Tag: Budge budge

Budge budge

  • Budge Budge: বজবজে বিস্ফোরণের পর টনক নড়ল! ২০ হাজার কেজি বাজি বাজেয়াপ্ত, গ্রেফতার কত?

    Budge Budge: বজবজে বিস্ফোরণের পর টনক নড়ল! ২০ হাজার কেজি বাজি বাজেয়াপ্ত, গ্রেফতার কত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ ২৪ পরগনার বজবজের (Budge Budge) মহেশতলার বেআইনি বাজি কারখানায় বিস্ফোরণের পর নড়চড়ে বসে পুলিশ। রবিবার রাতভর তল্লাশি চালায় পুলিশ। মহেশতলা, বজবজসহ একাধিক জায়গায় বাজি কারখানায় হানা দিয়ে ধরপাকড় করা হয়। প্রচুর শব্দবাজি বাজেয়াপ্ত করা হয়।

    কত শব্দবাজি বাজেয়াপ্ত করল পুলিশ?

    এগরার পর বজবজের (Budge Budge) চিংড়িপোতা এলাকায় বেআইনি বাজি কারখানায় বিস্ফোরণের পরই পুলিশের পক্ষ থেকে অভিযান চালানো হয়। এমনিতে চিংড়িপোতা এলাকা বাজি তৈরির জন্য বিখ্যাত। এই এলাকায় একাধিক বাজি কারখানা রয়েছে। পুলিশের একটি অংশকে ম্যানেজ করেই বেআইনি এই সব কারখানা চলে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। রবিবার সন্ধ্যায় বাজি বিস্ফোরণে তিনজনের মৃত্যুর ঘটনায় পুলিশ নড়েচড়ে বসে। পুলিশের পদস্থ আধিকারিকদের নেতৃত্বে একের পর এক বেআইনি বাজি কারখানায় অভিযান শুরু হয়। বহু বন্ধ দোকান খুলে বাজি বাজেয়াপ্ত করে পুলিশ। অনেক জায়গায় বাজি তৈরির কাজ করছিলেন শ্রমিকরা। সেখানে পুলিশ অভিযান চালিয়ে জিনিসপত্র বাজেয়াপ্তের পাশাপাশি অনেককে গ্রেফতার করে। সবমিলিয়ে ২০ হাজার কেজি শব্দবাজি বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। পাশাপাশি বাজি তৈরির মশলাও উদ্ধার করা হয়েছে। এই সব বাজি কারখানার আড়ালে বোমা তৈরি হত কি না তা নিয়ে এলাকাবাসী প্রশ্ন তুলেছেন। তবে, রবিবার রাতভর পুলিশ অভিযান চালিয়ে বজবজ মহেশতলা এলাকা থেকে ৩৮ জনকে গ্রেফতার করেছে। পুলিশি অভিযানের নামে মারধর করা হয়েছে বলে বাজি কারখানার শ্রমিকরা অভিযোগ করেন।

    আরও পড়ুন: এগরার পর বজবজ! বিস্ফোরণে বাজি কারখানার মালিকের স্ত্রী, মেয়েসহ তিনজনের মৃত্যু

    বাজি কারখানায় কীভাবে বিস্ফোরণ ঘটল?

    প্রসঙ্গত, রবিবার সন্ধ্যায় বজবজের (Budge Budge) চিংড়িপোতার নন্দরামপুর দাসপাড়া এলাকায় জয়দেব ঘাঁটির বাড়িতে বিস্ফোরণ হয়। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, ধূপের আগুন থেকে বাজিতে আগুন লেগে বিস্ফোরণ হয়। তবে, এই বিস্ফোরণের পর ফরেন্সিক টিম এসে তদন্ত করবে কি না তা পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করে কোনও কিছু জানানো হয়নি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • New Local Trains: রবিবার শিয়ালদা থেকে বজবজ, বারুইপুর লাইনে চালু হচ্ছে ৪টি নতুন লোকাল

