ায়, ভারতীয় বায়ুসেনা সুখোই-৩০ যুদ্ধবিমান থেকে স্থলে বা সমুদ্রে দীর্ঘ দূরত্বে থাকা লক্ষ্যবস্তুতে নির্ভুল হামলা চালানোর সক্ষমতা অর্জন করেছে।”

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, বায়ুসেনা, নৌসেনা, প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত গবেষণা সংস্থা ডিআরডিও, দেশীয় যুদ্ধবিমান প্রস্তুতকারক সংস্থা হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড এবং ব্রহ্মোস এরোস্পেস- এর যৌথ প্রচেষ্টায় বৃহস্পতিবারের এই পরীক্ষামূলক অভিযান সফল হয়েছে।

    উল্লেখ্য, চলতি বছরের মে মাসে প্রথমবার সুখোই-৩০ এমকেআই যুদ্ধবিমান থেকে ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র (BrahMos Missile) নিক্ষেপ করার পরীক্ষা করা হয়েছিল। ওই সময় ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা ২৯০ কিলোমিটার থেকে বৃদ্ধি করে ৩৫০ কিলোমিটার করা হয়েছিল।

    ব্রহ্মোস সুপারসনিক ক্রুজ মিসাইল

    এই সুপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রে (BrahMos Missile) দ্বিস্তরীয় সলিড প্রোপেল্যান্ট বুস্টার ইঞ্জিন ব্যবহার করা হয়। প্রথম স্তরের ইঞ্জিনটি ক্ষেপণাস্ত্রটিকে সুপারসনিক গতি দেয়। পরের স্তরে লিকুইড ব়্যামজেট ইঞ্জিনের গতি শব্দের গতিবেগের প্রায় তিনগুণ বেশি দেয়। এর বিশেষ বৈশিষ্ট্য হল- বায়ু, সমুদ্র বা স্থল – বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম থেকেই ক্ষেপণাস্ত্রটি নিক্ষেপ করা যায়।

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অভিনন্দন জানালেন…

    ক্ষেপণাস্ত্রের (BrahMos Missile) সফল পরীক্ষার ফলে বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রী পীযূষ গোয়াল ডিআরডিও ও হ্যাল-এর প্রশংসা করেছেন ও অভিনন্দনও জানিয়েছেন। ভারতীয় বায়ু সেনার (Indian Air Force) জন্য এই সাফল্য সামরিক দিক থেকে অনেক বড় জয় বলে মনে করা হচ্ছে। যুদ্ধের সময় এই ক্ষেপণাস্ত্র একটি বড় ভূমিকা পালন করবে বলে জানিয়েছে সেনা বাহিনী।

  • BrahMos ER Missile: ৩৫০ কিমি দূরে লক্ষ্যভেদে সফল ব্রহ্মস,  এবার ভারতের লক্ষ্য ৫০০ কিমি

    BrahMos ER Missile: ৩৫০ কিমি দূরে লক্ষ্যভেদে সফল ব্রহ্মস, এবার ভারতের লক্ষ্য ৫০০ কিমি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুখোই-৩০ (Su-30 MKI) যুদ্ধবিমান থেকে এক্সটেন্ডেড রেঞ্জ ব্রহ্মস (Brahmos ER) মিসাইলের সফল পরীক্ষা করল ভারত। বৃহস্পতিবার বঙ্গোপসাগরে একদম নিখুঁত নিশানায় আঘাত হানে মিসাইলটি। বায়ুসেনার তরফে এক বিবৃতিতে একথা জানানো হয়েছে।

    বায়ুসেনা জানিয়েছে, যুদ্ধবিমান থেকে এই মিসাইলের এক্সটেন্ডেড রেঞ্জ বা সম্প্রসারিত পাল্লার মিসাইলের পরীক্ষা এই প্রথম করা হল।  এখন ৩৫০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে সুখোই থেকে ব্রহ্মস মিসাইল নিক্ষেপে সক্ষম ভারতীয় বায়ুসেনা বলে জানিয়েছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। তারা জানায়, ব্রহ্মস এক্সটেন্ডেড রেঞ্জ ভার্সন (extended range version of BrahMos) সফলভাবে লক্ষ্যভেদ করেছে। এটা দেশের কাছে গর্বের।

    ভারতীয় বায়ুসেনার (Indian Air Force) তরফে জানানো হয়েছে, আগামীদিনে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নেবে এই নতুন স্ট্র্যাটেজি।  ভারত ও রাশিয়ার যৌথ উদ্যোগে তৈরি এই ব্রহ্মস মিসাইল প্রায় ২৯০ কিলোমিটার দূরে গিয়ে আঘাত হানতে সক্ষম। শব্দের তিনগুণ গতিতে এটি ছুটতে পারে। এদিন যে এক্সটেন্ডেড রেঞ্জ মিসাইলের পরীক্ষা করা হল, তার পাল্লা বৃদ্ধি করে ৩৫০ কিলোমিটার করা হয়েছে।

    [tw]


    [/tw]

    এই সাফল্য একেবারে গেম চেঞ্জার, বলে অনুমান বিশেষজ্ঞদের। যুদ্ধের পরিস্থিতি বদলে দিতে পারে এই ক্ষেপণাস্ত্র। সম্প্রসারিত পাল্লায় এটি আঘাত হানতে সক্ষম। সমুদ্রের ওপর বিপক্ষের বড়সড় প্রতিরক্ষাকে ভেঙে দিতেই ব্রহ্মস বেশি কার্যকরী। জলে হোক বা স্থলে একেবারে পিনের মতো লক্ষ্যেও সঠিকভাবে আছড়ে পড়তে সক্ষম ভারতীয় বায়ুসেনার এই বিমান। এই মিসাইলের সঙ্গে সুখোই যুদ্ধবিমানের যুগলবন্দি ভারতীয় সেনার সামরিক শক্তিকে আরও পোক্ত করবে বলে মনে করা হচ্ছে। যুদ্ধ স্থলে হোক বা জলে, যেখানেই হোক না কেন, সেখানেই ব্রহ্মসের কার্যকারিতা প্রাসঙ্গিক।  

    এদিকে সূত্রের খবর, ভারত এর চেয়েও দূরপাল্লার মিসাইল তৈরি করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। প্রায় ৫০০ কিমি আঘাত হানতে পারবে এই মিসাইল। ব্রহ্মসের সফলতার পিছনে বায়ুসেনা ছাড়াও ভারতীয় নৌবাহিনী, ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (DRDO), হিন্দুস্তান এরোনটিক্স লিমিটেড (HAL) এর ভূমিকা ছিল। প্রসঙ্গত, গত ৯ মার্চ ভারত ভুলবশত একটি ব্রহ্মস মিসাইল ছুড়ে ফেলেছিল। রুটিন পরীক্ষার সময় সেটি পাকিস্তানে চলে যায়। এরপরই প্রতিরক্ষামন্ত্রী জানিয়ে দেন, এটি পরীক্ষার সময় নিয়মমাফিক কার্যপ্রক্রিয়া (SOP) বজায় রাখতে হবে। এই ব্রহ্মস জল, স্থল, আকাশে আঘাত হানতে সক্ষম।

LinkedIn
Share