Tag: brigade rally

brigade rally

  • PM Modi: শ্যামাপ্রসাদের সহযোগী মাখনলাল সরকারকে প্রণাম প্রধানমন্ত্রীর, জানুন তাঁর অবদানের কথা

    PM Modi: শ্যামাপ্রসাদের সহযোগী মাখনলাল সরকারকে প্রণাম প্রধানমন্ত্রীর, জানুন তাঁর অবদানের কথা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বন্দে মাতরমের ১৫০ বছরে পূরণ হল শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের স্বপ্ন! পশ্চিমবঙ্গের কুর্সিতে বসল বিজেপি। আজ, শনিবার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হল ব্রিগেডে। মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ছিলেন আরও অনেকে। এই ভিড়েই ছিলেন শ্যামাপ্রসাদের সহযোগী মাখনলাল সরকারও। তাঁকে শ্রদ্ধা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। করলেন প্রণামও। নবতিপর মাখনলালের চোখেমুখে তখন স্পষ্ট আত্মতুষ্টির ছাপ (BJP History)।

    শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় (PM Modi)

    ভারতীয় জনসঙ্ঘের প্রতিষ্ঠাতা শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। পরে এই সংগঠনই বিজেপি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। এই শ্যামাপ্রসাদের অন্যতম ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন মাখনলাল। ১৯৫২ সালে যখন শ্যামাপ্রসাদ কাশ্মীরে ভারতীয় ত্রিবর্ণ রঞ্জিত পতাকা উত্তোলনের আন্দোলন করছিলেন, তখনও তাঁর সঙ্গে ছিলেন মাখনলাল। তার  জেরে গ্রেফতার হন তিনি। দেশাত্মবোধক গান গাওয়ায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। সেই সময় দেশে রাজ করছে কংগ্রেস। আদালতে তোলা হয় মাখনলালকে। বিচারপতি তাঁকে ক্ষমা চাইতে বলেন।

    মাখনলালের সাফ কথা 

    মাখনলাল সাফ জানিয়ে দেন, “ক্ষমা চাইব না, কারণ কোনও অপরাধ করিনি (PM Modi)।” বিচারপতি তাঁকে সেই গানটি গাইতে বলেন। মাখনলাল গানটি গেয়ে শোনান বিচারপতিকে। তারপরেই পুলিশকে বিচারপতির নির্দেশ, এঁকে ফার্স্ট ক্লাসের টিকিট কেটে দিন, সঙ্গে দিন ১০০ টাকাও। বঙ্গ বিজেপির সবচেয়ে প্রবীণ কর্মীদের মধ্যে অন্যতম মাখনলাল। এই প্রথম বঙ্গে প্রতিষ্ঠিত হল বিজেপি শাসন। সেখানেই তাঁকে বিশেষভাবে সম্মানিত করেন প্রধানমন্ত্রী।

    শ্যামাপ্রসাদের শেষ সময়ের সঙ্গী মাখনলাল

    মাখনলাল বিজেপি-অনুগত প্রাণ। শ্যামাপ্রসাদের জীবনের শেষের দিনগুলিতেও তাঁর সঙ্গে ছিলেন মাখনলাল। কাশ্মীরে রহস্যজনকভাবে মৃত্যু হয় শ্যামাপ্রসাদের। তাঁর শেষ সময়েও সঙ্গী ছিলেন এই মাখনলাল। ২০২৫ সালের জুলাই মাসে বিজেপির তৎকালীন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার মাখনলালের শিলিগুড়ির বাসভবনে গিয়ে সাক্ষাৎ করেছিলেন। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে (BJP History) এ পর্যন্ত কীভাবে বিজেপিতে অবদান রেখেছেন মাখনলাল, এদিনের অনুষ্ঠানে তা স্মরণ করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (PM Modi)।

     

  • Brigade Rally: ‘জাতে’ তুলে দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী, শনিবারের ব্রিগেডে দেদার বিকোল ঝালমুড়ি, দোসর কমলাভোগ

