Tag: brigade

brigade

  • PM Modi: “বাংলায় মহাজঙ্গলরাজ শেষ হবে”, ব্রিগেড থেকে বঙ্গবাসীকে কী কী গ্যারান্টি দিয়ে গেলেন মোদি?

    PM Modi: “বাংলায় মহাজঙ্গলরাজ শেষ হবে”, ব্রিগেড থেকে বঙ্গবাসীকে কী কী গ্যারান্টি দিয়ে গেলেন মোদি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আমার প্রিয় পশ্চিমবঙ্গবাসী ভাই ও বোনেরা আমার অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে সশ্রদ্ধ প্রণাম। বাংলার ঐতিহাসিক মাটি, এই ব্রিগেড প্যারেড (Brigade Rally) গ্রাউন্ড আর বাংলার মানুষের ঐতিহাসিক জমায়েত। যত দূর আমার চোখ যাচ্ছে, শুধুই লোক আর লোক দেখা যাচ্ছে। একটা অদ্ভুত দৃশ্য। আপনাদের এই উৎসাহ দেখেই বোঝা যাচ্ছে, বাংলার মানুষের মনে কী চলছে। যাঁরা দেখার, তাঁরা এই ছবিটা দেখুন।” শনিবার ব্রিগেডে নাগাড়ে কথাগুলি বলে গেলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)।

    ১৮ হাজার ৮৬০ কোটি টাকার প্রকল্প (PM Modi)

    প্রথমে ব্রিগেডের সরকারি মঞ্চ থেকে বাংলার জন্য ১৮ হাজার ৮৬০ কোটি টাকার প্রকল্পের শিলান্যাস ও উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। বাংলার জন্য একাধিক প্রকল্পের উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজ কলকাতার মাটি থেকে পশ্চিমবঙ্গ ও পূর্ব ভারতের বিকাশের নয়া অধ্যায় শুরু হচ্ছে। সড়ক, রেলওয়ে এবং বন্দর পরিকাঠামোর সঙ্গে যুক্ত ১৮ হাজার কোটি টাকারও বেশি প্রকল্পের শিলান্যাস ও উদ্বোধন হল। বাংলার উন্নয়নে নয়া দিশা দেখাবে এই প্রকল্পগুলি। লাখ লাখ মানুষের জীবন সহজ ও সুন্দর হবে। নয়া সুযোগ মিলবে। খড়্গপুর-মৌরিগ্রাম এক্সপ্রেসওয়ে সম্পূর্ণ হলে রাজ্যের অনেকাংশে আর্থিক উন্নতি হবে। দুবরাজপুর বাইপাস, কংসাবতী, শিলাবতী নদীর ওপর যে সেতু তৈরি হবে, তাতে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি হবে। পশ্চিমবঙ্গ-সহ পূর্ব ভারতের জনগণকে শুভেচ্ছা।” ৬টি অমৃত ভারত স্টেশনের উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজ কামাখ্যাগুড়ি, আনারা, তমলুক, হলদিয়া, বীরভূম এবং সিউড়ি- এই ছয় স্টেশন অমৃত স্টেশন করা হচ্ছে। হলদিয়া ডক ও কলকাতা ডকের সংস্কার করা হচ্ছে। খিদিরপুর ডকেও কার্গো হ্যান্ডেলিং বাড়ানোর ওপর নজর দেওয়া হচ্ছে। এই প্রকল্পগুলির ফলে পূর্ব ভারতে লজিস্টিক সিস্টেমের আরও উন্নতি হবে।”

    বাংলা থেকে মহাজঙ্গলরাজ শেষ হবে

    প্রশাসনিক সভা শেষে হয় রাজনৈতিক সভা। সেখানে ভাষণ দিতে গিয়ে রাজ্য সরকারকে নিশানা করেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “বাংলা থেকে নির্মম সরকারের বিদায় হবে। বাংলায় মহাজঙ্গলরাজ শেষ হবে। বাংলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আওয়াজ উঠছে, চাই বিজেপি সরকার, চাই বিজেপি সরকার।” তিনি বলেন, “আজ এই সভা আটকানোর জন্য নির্মম সরকার সব হাতিয়ার ব্যবহার করতে চেয়েছে। ব্রিজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, গাড়ির ওপর হামলা করা হয়েছে, ট্রাফিক জ্যাম করেছে, পোস্টার ছিঁড়ে দিয়েছে। এত কিছু করেও নির্মম সরকার জনপ্লাবণ আটকাতে পারেনি। বাংলায় মহাজঙ্গলরাজের পতনের কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গিয়েছে।”

