Tag: Buddha

Buddha

  • PM Modi In Austria: “ভারত বিশ্বকে বুদ্ধ দিয়েছে, যুদ্ধ নয়”, অস্ট্রিয়ায় বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi In Austria: “ভারত বিশ্বকে বুদ্ধ দিয়েছে, যুদ্ধ নয়”, অস্ট্রিয়ায় বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারত বিশ্বকে বুদ্ধ দিয়েছে, যুদ্ধ নয়।” বুধবার কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi In Austria)। এদিন ভিয়েনায় (India Austria Relation) প্রবাসী ভারতীয়দের সম্মেলনে ভাষণ দিচ্ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখানেই তিনি বলেন, “ভারত বিশ্ব সেরা হওয়ার জন্য নিরন্তর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। উজ্জ্বলতম হতে চাইছে। সব চেয়ে বড় হওয়ার চেষ্টা করছে। পৌঁছতে চাইছে উচ্চতম মাইলস্টোনে।”

    শান্তির ললিত বাণী (PM Modi In Austria)

    তামাম বিশ্বকে শান্তির ললিত বাণী শুনিয়েছেন বুদ্ধের দেশের প্রতিনিধি নরেন্দ্র মোদি। রাশিয়া- ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষিতে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে তিনি বলেছিলেন, “এটা যুদ্ধের সময় নয়”। অস্ট্রিয়া সফরে গিয়েও তিনি বার্তা দিয়েছেন এই বলে যে, “এটা যুদ্ধের সময় নয়”। ভিয়েনায় প্রবাসী ভারতীয়দের সঙ্গে সাক্ষাৎকালেও তিনি ফের শোনালেন ‘বুদ্ধ’-বাণী। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “হাজার হাজার বছর ধরে আমরা আমাদের জ্ঞান ও দক্ষতাকে শেয়ার করে চলেছি। আমরা বিশ্বকে যুদ্ধ দিইনি, দিয়েছি বুদ্ধ।” তিনি বলেন, “ভারত সবসময় বিশ্বকে শান্তি এবং সমৃদ্ধি দিয়েছে। তাই একবিংশ শতাব্দীতে ভারত তার ভূমিকাকে মজবুত করতে চলেছে।”

    প্রতীক্ষার অবসান

    প্রসঙ্গত, রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণে দু’দিনের রাশিয়া সফরে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে উড়ে যান অস্ট্রিয়ায়। ইন্দিরা গান্ধীর অস্ট্রিয়া সফরের পর তিনিই একমাত্র প্রধানমন্ত্রী, যিনি পা রেখেছেন ভিয়েনায়। তাঁর অস্ট্রিয়া সফরকে অর্থপূর্ণ বলে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “৪১ বছর পর ভারতের এক প্রধানমন্ত্রী এই দেশ সফরে এলেন। এই দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান হয়েছে একটি ঐতিহাসিক মুহূর্তে। সেটি হল, এ বছর ভারত ও অস্ট্রিয়ার বন্ধুত্বের ৭৫তম বর্ষ পূর্তি।”

    আর পড়ুন: “এটা যুদ্ধের সময় নয়, সমর্থনযোগ্য নয় সন্ত্রাসবাদও”, অস্ট্রিয়ায় বললেন মোদি

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi In Austria) বলেন, “ভারত ও অস্ট্রিয়া ভৌগোলিকভাবে দুই প্রান্তে অবস্থিত। কিন্তু দুই দেশের মধ্যে প্রচুর সাদৃশ্য রয়েছে। গণতন্ত্রই দুই দেশকে এক সূত্রে বেঁধেছে। আমাদের মধ্যে বিনিময় হয়েছে মূল্যবোধ, স্বাধীনতা, সাম্য, বহুত্ববাদ। আইনের প্রতি শ্রদ্ধাও রয়েছে দুই দেশে। আমাদের সমাজ বহুসংস্কৃতির। দুই দেশই জয়গান গায় বৈচিত্রের। এই সব মূল্যবোধ প্রতিফলিত হয় নির্বাচনে।” প্রধানমন্ত্রী যখন বিশ্বকে (India Austria Relation) আরও একবার ‘যুদ্ধ নয়, শান্তি চাই’ বার্তা দিচ্ছেন, তখন সভাস্থল বারংবার মুখরিত হচ্ছে ‘মোদি’, ‘মোদি’ ধ্বনিতে (PM Modi In Austria)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Malda:  অবাককাণ্ড! মালদহের ইংরেজবাজারে মাটির নীচে খুঁড়ে কী মিলল?

