Tag: Buddhadeb Bhattacharjee

Buddhadeb Bhattacharjee

  • Taslima Nasreen: ১৯ বছর পর কলকাতায় তসলিমা, ফিরল ২০০৭-এর সেই বিতর্কিত স্মৃতি

    Taslima Nasreen: ১৯ বছর পর কলকাতায় তসলিমা, ফিরল ২০০৭-এর সেই বিতর্কিত স্মৃতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৩৪ বছরের বাম সূর্য অস্ত গিয়েছে। পাটে বসেছে ১৫ বছরের তৃণমূল-ভাস্করও। চলতি বছরই রাজ্যে প্রাণ প্রতিষ্ঠা হয়েছে প্রথম বিজেপি সরকারের। তার পরেই এক এক করে খুলে পড়ছে বাম এবং তৃণমূল সরকারের মুখোশ (Taslima Nasreen)। স্রেফ ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতিকে হাতিয়ার করেই কেউ ৩৪, কেউ আবার দিব্যি আরাম-আয়েশ করে ১৫ বছর কাটিয়ে দিয়েছে মহাকরণ এবং তারই পোর্টেবল সংস্করণ নবান্নে (Left Front Govt)। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে দাবার বোড়ে করে আদতে আখের গুছিয়ে গিয়েছেন বাম এবং তৃণমূলের ভোট কারবারিরা।

    পদ্ম জমানায় কলকাতায় ‘মুক্তমনা’ তসলিমা (Taslima Nasreen)  

    রাজ্যে পালাবদলের পর সরকার গড়েছে বিজেপি। এই পদ্ম জমানায়ই বুক ভরে শ্বাস নিতে পারছেন ‘মুক্তমনা’রা। ২০০৭ সালে বাম জমানায় প্রবল আন্দোলনের জেরে কলকাতা ছাড়তে হয়েছিল বাংলাদেশের নির্বাসিত লেখিকা তসলিমা নাসরিনকে। ‘দ্বিখণ্ডিত’র জননী বড় দুঃখে ছেড়েছিলেন তাঁর ‘সেকেন্ড হোম’ কলকাতা। ১৯ বছর পর সেই তিনিই ফিরলেন আবারও কলকাতায়। যখন শহর ছেড়েছিলেন, চাক্ষুষ করেছিলেন মৌলবাদীদের দাপাদাপি। আর যখন ফিরলেন, তখন দেখলেন আক্ষরিক অর্থেই একটু একটু করে গড়ে উঠছে সোনার বাংলা। প্রায় ১৯ বছর পর কলকাতায় ফিরে তসলিমা নিজেই বলেছেন, এই শহরের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক গভীর। তাঁর প্রত্যাবর্তনের আবহে ফের আলোচনায় এসেছে—কেন ২০০৭ সালে তাঁকে পশ্চিমবঙ্গ ছাড়তে হয়েছিল, কীভাবে কলকাতার রাজপথে হিংসাত্মক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছিল এবং সেই পরিস্থিতিতে তৎকালীন বামফ্রন্ট সরকারের ভূমিকা কী ছিল।

     ‘লজ্জা’ থেকে নির্বাসন, শুরুটা বাংলাদেশে

    তসলিমার নির্বাসনের ইতিহাস অবশ্য কলকাতায় শুরু হয়নি। ১৯৯৪ সালে বাংলাদেশ ছাড়তে বাধ্য হওয়ার আগে থেকেই তাঁর লেখা নিয়ে মৌলবাদী সংগঠনগুলির তীব্র বিরোধিতা শুরু হয়েছিল। ১৯৯২ সালে বাবরি মসজিদ ধ্বংসের পর বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর হামলা ও নির্যাতনের প্রেক্ষাপট উঠে আসে তাঁর বহুল আলোচিত উপন্যাস ‘লজ্জা’-য়। বইটি প্রকাশের পর তীব্র প্রতিবাদ শুরু হয়। মৌলবাদী গোষ্ঠীগুলি তাঁকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। শেষ পর্যন্ত ১৯৯৪ সালে দেশ ছাড়তে বাধ্য হন তসলিম। পরবর্তী সময়ে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে থেকেছেন। কিন্তু মাতৃভাষা ও বাংলার সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক কখনও ছিন্ন হয়নি।

    কলকাতায় আশ্রয়, তারপর নতুন সংঘাত

    ২০০৪ সালে ভারতে থাকার অনুমতি পাওয়ার পর কলকাতায় আসেন তসলিমা। শহরের সাহিত্যিক ও বুদ্ধিজীবী মহলের একাংশ তাঁকে স্বাগত জানিয়েছিল। কলকাতাকেই তিনি নিজের নতুন ঠিকানা হিসেবে দেখতে শুরু করেন। কিন্তু তাঁর লেখা ও বক্তব্যকে ঘিরে বিরোধ থামেনি। ২০০৩ সালে প্রকাশিত তাঁর আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ ‘দ্বিখণ্ডিত’ পশ্চিমবঙ্গে নিষিদ্ধ করেছিল তৎকালীন বামফ্রন্ট সরকার। পরে কলকাতা হাইকোর্ট সেই নিষেধাজ্ঞা তুলে দেয়। আদালতের পর্যবেক্ষণকে কেন্দ্র করে বইটি নিষিদ্ধ করার সরকারি সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন ওঠে (Taslima Nasreen)।