    New Local Trains: রবিবার শিয়ালদা থেকে বজবজ, বারুইপুর লাইনে চালু হচ্ছে ৪টি নতুন লোকাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা থেকে পার্শ্ববর্তী জেলার শহর-শহরতলীতে খুব কম সময়ে, কম খরচে যাতায়াতের মাধ্যম হল লোকাল ট্রেন (New Local Trains )। দৈনন্দিন জীবনে লাখ লাখ মানুষ যাতায়েত করেন এই লোকাল ট্রেনের মাধ্যমেই। খুব কম সময়ে নিজের গন্তব্যে পৌঁছাতে লোকাল ট্রেনকেই আগে পছন্দ করেন সাধারণ মানুষ।

    এক কথায়, শহর কলকাতার লাইফলাইন যেমন হল মেট্রো বা পাতালরেল, ঠিক তেমনই, শহরতলি ও মফস্বলে যাতায়াতের লাইফলাইন হল লোকাল। আর এই লোকালের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল শিলালদা। উত্তর হোক বা দক্ষিণ— প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ মানুষ শিয়ালদা দিয়ে বিভিন্ন দিকে যাতায়াত করে থাকেন। এবার শিয়ালদা দক্ষিণ শাখায় নিত্য যাত্রীদের জন্য সুখবর প্রকাশ করল পূর্ব রেল। শিয়ালদা থেকে চালু হচ্ছে চারটি নতুন লোকাল ট্রেন। দুটি বজবজ লাইনে এবং দুটি বারুইপুর লাইনে এই নতুন ট্রেনগুলি চলবে বলে জানা গেছে।

    বজবজ লাইনে ট্রেনের সময়

    পূর্ব রেলের পক্ষ থেকে নতুন টাইম টেবিল প্রকাশিত হয়েছে। এই টাইম টেবিল থেকে জানা গিয়েছে, শিয়ালদা থেকে দক্ষিণ শাখায় মোট চারটি নতুন ট্রেন (New Local Trains) চালানো হবে। আগামিকাল, অর্থাৎ রবিবার ১ অক্টোবর থেকেই এই নতুন ট্রেন চলবে। শিয়ালদা থেকে ৩৪১৬৮ শিয়ালদা-বজবজ লোকাল দুপুর ২টো ৩০ মিনিট ছাড়বে। অপর ট্রেনটি ৩৪১৬৭ বজবজ-শিয়ালদা লোকাল ৩টে ৩৩ মিনিটে বজবজ থেকে ছাড়বে। একটা সময়ে এই ট্রেনটি আগে চললেও পরবর্তীকালে তা তুলে নেওয়া হয়। এর ফলে বর্তমানে দুপুরের এই সময়ে নিত্যযাত্রীদের অনেক সময় ধরে স্টেশনে অপেক্ষা করতে হচ্ছে। ভীষণ সমস্যার মধ্যে পড়তে হচ্ছে নিত্যযাত্রীদের। তবে, সেই সমস্যা আর রইল না। ট্রেনের সংখ্যা বৃদ্ধির ফলে যাত্রীদের ভিড়ের পরিমাণ কম হবে বলে নিত্য যাত্রীদের একাংশের মানুষ জানিয়েছেন। 

    বারুইপুর লাইনে ট্রেনের সময়

    একইভাবে বারুইপুর-শিয়ালদা লাইনে (New Local Trains) বাবদ আরও দুটি লোকাল ট্রেন চালু হচ্ছে বলে জানিয়েছে পূর্ব রেল। ৩৪৬৫১ বারুইপুর-শিয়াদা লোকাল ট্রেনটি ২টো ৪৪ মিনিট বারুইপুর থেকে ছাড়বে। অন্যদিকে, ৩৪৬৫২ শিয়ালদা-বারুইপুর লোকালটি শিয়ালদা থেকে ১টা ৪৭ মিনিটে ছাড়বে বলে জানা গিয়েছে। বজবজ লাইনের মতে, এই ট্রেনও আগে ছিল। কিন্তু পরে তুলে নেওয়ায় যাত্রীরা যারপরনাই সমস্যায় পড়ছিলেন। এই দুই জোড়া ট্রেন চালানোর কারণে দক্ষিণ শাখায় নিত্য যাত্রীরা অনেকটাই সুস্থির পাবেন বলে মন্তব্য করেছেন নিত্য যাত্রীদের অধিকাংশ মানুষ। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Bhangar Blast: দুবরাজপুরের পর ভাঙড়! তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে বিস্ফোরণ, জখম ১

