Tag: Bratya Basu

Bratya Basu

  • Jadavpur University Chaos: ‘‘আরজি করের মতো যাদবপুরে আধা সেনা মোতায়েন হোক’’, রাজ্যপালের হস্তক্ষেপ দাবি শুভেন্দুর

    Jadavpur University Chaos: ‘‘আরজি করের মতো যাদবপুরে আধা সেনা মোতায়েন হোক’’, রাজ্যপালের হস্তক্ষেপ দাবি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে (Jadavpur University Chaos) তৃণমূল কংগ্রেসের শিক্ষক সংগঠন ওয়েবকুপা-র অনুষ্ঠান ঘিরে ধুন্ধুমার শিক্ষাঙ্গন। পরিস্থিতি এতটাই জটিল যে ভয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকতে পারছেন না ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য। এই আবহে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করে সমস্ত রাজনৈতিক কর্মসূচি বন্ধ রাখা উচিত বলে মন্তব্য করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এজন্য রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসকে তৎপর হতে অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।

    পঠনপাঠন কার্যত লাটে

    যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে (Jadavpur University Chaos) শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর আগমনের জেরে নতুন করে ছড়িয়েছে উত্তেজনা। যার জেরে কার্যত লাটে উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের পঠনপাঠন ও গবেষণা। ফের একবার বিক্ষোভ আর স্লোগানে মুখর হয়ে উঠেছে ক্যাম্পাস। এ প্রসঙ্গে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘‘অবিলম্বে রাজ্যপালের উচিত আরজি করের মতো যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করে সেখানে পঠনপাঠন, গবেষণা ও শিক্ষা সংক্রান্ত কাজ ছাড়া অন্য কাজ বন্ধ করে দেওয়া। অবিলম্বে ছাত্র সংসদেও তালা লাগানো উচিত, ওয়েবকুপার অফিসেও তালা লাগানো উচিত। ব্রাত্য বসুর অফিসেও তালা লাগানো উচিত আর তথাকথিত সেকু-মাকুদের দফতরেও তালা লাগানো উচিত। যাদবপুরে মাওবাদীদের যে ছাত্র সংগঠন রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।’’

    দায়ী সরকার, বিজেপি শক্ত হাতে মোকাবিলা করবে

    যাদবপুরে বিশৃঙ্খল (Jadavpur University Chaos) পরিস্থিতির জন্য তণমূল সরকারকে দায়ী করলেও শিক্ষাক্ষেত্রে যে অরাজক পরিস্থিতি কখনওই কাম্য নয়, তা জানায় বিজেপি। রাজ্য বিজেপির প্রধান মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্যেরও বক্তব্য, “শিঙ্গাঙ্গনের এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী সরকার। কিন্তু অধ্যাপক, শিক্ষামন্ত্রীকে নিগ্রহ, বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে অগ্নি-সংযোগ, এই রাজনীতি আমরা সমর্থন করি না।” বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) হুঙ্কার, ‘‘বাংলার মানুষ শুধু আমাদের পুলিশটা হাতে তুলে দিক। সেকু-মাকু, ওই দু’টোকেই উপড়ে ফেলে দেব! এক ঘণ্টা লাগবে!’’ শিক্ষাক্ষেত্রে শান্তিপূর্ণ পরিস্থিতির দাবি জানিয়ে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের চার নম্বর গেটের সামনে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপির ছাত্র সংগঠন এবিভিপি। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়কে নকশাল মুক্ত করার দাবিতে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে তারা। এবিভিপির সমর্থকরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢোকার চেষ্টা করলে তাদের সঙ্গে ছাত্রদের সংঘর্ষ বেঁধে যায়। বিজেপি রাজ্য় সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন,‘‘বিজেপি সরকারে আসবে ছাব্বিশে। তারপরে এরা আর বেঁচে থাকবে না।’’ বিরোধী দলনেতা শুভেন্দুর কথায়, ‘‘আলিগড় মুসলিম ইউনিভার্সিটি সোজা হয়ে গেছে। জেএনইউ অনেকটা সোজা হয়ে গেছে। এটা করতেও বেশিক্ষণ লাগবে না। যোগীজি, হিমন্ত বিশ্বশর্মার ফরমুলাতে এক ঘণ্টা লাগবে এদের সোজা করতে।’’

  • Sukanta Majumdar: “পদে থাকার নৈতিক অধিকার হারিয়েছেন মমতা, অবিলম্বে পদত্যাগ চাই”, দাবি সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: “পদে থাকার নৈতিক অধিকার হারিয়েছেন মমতা, অবিলম্বে পদত্যাগ চাই”, দাবি সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাইকোর্টের নির্দেশে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ২৫,৭৫৩ জনের চাকরি গেল একসঙ্গে। রাজ্যের শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলা তৃণমূলের শাসনে একটি বড় দুর্নীতি। তাহলে তৃণমূলের ঢাকি সমেত বিসর্জন কি একেই বলে? ফেসবুকে একথা ছড়িয়ে পড়েছে ভাইরাল গতিতে। সাম্প্রতিক কালে এত সংখ্যক সরকারি কর্মচারীর দুর্নীতির (Recruitment Scam) অভিযোগে চাকরি যাওয়া নজিরবিহীন ঘটনা। এরই মাঝে চাকরি যাওয়ার জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে দায়ী করে তাঁর পদত্যাগ দাবি করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। তিনি বলেন, “পদে থাকার নৈতিক অধিকার হারিয়েছেন মমতা, অবিলম্বে পদত্যাগ চাই।”

    কী বললেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)?

