Tag: Bratya Basu

Bratya Basu

  • Madhyamik Result: মাধ্যমিকের ফলপ্রকাশ আগামী সপ্তাহেই? ইঙ্গিত শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর

    Madhyamik Result: মাধ্যমিকের ফলপ্রকাশ আগামী সপ্তাহেই? ইঙ্গিত শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাধ্যমিকের ফলপ্রকাশ (Madhyamik Result) কবে হবে তা জানিয়ে দিলেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। মঙ্গলবার জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে রবীন্দ্রজয়ন্তী অনুষ্ঠানের ফাঁকে তিনি জানান, আগামী দশ দিনের মধ্যেই ফলপ্রকাশ হবে। পর্ষদ সূত্রে খবর, ফলপ্রকাশের যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।

    ২ মাসের একটু বেশি সময় পরই ফলপ্রকাশ

    সব কিছু ঠিকঠাক চললে আগামী সপ্তাহেই ফল প্রকাশিত (Madhyamik Result) হবে বলে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ সূত্রে দাবি। দু’এক দিনের মধ্যেই পর্ষদ এই সংক্রান্ত নির্দেশিকাও প্রকাশ করে দেবে। মধ্যশিক্ষা পর্ষদ সূত্রে খবর, ফল প্রকাশের শেষ মুহূর্তের কিছু কাজ চলছে।  দু-একদিনের মধ্যেই ফলের দিনক্ষণের বিষয়ে নির্দেশিকা জারি করবে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। গত ২৩ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়েছিল এবছরের মাধ্যমিক পরীক্ষা। শেষ হয়েছিল ৪ মার্চ। এবারের পরীক্ষায় উত্তরপত্র মূল্যায়নের কাজে যুক্ত রয়েছেন ১১৫৩ জন প্রধান পরীক্ষক এবং প্রায় ৪১ হাজার পরীক্ষক। পর্ষদ সূত্রে যে খবর পাওয়া যাচ্ছে, পরীক্ষা শেষের আড়াই মাসের মধ্যেই ফল প্রকাশ হতে চলেছে। এর আগে পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সভাপতি রামানুজ গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, মে মাসেই মাধ্যমিকের ফল প্রকাশ হবে। 

    আরও পড়ুন: “মমতা কি আইএস-এর প্রতি সহানুভূতিশীল?”, ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ প্রসঙ্গে প্রশ্ন শুভেন্দুর

    পর্ষদ সূত্রে জানা গিয়েছিল, মাধ্যমিক পরীক্ষার পর উত্তরপত্র মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় খাতা দেখা, নম্বর দেওয়া থেকে শুরু করে যাচাই পদ্ধতি অর্থাৎ ফলপ্রকাশের (Madhyamik Result) আগে পর্যন্ত মোট ৫টি ধাপ পেরোতে হয় পর্ষদকে। ভুল-ভ্রান্তি এড়াতে ও মূল্যায়ন প্রক্রিয়া দ্রুততর করতে শেষের দুই ধাপ এবার অনলাইনে করা হয়েছে। যার ফলে এবারের পরীক্ষার ফল অন্যান্য বারের তুলনায় অন্তত দু’সপ্তাহ আগে প্রকাশ হতে চলেছে। আগামী সপ্তাহের মধ্যে যদি ফলপ্রকাশ হয়, সেক্ষেত্রে ২ মাসের একটু বেশি সময় পরই এই ফল বের হতে চলেছে। মনে করা হচ্ছে, মে মাসের শেষের দিকেই উচ্চ মাধ্যমিকেরও ফলপ্রকাশ হতে চলেছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Justice Abhijit Ganguly: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় শিক্ষামন্ত্রীকে তলব করার হুঁশিয়ারি দিলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়

    Justice Abhijit Ganguly: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় শিক্ষামন্ত্রীকে তলব করার হুঁশিয়ারি দিলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নবম-দশম নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (Recruitment Scam) আরও কড়া কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Ganguly)। “পর্ষদ কিছু করতে না পারলে, শিক্ষামন্ত্রীকে (Education Minister) ডেকে পাঠাতে হবে। আপনারা যদি নিয়োগ বাতিল করতে চান, তাহলে করুন, কোথায় বাধা?” নবম-দশম নিয়োগ দুর্নীতির একটি মামলায় এমনটাই বলতে শোনা গেল বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়কে। তাঁর  দাবি, অবিলম্বে অযোগ্যদের নিয়োগ বাতিল করুক পর্ষদ। বেআইনিভাবে নিযুক্তদের নিয়োগ বাতিল না হলে প্রয়োজনে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুকে তলব করার হুঁশিয়ারি দিলেন বিচারপতি।

