Tag: Brain Health

Brain Health

  • Beet juice: বিটের রসেই হবে বাজিমাত! কোন কোন রোগের মোকাবিলা করবে এই সবজি?

    Beet juice: বিটের রসেই হবে বাজিমাত! কোন কোন রোগের মোকাবিলা করবে এই সবজি?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    শীতের রঙিন সবজি বিট। মরশুমের হলেও এখন সারা বছর বিট পাওয়া যায়। পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, নিয়মিত বিট খেলে বিশেষত বিটের রস খেলে শরীরে একাধিক উপকার পাওয়া যায়। আটকানো যাবে একাধিক সমস্যা। চিকিৎসকদের একাংশ বলছেন, দিনের নির্দিষ্ট সময় বিটের রস (Beet juice) খেলে বাড়তি‌ উপকার পাওয়া যায়। দেখে নেওয়া যাক, কোন কোন রোগের মোকাবিলা করবে বিট?

    আয়রনের ঘাটতি কমায় (Beet juice)

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, বিটের পুষ্টিগুণ প্রচুর।‌এই সবজিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন। তাই নিয়মিত বিট খেলে বিশেষত বিটের রস খেলে শরীরে রক্তের ঘাটতি কমবে। বিশেষত যাঁরা আয়রনের অভাবে ভুগছেন, তাঁদের জন্য বিট খুবই উপকারী। গর্ভবতীদের জন্য বিট বাড়তি উপকার দেয়।

    রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়াবে

    বিট রোগ প্রতিরোধে বিশেষ সাহায্য করে। পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, বিটে (Beet juice) প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে। তাই বিট খেলে দেহে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ে। যে কোনও সংক্রামক রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করা সহজ হয়।

    উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে বিশেষ সাহায্য করবে

    বিট উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে বিশেষ সাহায্য করে বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন বিটে রয়েছে পটাশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ সহ একাধিক খনিজ পদার্থ। যা শরীরে রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। তাই নিয়মিত বিটের রস খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ (Diseases) থাকে। যাঁরা উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় ভোগেন, তাঁদের জন্য বিট বাড়তি উপকার দেয়।

    ডায়াবেটিস আক্রান্তদের জন্যও বাড়তি উপকারী (Beet juice)

    রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করতে বিটের উপকার অপরিসীম। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাই ডায়াবেটিসের মতো সমস্যা রুখতেও বিট খুব সক্রিয়। খনিজ পদার্থ সমৃদ্ধ এই খাবার তাই ডায়াবেটিস আক্রান্তদের জন্য বাড়তি উপকারী বলেই মত পুষ্টিবিদদের একাংশের।

    অকাল বার্ধক্য ঠেকাতে সাহায্য করবে

    বলিরেখা রুখতে এবং বার্ধক্য ঠেকাতে বিটের গুরুত্ব অপরিসীম। পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, ত্বক টানটান রাখতে এবং বার্ধক্য রুখতে বিট খুবই উপকারী। তাঁরা জানাচ্ছেন, বিটে প্রচুর পরিমাণে ডায়েটারি নাইট্রেট থাকে। যা শরীরে প্রবেশ করে ধীরে ধীরে নাইট্রিক অক্সাইডে পরিণত হয়। আর এই নাইট্রিক অক্সাইড শরীরে রক্তপ্রবাহে বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। এর ফলে অকাল বার্ধক্য আটকানো যায়।

    স্মৃতিশক্তি ধরে রাখতে সাহায্য করবে (Beet juice)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, মস্তিষ্ক সক্রিয় রাখতেও বিট খুবই কার্যকরী। তাঁরা জানাচ্ছেন, বিট থেকে শরীর প্রচুর নাইট্রিক অক্সাইড পায়। শরীরের বিভিন্ন অংশে প্রয়োজনীয় অক্সিজেন তাই সহজেই পৌঁছে যায়। এর ফলে মস্তিষ্ক আরও সক্রিয় থাকে। মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, স্মৃতিশক্তি ধরে রাখতেও বিট খুবই উপকারী।