    বালুরঘাটে (Balurghat) তীব্র দাবদাহ উপেক্ষা করে চলছে প্রচার। প্রচারের ফাঁকে সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, “তৃণমূল কংগ্রেসের আমলে মুখ্যমন্ত্রীর অনুপ্রেরণায় মাস্টার মশাইদের চাকরি গরু, ছাগল, হাঁস, মুরগির মতো বিক্রি হয়েছে। তার ফল আজ এই পরিবারগুলোকে ভুগতে হচ্ছে। ২৬ হাজার পরিবার অথৈ জলে পড়ে গেল। ক্যাবিনেটের শীর্ষে থাকা মুখ্যমন্ত্রীকে (CM) এর দায় নিতে হবে। মুখ্যমন্ত্রীর অবিলম্বে পদত্যাগ করা উচিত। তিনি এই পদে থাকার নৈতিক অধিকার হারিয়েছেন। পশ্চিমবঙ্গ অন্ধকারের দিকে যাচ্ছে এবং পশ্চিমবঙ্গকে এই অন্ধকার থেকে বের করে আনতে হবে।”

    ব্রাত্য বসুর প্রতিক্রিয়া

    একসঙ্গে প্রায় ২৬ হাজার সরকারি কর্মচারীর চাকরি গেল। যার মধ্যে বেশিরভাগ শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী। এর প্রভাব পড়বে ছাত্রদের পড়াশুনায়। প্রভাব পড়বে সমাজেও। স্বাভাবিক ভাবে চাপে শাসকদল। চাপে শিক্ষা দফতর। এরই মাঝে সুকান্তের (Sukanta Majumdar) পাশাপাশি প্রতিক্রিয়া এসেছে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর। তিনি বলেছেন, “রায়ের কপি হাতে পাইনি। তবে রায়ের কপি হাতে পেলে আরও বিস্তৃতভাবে বলতে পারব। এসএসসির কর্তাদের সঙ্গে আমার প্রাথমিক কথা হয়েছে। তাঁদের দেওয়া রিপোর্ট থেকে আমি বলতে পারি প্রায় চার থেকে পাঁচ হাজার শিক্ষক এবং অশিক্ষক কর্মচারীর বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ ছিল। প্রায় ২৬ হাজার লোকের চাকরি গেল। অর্থাৎ যারা যোগ্য এরকম প্রায় ১৯ হাজারেরও চাকরি চলে গিয়েছে। অথচ এসএসসি কমিশনকে মাননীয় বিচারপতি বলছেন টেন্ডার প্রক্রিয়া ডেকে নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া চালু করতে। যে ওএমআর শিট আছে সেগুলো নতুন করে যাচাই করতে। আমরা আইনি পরামর্শ নেব যে আমরা এই রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারি কিনা। একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে বলতে পারি প্রায় ১৯ হাজার জনের যদি চাকরি চলে যায়, তাহলে সেটা অত্যন্ত চিন্তার। যেভাবে বিজেপির নেতারা যোগ্য মানুষদের চাকরি যাওয়াতে আনন্দ প্রকাশ করছে সেটা সমাজের পক্ষে এবং যোগ্য চাকরিপ্রার্থীদের পক্ষে খুবই বেদনার বলে আমরা মনে করি।”

    আরও পড়ুনঃ “বঞ্চিতদের ঠকিয়েছেন, লজ্জা থাকলে মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত”, তোপ দাগলেন অভিজিৎ

    দিলীপ ঘোষের বক্তব্য

    এক্ষেত্রে প্রশ্ন উঠছে যে পাহাড় প্রমাণ দুর্নীতি হয়েছে এদিনের হাইকোর্টের রায়ের ফল তাতে সিলমোহর পড়ল। এই রায় ঐতিহাসিক বলেছে ওয়াকিবহাল মহল। প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় যে ঢাকি সমেত বিসর্জন ও দুর্নীতির কথা বলে আসছিলেন সেই তত্ত্ব পুনরায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে মনে করা হয়েছে। এর প্রভাব পড়বে আসন্ন নির্বাচনেও। এত সংখ্যক চাকরি যাওয়ার ফল ভুগতে হবে তৃণমূলকে। এদিকে সুকান্তের পাশাপাশি, বর্ধমান দুর্গাপুরে প্রচার শেষে দিলীপ ঘোষ (Sukanta Majumdar) বলেন, “হাজার হাজার কোটি টাকা যাঁরা কামিয়েছেন দুর্নীতি করে, তাঁদের জেলে যেতে হবে। যে অন্যায় করেছেন তাঁদের ফল ভুগতে হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bratya Basu: ফের রাজ্য বনাম রাজ্যপাল! শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্যকে মন্ত্রিসভা থেকে সরানোর সুপারিশ বোসের

    Bratya Basu: ফের রাজ্য বনাম রাজ্যপাল! শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্যকে মন্ত্রিসভা থেকে সরানোর সুপারিশ বোসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের একবার রাজ্য বনাম রাজ্যপাল বিতর্ক সামনে! রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুকে (Bratya Basu) মন্ত্রিসভা থেকে সরানোর সুপারিশ করলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। রাজভবন সূত্রে খবর, এই সুপারিশের নেপথ্যে রয়েছে, গত ৩০ মার্চের একটি ঘটনা।

    কেন সরানোর সুপারিশ? 