    নবম-দশম নিয়োগ দুর্নীতি মামলা

    যে সব চাকরিপ্রার্থীদের বেআইনিভাবে সুপারিশ করা হয়েছিল, সেই তালিকা ইতিমধ্যেই প্রকাশ করেছে স্কুল সার্ভিস কমিশন। সেই সব প্রার্থীদের নিয়োগ বাতিল করার অনুমতি চেয়েই কমিশন কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল। আর সেই মামলা চলাকালীন এবার সরাসরি শিক্ষামন্ত্রীর নাম উল্লেখ করলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Ganguly)।

    আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, দু’দফায় বেআইনিভাবে সুপারিশ করা নামের তালিকা প্রকাশ করেছিল স্কুল সার্ভিস কমিশন। তালিকায় থাকা মোট ১৮৪ জনের মধ্যে ৮১ জন বর্তমানে চাকরি করেন বলে জানা গিয়েছে। তাঁদের মধ্যে ৯ জন নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে গতকাল আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। এরপর হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছে, তাঁরা কত নম্বর পেয়েছেন, খতিয়ে দেখতে হবে তাঁদের ওএমআর শিট। ওই ন’জনকে নিয়ে বৈঠকও করতে হবে কমিশনকে। উপস্থিত থাকতে হবে ন’জনের আইনজীবী, কমিশনের চেয়ারম্যান ও কমিশনের আইনজীবীকে। আগামী সপ্তাহে বুধবারের মধ্যে সেই রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: নবান্নে বৈঠকে মমতা-শাহ, কারণ কি জানেন?

    শিক্ষামন্ত্রীকে তলব করার হুঁশিয়ারি বিচারপতির

    গতকাল ‘অবৈধ’ নিয়োগ বাতিল করার অনুমতি চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল স্কুল সার্ভিস কমিশন। সেই মামলার শুনানি চলাকালীন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর নাম উল্লেখ করেন বিচারপতি। তখনই তিনি বলেন, “আপনারা যদি নিয়োগ বাতিল করতে চান, করুন। কোথায় বাধা? যদি পর্ষদ কিছু করতে না পারে তাহলে শিক্ষামন্ত্রীকে ডেকে পাঠাতে হবে।”

    আবার এই মামলার শুনানি চলাকালীন এসএসসিকে উদ্দেশ্য করে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Ganguly) বলেন, “কার সুপারিশে চাকরি পেলেন? কে কে সুপারিশ করেছিলেন? জুনিয়র নাকি সিনিয়র পি সি সরকারের হাতের জাদুতে নম্বর বাড়ল?”  এই মামলার পরবর্তী শুনানি ২২ ডিসেম্বর।

    তবে এতদিন শিক্ষক দুর্নীতি মামলায় শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর নাম উঠে আসেনি। কিন্তু গতকাল বিচারপতির (Justice Abhijit Ganguly) মন্তব্যের পর একাধিক প্রশ্ন মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। প্রশ্ন উঠছে, এবার কি তবে ব্রাত্য বসুকেও তলব করা হবে হাইকোর্টে?

  • College Teachers Transfer: কলেজ শিক্ষকদের জন্য চালু হচ্ছে অনলাইন বদলি ব্যবস্থা, জানুন কবে

    College Teachers Transfer: কলেজ শিক্ষকদের জন্য চালু হচ্ছে অনলাইন বদলি ব্যবস্থা, জানুন কবে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্কুল শিক্ষকদের (School Teacher) জন্য অনলাইনে বদলির (On Line System) ব্যবস্থা চালু হয়েছে আগেই। এবার একই ধাঁচে অনলাইন বদলির ব্যবস্থা চালু হচ্ছে রাজ্যের সরকারি সাহায্য প্রাপ্ত কলেজ শিক্ষকদের জন্যও। শুক্রবার এ খবর জানান রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু (Bratya Basu)। তিনি জানান, সরকারি সাহায্য প্রাপ্ত কলেজগুলির শিক্ষকরা অনলাইনের মাধ্যমে শীঘ্রই বদলির আবেদন করতে পারবেন।

