Tag: Buddha Purnima

Buddha Purnima

  • Buddha Purnima: আজ দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে বুদ্ধ পূর্ণিমা, জানুন এই দিনের মাহাত্ম্য

    Buddha Purnima: আজ দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে বুদ্ধ পূর্ণিমা, জানুন এই দিনের মাহাত্ম্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুদ্ধ পূর্ণিমা (Buddha Purnima) বৌদ্ধ ধর্মের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং পবিত্রতম উৎসব। প্রতিবছর বৈশাখ মাসের পূর্ণিমা তিথিতে এই উৎসব পালিত হয়। ইতিহাসবিদদের মতে, এই পবিত্র দিনেই গৌতম বুদ্ধ জন্মগ্রহণ করেছিলেন। শুধু তাই নয় এই দিনেই বোধিবৃক্ষের নীচে তিনি জ্ঞান লাভ করেছিলেন।

    এবছরের বুদ্ধপূর্ণিমার শুভ তিথি (Buddha Purnima 2024)

    এ বছর, আজ, ২৩ মে পড়ছে বুদ্ধপূর্ণিমা। এই পূর্ণিমার শুভ তিথি শুরু হয়েছে ২২ মে, অর্থাৎ বুধবার সন্ধ্যে থেকেই। ২২ মে সন্ধ্যা ৫.৫৭ মিনিটে এই বুদ্ধপূর্ণিমার তিথি শুরু হয়েছে। আজ, বৃহস্পতিবার ২৩ মে, সন্ধ্যা ৬টা ৪১ মিনিটে শেষ হতে চলেছে বুদ্ধ পূর্ণিমা (Buddha Purnima)। ফলে, উদয়-তিথি হিসেবে, আজ, বৃহস্পতিবার, দেশজুড়ে পালিত হবে বুদ্ধ পূর্ণিমা। অনেকেই এই দিনটিকে বুদ্ধজয়ন্তী হিসাবে পালন করে। এই গুরুত্বপূর্ণ সময়কালকে হিন্দুশাস্ত্রমতে বিশেষ কিছু আচারপালনের মাধ্যমে পালন করা হয়।

    নবম অবতার গৌতম বুদ্ধ

    হিন্দু ধর্মের মতে, অবশ্য গৌতম বুদ্ধ হলেন শ্রী বিষ্ণুর নবম অবতার। এই বিশেষ তিথিতে গৌতম বুদ্ধের জন্মবার্ষিকী পালন করা হয় সারা বিশ্ব জুড়ে। এই দিনে ভারতে সরকারিভাবে ছুটি থাকে। সারাদেশ জুড়ে উৎসব পালিত হয় বৌদ্ধ মঠ ও মন্দিরে। ভারত ছাড়াও শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ভুটান, তাইল্যান্ড, মায়ানমার, দক্ষিণ কোরিয়া, ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়ায় উৎসব পালিত হয়।

    আরও পড়ুন: প্রাচীন ভারতের খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয়! কেমন ছিল জগদ্দলা মহাবিহারের রোজকার জীবন?

    এই দিন (Buddha Purnima 2024) গৌতম বুদ্ধের শিক্ষা ও বাণী স্মরণ করেন বৌদ্ধরা। বৌদ্ধ মঠ ও মন্দিরগুলিতে প্রচুর ভক্ত সমাগম হয়। ভগবান বুদ্ধকে পূজা করা ছাড়াও অধিকাংশ বৌদ্ধ ভিক্ষুক ধ্যানে লিপ্ত থাকেন। পঞ্চাঙ্গ (বা পাঁজি) অনুসারে, কবে বুদ্ধ পূর্ণিমা (Buddha Purnima) পালিত হয় এবং এই দিনের শুভ সময়, তাৎপর্য ও পুজোর নিয়ম জানেন না অনেকেই। অবশ্য অনেক হিন্দু ও বাঙালির বাড়িতে লক্ষ্মী নারায়ণ পুজোর আয়োজন হয়ে থাকে।