    তৃণমূল সরকারের আমলে নিয়োগ দুর্নীতি হচ্ছে

    তিনি বলেন, “এক সময় বাংলা গোটা ভারতের বিকাশে সাহায্য করত। শিল্প-বাণিজ্যে সবার আগে ছিল বাংলা। কিন্তু এখন (PM Modi) বাংলার যুবরা ডিগ্রি নিতে পারছে না। রোজগার হচ্ছে না। চাকরি নেই। কাজের জন্য অন্য রাজ্যে পালাতে হচ্ছে। প্রথমে কংগ্রেস, পরে কমিউনিস্ট এবং এখন তৃণমূল – এরা বাংলায় এসেছে, শুধু পকেট ভরেছে। আর বাংলা ক্রমশ পিছিয়ে যাচ্ছে (Brigade Rally)। তৃণমূল সরকারের আমলে নিয়োগ দুর্নীতি হচ্ছে। খোলা বাজারে বিক্রি করা হচ্ছে চাকরি। এখন সময় এসেছে বদলানোর। যুবরা যাতে বাংলার উন্নতিতে নেতৃত্ব দেয়, এই স্বপ্ন আপনার। আর এই স্বপ্ন পূরণ করাই মোদির গ্যারেন্টি।” তিনি বলেন, “রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর থেকে শুরু করে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, রানি রাসমণিদের মতো মহান ব্যক্তিরা যে বাংলার পরিকল্পনা করেছিলেন, বিজেপি সেই বাংলাই নতুন করে নির্মাণ করবে। বাংলার উন্নতি সঠিক নীতিতে হবে। বাংলায় এখন আমাদের সরকার নেই। কিন্তু তাও কেন্দ্রীয় সরকারের সাহায্যে বিজেপি বাংলার উন্নতির চেষ্টা করে চলেছে।”

    বাংলার উন্নয়নে ব্রেক কষে রেখেছে সরকার

    রাজ্য সরকারকে নিশানা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “নির্মম সরকার বাংলার উন্নয়নে ব্রেক কষে রেখেছে। কেন্দ্রের সূর্যঘর প্রকল্প চালু করতে দিচ্ছে না। তৃণমূল চায় না, বাংলার মানুষের বিদ্যুৎ বিল শূন্য হোক। চা শ্রমিকরাও প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন না। আয়ুষ্মান প্রকল্পে ৫ লাখ করে টাকা পাচ্ছেন দেশের কোটি কোটি মানুষ। কিন্তু সেই প্রকল্প থেকে বাংলার মানুষকে বঞ্চিত করে রাখা হচ্ছে। তৃণমূল সরকারের পতন হলেই গরিবদের জন্য পাকা ঘর তৈরি শুরু হবে। এটা মোদির গ্যারান্টি। বাড়ি বাড়ি জল পৌঁছে যাবে, বিনামূল্যে দেওয়া হবে চিকিৎসা। বাংলায় সুশাসন আসবে।” রাজ্য সরকারকে আক্রমণ শানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “নির্মম সরকার ধর্ষকদের আশ্রয় দেয়। অপরাধীদের বাঁচানোর চেষ্টা করে। সন্দেশখালি, আরজিকরের ঘটনা ভোলেননি বাংলার মানুষ। অপরাধীদের আড়াল করা হচ্ছে।”

    অনুপ্রবেশকারীরা বাংলাকে লুটে নিচ্ছে

    অনুপ্রবেশ প্রসঙ্গ টেনে তিনি (PM Modi) বলেন, “অনুপ্রবেশকারীরা বাংলাকে লুটে নিচ্ছে। জনবিন্যাস বদলে দিয়েছে। আর বাঙালি হিন্দুদের সংখ্যালঘু করে দেওয়া হচ্ছে। ওরা হিন্দুদের নিজের ভোটব্যাঙ্ক মনে করে না। বাংলাকে এখন অসুরক্ষিত বানিয়ে ফেলেছে। কোটি কোটি বাঙালিকে শেষ করার চেষ্টা করছে।” রাষ্ট্রপতি ইস্যুতে তিনি বলেন, “আদিবাসী মহিলা রাষ্ট্রপতি জনজাতিদের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসেছিলেন (Brigade Rally)। কিন্তু অহঙ্কারে ডুবে থাকা সরকার রাষ্ট্রপতিকে অপমান পর্যন্ত করেছে। তৃণমূলের মনে রাখার দরকার ওরা শুধু রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে অপমান করেনি, ওরা দেশের সংবিধান, বাবা সাহেব আম্বেদকর, দেশের হাজার লাখ জনজাতি মানুষকে অপমান করেছে।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “একদিকে আমরা সবকা সাথ, সবকা বিকাশের মন্ত্র নিয়ে চলব। আর একদিকে সবকা হিসাব লিয়া যায়গা। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা হবে। অপরাধীদের জায়গা হবে জেলে (PM Modi)।”

     

  • PM Modi Brigade Rally: ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রীর জনসভার আগে রণক্ষেত্র গিরিশ পার্ক, তৃণমূলের ইট-বৃষ্টিতে জখম বিজেপি নেতা

    PM Modi Brigade Rally: ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রীর জনসভার আগে রণক্ষেত্র গিরিশ পার্ক, তৃণমূলের ইট-বৃষ্টিতে জখম বিজেপি নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবারের বারবেলায় ন্যাক্কারজনক ঘটনার সাক্ষী রইল পশ্চিমবঙ্গ। এদিনই দুপুরে ব্রিগেডে ছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) ঐতিহাসিক জনসভা। তার আগে তৃণমূল দেখিয়ে দিল ক্ষমতার লোভে তারা কতটা নীচে নামতে পারে (BJP TMC Clash)!