    প্রসঙ্গত, গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসের মধ্যেই তৃণমূলের অধ্যাপক সংগঠনের একটি বৈঠক ডাকা হয়েছিল ৩০ মার্চ। বৈঠকে হাজির ছিলেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু (Bratya Basu)। ভোটের প্রচার নিয়েও কথা বলা হয় সেদিন। গত মার্চ মাসের ১৬ তারিখ ঘোষণা হয়েছে নির্বাচন। ভোট ঘোষণার পরেই লাগু হয়ে যায়, আদর্শ আচরণ বিধি। বিধি লাগু হওয়ার পর থেকে ক্যাম্পাসের মধ্যে প্রচার করা কতটা সঙ্গত তা নিয়েই ওঠে প্রশ্ন। সেই ঘটনাতেই ব্রাত্য বসুর বিরুদ্ধে নির্বাচনী ভঙ্গের অভিযোগ ওঠে। এরপরেই তাঁকে মন্ত্রিসভা সরানোর সুপারিশ করেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস।

    রাজ্যপালের বিবৃতি

    প্রসঙ্গত, রাজ্যের সঙ্গে রাজ্যপালের সংঘাত নতুন কিছু নয়। একাধিক ইস্যুতে দুতরফের বিবাদ সামনে এসেছে। রাজভবনের তরফে জারি করা এই বিবৃতিতে লেখা হয়েছে, ‘‘রাজ্য সরকারের উচ্চ শিক্ষা দফতরের বেআইনি আদেশে যে সকল উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ স্তব্ধ করে রেখেছেন, আচার্য তাঁদের সতর্ক করছেন।’’ রাজ্য সরকারের নানা ভূমিকা নিয়েই সমালোচনা করেন রাজ্যপাল। রাজভবনের সামনে তৃণমূলের বুদ্ধিজীবী সংগঠনের বিক্ষোভও (Bratya Basu) দেখা গিয়েছে। অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগকে কেন্দ্র করে বিতর্ক গত বছরেই সামনে এসেছে। এরপরে ফের লোকসভা ভোটের আগে রাজ্য-রাজ্যপাল বিতর্ক দেখা গেল। প্রসঙ্গত, রাজ্য জুড়ে গত পঞ্চায়েত ভোটের সময় হিংসা ছড়ায়। প্রতিক্ষেত্রেই অভিযোগ ওঠে শাসক দলের বিরুদ্ধে। তখনও রাজ্য সরকারের কড়া সমালোচনা করতে শোনা গিয়েছিল রাজ্যপালকে। খুলেছিলেন পিস রুমও। এবারের লোকসভা ভোটও যাতে অবাধ হয়, সেই লক্ষ্যে রাজভবন কাজ করবে বলে জানিয়েছেন সিভি বোস।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের WhatsappTelegramFacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC leader: বিদ্যাসাগরের সঙ্গে তুলনা সংসদ সভাপতির! চরম বিতর্কে তৃণমূলের প্রাক্তন মন্ত্রী

    TMC leader: বিদ্যাসাগরের সঙ্গে তুলনা সংসদ সভাপতির! চরম বিতর্কে তৃণমূলের প্রাক্তন মন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত মঙ্গলবার বর্ধমানের একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তৃণমূল বিধায়ক তথা রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর সার্থক বংশধর বলেছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। শুধু তাই নয়, সেই সঙ্গে বলেছিলেন, ‘মমতা যথার্থ উত্তরসূরী’। এবার এই বিতর্কের মধ্যেই প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতিকে বিদ্যাসাগরের সঙ্গে তুলনা করলেন হলদিয়া ডেভেলপমেন্ট অথিরিটির চেয়ারম্যান এবং প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক (TMC leader) তথা প্রাক্তন মন্ত্রী জ্যোতির্ময় কর। আর তাই নিয়ে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।

    কী বললেন প্রাক্তন বিধায়ক (TMC leader)?

    পূর্ব মেদিনীপুরের রামনগর বিধানসভা এলাকার একটি মেলায় উদ্বোধন অনুষ্ঠানে গিয়ে প্রাক্তন মন্ত্রী জ্যোতির্ময় কর (TMC leader) বলেন, “প্রাথমিক শিক্ষার ভার বিদ্যাসাগরের পরে যাঁর ওপর পড়েছে, তিনি হলেন হাবিবুর রহমান।” এর পরেই ব্যাপক বিতর্ক শুরু হয়ে যায়। সত্যিই কি বিদ্যাসাগরের পরে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল হাবিবুরকেই? উল্লেখ্য, পরে প্রাক্তন তৃণমূল মন্ত্রী ভুল স্বীকার করে নেন। তিনি বলেন, “অনেক লোকজন ছিল, তাই হয়তো একটু ভুল বলা হয়েছে।”

    প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ চেয়ারম্যানের বক্তব্য

    প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান বলেন, “পণ্ডিত ঈশ্বরচন্দ্রের সঙ্গে আমার তুলনা ভাবা যায় না। বিদ্যাসাগরের কাছে আমি অত্যন্ত নগণ্য মানুষ। তবে তিনি (TMC leader) হয়তো অন্য কিছু বলতে চেয়েছেন। প্রাথমিক শিক্ষার দায়িত্বে যেহেতু বিদ্যাসাগর ছিলেন, তাই বিদ্যাসাগরের সঙ্গে এই তুলনা ঠিক নয়।”