    বুদ্ধ পূর্ণিমা পুজোর নিয়ম

    বুদ্ধ পূর্ণিমার (Buddha Purnima 2024) দিন খুব ভোরে ঘুম থেকে ওঠা উচিত। ঘুম থেকে উঠে বাড়ির সব জায়গা পরিষ্কার করে সুন্দর করে সাজিয়ে নিতে হবে। এরপর স্নান সেরে পরিষ্কার বা নতুন পোশাক পরতে পারেন। এদিন গঙ্গা স্নান করা অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়। এরপর একটি মোমবাতি বা প্রদীপ জ্বালিয়ে বাড়ির সর্বত্র ঘুরিয়ে আনতে পারেন। বাড়ির প্রবেশদ্বারের সামনে হলুদ, লাল সিঁদুর বা রঙ ব্যবহার করে স্বস্তিক চিহ্ন আঁকতে পারেন। বোধি গাছের কাছে দুধ ঢেলে বুদ্ধের বাণী ও শিক্ষাকে স্মরণ করতে পারেন। দানকর্মেরও বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে এদিন। বস্ত্র ও খাদ্য বিলি করলে পূণ্যলাভ করতে পারেন আপনি (Buddha Purnima)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Buddha Purnima 2023: আজ বুদ্ধ পূর্ণিমা, বছরের প্রথম চন্দ্রগ্রহণও! কোন কোন বিধি মেনে চলতে হবে?

    Buddha Purnima 2023: আজ বুদ্ধ পূর্ণিমা, বছরের প্রথম চন্দ্রগ্রহণও! কোন কোন বিধি মেনে চলতে হবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৈশাখী পূর্ণিমার পবিত্র তিথিতে জন্মগ্রহণ করেন ভগবান বুদ্ধ। হিন্দু এবং বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের কাছে, এই দিনটির মাহাত্ম্য অনেক বেশি। বিশ্বাস মতে, এদিন সমুদ্র মন্থনে উঠে এসেছিলেন দেবী লক্ষ্মী। স্কন্দপুরাণ অনুসারে, গৌতম বুদ্ধ হলেন ভগবান বিষ্ণুর নবম অবতার। চলতি বছরে ঘটনাক্রমে বুদ্ধ পূর্ণিমা (Buddha purnima 2023) এবং চন্দ্রগ্রহণ একই দিনে পড়েছে। ঋষিকেশ পঞ্চাঙ্গ অনুসারে বছরের প্রথম চন্দ্রগ্রহণ আজ অর্থাৎ ৫ মে, বৈশাখী পূর্ণিমার দিন। শাস্ত্রকারদের মতে, এই চন্দ্রগ্রহণ ভারতে দেখা যাবে না, তাই এখানে এর তেমন অশুভ প্রভাবও পড়বে না।

    চন্দ্রগ্রহণ…

    বছরের প্রথম এই চন্দ্রগ্রহণকে বিজ্ঞানীরা বলছেন, পেনাম্ব্রাল চন্দ্রগ্রহণ বা উপচ্ছায়া চন্দ্রগ্রহণ। অর্থাৎ, যখন পৃথিবীর সরাসরি ছায়া চাঁদের উপর পড়ে না, তখন এটি একটি পেনমব্রাল চন্দ্রগ্রহণ বলে বিবেচিত হয়। বিজ্ঞানীদের কথায়, পৃথিবী, সূর্য ও চাঁদের কক্ষপথ একই তলে নেই, তাই পেনাম্ব্রাল চন্দ্রগ্রহণ ঘটে। জ্যোতিষীর মতে, ভারতে এই চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে না। সাধারণত সূতক সময় শুরু হয় চন্দ্রগ্রহণের ৯ ঘণ্টা আগে। কিন্তু ভারতে এই গ্রহণের কোনও প্রভাব না থাকায় এর সূতক সময়ও কার্যকর হবে না। বছরের প্রথম চন্দ্রগ্রহণ ইউরোপ, মধ্য এশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, আফ্রিকা, অ্যান্টার্কটিকা, প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল এবং ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চল থেকে দেখা যাবে। চন্দ্রগ্রহণের সময় বিশেষ কিছু বিধি নিয়ম মেনে চলতে হয়, একেই বলে সূতক সময়।

    বুদ্ধ পূর্ণিমা (Buddha purnima 2023) কখন শুরু হচ্ছে..