    গিরিশ পার্কে রক্তারক্তিকাণ্ড (PM Modi)

    দুয়ারে রাজ্য বিধানসভার নির্বাচন। সেই উপলক্ষে এদিন ছিল প্রধানমন্ত্রীর ব্রিগেড সমাবেশ। তার আগে আক্ষরিক অর্থেই রণক্ষেত্রের চেহারা নিল উত্তর কলকাতার গিরিশ পার্ক চত্বর। এদিন প্রধানমন্ত্রীর সভায় যাওয়ার পথে তৃণমূল কর্মীদের হাতে আক্রান্ত হন বিজেপি কর্মীরা। তাঁদের ওপর দফায় দফায় আক্রমণ চালানো হয়। ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে গোটা তল্লাট। দেদার ইটবৃষ্টির পাশাপাশি ভাঙচুর করা হয়েছে গাড়ি। ইটের ঘায়ে মাথা ফেটে রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তায় লুটিয়ে পড়ে থাকতে দেখা গিয়েছে কয়েকজন বিজেপি কর্মীকে। পরিস্থিতি সামাল দিতে কার্যত হিমশিম খেতে হয় পুলিশকে।

    মেরে মাথা ফাটানো হল বিজেপি কর্মীর

    জানা গিয়েছে, এদিন সকালে উত্তর কলকাতা থেকে বিজেপি কর্মীদের একটি মিছিল ব্রিগেডের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। এই সময় গিরিশ পার্ক মোড়ে উত্তেজনা ছড়ায়। অভিযোগ, বিজেপির মিছিল লক্ষ্য করে আচমকা ইটবৃষ্টি শুরু হয়। মুহূর্তের মধ্যে পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যায়। বিজেপি কর্মীদের দাবি, প্রধানমন্ত্রীর সভায় যোগ দিতে যাওয়ার পথে তাঁদের পরিকল্পিতভাবে বাধা দিয়েছে তৃণমূল। পদ্ম শিবিরের এক কর্মীর কথায়, “আমাদের শান্তিপূর্ণ মিছিল লক্ষ্য করে বাড়ির ছাদ ও রাস্তা থেকে ইট ছোড়া হয়। আমাদের কর্মীদের মারধর করা হয়। মেরে মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে।” রাস্তায় রক্তাক্ত এক বিজেপি কর্মীকে যন্ত্রণায় কাতরাতে দেখা যায়। মাথা ফেটে গিয়েছে উত্তর কলকাতা জেলা সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষেরও।

    থমথমে পরিস্থিতি

    গোটা রাস্তা ইট ও পাথরের টুকরোয় ভরে যায়। পুলিশের সামনেই দু’পক্ষ হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়লেও, প্রথমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি পুলিশ। পরে অবশ্য পরিস্থিতি চলে আসে নিয়ন্ত্রণে। ফের যাতে অশান্তির ঘটনা না ঘটে, তাই এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী ও র‍্যাফ (RAF)। বর্তমানে গিরিশ পার্ক চত্বরের পরিস্থিতি থমথমে (PM Modi)। শুধু গিরিশ পার্কই নয়, এদিন পশ্চিমবঙ্গের একাধিক জায়গায় দফায় দফায় বিজেপির বিভিন্ন গাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়। হামলা করা হয় কর্মীদের ওপর। পশ্চিম মেদিনীপুরের বেলদায়ও বিজেপির ভাড়া করা একটি বাসে ভাঙচুর চালানো হয় (BJP TMC Clash)।

    প্রধানমন্ত্রীর জনসভার আগে এই ধরনের ঘটনা কার্যত বিরল। এর আগে ব্রিগেডে একাধিকবার বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের জনসমাবেশ হলেও, কখনও শাসকদলের পক্ষ থেকে এই ধরনের ঘটনা ঘটানো হয়নি। রাজনৈতিক মহলের মতে, তৃণমূলের এই মরিয়া প্রচেষ্টায় স্পষ্ট, ক্ষমতা হারাতে চলেছে ঘাসফুল শিবির। তাই ক্ষমতা ধরে রাখতে মরিয়া হয়ে মরণ কামড় দিতে চাইছে তারা (PM Modi)।

     

  • Geeta Path Program: পাঁচ নয়, ব্রিগেডে গীতা পাঠ করলেন সাড়ে ৬ লাখেরও বেশি মানুষ

    Geeta Path Program: পাঁচ নয়, ব্রিগেডে গীতা পাঠ করলেন সাড়ে ৬ লাখেরও বেশি মানুষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বিঘ্নেই শেষ হল ব্রিগেডে (Brigade) পাঁচ লক্ষ কণ্ঠের গীতা পাঠের অনুষ্ঠান (Geeta Path Program)। মাঠময় গেরুয়া। দুর্ঘটনা এড়াতে মাঝপথেই ভাষণ শেষ করে দিতে বাধ্য হন বাগেশ্বর ধামের পীঠাধীশ্বর। রবিবারের এই কর্মসূচির আয়োজক ছিল সনাতন সংস্কৃতি সংসদ।

    ভোটব্যাঙ্ক বাঁচাতে অনুপস্থিত মমতা? (Geeta Path Program)

    উদ্যোক্তাদের তরফে প্রথম থেকেই স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছিল এই কর্মসূচিটি অরাজনৈতিক। সেই কারণেই আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল মুখ্যমন্ত্রীকেও। তবে বিধানসভা নির্বাচনের আগে গা বাঁচাতে প্রত্যাশিতভাবেই অনুপস্থিত রইলেন তিনি। অথচ এই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই দীঘায় ঘটা করে উদ্বোধন করেছিলেন জগন্নাথ ধামের। যে জগন্নাথ আদতে শ্রীকৃষ্ণই। তাঁরই মুখনিঃসৃত বাণী পাঠের দিনই স্রেফ ভোটের রাজনীতি করতে গিয়ে, বলা ভালো, নবান্নের চোদ্দতলার ঠান্ডা ঘরের চেয়ারটা যাতে হাতছাড়া না হয়, তাই এদিন আমন্ত্রণ পেয়েও ব্রিগেডে যাননি মুখ্যমন্ত্রী। অন্তত, বিরোধীদের দাবি তেমনই।