    কলকাতার রাজপথে অশান্তি

    ২০০৭ সালের ২১ নভেম্বর তসলিমাকে ঘিরে কলকাতায় পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার নেয়। অল ইন্ডিয়া মাইনরিটি ফোরামের নেতৃত্বে বিক্ষোভকারীরা তসলিমার ভারতে থাকার অনুমতি বাতিল এবং তাঁকে সরিয়ে দেওয়ার দাবি তোলে। বিক্ষোভ দ্রুত হিংসার রূপ নেয়। পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ, ইটবৃষ্টি, যানবাহনে আগুন এবং পথ অবরোধে স্তব্ধ হয়ে যায় কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকা (Left Front Govt)। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শেষ পর্যন্ত সেনা নামাতে হয়। সে দিন প্রায় ৪০ জন আহত হন, যাঁদের অধিকাংশই ছিলেন পুলিশকর্মী। বহু মানুষকে গ্রেফতার করা হয় এবং সংশ্লিষ্ট এলাকায় রাতের কারফিউ জারি করা হয়েছিল। অর্থাৎ, তসলিমাকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া বিক্ষোভ শুধু একটি সাহিত্যিক বা ধর্মীয় বিতর্কে সীমাবদ্ধ থাকেনি, তা রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। সমালোচকদের অভিযোগ, বামফ্রন্ট সরকার মৌলবাদী বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার বদলে তসলিমাকেই সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। তাঁদের যুক্তি, একজন লেখিকার মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষার বদলে সরকার বিক্ষোভকারীদের চাপের কাছে নতি স্বীকার করেছিল। অগত্যা বাংলা ছাড়তে হয় তসলিমাকে।

    নিরাপদ আশ্রয় থেকে জয়পুরে, দিল্লিতে

    কলকাতার নিরাপদ আশ্রয় ছেড়ে তসলিমাকে চলে যেতে হয় জয়পুরে। সেখানেও প্রতিবাদ-আন্দোলন শুরু হয় বাংলাদেশের নির্বাসিত লেখিকাকে নিয়ে যাওয়া হয় দিল্লিতে। যদিও নিরাপত্তাজনিত কারণে দিল্লিতেও তাঁর চলাফেরায় ছিল নানা বিধিনিষেধের বেড়ি। ২০০৮ সালে পরিস্থিতির চাপে তিনি সাময়িকভাবে ভারত ছেড়ে সুইডেনে চলে যান। পরে আবার ভারতে ফিরে এসে দিল্লিতে বসবাস শুরু করেন (Taslima Nasreen)।

    বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক

    ২০০৭ সালের ঘটনায় তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের ভূমিকা আজও রাজনৈতিক বিতর্কের বিষয়। সমালোচকদের বক্তব্য, নিজেকে সাহিত্য ও সংস্কৃতির সঙ্গে যুক্ত এবং মুক্তচিন্তার সমর্থক হিসেবে তুলে ধরা এক মুখ্যমন্ত্রীর সরকারের কাছ থেকে আরও দৃঢ় অবস্থান প্রত্যাশিত ছিল। তাঁদের প্রশ্ন—রাজপথে হিংসা ছড়ানো বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা না নিয়ে কেন একজন লেখিকাকেই শেষ পর্যন্ত রাজ্য ছাড়তে হল?

    তুষ্টিকরণের রাজনীতি

    ২০০৭ সালের ঘটনার পর থেকেই বামেদের বিরুদ্ধে ‘তোষণের রাজনীতি’র অভিযোগ উঠেছে (Left Front Govt)। সমালোচকদের বক্তব্য, মুখে ধর্মনিরপেক্ষতার কথা বললেও, সরকার সেদিন শেষ পর্যন্ত মৌলবাদী চাপের কাছে নতি স্বীকার করেছিল। পরবর্তী সময়ে তসলিমা নাসরিনকে ভারতে থাকার অনুমতি দেওয়ার প্রশ্নে কেন্দ্রীয় সরকারের অবস্থান নিয়েও বিতর্ক হয়েছে। বিজেপির সমর্থকেরা দাবি করেন, মৌলবাদী হুমকির কাছে নতি স্বীকার না করে তসলিমাকে ভারতে থাকার সুযোগ দেওয়ার ক্ষেত্রে কেন্দ্রের ভূমিকা প্রশংসনীয়। তবে তসলিমার ভারতে থাকা মূলত কেন্দ্রীয় সরকারের দেওয়া অনুমতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত একটি প্রশাসনিক বিষয়। একে কোনও একটি রাজনৈতিক দলের একক কৃতিত্ব হিসেবে দেখার আগে সংশ্লিষ্ট সরকারি সিদ্ধান্ত ও সময়কাল আলাদা করে বিচার করা প্রয়োজন (Taslima Nasreen)।

    ১৯ বছর পর ফের কলকাতায়

    দীর্ঘ ১৯ বছর পর ২০২৬ সালের জুলাইয়ের শেষ দিকে কলকাতায় ফিরেছেন তসলিমা। বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন অনুরাগীরা। কঠোর নিরাপত্তার মধ্যেই কলকাতায় প্রত্যাবর্তন হয় তাঁর। বিমানবন্দরে পা দিয়েই তসলিমা জানান, কলকাতার সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক এখনও গভীর। তিনি বলেন, এই প্রত্যাবর্তন তাঁর কাছে আবেগের। এমনকি নিরাপত্তার নিশ্চয়তা থাকলে কলকাতায় আরও বেশি সময় থাকার ইচ্ছার কথাও জানিয়েছেন তিনি। তাঁর এই প্রত্যাবর্তন তাই শুধু একজন নির্বাসিত লেখিকার শহরে ফেরার ঘটনা নয়। ২০০৭ সালের সেই রাত, রাজপথের হিংসা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, ধর্মীয় মৌলবাদ, প্রশাসনের ভূমিকা (Left Front Govt) এবং অবশ্যই তোষণ-তুষ্টিকরণের রাজনীতি—সব কিছুই আবারও জাগরুক বঙ্গবাসীর স্মৃতিতে (Taslima Nasreen)।

     

  • Mira Bhattacharya Security: রাজ্য-রাজনীতিতে সৌজন্যের বার্তা! বুদ্ধ-জায়া মীরা ভট্টাচার্যের নিরাপত্তা ফেরাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু

    Mira Bhattacharya Security: রাজ্য-রাজনীতিতে সৌজন্যের বার্তা! বুদ্ধ-জায়া মীরা ভট্টাচার্যের নিরাপত্তা ফেরাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য-রাজনীতিতে সৌজন্যের বার্তা। রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর প্রশাসনিক সিদ্ধান্তেও আসতে শুরু করেছে বদল। এবার সেই তালিকায় যোগ হল একটি ব্যতিক্রমী পদক্ষেপ। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের (Buddhadeb Bhattacharjee) স্ত্রী মীরা ভট্টাচার্যের (Mira Bhattacharya) জন্য ফের নিরাপত্তা ব্যবস্থা চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নতুন রাজ্য সরকার। রাজনৈতিক মতাদর্শে বিস্তর ফারাক থাকা সত্ত্বেও প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর পরিবারের প্রতি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari)সম্মান প্রদর্শনের এই সিদ্ধান্ত বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

    শীঘ্রই পাম অ্যাভিনিউয়ের ফ্ল্যাটে ফের নিরাপত্তারক্ষী

    ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট প্রয়াত হন পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। তাঁর মৃত্যুর পর পাম অ্যাভিনিউয়ের ৫৯এ নম্বরের ছোট্ট ফ্ল্যাটেই আগের মতো বসবাস করে আসছেন তাঁর স্ত্রী মীরা ভট্টাচার্য। তবে মীরা দেবীর জীবনযাত্রায় কোনও জৌলুস আসেনি। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি অত্যন্ত সাধারণ ও অনাড়ম্বর জীবনযাপন করছেন, যা বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের রাজনৈতিক জীবনেরও অন্যতম পরিচয় ছিল। সূত্রের খবর, বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের মৃত্যুর পর তৎকালীন রাজ্য সরকার ওই ফ্ল্যাটের নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রত্যাহার করে নেয়। সেই সিদ্ধান্তকে ঘিরে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছিল। তবে সরকার পরিবর্তনের পর সেই অবস্থান বদলাতে চলেছে। নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী মীরা ভট্টাচার্যের নিরাপত্তা পুনর্বহালের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। খুব শীঘ্রই পাম অ্যাভিনিউয়ের ফ্ল্যাটে ফের নিরাপত্তারক্ষী মোতায়েন করা হবে।

    সহজ-সরল জীবনযাত্রা মীরা-দেবীর

    বর্তমানে মীরা দেবী একাই থাকেন ওই ফ্ল্যাটে। স্বামী বুদ্ধদেব থাকাকালীন যেমন সহজ ও সাধারণ জীবনযাত্রা ছিল এখনও তাই। এই ছোট্ট ফ্ল্যাট বদলানোর কথা স্বয়ং জ্যোতি বসুও নাকি একসময়ে বলেছিলেন। কিন্তু বুদ্ধবাবু চেয়েছিলেন এখানেই থাকতে। স্বামীর মৃত্যুর পর মীরা দেবীও সেই সিদ্ধান্তেই অটল থেকেছেন। রাজ্যে পরিবর্তনের পর তাকে স্বাগতও জানিয়েছিলেন। মতাদর্শগত ফারাক মাথায় রেখেও নতুন সরকারের প্রশংসা করতে দেখা যায় তাঁকে। প্রার্থনা করেছিলেন, ২০১১ সালের আগে যেমন সিন্ডিকেট রাজ ছিল না, সেই পরিস্থিতিই যেন ফিরে আসে বাংলায়। ভোটের সময় যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল গেরুয়া শিবির, তা পূরণ হবে বলেই আশা প্রকাশ করেন মীরা।

    রাজনৈতিক সৌজন্যের অনন্য নজির

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই সিদ্ধান্ত শুধুমাত্র নিরাপত্তা সংক্রান্ত প্রশাসনিক পদক্ষেপ নয়, বরং রাজনৈতিক সৌজন্যেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা। কারণ, বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য এবং শুভেন্দু অধিকারী সম্পূর্ণ ভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শের প্রতিনিধি। তবুও রাজনৈতিক বিরোধিতাকে ব্যক্তিগত সম্পর্ক বা সম্মানের পথে বাধা হতে দেননি বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী। বিরোধী রাজনৈতিক শিবিরের একজন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর পরিবারের প্রতি এই সম্মান প্রদর্শন বাংলার রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে ইতিবাচক বার্তা বহন করছে বলেই মত অনেকের।

  • Buddhadeb Bhattacharjee: প্রয়াত প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য

    Buddhadeb Bhattacharjee: প্রয়াত প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রয়াত পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য (Buddhadeb Bhattacharjee)। পশ্চিমবঙ্গে ৩৪ বছরের বামফ্রন্ট (CPM) শাসনের দ্বিতীয় তথা শেষ মুখ্যমন্ত্রীর মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। বৃহস্পতিবার সকালে এই খবর জানান তাঁর সন্তান সুচেতন ভট্টাচার্য। তিনি জানান, প্রাতঃরাশ সেরে সকালে বিশ্রাম নেওয়ার সময়ই অসুস্থ বোধ করেন বুদ্ধদেব। এদিন সকাল ৮টা ২০ মিনিটে পাম অ্যাভিনিউয়ের বাড়িতেই তিনি প্রয়াত হন। খবর পেয়ে সুচেতন সেখানে পৌঁছেছেন। তাঁর মৃত্যুতে শোকাহত রাজনৈতিক মহল।

    শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন

    গত কয়েকদিন ধরেই শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন। এদিন সকাল থেকে শ্বাসকষ্ট বেড়েছিল। অক্সিজেন দেওয়া হলেও শেষরক্ষা হয়নি। দীর্ঘ দিন ধরেই গুরুতর শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা (সিওপিডি)-তে ভুগছিলেন বুদ্ধদেব (Buddhadeb Bhattacharjee)। অসুস্থতার কারণে শেষ কয়েক বছর কার্যত গৃহবন্দিই ছিলেন। শেষবার দলীয় কর্মসূচিতে দেখা গিয়েছিল ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে। ভগ্ন শরীর নিয়েই কোনওক্রমে ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ড পর্যন্ত এসেছিলেন। কিন্তু মঞ্চে উঠতে পারেননি। একাধিক বার হাসপাতালে ভর্তি করাতে হয় তাঁকে। ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসে প্রবল শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন বুদ্ধদেব। সেই সময়েও কয়েক দিন ভেন্টিলেশনে রাখতে হয় তাঁকে। সেখান থেকে বিপন্মুক্ত হয়ে বাড়ি ফেরেন। গত বছরের ৯ অগাস্ট হাসপাতাল থেকে বিপন্মুক্ত হয়ে বাড়ি ফিরেছিলেন বুদ্ধদেব। ২৯ জুলাই আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে ভর্তি করানো হয়েছিল দক্ষিণ কলকাতার আলিপুরের এক বেসরকারি হাসপাতালে। বেশ কয়েক দিন তাঁকে ভেন্টিলেশন (ইনভেসিভ) সাপোর্টে রাখেন চিকিৎসকেরা। 