    হিন্দু ক্যালেন্ডার অনুসারে, বৈশাখ মাসের শুক্লপক্ষের পূর্ণিমা তিথি শুরু হয়েছে ৪ মে বৃহস্পতিবার রাত ১১টা ৪৪ মিনিট থেকে এবং শেষ হবে শুক্রবার, ৫ মে রাত ১১ টা ৩০ মিনিটে। উদয় তিথি অনুযায়ী ৫ মে শুক্রবার বুদ্ধ পূর্ণিমা পালিত হবে।

    বুদ্ধ পূর্ণিমার (Buddha purnima 2023) তাৎপর্য….

    হিন্দু এবং বৌদ্ধ দুই ধর্মমতেই সাদরে পালিত হয় এই দিনটি

    ১) ভক্তরা বিশ্বাস করেন যে বুদ্ধ পূর্ণিমার (Buddha purnima 2023) দিন ভোরবেলা স্নান করলে সমস্ত পাপ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। 

    ২) এই দিনটিতে অনেকেই দান-ধ্যান করেন, যারা দরিদ্র তাদের খাওয়ান। 

    ৩) প্রতিবছর এই দিনে বিশ্বের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা প্রচুর ভক্তের সমাগম হয় বুদ্ধগয়া-য়।

    আচার-অনুষ্ঠান 

    ১) ভগবান বুদ্ধের ভক্তরা এদিন ভোরে উঠে পবিত্র স্নান সেরে তাঁর জন্মবার্ষিকী পালন শুরু করেন। 

    ২) এদিন ঘর পরিষ্কার করা হয় এবং চারিদিকে গঙ্গা নদীর পবিত্র জল ছেটানো হয়। ফুল এবং পাতা দিয়ে বাড়ি সাজানো হয়। 

    ৩) বাড়ির প্রবেশপথে হলুদ, কুমকুম এবং গঙ্গাজল দিয়ে স্বস্তিক চিহ্ন আঁকা হয়, যা হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কাছে একটি পবিত্র চিহ্ন হিসেবে বিবেচিত। 

    ৪) বৌদ্ধ ধর্মগ্রন্থ পাঠ করা হয় এবং বৌদ্ধধর্ম অনুসরণকারীরা এই দিনে বুদ্ধগয়া-তে যান। 

    ৫) বোধি গাছের উপাসনা করা হয়। 

    ৬) রঙিন পুষ্পমালা গাছে বাঁধা হয় এবং ভক্তরা গাছের গোড়ায় দুধ ও জল ঢালেন।

    ৭) এই শুভ তিথিতে দরিদ্রদের খাবার ও পোশাক দান করা হয়।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি কেবলমাত্র সাধারণ তথ্যের জন্য। তাই এই বিষয়ে বিস্তারিত জানতে এবং এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে সর্বদা বিশেষজ্ঞের মতামত নিন এবং সেই পরামর্শ অনুযায়ী চলুন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Buddha Purnima: বুদ্ধ পূর্ণিমার দিনই হয় মা উলাইচণ্ডী পুজো! বীরনগরে এই পুজোর ইতিহাস জানেন?

    Buddha Purnima: বুদ্ধ পূর্ণিমার দিনই হয় মা উলাইচণ্ডী পুজো! বীরনগরে এই পুজোর ইতিহাস জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চণ্ডী মঙ্গলের বণিক খণ্ডের কাহিনী মনে আছে? সওদাগরের বাণিজ্যতরী ডুবে যাওয়া আর শেষপর্যন্ত দেবী চণ্ডীর পুজো করে চরম বিপদ থেকে মুক্তি পাওয়ার গল্পটা? বুদ্ধ পূর্ণিমার (Buddha Purnima) সকালে নদিয়ার ‘উলা’-র মাটিতে এসে দাঁড়ালে সে কাহিনীতে একদম ডুবে যেতে পারেন আপনিও। লোকসংস্কৃতির এক প্রাচীন ধারাকে ছুঁতে তো পারবেনই, ব্যক্তিগত ধর্ম বিশ্বাস থাকলে পেয়ে যেতে পারেন দেবী চণ্ডীর আশীর্বাদও। 

    কীভাবে শুরু হল মা উলাই চণ্ডীপুজো?