    ত্বকের জন্য বাড়তি উপকারী

    ঠোঁট, গাল বা দেহের বিভিন্ন অংশে কালো ছোপ দূর করতে, ব্রণের সমস্যা মোকাবিলায় বিটের (Beet juice) উপকার অনেক। এমনটাই জানাচ্ছেন ত্বক রোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত বিট খেলে শরীরে রক্ত সঞ্চালন ঠিকমতো হয়। এর ফলে একাধিক ত্বকের সমস্যা কমে। বিশেষত ব্রণর মতো সমস্যা মোকাবিলায় এটা খুবই কার্যকরী। তাছাড়া বিটে থাকে একাধিক ভিটামিন এবং আয়রন। এর ফলে ত্বকের স্বাভাবিক ময়েশ্চারাইজার পাওয়া যায়। ত্বকের শুষ্কতা কমে। ত্বক উজ্জ্বল থাকে। তাই নিয়মিত বিটের তরকারি বা বিটের রস খেলে ত্বক ভালো‌ থাকবে বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Tomato: স্যালাড কিংবা তরকারিতে নিয়মিত একটা টম্যাটো খেলে কমবে পাঁচ রোগের ঝুঁকি! 

    Tomato: স্যালাড কিংবা তরকারিতে নিয়মিত একটা টম্যাটো খেলে কমবে পাঁচ রোগের ঝুঁকি! 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    স্যালাড হিসেবে, কিংবা স্যান্ডুইচে কয়েক টুকরো টম্যাটো (Tomato) ব্যবহার করা হয়। অথবা, যে কোনও নিরামিষ কিংবা আমিষ তরকারিতেও দেওয়া হয় টম্যাটো। আর নিয়মিত টম্যাটো খেলে উপকার অনেক! চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, নিয়মিত অন্তত একটি টম্যাটো খেলে কমবে একাধিক রোগের ঝুঁকি। তাই ভারী খাবারের সঙ্গে স্যালাড হিসেবে কিংবা যে কোনও তরকারিতে টম্যাটো ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। জেনে নিন, কোন কোন রোগের ঝুঁকি কমায় টম্যাটো?

    হৃদরোগের ঝুঁকি কমায় (Tomato)

    হৃদ সমস্যা বাড়ছে। বিশেষত তরুণ প্রজন্মের মধ্যে হৃদরোগের একাধিক লক্ষণ দেখা দিচ্ছে। এমনকি দেশ জুড়ে বেড়েছে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি। টম্যাটো হৃদপিণ্ড ভালো রাখতে বিশেষ সাহায্য করে। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, টম্যাটোতে রয়েছে একাধিক ভিটামিন এবং টম্যাটোয় শর্করার পরিমাণ কম থাকে। তাই হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে নিয়মিত টম্যাটো খেলে বিশেষ উপকার পাওয়া যাবে।

    রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ায়

    টম্যাটো রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ায়। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, টম্যাটোতে (Tomato) থাকে ভিটামিন সি। এই ভিটামিন সি দেহে রোগ প্রতিরোধ শক্তি গড়ে‌ তোলে। তাই নিয়মিত টম্যাটো খেলে নানা ধরনের ভাইরাস ঘটিত রোগের বিরুদ্ধে লড়াই সহজ হয়। দেহে প্রতিরোধ শক্তি বেড়ে যায়।

    ডায়াবেটিস আক্রান্তদের বিশেষ সাহায্য করে (Tomato)

    ডায়াবেটিস আক্রান্তদের জন্য টম্যাটো বিশেষ উপকারী। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণে টম্যাটো খুব কার্যকর ভূমিকা পালন করে। তাই ডায়াবেটিস রুখতে নিয়মিত টম্যাটো খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ।

    কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে

    টম্যাটো অন্ত্রের জন্য ভালো। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, নিয়মিত টম্যাটো (Tomato) খেলে অন্ত্রের কার্যকারিতা ঠিকমতো হয়। এর জেরে কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা দূর হয়। 

