Tag: Britain

Britain

  • RG Kar Rape-Murder: আরজি কর কাণ্ডে বিচারের দাবিতে আমেরিকা-সহ ৯ দেশে মানব বন্ধনের ডাক

    RG Kar Rape-Murder: আরজি কর কাণ্ডে বিচারের দাবিতে আমেরিকা-সহ ৯ দেশে মানব বন্ধনের ডাক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর কাণ্ডে (RG Kar Rape-Murder) ন্যায় বিচারের দাবিতে (Demand Justice) উত্তাল রাজ্য। মঙ্গলবার রাজ্য বিধানসভায় বিল এনেছে মমতার সরকার। রাজ্যের সঙ্গে সাড়া দেশজুড়ে চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী, শিক্ষক, অধ্যাপক, সাধারণ পড়ুয়া সহ একাধিক ক্ষেত্রের সামজিক মানুষেরা পথে নেমে আন্দোলন করছেন। এবার দেশের বাইরে বিদেশের মাটিও গর্জে উঠবে আরজি কর ধর্ষণ-খুনের প্রতিবাদে-আন্দোলনে। আগামী ৮ সেপ্টেম্বর আমেরিকা, ব্রিটেন-সহ ৯ দেশে মানববন্ধন কর্মসূচির কথা ঘোষণা করা হয়েছে।

    কোথায় কোথায় হবে বিক্ষোভ (RG Kar Rape-Murder)?

    জানা গিয়েছে, আমেরিকার ৩৪টি জায়গায় তরুণী ডাক্তার খুনের (RG Kar Rape-Murder) প্রতিবাদে মানুষ জমায়েত করবেন। এই জায়গাগুলির মধ্যে রয়েছে, বোস্টন, শিকাগো, নিউ ইয়র্ক সিটি, আটলান্টা। অপর দিকে ব্রিটেনের ১৪টি জায়গায় জামায়েত হবেন সাধারণ মানুষ। এই স্থানগুলির মধ্যে হল, লিভারপুল, ম্যাঞ্চেস্টার, লন্ডন। এই দুই দেশ ছাড়াও আয়ারল্যান্ড, কানাডা, জার্মানি, সুইৎজারল্যান্ড, জাপান, অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ডের রাজপথে মানুষ নামবেন। প্রত্যেক জায়গায় প্রতিবাদ কর্মসূচি হবে মানব বন্ধনের মাধ্যমে। স্থানীয় সময় হবে বিকেল ৫টায়। রাজ্যে চিকিৎসক তরুণীকে ধর্ষণ করে খুনের প্রতিবাদে (Demand Justice) প্রতিদিন কলকাতার রাজপথে চলছে বিক্ষোভ, আন্দোলন, ধর্না, অবস্থান-বিক্ষোভের মতো ঘটনা। পুলিশ এবং তৃণমূলের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করছেন সাধারণ মানুষ। মঙ্গলবার উল্টোডাঙা থেকে ইএম বাইপাসের বিভিন্ন স্থানে স্বাস্থ্যকর্মীদের মানববন্ধন করতে দেখা গিয়েছে। সকলেই বলছেন বিচার চাই।

    আরও পড়ুনঃ ‘‘ভাইরাস বিরূপাক্ষকে ঢুকতে দেব না’’, ডায়মন্ড হারবারে বিক্ষোভ জুনিয়র চিকিৎসকদের

    ৫ সেপ্টেম্বর শুনানি সুপ্রিম কোর্ট

    গত ৯ অগাস্ট আরজি কর হাসপাতালে (RG Kar Rape-Murder) উদ্ধার হয়েছিল চিকিৎসক তরুণীর দেহ। প্রথম থেকেই মামলায় তদন্তের বিষয়ে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। হাইকোর্টের রায়ে পুলিশের কাছ থেকে তদন্ত গিয়েছে সিবিআই-এর হাতে। এদিকে লালবাজার অভিযানের পর, বুধবার জুনিয়র ডাক্তাররা রাত ৯টা থেকে ১০টা পর্যন্ত ঘরে আলো বন্ধ করে প্রদীপ জ্বালানোর কথা বলে, প্রতীকী প্রতিবাদের ডাক দিয়েছেন। পাশাপাশি সুপ্রিম কোর্টের নজরেও রয়েছে মামলার তদন্তের বিষয়। আগামী ৫ সেপ্টেম্বর রয়েছে মামলার পরবর্তী শুনানি। সেই দিকে নজর রয়েছে গোটা দেশের মানুষের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: বাংলাদেশের হিংসায় নিরপেক্ষ তদন্ত চাইল ব্রিটেন, চুপ হাসিনাকে ‘আশ্রয়’ নিয়ে

    Bangladesh Crisis: বাংলাদেশের হিংসায় নিরপেক্ষ তদন্ত চাইল ব্রিটেন, চুপ হাসিনাকে ‘আশ্রয়’ নিয়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমেরিকার পর এবার ব্রিটেনও (UK)। বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis) রাজনৈতিক পট পরির্তন ও তার জেরে আন্দোলনে মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত চেয়েছিল আমেরিকা। ব্রিটেনও চাইছে, বাংলাদেশে তদন্ত করুক রাষ্ট্রপুঞ্জের নেতৃত্বাধীন তদন্তকারী দল। ব্রিটেনের বিদেশমন্ত্রী ডেভিড ল্যামি শেখ হাসিনার পদত্যাগের পর গণতান্ত্রিক ও শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশকে সমর্থনের ওপর জোর দেওয়ার কথা বলেছেন।

    ব্রিটেনের বিবৃতি (Bangladesh Crisis)

    ব্রিটেনের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “গত কয়েক দিন বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া রাজনৈতিক উত্থানের ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত চায় তারা। তদন্ত হোক রাষ্ট্রপুঞ্জের নেতৃত্বে স্বাধীনভাবে।” বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে ব্রিটেন মুখ খুললেও, হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়া নিয়ে উচ্চবাচ্য করেনি রাজার দেশ। ল্যামি বলেন, “বাংলাদেশে গত দু’সপ্তাহে নজিরবিহীনভাবে হিংসা এবং প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। …একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে শান্তি ফিরিয়ে আনতে সব পক্ষকে এক সঙ্গে কাজ করতে হবে।” বিদেশমন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশের জনগণ গত কয়েক সপ্তাহের ঘটনাবলীতে রাষ্ট্রপুঞ্জের নেতৃত্বে পূর্ণাঙ্গ ও স্বাধীন তদন্তের দাবি রাখে।” তিনি বলেন, “বাংলাদেশ একটি শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতে নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ দেখতে চায়।” মন্ত্রী বলেন, “ব্রিটেন ও বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে গভীর সম্পর্ক রয়েছে এবং কমনওয়েলথ মূল্যবোধ রয়েছে।”