    চণ্ডী মঙ্গলের এই কাহিনীর রেশ ধরেই জনশ্রুতি রয়েছে, উজানী নগর থেকে ত্রিবেণী যাওয়ার পথে এই উলা গ্রামে এসে বড় দুর্যোগের মধ্যে পড়েছিলেন ধনপতি সওদাগরের পুত্র শ্রীমন্ত সওদাগর। তখন এ গাঁয়ের পাশ দিয়েই নাকি গঙ্গা বইত। কুলীন বণিক ধনপতি ছিলেন শিবের উপাসক। কোন মতেই দেবী চণ্ডীর পুজো করতে চাইতেন না। এদিকে দেবী তার হাত দিয়ে পুজো পেতে নানা ছলনার আশ্রয় নিয়েছিলেন। উলা গাঁ অবশ্য জড়িয়ে আছে ধনপতিপুত্র শ্রীমন্তর গল্প ঘিরে। বড় রকমের প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যে পড়েও শ্রীমন্তের বাণিজ্য তরী শেষপর্যন্ত রক্ষা পেয়েছিল দেবী চণ্ডীর পুজো করেই। কী করে তিনি এ দেবীর ভক্ত হয়ে উঠেছিলেন সে গল্প শোনা যায় কান পাতলেই। গাছ তলায় বসে তিনি এক খন্ড শিলাকে দেবী চণ্ডী রূপে পুজো করেছিলেন।

    পুজোকে কেন্দ্র করে বসে মেলা

    অনেক পরে নদিয়া রাজাদের পৃষ্ঠপোষকতায় সেই শিলা খন্ডে নিয়মিত পুজোর ব্যবস্থা হয়। আর এখন চন্ডী মাতা পুজো কমিটির হাতে এই প্রাচীন পুজোর ভার। প্রাচীন বট অশ্বত্থের সারির মাঝেই বর্তমানে বাঁধানো অবস্থায় আছে দেবীর বেদি তল। বুদ্ধ পূর্ণিমার (Buddha Purnima) দিন  কাক ভোর থেকে পুজো শুরু হয়। আর পুজো ঘিরে বেশ বড় এলাকা জুড়ে মেলা। তবে একবেলার মেলা। বলি প্রথা কবে থেকে যুক্ত হল তা অবশ্য সঠিক ভাবে জানা যায় না। সে প্রথা আজও টিকে। একবেলাতেও মেলা শেষ হয়ে যাওয়ায় মনোকষ্টও ছিল স্থানীয় ধর্মপ্রাণ মানুষের। তাই চন্ডী পুজোর শেষে কোথাও বিন্ধ্যবাসিনি , কোথাও মহিষমর্দিনি ইত্যাদি দেবীর চারদিনের পুজো শুরু হয়। সেখানেও বসে যায় মেলা। এই মৃন্ময়ী দুর্গা পুজোগুলোও শতাধিক বছরের পুরনো।

    কীভাবে যাবেন?

    গল্প কাহিনী থেকে মেলার কথা সবই তো শোনা হল। এখন নিশ্চয়ই ভাবছেন ‘উলো’ জায়গাটা নদিয়ার ঠিক কোথায়? কিভাবেই বা যাবো? ‘উলা’ বা ‘উলো’ গ্রাম নামটা অনেক পুরোনো। পুরানো উলা গ্রামই এখন বীরনগর। নদিয়ার এই পুর শহরের নামটা বললে চিনতে অসুবিধে হয় না। শিয়ালদহ কৃষ্ণনগর ট্রেন লাইনে রানাঘাট ও কৃষ্ণনগরের মাঝের একটি স্টেশন বীরনগর। বীরনগর স্টেশন থেকে উলাই চণ্ডীতলা এক কিমি তো বটেই। তবে বুদ্ধ পূর্ণিমার (Buddha Purnima) দিন সকালে স্টেশন সংলগ্ন বাস রাস্তা থেকে সোজা পথে চন্ডীতলায় যেতে হলে প্রায় আধ ঘন্টা হেঁটে জনস্রোত ঠেলে ঠেলে সেখানে পৌঁছাতে পারা যাবে। ঘুর পথে অবশ্য টোটো পাওয়া যায়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: বুদ্ধজয়ন্তীতে লুম্বিনিতে বৌদ্ধ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের শিলান্যাস মোদির

