Tag: broker

broker

  • All Party Meet: ‘পাকিস্তানের মতো দালাল দেশ নয় ভারত’, সর্বদলীয় বৈঠকে সাফ জানাল কেন্দ্র

    All Party Meet: ‘পাকিস্তানের মতো দালাল দেশ নয় ভারত’, সর্বদলীয় বৈঠকে সাফ জানাল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘ভারত কোনওভাবেই পাকিস্তানের মতো দালাল দেশ নয়।’ বুধবার সর্বদলীয় বৈঠকে (All Party Meet) সাফ জানিয়ে দিল কেন্দ্র। পশ্চিম এশিয়ায় যে সংঘাত চলছে, সেখানে পাকিস্তানের কথিত মধ্যস্থতার (Pakistan) প্রসঙ্গে একথা জানিয়ে দেওয়া হয় কেন্দ্রের তরফে। সংসদ ভবনে আয়োজিত এই বৈঠকে পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন আটজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং বিরোধী দলের একাধিক সদস্য। বৈঠক বয়কট করে তৃণমূল।

    বিরোধীদের প্রশ্ন, জয়শঙ্করের উত্তর (All Party Meet)

    বিরোধীদের অভিযোগ ছিল, পাকিস্তান মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে আর ভারত নীরব দর্শক হয়ে রয়েছে। এই প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বলেন, “১৯৮১ সাল থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে ব্যবহার করে আসছে। তাই এই ধরনের মধ্যস্থতা নতুন কিছু নয়।” এর পরেই তিনি বলেন, “আমরা কোনও দালাল রাষ্ট্র নই।” প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে টেলিফোনে আলাপচারিতা নিয়ে বিরোধীদের প্রশ্নের উত্তরে জয়শঙ্কর জানান, প্রধানমন্ত্রী পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ দ্রুত শেষ করার প্রয়োজনীয়তার কথা জানিয়েছেন। কারণ এই সংঘাত সবার পক্ষেই ক্ষতিকর। সিপিআই(এম) সাংসদ জন ব্রিটাসের প্রশ্ন ছিল, “সরকার কি এই সংঘাতে নীরবতাকেই কূটনীতি হিসেবে গ্রহণ করেছে?” জয়শঙ্কর বলেন, “নয়াদিল্লি নীরব নয়, বরং আমরা মন্তব্য করছি এবং প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছি।” সূত্রের খবর, ব্রিটাস উল্লেখ করেন যে কাতার, যেখান থেকে ভারত প্রায় ৪০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল আমদানি করে, তারাও স্বীকার করেছে উৎপাদন স্থিতিশীল করতে তাদের বহু বছর লাগবে (All Party Meet)।

    এনসিপি (এসপি) সাংসদের প্রশ্ন

    এনসিপি (এসপি) সাংসদ সুপ্রিয়া সুলের প্রশ্ন ছিল, “ভারতের সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের সম্পর্কের বিশেষ সুবিধা কী?” উত্তরে জয়শঙ্কর বলেন, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েল দেশের বৃহত্তম বাণিজ্যিক ও প্রতিরক্ষা অংশীদার। ইরানও আমাদের আচরণে সন্তুষ্ট।” বিরোধীদের অভিযোগ ছিল, ভারত ইরানের সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুর ঘটনায় দ্রুত শোক প্রকাশ করেনি। কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়, ইরানি দূতাবাস খোলার পরপরই বিদেশসচিব সেখানে গিয়ে শোকপুস্তকে স্বাক্ষর করেছিলেন (Pakistan)। সরকার এও জানায়, উপসাগরীয় অঞ্চলে বসবাসরত প্রবাসী ভারতীয়দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দেশের জ্বালানি চাহিদা পূরণ করাই প্রধান লক্ষ্য। এ ক্ষেত্রে সরকার এখন পর্যন্ত সফলই হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে (All Party Meet)।