    আরও পড়ুন: ‘‘কুস্তির কাছে আমি হেরে গেলাম’’, ক্ষমা চেয়ে অবসর ঘোষণা বিনেশ ফোগাটের

    রাজনৈতিক জীবন

    ২০০০ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত টানা ১১ বছর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী (Buddhadeb Bhattacharjee) ছিলেন তিনি। ২০০৬ সালে ২৩৫ আসনে জিতে ক্ষমতায় ফেরা মুখ্যমন্ত্রীকে পাঁচ বছর পরই শোচনীয় পরাজয়ের মুখে পড়তে হয়। ২০১১ সালে পশ্চিমবঙ্গে অবসান হয় সাড়ে ৩৪ বছরের একটানা বাম শাসনের (CPM) । তাঁর আমলের শেষ পাঁচ বছরে কৃষি থেকে সরে শিল্পায়নকে আঁকড়ে ধরতে গিয়েই বুদ্ধদেবের পায়ের তলার জমি সরে যায়। ২০১১ সালে যাদবপুর কেন্দ্রে হারার পর থেকেই সেভাবে দলের সক্রিয় কোনও কর্মসূচিতে দেখা যায়নি তাঁকে। শারীরিক সমস্যার জন্য ১১ বছর ধরে ঘরবন্দি ছিলেন বাংলার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর প্রয়াণের সঙ্গেই শেষ হল বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি অধ্যায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rejinagar Industrial Area:  বুদ্ধদেবের আমলে শিলান্যাস, মমতার আমলেও খাঁ খাঁ করছে রেজিনগর শিল্পতালুক!

    Rejinagar Industrial Area: বুদ্ধদেবের আমলে শিলান্যাস, মমতার আমলেও খাঁ খাঁ করছে রেজিনগর শিল্পতালুক!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় এক দশক অতিক্রান্ত! কিন্তু শিল্পের দেখা নেই রেজিনগর শিল্পতালুকে (Rejinagar Industrial Area)। বুদ্ধদেবের আমলে শিলান্যাস, মমতার আমলেও খাঁ খাঁ করছে রেজিনগর শিল্পতালুক। বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনের পর আসার কথা ছিল ‘কৌশিস ই মিবিলিটি প্রাইভেট লিমিটেড’-এর। ‘ই-বাস’ নির্মাণ কারখানা গড়ে তোলা হবে বলে রাজ্য সরকারের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরও হয়েছিল। কিন্তু রাজ্যে কারখানার নির্মাণ কোথায়? এই বছর আবার বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলন হবে, কিন্তু শিল্পের দেখা কি সত্যিই মিলবে? তাই নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে মুর্শিদাবাদ জেলার মানুষের মনে। শিল্প নিয়ে রাজ্য সরকার কতটা ইচ্ছাশক্তি রাখে, তাও প্রশ্নের সম্মুখীন। তাই জেলার ব্যবসায়ীরা বলেছেন, এবারের বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মলনে সুযোগ পেলে বিষয়টি তুলে ধরবেন। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, শিল্পতালুকে বিদ্যুৎ এবং জল নেই, জনমানুষের অভাব, খাঁ খাঁ করছে শিল্পতালুক। কারখানা হলে কিছু কর্মসংস্থান হত। তাই কবে কারখানা হয়, তাই এখন দেখার।

    মুর্শিদাবাদ জেলা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের বক্তব্য 

    জেলা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সাধারণ সম্পাদক স্বপন কুমার ভট্টাচার্য বলেন, “গত বারের বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনে রেজিনগর শিল্প তালুকে (Rejinagar Industrial Area) ই-বাস তৈরির কারখানার জন্য রাজ্য সরকারের সঙ্গে একটি কোম্পানির চুক্তি হয়েছিল। কিন্তু এবছর আরও একটি সম্মেলন আসতে চলেছে, কারখানার কোনও দেখা মেলেনি। মুর্শিদাবাদ জেলার বহু মানুষ পরিযায়ী শ্রমিক হিসাবে অন্য রাজ্যে চলে গিয়েছেন কাজের জন্য। জেলায় কোনও শিল্প নেই, তাই এই জেলায় শিল্প হলে অনেক মানুষের কর্মসংস্থান হতো।”

    জেলা শিল্পকেন্দ্রের বক্তব্য (Rejinagar Industrial Area)  

    এই জেলার শিল্পকেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত জেনারেল ম্যানেজার আহমোদুল্লা তালিব বলেন, “আগামী ২১-২২ নভেম্বর কলকাতায় বিশ্ববঙ্গ সম্মেলন হবে। দুই দিন দুই পর্বে আমাদের জেলার বিভিন্ন বিভাগের ৩০ জন উদ্যোগী ব্যবসায়ী উপস্থিত থাকবেন। জেলা কেন্দ্রে আগামী শনিবার এই নিয়ে একটি বৈঠক করা হবে।” আবার রেজিনগর প্রসঙ্গে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, “আমি সবেমাত্র দায়িত্ব নিয়েছি। রেজিনগর শিল্পতালুকে (Rejinagar Industrial Area) ই-বাস তৈরির কারখানার বিষয়ে আমি কিছু জানি না।”