    Brigade Rally: ‘জাতে’ তুলে দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী, শনিবারের ব্রিগেডে দেদার বিকোল ঝালমুড়ি, দোসর কমলাভোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বঙ্গের গ্রামাঞ্চলে ঝালমুড়িই রোজকার ব্রেকফাস্ট। প্রচারে বেরিয়ে ঝাড়গ্রামে সেই ঝালমুড়ি খেয়েই বাঙালির এই অতি পরিচিত খাবারটিকে ‘জাতে’ তুলে (Brigade Rally) দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আজ, শনিবার ব্রিগেডে শপথ নিল বিজেপি সরকার (Jhalmuri)। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী পদে বসলেন শুভেন্দু অধিকারী। এদিনের ব্রিগেডে চাঁদের হাটে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বয়ং। সেখানেও হটকেকের মতো বিকোল ঝালমুড়ি।

    হাতে হাতে ঘুরছে ঝালমুড়ির ঠোঙা (Brigade Rally)

    ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে তৈরি হয়েছে শপথ গ্রহণ মঞ্চ। সেখানে ঢোকার মুখে মানুষের হাতে হাতে ঘুরছে ঝালমুড়ির ঠোঙা। ঝালমুড়ি খেয়ে রীতিমতো সেলিব্রেশন মুডে পদ্ম কর্মী-সমর্থকরা। এক বিজেপি সমর্থক বলেন, “প্রচারে এসে প্রধানমন্ত্রী ঝালমুড়ি খেয়েছিলেন। এবার আমরাও খাচ্ছি।” তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছিলেন আরও একজন (Brigade Rally)। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তৃণমূলের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে কটাক্ষের সুরে তিনি বলেন, “ঝালমুড়ি খেয়ে খুব আনন্দ পাচ্ছি। ঝালে দিদি জ্বলুক। আমরা দিদির উদ্দেশ্যেও ঝালমুড়ি পাঠাতে চাই।” ঝালমুড়ির পাশাপাশি দেদার বিকোচ্ছে সীতাভোগ, মিহিদানাও। সব স্টলেই ভিড়। এসব খেতে খেতেই মাঝে মধ্যে ব্রিগেড কেঁপে উঠছে জয় শ্রীরাম ধ্বনিতে।

    কমলা মিষ্টিতে রঙিন ব্রিগেড

    এদিন ব্রিগেডে সব মিলিয়ে কেবল ঝালমুড়ির স্টলই ছিল ২০টি। মাঠেও লাগাতার ঝালমুড়ি বিক্রি করে চলেছেন ভ্রাম্যমান বিক্রেতারা। ঝালমুড়ির পাশাপাশি স্টল ছিল কমলা রংয়ের বিভিন্ন মিষ্টিরও। ট্রে-তে থরে থরে সাজানো কমলা রসগোল্লা, কমলাভোগ, লাড্ডু, পদ্মছাপ সাদা সন্দেশ, শঙ্খ মিষ্টি ইত্যাদি। এদিন রবীন্দ্রজয়ন্তী। তাই সকাল থেকেই ময়দানে বেজেছে রবীন্দ্রসঙ্গীত। তারই পাশাপাশি দর্শকদের মুখে শোনা গিয়েছে জয় শ্রীরাম ধ্বনিও (Jhalmuri)। প্রসঙ্গত, এটি পশ্চিমবঙ্গের অষ্টদশ বিধানসভা। বাংলার নবম মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী। বিজেপির পরিষদীয় দলনেতাও শুভেন্দুই। তাঁরই কাঁধে তুলে দেওয়া হল বাংলার শাসন ভার। এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, ২৩টি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী-সহ বিজেপির তাবড় নেতা-নেত্রীরা (Brigade Rally)।

     

  • PM Modi: “বাংলায় মহাজঙ্গলরাজ শেষ হবে”, ব্রিগেড থেকে বঙ্গবাসীকে কী কী গ্যারান্টি দিয়ে গেলেন মোদি?

    PM Modi: “বাংলায় মহাজঙ্গলরাজ শেষ হবে”, ব্রিগেড থেকে বঙ্গবাসীকে কী কী গ্যারান্টি দিয়ে গেলেন মোদি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আমার প্রিয় পশ্চিমবঙ্গবাসী ভাই ও বোনেরা আমার অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে সশ্রদ্ধ প্রণাম। বাংলার ঐতিহাসিক মাটি, এই ব্রিগেড প্যারেড (Brigade Rally) গ্রাউন্ড আর বাংলার মানুষের ঐতিহাসিক জমায়েত। যত দূর আমার চোখ যাচ্ছে, শুধুই লোক আর লোক দেখা যাচ্ছে। একটা অদ্ভুত দৃশ্য। আপনাদের এই উৎসাহ দেখেই বোঝা যাচ্ছে, বাংলার মানুষের মনে কী চলছে। যাঁরা দেখার, তাঁরা এই ছবিটা দেখুন।” শনিবার ব্রিগেডে নাগাড়ে কথাগুলি বলে গেলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)।