    PM Modi: বুদ্ধজয়ন্তীতে লুম্বিনিতে বৌদ্ধ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের শিলান্যাস মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লুম্বিনিতে (Lumbini) বৌদ্ধ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের (buddhist cultural centre) ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন ভারত (India) ও নেপালের (Nepal) প্রধানমন্ত্রী। সোমবার বুদ্ধজয়ন্তীর দিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi) এবং নেপালের প্রধানমন্ত্রী শের বাহাদুর দেউবা ওই ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। অংশ নেন বৌদ্ধ রীতি অনুযায়ী পুজোয়ও।

    এদিন বুদ্ধজয়ন্তী (Buddha Jayanti) উপলক্ষে নেপাল পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখান থেকে চলে যান লুম্বিনিতে। এই লুম্বিনিতেই জন্ম হয়েছিল ভগবান বুদ্ধের (Lord Buddha)। বৌদ্ধ (Buddhist) তো বটেই, হিন্দুদের (Hindu) কাছেও লুম্বিনির গুরুত্ব অপরিসীম। হিন্দুদের বিশ্বাস, বুদ্ধ স্বয়ং বিষ্ণুর (Lord Vishnu) অবতার।

    এদিন যে জায়গায় ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে, সেটি ইন্টারন্যাশনাল বৌদ্ধ কনফেডারেশনের অন্তর্ভুক্ত। নেপালের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে লুম্বিনিতে যান মোদি। তার আগে দর্শন করেন মায়াদেবীর মন্দির (maya devi temple)। মোদির সঙ্গে ছিলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর স্ত্রী আরজু রানা দেউবা। লুম্বিনিতে গিয়ে মূলপ্রস্তরে শ্রদ্ধা অর্পণ করেন। এই প্রস্তরখণ্ডটি বুদ্ধের সঠিক জন্মস্থান নির্দেশ করে। এর পরেই শুরু হয় বৌদ্ধরীতিতে পুজো। মন্দির সংলগ্ন অশোক স্তম্ভের কাছেও প্রদীপ জ্বালান দুই প্রধানমন্ত্রী।

    ২৪৯ খ্রিস্টপূর্বাব্দে সম্রাট অশোক এই স্তম্ভ নির্মাণ করেছিলেন। সেখানে দুই প্রধানমন্ত্রী শিশু-বোধিবৃক্ষে জল দেন। ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর মোদি যখন নেপালে এসেছিলেন, তখন বুদ্ধগয়া (Bodhgaya) থেকে তিনি এই বৃক্ষটি উপহার হিসেবে নেপালের প্রধানমন্ত্রীকে দিয়েছিলেন।

    আরও পড়ুন : ভারতকে ধন্যবাদ , মোদি-বন্দনা শ্রীলঙ্কার নতুন প্রধানমন্ত্রীর মুখে

    এই নিয়ে পাঁচবার লুম্বিনিতে গেলেন মোদি। বুদ্ধ পূর্ণিমার (Buddha Purnima) দিন লুম্বিনি দর্শন করতে পেরে তিনি যে খুশি, তা ধরা পড়েছে এদিন নেপাল পৌঁছেই তাঁর করা ট্যুইটে। মোদি লিখেছেন, নেপালে অবতরণ করেছি। বুদ্ধ পূর্ণিমার বিশেষ দিন উপলক্ষে নেপালের বিস্ময়কর মানুষের মধ্যে থাকতে পেরে খুশি। লুম্বিনির অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার অপেক্ষায় রয়েছি। এর পরেই লুম্বিনিতে পৌঁছান ভারতের প্রধানমন্ত্রী।