    জেলা প্রশাসনের বক্তব্য

    মুর্শিদাবাদ জেলা প্রাশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ২০০৮ সালে তৎকালীন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য রেজিনগরে ১৮৭ একর জমিতে শিল্পতালুকের শিলান্যাস করেছিলেন। সেই সময় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল রাজ্যের সংস্থা ওয়েস্ট বেঙ্গল স্মল ইন্ডাস্ট্রিজ ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশনকে। ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কের কাছেই এই শিল্পতালুক (Rejinagar Industrial Area)।  কিন্তু তারপর আর কিছু এগোয়নি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Buddhadeb Bhattacharjee: শীঘ্রই ছুটি পাচ্ছেন বুদ্ধদেব, সেট-আপ দেখতে বাড়িতে মেডিক্যাল টিম

    Buddhadeb Bhattacharjee: শীঘ্রই ছুটি পাচ্ছেন বুদ্ধদেব, সেট-আপ দেখতে বাড়িতে মেডিক্যাল টিম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভালো আছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য (Buddhadeb Bhattacharjee)। এবার তাঁকে বাড়িতে পাঠানোর তোড়জোড় শুরু করল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। জানা গিয়েছে, মঙ্গলবারই হাসপাতালের একটি টিম যায় বুদ্ধদেব বাবুর (Buddhadeb Bhattacharjee) বাড়িতে। এবং সেখানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা খতিয়ে দেখে ওই মেডিক্যাল টিম। শনিবার থেকে অ্যান্টিবায়োটিক বন্ধ হয়েছে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের। অ্যান্টিবায়োটিক ছাড়াও তিনি সম্পূর্ণভাবে সংক্রমণমুক্ত এবং সুস্থ রয়েছেন, তাই তাঁকে বাড়ি পাঠানোর প্রস্তুতি শুরু করে দিল কলকাতার এই বেসরকারি হাসপাতাল।  এদিন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের পাম অ্যাভিনিউর বাড়িতে যান হাসপাতালে ৪ সদস্যের একটি হোমকেয়ার টিম।

    বাড়িতেও রাখা হবে হাসপাতালের ব্যবস্থা

    জানা গিয়েছে, বাড়িতেও হাসপাতালে মত পর্যবেক্ষণে রাখা হবে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে। রাইলস টিউব পরানোই থাকবে, পাশাপাশি বাইপ্যাপও চলতে থাকবে। সোমবারই বেশ কয়েকটি রক্ত পরীক্ষা করানো হয় বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের। সেখানে সব রিপোর্টই ভাল এসেছে। বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের (Buddhadeb Bhattacharjee) শারীরিক অবস্থা নিয়ে মঙ্গলবার ফের একবার মেডিক্যাল বোর্ডের মিটিংয়ে বসার কথা। সেখানেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে, ঠিক কবে নাগাদ তাঁকে ছাড়া হবে। বাড়িতে রাখা হবে অক্সিজেন কন্সেন্ট্রেটর এবং নেবুলাইজারও।

    ২৯ জুলাই ভর্তি হন হাসপাতালে 

    প্রসঙ্গত, গত ২৯ জুলাই জ্বরের সঙ্গে শাসনালী ও ফুসফুসের সংক্রমণ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য (Buddhadeb Bhattacharjee)। ঐদিন বিকালে ক্রিটিকাল কেয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে তাঁকে বাড়ি থেকে নিয়ে আসা হয়। এরপর মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর চিকিৎসার জন্য। হাসপাতালে তাঁকে দেখতে আসেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে  শুভেন্দু অধিকারী প্রত্যেকেই। আসেন চলচ্চিত্র জগতের কলাকুশলীরাও। জানা গিয়েছে, সুস্থ বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য রবিবার নিজের মনে রবীন্দ্র সঙ্গীতও গেয়ে উঠেছেন। তিনি উঠে দাঁড়াতে পারছেন। এদিন বসে চিকিৎসকদের সঙ্গেও কথাও বলেছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।

    আরও পড়ুন: বিক্ষিপ্ত অশান্তি চিত্রাঙ্গদার দেশে, মণিপুর সহ আট রাজ্যের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন মোদি

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Buddhadeb Bhattacharjee: ভাল আছেন বুদ্ধদেব, বুধবারে ফিরতে পারেন বাড়ি

    Buddhadeb Bhattacharjee: ভাল আছেন বুদ্ধদেব, বুধবারে ফিরতে পারেন বাড়ি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি সপ্তাহের বুধবার হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেতে পারেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য (Buddhadeb Bhattacharjee)। জানা গিয়েছে, তাঁর ছুটি নিয়ে সোমবারই বৈঠকে বসেছিল মেডিক্যাল বোর্ড। এবং সেখানেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, আগের থেকে অনেকটাই শারীরিক উন্নতি ঘটেছে রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর (Buddhadeb Bhattacharjee)। তাঁর শরীরে সংক্রমণও নেই। প্রসঙ্গত, গত ২৯ জুলাই শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে আলিপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।

    সংক্রমণমুক্ত বুদ্ধদেব (Buddhadeb Bhattacharjee)  

    সোমবার হাসপাতালের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য বর্তমানে সংক্রমণ মুক্ত রয়েছেন। মঙ্গলবার বুদ্ধদেবের (Buddhadeb Bhattacharjee) আরও কতগুলো রক্ত পরীক্ষা করানো হবে বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এবং সব পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার পর যদি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের মনে হয়, তখনই বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে ছাড়া হতে পারে। হাসপাতাল সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য এখনও কঠিন খাবার খেতে পারছেন না। এবং যার ফলে রাইস টিউবেই তাঁর শরীরে খাবার প্রবেশ করছে। তিনি বর্তমানে উঠে দাঁড়াতে পারছেন বলেও জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য বাড়ি ফিরলে সেখানেও হাসপাতালের মতোই সর্বক্ষণ পর্যবেক্ষণে রাখা হবে তাঁকে। এবং একজন নার্স সর্বদা দেখাশোনা করবেন বাড়িতেই। রাখা হবে বাইপ্যাপ সাপোর্ট, নেবুলাইজেশন ইত্যাদি। বর্তমানে বুদ্ধদেব তাঁর প্রিয় রবীন্দ্র সংগীত শুনছেন।  