    এতদিন রাজ্যের স্কুল কিংবা কলেজের শিক্ষকদের বদলি নিতে গেলে ঝক্কি পোহাতে হত। পরে স্কুল শিক্ষকদের জন্য অনলাইন বদলি ব্যবস্থা চালু হয়। রাজ্য সরকারের তৈরি ওই পোর্টালের নাম দেওয়া হয় উৎসশ্রী। সেই পোর্টাল চালুর পরে অনলাইনে আবেদন করে নিজের জেলায় কিংবা বাড়ি থেকে স্বল্প দূরত্বের স্কুলগুলিতে বদলি হয়ে আসতে পারছেন শিক্ষক শিক্ষিকারা। কলেজ শিক্ষকদের ক্ষেত্রে এই ব্যবস্থা এখনও চালু হয়নি। সেই কারণেই হয়তো কোচবিহারের কোনও কলেজের শিক্ষক চাকরি করছেন কাকদ্বীপের কোনও কলেজে। দক্ষিণবঙ্গের কোনও শিক্ষককে হয়তো ঘরসংসার ছেড়ে যেতে উত্তরবঙ্গের কোনও কলেজে পড়াতে। এতদিন এ নিয়ে বারংবার সোচ্চার হয়েছেন রাজ্যের সরকারি সাহায্য প্রাপ্ত কলেজগুলির শিক্ষক শিক্ষিকারা। তার পরেও টনক নড়েনি সরকারের।

    আরও পড়ুন : এনআইআরএফ তালিকায় দেশের সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আইআইটি মাদ্রাজ, সেরা কলেজ মিরান্ডা হাউজ

    তবে ইদানিং একের পর এক কেলেঙ্কারির জেরে মুখ পুড়েছে রাজ্য সরকারের। এর মধ্যে অন্যতম স্কুল শিক্ষক নিয়োগ কেলেঙ্কারি। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, সেই কারণেই কলেজ শিক্ষকদের বদলির জন্য অনলাইন ব্যবস্থা চালু করে বিষয়টিতে স্বচ্ছতা নিয়ে আসতে চাইছে রাজ্য সরকার। জানা গিয়েছে, এর মাধ্যমে উপকৃত হবেন রাজ্যের সরকারি সাহায্য প্রাপ্ত ৪৫০টি কলেজের শিক্ষক শিক্ষিকারা। বর্তমানে বদলির জন্য কলেজ শিক্ষকদের আবেদন করতে হয় উচ্চ শিক্ষা দফতরের অফিসে। বিষয়টিতে সময় লাগে ঢের বেশি। কোন কলেজে কত শূন্যপদ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখেই নিতে হয় ব্যবস্থা। ব্রাত্য জানান, অনলাইল সিস্টেম চালু হলে এই সমস্যা দূর হবে। উপকৃত হবেন রাজ্যের সরকারি সাহায্য প্রাপ্ত কলেজগুলির শিক্ষক শিক্ষিকারা। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, স্বচ্ছতা বজায় রাখতেই এই অনলাইন ব্যবস্থা চালু করতে চলেছি আমরা। ব্যবস্থাটি চালু হলে যে কোনও শিক্ষক অনলাইনে শূন্যপদ দেখে পোস্টিংয়ের জন্য আবেদন করতে পারবেন। দু-তিন দিনের মধ্যেই আমরা এ ব্যাপারে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করব, জানান ব্রাত্য।

    আরও পড়ুন : বিনা টেটে সুকন্যার মাস্টারি কাঠগড়ায় তুলল ব্রাত্যকে!