    ’১৪ সালে ক্ষমতায় এসেই প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে সম্পর্কের উন্নতি ঘটাতে সচেষ্ট হন মোদি। সেই সময়ও তিনি গিয়েছিলেন নেপালে। পরে গাঢ় হয় নেপাল-চিন সম্পর্ক। স্বাভাবিকভাবেই দূরত্ব রচনা হয় ভারত-নেপাল সম্পর্কে (India Nepal bilateral relations)। কূটনৈতিক মহলের মতে, ভারতের গুরুত্ব পরে বুঝতে পারে নেপাল। ক্রমেই শীতল হতে থাকে নেপাল-চিন (Nepal-China) সম্পর্ক। তার পর ফের নেপালের সঙ্গে বন্ধুত্বের সম্পর্ক মসৃণ করতে সচেষ্ট হন মোদি। যার জেরে দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর এই প্রথম তিনি পা রাখলেন নেপালে। তাও আবার বুদ্ধজয়ন্তীর দিন।

     

  • Modi in Nepal: লুম্বিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে অম্বেদকরের নামে চেয়ার, ঘোষণা মোদির

    Modi in Nepal: লুম্বিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে অম্বেদকরের নামে চেয়ার, ঘোষণা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুদ্ধপূর্ণিমার (Buddha Purnima) দিনেই ৪ দিন নেপাল (Nepal) সফরে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi)। এদিন সন্ধ্যায় বুদ্ধজয়ন্তী (Buddha Jayanti) উপলক্ষে লুম্বিনি ডেভলপমেন্ট ট্রাস্টের উদ্যোগে একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, ভারতের সহযোগিতায় নেপালে লুম্বিনি মিউজিয়াম তৈরি হওয়াটা ভারত-নেপাল (India-Nepal) সৌহার্দ্যের প্রতীক। দু’ দেশের মধ্যে সুসম্পর্কের ইঙ্গিত বহন করে এই মিউজিয়াম। 

    লুম্বিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে দেশের সংবিধান প্রণেতা বি আর অম্বেদকরের (Ambedkar) নামে ‘চেয়ার ফর বুদ্ধিষ্ট স্টাডিজ’ তৈরির কথা ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী। মোদির জন্মস্থান গুজরাতের ভডনগরে প্রাচীন বৌদ্ধশিক্ষার কেন্দ্র ছিল বলেও জানান তিনি। এখনও সেখানে সেই প্রাচীন ঐতিহাসিক নিদর্শন মেলে। মোদি বলেন, “বৈশাখী পূর্ণিমার দিন লুম্বিনিতে বুদ্ধের জন্ম, ওই দিনই বুদ্ধগয়ায় তাঁর বোধিসত্ত্ব প্রাপ্ত এমনকি ওই একই দিনে কুশীনগরে তাঁর মহাপরিনির্বাণ দার্শনিক ইঙ্গিত বহন করে। একই তিথিতে বুদ্ধের জন্ম-জ্ঞান-নির্বাণ লাভ ঐতিহ্য বহন করে।”

    [tw]


    [/tw]

    এদিন লুম্বিনি বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানান পড়শি দেশের প্রধানমন্ত্রী শের বাহাদুর দেউবা এবং তাঁর স্ত্রী। ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানাতে ছিলেন নেপাল মন্ত্রিসভার একাধিক সদস্য। এদিন নেপাল (Modi in Nepal) নেমেই মায়াদেবী মন্দিরে পুজো দেন নরেন্দ্র মোদি। গৌতম বুদ্ধের (Gautam Buddha) জন্মস্থান হিসেবে পরিচিত এই মন্দির। পাশাপাশি মন্দির সংলগ্ন অশোকস্তম্ভে প্রদীপ জ্বালানোর পাশাপাশি বোধিবৃক্ষে জল ঢালেন দুই প্রধানমন্ত্রী। ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ২০১৪-তে শপথ নিয়েই নেপাল সরকারকে এই বৃক্ষ উপহার দিয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদি। 