    মমতা চৈতন্যের উত্তরসূরী

    রাজ্যে বাঙালি মহাপুরুষদের সঙ্গে তৃণমূল নেত্রীর তুলনা টেনে বারবার বিতর্ক তৈরি করেছেন তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীরা (TMC leader)। তাই বিরোধীদের অভিযোগ, এই ধরনের কথা বলে মমতার স্নেহধন্য হওয়ার একটা প্রতিযোগিতা চলছে রাজ্যে। ব্রাত্য বসু বলেছেন, মমতা চৈতন্যের ‘উত্তরসূরী’, ডাক্তার নির্মল মাজি বলেছেনে, মমতা ‘সারদা দেবী’। আবার তৃণমূলের আরও অনেক জেলার নেতা মমতাকে বলেছেন, লতা মঙ্গেশকর, সচিন, আবার কখনও ভগ্নী নিবেদিতাও। বিরোধীদের বক্তব্য, বাংলার মহাপুরুষদের সঙ্গে তুলনা করে কার্যত বাংলার সংস্কৃতিকেই ছোট করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Purba Bardhaman: ‘চৈতন্যের বংশধর, সার্থক উত্তরসূরী মমতা’! ব্রাত্যর মন্তব্যে তীব্র বিতর্ক

    Purba Bardhaman: ‘চৈতন্যের বংশধর, সার্থক উত্তরসূরী মমতা’! ব্রাত্যর মন্তব্যে তীব্র বিতর্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চৈতন্যদেবের কোনও উত্তরাধিকারী বাংলায় যদি থেকে থাকেন তিনি হলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পূর্বস্থলী ১ নম্বর (Purba Bardhaman) ব্লকের খাল-বিল, চুনো মাছ, পিঠে-পুলি ও প্রাণীপালন উৎসবে এসে মঙ্গলবার বিকেলে এমনই বললেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। এদিনের এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে তিনি বলেন, ‘চৈতন্যদেব সর্বধর্ম সমন্বয়ের কথা বলেছেন, চৈতন্যদেব কোনও দিন বিভাজনের রাজনীতি করেননি, চৈতন্যদেবের উত্তরাধিকারী যদি বাংলায় কেউ থেকে থাকেন তাহলে তিনি মুখ্যমন্ত্রী’। তৃণমূল নেতার এই মন্তব্যে সামজিক মাধ্যমে ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছে। বৈষ্ণবভক্তারা বিষয়টি একদম ভালোভাবে নেননি বলে জানা গিয়েছে। একই ভাবে বিজেপিও তীব্র কটাক্ষ করেছে।

    চৈতন্যের বংশধর (Purba Bardhaman)

    শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু মুখ্যমন্ত্রীকে শ্রীচৈতন্যের সঙ্গে তুলনা করে বলেন, “চৈতন্যের বংশধর সার্থক উত্তরসূরী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চৈতন্যদেব একটি বিশেষ রাজনীতির কথা বলেছিলেন। সবাইকে নিয়ে চলতে হবে। মুখ্যমন্ত্রী সকলকে সঙ্গে নিয়ে চলেন। কাউকেই আলাদা দেখেননা। আমি এখানে এসে খুব আনন্দ পেলাম।” উল্লেখ্য মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে আগেও এমন ভাবে মহাপুরুষের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে। ডাক্তার নির্মল মাজি সারদা মায়ের সঙ্গে মমতাকে তুলনা করে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি করে ছিলেন। আবার কেউ কেউ লতা মাঙ্গেসকার, সচিন তেন্দুলকার আবার ভগ্নী নিবেদিতার সঙ্গে তুলনা করছেন তৃণমূলের নেতারা।  জেলার (Purba Bardhaman) বিজেপির পক্ষ থেকে অবশ্য কটাক্ষ করে বলা হয়, ‘শ্রীচৈতন্যের সঙ্গে মমতার তুলনা মূর্খতার পরিচয়’। বৈষ্ণব ভক্তরা বিষয়টি নিয়ে বলেন, “মহাপ্রভু শ্রীচৈতন্যকে অপমান করেছেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী।”

    আর কী বললেন শিক্ষামন্ত্রী

    বর্ধমানে (Purba Bardhaman) গিয়ে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেন, “এই মুহুর্তে সারা বিশ্বে যুদ্ধ চলছে ইজরায়েল, গাজা, ইউক্রেন, রাশিয়ায় ব্যাপক যুদ্ধ চলছে। প্রাকৃতিক পরিবেশ ধ্বংস হচ্ছে। আমরা আজ থেকে ৫ থেকে ৬ হাজার বছর আগে একটা বাঘ দেখলে নিজদের লুকিয়ে ফেলতাম গাছের আড়ালে, সামনে হাতি দেখলে মাটিতে শুয়ে আত্মগোপন করতাম। কিন্তু এখন আমরা বাঘকে খাঁচায় ধরতে শিখে ফেলেছি। কারণ আমরা মানুষ, তাই কল্পনা করে আমরা নিয়ম তৈরি করেছি। প্রকৃতির সঙ্গে আমাদের জীবনকে মিলিয়ে ফেলেছি। আমরা দেখেছি মনসামঙ্গল, ধর্মমঙ্গল কাব্যে পরিবেশের কথা বলা হয়েছে। কালকেতু প্রচুর খাওয়ার বিবরণ রয়েছে। এই ভাবে এই প্রকৃতির চিন্তা একমাত্র বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভেবেছেন। বাকি কোনও রাজনৈতিক দলের এমন একক ভাবনা নেই। বাংলার সরকারের এই কাজ মানুষ সামনের দিনে মনে রাখবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Recruitment Scam: “কোনও ডেট আমি বলছি না”, চাকরি প্রার্থীদের আশায় জল ব্রাত্যর

    Recruitment Scam: “কোনও ডেট আমি বলছি না”, চাকরি প্রার্থীদের আশায় জল ব্রাত্যর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবারের বারবেলায় বিকাশ ভবনে ব্রাত্যর সঙ্গে বৈঠক হল এসএলএসটির চাকরিপ্রার্থীদের (Recruitment Scam)। বৈঠক হয়েছে ঘণ্টা দেড়েক ধরে। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন এসএসসির চেয়ারম্যান এবং প্রিন্সিপাল সেক্রেটারিও।