    আরও পড়ুন: তাঁর আমলেই অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি, বাংলাদেশকে গণতন্ত্রের পথ দেখিয়েছিলেন হাসিনা

    কী বলছে আমেরিকা

    বাংলাদেশের ঘটনার তদন্ত চেয়েছে আমেরিকাও। সে দেশের বিদেশ দফতরের মুখপাত্র ম্যাথু মিলার বলেন, “আমরা মনে করি বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) আইন ও গণতান্ত্রিক নীতিকে মাথায় রেখেই সেখানে নয়া সরকার গঠন করা হবে। সেখানে যে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে, অবশ্যই তার তদন্ত হওয়া উচিত।” এদিকে, ভারত কিংবা আমেরিকা কারও কাছেই রাজনৈতিক আশ্রয় চাননি হাসিনা।

    বাংলাদেশ থেকে ভারতে এসে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী একাধিকবার যোগাযোগ করেছেন লন্ডনের সঙ্গে। আবেদন করেছেন রাজনৈতিক আশ্রয়ের জন্য। তবে ব্রিটেন নাকি সেই আবেদনে কান দেয়নি। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, সেই কারণেই ব্রিটেনের (UK) জারি করা বিবৃতিতে হাসিনার নাম পর্যন্ত নেওয়া হয়নি (Bangladesh Crisis)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India UK Relation: জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠকে ব্রিটেনের বিদেশমন্ত্রী, উঠবে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি প্রসঙ্গ?

    India UK Relation: জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠকে ব্রিটেনের বিদেশমন্ত্রী, উঠবে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি প্রসঙ্গ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক দিনের ভারত সফরে এলেন ইংল্যান্ডের (India UK Relation) বিদেশমন্ত্রী ডেভিড ল্যামি। বুধবার নয়াদিল্লিতে পৌঁছন তিনি। সদ্যই ইংল্যান্ডের ক্ষমতায় এসেছে লেবার পার্টি। তার পর (Free Trade Agreement) থেকে ল্যামিই প্রথম পদস্থ কর্তা, যিনি রাজার দেশ থেকে এলেন ভারত সফরে। প্রসঙ্গত, টানা ১৪ বছর ব্রিটেনের ক্ষমতায় ছিল কনজারভেটিভ পার্টি। সদ্য সমাপ্ত সাধারণ নির্বাচনে তাদের পরাস্ত করে ক্ষমতায় আসে লেবার পার্টি। প্রধানমন্ত্রী হন কিয়ের স্টার্মার।

    মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (India UK Relation)

    জানা গিয়েছে, ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করবেন ল্যামি। পরে তিনি যাবেন লাওসের রাজধানী ভিয়েনতিয়েনে, এশিয়ান (ASEAN) বিদেশমন্ত্রী সম্মেলনে যোগ দিতে। লাওসের এই সম্মেলনে যোগ দেবেন ভারতের বিদেশমন্ত্রীও। এদিন নয়াদিল্লিতে ব্রিটেনের বিদেশমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে গিয়েছিলেন বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল। জানা গিয়েছে, জয়শঙ্কর-ল্যামি বৈঠকে আলোচনা হতে পারে দীর্ঘ দিন ধরে ঝুলে থাকা মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে। ভারত-ব্রিটেনের মধ্যে সর্বাত্মক কৌশলগত অংশীদারিত্ব নিয়েও আলোচনা হতে পারে দুই দেশের বিদেশমন্ত্রীর।

    মোদি-স্টার্মার আলোচনা

    ব্রিটেনের নির্বাচনে জয়ের জন্য স্টার্মারকে অভিনন্দন জানিয়েছিলেন ভারতের (India UK Relation) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পরে স্টার্মারও কথা বলেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে। টেলিফোনিক ওই আলোচনায় দুই রাষ্ট্রনেতাই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিতে রূপায়ণ করতে আগ্রহী বলে জানিয়েছিলেন। স্টার্মার ফোনে মোদিকে জানিয়েছিলেন, যেটা দু’তরফের পক্ষেই মঙ্গলদায়ক হবে (মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি), সেটা বাস্তবায়িত করতে তিনি এক পায়ে খাড়া।

    আরও পড়ুন: হিন্দুদের ‘স্বস্তিক’ ও নাৎসিদের ‘হুকড ক্রস’-এ রয়েছে বড় ফারাক, বলল আমেরিকা

    জলবায়ু পরিবর্তন, অর্থনৈতিক বৃদ্ধি-সহ নানা বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জের মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রচেষ্টাকে স্বাগতও জানিয়েছিলেন স্টার্মার। ব্রিটিশ সরকারের তরফে জারি করা বিবৃতি থেকেই জানা গিয়েছে স্টার্মার-মোদির টেলিফোনিক আলোচনার নির্যাস। প্রতিরক্ষা, নিরাপত্তা, জটিল এবং নয়া উদ্ভাবিত প্রযুক্তি মায় জয়বায়ু পরিবর্তন নিয়ে আরও গভীর সহযোগিতার বিষয়েও আলোচনা করেন দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী।

    উল্লেখ্য, গত জুনে ব্রিটেনে সাধারণ নির্বাচনের আগে আগে ল্যামি জোর দিয়েছিলেন ভারতের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (Free Trade Agreement) চূড়ান্ত করার ওপর (India UK Relation)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Wagh Nakh: কড়া নিরাপত্তায় লন্ডন থেকে ভারতে ফিরল ছত্রপতি শিবাজির বাঘ নখ

    Wagh Nakh: কড়া নিরাপত্তায় লন্ডন থেকে ভারতে ফিরল ছত্রপতি শিবাজির বাঘ নখ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে ফিরেছে ছত্রপতি শিবাজির (Chhatrapati Shivaji) ব্যবহৃত বাঘ নখ (Wagh Nakh)। মুঘল সেনাপতি আফজল খাঁকে এই গুপ্ত অস্ত্র দিয়েই হত্যা করেছিলেন শিবাজি। লন্ডন থেকে এ দেশে বাঘ নখ এলেও, তা চিরকালের জন্য আসছে না। এসেছে মাত্র তিন বছরের জন্য। তিন বছর পরেই বাঘ নখ ফিরে যাবে লন্ডনের ভিক্টোরিয়া অ্যান্ড অ্যালবার্ট সংগ্রহশালায়।

    কী বলছেন মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী? (Wagh Nakh)