    তবে, শিশু ও বয়স্কদের টম্যাটো খাওয়ার ক্ষেত্রে কিছুটা সতর্ক থাকা জরুরি বলেই জানাচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, টম্যাটো অনেক সময় হজম করতে সময় লাগে। বিশেষত হজমের সমস্যা থাকলে টম্যাটো নিয়মিত খাওয়া উচিত নয়। তাতে নানান সমস্যা বাড়তে পারে। তাই শিশু ও বয়স্করা নিয়মিত টম্যাটো হজম করতে পারছে কিনা, সেদিকে নজর রেখেই মেনুতে টম্যাটো (Tomato) রাখা যাবে কিনা,তার সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dry Fruits: দিনে খান চারেক খেজুরই মোক্ষম দাওয়াই! কোন‌ কোন‌ রোগ থেকে মিলবে রেহাই? 

    Dry Fruits: দিনে খান চারেক খেজুরই মোক্ষম দাওয়াই! কোন‌ কোন‌ রোগ থেকে মিলবে রেহাই? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    প্রত্যেক দিনের খাবারের তালিকায় থাকুক খেজুর।‌ দিনে খান চারেক খেজুর খেলেই একাধিক রোগ থেকে মুক্তি সহজেই পাওয়া যাবে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অনেকেই কাজের চাপে দীর্ঘ সময় ভারী খাবার খাওয়ার সুযোগ পান না।‌ খাবারের মাঝে সময়ের ব্যবধান বেড়ে যাওয়ার ফলে নানান শারীরিক জটিলতাও দেখা দেয়। সেই সময়ে সঙ্গে থাকুক খেজুর। অন্তত কয়েকটা খেজুর খেয়ে নিলে সমস্যা কমবে। নিয়মিত খেজুর (Dry Fruits) খেলে এমন অনেক সমস্যার সমাধান পাওয়া যাবে বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    কোন কোন রোগের দাওয়াই খেজুর?

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, খেজুরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন। তাই যে কোনও বয়সের মানুষের রক্তাল্পতা দূর করতে নিয়মিত খেজুর খাওয়া জরুরি। বিশেষত বয়ঃসন্ধিকালে থাকা মেয়েদের নিয়মিত খেজুর খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। কারণ, এ দেশে বহু মহিলা রক্তাল্পতার সমস্যায় ভোগেন। তাই নিয়মিত খেজুর খেতে হবে। খেজুরে থাকে ল্যাক্সাটিভ। তাই নিয়মিত খেজুর (Dry Fruits) খেলে পাকস্থলীর একাধিক সমস্যার সমাধান হয়। এমনই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল। তাঁরা জানাচ্ছেন, হজমের গোলমাল কিংবা কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা দূর করার পাশপাশি পাকস্থলীর আলসারের মতো গুরুতর সমস্যার মোকাবিলাতেও খেজুর খুব কার্যকর ভূমিকা নেয়। 
    হাড়ের ক্ষয়-রোগ রুখতে খেজুর বিশেষ কার্যকর। বিশেষত অস্ট্রিয়পোরেসিসের মতো রোগ মোকাবিলায় খেজুর (Dates) সাহায্য করে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, খেজুরে থাকে পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, তামা, ভিটামিন এবং ক্যালসিয়াম। তাই খেজুর হাড় সুস্থ রাখতে বিশেষভাবে সাহায্য করে।

    প্রচুর পরিমাণে শক্তি (Dry Fruits) 