    কী বললেন শিক্ষামন্ত্রী   

    বৈঠক শেষে যখন চাকরি প্রার্থীরা বের হলেন, তখন তাঁদের চোখেমুখে স্পষ্ট উচ্ছ্বাসের ছাপ। তাঁরা বলেন, “আমরা আশাবাদী। শীঘ্রই নিয়োগপত্র হাতে পাব। বাড়ি ফিরতে পারব, সেই আশা করছি।” তাঁরাই জানান, ১লা ফেব্রুয়ারি জট কাটতে পারে। যদিও শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু সাফ জানান, “নির্দিষ্ট কোনও দিনক্ষণ আমি এখনই বলতে চাইছি না, বলতে পারছি না।” তিনি বলেন, “ওঁরা একটা দাবি করেছেন। ওঁরা চাইছেন ১ ফেব্রুয়ারির মধ্যে যদি বিষয়টা শেষ করা যায়। কিন্তু, আমরা তো কোনও নির্দিষ্ট দিনের কথা বলতে পারি না। তবে মুখ্যমন্ত্রী চাইছেন দ্রুত বিষয়টা হোক। আজকের আলোচনা সদর্থক হয়েছে। কুণাল ঘোষ উদ্যোগ নিয়েছেন। শেষ পর্যন্ত চাকরি দেবে স্কুল সার্ভিস কমিশন। আমার কাজটা মূলত এদের মাঝখানে একজন কো-অর্ডিনেটরের মতো।”

    কী বললেন চাকরিপ্রার্থী

    ব্রাত্যর উল্টো (Recruitment Scam) সুর শোনা গেল এক চাকরিপ্রার্থীর গলায়। তিনি বলেন, “আমরা একটা ডেডলাইন চেয়েছিলাম। তা পেয়েছি। ১ ফেব্রুয়ারি। আশা করছি, তার মধ্যে একটা কার্যকরী জায়গায় পৌঁছে যাব। নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি ১ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই পেয়ে যাব বলে আশা করছি। মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর সে রকম একটা নির্দেশ এসেছে বলে আমরা এ রকম একটা তারিখ পেয়েছি।” পরে ব্রাত্য বলেন, “আন্দোলনকারীদের দাবির মান্যতা আছে, পার্টি থেকে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শেষ পর্যন্ত আইনি পন্থা ঠিক রেখে স্কুল সার্ভিস কমিশন নিয়োগপত্র দেবে। স্বচ্ছভাবেই নিয়োগ হবে। তবে নির্দিষ্ট কোনও দিনের কথা হয়নি। নির্দিষ্ট কোনও দিনক্ষণ আমি এখনই বলতে চাইছি না, বলতে পারছি না। তবে নিয়োগ নিয়ে আমি আশাবাদী।”

    আরও পড়ুুন: তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব চরমে, দলের বিধায়ককেই গ্রেফতারের দাবি অর্জুন অনুগামীদের!

    এক হাজার দিনেরও বেশি সময় ধরে ধর্মতলায় গান্ধী মূর্তির পাদদেশে নিয়োগের দাবিতে আন্দোলন করে চলেছেন চাকরি প্রার্থীরা। দিন কয়েক আগে এই আন্দোলনকারীদের মধ্যেই এক মহিলা চাকরি প্রার্থী মাথার চুল কেটে প্রতিবাদ জানান। সেদিন আন্দোলন মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন বাম নেতা বিমান বসু, বিজেপি নেতা রুদ্রনীল ঘোষ। পরে হাজির হন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ। ওই মঞ্চ থেকেই রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে ফোনে কথা (Recruitment Scam) বলেছিলেন তিনি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • SLST: চাকরিপ্রার্থীদের সঙ্গে শিক্ষামন্ত্রীর বৈঠক! হঠাৎ কেন ঘুম ভাঙল প্রশাসনের?

    SLST: চাকরিপ্রার্থীদের সঙ্গে শিক্ষামন্ত্রীর বৈঠক! হঠাৎ কেন ঘুম ভাঙল প্রশাসনের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএলএসটি (নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি) চাকরিপ্রার্থীদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। সোমবার দু’ঘণ্টার সেই বৈঠকের পরও বাস্তবে অবস্থার তেমন বদল হচ্ছে না। ২২ ডিসেম্বর আবারও শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে চাকরিপ্রার্থীদের (SLST) বৈঠক হবে। দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন চালানোর পর হঠাৎ ঘুম ভাঙল প্রশাসনের। সামনে লোকসভা ভোট। রাজনৈতিক কার্যসিদ্ধির জন্যই কি সরকারের এই পদক্ষেপ? প্রশ্ন রাজনৈতিক মহলে। 

    নিয়োগের তারিখ চায় চাকরিপ্রার্থীরা

    সোমবার বিকাশ ভবনে নিয়োগ-জট কাটাতে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর (Bratya Basu) সঙ্গে বৈঠক করেন এসএলএসটি চাকরিপ্রার্থীদের সাত প্রতিনিধি। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষাসচিব মণীশ জৈন, স্কুল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদার, মধ্যশিক্ষা পর্ষদের চেয়ারম্যান রামানুজ বন্দ্যোপাধ্যায় সহ আরও অনেকে। এ দিনের বৈঠক শেষে বেরিয়ে চাকরিপ্রার্থীরা দাবি করেছেন, তাঁরা নিয়োগের আশ্বাস পেয়েছেন শিক্ষামন্ত্রীর থেকে। আইনি জট কাটানোর নির্দেশ দিয়েছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চাকরিপ্রার্থীদের কথায়, ‘আমরা আমাদের কথা জানাতে এসেছিলাম। আমারা জানতে পারি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, সমস্ত আইনি জটিলতা কাটিয়ে যেন চাকরিপ্রার্থীদের নিয়োগ দেওয়া হয়। সেই নিয়োগ দেওয়ার কাজ নাকি শুরু হয়েছে। আমরা চাই তাড়াতাড়ি নিয়োগ হোক। আমরা নিয়োগের তারিখ চাই।’