    শনিবার থেকেই অ্যান্টিবায়োটিক বন্ধ হয় বুদ্ধদেবের

    জানা গিয়েছে, গত শনিবার থেকেই বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের (Buddhadeb Bhattacharjee) অ্যান্টিবায়োটিক বন্ধ করে দেয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এবং তারপর থেকে ভালই রয়েছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। চিকিৎসায় সাড়া দেওয়ায় স্বস্তি পেয়েছেন চিকিৎসকরাও। তরল খাবার সরাসরি তাঁকে মুখ দিয়ে খাওয়ানো হচ্ছে। রবিবার তিনি স্যুপ খেয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।  বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য বাড়িতেও বাইপ্যাপ ব্যবহার করেন। জানা গিয়েছে, বাড়িতে তিনি যে বাইপ্যাপটি ব্যবহার করেন, সেটি হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন ভর্তির সময় বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের (Buddhadeb Bhattacharjee) শ্বাসনালিতে সংক্রমণ ছিল। ২৯ জুলাই ভর্তির পর থেকেই তাঁর আরোগ্য কামনায় হাসপাতালে ঢল নামে বিভিন্ন ক্ষেত্রের মানুষের। এসেছেন মুখ্যমন্ত্রী থেকে বিরোধী দলনেতা প্রত্যেকেই। রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস থেকে চলচ্চিত্র জগতের অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তও হাসপাতালে হাজির থেকেছেন। তাঁর আরোগ্য কামনা করেছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Buddhadeb Bhattacharjee: বাড়ল হিমোগ্লোবিনের মাত্রা, খেলেন স্যুপ, ভাল আছেন বুদ্ধদেব

    Buddhadeb Bhattacharjee: বাড়ল হিমোগ্লোবিনের মাত্রা, খেলেন স্যুপ, ভাল আছেন বুদ্ধদেব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের (Buddhadeb Bhattacharjee) শারীরিক অবস্থার ক্রমশই উন্নতি হচ্ছে। তিনি আগের থেকে অনেকটাই ভাল আছেন বলে জানা গিয়েছে হাসপাতাল সূত্রে। শুক্রবার সকালে জানা গিয়েছে সংক্রমণের মাত্রা খুব বেশি তাঁর শরীরে বাড়েনি বরং আগে যা ছিল তার থেকে কিছুটা অল্প হলেও কমেছে। শুক্রবারে নতুন করে তাঁর রক্তের রিপোর্টকরানো হয়। কিন্তু সেটিও স্বাভাবিক রয়েছে বলে দেখা যাচ্ছে।

    শুক্রবার বিকেলে বুদ্ধবাবুকে আমের রস খাওয়ানো হবে

     শুক্রবার বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে (Buddhadeb Bhattacharjee) স্যুপ খাওয়ানো হয়েছে বলেও হাসপাতাল সূত্রে খবর মিলেছে। প্রসঙ্গত, আম খেতে চেয়েছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। সেই কথা মাথায় রেখে বিকেলে তাঁকে আমের রস খাওয়ানোর পরিকল্পনা করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তবে এখনই রাইলস টিউব খোলা হচ্ছে না। তবে চেষ্টা করানো হচ্ছে তাঁকে মুখ দিয়ে খাওয়ানোর। আস্তে আস্তে এই অভ্যাসটা তৈরি করানো হবে। শুক্রবার সকালের মেডিকেল রিপোর্টে জানানো হয়েছে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে নন ইনসেটিভ ভেন্টিলেটরে রাখা হয়েছে। তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে। বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে বর্তমানে দেখাশোনা করছেন চিকিৎসক ধীমান গঙ্গোপাধ্যায়। তিনি কিছু পরামর্শ দিয়েছেন বুদ্ধবাবুকে (Buddhadeb Bhattacharjee)। বর্ষীয়ান চিকিৎসককে ছত্তিশগড় থেকে উড়িয়ে আনা হয়েছে বলে খবর। শুক্রবার বিকেলে ফের একবার মেডিকেল বোর্ড বসবে। বর্তমানে তাঁর শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগের কোনও কারণ নেই বলেই জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

    শরীরে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বেড়েছে

     ইতিমধ্যে রক্ত পরীক্ষা করার পরে দেখা যাচ্ছে যে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণও আগের থেকে বেশ খানিকটা বেড়েছে (Buddhadeb Bhattacharjee)।  আগের মতোই রাজনৈতিক নেতা-নেত্রী থেকে সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে কলাকুশলীরা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে দেখতে যাচ্ছেন। বৃহস্পতিবারও সারাদিন তাঁর সঙ্গে হাসপাতালে উপস্থিত ছিলেন স্ত্রী মীরা ভট্টাচার্য এবং একমাত্র সন্তান সুচেতন ভট্টাচার্য। গত শনিবারে অসুস্থতার মাত্রা বাড়তে থাকায় তাঁকে তড়িঘড়ি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। সেদিন হাসপাতালের মেডিকেল বুলেটিন সম্পর্কে জানানো হয় বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের (Buddhadeb Bhattacharjee) শ্বাসনালীতে সংক্রমণ রয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Buddhadeb Bhattacharjee: শারীরিক অবস্থার উন্নতি বুদ্ধদেবের! কবে ফিরছেন বাড়ি?