    Malda: অবাককাণ্ড! মালদহের ইংরেজবাজারে মাটির নীচে খুঁড়ে কী মিলল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ ভবন তৈরির জন্য চলছিল মাটি খোঁড়ার কাজ। আর সেই কাজ করতে গিয়ে চক্ষু চড়কগাছ শ্রমিকদের। মাটি খোঁড়ার সময় বেরিয়ে আসে  প্রাচীন আমলের পাথর। বুধবার এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মালদহ (Malda) ইংরেজবাজার এলাকায় আদালত চত্বরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। মাটির তলা থেকে উদ্ধার হওয়া পাথরটি দেখতে অনেকটা ত্রিভুজ আকৃতির। পাথরের চারিদিকে নকশা কাটা, মাথার উপর ছোট গর্ত। আদালত চত্বরে এমন পাথর উদ্ধারের ঘটনা জানাজানি হতেই তা দেখতে ভিড় জমে যায়। প্রথমে দেখে অনেকেই ভেবেছিলেন, এই পাথর পতাকা উত্তোলনের জন্য ব্যবহার করা হত। কারণ, বর্তমান মালদহ জেলা আদালত চত্বর এক সময় নীলকর সাহেবদের নীলকুঠি ও অফিস ছিল। আবার অনেকের ধারণা এই পুরনো পাথরটি শিবলিঙ্গ। পাথরকে দেখে এদিন নানা মত উঠে আসে। যদিও প্রত্নতত্ত্ব গবেষক মোনালিসা লাহা বলেন, পাথরটি দেখে মনে হচ্ছে এটি পাল বা সেন আমলের। এই পাথরটি আসলে ভোটিভ স্তূপ। বৌদ্ধ ধর্মের নিদর্শন। মালদহের (Malda)  জগজীবনপুর গ্রামে বৌদ্ধবিহার আবিষ্কার হয়েছে। তাই থেকে প্রমাণিত মালদহে বৌদ্ধদের অবস্থান ছিল। তাই, ভোটিভ স্তূপ উদ্ধার হওয়াও স্বাভাবিক। তবে, ইংরেজবাজার চত্বরে এই স্তূপ উদ্ধার হওয়ায় কিছুটা অবাক লাগছে। কারণ, এর আগে এই এলাকায় বৌদ্ধদের কোন চিহ্ন পাওয়া যায়নি।

    ভোটিভ স্তূপ কী? Malda

    বৌদ্ধ পণ্ডিত আচার্য বিনয়তোষ শাস্ত্রীর লেখা প্রামান্য গ্রন্থ ‘দ্য হিন্দু বুদ্ধিস্ট আইকোনোগ্রাফি’তে ভোটিভ স্তূপ এর বিবরণ রয়েছে। সাধারণত কোন বৌদ্ধ সন্ন্যাসীর দেহাবশেষের উপরে নির্মিত এই স্তূপে ১০০০ বা তারও বেশি সংখ্যকবার ভগবান বুদ্ধের নাম বা ছোট ছোট মূর্তি খোদিত থাকত। তাকে অনেকসময় চারটি পৃথক খাঁজকাটা অংশে বিন্যস্ত করা হত। উপরের চতুষ্কোণ অংশটিতে ঘিয়ের প্রদীপ বা ধূপ জ্বালানো হতো,তাকে ঘিরে প্রার্থণা করার প্রথাও ছিল। সাধারণভাবে ভোটিভ স্তূপকে প্রদক্ষিণ করলে পূণ্য হয়-এমন লোকবিশ্বাস প্রচলিত ছিল। নালন্দা-বিক্রমশীলা থেকে আরম্ভ করে সাঁচি-সারনাথ পর্যন্ত বিভিন্ন বৌদ্ধ ধর্মস্থানে প্রচুর ভোটিভ স্তূপের সন্ধান পাওয়া যায়। পাল শাসনকালে বৌদ্ধ প্রভাব অধ্যুষিত গৌড়বঙ্গ তথা মালদহ (Malda)  জেলায় ভোটিভ স্তূপ উদ্ধার বিরল হলেও অসম্ভব নয়-এমনই মত বিশেষজ্ঞ মহলের। আদালত চত্বরে উদ্ধার এই ইতিহাসের সংরক্ষণের দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Modi Meets Adityanath: “বিশ্রামের সময় নেই…”, যোগী-মন্ত্রিসভাকে কোন পরামর্শ দিলেন মোদি?