    কী বললেন রাজ্যপাল

    তবে মুখ্যমন্ত্রী অনুষ্ঠানে উপস্থিত না হলেও, গিয়েছিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। তাঁর বক্তৃতায় উঠে আসে মহাভারত এবং গীতার নানা অংশের উদ্ধৃতি। গীতার ‘পরিত্রাণায় সাধুনাং’ শ্লোকটি উদ্ধৃত করে তিনি দুষ্টের দমনের ডাক দেন। মহাভারতে শ্রীকৃষ্ণের অর্জুনকে কর্মে মনোযোগী হওয়ার পরামর্শের কথা মনে করিয়ে দিয়ে রাজ্যপাল বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গ কর্ম করার জন্য প্রস্তুত’। পরে বলেন, “পশ্চিমবঙ্গও ধর্মীয় ঔদ্ধত্যকে শেষ করার জন্য প্রস্তুত।” তিনি বলেন, “গীতা আধ্যাত্মিক, দার্শনিক ও সাংস্কৃতিক – সব ক্ষেত্রেই গভীর গুরুত্ব বহন করে।” গীতাকে তিনি ভগবানের সঙ্গীত বলেও উল্লেখ করেন। রাজ্যপাল বলেন, “এই ধর্মগ্রন্থ জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রবাহিত, নিঃস্বার্থ কর্ম ও উদ্দেশ্যপূর্ণ জীবনযাপনের জন্য পথনির্দেশ করে। গীতা আজও নাগরিকদের সমাজ ও জাতির প্রতি কর্তব্য পালন করতে প্রাণিত করে।”

    কারা ছিলেন অনুষ্ঠানে

    গীতাপাঠের এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার, রাজ্য বিধানসভার (Geeta Path Program) বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, রাজ্য বিজেপির দুই প্রাক্তন সভাপতি তথাগত রায়, রাহুল সিনহা, লকেট চট্টোপাধ্যায়, অগ্নিমিত্রা পাল প্রমুখ। উপস্থিত ছিলেন দিলীপ ঘোষও। গীতা পাঠের জন্য এদিন ব্রিগেডে তিনটি মঞ্চ তৈরি করা হয়েছিল (Brigade)। মূল মঞ্চের দুপাশে অপেক্ষাকৃত ছোট দুটি মঞ্চ ছিল। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এসেছিলেন সাধুসন্তরা। এসেছিলেন রাজ্যের বিভিন্ন ধর্মীয় সংগঠনের প্রতিনিধিরাও। কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছিলেন মতুয়াদের একাংশও।

    সাধ্বী ঋতম্ভরা

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দুর্গা বাহিনীর প্রতিষ্ঠাতা সাধ্বী ঋতম্ভরা। গীতা পাঠের অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পরে প্রথম ভাষণটি দেন তিনিই। বক্তা হিসেবে তাঁর নাম ঘোষণা হতেই বিশৃঙ্খলা শুরু হয়ে যায় মাঠে। মাঠের শেষের দিকে থাকা লোকজন মঞ্চের কাছে যাওয়ার চেষ্টা করতে থাকেন। এই হুড়োহুড়ি দেখে ভাষণ দীর্ঘায়িত করেননি বিশ্ব হিন্দু পরিষদের এই নেত্রী। হিন্দুরাষ্ট্রের নামে জয়ধ্বনি দিয়ে বক্তৃতা শুরু করেন তিনি। এও বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের মাটি জেগে ওঠো, পশ্চিমবঙ্গের হিন্দু জেগে ওঠো। দুষ্টের দমন করো।” পরে (Geeta Path Program) সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় বিধায়ক হুমায়ূন কবীরের বাবরি মসজিদের শিলান্যাস প্রসঙ্গে ঋতম্ভরা বলেন,  “এ দেশে বাবর বা বাবরির কোনও ভিত্তি নেই। ইট দিয়ে একটি কাঠামো তৈরি করা যায়, কিন্তু বাবরকে মানুষের হৃদয়ে ঠাঁই দেওয়া যায় না। এই দেশ রামের, চিরকাল রামেরই থাকবে। এখানে শুধু ভগওয়া রাজ করবে। এটাই চিরন্তন সত্য (Brigade)।”

    “ঐতিহাসিক দৃশ্য”

    ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ড, যা প্রায়ই বড় রাজনৈতিক সমাবেশের স্থান হিসেবে ব্যবহৃত হয়, এদিন সেটিই রূপান্তরিত হয়ে উঠেছিল সন্ন্যাসী ও হিন্দুদের একস্বর শ্লোকপাঠের মধ্যে গেরুয়া সমুদ্রে। বিজেপি নেতা অমিত মালব্য এই সমাবেশকে “ঐতিহাসিক দৃশ্য” বলে বর্ণনা করেছেন এবং জনতার উপস্থিতিকে “অসাধারণ” ও “খাঁটি ভক্তিতে পূর্ণ” বলে আখ্যা দেন (Geeta Path Program)। মালব্যের বক্তব্য যে নিছক কথার কথা নয়, তার প্রমাণ মিলল পুলিশেরই একটি সূত্রে। এদিনের অনুষ্ঠানের নাম ছিল পাঁচ লক্ষ কণ্ঠে গীতা পাঠ। যদিও সূত্রের খবর, লোক হয়েছিল সাড়ে ৬ লাখেরও বেশি। রবিবারের অনুষ্ঠান যে অরাজনৈতিক, তা আগেই জানিয়ে দিয়েছিলেন সনাতন সংস্কৃতি সংসদের সভাপতি কার্তিক মহারাজ। তিনি বলেছিলেন, “নির্বাচনের সঙ্গে এই অনুষ্ঠানের কোনও সম্পর্কই নেই। ভোট তো সারা বছরই চলছে। সারা ভারতে চলছে। শ্রীমদ্ভাগবদ গীতার সৃষ্টি হয়েছিল মোক্ষদা একাদশীতে। অগ্রহায়ণ মাসের শুক্লপক্ষের একাদশীই মোক্ষদা একাদশী। এই তিথিটা তো এই সময় আসবেই। তাই এর সঙ্গে ভোটের কোনও সম্পর্ক নেই। এই অনুষ্ঠানের কথা আমরা বিভিন্ন (Brigade) মসজিদেও জানিয়েছি। এটা আমাদের ধর্মের কাজ। কোনও রাজনৈতিক শক্তি প্রদর্শন নয়। কোনও সাধু-সন্ন্যাসীদের শক্তির প্রদর্শনও নয়। এটি একটি অরাজনৈতিক অনুষ্ঠান (Geeta Path Program)।”