    খেজুরে প্রচুর পরিমাণে শক্তি থাকে। একশো গ্রাম খেজুরে ২৮২ কিলোক্যালোরি শক্তি থাকে। তাই শিশু ও গর্ভবতী মহিলাদের জন্য খেজুর বিশেষ কার্যকর। কারণ, এদের দেহে বাড়তি শক্তি জোগান দেওয়া প্রয়োজন। তাই দরকার খেজুর। নিয়মিত খেজুর খেলে শক্তির ঘাটতি হবে না। ক্লান্তি সহজেই দূর হবে। অনিদ্রার সমস্যা মোকাবিলায় খেজুর বিশেষ সাহায্য করে। তাছাড়া, খেজুরে থাকে প্রচুর পরিমাণে খনিজ পদার্থ। তাই হৃদযন্ত্রের পেশিকে কার্যকর করতে খেজুর (Dry Fruits) বিশেষ সাহায্য করে। পাশপাশি খেজুর শরীরের একাধিক হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, খেজুর পেশি ও হাড়ের পাশাপাশি শরীরের স্নায়ু সচল রাখতেও বিশেষ সাহায্য করে। তাই মাইগ্রেনের সমস্যা থাকলে নিয়মিত খেজুর খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। এতে মাইগ্রেনের সমস্যা কমবে বলেই তাঁরা জানাচ্ছেন।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Brain Health: মানসিক উদ্বেগ কমাতে গ্রহন করুন এই খাবারগুলি

    Brain Health: মানসিক উদ্বেগ কমাতে গ্রহন করুন এই খাবারগুলি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্যক্তিগত জীবনের টানাপোড়েন হোক বা কর্মক্ষেত্রের কোনও জটিলতায় মানসিক উদ্বেগের শিকার কমবেশি সকলেই। বিশেষ করে এই কোভিড পরিস্থিতিতে অবসাদ যেন আষ্টেপৃষ্ঠে ধরছে সকলকে। উদ্বেগের মেঘ কাটাতে কেউ চুমুক দেন মদের গ্লাসে আবার কেউ ভরসা রাখেন ধূমপানে। সাময়িক ভাবে এগুলি কাজে এলেও পরবর্তীতে অনেক সমস্যার সৃষ্টি করে।মানসিক উদ্বেগ কমায় আবার একই সঙ্গে শরীরেরও যত্ন নেয়, রইল এমন কিছু সুস্বাদু খাবারের সন্ধান।

    অ্যাভোকাডো(Avocado)

    বাজারে অ্যাভোকাডোর বিভিন্ন জুস পাওয়া যায়। তবে মুখ কুঁচকে যদি এই দামী ফলটি খাওয়ার অভ্যাস রাখতে পারেন, তাহলে টেনশন নিয়ে ‘টেনশন’ দূরে চলে যাবে। এতে থাকে ওমেগা থ্রি ও ফ্যাটি অ্যাসিড। ফলে তা শরীরের পক্ষে খুবই ভাল।

    মদ নয়, পান করুন চা (Green Tea)

    চাপ বা চিন্তা থেকে দূরে থাকতে চায়ের কার্যকারিতার কথা বলছেন বিশেষজ্ঞরা।গ্রিন টি, ল্যাভেন্ডার বা ক্যামোমাইল ইত্যাদি অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট সমৃদ্ধ চা স্নায়ুকে শান্ত রাখে। এ ছাড়াও চা পানের অভ্যাস শরীরের দূষিত পদার্থ বাইরে বার করে দেয়।

    ডার্ক চকোলেট (Dark Chocolate)

    ডার্ক চকোলেট স্ট্রেস কমানোর জন্য অন্যতম সেরা খাবার। অ্যান্টি অক্সিডেন্টে ভরপুর এই খাবার স্ট্রেস হরমোনকে নামিয়ে দেয়।

    বাদাম (Nut)

    কাঠবাদাম, আখরোট, চিনেবাদামে রয়েছে ভরপুর প্রোটিন, অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট, এবং সবচেয়ে উপকারী উপাদান ম্যাগনেশিয়াম, যা মস্তিষ্কের কার্যকারিতাকে সচল রাখতে সাহায্য করে।

    বেরি জাতীয় ফল (Berry)

    ব্লুবেরি, ব্ল্যাকবেরি, স্ট্রবেরি ইত্যাদি প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি ও অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টে ভরপুর ফলগুলি মস্তিষ্কের কোষগুলিকে সচল ও সজীব রাখে।

    ভিটামিন সি (Vitamin C)

    কমলালেবু, আঙুর, গাজর, পালংশাক, বাঁধাকপি, লেটুস পাতার মতোকিছু ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার স্নায়ুকে শান্ত রাখতে এবং উদ্বেগ কমাতে অত্যন্ত সহায়ক।

    আর নিউট্রিশিয়ানরা বলছেন, মাছ খেলে স্ট্রেস কমে। হার্ভাড হেল্থ ব্লগের তথ্য অনুযায়ী, ওমেগা থ্রি সম্পন্ন ‘ফ্যাটি ফিশ’ স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Fish for Brain Health: মস্তিষ্কের ভালোর জন্য আপনার খাদ্যতালিকায় রাখুন এই মাছটি..