    ১৮ হাজার ৮৬০ কোটি টাকার প্রকল্প (PM Modi)

    প্রথমে ব্রিগেডের সরকারি মঞ্চ থেকে বাংলার জন্য ১৮ হাজার ৮৬০ কোটি টাকার প্রকল্পের শিলান্যাস ও উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। বাংলার জন্য একাধিক প্রকল্পের উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজ কলকাতার মাটি থেকে পশ্চিমবঙ্গ ও পূর্ব ভারতের বিকাশের নয়া অধ্যায় শুরু হচ্ছে। সড়ক, রেলওয়ে এবং বন্দর পরিকাঠামোর সঙ্গে যুক্ত ১৮ হাজার কোটি টাকারও বেশি প্রকল্পের শিলান্যাস ও উদ্বোধন হল। বাংলার উন্নয়নে নয়া দিশা দেখাবে এই প্রকল্পগুলি। লাখ লাখ মানুষের জীবন সহজ ও সুন্দর হবে। নয়া সুযোগ মিলবে। খড়্গপুর-মৌরিগ্রাম এক্সপ্রেসওয়ে সম্পূর্ণ হলে রাজ্যের অনেকাংশে আর্থিক উন্নতি হবে। দুবরাজপুর বাইপাস, কংসাবতী, শিলাবতী নদীর ওপর যে সেতু তৈরি হবে, তাতে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি হবে। পশ্চিমবঙ্গ-সহ পূর্ব ভারতের জনগণকে শুভেচ্ছা।” ৬টি অমৃত ভারত স্টেশনের উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজ কামাখ্যাগুড়ি, আনারা, তমলুক, হলদিয়া, বীরভূম এবং সিউড়ি- এই ছয় স্টেশন অমৃত স্টেশন করা হচ্ছে। হলদিয়া ডক ও কলকাতা ডকের সংস্কার করা হচ্ছে। খিদিরপুর ডকেও কার্গো হ্যান্ডেলিং বাড়ানোর ওপর নজর দেওয়া হচ্ছে। এই প্রকল্পগুলির ফলে পূর্ব ভারতে লজিস্টিক সিস্টেমের আরও উন্নতি হবে।”

    বাংলা থেকে মহাজঙ্গলরাজ শেষ হবে

    প্রশাসনিক সভা শেষে হয় রাজনৈতিক সভা। সেখানে ভাষণ দিতে গিয়ে রাজ্য সরকারকে নিশানা করেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “বাংলা থেকে নির্মম সরকারের বিদায় হবে। বাংলায় মহাজঙ্গলরাজ শেষ হবে। বাংলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আওয়াজ উঠছে, চাই বিজেপি সরকার, চাই বিজেপি সরকার।” তিনি বলেন, “আজ এই সভা আটকানোর জন্য নির্মম সরকার সব হাতিয়ার ব্যবহার করতে চেয়েছে। ব্রিজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, গাড়ির ওপর হামলা করা হয়েছে, ট্রাফিক জ্যাম করেছে, পোস্টার ছিঁড়ে দিয়েছে। এত কিছু করেও নির্মম সরকার জনপ্লাবণ আটকাতে পারেনি। বাংলায় মহাজঙ্গলরাজের পতনের কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গিয়েছে।”