  • Geetapath: লক্ষ লক্ষ কণ্ঠে গীতার বাণীতে মুখরিত ব্রিগেড, অনুষ্ঠানের ধারা বিবরণী

    Geetapath: লক্ষ লক্ষ কণ্ঠে গীতার বাণীতে মুখরিত ব্রিগেড, অনুষ্ঠানের ধারা বিবরণী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লাখ লাখ কণ্ঠে গীত হচ্ছে গীতা (Geetapath)। ব্রিগেডজুড়ে (Brigade) ভাবগম্ভীর পরিবেশ। ধূপের গন্ধে ম ম করছে গোটা চত্বর। সাধু-সন্তদের পাশাপাশি গীতা পাঠ করছে আমজনতাও। এই জনতার ভিড়ে যেমন ছিলেন হিন্দুরা, তেমনি সংখ্যায় কম হলেও, ছিলেন ভিন ধর্মের কিছু মানুষও। সবার সঙ্গেই গলা মেলালেন তাঁরাও। বস্তুত, রবিবার ভোর থেকেই জনতা ছিল ব্রিগেডমুখী। হাওড়া এবং শিয়ালদহ থেকে দলে দলে লোক যোগ দিতে যান গীতা পাঠের আসরে। ঘোড়ার গাড়িতে করে মঞ্চে এসেছেন বেশ কয়েকজন সাধু-সন্তও। ঘড়ির কাঁটায় যখন ঠিক ন’টা বাজে, তখনই এক সঙ্গে বেজে উঠল কয়েক হাজার শাঁখ। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে ভিড়ও।

    সনাতন সংস্কৃতি পর্ষদ (Geetapath)

    ব্রিগেডে এদিন পাঁচ লাখ কণ্ঠে গীতা পাঠের আয়োজন করেছে সনাতন সংস্কৃতি পর্ষদ। এদিন প্রথমে হয়েছে সমবেত কণ্ঠে বেদপাঠ। পরে হয় গীতা আরতি। এই আরতির সময় ঢাক, খোল এবং করতাল নিয়ে ভাবাবিষ্ট হয়ে নৃত্য করতে দেখা যায় জনতার একাংশকে। এই সময় উলুধ্বনিও দিতে থাকেন মহিলারা। অনুষ্ঠানে সভাপতি পদে বরণ করে নেওয়া হয় জ্ঞানানন্দজি মহারাজকে। ব্রিগেডের এই ভিড় সামাল দিতে বিভিন্ন রুটে ২০টি স্পেশাল ট্রেনের ব্যবস্থা করেছিল রেল। শিয়ালদহের পাশাপাশি হাওড়া শাখায়ও চলছে বিশেষ ট্রেন। ট্রেন এসেছে কৃষ্ণনগর, শান্তিপুর, বনগাঁ, হাসনাবাদ, লক্ষ্মীকান্তপুর, ডায়মন্ড হারবার এবং ক্যানিং থেকেও। ট্রেনগুলিতে কার্যত তিল ধারণের জায়গা ছিল না। প্রবীণ ব্যক্তিদের অনেকের মতে, দীর্ঘদিন পরে এমন জনসমাবেশ দেখল ব্রিগেড। এদিনের ভিড় ছাপিয়ে গিয়েছে অতীতের সব রেকর্ড।

    আয়োজনের পুরোধা

    এদিন এই আয়োজনের পুরোধা ছিলেন স্বামী প্রদীপ্তানন্দ মহারাজ, যাঁকে কার্তিক মহারাজ বলেই চেনেন সবাই। তাঁর সঙ্গে মঞ্চে ছিলেন নির্গুনানন্দ ব্রহ্মচারী, বন্ধুগৌরব দাস মহারাজেরাও (Geetapath)। বিভিন্ন রাজ্য থেকে আসা সাধু-সন্তরা ছিলেন মূল মঞ্চে। বাকি দুটি মঞ্চে ছিলেন এরাজ্যের সাধু-সন্ত এবং বিশিষ্টজনেরা। গীতা পাঠের (Brigade) অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আসা মানুষের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে কড়া নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয় গোটা এলাকা। মাঠজুড়ে নির্মাণ করা হয়েছে ২৫টি গেট। সব মিলিয়ে মঞ্চ বাঁধা হয়েছে তিনটি। মূল মঞ্চের পাশেই রয়েছে আরও দুটি মঞ্চ। মঞ্চের নীচে সোফায় বসার ব্যবস্থা ছিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যদের। ভিআইপিদের বসার জন্যও ছিল লাল রংয়ের চেয়ার। ব্রিগেডের শেষ প্রান্তের মানুষজনও যাতে অনুষ্ঠান চাক্ষুষ করতে পারেন, সেজন্য টাঙানো হয়েছিল বেশ কয়েকটি জায়ান্ট স্ক্রিন। ভিড়ের কারণে সেই স্ক্রিনেই মূল অনুষ্ঠান দেখতে বাধ্য হয়েছেন বহু মানুষ (Geetapath)।