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • TMC on ‘Chor’ slogan: পার্থ-অনুব্রত কাণ্ডের জের! “সবাই চোর নয়”, সাফাই আতঙ্কিত তৃণমূলের

    TMC on ‘Chor’ slogan: পার্থ-অনুব্রত কাণ্ডের জের! “সবাই চোর নয়”, সাফাই আতঙ্কিত তৃণমূলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একের পর এক দুর্নীতির পর্দা ফাঁস হচ্ছে তৃণমূল (TMC) নেতাদের। আত্মবিশ্বাস তলানিতে এসে ঠেকেছে রাজ্যের শাসক দলের। জনতার রোষে এতটাই জর্জরিত তৃণমূল যে সাংবাদিক বৈঠক করে ‘তৃণমূলে সবাই চোর নয়’ – এই বিবৃতি দিতে হচ্ছে প্রথম সারির নেতাদের। আর এই সবে সংবাদমাধ্যমের ভূমিকায় যে মোটেই খুশি নয় তাঁরা সে কথাও জানিয়েছেন। 

    আরও পড়ুন: তৃণমূলের হয়ে প্রচার অর্পিতার, প্রকাশ্যে ছবি, এর পরেও অস্বীকার করবে শাসক দল?

    হাসপাতাল থেকে হাসতাপাল। অভিযুক্ত তৃণমূল নেতাদের দেখলেই এখন ভেসে আসছে একটাই আওয়াজ। কেউ মুখ লুকিয়ে কোনও রকমে পালাচ্ছেন। কেউ আবার বুকে হাত দিয়ে সবকিছু শুনছেন। উপায় নেই। অনেকে বলছেন, পাপের ফল। যে যাই বলুক, একের পর এক কেলেঙ্কারি প্রকাশ্যে আসার পর এখন আর কেউ ভয় পাচ্ছে না শাসককে। তাই কেলেঙ্কারির নায়কদের দেখলেই রব উঠছে, চোর চোর চোর। এসএসসি কেলেঙ্কারি থেকে গরু, কয়লা পাচার। দুর্নীতির পাহাড়ে বসে কিছুদিন আগেও ক্ষমতার আস্ফালন করতে দেখা গিয়েছিল এই নেতাদের। এখন সবকিছু সামনে আসতেই লজ্জায় মুখ লুকোনোর জায়গা পাচ্ছেন না তাঁরা। অনুব্রত থেকে পার্থ জনতার ‘চোর’ বদনাম থেকে রেহাই পাননি কেউ। এমনকি হাসপাতাল চত্বরে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে দেখে জুতোও চুড়ে মারেন এক মহিলা।  কেলেঙ্কারি ফাঁস হওয়ার ভয়ে সিঁটিয়ে আছেন আরও অনেকে। সকলেই ভয় পাচ্ছেন, তাঁকেও না শুনতে হয় এই চোর অপবাদ। চায়ের ঠেক থেকে বিধানসভা সব জায়গায় একটাই আলোচনা, ‘তৃণমূল সরকারের দুর্নীতি’। আর এতেই বেজায় বিপদে পড়েছে তৃণমূল। 

    আরও পড়ুন: কয়লা-পাচার কাণ্ডে আজ সিবিআই আদালতে সাত ইসিএল কর্তা

    তাই ঢাক ঢোল পিটিয়ে সাংবাদিক বৈঠক ডেকে ‘চোর’ না হওয়ার সাফাই দিতে হচ্ছে।  তৃণমূলের সাংবাদিক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ব্রাত্য বসু, ফিরহাদ হাকিমসহ (Firhad Hakim) অন্যান্য নেতারা। ফিরহাদ হাকিম বলেন, “আমি লজ্জিত, পার্থ চট্টোপাধ্যায় যা করেছেন। এই পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে চিনতাম না। কিন্তু, তার মানে এই নয়, তৃণমূল কংগ্রেস করা মানে সবাই চোর। মানুষের কাজ করার স্বার্থে আমরা কাজ করেছি। তারপরও ব্যক্তিগতভাবে চক্রান্ত করা হচ্ছে। অপমান করা হচ্ছে। একটা মামলা হয়েছে। ২০১৭ সালে। আমাদের সম্পত্তি খুব বেড়ে গিয়েছে। আমরা কোনও ফ্যাক্ট লুকিয়েছি? অনেকে রোজগারের টাকায়, ব্যবসা করেছি? অদ্ভুত লাগে, অর্ধ সত্য প্রকাশিত হচ্ছে।”  

    শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু (Bratya Basu) বলেন, ” আয়বৃদ্ধির ক্ষেত্রে আদালতের দেওয়া তালিকায় তৃণমূলের নেতাদের পাশাপাশি বাম, কংগ্রেস নেতাদের নামও রয়েছে। সেই সব নাম নিয়ে সংবাদমাধ্যমের একাংশ টুঁ শব্দ করছে না। উল্টে সংবাদমাধ্যমের একাংশ ‘ক্যাঙারু কোর্ট’ বা ‘খাপ পঞ্চায়েত’ বসাচ্ছে তৃণমূল নেতাদের সম্পত্তি নিয়ে।” 

    তাহলে কি এবার ভয় পেতে শুরু করেছেন তৃণমূল নেতারা! এবার কার ডাক পড়বে ইডি দফতরে তার ভয়ে সিটিয়ে যাচ্ছেন! তার তাতেই কি আগাম সাফাই? যাতে এরপর তাঁদের দিকেও না আসে চোর স্লোগান। এমনটাই কিন্তু বলছে রাজনৈতিক মহল।  

  • Mamata Award Controversy: “রবীন্দ্রনাথ বেঁচে থাকলে…”, মমতার সাহিত্য পুরস্কার প্রাপ্তি নিয়ে মুখ খুললেন শুভাপ্রসন্ন

    Mamata Award Controversy: “রবীন্দ্রনাথ বেঁচে থাকলে…”, মমতার সাহিত্য পুরস্কার প্রাপ্তি নিয়ে মুখ খুললেন শুভাপ্রসন্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (Rabindra Nath Tagore) বেঁচে থাকলে স্বয়ং কবি এসে সংবর্ধনা দিতেন মমতাকে (Mamata)! বাংলা আকাদেমি পুরস্কার (bangla academy award) বিতর্কে এমনই মন্তব্য করলেন চিত্রশিল্পী শুভাপ্রসন্ন (Shuvaprasanna)।

    চলতি বছর প্রথম বাংলা আকাদেমি পুরস্কার দেওয়া শুরু হয়। প্রথম বছরেই পুরস্কার দেওয়া নিয়ে শুরু হয় বির্তক। কারণ, পুরস্কার প্রাপক রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নিরলস কাব্য সাধনার জন্য পুরস্কৃত করা হয় তাঁকে। বাংলা আকাদেমির মাথায় রয়েছেন রাজ্য মন্ত্রিসভার সদস্য ব্রাত্য বসু। রবীন্দ্রজয়ন্তীর দিন মুখ্যমন্ত্রীর হয়ে তিনিই পুরস্কার গ্রহণ করেন। এতেই পুরস্কারদাতাদের বিরুদ্ধে চাটুকারিতার অভিযোগ তুলেছেন বুদ্ধজীবীদের একাংশ।

    এই প্রসঙ্গেই মুখ খুলেছেন ‘কাক’ শিল্পী শুভাপ্রসন্ন। তিনি বলেন, এই বিতর্কটাকে আমি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা বলে মনেই করি না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একজন ‘এক্সট্রা-অর্ডিনারি’ ব্যক্তিত্ব। তিনি সাহসী ও আত্মবিশ্বাসী। তাঁর স্মরণশক্তি অসাধারণ। তিনি ছড়া-কবিতা লিখেছেন, গান লিখেছেন, সুর দিয়েছেন, ছবি এঁকেছেন। এখন তাঁর একটা বইকে পুরস্কৃত করা হয়েছে। পুরস্কারটা যদি উপযুক্ত হয়, তবে কালজয়ী হবে। নাহলে মানুষ ছুড়ে ফেলে দেবে। এই প্রসঙ্গেই আসে রবীন্দ্র-অনুষঙ্গ। চিত্রশিল্পী বলেন, “রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বেঁচে থাকলে স্বয়ং কবি এসে সংবর্ধনা দিতেন মমতাকে।” শুভাপ্রসন্নের দাবি, বাঙালি চরিত্রগতভাবে মানুষ হয়ে ওঠেনি। কাঁকড়ার জাত। মমতা চুরি-চামারি করেননি। তাঁর ভিতরের আবেগ বোধকে তিনি তাঁর মতো করে তাঁর ভাষায় লিখেছেন।

    আরও পড়ুন : ‘বাঙালির সত্ত্বা আজ লুণ্ঠিত’, মমতাকে সাহিত্য পুরস্কারের দেওয়ায় ট্যুইট-বাণ শুভেন্দুর