    তৃণমূল সরকারের আমলে নিয়োগ দুর্নীতি হচ্ছে

    তিনি বলেন, “এক সময় বাংলা গোটা ভারতের বিকাশে সাহায্য করত। শিল্প-বাণিজ্যে সবার আগে ছিল বাংলা। কিন্তু এখন (PM Modi) বাংলার যুবরা ডিগ্রি নিতে পারছে না। রোজগার হচ্ছে না। চাকরি নেই। কাজের জন্য অন্য রাজ্যে পালাতে হচ্ছে। প্রথমে কংগ্রেস, পরে কমিউনিস্ট এবং এখন তৃণমূল – এরা বাংলায় এসেছে, শুধু পকেট ভরেছে। আর বাংলা ক্রমশ পিছিয়ে যাচ্ছে (Brigade Rally)। তৃণমূল সরকারের আমলে নিয়োগ দুর্নীতি হচ্ছে। খোলা বাজারে বিক্রি করা হচ্ছে চাকরি। এখন সময় এসেছে বদলানোর। যুবরা যাতে বাংলার উন্নতিতে নেতৃত্ব দেয়, এই স্বপ্ন আপনার। আর এই স্বপ্ন পূরণ করাই মোদির গ্যারেন্টি।” তিনি বলেন, “রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর থেকে শুরু করে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, রানি রাসমণিদের মতো মহান ব্যক্তিরা যে বাংলার পরিকল্পনা করেছিলেন, বিজেপি সেই বাংলাই নতুন করে নির্মাণ করবে। বাংলার উন্নতি সঠিক নীতিতে হবে। বাংলায় এখন আমাদের সরকার নেই। কিন্তু তাও কেন্দ্রীয় সরকারের সাহায্যে বিজেপি বাংলার উন্নতির চেষ্টা করে চলেছে।”

    বাংলার উন্নয়নে ব্রেক কষে রেখেছে সরকার

    রাজ্য সরকারকে নিশানা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “নির্মম সরকার বাংলার উন্নয়নে ব্রেক কষে রেখেছে। কেন্দ্রের সূর্যঘর প্রকল্প চালু করতে দিচ্ছে না। তৃণমূল চায় না, বাংলার মানুষের বিদ্যুৎ বিল শূন্য হোক। চা শ্রমিকরাও প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন না। আয়ুষ্মান প্রকল্পে ৫ লাখ করে টাকা পাচ্ছেন দেশের কোটি কোটি মানুষ। কিন্তু সেই প্রকল্প থেকে বাংলার মানুষকে বঞ্চিত করে রাখা হচ্ছে। তৃণমূল সরকারের পতন হলেই গরিবদের জন্য পাকা ঘর তৈরি শুরু হবে। এটা মোদির গ্যারান্টি। বাড়ি বাড়ি জল পৌঁছে যাবে, বিনামূল্যে দেওয়া হবে চিকিৎসা। বাংলায় সুশাসন আসবে।” রাজ্য সরকারকে আক্রমণ শানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “নির্মম সরকার ধর্ষকদের আশ্রয় দেয়। অপরাধীদের বাঁচানোর চেষ্টা করে। সন্দেশখালি, আরজিকরের ঘটনা ভোলেননি বাংলার মানুষ। অপরাধীদের আড়াল করা হচ্ছে।”

    অনুপ্রবেশকারীরা বাংলাকে লুটে নিচ্ছে

    অনুপ্রবেশ প্রসঙ্গ টেনে তিনি (PM Modi) বলেন, “অনুপ্রবেশকারীরা বাংলাকে লুটে নিচ্ছে। জনবিন্যাস বদলে দিয়েছে। আর বাঙালি হিন্দুদের সংখ্যালঘু করে দেওয়া হচ্ছে। ওরা হিন্দুদের নিজের ভোটব্যাঙ্ক মনে করে না। বাংলাকে এখন অসুরক্ষিত বানিয়ে ফেলেছে। কোটি কোটি বাঙালিকে শেষ করার চেষ্টা করছে।” রাষ্ট্রপতি ইস্যুতে তিনি বলেন, “আদিবাসী মহিলা রাষ্ট্রপতি জনজাতিদের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসেছিলেন (Brigade Rally)। কিন্তু অহঙ্কারে ডুবে থাকা সরকার রাষ্ট্রপতিকে অপমান পর্যন্ত করেছে। তৃণমূলের মনে রাখার দরকার ওরা শুধু রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে অপমান করেনি, ওরা দেশের সংবিধান, বাবা সাহেব আম্বেদকর, দেশের হাজার লাখ জনজাতি মানুষকে অপমান করেছে।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “একদিকে আমরা সবকা সাথ, সবকা বিকাশের মন্ত্র নিয়ে চলব। আর একদিকে সবকা হিসাব লিয়া যায়গা। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা হবে। অপরাধীদের জায়গা হবে জেলে (PM Modi)।”

     

  • PM Modi Brigade Rally: ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রীর জনসভার আগে রণক্ষেত্র গিরিশ পার্ক, তৃণমূলের ইট-বৃষ্টিতে জখম বিজেপি নেতা

    PM Modi Brigade Rally: ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রীর জনসভার আগে রণক্ষেত্র গিরিশ পার্ক, তৃণমূলের ইট-বৃষ্টিতে জখম বিজেপি নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবারের বারবেলায় ন্যাক্কারজনক ঘটনার সাক্ষী রইল পশ্চিমবঙ্গ। এদিনই দুপুরে ব্রিগেডে ছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) ঐতিহাসিক জনসভা। তার আগে তৃণমূল দেখিয়ে দিল ক্ষমতার লোভে তারা কতটা নীচে নামতে পারে (BJP TMC Clash)!