    গীতা আরতি

    এদিন গীতা পাঠ করতে ব্রিগেডে আসা মানুষকে সাহায্য করতে দুটি শিবির করা হয়েছিল হাওড়া স্টেশনের বাইরে। এই শিবির তৈরি করেছিল পশ্চিমবঙ্গ সরকারি কর্মচারী পরিষদের তরফে। ভিড়ে চোটে যাঁরা বুঝতে পারছেন না, ঠিক কোন দিকে যাবেন অনুষ্ঠানে যোগ দিতে, তাঁরা নানা প্রশ্ন নিয়ে চলে গিয়েছেন ক্যাম্পে। তারপর কেউ ফেরি চড়ে, কেউবা বাসে চড়ে রওনা দেন গন্তব্যের দিকে। পায়ে হেঁটেও অনেকেই দেখা গেল ব্রিগেডের দিকে যেতে। এদিনের অনুষ্ঠানে অবশ্য গোটা গীতা পাঠ করা হয়নি। পাঠ করা হয়েছে কেবল প্রথম, নবম এবং অষ্টাদশ অধ্যায়। এর আগে মঞ্চে প্রতিষ্ঠা করা হয় গীতাকে। পরে হয় আরতি। তারও পরে শুরু হয় গীতা পাঠ। সব শেষে হয়েছে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের প্রবচন (Geetapath)। এদিনের এই (Brigade) অনুষ্ঠানে যোগ দিতে যেমন মানুষ এসেছেন তামাম ভারত থেকে, তেমনি লোকজন এসেছেন নেপাল এবং বাংলাদেশ থেকেও।

    এত বড় সমবেত কণ্ঠে গীতা পাঠ

    উদ্যোক্তাদের তরফে জানানো হয়েছে, এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও। তবে অসমর্থিত একটি সূত্রের খবর, অনুষ্ঠানে হাজির হননি মমতা। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, তৃণমূলের ভোটব্যাঙ্কে যাতে টোল না লাগে, তা-ই এদিনের অনুষ্ঠান সযত্নে এড়িয়ে গিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। সনাতন সংস্কৃতি পরিষদের দাবি, কলকাতা বা কেবল বাংলা নয়, ভারতের ইতিহাসেও এত বড় সমবেত কণ্ঠে গীতা পাঠ এই প্রথমবার (Geetapath)। গত বছরই প্রথমবারের জন্য লক্ষ কণ্ঠে গীতা পাঠের আয়োজন করা হয়েছিল এই ব্রিগেডেই। তবে সেবার মাঠ ভরেনি বলেই দাবি করেছিল রাজ্যের শাসক দল। এবার লক্ষ কণ্ঠ নয়, গীতা পাঠ করেছেন পাঁচ লাখেরও বেশি মানুষ। এই প্রথম ব্রিগেড (Brigade) প্রত্যক্ষ করল ভারতে রয়েছে বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যের ছবি।

  • Gita Path: গীতা পাঠের আসরে ভক্তের ভিড় সামলাতে ২০টি বিশেষ ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত রেলের

    Gita Path: গীতা পাঠের আসরে ভক্তের ভিড় সামলাতে ২০টি বিশেষ ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত রেলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই রবিবার, ৭ ডিসেম্বর। ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে হবে পাঁচ লক্ষ কণ্ঠে গীতা পাঠের (Gita Path) আসর। আয়োজক সনাতন সংস্কৃতি সংসদ। বছর দুয়েক আগেও লক্ষ কণ্ঠে গীতা পাঠের আয়োজন হয়েছিল অতিকায় এই মাঠেই (Railways)। এই কর্মসূচি উপলক্ষে বহু মানুষের সমাগম হতে পারে ব্রিগেডে। এই অনুষ্ঠানে কয়েক লাখ মানুষের সমাগম হতে পারে। কলকাতার ময়দানে গীতা পাঠের এই আসরে পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি অসম, ত্রিপুরা, দিল্লি, বিহার এবং ওড়িশা সহ বিভিন্ন রাজ্য থেকে বহু মানুষ যোগ দেবেন। নেপাল এবং বাংলাদেশ থেকেও বেশ কিছু বিশিষ্ট মানুষ এবং গীতাপ্রেমীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

    আয়োজকদের দাবি (Gita Path)

