Tag: BRICS

BRICS

  • PM Modi: ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে দক্ষিণ আফ্রিকার উদ্দেশে রওনা মোদির, কী বললেন জানেন?

    PM Modi: ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে দক্ষিণ আফ্রিকার উদ্দেশে রওনা মোদির, কী বললেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্রিকস (BRICS) সম্মেলনে যোগ দিতে আজ, মঙ্গলবার দক্ষিণ আফ্রিকার উদ্দেশ্যে রওনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ২২ অগাস্ট শুরু হওয়া এই সম্মেলন চলবে চলতি মাসেরই ২৪ তারিখ পর্যন্ত। ব্রিকসের সদস্য দেশগুলি হল, ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চিন এবং দক্ষিণ আফ্রিকা। যদিও এবারের সম্মেলনে যোগ দিচ্ছে বাংলাদেশও।

    ব্রিকস সেরা মঞ্চ

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসার আমন্ত্রণে ১৫তম ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে আমি দক্ষিণ আফ্রিকা যাচ্ছি। জোহানেসবার্গে সম্মেলন হবে ২২ থেকে ২৪ অগাস্ট পর্যন্ত। এই সম্মেলনের নেতৃত্ব দেবে দক্ষিণ আফ্রিকা।” এক বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সদস্য দেশগুলির মধ্যে নানা ক্ষেত্রে শক্তিশালী সংযোগ গড়ে তুলতে ব্রিকস সেরা মঞ্চ। পুরো গ্লোবাল সাউথের উদ্বেগ নিয়ে আলোচনার জন্য ব্রিকস একটি ভাল মঞ্চ বলে আমরা মনে করি। অদূর ভবিষ্যতে কোন কোন ক্ষেত্রে সহযোগিতা প্রয়োজন, তা চিহ্নিত করতেও ব্রিকস একটি ভাল প্লাটফর্ম।” ব্রিকস সম্মেলনে যেসব রাষ্ট্রনেতারা উপস্থিত থাকবেন, তাঁদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসতেও আগ্রহ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

    মোদি-জিনপিং

    জোহানেসবার্গের এই সম্মেলনে ফের একবার মুখোমুখি হতে পারেন চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং মোদি। হতে পারে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকও। দিন কয়েক আগে সীমান্ত সমস্যা মেটাতে বৈঠকে বসেছিল ভারত ও চিনের সেনাবাহিনী। এমতাবস্থায় মোদি-জিনপিং বৈঠকে সীমান্ত নিয়ে কোনও রফাসূত্র মেলে কিনা, সেদিকেই তাকিয়ে ভারতের পাশাপাশি তামাম বিশ্বও। জিনপিং সহ ব্রিকসের সদস্য দেশগুলির বিভিন্ন নেতা উপস্থিত থাকলেও, এবারের সম্মেলনে সশরীরে উপস্থিত থাকছেন না রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তবে ভার্চুয়ালি তিনি যোগ দেবেন এই সম্মেলনে।

    আরও পড়ুুন: ভুয়ো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে সংখ্যালঘু বৃত্তি! দুর্নীতির অভিযোগে সরব শুভেন্দু

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “জোহানেসবার্গে থাকাকালীন আমি ব্রিকস-আফ্রিকা আউটরিচ এবং ব্রিকস প্লাস ডায়ালগেও অংশ নেব আমি। ব্রিকস সম্মেলনের অংশ হিসেবেই হবে এই অনুষ্ঠান। এই অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে অতিথি দেশগুলির সদস্যদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করতে আমি মুখিয়ে রয়েছি।” দক্ষিণ আফ্রিকা সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) পাড়ি দেবেন গ্রিসে। তিনি বলেন, “গ্রিসে এটা হবে আমার প্রথম সফর। দীর্ঘ ৪০ বছর পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমি সেখানে পা রাখব। তাই আমি খুব সম্মানিত ও গর্ব বোধ করছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: ব্রিকস সম্মেলনের আগে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্টকে ফোন মোদির, কী আলোচনা হল জানেন?