    জলবিদ্যুৎ প্রকল্প এবং যোগাযোগ ব্যবস্থায় দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও মজবুত করতে এই সফর কার্যকরী ভূমিকা নেবে, বলে ট্যুইটবার্তায় জানান মোদি। ২০২০ সালে নেপালের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী কেপি অলির ভ্রান্ত বিদেশনীতির জেরে প্রভাবিত হয়েছিল ইন্দো-নেপাল সম্পর্ক। সীমান্তের ঝুলে থাকা কালাপানি এলাকাকে নেপালের দাবি করে মানচিত্র প্রকাশ করছিল নেপাল সরকার। সেই নিয়ে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছিল নয়াদিল্লি।

    কিন্তু ওলি সরকারের পতনের পরে সেদেশে এখন দেউবা সরকার। শেরবাহাদুর দেউবা ক্ষমতায় এসেই ভারতের সঙ্গে তিক্ততা সরাতে উদ্যোগ নিয়েছেন। তাই দ্বিপাক্ষিক স্তরে ঝুলে থাকা সব সমস্যার সমধান আলোচনা এবং কূটনৈতিক পথেই সম্ভব বলে যৌথ বিবৃতিতে জানিয়েছে ইন্দো-নেপাল।

  • Buddha Purnima 2022: কেন উৎযাপিত হয় বুদ্ধ পূর্ণিমা? জানুন এই শুভদিনের মাহাত্ম্য ও তাৎপর্য 

    Buddha Purnima 2022: কেন উৎযাপিত হয় বুদ্ধ পূর্ণিমা? জানুন এই শুভদিনের মাহাত্ম্য ও তাৎপর্য 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দুধর্ম এবং বৌদ্ধধর্ম সংস্কৃতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎসব হল বুদ্ধ পূর্ণিমা। এটি ভগবান বুদ্ধের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে পালন করা হয় এবং বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের বার্ষিক উৎসব এটি। এই বছর বুদ্ধ পূর্ণিমা ১৬ মে গোটা দেশে উদযাপিত হবে। ভগবান বুদ্ধই বৌদ্ধ ধর্ম প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তাঁকে ভগবান বিষ্ণুর অবতার বলেও মনে করা হয়। আসুন এই উৎসব সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।

    বুদ্ধ পূর্ণিমার সময় 

    ১৬ মে, ২০২২ (সোমবার)

    বুদ্ধ পূর্ণিমার শুভ মুহূর্ত

    পূর্ণিমা তিথি শুরু -২৫ শে মে ২০২১ মঙ্গলবার সন্ধে ৮টা ২৯ মিনিট।
    পূর্ণিমা তিথি শেষ – ২৬ শে মে ২০২১, বুধবার বিকেল ৪টে ৪৩ মিনিট পর্যন্ত।

    ইতিহাস 

    ভগবান বুদ্ধ বা গৌতম বুদ্ধ নেপালের লুম্বিনী-তে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তাঁর পিতার নাম রাজা শুদ্ধোধন এবং মাতা ছিলেন মায়াদেবী। জন্মের পর তাঁর নাম ছিল সিদ্ধার্থ গৌতম। তাঁর জন্মের পরে একজন সাধু তাঁকে দেখে ভবিষ্যদ্বাণী করেন যে, এই শিশু পরবর্তীকালে একজন রাজচক্রবর্তী অথবা একজন সিদ্ধ সাধক হবেন। রাজকুমার নিজেকে পার্থিব বাসনা এবং বস্তুবাদী বন্ধন থেকে দূরে রাখবেন।

    কথিত আছে, উনত্রিশ বছর বয়সে রাজকুমার সিদ্ধার্থ প্রাসাদ থেকে কয়েকবার ভ্রমণে বেরোলে তিনি একজন বৃদ্ধ মানুষ, একজন অসুস্থ মানুষ, একজন মৃত মানুষ ও একজন সন্ন্যাসীকে দেখতে পান। এই দৃশ্যগুলি দেখে সিদ্ধার্থ তাঁর রাজজীবন ত্যাগ করে একজন সন্ন্যাসীর জীবনযাপনের সিদ্ধান্ত নেন। সিদ্ধার্থ এক রাত্রে তাঁর পরিবারকে নিঃশব্দ বিদায় জানিয়ে রাজ প্রাসাদ ত্যাগ করেন। এরপর তিনি আধ্যাত্মিকতার পথে হাঁটেন এবং শীঘ্রই তিনি বিহারের বুদ্ধগয়াতে বোধি গাছের নীচে সত্য জ্ঞান অর্জন করেন।

    বুদ্ধ পূর্ণিমা কী ?