    আরও পড়ুন: শীতের প্রথম স্পেলেই ১০ ডিগ্রি দক্ষিণে! শীঘ্রই তুষারপাত দার্জিলিং-কালিম্পঙে?

    নিয়োগ না পাওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে

    হাজার দিনের বেশি সময় ধরে গান্ধীমূর্তির সামনে হকের চাকরির দাবিতে আন্দোলন করছিলেন চাকরিপ্রার্থীরা। শনিবার এই ধর্নার হাজারতম দিনে ন্যাড়া হয়ে আন্দোলনের ঝাঁঝ বাড়িয়েছিলেন পূর্ব মেদিনীপুর ভোগপুরের বাসিন্দা রাসমণি পাত্র। তিনিও ছিলেন বৈঠকে। শিক্ষামন্ত্রীর থেকে আশ্বাস পেলেও কোথাও যেন অবিশ্বাস রয়েই গিয়েছে চাকরিপ্রার্থীদের মনে। এতদিন পর আন্দোলনকারীদের প্রশমিত করতে কেন এই উদ্যোগ নিল রাজ্য? প্রশ্ন চাকরিপ্রার্থীদের মনেও। সামনে লোকসভা ভোট, তাই কি? আবার সেই পুরনো প্রতিশ্রুতি-পন্থা নিচ্ছে রাজ্য সরকার। ভাবাচ্ছে আন্দোলনকারীদের। তাই নিয়োগপত্র হাতে না পাওয়া পর্যন্ত ধর্মতলার গান্ধীমূর্তির পাদদেশে এসএলএসটি চাকরিপ্রার্থীদের ধর্না আন্দোলন চলবে বলে জানিয়ে দিয়েছেন চাকরিপ্রার্থীরা। তাঁদের কথায়, “আমরা নিয়োগের তারিখ চাই। আলোচনায় বলা হয়েছে, আগামী ১০ দিনের মধ্যে এ ব্যাপারে কতদূর অগ্রগতি হয়েছে, তার রিপোর্ট দিতে হবে। আপাতত ২২ ডিসেম্বর সেই রিপোর্ট পেশের দিন ঠিক হয়েছে। ওই দিন মিটিংয়েই আমরা এ বিষয়ে জানতে পারব।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • West Bengal: রাজ্যপাল নিযুক্ত অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্যদের বেতন ও ভাতা বন্ধের নির্দেশ রাজ্যের

    West Bengal: রাজ্যপাল নিযুক্ত অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্যদের বেতন ও ভাতা বন্ধের নির্দেশ রাজ্যের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাত ফের চরমে উঠল। যে সকল বিশ্ববিদ্যালয়ে অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্য নিয়োগ করেছিলেন রাজ্যপাল, তাঁদের বেতন ও আর্থিক সুবিধা বন্ধ করল রাজ্য সরকার। রাজ্য সরকার (West Bengal) ও রাজভবনের দ্বন্দ্বের মধ্যে সমস্যায় উপাচার্যেরা। রাজ্যপাল নিযুক্ত উপাচার্যদের নিয়োগ বেআইনি বলেই গণ্য় করছে রাজ্য। 

    রাজ্যের দাবি নিয়োগ অবৈধ

    রাজ্য সরকারের দাবি, শিক্ষা দফতরের সঙ্গে আলোচনা না করেই একতরফাভাবে উপাচার্য নিয়োগ করেছেন আচার্য। শিক্ষা দফতরের আর্জি খারিজ করে আগেই রাজ্যের ৮টি বিশ্ববিদ্য়ালয়ে নতুন অন্তর্বর্তী উপাচার্য নিয়োগ করেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (C V Ananda Bose)। রাজভবনের বিবৃতির পরেই ট্যুইট করে এই সিদ্ধান্তকে বেআইনি বলে আক্রমণ করেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু (Bratya Basu)। নবনিযুক্ত উপাচার্যদের নিয়োগ প্রত্যাখ্যানের আবেদনও করেন তিনি। রাজ্যপাল নিজের সিদ্ধান্তে অনড় থাকায় সংঘাতের পথে চলে যায় রাজ্য। উচ্চশিক্ষা দফতর থেকে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারদের কাছে ইতিমধ্যে নির্দেশ পৌঁছেছে, ওই সব অস্থায়ী উপাচার্যের নিয়োগ বেআইনি। তাই তাঁরা বেতন ও ভাতা পাবেন না। আইনি পরামর্শ নেওয়ার পরই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। এনিয়ে রাজভবনের কোনও প্রতিক্রিয়া এখনও মেলেনি।

    আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর আমেরিকা সফরের আগে মার্কিন রেস্তোরাঁয় চালু ‘মোদিজি থালি’