    সংসদে আলোচনার দাবি

    বিরোধীরা অবশ্য সরকারের দেওয়া উত্তরকে “অসন্তোষজনক” বলে অভিহিত করেন। তাঁরা লোকসভা ও রাজ্যসভা—সংসদের উভয় কক্ষেই পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে পূর্ণাঙ্গ আলোচনার দাবি জানান। সরকারকে নিশানা করে কংগ্রেস নেতা তারিক আনোয়ার বলেন, “লোকসভা ও রাজ্যসভায় এই বিষয়ে আলোচনা হওয়া উচিত। বিরোধী দলগুলি সরকারের জবাবে সন্তুষ্ট নয়।” ক্যাবিনেট কমিটি অন সিকিউরিটির অন্তর্ভুক্ত সকল কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর এবং অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন এদিনের বৈঠকে সরকারের প্রতিনিধিত্ব করেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা এবং সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজুও উপস্থিত ছিলেন। বিদেশসচিব বিক্রম মিশ্রি বৈঠকে একটি প্রেজেন্টেশন দেন (All Party Meet)। বৈঠকে উপস্থিত বিরোধী নেতাদের মধ্যে ছিলেন কংগ্রেসের তারিক আনোয়ার ও মুকুল ওয়াসনিক, সমাজবাদী পার্টির ধর্মেন্দ্র যাদব এবং বিজু জনতা দলের সাস্মিত পাত্র প্রমুখ (Pakistan)। তৃণমূলের কোনও প্রতিনিধি সর্বদলীয় বৈঠকে যোগ দেননি।

     

  • WB Hospital: সরকারি হাসপাতালে ভর্তি হতে গেলেও টাকা? দালালচক্রে হয়রান রোগী ও পরিজনেরা

    WB Hospital: সরকারি হাসপাতালে ভর্তি হতে গেলেও টাকা? দালালচক্রে হয়রান রোগী ও পরিজনেরা

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    সরকারি হাসপাতালের পরিষেবা নিয়ে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। তবে, সরকারি হাসপাতাল (WB Hospital) নিয়ে সবচেয়ে বড় অভিযোগ হল, দালালচক্র। সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা পরিষেবা থেকে ওষুধ সবটাই হবে বিনামূল্যে, সম্পূর্ণ নিখরচায়, এমন কথা সব সময় বলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু অভিযোগ, সরকারি হাসপাতালে ভর্তি হতে গেলেও টাকা দিতে হয়। সরকারি হাসপাতালে সক্রিয় একাধিক দালালচক্র। অন্য হাসপাতাল থেকে রেফার হোক কিংবা সরকারি হাসপাতালে আউটডোরে চিকিৎসকের পরামর্শে ভর্তি, দালালকে টাকা দিলে তবেই সম্ভব। না হলে, ‘বেড নেই’, এমনই শুনতে হয়। 

    কী অভিজ্ঞতা হয় রোগীর পরিবারের (WB Hospital)? 