    Buddhadeb Bhattacharjee: শারীরিক অবস্থার উন্নতি বুদ্ধদেবের! কবে ফিরছেন বাড়ি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিকিৎসায় বেশ ভালোই সাড়া দিচ্ছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য (Buddhadeb Bhattacharjee)। উডল্যান্ডের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন তাঁর শারীরিক অবস্থা আগের থেকে অনেকটাই ভাল। বুদ্ধবাবু (Buddhadeb Bhattacharjee) কথা বলছেন। তাঁর দলের রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্রর সঙ্গেও বেশ কিছুক্ষণ ধরে কথা বলতে দেখা গিয়েছে বুদ্ধদেব বাবুকে। শোনা যাচ্ছে, তিনি নাকি আম খেতে চেয়েছেন। জানা গিয়েছে, বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের চার ঘণ্টা ধরে বাইপ্যাপ চলছে। তারপর এক ঘণ্টা তাঁকে বিশ্রাম দেওয়া হচ্ছে। ঠিক এভাবেই তাঁর শরীরে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে অক্সিজেন। আগামী শনিবার পর্যন্ত তাঁকে অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হবে বলে খবর।

    আরও পড়ুন: ভোট চুরি করতে দেননি বলেই কি নদিয়ার বিডিও ট্রান্সফার? তীব্র শোরগোল

    কী বলছেন চিকিৎসকরা?

    চিকিৎসকরা দাবি করছেন, শনিবার যে পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে হাসপাতালে আনা হয়েছিল বুদ্ধদেববাবু (Buddhadeb Bhattacharjee) তার থেকে অনেক বেশি উন্নতি করেছেন। মেডিকেল বোর্ডের এক চিকিৎসক এদিন বলেন, ‘‘বুদ্ধবাবুর শরীরের সংক্রমণের মাত্রা অনেকটাই কমেছে। তবে এখনও তিনি সংক্রমণমুক্ত নন।’’ শোনা যাচ্ছে চিকিৎসকদের কাছে বাড়ি যাওয়ার আবেদন করেছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী (Buddhadeb Bhattacharjee)। জানা গিয়েছে হাসপাতালে যাওয়ার ব্যাপারে নাকি বরাবরই অনীহা রয়েছে বুদ্ধবাবুর। তিনি হাসপাতাল যেতে চান না, বাড়িতে থেকেই চিকিৎসা করাতে তিনি বেশি স্বচ্ছন্দবোধ করেন।

    কবে বাড়ি ফিরবেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী?

    জানা গিয়েছে, ভেন্টিলেশন থেকে বের হওয়ার পর থেকেই বাড়ি যাওয়ার জন্য অস্থির হয়ে উঠেছেন বুদ্ধবাবু (Buddhadeb Bhattacharjee)।  তাঁর চেতনা আগের থেকে অনেকটাই উন্নত হয়েছে এবং ডাকলে মিলছে প্রতিক্রিয়াও। শনিবার পরিস্থিতি অত্যন্ত গুরুতর হয়ে ওঠে বলে জানা গিয়েছে। এবং এই রকম অবস্থায় বুদ্ধবাবুকে তড়িঘড়ি হাসপাতালে আনতে হয়। আগামী শনিবার অ্যান্টিবায়োটিক বন্ধ হওয়ার পরে বুদ্ধবাবু কেমন থাকেন এটাই এখন পর্যবেক্ষণে রাখবেন চিকিৎসকরা। আপাতত শনিবারে তাঁকে বাড়ি পাঠানো হতে পারে বলে হাসপাতাল সূত্রে খবর মিলেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: এরকম সৎ রাজনীতিবিদ পশ্চিমবঙ্গে বিরল, বুদ্ধদেবকে দেখে এসে বললেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: এরকম সৎ রাজনীতিবিদ পশ্চিমবঙ্গে বিরল, বুদ্ধদেবকে দেখে এসে বললেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অসুস্থ বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যতে দেখতে হাসপাতালে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। রবিবার বিকেল নাগাদ হাসপাতালে প্রাক্তনবুদ্ধদেবকে দেখতে যান বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সূত্রের খবর, মিনিট পাঁচেক হাসপাতালে ছিলেন তিনি। চিকিৎসকদের কাছ থেকে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর শরীরিক অবস্থার খোঁজ নেন শুভেন্দু। হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। তিনি বলেন (Suvendu Adhikari), “আমাকে ওনার পার্টির সকলে খুব সহযোগিতা করেছেন। ডাক্তারবাবুরা জানিয়েছেন, ওনার শরীরের অক্সিজেন লেভেল বেড়েছে। উনি যখন মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন সেই সময় আমি বিধায়ক ছিলাম। শুধু বলতে পারি ওনার মতো সৎ রাজনীতিবিদ এ রাজ্যে আর হবে না।” শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) আরও বলেন, ‘‘আমার একজন পরিচিত ডাক্তারবাবু আছেন। কালকে অনেক রাতে তাঁকে ফোন করেছিলাম, তিনিও একই কথা বললেন। বাকি পরিবার বা হাসপাতাল সূত্রে যে মেডিক্যাল রিপোর্ট দেখছি বা জানাচ্ছে সেইটাই সকলের বলা উচিত, আলাদা করে না বলাই ভাল। ভগবানের কাছ প্রার্থনা করব, যাতে তিনি এই সঙ্কট কাটিয়ে উঠে সুস্থ অবস্থায় বাড়ি ফিরতে পারেন।’’

    বিজেপির তরফেও গতকাল দ্রুত আরোগ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করা হয় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর

    প্রসঙ্গত, দীর্ঘদিন ধরেই ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজে ভুগছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। এজন্য একাধিকবার হাসপাতালে ভর্তিও করা হয়েছে তাঁকে। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর দ্রুত আরোগ্য কামনা করা হয়েছে বিজেপির তরফেও। দলের মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য শনিবার বলেন, ‘‘দলের তরফে রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের দ্রুত আরোগ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি। তিনি তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে উঠুন।’’