    যে সব বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যদের মেয়াদ ফুরিয়ে গিয়েছিল, সেই বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগের জন্য কয়েকজন অধ্যাপককে ডেকে গত মাসে বৈঠক করেছিলেন রাজ্যপাল। সেই বৈঠকের অব্যবহিত পরই নিয়োগ করা হয় উপাচার্যদের। রাজ্যপাল নিজের পছন্দের অধ্যাপক অধ্যপিকাদের সেই সব বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য করেছিলেন বলে অভিযোগ করেছিল শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। কেউ কেউ রাজ্যপালের নিয়োগ প্রত্যাখ্যান করলেও বেশিরভাগই তা গ্রহণ করেন। সোমবার সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়গুলির রেজিস্ট্রারদের এ বিষয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে। সেই চিঠিতে বলা হয়েছে, “শিক্ষা দফতরের মন্ত্রীর সঙ্গে কথা না বলে করা এই অস্থায়ী নিয়োগ আইন মেনে হয়নি।” আরও বলা হয়েছে, “এই উপাচার্যদের নিয়োগ বৈধ নয়। তাই তাঁরা পারিশ্রমিক ও ভাতা তুলতে পারবেন না। অন্যথায় কড়া পদক্ষেপ করা হবে।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • WBJEE: আগামী শুক্রবার প্রকাশিত হবে জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষার ফল

    WBJEE: আগামী শুক্রবার প্রকাশিত হবে জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষার ফল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী শুক্রবার (২৬ মে) প্রকাশিত হতে চলেছে রাজ্যের ২০২৩ সালের জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষার (joint entrance result) ফলাফল। শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু মঙ্গলবার ট্যুইটারে এ কথা জানিয়েছেন। জয়েন্ট্র এন্ট্রান্স বোর্ড সূত্রের খবর, তাদের সরকারি ওয়েবসাইট wbjeeb.nic.in-তে ফলাফল দেখতে পারবেন পরীক্ষার্থীরা।

    ট্যুইট শিক্ষামন্ত্রীর 

    ট্যুইটারে ব্রাত্য লিখেছেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গ জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষা, ২০২৩-এর ফলাফল আগামী ২৬ মে শুক্রবার বেলা ২.৩০-এর সময় একটি সাংবাদিক সম্মেলন করে ঘোষণা করা হবে। প্রায় ৯৮,০০০ পরীক্ষার্থী এই পরীক্ষা দিয়েছেন এই বার। তারা তাঁদের র‌্যাঙ্ক কার্ড বোর্ডের ওয়েবসাইটে বিকেল ৪টের সময় থেকে ডাউনলোড করতে পারবেন। সকল পরীক্ষার্থীদের আমি আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই।’’

    আরও পড়ুন: জুন মাসের ‘নেট’ পরীক্ষার আবেদন প্রক্রিয়া শুরু! জানুন বিস্তারিত 

    গত ৩০ এপ্রিল জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষা হয়েছিল রাজ্যে। একমাসেরও কম সময়ের মধ্যে ফল প্রকাশিত হতে চলেছে। মূলত উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার পর কোন পথে এগোবেন পড়ুয়ারা, তা নির্ণয় করে এই পরীক্ষা। তাই এই ফলাফল বহু পড়ুয়ার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ডাক্তারি পড়ার জন্য এখন সর্বভারতীয় প্রবেশিকা পরীক্ষায় পাশ করতে হয়। রাজ্যে শুধুমাত্র ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের প্রবেশিকা পরীক্ষা নেয় জয়েন্ট এন্ট্রান্স বোর্ড। একই দিনে দু’দফায় পরীক্ষা দিয়েছিলেন পড়ুয়ারা। সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ছিল অঙ্ক, আর দুপুর ২টো থেকে বিকেল ৪টে পর্যন্ত পদার্থবিদ্যা ও রসায়ন।

    আরও পড়ুন: আজ দুপুর ১২টায় উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলপ্রকাশ, কীভাবে দেখবেন রেজাল্ট?

    এদিকে বুধবার প্রকাশিত হবে উচ্চ মাধ্যমিক (H.S. Exam) পরীক্ষার ফলাফল। মাধ্যমিকের মতোই দুপুর ১২টায় আনুষ্ঠানিক ভাবে ফলপ্রকাশ হবে উচ্চ মাধ্যমিকের। এই পরীক্ষা শুরু হয়েছিল গত ১৪ মার্চ এবং শেষ হয়েছিল ২৭ মার্চ। এ বছর উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছিল প্রায় আট লক্ষ ছাত্র-ছাত্রী।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMCP: অভিষেক আসার আগেই কলেজ অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে ফেসবুকে বিস্ফোরক টিএমসিপি নেতা

    TMCP: অভিষেক আসার আগেই কলেজ অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে ফেসবুকে বিস্ফোরক টিএমসিপি নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় শুক্রবার এসেছেন পূর্ব বর্ধমান জেলায়। তার আগে বৃহস্পতিবার জেলার মেমারি কলেজের অধ্যক্ষ দেবাশিষ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ এনে ফেসবুকে পোস্ট করলেন কলেজেরই ড্রপআউট হওয়া ছাত্র কুণাল ভট্টাচার্য (TMCP)। ওই ফেসবুক পোস্টে তিনি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়াও তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ট্যাগ করেছেন। যা নিয়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজনৈতিক মহলে। 

    কী লেখা হয়েছে ওই ফেসবুক পোস্টে?