    আয়োজকদের দাবি, এটি নিছকই একটি ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও যোগ নেই। আয়োজকদের তরফে জানানো হয়েছে, সার্বিক ব্যবস্থাপনার জন্য ২৫টি প্রবেশ পথ তৈরি করা হয়েছে। পুরো মঞ্চ সাজানো হয়েছে অর্ধচন্দ্রাকৃতি আকারে। অংশগ্রহণকারীদের হাতে তুলে দেওয়া হবে পবিত্র গীতা। এই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে বেশ কয়েক লাখ মানুষ ব্রিগেডে ভিড় জমাবেন বলে আশা উদ্যোক্তাদের। স্বাভাবিকভাবেই রবিবার ছুটির দিনে ভিড় সামলাতে বিশেষ ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে পূর্ব রেল। জানা গিয়েছে, শিয়ালদা এবং হাওড়া শাখায় এদিন সব মিলিয়ে মোট ২০টি বিশেষ ট্রেন চালানো হবে। শিয়ালদা শাখার মধ্যে কৃষ্ণনগর, শান্তিপুর, বনগাঁ, হাসনাবাদ, লক্ষ্মীকান্তপুর, ডায়মন্ড হারবার এবং ক্যানিং থেকে চলবে বিশেষ ইএমইউ ট্রেন।

    বিশেষ ইএমইউ ট্রেন

    কৃষ্ণনগর–শিয়ালদা ইএমইউ স্পেশাল ট্রেনটি কৃষ্ণনগর থেকে সকাল ৫টা ৫০ মিনিটে ছেড়ে (Gita Path) শিয়ালদায় পৌঁছবে ৮টা ১০ মিনিটে। শিয়ালদা–কৃষ্ণনগর ইএমইউ স্পেশাল ট্রেনটি শিয়ালদা থেকে ছাড়বে বিকেল ৪টেয়, কৃষ্ণনগর পৌঁছবে ৬টা ২৭ মিনিটে।শান্তিপুর–শিয়ালদা ইএমইউ স্পেশাল ট্রেনটি শান্তিপুর থেকে ৫টা ১৫ মিনিটে ছেড়ে শিয়ালদায় পৌঁছবে ৭টা ২৫ মিনিটে। শিয়ালদা–শান্তিপুর ইএমইউ স্পেশাল ট্রেনটি শিয়ালদা থেকে বিকেল ৩টে ২০ মিনিটে ছেড়ে শান্তিপুরে পৌঁছবে ৫টা ৫০ মিনিটে। বনগাঁ–শিয়ালদা ইএমইউ স্পেশাল ট্রেনটি বনগাঁ থেকে সকাল ৬টায় ছেড়ে শিয়ালদায় পৌঁছবে ৮টায়। শিয়ালদা–বনগাঁ ইএমইউ স্পেশাল ট্রেনটি ফিরতি পথে শিয়ালদা ছাড়বে (Railways) বিকেল ৫টা ৫ মিনিটে। বনগাঁ পৌঁছবে ৭ টায়। হাসনাবাদ-শিয়ালদা ইএমইউ স্পেশাল ট্রেনটি হাসনাবাদ থেকে সকাল ৬ টায় ছেড়ে শিয়ালদা পৌঁছবে ৮টা ২৫ মিনিটে। শিয়ালদা-হাসনাবাদ ইএমইউ স্পেশাল ট্রেনটি শিয়ালদা থেকে সন্ধ্যা ৬টা ৩২ মিনিটে ছেড়ে হাসনাবাদ পৌঁছবে ৭টা ৪০ মিনিটে।

    স্পেশাল ট্রেন

    শিয়ালদা-লক্ষ্মীকান্তপুর ইএমইউ স্পেশাল ট্রেনটি শিয়ালদা থেকে বিকেল ৪টে ৫ মিনিটে ছেড়ে লক্ষ্মীকান্তপুরে পৌঁছবে ৫টা ৪০ মিনিটে। লক্ষ্মীকান্তপুর-বালিগঞ্জ ইএমইউ স্পেশাল ট্রেনটি লক্ষ্মীকান্তপুর থেকে সকাল ৬টা ১৫ মিনিটে ছেড়ে বালিগঞ্জে পৌঁছবে ৭টা ১৫ মিনিটে।  ডায়মন্ড হারবার-শিয়ালদা ইএমইউ স্পেশাল ট্রেনটি ডায়মন্ড হারবার ছাড়বে (Gita Path) সকাল ৭টা ৫ মিনিটে, শিয়ালদায় পৌঁছবে ৮টা ৪৫ মিনিটে। শিয়ালদা-ডায়মন্ড হারবার ইএমইউ স্পেশাল ট্রেনটি শিয়ালদা থেকে বিকেল ৪টে ১০ মিনিটে ছেড়ে ডায়মন্ড হারবারে পৌঁছবে ৫টা ৫৫ মিনিটে। ক্যানিং–শিয়ালদা ইএমইউ স্পেশাল ট্রেনটি ক্যানিং থেকে ৭টা ৫ মিনিটে ছেড়ে শিয়ালদায় পৌঁছবে ৮টা ২২ মিনিটে। শিয়ালদা–ক্যানিং ইএমইউ স্পেশাল ট্রেনটি শিয়ালদা থেকে বিকেল ৫টা ৩৫ মিনিটে ছেড়ে ক্যানিং পৌঁছবে ৬টা ৪৫ মিনিটে টায়।