    বুদ্ধদেব ইস্যুতে কুণাল-সুকান্ত দ্বৈরথ

    রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে নাকি ‘মহাপুরুষ’ বানানো হচ্ছে, এনিয়ে নিজের ফেসবুকে পোস্ট করেছিলেন তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। কুণালের এই মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। কুণাল লেখেন, “বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের আরোগ্য কামনা আমি করছি। কিন্তু তার পাশাপাশি যাঁরা তাঁকে আদিখ্যেতা করে মহাপুরুষ সাজাচ্ছেন, তার সঙ্গে একমত নই। কারণ বুদ্ধদেববাবুর জমানায় সিপিএম অনেক ভুল কাজ করেছে। আর ওঁর ঔদ্ধত্যে বহু মানুষের ক্ষতি হয়েছে। এর মধ্যে ভুল কী বলেছি?” এ দিকে এই মন্তব্যের পাল্টা দিয়েছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারও। তিনি কুণাল ঘোষের রুচি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। সুকান্তর দাবি, আর যাই হোক বুদ্ধবাবুকে ‘চোর’ বলে কেউ আঙুল তুলতে পারবে না। ওয়াকিবহাল মহল মনে করছে, আসলে এই মন্তব্য তিনি কুণালের উদ্দেশে করেছেন। কারণ সারদার আর্থিক  জেল খেটেছেন কুণাল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তখন নিজের ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন অধুনা তৃণমূলের মুখপাত্র।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Buddhadeb Bhattacharjee: বাড়ি ফিরলেন বুদ্ধদেব, আগামী একমাস থাকবেন হাসপাতালের নজরদারিতেই

    Buddhadeb Bhattacharjee: বাড়ি ফিরলেন বুদ্ধদেব, আগামী একমাস থাকবেন হাসপাতালের নজরদারিতেই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৯ জুলাই শ্বাসনালীতে সংক্রমণ নিয়ে ভর্তি হয়েছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য (Buddhadeb Bhattacharjee)। ভর্তির ১২দিনের মাথায় বাড়ির পথে পা দিলেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। একাধিক সংবাদ মাধ্যমে ওঠে তাঁর বাড়ি ফেরার মুহূর্তের ছবি। সেখানে দেখা যাচ্ছে বাড়ি ফেরার পথে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের দাড়ি-গোঁফ পরিষ্কারভাবে কামানো। এবং মুখে রয়েছে মাস্ক। পাশে দেখা যাচ্ছে টাইলস টিউবও।

    বুধবার দুপুরে বাড়ির পথে বুদ্ধদেব (Buddhadeb Bhattacharjee)

    বুধবার দুপুর ১২টা ১৫ মিনিট নাগাদ প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে (Buddhadeb Bhattacharjee) সঙ্গে নিয়ে বাড়ি পৌঁছায় অ্যাম্বুলেন্স।  প্রসঙ্গত, কয়েকদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে বাড়ি পাঠানো হবে বুধবার। সেইমতো বুধবারেই তিনি বাড়ির পথে রওনা হলেন। শনিবার পর্যন্ত তাঁকে অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হয়েছিল এবং তারপর থেকে তা বন্ধ করে দেওয়া হয়। অ্যান্টিবায়োটিক ছাড়াও প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সুস্থ রয়েছেন। সোমবার তাঁর ফের কতগুলো রক্ত পরীক্ষা করানো হয় এবং তার প্রতিটি রিপোর্ট সন্তোষজনক আসে। এদিন বাড়ির পথে পা বাড়ালেন পাম অ্যাভিনিউয়ের বাসিন্দা। জানা গিয়েছে, বাড়ি ফিরলেও সেখানেও থাকবে হাসপাতালে সমস্ত রকম ব্যবস্থা। এবং একজন নার্স সবসময় সেখানে উপস্থিত থাকবেন। হাসপাতালের চিকিৎসকরা নিয়মিত বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের (Buddhadeb Bhattacharjee) বাড়িতে যাবেন এবং স্বাস্থ্য পরীক্ষা করবেন। আপাতত এক মাস তিনি এভাবেই থাকবেন।

    হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিবৃতি

    হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার ঠিক আগে, কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে বলে, ‘‘যখন ওঁকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছিল, তখন উনি শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন। আচ্ছন্ন হয়ে পড়েছিলেন তিনি। পরীক্ষার পর অ্যান্টিবায়োটিক, নেবুলাইজেশন থেরাপি দেওয়া হয় তাঁকে। চিকিৎসার জন্য ১১ সদস্যের একটি মেডিক্যাল দল তৈরি করা হয়। তাঁরা সিদ্ধান্ত নেন ওঁকে ভেন্টিলেশনের রাখার। বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের ফুসফুসের নিউমোনিয়া সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া শনাক্ত করা হয়।’’ ওই মেডিক্যাল বুলেটিনে আরও বলা হয়, ‘‘৩১ জুলাই তাঁকে ভেন্টিলেটর থেকে বের করা হয়। অ্যান্টিবায়োটিক থেরাপিও বদল করা হয়। এরপর সংক্রমণ কমতে থাকে। সার্বিকভাবে উনার ওর শরীরের উন্নতি হয়। উনি বাড়ি ফিরছেন এবং ওখানে আমাদের নজরে থাকবেন। তাঁকে পর্যবেক্ষণে রাখা হবে অন্তত এক মাস। বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের (Buddhadeb Bhattacharjee) দীর্ঘ এবং সুস্থ জীবন কামনা করছি আমরা।’’

    প্রসঙ্গত বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে (Buddhadeb Bhattacharjee) এদিন বাড়িতে ফিরিয়ে আনার জন্য হাসপাতালের উদ্দেশ্যে যান মীরা ভট্টাচার্য। তিনি জানান. বুদ্ধদেব বাড়ি ফিরল তাঁকে নজরদারির মধ্যেই রাখা হবে। তিনি আরও বলেন ‘‘আপনারা আন্তরিকভাবে প্রার্থনা করুন, শুভেচ্ছা জানান, উনি সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরছেন। বাড়িতেও যেন সুস্থ হয়ে থাকতে পারেন।’’ জানা গিয়েছে আলিপুরের ওই বেসরকারি হাসপাতালের মেডিক্যাল স্টাফদের প্রাণ ভরে আশীর্বাদও করেছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share