    মহারাষ্ট্রের সংস্কৃতিমন্ত্রী সুধীর মুঙ্গান্তিওয়ার বলেন, “সেই বাঘ নখ ভারতে চলে এসেছে। তিন বছরের জন্য এ দেশে থাকবে। শিবাজির ব্যবহৃত এই নখ রাখা হবে সাতারায় শিবাজি সংগ্রহশালায়।” মন্ত্রী বলেন, “এ বছর আমরা ছত্রপতি শিবাজির রাজ্যাভিষেকের সাড়ে তিনশো বছর পূর্তি পালন করছি। রাজ্যজুড়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। যে বাঘ নখ দিয়ে শিবাজি মহারাজ মুঘল সেনাপতিকে হত্যা করেছিলেন, সেই বাঘ নখটি আমরা সর্বসাধারণকে দেখার সুযোগ করে দিতে চাই। তাই এটিকে সংগ্রহশালায় রাখা হবে।”

    বাঘ নখ ফেরাতে স্বাক্ষরিত মউ

    মন্ত্রী জানান, প্রথমে তাঁরা ভেবেছিলেন রাজ্যের প্রতিটি জেলায় এই বাঘ নখ প্রদর্শনের ব্যবস্থা করবেন। কিন্তু সমঝোতা স্মারকের কিছু বাধ্যবাধকতার জন্যই তা সম্ভব হচ্ছে না। তাই বাঘ নখটি রাখা হচ্ছে শিবাজি সংগ্রহশালায়ই। প্রসঙ্গত, গত অক্টোবরে মহারাষ্ট্র সরকারের সঙ্গে মউ স্বাক্ষরিত হয়েছিল লন্ডনের ভিক্টোরিয়া অ্যান্ড অ্যালবার্ট সংগ্রহশালা কর্তৃপক্ষের। সেই চুক্তি অনুযায়ী, তিন বছরের জন্য শিবাজির বাঘ নখ নিয়ে আসা হচ্ছে ভারতে।

    আরও পড়ুন: ‘সংরক্ষণ বিল পেশে ব্যর্থ হলে কর্নাটক ফুঁসবে’, কংগ্রেসকে হুঁশিয়ারি পদ্মের

    জানা গিয়েছে, কড়া বুলেটপ্রুফ নিরাপত্তায় শিবাজির ব্যবহৃত ওই অস্ত্র (Wagh Nakh) ভারতে নিয়ে আসা হয়েছে। সংস্কৃতিমন্ত্রী জানান, লন্ডন মিউজিয়াম কর্তৃপক্ষ প্রথমে বাঘ নখটি এক বছরের জন্য ভারতে রাখার অনুমতি দিয়েছিলেন। মহারাষ্ট্র সরকার অনেক বুঝিয়ে তাঁদের রাজি করিয়েছেন সেটি এ দেশে তিন বছর রাখার জন্য। রাজ্যের শাসক দলের দাবি, অনেক চেষ্টার পর শেষমেশ বাঘ নখ মহারাষ্ট্রে নিয়ে আসা হয়েছে (Chhatrapati Shivaji)। এর যাবতীয় ক্রেডিট প্রাপ্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডের সরকারের (Wagh Nakh)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Keir Starmer: ব্রিটেনের কুর্সিতে লেবার পার্টি, স্টার্মার-রাজত্বে ভারত-ব্রিটেন সম্পর্ক কেমন হবে?

    Keir Starmer: ব্রিটেনের কুর্সিতে লেবার পার্টি, স্টার্মার-রাজত্বে ভারত-ব্রিটেন সম্পর্ক কেমন হবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৪ বছর পর ফের ব্রিটেনের কুর্সিতে বসেছে লেবার পার্টি। ২০১০ সালের পর এই প্রথম লেবার পার্টির কোনও (India UK Relation) নেতা হতে চলেছেন ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটের বাসিন্দা। লেবার পার্টির তরফে ব্রিটেনের কুর্সিতে যিনি বসতে চলেছেন তিনি কিয়ের স্টার্মার (Keir Starmer)। জয়ের পর ভাষণ দিতে গিয়ে তিনি বলেছিলেন, “১৪ বছর পর ফের ব্রিটেন নিজেদের ভবিষ্যৎ ফিরে পেয়েছে।”

    স্টার্মারের মাথায় কাঁটার মুকুট! (Keir Starmer)

    স্টার্মারের আগে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী পদে ছিলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি সুনক। তাঁর বছর দুয়েকের শাসনে ভারত-ব্রিটেন সম্পর্ক তুঙ্গে উঠছে, এমনটা বলা যায় না। তবে সম্পর্কের অবনতিও হয়নি। এবার স্টার্মারের সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সম্পর্কের জল কোন খাতে গড়ায়, সে দিকেই তাকিয়ে ভারত ও ব্রিটেন দুই দেশ। স্টার্মার যে সময় ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারে বসেছেন, সেই সময় সে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা খুব ভালো নয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এই প্রথম ব্রিটেনের ঘাড়ে করের বোঝা চেপেছে বিপুল পরিমাণে। সংখ্যাতত্ত্বের হিসেবে নিট ঋণের পরিমাণ ব্রিটেনের বার্ষিক অর্থনৈতিক আউটপুটের সমান। দেশের (Keir Starmer) পাবলিক পরিকাঠামো নড়বড়ে, জীবনযাপনের মান কমছে তীরের বেগে। সঙ্কটের মুখে সে দেশের জাতীয় স্বাস্থ্য পরিষেবা। এহেন আবহে কুর্সিতে বসেছেন স্টার্মার।

    স্টার্মারের সামনে গুচ্ছ চ্যালেঞ্জ

    বস্তুত, কাঁটার মুকুট পরেছেন ব্রিটেনের নয়া প্রধানমন্ত্রী। তাঁর সামনে সব চেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হল দ্রুত দেশের আর্থিক পরিস্থিতির মোকাবিলা করা। বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির তালিকায় দীর্ঘদিন ধরে পাঁচ নম্বরে ছিল ব্রিটেন। গত বছর সেই জায়গাটা দখল করেছে নরেন্দ্র মোদির ভারত। ব্রিটেন নেমে গিয়েছে ওই তালিকার ছ’নম্বরে। তাই ব্রিটেনকে ফের পূর্বাবস্থায় ফেরানোটাই স্টার্মারের কাছে অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ। ব্রিটেনবাসীর জীবনযাপনের মানোন্নয়ন করাও তাঁর আশু কর্তব্য। স্বাস্থ্য, শিক্ষা-সহ বিভিন্ন অতিপ্রয়োজনীয় খাতে বাজেট বরাদ্দ কাটছাঁট না করেই উন্নয়ন করতে হবে এই সব ক্ষেত্রে। এসব ‘ঘরোয়া সমস্যা’র সমাধানও যেমন করতে হবে স্টার্মারকে, তেমনি মজবুত করতে হবে ভারত-ব্রিটেন (পড়ুন, লেবার পার্টির) সম্পর্কও।

    আর পড়ুন: চিনা হেফাজতে মৃত্যু তিব্বতি তেনজিং ডেলেকের, কে জানেন?