    PM Modi: ব্রিকস সম্মেলনের আগে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্টকে ফোন মোদির, কী আলোচনা হল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অগাস্ট মাসে ব্রিকস (BRICS) সম্মেলনে যোগ দিতে দক্ষিণ আফ্রিকা যাওয়ার কথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi)। তার আগে শনিবার টেলিফোনে প্রধানমন্ত্রী কথা বললেন সে দেশের প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসার সঙ্গে। দ্বিপাক্ষিক, আঞ্চলিক এবং বৈশ্বিক নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে দুই রাষ্ট্রপ্রধানের। ব্রিকস সম্মেলনে সহযোগিতা নিয়েও আলোচনা হয়েছে দুই রাষ্ট্রনেতার। শনিবার বিবৃতি জারি করে একথা জানানো হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর দফতরের তরফে।

    জি-২০র সভাপতিত্বকে সমর্থন

    বর্তমানে জি-২০র সভাপতিত্ব করছে ভারত। তাকে পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট। বিবৃতিতে এও জানানো হয়েছে, দুই রাষ্ট্রনেতাই দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতাকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে চান। দুই দেশের ঐতিহাসিক এবং মানুষে মানুষে বন্ধনের কথাও উঠে এসেছে দুই রাষ্ট্রপ্রধানের আলোচনায়।

    ব্রিকসের অন্যতম সদস্য রাশিয়াও

    অগাস্ট মাসে দক্ষিণ আফ্রিকার ডারবানে হবে ব্রিকস সম্মেলন। এ বছর এই সম্মেলনের নেতৃত্ব দেবে রামাফোসার দেশ। সেই সম্মেলনে যাওয়ার আগে একপ্রস্ত আলোচনা সেরে রাখলেন মোদি-রামাফোসা। ভারতকে ১২টি চিতা দেওয়ার জন্য রামাফোসাকে ধন্যবাদও জানান মোদি (PM Modi)। ব্রিকসের অন্যতম সদস্য দেশ রাশিয়া। সেই রাশিয়াই বর্তমানে পড়শি দেশ ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত। ভারতের পাশাপাশি দক্ষিণ আফ্রিকাও চায়, বন্ধ হোক যুদ্ধ। স্থায়ী শান্তি ফিরে আসুক রাশিয়া-ইউক্রেনে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে বলেওছেন, এটা যুদ্ধের সময় নয়। তার পরেও যুদ্ধ থামেনি। দুই দেশকেই আলোচনার টেবিলে বসে সমস্যার সমাধান করতে বলেছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ।

    আরও পড়ুুন: ‘উদ্ধব ঠাকরে বিজেপির সঙ্গে প্রতারণা করেছিলেন’, মহারাষ্ট্রের সভায় শাহি তোপ

    গত সপ্তাহে দক্ষিণ আফ্রিকার কেপটাউনে ব্রিকসের সদস্য দেশগুলির বিদেশমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে যোগ দিতে দক্ষিণ আফ্রিকার কেপ টাউনে গিয়েছিলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। তিনি দেখেছিলেন, কীভাবে পশ্চিম বিশ্বকে মাত দিতে ক্রমেই এগোচ্ছে দক্ষিণ বিশ্ব। ১৫তম ব্রিকস সম্মেলনের আলোচ্যসূচি কী হবে, তাও চূড়ান্ত হয়েছে বিদেশমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে। এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, একটি হল ব্রিকসের সদস্য সংখ্যা বাড়ানো (PM Modi) এবং সদস্য দেশগুলির মধ্যে অভিন্ন মুদ্রা চালু করা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • India Russia at BRICS: রাশিয়ায় খুলবে ভারতীয় সুপারমার্কেট চেন! ইঙ্গিত পুতিনের