    Modi Meets Adityanath: “বিশ্রামের সময় নেই…”, যোগী-মন্ত্রিসভাকে কোন পরামর্শ দিলেন মোদি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যোগী (Yogi Adityanath) রাজ্যে গিয়ে লোকসভা নির্বাচনের দামামা বাজিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi)। যোগী মন্ত্রিসভার সঙ্গে বৈঠকে তিনি জানিয়ে দিলেন, বিশ্রামের সময় নেই। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের (2024 Loksabha election) জন্য প্রস্তুতি শুরু করা উচিত। জনগণের সেবায় রাজ্যের মন্ত্রীদের উৎসর্গ করা উচিত বলেও সোমবার জানিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী।

    বুদ্ধজয়ন্তী (Buddha Jayanti) উপলক্ষে এদিন নেপালের (Nepal) লুম্বিনিতে গিয়েছিলেন মোদি। বিকেলে ফেরেন লখনউতে। বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath) স্বয়ং। এদিন মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর মন্ত্রিসভার সঙ্গে বৈঠক করেন মোদি। ব্রেনস্টর্মিং এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “শুধুমাত্র সুশাসনই পথ খুলে দেয় ক্ষমতায় ফেরার। মন্ত্রীদের জনগণের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করার নির্দেশ দেন। মোদি বলেন, ২০২৪ সালে লোকসভা নির্বাচন। তাই সকলের উচিত প্রস্তুতি শুরু করা। বিশ্রামের কোনও সময় নেই।”

    বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রীর ভূয়সী প্রশংসা করেন মোদি। অপরাধ দমনে যোগী সরকারের বুলডোজার (Bulldozer drive) অভিযানেরও প্রশস্তিও শোনা যায় প্রধানমন্ত্রীর মুখে। যোগী-জমানায় যে উত্তর প্রদেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির প্রভূত উন্নতি হয়েছে, এদিন তাও জানিয়ে দেন মোদি। মুখ্যমন্ত্রীকে অভিনন্দনও জানান। করোনা পরিস্থিতির মোকাবিলায় রাজ্য সরকার যেসব পদক্ষেপ নিয়েছে, তারও প্রশংসা শোনা যায় প্রধানমন্ত্রীর গলায়।

    লোকসভা নির্বাচনের বেশি দেরি নেই। তাই এখন থেকেই শুরু করতে হবে প্রস্তুতি। যোগী মন্ত্রিসভার মন্ত্রীদের আরও বেশি করে তাঁদের বিধানসভা এলাকায় সময় দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন মোদি। সরকারের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করার পরামর্শও দেন তিনি। সরকারি প্রকল্পগুলি যোগ্য উপভোক্তাদের কাছে পৌঁছচ্ছে কিনা, তাও তাঁদের নিশ্চিত করতে হবে। মোদি বলেন, কেবল সুশাসনই ক্ষমতায় ফেরার পথ। দলের সঙ্গে সরকারকে সমন্বয় রেখে চলার পরামর্শও এদিন দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর মতে, দল ও সরকারের মধ্যে সমন্বয় রেখে কাজ করা প্রয়োজন। কারণ উভয়ই একে অপরের পরিপূরক।

    দেশের সব চেয়ে বড় রাজ্য উত্তরপ্রদেশ। বিধানসভার আসন সংখ্যা ৪০৩টি। স্বাভাবিকভাবেই লোকসভা কেন্দ্রের সংখ্যাও বেশি। এই উত্তরপ্রদেশের রাশ যার দখলে থাকে, তারাই কেন্দ্রে সরকার গড়ে। উত্তরপ্রদেশে (Uttar Pradesh) বিপুল জনাদেশ নিয়ে ক্ষমতায় ফিরেছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকার। অতএব, লোকসভা নির্বাচনে কেন্দ্রের শাসন ক্ষমতায় যে বিজেপি-ই (BJP) ফিরছে, তা এক প্রকার নিশ্চিত। বিজেপি যাতে আরও বেশি সংখ্যক আসন নিয়ে ক্ষমতায় ফিরতে পারে, এদিন যোগী রাজ্যের মন্ত্রীদের সেই দাওয়াই-ই দিয়ে গেলেন নরেন্দ্র মোদি।

     

LinkedIn
Share