    তলানিতে ভারত-লেবার পার্টির সম্পর্ক

    কাশ্মীর নিয়ে মন্তব্যের জেরে তলানিতে ঠেকে ভারত ও লেবার পার্টির সম্পর্ক। সেই সম্পর্ককে পুনরায় আগের জায়গায় ফিরিয়ে দেওয়াও অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ ব্রিটেনের নয়া প্রধানমন্ত্রীর কাছে। স্টার্মারের আগে লেবার পার্টির রাশ ছিল জেরেমি করবিনের হাতে। তাঁর ভারত-বিরোধী অবস্থানের জন্যই নয়াদিল্লির সঙ্গে লেবার পার্টির সম্পর্কের অবনতি ঘটে। এই সম্পর্ককেই দ্রুত ফেরাতে হবে জেরেমি জমানার আগের অবস্থায়।

    প্রতিশ্রুতি রক্ষার পালা স্টার্মারের

    ঋষি সুনক যখন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, তখন বিরোধীদলের নেতা ছিলেন স্টার্মার (Keir Starmer)। সেই সময়ই তিনি ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তোলার কথা বলতেন। ব্রিটেনে ভারতীয় বংশোদ্ভূত হিন্দুদের ওপর খালিস্থানপন্থীরা যখনই হামলায় চালাত, তখনই তার কড়া নিন্দা করতেন স্টার্মার। নির্বাচনী প্রচারে বেরিয়ে তিনি এ-ও দাবি করেছিলেন, তাঁর দল সরকারে এলে বৈশ্বিক নিরাপত্তা, জলবায়ু সংরক্ষণ এবং অর্থনৈতিক সুরক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলিতে ভারতের সঙ্গে কৌশলগত অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে চাইবে। ব্রিটেনের সাধারণ নির্বাচনে ক্ষমতায় এসেছে স্টার্মারের দল। তাই এবার তাঁর পালা প্রতিশ্রুতি রক্ষার।

    ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক

    ক্ষমতায় এলে তিনি যে ভারতের সঙ্গে নতুন কৌশলগত সম্পর্ক গড়ে তুলতে চান, নির্বাচনী প্রচারেই তা জানিয়েছিলেন স্টার্মার। ভারতের সঙ্গে তিনি যে মুক্ত-বাণিজ্যের চুক্তি করতেও বদ্ধপরিকর, সেটাও জানিয়েছিলেন ব্রিটেনের লেবার পার্টির এই নেতা। এর পাশাপাশি প্রযুক্তি, নিরাপত্তা, শিক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তনের মতো বিষয় নিয়েও ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক গড়ে তুলতে আগ্রহী স্টার্মার। বর্তমানে ভারত বিশ্বের দ্রুত উন্নতিশীল দেশ। বিভিন্ন (India UK Relation) আন্তর্জাতিক সংস্থার করা সমীক্ষা বলছে, অচিরেই জাপানকে টপকে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকায় চার নম্বরে চলে আসবে মোদির ভারত। তাই ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের উন্নতি ঘটাতে মুখিয়ে ব্রিটেনের নয়া প্রধানমন্ত্রী।

    ‘হিন্দুফোবিয়া’ মুছে ফেলতে আগ্রহী!

    তিনি যে হিন্দু-বিরোধী নন, তিনি যে ব্রিটেন থেকে ‘হিন্দুফোবিয়া’ মুছে ফেলতে আগ্রহী, তা-ও ভোটের আগে বারংবার প্রমাণ করার চেষ্টা করেছেন স্টার্মার। সেই কারণেই হিন্দুদের উৎসব হোলি কিংবা দেওয়ালির মতো অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন তিনি। বার্তা দিতে চেয়েছিলেন ‘আমি তোমাদেরই লোক’ গোছের। স্টার্মারের এই কৌশলে কাজ হয়েছে। ব্রিটেনের নির্বাচনে প্রবাসী ভারতীয় হিন্দু ভোটাররা একটা বড় ফ্যাক্টর। সেই ফ্যাক্টরই এবার ব্যাপকভাবে কাজ করেছে বলে ধারণা রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের। তাঁদের মতে, প্রবাসী হিন্দু কিংবা ভারতীয় বংশোদ্ভূতদের একটা বড় অংশের ভোট এবার পড়েছে লেবার পার্টির ঝুলিতে। তাই স্টার্মারের জয় হয়েছে নিছক কেক-ওয়াক।

    স্টার্মারের জয়ের পর তাঁকে ফোনে অভিনন্দন জানিয়েছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই সময়ই দুই রাষ্ট্রনেতা ‘মজবুত অর্থনৈতিক বন্ধন’ গড়ে তুলতে আগ্রহী বলে জানিয়েছিলেন। স্টার্মার মোদিকে (India UK Relation) এ-ও বলেছিলেন, ভারত-ব্রিটেন মুক্ত বাণিজ্য নিয়ে চলা দোটানায় ইতি টানতে প্রস্তুত ব্রিটেন।

    আসলে মোদির ভারতকে এড়িয়ে যাওয়ার যে কোনও উপায়ই নেই লেবার পার্টির নেতা তথা ব্রিটেনের নয়া প্রধানমন্ত্রী স্টার্মারের (Keir Starmer)!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India UK Relation: রাজার দেশে লেবার পার্টির জয়, কোন খাতে বইবে ভারত-ব্রিটেন সম্পর্কের জল?

