Tag: brutal attack

brutal attack

  • Swami Suryananda: সমাবেশে যোগ দিতে গিয়ে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি স্বামী সূর্যানন্দ মহারাজ

    Swami Suryananda: সমাবেশে যোগ দিতে গিয়ে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি স্বামী সূর্যানন্দ মহারাজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধর্মীয় সমাবেশে যোগ দিতে গিয়ে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি স্বামী সূর্যানন্দ মহারাজ (Swami Suryananda)। রবিবার ঘটনাটি ঘটে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ভগবানপুর এলাকায়। গুরুতর জখম হন ওই হিন্দু সাধু (Suvendu Adhikari)। হিন্দু সম্মেলন চলাকালীনই ঘটনাটি ঘটে। ঘটনায় তীব্র রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া ও লক্ষ্যভিত্তিক হিংসার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ভগবানপুরে আয়োজিত ওই হিন্দু সম্মেলনে ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ ও ভক্তরা শান্তিপূর্ণভাবে সমবেত হয়েছিলেন। তবে সমাবেশস্থলে হঠাৎ উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে, যার পরিপ্রেক্ষিতে স্বামী সূর্যানন্দ মহারাজ গুরুতর জখম হন। তাঁকে তড়িঘড়ি ভর্তি করা হয় স্থানীয় একটি হাসপাতালে।

    হিন্দু সন্ন্যাসী আক্রান্ত (Swami Suryananda)

    হাসপাতাল সূত্রে খবর, স্বামীজি একাধিক আঘাত নিয়ে ভর্তি হয়েছেন। চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন তিনি। তাঁকে দেখতে যাঁরা হাসপাতালে গিয়েছিলেন, তাঁদের মতে, মহারাজের শারীরিক অবস্থা গুরুতর হলেও স্থিতিশীল। মহারাজের ওপর হামলার ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করা হয়েছে কি না, তাও নিশ্চিত করা হয়নি। ধর্মীয় সমাবেশে কীভাবে হিংসা ছড়াল, সে বিষয়েও রাজ্য পুলিশ-প্রশাসন নীরব। ঘটনার প্রেক্ষিতে এফআইআর দায়ের হয়েছে কি না, অথবা ঘটনাটিকে মারধর, দাঙ্গা নাকি হত্যার চেষ্টার মামলা হিসেবে দেখা হচ্ছে, তা-ও স্পষ্ট নয়। হিন্দু সন্ন্যাসীর আক্রান্ত হওয়ায় খবর পেয়েই মহারাজকে দেখতে হাসপাতালে ছোটেন শুভেন্দু। মহারাজের সঙ্গে কথা বলে বেরিয়ে আসার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘটনাটির বিশদ বিবরণ দেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা (Swami Suryananda)।

    ‘জয় শ্রী রাম’

    শুভেন্দুর দাবি, ‘জয় শ্রী রাম’ ধ্বনি দেওয়ায় সম্মেলনের সময় ওই সাধুর ওপর হামলা চালানো হয়। তিনি বলেন, “এটি (জয় শ্রীরাম ধ্বনি) হিন্দু ধর্মীয় পরিচয়ের প্রকাশমাত্র।” তাঁর দাবি, হাসপাতালের বেড থেকেই স্বামীজি তাঁকে ঘটনার ধারাবিবরণী দেন (Suvendu Adhikari)। শুভেন্দু বলেন, “বুনো জন্তুর মতো তারা তাঁর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। স্বামীজির গলায় ফাঁস লাগিয়ে তাঁকে হত্যার চেষ্টাও করেছিল। ঘুষি, লাথি ও বুকে আঘাত করাও হয়েছে। হয়েছে মারধর করাও।” নন্দীগ্রামের বিধায়কের অভিযোগ, হামলাকারীরা শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত এবং তাদের মধ্যে যাদের তিনি “জেহাদি” বলে উল্লেখ করেন, তারাও ছিল। তাঁর মতে, এটি কোনও আকস্মিক ঘটনা নয়, বরং একটি পরিকল্পিত ও ঠান্ডা মাথার হত্যার চেষ্টা।

    “রাষ্ট্র-পোষিত সন্ত্রাস”

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়ে শুভেন্দু এই ঘটনাকে “রাষ্ট্র-পোষিত সন্ত্রাস” বলে অভিহিত করেন। তাঁর অভিযোগ, পশ্চিমবঙ্গে হিন্দুদের বিরুদ্ধে হিংসা চালাতে রাজ্য প্রশাসন পরিকল্পিতভাবে মদত দিচ্ছে। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “এটি নিছক আইনশৃঙ্খলার অবনতি নয় (Suvendu Adhikari)। এটি হিন্দু গর্ব প্রকাশের সাহস দেখানো যে কাউকে লক্ষ্য করে সংগঠিত সন্ত্রাস।” তাঁর অভিযোগ, তৃণমূলের রাজত্বে হিন্দু সাধুদের ওপর হামলা, মন্দির ভাঙচুর এবং ভক্তদের ভয় দেখানো নিত্যদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। রাজ্য পুলিশকে নীরব দর্শক বলে কটাক্ষ করেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, প্রশাসনিক নিষ্ক্রিয়তা ও অপরাধীদের রাজনৈতিক আশ্রয় দেওয়ার একটি পরিচিত ধারারই পুনরাবৃত্তি হয়েছে (Swami Suryananda)।

    সভ্যতার সঙ্কট!

    এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আরও বৃহত্তর আন্দোলনের আহ্বান জানিয়ে শুভেন্দু জাতপাত ও আঞ্চলিক বিভাজন ভুলে হিন্দুদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ডাক দেন। তাঁর মতে, স্বামী সূর্যানন্দ মহারাজের ওপর হামলা আসলে সমগ্র হিন্দু বিশ্বাস ও পরিচয়ের ওপর আঘাত। তাঁর প্রশ্ন, “আর কতদিন হিন্দুরা নীরবে অত্যাচার সহ্য করবে?” শুভেন্দুর মতে, ঘটনাটি কোনও বিচ্ছিন্ন হিংসার ঘটনা নয়, এটি একটি বৃহত্তর সভ্যতার সঙ্কট।এদিকে, হাসপাতাল সূত্রে খবর, স্বামী সূর্যানন্দ মহারাজের শারীরিক অবস্থার ওপর চিকিৎসকেরা কড়া নজর রাখছেন। দোষীদের বিরুদ্ধে (Suvendu Adhikari) কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও ক্রমশ জোরালো হচ্ছে (Swami Suryananda)।

     

  • Paschim Bardhaman: অন্ডালে ডাইনি সন্দেহে নির্মম অত্যাচারের শিকার ৬০ বছরের বৃদ্ধা

    Paschim Bardhaman: অন্ডালে ডাইনি সন্দেহে নির্মম অত্যাচারের শিকার ৬০ বছরের বৃদ্ধা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মলমূত্র মিশিয়ে খাওয়ানো, মাথা ন্যাড়া করা, আগুনে পোড়ানো সহ ভয়ংকর অত্যাচারের শিকার হলেন এক বৃদ্ধা। এই বৃদ্ধা আতঙ্কে ঘরছাড়া হয়েছেন বর্তমানে। বৃদ্ধাকে উদ্ধার করে পাশে দাঁড়িয়েছে আদিবাসী সমাজের সংগঠন। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পশ্চিম বর্ধমানে (Paschim Bardhaman) এই ঘটনায় অত্যন্ত চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।

    কীভাবে ঘটল ঘটনা (Paschim Bardhaman)?

    বর্তমান স্মার্ট যুগে দাঁড়িয়েও কুসংস্কারে বিশ্বাসী একদল মহিলার পৈশাচিক অত্যাচারের শিকার হন এক বৃদ্ধা। ঘটনাটি ঘটেছে অন্ডালের (Paschim Bardhaman) দক্ষিণ খণ্ড ডামারিবাঁধ আদিবাসী পাড়ায়। অভিযো, এক গুণিনের নির্দেশেই বৃদ্ধার উপর এমন অকথ্য অত্যাচার করা হয়েছে। আতঙ্কে ১৩ দিন ধরে ঘরছাড়া রয়েছেন নির্যাতিতা বৃদ্ধা।

    নির্যাতিতা বৃদ্ধার বক্তব্য

    নির্যাতিতা বৃদ্ধা জানান, ফরিদপুর (Paschim Bardhaman) থানার ইচ্ছাপুর এলাকার এক গুণিন তথা ওঝা সরস্বতী বাউরি, তাঁকে ডাইনি অপবাদ দেয়। অন্ডাল এলাকার কয়েকজন স্থানীয় ওই গুণিনের কাছে গেলে সে বলে, ওই বৃদ্ধা নাকি তুকতাক জানে। এর পরেই চলতি মাসের ৭ তারিখে প্রায় ১৪-১৫ জন এসে বৃদ্ধার কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা নেয় এবং মারধরও করে বলে জানা যায়। এরপর তাঁকে নগ্ন করে মাথা ন্যাড়া করে এবং মলমূত্র মিশিয়ে জোর করে খাওয়ানো হয়। আর তারপর মাথায় বাঁশ লাঠি দিয়ে মেরে অচেতন করে দিয়ে আগুন দেয় গায়ে বলে অভিযোগ করেন ওই বৃদ্ধা। বাধা দিতে গেলে বৃদ্ধার ছেলেমেয়েকেও মারধর করা হয়। বৃদ্ধার আত্মীয়রা কোনওপ্রকার উদ্ধার করে কাঁকসা ব্লক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করেন। এরপর ওই দিন থেকে আতঙ্কে ঘরছাড়া বৃদ্ধা আশ্রয় নিয়েছেন মেয়ের বাড়িতে।

    ঘরে ফেরাতে আদিবাসী সংগঠন

    নির্যাতিত এই বৃদ্ধাকে বাড়ি ফেরাতে উদ্যোগী হয়েছেন আদিবাসী সংগঠনের সদস্যরা। বৃহস্পতিবার তাঁরা পুলিশ প্রশাসনের দ্বারস্থ হন। ওই বৃদ্ধা, অভিযুক্ত গুণিন সহ আরও ১৫ জন নির্যাতনকারীর বিরুদ্ধে দুর্গাপুর (Paschim Bardhaman) ফরিদপুর ব্লকের বিডিও ও অন্ডাল থানার পুলিশে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share