    গিরিশ পার্কে রক্তারক্তিকাণ্ড (PM Modi)

    দুয়ারে রাজ্য বিধানসভার নির্বাচন। সেই উপলক্ষে এদিন ছিল প্রধানমন্ত্রীর ব্রিগেড সমাবেশ। তার আগে আক্ষরিক অর্থেই রণক্ষেত্রের চেহারা নিল উত্তর কলকাতার গিরিশ পার্ক চত্বর। এদিন প্রধানমন্ত্রীর সভায় যাওয়ার পথে তৃণমূল কর্মীদের হাতে আক্রান্ত হন বিজেপি কর্মীরা। তাঁদের ওপর দফায় দফায় আক্রমণ চালানো হয়। ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে গোটা তল্লাট। দেদার ইটবৃষ্টির পাশাপাশি ভাঙচুর করা হয়েছে গাড়ি। ইটের ঘায়ে মাথা ফেটে রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তায় লুটিয়ে পড়ে থাকতে দেখা গিয়েছে কয়েকজন বিজেপি কর্মীকে। পরিস্থিতি সামাল দিতে কার্যত হিমশিম খেতে হয় পুলিশকে।

    মেরে মাথা ফাটানো হল বিজেপি কর্মীর

    জানা গিয়েছে, এদিন সকালে উত্তর কলকাতা থেকে বিজেপি কর্মীদের একটি মিছিল ব্রিগেডের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। এই সময় গিরিশ পার্ক মোড়ে উত্তেজনা ছড়ায়। অভিযোগ, বিজেপির মিছিল লক্ষ্য করে আচমকা ইটবৃষ্টি শুরু হয়। মুহূর্তের মধ্যে পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যায়। বিজেপি কর্মীদের দাবি, প্রধানমন্ত্রীর সভায় যোগ দিতে যাওয়ার পথে তাঁদের পরিকল্পিতভাবে বাধা দিয়েছে তৃণমূল। পদ্ম শিবিরের এক কর্মীর কথায়, “আমাদের শান্তিপূর্ণ মিছিল লক্ষ্য করে বাড়ির ছাদ ও রাস্তা থেকে ইট ছোড়া হয়। আমাদের কর্মীদের মারধর করা হয়। মেরে মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে।” রাস্তায় রক্তাক্ত এক বিজেপি কর্মীকে যন্ত্রণায় কাতরাতে দেখা যায়। মাথা ফেটে গিয়েছে উত্তর কলকাতা জেলা সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষেরও।

    থমথমে পরিস্থিতি

    গোটা রাস্তা ইট ও পাথরের টুকরোয় ভরে যায়। পুলিশের সামনেই দু’পক্ষ হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়লেও, প্রথমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি পুলিশ। পরে অবশ্য পরিস্থিতি চলে আসে নিয়ন্ত্রণে। ফের যাতে অশান্তির ঘটনা না ঘটে, তাই এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী ও র‍্যাফ (RAF)। বর্তমানে গিরিশ পার্ক চত্বরের পরিস্থিতি থমথমে (PM Modi)। শুধু গিরিশ পার্কই নয়, এদিন পশ্চিমবঙ্গের একাধিক জায়গায় দফায় দফায় বিজেপির বিভিন্ন গাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়। হামলা করা হয় কর্মীদের ওপর। পশ্চিম মেদিনীপুরের বেলদায়ও বিজেপির ভাড়া করা একটি বাসে ভাঙচুর চালানো হয় (BJP TMC Clash)।