    Fish for Brain Health: মস্তিষ্কের ভালোর জন্য আপনার খাদ্যতালিকায় রাখুন এই মাছটি..

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মস্তিষ্ক হল শরীরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। এটি শরীরের সমস্ত কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। সুতরাং মস্তিষ্ককে ভালো রাখার জন্য আমাদের বিশেষ নজর রাখা উচিত। আপনার লাইফস্টাইলের অনেকটাই মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যে ভূমিকা পালন করে থাকে।

    ঘুম, শারীরিক ব্যায়াম এবং পুষ্টি হল কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যা আপনার মস্তিষ্ককে তীক্ষ্ণ রাখতে পারে। যখন পুষ্টির কথা আসে, তখন কিছু খাবার আছে যা আমরা জানি মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যগঠনে সাহায্য করতে পারে, যেমন— ওমেগা-৩, ফল, শাকসবজি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার।

    আরও পড়ুন: বদহজমের সমস্যা? জেনে নিন ৫টি ঘরোয়া টোটকা

    তবে ডায়টেশিয়ানদের মতে, মস্তিষ্কের ভালোর জন্য সবচেয়ে উপকারি হল মাছ। সামুদ্রিক মাছ পুরো স্বাস্থ্যের জন্যই উপকারি, তবে মস্তিষ্কের জন্য বেশি উপকারি। সামুদ্রিক মাছ প্রোটিন, পুষ্টিকর ফ্যাট, ভিটামিন-বি, বিভিন্ন মিনারেলস যেমন— জিঙ্ক, আয়রন, আয়োডিন ইত্যাদি সমৃদ্ধ খাবার। তবে মস্তিষ্কের জন্য স্যামন মাছ বেশি পুষ্টিকর।

    পুষ্টিবিদদের মতে, আমাদের মস্তিষ্কের প্রায় অর্ধেক অংশই ফ্যাট, ওমেগা-৩ পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড (omega-3 polyunsaturated fatty acids) দিয়ে তৈরী। আর এই ফ্যাটের ৯০ শতাংশই docosahexaenoic acid (DHA)-এ পরিণত হয়ে থাকে। এই DHA-ই মস্তিষ্কের আকার তৈরীতে সাহায্য করে।

    আরও পড়ুন: গরমকালে খাদ্য তালিকায় অবশ্যই রাখুন জাম, কী কী উপকারিতা জানেন?

    স্যামন মাছ ডিএইচএ (DHA) ,ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, ইপিএ (Eicosapentaenoic acid)-তে সমৃদ্ধ। ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডে সমৃদ্ধ স্যামন মাছ মস্তিষ্কে brain-derived neurotrophic factor (BDNF) নামক প্রোটিন তৈরীতে সাহায্য করে যেটি মস্তিষ্কের কোষ বৃদ্ধিতে ও নতুন কোষ তৈরীতে সহায়তা করে থাকে।সুতরাং স্যামন মাছ আপনার মস্তিষ্কের জন্য একেবারে উপযুক্ত খাবার।

    স্যামন মাছ আদতেও মস্তিষ্কের জন্য উপকারি কি না তা বুঝতে আপনাকে অবশ্যই সপ্তাহে দুবার এই মাছ খেয়ে দেখা উচিত। সপ্তাহে সেটি তিনবার খেলে আরও ভালো হয়। স্যামন মাছ ওভেনে সবজির সঙ্গে রোস্ট করে অথবা কারি বানিয়েও খেতে পারেন।

     

LinkedIn
Share