    পুরস্কার বিতর্কে দিন দুই আগে মুখ খুলেছিলেন বুদ্ধিজীবী সুবোধ সরকার (Subodh Sarkar)। তিনি বলেন, উইনস্টন চার্চিল ইংল্যান্ডের প্রাইম মিনিস্টার থাকাকালীন সাহিত্যচর্চার জন্য নোবেল পেয়েছিলেন। অথচ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (mamata Banerjee) বাংলা আকাদেমি পুরস্কার পাওয়ার পর এত সমালোচনা! সুবোধ সরকারের মতে, এই পুরস্কার আসলে ‘ম্যাগসেসের মত’। “এই ত্রিবার্ষিক সম্মাননা এমন একজন সাহিত্যিককে দেওয়া হল যিনি সমাজকল্যাণে পরিবর্তনের ভূমিকা পালন করেছেন। রাজ্যজুড়ে সমালোচনার ঝড়ে ব্যথিত শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুও (Bratya basu)। তিনি বলেন, একমাত্র বাঙালিদের একটা অংশই এমন করতে পারে! কবির ভাষা ধার করে তিনি বলেন, বলতে ইচ্ছে করছে, রেখেছ বাঙালি করে, মানুষ করনি।অ-বাঙালিরা এমন করতেন না!

    এর চেয়ে নির্লজ্জ চাটুকারিতা আক কি-ই বা হতে পারে!

  • National Education Policy: কেন্দ্রের সঙ্গে ফের ‘সংঘাতে’ রাজ্য, জাতীয় শিক্ষানীতি পর্যালোচনায় গঠিত ১০ সদস্যের কমিটি

    National Education Policy: কেন্দ্রের সঙ্গে ফের ‘সংঘাতে’ রাজ্য, জাতীয় শিক্ষানীতি পর্যালোচনায় গঠিত ১০ সদস্যের কমিটি

    কলকাতা: কেন্দ্র-রাজ্য় সংঘাত (Centre-Bengal spat) এবার শিক্ষাক্ষেত্রেও।  কেন্দ্রের জাতীয় শিক্ষানীতির (National Education Policy) পর্যালোচনা করতে এবার বিশেষ কমিটি গঠন করল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) নেতৃত্বাধীন পশ্চিমবঙ্গ সরকার (West Bengal government) । ১০ সদস্যের ওই কমিটিতে রয়েছেন বিশিষ্টজনেরা।

    গত ৮ এপ্রিল, ওই কমিটি গঠনের কথা জানানো হয় রাজ্য প্রশাসনের তরফে। এক শীর্ষ আধিকারিক জানান, পৃথক রাজ্য শিক্ষানীতির (State Education Policy) প্রয়োজন রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখবে ওই কমিটি। কেন্দ্রের শিক্ষানীতি (NEP 2020) প্রকাশ পাওয়ার পর মহারাষ্ট্র ও কেরল সরকার যেমন নিজেদের পৃথক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, তেমন কোনও পদক্ষেপ এরাজ্যও গ্রহণ করতে পারে কি না, তা পর্যালোচনা করবে ওই বিশেষজ্ঞ কমিটি। ওই আধিকারিক বলেন, সাম্প্রতিক বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (University Grant Commission) নেওয়া নির্দেশিকাও (UGC guidelines) খতিয়ে দেখবে ওই কমিটি।

    রাজ্যের গঠিত ১০ সদস্যের কমিটিতে রয়েছেন — কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (Columbia University) অধ্যাপিকা গায়ত্রী চক্রবর্তী স্পিভাক, যাদবপুর বিশ্ববিদ্য়ালয়ের (Jadavpur University) উপাচার্য সুরঞ্জন দাস, এনআইটি দুর্গাপুরের ডিরেক্টর অনুপম বসু এবং হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের (Harvard University) অধ্যাপক সুগত বসু (Sugata Basu), সংস্কৃত ভাষা বিশেষজ্ঞ নৃসিংহ প্রসাদ ভাদুড়ি (Nrisingha Prasad Bhaduri) প্রমুখ। 