    প্রধানমন্ত্রীর জনসভার আগে এই ধরনের ঘটনা কার্যত বিরল। এর আগে ব্রিগেডে একাধিকবার বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের জনসমাবেশ হলেও, কখনও শাসকদলের পক্ষ থেকে এই ধরনের ঘটনা ঘটানো হয়নি। রাজনৈতিক মহলের মতে, তৃণমূলের এই মরিয়া প্রচেষ্টায় স্পষ্ট, ক্ষমতা হারাতে চলেছে ঘাসফুল শিবির। তাই ক্ষমতা ধরে রাখতে মরিয়া হয়ে মরণ কামড় দিতে চাইছে তারা (PM Modi)।

     

  • Suvendu Adhikari: ১০ মার্চ তৃণমূলের ব্রিগেড সমাবেশের দিনেই সন্দেশখালিতে শুভেন্দুর সভা

    Suvendu Adhikari: ১০ মার্চ তৃণমূলের ব্রিগেড সমাবেশের দিনেই সন্দেশখালিতে শুভেন্দুর সভা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেখ শাহজাহান গ্রেপ্তার হওয়ার খুশিতে সন্দেশখালির সরবেড়িয়া বাজার, শেখ শাহজাহান মার্কেটসহ একাধিক জায়গায় মিষ্টি বিতরণ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। আগামী ১০ মার্চ তৃণমূলের ব্রিগেড সমাবেশের দিনেই সন্দেশখালিতে বিশেষ সভা করবেন তিনি। সেই সঙ্গে বলেন, “পুলিশ যদি সভার অনুমতি না দেয় তাহলে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হব।” রেশন দুর্নীতি, জোর করে জমি দখল এবং হিন্দু মহিলাদের বাড়ি থেকে পার্টি অফিসে তুলে নিয়ে গিয়ে যৌননির্যাতনের অভিযোগে অভিযুক্ত শেখ শাহজাহানের পুলিশি গ্রেফতারে  তীব্র শোরগোল পড়েছে রাজ্য রাজনীতিতে।

    হাইকোর্টের অনুমতিতে ফের সন্দেশখালিতে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)

    আগামী ১০ মার্চ সন্দেশখালি-মিনাখাঁ বিধানসভায় দুটি জায়গায়কে ঠিক করেছে নিজেপি। সকাল ১০টায় এই সভা হবে বলে জানানো হয়েছে। আজ কলকাতা হাইকোর্টের অনুমতি নিয়ে বৃহস্পতিবার সন্দেশখালির জেলিয়াখালিতে গিয়েছেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। রাস্তায় রামপুর ফেরিঘাট থেকে লঞ্চে করে সন্দেশখালি বাজারে পৌঁছান তিনি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ এবং অর্চনা মজুমদার। তিনি পৌঁছে হালদার পাড়া সহ একাধিক জায়গায় পরিদর্শন করে মানুষের অভাব, অভিযোগের কথা শুনেছেন। সেই সঙ্গে এলাকার মানুষ শঙ্খ, উলু ধ্বনি, এবং পুষ্প বর্ষণ করে গ্রামের মহিলারা বরণ করে নেন। বেশ কিছু জায়গায় পায়ে হেঁটে আবার টোটোতে চেপে ঘুরে দেখেন তিনি। এর মধ্যেই সাংবাদিকদের সঙ্গে নানা বিষয়ে কথা বলেন।

    কী বললেন শুভেন্দু?

    আজ বৃহস্পতিবার সন্দেশখালিতে গিয়ে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “একজন বলেছিলেন সন্দেশখালিতে এলে আমার ছাল আর চামড়া ছাড়িয়ে নেবেন। তাই আজ এসে মিষ্টি খেয়ে গেলাম। জনপ্রতিনিধি হিসাবে আমি বাড়িতে বসে থাকতে পারিনা। মানুষ নিজের উপর তৃণমূলের অত্যাচারের বিরুদ্ধে ন্যায় বিচার চাইছে। তাই মানুষের দাবিকে সমানে রেখে আমাদের আন্দোলন চলবে। মানুষ অত্যন্ত দুশ্চিন্তার মধ্যে রয়েছেন, দোষীদের শাস্তি হবে তো? বিচার পাবো তো? ফের এলাকায় ফিরে এসে শাহজাহান অত্যাচার করবে না তো। তাই মানুষকে ভয় মুক্ত করা আমাদের একমাত্র কাজ। সন্দেশখালি এবং মিনাখাঁ এই দুই বিধানসভাকে নিয়ে আমরা ৩০ হাজারের মানুষের সভা করব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share