    India UK Relation: রাজার দেশে লেবার পার্টির জয়, কোন খাতে বইবে ভারত-ব্রিটেন সম্পর্কের জল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মিলে গিয়েছে প্রাক নির্বাচনী সমীক্ষা। ব্রিটেনে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছে লেবার পার্টি। হার হয়েছে প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনকের দল কনজারভেটিভ পার্টির (টোরি)। ব্রিটেনের (India UK Relation) পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন লেবার পার্টির কিয়ের স্টার্মার (Keir Starmer)।

    ভারত উদীয়মান অর্থনৈতিক শক্তির দেশ (India UK Relation) 

    গত কয়েক বছরে হাল খারাপ হয়েছে ব্রিটেনের অর্থনীতির। অথচ এই সময় ভারতের অর্থনীতির লেখচিত্র ঊর্ধ্বমুখী। প্রত্যাশিতভাবেই সুনক কিংবা স্টার্মার যিনিই প্রধানমন্ত্রী হবেন, তাঁকেই বজায় রেখে চলতে হবে ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক। কারণ বর্তমানে ভারত উদীয়মান অর্থনৈতিক শক্তির দেশ। তাই সুনক হেরে গিয়ে স্টার্মার জয়ী হওয়ায়ও ভারত-ব্রিটেন সম্পর্কে বিশেষ প্রভাব পড়বে না বলেই আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের ধারণা।

    ক্ষমতায় স্টার্মারের দল

    ভারতের মতো বহুদলীয় গণতন্ত্রের দেশ ব্রিটেনও। সে দেশেরই হাউস অফ কমনসে (ভারতের সংসদের নিম্নকক্ষ লোকসভার মতো) বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে ক্ষমতায় এসেছে স্টার্মারের দল। এক সময় ব্রিটেনের এই দলের সঙ্গে মধুর সম্পর্ক ছিল ভারতের। পরে ভাঁটা পড়ে সেই সম্পর্কে। লেবার পার্টির রাশ যখন জেরেমি করবিলের হাতে ছিল, তখনই ভারতের সঙ্গে লেবার পার্টির সম্পর্কে চিড় ধরে। ভারত সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্য করেছিলেন জেরেমি। তার জেরেই তলানিতে ঠেকে ভারতের সঙ্গে লেবার পার্টির সম্পর্ক। ফলে, ভারতের সঙ্গে লেবার পার্টির সুসম্পর্কের (India UK Relation) বাতাবরণ তৈরি করতে হবে স্টার্মারকে। কারণ নরেন্দ্র মোদির জমানায় তরতরিয়ে উঠেছে ভারতীয় অর্থনীতির গ্রাফ। ব্রিটেনকে সরিয়ে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকায় পাঁচ নম্বরে জায়গা করে নিয়েছে ভারত। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, তাই ভারতকে এড়িয়ে কিছুই করার জো নেই স্টার্মারের।

    দলীয় অবস্থান পরিবর্তনের স্টার্মার

    সে কথা ভালো করেই জানেন স্টার্মারও। তাই ২০২০ সালে লেবার পার্টির রাশ হাতে আসার পরে পরেই দলীয় অবস্থান পরিবর্তনের পথে হাঁটতে শুরু করেন ব্রিটেনের হবু প্রধানমন্ত্রী। ভারত-লেবার পার্টির সম্পর্ক মেরামত করতে তিনি প্রথমেই যে কাজটি করেছিলেন, সেটি হল প্রবাসী ভারতীয়দের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানো। ব্রিটেনের নির্বাচনে প্রবাসী ভারতীয়রা একটা ফ্যাক্টর। তাই ভোট বৈতরণী ভালোভাবে পার হতে গেলে যে তাঁদের উপেক্ষা করা যাবে না, তা বুঝেই সে দেশে বসবাসকারী ভারতীয়দের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াতে শুরু করেছিলেন স্টার্মার (India UK Relation)। দেওয়ালি এবং হোলির মতো হিন্দু-উদযাপিত উৎসবগুলিতেও যোগ দিচ্ছিলেন তিনি (Keir Starmer)। নির্বাচনী প্রচারে বেরিয়েও লেবার পার্টির এই নেতার কথায় বারংবার উঠে এসেছে বৈশ্বিক নিরাপত্তা, জয়বায়ু সুরক্ষা এবং অর্থনৈতিক নিরাপত্তার ভিত্তিতে ভারতের সঙ্গে মজবুত সম্পর্ক গড়ে তোলার কথা। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এটাই ‘খেয়েছেন’ প্রবাসী ভারতীয়রা। তার জেরেই নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার চেয়েও বেশি আসন পেয়ে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রিত্বের হাল ধরতে চলেছেন স্টার্মার।

    আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাড়ছে ভারতের গুরুত্ব

    কনজার্ভেটিভ পার্টির জমানায় যেখানে ব্রিটেন ক্রমশই তলিয়ে গিয়েছে, প্রায় (প্রায় বললাম এই কারণে যে কনজার্ভেটিভ পার্টি ব্রিটেন শাসন করেছে ১৪ বছর, আর মোদি ১০ বছর) সেই একই সময় ভারতের হাল ধরেছেন বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএর নেতা নরেন্দ্র মোদি। তার পর থেকেই আন্তর্জাতিক মঞ্চেও ভারতের উত্থান লক্ষ্যণীয়। আন্তর্জাতিক মহলের মতে, বর্তমানে আন্তর্জাতিক মঞ্চে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে ভারত (India UK Relation)। তাই ভারতের সঙ্গে ভেঙে যাওয়া সম্পর্ক দ্রুত মেরামত করাই যে তাঁর অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হবে, তা বুঝেছিলেন স্টার্মার। নির্বাচনের ফল বের হওয়ার পর জনগণের উদ্দেশে দেওয়া ভাষণেও তিনি বলেছেন, “পরিবর্তনের কাজ আজ থেকেই শুরু হবে (ওয়াকিবহাল মহলের মতে, হয়ত প্রেক্ষাপট ভিন্ন, তবে তাঁর এই সংক্ষিপ্ত বাক্যে লুকিয়ে রয়েছে অনেক ইঙ্গিত। যারই একটি হল ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক মেরামত।)।”

    স্টার্মারকে শুভেচ্ছা মোদির

    এদিকে, ব্রিটেনের হবু প্রধানমন্ত্রী স্টার্মারকে শুভেচ্ছা জানালেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “ভারত-ব্রিটেন দ্বিপাক্ষিক কৌশলগত সম্পর্ক আরও মজবুত হবে।”

    স্টার্মারের লক্ষ্য

    ভারতের সঙ্গে লেবার পার্টির সম্পর্কের সেতুবন্ধন করার পাশাপাশি অভিবাসন নীতি ও বাণিজ্য চুক্তির মতো বৈদেশিক নীতিগুলিতে গুরুত্ব দেওয়াও লক্ষ্য স্টার্মারের (Keir Starmer)। অভিবাসন হ্রাসের প্রয়োজনীয়তা নিয়েও ঐক্যমত্যে আসতে হবে তাঁকে। ব্রিটেনের শিল্পক্ষেত্রে কর্মরত ভারতীয়দের অস্থায়ী ভিসার বিষয়ে আলোচনা করে ভারসাম্যমূলক আইন প্রণয়ন করাও একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হবে স্টার্মারের। এফটিএ নিয়েও পদক্ষেপ করতে হবে ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটের হবু বাসিন্দাকে। ২০২২ সালের জানুয়ারি মাসে এফটিএ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছিল ভারত-ব্রিটেনের। এনিয়ে ১৪ রাউন্ড বৈঠকও হয়ে গিয়েছে। এই বিষয়টিকেও এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে স্টার্মারকে (India UK Relation)। ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের সিনিয়র ফেলো রাহুল রায়চৌধুরী যথার্থই বলেছেন, “নয়া লেবার সরকারের কাছে ভারতের গুরুত্ব একটুও কমবে না বলেই আমার বদ্ধমূল ধারণা।”

    আর পড়ুন: ব্রিটেনের ‘হাউস অফ কমনসে’ রেকর্ড সংখ্যক ভারতীয় বংশোদ্ভূত, তালিকায় কারা?