    এর আগের দিন, অর্থাৎ গত ৭ এপ্রিল, রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু (Bengal Education Minister Bratya Basu) ঘোষণা করেছিলেন যে, কেন্দ্রের শিক্ষানীতি কার্যকর করবে না পশ্চিমবঙ্গ (West Bengal)। পরিবর্তে, রাজ্য সরকার নিজস্ব শিক্ষানীতি প্রণয়ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তিনি বলেন, অন্য সব ক্ষেত্রের মতো শিক্ষাতেও জোর করে নিজেদের নীতি জারি করার চেষ্টা চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় প্রশাসন।  তবে, আমরা তাতে রাজি নই। ফলত, আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি নিজস্ব শিক্ষানীতি তৈরি করার। 

    শিক্ষা দফতর (West Bengal Education Department) সূত্রে খবর, আগামী দুমাসের মধ্যে প্রাথমিক রিপোর্ট পেশ করবে এই কমিটি। রাজ্য সরকারের পৃথক নীতি প্রণয়নের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে নৃসিংহ প্রসাদ ভাদুড়ি বলেন, নিজস্ব শিক্ষানীতি প্রণয়ন করার অধিকার রয়েছে রাজ্যের। এটি ভালো সিদ্ধান্ত। তাঁর মতে, ভারতের মতো জনবহুল এবং বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতির দেশে অভিন্ন শিক্ষানীতি কখনই কাম্য নয়। 

    অন্যদিকে, কেন্দ্রের (Modi government) তরফে যুক্তি, জাতীয় শিক্ষানীতির ফলে উচ্চশিক্ষায় পড়ুয়াদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে। কেন্দ্রের মতে, জাতীয় শিক্ষানীতির মূল লক্ষ্য হল ২০৩৫ সাল নাগাদ বৃত্তিমূলক শিক্ষা সহ উচ্চশিক্ষায় পড়ুয়াদের মোট নিবন্ধীকরণের হার (Gross Enrolment Ratio) ২৬.৩ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করা। 

     

  • Mamata Award Protest: মমতাকে সাহিত্য পুরস্কার, প্রতিবাদে পদত্যাগ, পদক ফেরালেন ‘অপমানিত’ বিশিষ্টজনরা

    Mamata Award Protest: মমতাকে সাহিত্য পুরস্কার, প্রতিবাদে পদত্যাগ, পদক ফেরালেন ‘অপমানিত’ বিশিষ্টজনরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘অপমানিত’ বিশিষ্টরা। কেউ বললেন অশ্রদ্ধা কবিগুরুকে। কেউ ফেরালেন পুরস্কার। কেউ বা করলেন পদত্যাগ। ট্যুইটারে (Twitter) প্রতিবাদ অনেকের। ওখানেই থেমে থাকেনি। সামাজিক মাধ্যমে (Social Media) মিম-  মশকরার ছড়াছড়ি। লক্ষ্য একজনই। মমতা (Mamata) বন্দ্যোপাধ্যায়। নিজের সরকারের হাত থেকে নিজেই নিজেকে পুরস্কৃত করেছেন রাজ্যের (West Bengal) মুখ্যমন্ত্রী।

    সোমবার ‘নিরলস কবিতার সাধনা’র জন্য বাংলা আকাদেমি পুরস্কার (Bangla Academy Award) দেওয়া হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। বেছে নেওয়া হয়েছে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের (Rabindra Nath Tagore) জন্মদিবসের (Rabindra Jayanti) সরকারি কবিপ্রণাম অনুষ্ঠানকে। মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতিতেই পুরস্কার ঘোষণা করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু (Bratya Basu)। মঞ্চে বসা মুখ্যমন্ত্রীকে বাংলা আকাদেমির পক্ষে পুরস্কার দেন তথ্য-সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন। পুরস্কার গ্রহণ করেছেন পুরস্কারের ঘোষক ও রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। ৯৪৬টি কবিতার (Mamata poem) সংকলন ‘কবিতা বিতান’ (Kabita Bitan) কাব্যগ্রন্থের জন্য পুরস্কৃত হলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০২০ সালের কলকাতা বইমেলায় প্রকাশিত হয়েছিল ‘কবিতা বিতান’।