    মেমু স্পেশাল

    রামপুরহাট–হাওড়া মেমু স্পেশাল ট্রেন ভায়া আহমেদপুর-কাটোয়া ট্রেনটি রামপুরহাট থেকে ভোর ৪টায় ছেড়ে হাওড়ায় পৌঁছবে ৯টা ৫০ মিনিটে। হাওড়া – রামপুরহাট মেমু স্পেশাল ভায়া আহমেদপুর-কাটোয়া হাওড়া থেকে বিকেল ৪টে ৪০ মিনিটে ছেড়ে রামপুরহাটে পৌঁছবে ১০টা ২০ মিনিটে। বর্ধমান–হাওড়া ইএমইউ স্পেশাল ট্রেন ভায়া ডানকুনি বর্ধমান থেকে সকাল ৬টা ৩০ মিনিটে ছেড়ে হাওড়ায় ৮টা ৪০ মিনিটে পৌঁছবে। হাওড়া–বর্ধমান ইএমইউ স্পেশাল ট্রেন ভায়া ডানকুনি হাওড়া থেকে সকাল ৬ টায় ছেড়ে (Gita Path) ৮টা ১০ মিনিটে বর্ধমানে পৌঁছবে।
    আরামবাগ-হাওড়া ইএমইউ স্পেশাল ট্রেনটি ভায়া শেওড়াফুলি আরামবাগ থেকে সকাল ৬টা ২৭ মিনিটে ছেড়ে হাওড়ায় পৌঁছবে ৮টা ৫০ মিনিটে (Railways)। হাওড়া-আরামবাগ ইএমইউ স্পেশাল ভায়া শেওড়াফুলি হাওড়া থেকে বিকেল ৪টে ২০ মিনিটে ছেড়ে আরামবাগে পৌঁছবে ৬টা ৩৫ মিনিটে।

  • PM Modi: ব্রিগেডে লক্ষ কণ্ঠে গীতা পাঠের অনুষ্ঠানে আসতে পারছেন না প্রধানমন্ত্রী!

    PM Modi: ব্রিগেডে লক্ষ কণ্ঠে গীতা পাঠের অনুষ্ঠানে আসতে পারছেন না প্রধানমন্ত্রী!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার ব্রিগেডে হবে ‘লক্ষ কণ্ঠে গীতা পাঠে’র অনুষ্ঠান। এই অনুষ্ঠানের প্রধান আকর্ষণই ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। সেই তিনিই থাকছেন না অনুষ্ঠানে। উদ্যোক্তারা প্রধানমন্ত্রীর ছবি দিয়ে প্রচার করছিলেন। তবে বিশেষ কারণবশত: তিনি আসছেন না বলেই খবর প্রধানমন্ত্রীর দফতর সূত্রে। ব্রিগেডের এই অনুষ্ঠানের আয়োজক অখিল ভারতীয় সংস্কৃত পরিষদ। পরিষদের কর্তারা জানাচ্ছেন, এ বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানেন না তাঁরা। তবে বাকি কর্মসূচি হবে, পূর্বনির্ধারিত সূচি মেনেই।

    কী বললেন সুকান্ত?

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর সফর বাতিল হতে পারে বলে আমিও শুনেছি।” আয়োজক সংগঠনের সহ সভাপতি নির্গুণানন্দ ব্রহ্মচারী বলেন, “আমাদের কাছে এখনও এ রকম কোনও খবর নেই। প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) দফতর থেকে কোনও কিছু জানানো হয়নি। তবে আমাদের যেমন কর্মসূচি রয়েছে, তেমনই হবে। লক্ষ মানুষের সমাগমেই হবে গীতাপাঠ। নজরুলগীতি থেকে শঙ্খবাদন কোনও কিছুই বাদ যাবে না।”

    কী বললেন শুভেন্দু? 

    লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠের অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা ছিল রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর। রাজ্য সরকারের তরফে পর্যাপ্ত নিরাপত্তার করা যাবে না জানার পরে বাতিল হয়েছে রাষ্ট্রপতির সফর। এবার বাতিল হয়ে গেল অনুষ্ঠানের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ প্রধানমন্ত্রীর সফরও। গীতাপাঠের অনুষ্ঠান প্রসঙ্গে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “গীতাপাঠের অনুষ্ঠান হবে। গত বছর মায়াপুরে পাঁচ হাজার সনাতনী গীতা পাঠ করে ঘোষণা করেছিলেন, তাঁরা আগামী ২৩ ডিসেম্বর গীতা জয়ন্তী পালন করবেন। ২৩ তারিখ শনিবার হওয়ার কারণে ওই কর্মসূচি পালন করা হবে ২৪ ডিসেম্বর।”

    আরও পড়ুন: সাত সকালে বিধায়ক বাইরনের বাড়িতে আয়কর হানা, কেন জানেন?

    তিনি বলেন, “এই কর্মসূচি সাধু-সন্তদের। আমরা দলের লোকেরা শুধু স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করব। মঞ্চে সাধু-সন্ত ছাড়া আর কাউকে দেখা যাবে না। পশ্চিমবঙ্গের প্রথম সারির প্রায় সাড়ে তিন হাজার মঠ ও আশ্রমের সাধু-সন্ন্যাসী ওই দিন উপস্থিত থাকবেন।” প্রধানমন্ত্রীর অনুপস্থিতির প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, “প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি অনেককেই এই কর্মসূচিতে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তাঁরা আসার ইচ্ছেও প্রকাশ করেছিলেন। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর অত্যন্ত জরুরি একটি কাজ রয়েছে বলে তিনি আসতে পারবেন না। তাঁর দফতর থেকে সাধু সমাজকে তিনি যে আসতে পারবেন না, তা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমরা তাঁদের কাছ থেকেই জানতে পেরেছি।” প্রসঙ্গত, ব্রিগেডে ঘণ্টা তিনেকের ওই অনুষ্ঠানে গীতার বাছাই করা পাঁচটি অধ্যায় পাঠ করবেন লক্ষ মানুষ। এই অনুষ্ঠানেই যোগ দেওয়ার কথা ছিল রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

LinkedIn
Share