    লেবার পার্টির তরফেও বলা হয়েছে, তারা ভারতের সঙ্গে নয়া কৌশলগত অংশীদারিত্ব খুঁজবে। এর মধ্যে যেমন রয়েছে এফটিএ, তেমনি রয়েছে নিরাপত্তা, শিক্ষা, প্রযুক্তি এবং অবশ্যই জলবায়ু পরিবর্তন। কিছুদিন আগে স্বয়ং স্টার্মারই (Keir Starmer) বলেছিলেন, “যখন দুটি জাতির ইতিহাস আমাদের মতোই জড়িয়ে থাকে, তখন এটি একটি দীর্ঘ ছায়া ফেলতে পারে। তবে আজকের ভারতে আমি সেই (India UK Relation) ছায়া দেখতে পাচ্ছি না।” ভারতকে যে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছে ব্রিটেন, তার আরও প্রমাণ হল, লেবার দলের তরফে জানানো হয়েছে, নতুন সরকার গঠনের একমাসের মধ্যে ভারত সফরে আসবেন নবনিযুক্ত ব্রিট বিদেশ সচিব ডেভিড ল্যামি। গতকালই, ডেভিডকে মনোনীত করেছেন স্টার্মার। এর পরই, বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ল্যামিকে অভিনন্দন-বার্তা পাঠিয়েছেন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • UK Election 2024: ব্রিটেনে চলছে ভোট, ক্ষমতায় ফিরবেন সুনক? না কি বাজি মারবেন স্টার্মার?

    UK Election 2024: ব্রিটেনে চলছে ভোট, ক্ষমতায় ফিরবেন সুনক? না কি বাজি মারবেন স্টার্মার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ ৪ জুলাই। নির্বাচন চলেছে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ ‘হাউস অফ কমন্সে’ (UK Election 2024)। এর আসন সংখ্যা ৬৫০। নির্বাচন শেষে এদিনই শুরু হবে ভোট গণনা। জানা যাবে, আগামী পাঁচ বছরের জন্য ওয়েস্ট মিনিস্টারের রাশ কার হাতে থাকবে। এদিন নির্বাচন শুরু হয়েছে সকাল ৭টায়। চলবে রাত ১০ অবধি।

    মূল লড়াই (UK Election 2024)

    এবারের মূল লড়াই প্রধানমন্ত্রী কনজারভেটিভ পার্টির (টোরি) ঋষি সুনকের (Rishi Sunak) সঙ্গে লেবার পার্টির নেতা কিয়ের স্টার্মারের। ইয়র্কশায়ারে রিচমন্ডে এবারও প্রার্থী হয়েছেন ঋষি। ব্রিটেনের বিভিন্ন জনমত সমীক্ষার ইঙ্গিত, ভরাডুবি হবে ঋষির দলের, হারতে পরেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীও। জনমত সমীক্ষার ইঙ্গিত, এবার প্রধানমন্ত্রিত্বের দৌড়ে অনেকটাই এগিয়ে রয়েছেন স্টার্মার। পাঁচ বছর আগে কনজারভেটিভ পার্টির ব্রেক্সিটের পক্ষে বিপুল সাড়া মিলেছিল। তাই ‘হাউস অফ কমন্সে’ ৩৬৫টি আসনে জিতে ক্ষমতা দখল করেছিল কনজারভেটিভ পার্টি।

    অকাল ভোট

    প্রধানমন্ত্রী (UK Election 2024) হয়েছিলেন বরিস জনসন। পরে দলের অন্দরে বিদ্রোহ এবং করোনা অতিমারী বিধি ভেঙে পানভোজনের আসর বসানোর অভিযোগে ২০২২ সালের জুলাই মাসে প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিতে বাধ্য হন বরিস। প্রধানমন্ত্রিত্বের শিকে ছেঁড়ে ঋষির কপালে। তার আগে অবশ্য ৪৯ দিনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসেছিলেন লিজ ট্রাস। ব্রিটেনের নিয়ম অনুযায়ী, সে দেশে নির্বাচন করাতে হবে ২০২৫ সালের জানুয়ারির মধ্যে। গত ২২ জুন আচমকাই রাজা তৃতীয় চার্লসের সঙ্গে দেখা করে পার্লামেন্ট ভেঙে দেওয়ার আর্জি জানান ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী। তার পরেই ঠিক হয়, হাউস অফ কমন্সের নির্বাচন হবে ৪ জুলাই, বৃহস্পতিবার।

    আর পড়ুন: ঝাড়খণ্ডে পালাবদল, চম্পইকে সরিয়ে ফের মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন হেমন্ত

    ব্রিটেনের এই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৪ হাজার ৫১৫ জন প্রার্থী। নির্বাচনী ময়দানে রয়েছে ৯৮টি রাজনৈতিক দল। জনমত সমীক্ষার ইঙ্গিত, লেবার পার্টি পেতে পারে ৪০ শতাংশ ভোট। সুনকদের দল পেতে পারে ২০ শতাংশের সামান্য বেশি কিছু ভোট। নাইজেল ফারাজের নেতৃত্বাধীন কট্টরপন্থী দল রিফর্ম ইউকে-র ঝুলিতে পড়তে পারে ১৬ শতাংশ ভোট। এবারের নির্বচনী প্রচারে ঋষি (Rishi Sunak) হাতিয়ার করেছেন ব্রিটেনে মাইগ্রেশন ইস্যুকে। দেশের আর্থিক হাল বদলেছে বলেও দাবি করেন তিনি।

    প্রসঙ্গত, সাধারণ নির্বাচনের আগে নিজেদের জন্য পৃথক ইস্তেহার প্রকাশ করেছিলেন ব্রিটেনের ১০ লাখ হিন্দু ভোটার। সে দেশের ২৯টি হিন্দু সংগঠনের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এবার প্রকাশিত হয়েছে ‘দ্য হিন্দু ম্যানিফেস্টো ইউকে ২০২৪’। ব্রিটেনের রাজনৈতিক মহলের মতে, বৃহস্পতিবারের নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকবে সে দেশের হিন্দু ভোটারদের (UK Election 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • GDP: জিডিপি বৃদ্ধির হারে জাপান-জার্মানি-ব্রিটেনকে টেক্কা দিচ্ছে মোদির ভারত!