    India Russia at BRICS: রাশিয়ায় খুলবে ভারতীয় সুপারমার্কেট চেন! ইঙ্গিত পুতিনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  ভারতের (India) সঙ্গে রাশিয়ার (Russia) বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় হতে চলেছে। রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি (President) ভ্লাদিমির পুতিন (Vladimir Putin) জানিয়েছেন, চলতি বছরের প্রথম তিন মাসের মধ্যে রাশিয়ান ফেডারেশনের (Russian Federation) সঙ্গে ব্রিকস (BRICS) দেশগুলোর বাণিজ্য ৩৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে ও ৪৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছে গিয়েছে। ব্রিকস দেশগুলির সঙ্গে রাশিয়ার বাণিজ্য এবং ব্যবসায়িক সম্পর্ক ক্রমশ শক্তিশালী হয়ে উঠছে। উদাহরণস্বরূপ, রাশিয়ায় ভারতীয় সুপারমার্কেট চেন খোলার আলোচনা ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে। এছাড়াও রাশিয়ার বাজারে চিনা গাড়ি, সরঞ্জাম এবং হার্ডওয়্যারের শেয়ার বাড়ানোর জন্য আলোচনা চলছে। এর ফলে  ব্রিকস দেশগুলোতে রাশিয়ার উপস্থিতি ক্রমশ বাড়ছে। 

    আরও পড়ুন:দামে ছাড়! রাশিয়ার তেলের সবথেকে বড় ক্রেতা ভারত

    উল্লেখ্য, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের (Russia-Ukraine War) ফলে অন্যান্য দেশগুলোর সঙ্গে রাশিয়ার অর্থনৈতিক সম্পর্ক খারাপ হতে থাকলে রাশিয়া ব্রিকস দেশগুলোর সঙ্গে দৃঢ় সম্পর্ক গড়ে তোলার দিকে বিশেষ নজর দিয়েছে। এদিকে ইউক্রেন যুদ্ধের পর চিন (China) ও ভারতে জ্বালানি তেলের রফতানিও বাড়িয়েছে রাশিয়া। এজন্য দামেও ছাড় দিয়েছে পুতিনের দেশ। চলতি মাসের মে মাসে রাশিয়া থেকে রেকর্ড পরিমাণ তেল আমদানি করেছে চিন ও ভারত। অন্যদিকে রাশিয়া থেকে যথেষ্ট পরিমাণে সার (Fertilisers) ব্রিকস দেশগুলিতে রফতানি করা হয়েছে। পুতিন জানিয়েছেন যে, রুশ আইটি কোম্পানিগুলিও ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকায় (South Africa) ধীরে ধীরে প্রসারিত করার চেষ্টা করছে।

    আরও পড়ুন:ডলার নয়, “রুপি-রুবল” বিনিময়ে হবে ভারত-রুশ বাণিজ্য! কীভাবে লেনদেন?

    পুতিন আরও জানিয়েছেন, ব্রিকস দেশগুলির সঙ্গে এক আন্তর্জাতিক সম্পর্ক গড়ে তোলার দিকে এএকটি গোচ্ছে রাশিয়া। রাশিয়ার বাণিজ্যিক সিস্টেমটি ব্রিকসের পাঁচটি দেশের ব্যাঙ্কগুলির সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের জন্য তৈরি হয়ে গিয়েছে। ব্রিকস অন্তর্ভুক্ত দেশগুলির সঙ্গে আর্থিক লেনদেন করার জন্যে অভিন্ন মুদ্রাভাণ্ডার তৈরি করার পরিকল্পনা করেছে রাশিয়া। এই পরিকল্পনা সফল হলে  খুব সহজেই বাণিজ্যিক লেনদেন করতে পারবে পুতিনের রাশিয়া এবং মোদির (Modi) ভারত সহ ব্রিকস গোষ্ঠীর অন্যান্য দেশগুলি।