    গোটা দুনিয়া জুড়েজু বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী এবং হিন্দুরা গৌতম বুদ্ধের জন্ম বুদ্ধ জয়ন্তী হিসাবে উদযাপন করে। ৫৬৩ খ্রিষ্টাব্দে নেপালের লুম্বিনিতে পূর্ণিমা তিথিতে বুদ্ধের রাজপুত্র সিদ্ধার্থ গৌতম হিসাবে জন্ম হয়েছিল। সুতরাং, তাঁর জন্মবার্ষিকীর দিনটি বুদ্ধ পূর্ণিমা বা বুদ্ধজয়ন্তী বা ভেসাক নামেও পরিচিত। বিশেষ করে শ্রীলঙ্কা, মায়ানমার, কম্বোডিয়া, জাভা, ইন্দোনেশিয়া, তিব্বত, মঙ্গোলিয়ায় উৎসবের মধ্য দিয়ে বুদ্ধজয়ন্তীর বিশেষ দিনটিকে ‘ভেসাক’ উৎসব হিসাবে পালন করা হয়।

    বুদ্ধ পূর্ণিমার গুরুত্ব

    বৈশাখী পূর্ণিমার তিথিতে সূর্যোদয়ের পর স্নান করে শ্রী শ্রী বিষ্ণুর পুজো করা হয়। এদিন ধর্মরাজের পুজো করারও রীতি বেশ প্রচলিত আছে। সত্যবিনায়ক ব্রত করলে ধর্মরাজ প্রসন্ন হন। ধর্মরাজ যম হল মৃত্যুর দেবতা। তাই যমকে প্রসন্ন করলে অকাল মৃত্যুর যে ভয়, তার থেকে মুক্তি লাভ করা যায়। সাধারণত পূর্ণিমার দিনে তিল ও চিনির দান শুভ বলে মনে করা হয়। এর ফলে অজান্তে হওয়া পাপ থেকে মুক্তি লাভ
    করা যায়।

    বুদ্ধ পূর্ণিমার তাৎপর্য 

    ১) ভক্তরা বিশ্বাস করেন যে বুদ্ধ পূর্ণিমার দিন ভোরবেলা স্নান করলে সমস্ত পাপ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। ২) এই দিনটিতে অনেকেই দান-ধ্যান করেন, যারা দরিদ্র তাদের খাওয়ান। ৩) প্রতিবছর এই দিনে বিশ্বের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা প্রচুর ভক্তের সমাগম হয় বুদ্ধগয়া-য়।

    বুদ্ধ পূর্ণিমার আচার-অনুষ্ঠান 

    ১) ভগবান বুদ্ধের ভক্তরা এদিন ভোরে উঠে পবিত্র স্নান সেরে তাঁর জন্মবার্ষিকী পালন শুরু করেন। ২) এদিন ঘর পরিষ্কার করা হয় এবং চারিদিকে গঙ্গা নদীর পবিত্র জল ছেটানো হয়। ফুল এবং পাতা দিয়ে বাড়ি সাজানো হয়। ৩) বাড়ির প্রবেশপথে হলুদ, রোলি এবং গঙ্গাজল দিয়ে স্বস্তিক চিণ্হ আঁকা হয়, যা হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কাছে একটি পবিত্র চিহ্ন হিসেবে বিবেচিত। ৪) বৌদ্ধ ধর্মগ্রন্থ পাঠ করা হয় এবং বৌদ্ধধর্ম অনুসরণকারীরা এই দিনে বুদ্ধগয়া-তে যান। ৫) বোধি গাছের উপাসনা করা হয়। ৬) রঙিন পুষ্পমালা গাছে বাঁধা হয় এবং ভক্তরা গাছের গোড়ায় দুধ ও জল ঢালেন।

     

LinkedIn
Share