    GDP: জিডিপি বৃদ্ধির হারে জাপান-জার্মানি-ব্রিটেনকে টেক্কা দিচ্ছে মোদির ভারত!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে জিডিপি (GDP) বৃদ্ধির ছবি স্পষ্ট হয়েছে বিভিন্ন সংস্থার তৈরি রিপোর্টে। কেন্দ্রের তরফেও রীতিমতো খতিয়ান তুলে দিয়ে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে ক্রমেই উন্নতির শিখরে উঠছে ভারত। মোদি জমানায় স্ফীতকায় হচ্ছে দেশের আর্থিক স্বাস্থ্য। অথচ গত কয়েক বছরে জার্মানি, জাপান এবং ব্রিটেনের মতো দেশে কমছে জিডিপির হার। এমতাবস্থায় তরতরিয়ে বাড়ছে ভারতের জিডিপি।

    জিডিপি (GDP)

    জিডিপির (GDP) অর্থ হল গ্রস ডোমেস্টিক প্রোডাক্ট বা মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন। কোনও দেশের নাগরিকদের ক্রয় ক্ষমতা কেমন (অর্থনীতির পরিভাষায় (পারচেশিং পাওয়ার প্যারিটি বা সংক্ষেপে পিপিপি), তার ওপর নির্ভর করে তৈরি হয় জিডিপি। দিল্লি ভিত্তিক নন-প্রফিট সোশ্যাল পলিশি রিসার্চ ফাউন্ডেশনের তরফে জানানো হয়েছে, ২০২৪ সালে ভারতীয় অর্থনীতিতে যখন পিপিপি দেখা যাচ্ছে ৩.৬ গুণ, তখন ব্রিটেনে এটি ২.১ গুণ। আর জার্মানির চেয়ে ২.৫ গুণ বেশি জাপানের। তালিকায় সবার ওপরে রয়েছে ভারত।

    দ্রুত গড়াচ্ছে অর্থনীতির চাকা

    নরেন্দ্র মোদির জমানায় দ্রুত গড়াচ্ছে অর্থনীতির চাকা। গত দু’তিন বছরে রকেট গতিতে ছুটছে ভারতের অর্থনীতি। দ্রুত হারে বাড়ছে জিডিপি বৃদ্ধির হার। যা দেখে মোদি সরকারের প্রশংসায় পঞ্চমুখ বিশ্বব্যাঙ্ক ও আন্তর্জাতিক অর্থভান্ডার। এই দুই প্রতিষ্ঠানেরই দাবি, আগামী দিনেও বিশ্বের দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতি হিসেবে নিজের জায়গা ধরে রাখবে ভারত। গত অর্থবর্ষের তৃতীয় ত্রৈমাসিকে ভারতে আর্থিক বৃদ্ধির হার ছিল ৮.৪ শতাংশ। যা পূর্বাভাসের চেয়ে অনেকটাই বেশি। ২০২২ সালে জিডিপি বৃদ্ধির হারে চিন ছিল সবার ওপরে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, ভারতীয় জিডিপির অংশিদারিত্ব পিপিপিতে বৈশ্বিক জিডিপির ক্ষেত্রে তাৎপর্যপূর্ণভাবে বাড়ছে। অথচ আমেরিকা, জাপান, রাশিয়া এবং অন্যান্য দেশের জিডিপি বৃদ্ধির হার ক্রমেই কমছে।

    আরও পড়ুুন: ভোট লুটেরারা হুঁশিয়ার!!! বাংলার সব বুথেই ওয়েব কাস্টিং, এআই প্রযুক্তি

    পিপিপি আমাদের সাহায্য করে দু’টি দেশের অর্থনীতির তুলনা করতে। কোনও একটি বস্তুর দাম ওই দুই দেশে কেমন, তা জানতেও সাহায্য করে। রিপোর্ট থেকেই জানা গিয়েছে, একটি উচ্চমাত্রার পিপিপি বোঝায় প্রয়োজনীয় জিনিস ভারতে কতটা সস্তা। এই একই জিনিস কিনতে ঘাম ছুটে যায় জাপান, জার্মানি এবং ব্রিটেনের ক্রেতাদের (GDP)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Air Strike: মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকা-ব্রিটেনের যৌথ অভিযান, ইয়েমেনে ধ্বংস ৩৬ জঙ্গি ঘাঁটি

    Air Strike: মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকা-ব্রিটেনের যৌথ অভিযান, ইয়েমেনে ধ্বংস ৩৬ জঙ্গি ঘাঁটি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমেরিকা ও ব্রিটেনের যৌথবাহিনী ইয়েমেনের হুথি জঙ্গি গোষ্ঠীর একাধিক ঘাঁটিতে প্রত্যাঘাত চালাল। প্রসঙ্গত, হুথি জঙ্গিগোষ্ঠীর হামলার মুখে পড়তে হচ্ছে একাধিক বাণিজ্যিক জাহাজকে। তাই এই যৌথ অভিযান বলে জানা গিয়েছে। শুক্রবারই ইরাক এবং সিরিয়ার ৮৫টি ঘাঁটিতে এয়ার স্ট্রাইক (Air Strike) চালিয়েছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। তারপরে শনিবারও হুথি জঙ্গিদের নিকেশ করতে চলল অভিযান। প্রসঙ্গত, গত মাসের ২৮ তারিখে তিন জন মার্কিন সেনা জওয়ানকে হত্যা করে জঙ্গিরা। তারই পাল্টা প্রত্যাঘাতে শুক্রবার এয়ার স্ট্রাইকে (Air Strike) নামে আমেরিকা। প্রসঙ্গত,  শুক্রবার এয়ার স্ট্রাইকের পরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, ‘‘যদি তোমরা আমেরিকার ক্ষতি করো, তাহলে তার ফল ভুগতে হবে।’’ এরপরেই ফের শনিবার হাউথিদের ওপর প্রত্যাঘাতের খবর প্রকাশ্যে আসে।