    এরপরই রাজ্যজুড়ে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। তীক্ষ্ণ সমালোচনায় ফেটে পড়েন সংস্কৃতির গবেষক রত্না রশিদ বন্দ্যোপাধ্যায় (Ratna Rashid Bandopadhyay)। ২০০৯ তিনি বাংলা আকাদেমি পুরস্কার পেয়েছিলেন ও ২০১৯ সালে বাংলা আকাদেমি তাঁকে দিয়েছিল ‘অন্নদাশঙ্কর স্মারক সম্মান’ পুরস্কার। গবেষক রত্না তাঁর ২০১৯ সালের পুরস্কার ফিরিয়ে দিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন, কবিতার বইয়ের একটা মানদণ্ড থাকবে তো! যে ভাবে বাংলা আকাদেমি এই পুরস্কার ঘোষণা করেছে তার একটা প্রতিবাদ দরকার। তিনি বলেন, ‘‘উনি (মমতা) একজন মান্যগণ্য মানুষ। উনি আমাদের সবার ভোটে জিতে তিনবার মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন। ওঁর কাছ থেকে পরিপক্ক সিদ্ধান্ত আশা করি। বইয়ের তো একটা স্ট্যান্ডার্ড (মান) থাকতে হবে। পুরস্কার দিলেই বা উনি নিয়ে নেবেন কেন!’’

    মঙ্গলবারই সাহিত্য আকাদেমির বাংলা উপদেষ্টা কমিটি থেকে পদত্যাগ করেছেন, লেখক ও সম্পাদক অনাদিরঞ্জন বিশ্বাস। বিবৃতি প্রকাশ করে তিনি জানিয়েছেন, কলকাতায় রবীন্দ্র জন্মজয়ন্তীর দিন কবিকে যেভাবে অসম্মান করা হয়েছে, তাতে তিনি ‘বিরক্ত’। সেই কারণেই ইস্তফা।” প্রতিবাদ জানিয়ে ট্যুইট করেছেন বিশিষ্ট কবি তসলিমা নাসরিনও। তিনি এখন দিল্লিতে থাকেন। ট্যুইটে কবি সাহিত্যিক তসলিমা জানিয়েছেন,”…বাংলার লেখক শিল্পী বুদ্ধিজীবিরা সবাই বিক্রি হয়ে গেছে। অর্থ আর ক্ষমতার কাছে তাঁরা নিজেদের সততা, ব্যক্তিত্ব আর মর্যাদাকে বিকিয়ে দিয়েছেন।”

    [tw]


    [/tw]

    ‘অবাধ্য’ সোশ্যাল মিডিয়া ও বিশিষ্টজনের প্রতিবাদে বেজায় চটেছেন রাজ্যের নাট্যকার শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু, যিনি আবার বাংলা আকাদেমির সভাপতিও বটে। ব্রাত্য বলেন, “একমাত্র বাঙালিদের একটা অংশই এমন পারে! বলতে ইচ্ছে করছে, রেখেছ বাঙালি করে মানুষ করনি। অ-বাঙালিরা এমন করতেন না!” বাংলা আকাদেমির আরেক অন্যতম সদস্য কবি সুবোধ সরকারের মতে, এই পুরস্কার আসলে ‘ম্যাগসেসের মত’। “এই ত্রিবার্ষিক সম্মাননা এমন একজন সাহিত্যিককে দেওয়া হল যিনি সমাজকল্যাণে পরিবর্তনের ভূমিকা পালন করেছেন। ১১৩ গ্রন্থের লেখক, জুরি বিচারকদের বিচারে প্রথমেই ছিল কবিতা বিতান।”

    ম্যাগসেসে পুরস্কারকে (Magsaysay award) এশিয়ান নোবেলও বলা হয়। ফিলিপাইনের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি র‌্যামন ম্যাগসেসে-এর নামে এই পুরস্কার দেওয়া হয় এশিয়াবাসীদের। ১৯৫৮ সালে এই পুরস্কারের সূচনা। শাসন ব্যবস্থায় সততা, জনগণের প্রতি সাহসী সেবা এবং একটি গণতান্ত্রিক সমাজের মধ্যে বাস্তববাদী আদর্শবাদের উদাহরণ প্রতিষ্ঠিত করার জন্য পুরস্কৃত করা হয় প্রাপকদের। বিনোবা ভাবে ১৯৫৮ সালে প্রথম ভারতীয় হিসেবে ম্যাগসেসে পুরস্কার পান।

    tag: 

     

LinkedIn
Share