    ফেসবুক পোস্টে কুণাল ভট্টাচার্য (TMCP) লিখেছেন, মেমারি কলেজের প্রিন্সিপাল মাসিক ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা বেতন পান। তবুও তিনি কলেজে না এসে অ্যাড সহকারে বাড়িতে টিউশন পড়ান। ছাত্র পিছু ১২০০ থেকে ১৫০০ টাকা মাইনে নিয়ে থাকেন। যেখানে কোর্ট থেকে পুরোপুরি বলা আছে, একজন স্কুলটিচার বা শিক্ষক প্রাইভেট টিউশন পড়াতে পারবেন না, সেখানে একজন কলেজ প্রিন্সিপাল কীভাবে এইরকম ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন? এরাই আবার ডিএ-র (DA) জন্য আন্দোলনে বসে। নিজের লেখা বক্তব্যের সঙ্গে একটা ভিডিও ফেসবুক পোস্টে যুক্ত করে কুণাল সেটিকে প্রিন্সিপালের প্রাইভেট পড়ানোর ভিডিও বলে দাবি করেছেন। এমনকী কুণাল তাঁর গোটা ফেসবুক পোস্টটি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুকে দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য অনুরোধও করছেন। 

    কী বললেন সেই কুণাল ভট্টাচার্য?

    এই ফেসবুক পোস্ট দেখার পর কুণাল ভট্টাচার্যর (TMCP) সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, তাঁর বাড়ি মেমারি থানার আমোদপুর গ্রামে। মেমারি কলেজের প্রিন্সিপালের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ এনে ফেসবুকে তিনিই পোস্ট করেছেন বলে কুণাল ভট্টাচার্য স্বীকার করে নেন। ‘নব জোয়ার’ কর্মসূচিকে সামনে রেখে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পূর্ব বর্ধমানে আসার আগে এমন পোস্ট কেন? এর উত্তরে কুণাল দাবি করেন, মেমারি কলেজের প্রিন্সিপালের কীর্তি আমার দলের সর্বোচ্চ নেতৃত্বের কাছে তুলে ধরার এটাই যথার্থ সময়। তাই বৃহস্পতিবার সেটাই করেছি। মেমারি কলেজের অধ্যক্ষ দেবাশিষ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিয়ে কুণাল ভট্টাচার্য দাবি করেন, “তৃণমূল কংগ্রেসের কাউকেই প্রিন্সিপাল সহ্য করতে পারেন না। কলেজের কোনও ছাত্র তৃণমূল ছাত্র পরিষদ (টিএমসিপি) করলে তাকেও প্রিন্সিপাল বিষনজরে দেখেন।” কুণালের দাবি, মেমারি কলেজে বিএ পাশ কোর্সে তিনি পড়তেন। কলেজে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ করতেন বলে তিনিও প্রিন্সিপাল দেবাশিষ চক্রবর্তীর বিষনজরে পড়েন। আর সেই কারণেই তাঁকে ২০২০ সালে ড্রপআউট হতে হয়। কুণালের আরও অভিযোগ, প্রিন্সিপাল বেশিরভাগ দিন কলেজে আসেন না। যেদিন প্রিন্সিপাল কলেজে আসেন, সেদিন তৃণমূল সমর্থক কোনও ছাত্রী কন্যাশ্রী বা রূপশ্রী প্রকল্পের সুবিধা পাবার জন্য ওনার কাছে কোনও নথিতে সই করাতে গেলে তাদের হতাশ হয়েই ফিরতে হয়। হাতে ব্যথা রয়েছে, এই অজুহাত খাড়া করে প্রিন্সিপাল সই করেন না। পাশাপাশি যে কোনও বিষয়েই প্রিন্সিপাল তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সমর্থক ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে অসহযোগিতা ও দুর্ব্যবহার করেন বলে কুণাল ভট্টাচার্যের অভিযোগ।

    কী জবাব দিলেন প্রিন্সিপাল?

    যদিও এই সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মেমারি কলেজের অধ্যক্ষ দেবাশিষ চক্রবর্তী। পাল্টা অভিযোগ এনে দেবাশিষবাবু বলেন, “এই কুণাল ভট্টাচার্য আসলে কলেজের প্রাক্তন টিএমসিপি (TMCP) নেতা তথা বর্তমান কলেজকর্মী মুকেশ শর্মার সাগরেদ। চক্রান্ত করে তাই কুণাল ভট্টাচার্য আমার নামে নানা মিথ্যা কথা লিখে ফেসবুকে পোস্ট করছে”। প্রিন্সিপাল এও বলেন, “আমি যখন রামপুরহাট কলেজে ছিলাম, তখন প্রাইভেট পড়াতাম। মেমারি কলেজে প্রিন্সিপাল পদে দায়িত্ব নেবার পর থেকে আমি প্রাইভেট পড়াই না। আমি প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে কলেজে আসি। বিকাল পাঁচটার পর কলেজ থেকে বের হই। আসলে সরকারি গাইডলাইন মেনে যথাযথভাবে কলেজ চালাচ্ছি, কোনও অনৈতিক কাজ করতে দিচ্ছি না, তাই অনেকের গাত্রদাহ হচ্ছে। তারই ফলশ্রুতি স্বরূপ ফেসবুকে আমাকে নিয়ে মিথ্যা কথা লেখা হচ্ছে। এতে কিছু যায় আসে না বলে দেবাশিষ চক্রবর্তী মন্তব্য করেছেন।

    প্রিন্সিপালের বিরুদ্ধে সরব তৃণমূল নেতৃত্বও

    অন্যদিকে মেমারি ১ নম্বর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি নিত্যানন্দ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “মেমারি কলেজের প্রিন্সিপাল দেবাশিষ চক্রবর্তী কলেজের কথা, ছাত্রছাত্রীদের কথা কিছুই ভাবেন না। উনি কলেজে স্বৈরাচারিতা চালিয়ে যাচ্ছেন। এর বিহিত হওয়া দরকার”।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share