  • BRICS: ব্রিকসে বাধা পাকিস্তানকে, ভারতের পাশে দাঁড়াল চিনও

    BRICS: ব্রিকসে বাধা পাকিস্তানকে, ভারতের পাশে দাঁড়াল চিনও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিনের (China) সহযোগিতায় ব্রিকস(BRICS) সামিটে পাকিস্তানের (Pakistan) উপস্থিতি আটকে দিল ভারত (India)। বহু চেষ্টা করেও শেহবাজ শরিফের দেশ ঢুকতে পারল না ব্রিকসে। যদিও আমন্ত্রিতদের তালিকায় ছিল আলজিরিয়া, আর্জেন্টিনা, মিশর, ইন্দোনেশিয়ার মতো ১৩টি দেশ। ঘটনাটিকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে মোদি সরকারের জয় হিসেবেই দেখছেন কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা। কূটনৈতিক মহলের বক্তব্য, পাকিস্তানকে আটকাতে প্রথম থেকেই সক্রিয় ছিল ভারত। তাতে সাফল্য মিলল কারণ চিনও তার সব চেয়ে কাছের বন্ধু পাকিস্তানের হাত ছেড়ে ভারতের সঙ্গে সহমত হয়েছে। ঘটনায় প্রত্যাশিতভাবেই হতাশ ইসলামাবাদ।  

    আরও পড়ুন: কাশ্মীরে জি-২০, পাকিস্তানের পরে এবার আপত্তি চিনেরও

    ভারত, চিন, ব্রাজিল, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং রাশিয়াকে নিয়ে গঠিত হয়েছে ব্রিকস। জুনের ২৪ তারিখে শীর্ষ পর্যায়ের ভার্চুয়াল বৈঠকে বসেন ব্রিকসের সদস্য দেশগুলির প্রতিনিধিরা। ওই বৈঠকের আগে আগে চিনে নিযুক্ত ভারতীয় রাষ্ট্রদূত দেখা করেন চিনা বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই-র সঙ্গে। প্রকাশ্যে বলা হয়েছিল দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও আন্তর্জাতিক বিষয় নিয়ে আলোচনার জন্য ওই বৈঠক। সূত্রের খবর, দ্বিপাক্ষিক অন্যান্য আলোচনার পাশাপাশি ব্রিকসে পাকিস্তানের আমন্ত্রণের বিষয়টি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়ে যায় সেখানেই।

    আরও পড়ুন : বন্দরের ফাঁদে ফেলেই শ্রীলঙ্কাকে ডোবাল চিন?

    কূটনৈতিক মহলের মতে, ব্রিকস বৈঠকে যে দেশগুলি যোগ দিয়েছে, তাদের বাজার ক্রমশ প্রসারিত হচ্ছে। এদিকে, শ্রীলঙ্কার মতোই দেউলিয়া হওয়ার পথে পাক অর্থনীতি। পাকিস্তানকে বাদ দেওয়ার পর সে দেশের বিদেশ মন্ত্রকের পক্ষ থেকে বিবৃতি জারি করে বলা হয়, ব্রিকসের মঞ্চে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন বিষয়ক একটি উচ্চ পর্যায়ের কথোপকথন আমরা নজর করেছি। তাতে অনেক উন্নয়নশীল দেশ যোগ দিয়েছে। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, একটি দেশ পাকিস্তানকে ওই মঞ্চে যোগ দেওয়ার ব্যাপারে বাধা দিয়েছে। বিবৃতির লক্ষ্য যে ভারত, তা স্পষ্ট। এর জবাবে চিন সরকার যা বলেছে, তাতে আক্ষরিক অর্থেই হতাশ হওয়ার কথা পাকিস্তানের। চিনা বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র ঝাও লিঝিয়াং ভারতের পক্ষ নিয়ে সাফ জানিয়ে দেয়, এ ব্যাপারে যা সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে তা ব্রিকসভুক্ত রাষ্ট্রগুলির আলোচনার মাধ্যমে।

    চিনের এই বিবৃতিতে যথেষ্ট হতাশ পাক সরকার। ইমরান খানের বিদায়ের পর দেশের অর্থনীতির হাল ধরতে চূড়ান্তভাবে ব্যর্থ পাকিস্তানের নয়া সরকার। যার জেরে ক্রমেই পিছিয়ে যাচ্ছে চিন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডরের কাজ। দৃশ্যতই পাকিস্তানকে একটি বার্তা দেওয়ার প্রয়োজন ছিল শি জিন পিংয়ের দেশের তরফে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ভারতের পক্ষ নিয়ে সেই কাজটিই করে দেখাল ড্রাগনের দেশ।

     

LinkedIn
Share