    ৩৬টি জঙ্গি ঘাঁটিতে অভিযান ব্রিটেন ও আমেরিকার যৌথ বাহিনীর

    অন্যদিকে শনিবারের এয়ার স্ট্রাইকে (Air Strike) ইয়েমেনের ১৩টি জায়গায় ৩৬ টি জঙ্গি ঘাঁটিকে লক্ষ্যবস্তু বানানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। লোহিত সাগর যেন ক্রমশই মুক্তাঞ্চল হয়ে উঠছিল হুথি জঙ্গিগোষ্ঠীর এবং যেকোনো বাণিজ্যিক জাহাজের উপর হামলা চালাচ্ছিল তারা। এমনই বিবৃতি উঠে এসেছে আমেরিকা-ব্রিটেনের যৌথ বিবৃতিতে। আমেরিকা জানিয়েছে যে শনিবার তারা আলাদা করে জঙ্গিদের ছ’টি মিসাইল ধ্বংসকারী জাহাজকে ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছে

    নভেম্বর মাস থেকেই হামলা চলছে লোহিত সাগরের বাণিজ্যিক জাহাজগুলিতে

    নভেম্বর মাস থেকেই লোহিত সাগরের বিভিন্ন জাহাজের ওহপর হামলা চালাতে শুরু করে হুথি জঙ্গিরা। এই হামলার কারণ হিসেবে তারা জানায় যে ইজরায়েল যেভাবে প্যালেস্তাইনের উপর আগ্রাসন চালাচ্ছে, তারই প্রতিবাদে এই হামলা। প্রসঙ্গত গত বছরের ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হয় ইজরায়েল প্যালেস্তাইনের যুদ্ধ। এবং তখন থেকে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ।

    আরও পড়ুন: অযোধ্যার পরে আবু ধাবি, সৌদি আরবের প্রথম হিন্দু মন্দিরের উদ্বোধন করবেন মোদি

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Eris Covid Variant: করোনার নয়া রূপ ‘এরিস’! সংক্রমণের হার উদ্বেগ বাড়াচ্ছে ব্রিটেনে, বঙ্গেও কি ভয়?

    Eris Covid Variant: করোনার নয়া রূপ ‘এরিস’! সংক্রমণের হার উদ্বেগ বাড়াচ্ছে ব্রিটেনে, বঙ্গেও কি ভয়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্রিটেনে নতুন করে আত্মপ্রকাশ করল করোনার নয়া অবতার। কোভিডের এই নয়া স্ট্রেনের নাম রাখা হয়েছে ‘এরিস’ (Eris Covid Variant)। কলহ ও বিবাদের গ্রিক দেবী হলেন এরিস। ভয়ঙ্কর না-হলেও সংক্রমণ ছড়ানোর ব্যাপারে বেশ পটু নভেল করোনাভাইরাসের এই নয়া রূপভেদ ‘ইজি.৫.১’। জুলাই থেকে মাত্র ৩ সপ্তাহের মধ্যে  ১৪ শতাংশ নাগরিক এই ভাইরাসের কবলে পড়েছেন।

    এরিসের হদিশ ভারতেও

    কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক সূত্রের খবর, এরিসের হদিশ মিলেছে ভারতেও। তবে তার মধ্যে বাংলা রয়েছে কি না, তা নিয়ে এখনও কিছু জানানো হয়নি। চিকিৎসকরা অবশ্য বলছেন, বর্ষার এই মরশুমে যে ভাবে সামান্য হলেও প্রায় সর্বত্র ফের কোভিড (Eris Covid Variant) একপ্রস্ত মাথাচাড়া দিয়েছে, তাতে বঙ্গেও এই এরিসের উপস্থিতি অস্বাভাবিক নয়। অতিমারী পর্বের সমাপ্তি ঘটেছে আগেই। কিন্তু সারা পৃথিবীতেই কোভিডের মরশুমি বৃদ্ধি দেখা যাচ্ছে বলে জানাচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)। শুধু জুলাইতেই ১০ লক্ষাধিক পজিটিভ কেস এবং ৩১০০-র বেশি মৃত্যু নথিভুক্ত হয়েছে গোটা দুনিয়ায়। 

    ব্রিটেনে এরিসের বাড়-বাড়ন্ত

    চলতি বছরের ৩ জুলাই কোভিডের (Eris Covid Variant) এই নয়া স্ট্রেনের খোঁজ পাওয়া যায়। বর্তমানে মোট কোভিড আক্রান্তের মধ্যে ১৪ শতাংশ এই ভাইরাসে আক্রান্ত। জুলাই মাসের গোড়া থেকেই দ্রুত হারে বাড়তে শুরু করে সংক্রমণ। প্রতি নয়জনের মধ্যে একজন করে এই রোগে আক্রান্ত হতে থাকে। প্রসঙ্গত, কোভিডে আক্রান্তের সংখ্যা প্রতিদিন বাড়ছে ব্রিটেনে। সম্প্রতি ৪৯৩৬ জন ফুসফুস সংক্রান্ত সমস্যা নিয়ে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছে। তাদের মধ্যে বর্তমানে ৫.৪ শতাংশ কোভিডে আক্রান্ত। এই পরিসংখ্যান ক্রমশ উর্দ্ধগামী হলে আরও কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার কথা ভাবতে পারে ঋষি সুনকের প্রশাসন।

    আরও পড়ুন: আক্রান্তের নিরিখে শীর্ষে উত্তর ২৪ পরগনা! ডেঙ্গি পরিস্থিতি উদ্বেগজনক রাজ্যে

    হু-এর সতর্কতা

    হু জানিয়েছে, ২৩৪টির মধ্যে ১০৭টি দেশেই (৪৬%) কোভিড (Eris Covid Variant) ধরা পড়ছে নতুন করে। দেখা যাচ্ছে, আক্রান্ত ও মৃতের বিচারে এর মধ্যে ভারত এবং বাংলাও আছে। গত এক সপ্তাহেই অন্তত পাঁচ জন করোনা পজিটিভের মৃত্যু হয়েছে রাজ্যে। তবে এই পাঁচজনেরই ছিল ভয়াবহ কো-মর্বিডিটি। দুনিয়ার ৪৫টি দেশে ঢুকে পড়া এরিস ভারতেও উপস্থিত। রাজ্যের স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণস্বরূপ নিগম বলেন, ‘সিজনাল স্পাইক চলছে এখন করোনার। বর্ষা, বসন্তের মতো বিভিন্ন মরশুমে ও ঋতুবদলের সময়ে তো হবেই। সে জন্যই কোভিড বেড়েছে একটু। তবে বাংলায় এরিস পাওয়া গিয়েছে কি না, সে খবর এখনও পাইনি।’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share