    সরকারি হাসপাতালে (WB Hospital) ভর্তি নিয়ে নানান অভিযোগ রোগীর পরিবারের। তবে, দালালচক্রের জন্য সবচেয়ে বেশি হয়রানি হতে হয় রোগী ও পরিজনের। সম্প্রতি মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজের আউটডোরে এক রোগী জ্বর, কাশি ও ফুসফুসের কিছু সমস্যা নিয়ে চিকিৎসকের কাছে যান। তাঁকে পরীক্ষার পর চিকিৎসক হাসপাতালে ভর্তির পরামর্শ দেন। ফুসফুসের সমস্যার জন্য তাঁকে ভর্তি হতে বলা হয়। কিন্তু অভিযোগ, হাসপাতালে ভর্তি হতে গেলে কাউন্টারের কাছে কিছু ব্যক্তি এসে তাঁর পরিজনদের জানান, তাঁরা হাসপাতালের কর্মচারী। পরিবারের কাছে নগদ কয়েক হাজার টাকা দাবি করা হয়। তবেই রোগী ভর্তি করা হবে, এমনও জানানো হয়। পরিবারের সেই টাকা দেওয়ার সামর্থ ছিল না। তাঁরা রোগী ভর্তি করতে পারেননি। পরে, কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে সেই রোগী আরও জটিল বক্ষঃরোগ নিয়ে ভর্তি হন। মুর্শিদাবাদের ঘটনা ব্যতিক্রম নয়। এমনই অভিজ্ঞতা রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজের এক রোগী ও তাঁর পরিবারের। তাঁদের অভিযোগ, পেটের যন্ত্রণা নিয়ে হাসপাতালে যান বীরভূমের এক প্রৌঢ়। জরুরি বিভাগে চিকিৎসা করাতে হলেও দালালচক্রকে টাকা দিতে হবে বলেই অভিযোগ করেন ওই প্রৌঢ় ও তাঁর পরিবার।ফলে, বিনা চিকিৎসাতেই হাসপাতাল থেকে ফিরে যেতে হয়। ভোগান্তির শিকার রোগী ও তাঁর পরিবারের লোকজন জানাচ্ছেন, কলকাতা হোক বা জেলা, রাজ্যের যে কোনও সরকারি হাসপাতাল বিশেষত যে কোনও সরকারি মেডিক্যাল কলেজে রোগী ভর্তি করতে হলেই নগদ টাকা দিতে হয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে দালালচক্রে যাঁরা সক্রিয় থাকেন, তাঁরা সংশ্লিষ্ট হাসপাতালের কর্মী। কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করলেও অধিকাংশ সময়ই কোনও সদুত্তর পাওয়া যায় না।

    দালালচক্র (WB Hospital) নিয়ে সরব খোদ বিধায়ক থেকে সাংসদ? 

    সরকারি হাসপাতালের (WB Hospital) দালালচক্রের বাড়বাড়ন্ত নিয়ে শুধু রোগী ও তাঁর পরিবার নয়। এবার তা নিয়ে মুখ খুলছেন তৃণমূলের বিধায়ক থেকে সাংসদ। সূত্রের খবর, সম্প্রতি দলের অন্দরেই একাধিক নেতা রাজ্যের সরকারি হাসপাতালে ভর্তি নিয়ে এই দুর্নীতির বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন। তাঁরা জানাচ্ছেন, বারবার বিজ্ঞাপনে রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবা নিয়ে বলা হচ্ছে। বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরিষেবা দেওয়ার কথা বলা হচ্ছে। কিন্তু বাস্তবে রোগী হয়রানি বাড়ছে। ওষুধ পাওয়া যাচ্ছে না, সময়মতো চিকিৎসাও পাওয়া যায় না। তবে, সরকারি হাসপাতালে ভর্তি হতে গেলে যেভাবে সরাসরি দালালচক্রের খপ্পরে পড়তে হয়, তা বন্ধ করা দরকার বলে দলের অন্দরেই জানাচ্ছেন নেতারা। তবে শুধু বন্ধ ঘরে নয়, হাসপাতালের দালালচক্র নিয়ে মুখ খুলেছেন তৃণমূলের বিধায়ক মদন মিত্র থেকে সাংসদ শতাব্দী রায়। সম্প্রতি এসএসকেএম হাসপাতালে দালালচক্রের সক্রিয়তা নিয়ে মুখ খোলেন মদন মিত্র। সংবাদ মাধ্যমে জানান, টাকা না দিলে এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি হওয়া যায় না।তৃণমূলের সাংসদ শতাব্দী রায়ও অভিযোগ করেন, রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজের দালালচক্র নিয়ে। 

    কী বলছেন স্বাস্থ্যকর্তারা? 

    স্বাস্থ্য দফতর কিন্তু এ নিয়ে মুখ বন্ধ রেখেছে। সরকারি হাসপাতালে (WB Hospital) দালালচক্রের সক্রিয়তা নিয়ে প্রশ্ন করলে তারা জানায়, অভিযোগ জমা পড়লেই খতিয়ে দেখা হয়। কেউ ভোগান্তির শিকার হলে অভিযোগ জানান। প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share