    Bhangar Blast: দুবরাজপুরের পর ভাঙড়! তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে বিস্ফোরণ, জখম ১

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধারাবাহিক বোমা বিস্ফোরণ বাংলাজুড়ে। এগরা, বজবজ, দুবরাজপুর, মালদার পর এবার ভাঙড়ে বোমা বিস্ফোরণ (Bhangar Blast)। তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে বোমা বিস্ফোরণ ঘটে। বোমা বিস্ফোরণে ভেঙে পরল তৃণমূল কর্মীর বাড়ির ছাদের একাংশ। তৃণমূল কর্মীর স্ত্রী গুরুতর জখম হন। মঙ্গলবার রাতে ঘটনাটি দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার ভাঙড় বিধানসভার কাশিপুর থানার গানের আইট এলাকায়।  দুদিন আগেই বীরভূমের দুবরাজপুরে এক তৃণমূল নেতার বাড়িতে বোমা বিস্ফোরণ ঘটে। এই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই ফের তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে বোমা বিস্ফোরণের (Bhangar Blast)  ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটেছে?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন রাতে তৃণমূল কর্মী শরিফুল মোল্লার বাড়ি বিকট শব্দে গোটা এলাকা কেঁপে ওঠে। পরবর্তী সময় স্থানীয় বাসিন্দারা গিয়ে দেখেন ছাদের একাংশ ভেঙে পড়েছে। বোমা বিস্ফোরণের (Bhangar Blast) ঘটনায় গুরুতরভাবে জখম হন তৃণমূল কর্মী শরিফুল মোল্লার স্ত্রী। গুরুতর আহত অবস্থায় তড়িঘড়ি তাঁকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় চিকিৎসার জন্য। এদিকে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতর।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই গোটা ঘটনা ঘটিয়েছে আইএসএফের কর্মীরা। এলাকায় উত্তেজনায় ছড়াতে পরিকল্পিতভাবেই পরপর তিনটি বোমা চার্জ করেছে আইএসএফ। এই প্রসঙ্গে তৃণমূল নেতা আরাবুল ইসলাম বলেন, তৃণমূল কর্মী স্ত্রীর শরীরের ৭০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছে। তার সঠিক চিকিৎসা যাতে হয় তারজন্য ইতিমধ্যেই গোটা বিষয়টি আমি ভাঙড়ের অবজার্ভার শওকত মোল্লাকে জানিয়েছি। এই ঘটনার সঙ্গে আইএসএফের  প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মদত রয়েছে। তারা বোমাবাজি করেছে। তবে, গোটা বিষয়ের তদন্ত শুরু করেছে কাশিপুর থানার পুলিশ।

    কী বললেন আইএসএফ নেতৃত্ব?

    আইএসএফ নেতৃত্বের বক্তব্য, ওই তৃণমূল কর্মীর বাড়িতেই মজুত ছিল বোমা। আর সেই বোমা বিস্ফোরণে (Bhangar Blast) গুরুতরভাবে জখম হয়েছে তৃণমূল কর্মীর স্ত্রী। এই ঘটনায় আইএসএফ কোনওভাবেই যুক্ত নয়। নিজেদের দোষ ঢাকতেই তৃণমূল কর্মী সমর্থকেরা এমন অভিযোগ তুলছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Malda Blast: বজবজের পর মালদা! বাজির গুদামে বিস্ফোরণ, মৃত ২

    Malda Blast: বজবজের পর মালদা! বাজির গুদামে বিস্ফোরণ, মৃত ২

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এগরা, বজবজের পর এবার মালদার ইংরেজ বাজারে বাজির গুদামে বিস্ফোরণ (Malda Blast) ঘটে। বিস্ফোরণ থেকে আগুন ছড়ায় পার্শ্ববর্তী বাজির দোকানে। মঙ্গলবার সকালে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায় মালদার ইংরেজবাজারের নেতাজি মার্কেট এলাকায়। বিস্ফোরণে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম মঙ্গলু ঋষি (৪৫) ও গণেশ কর্মকার। দুজনেই পেশায় ভ্যানচালক।

    ঠিক কী করে বিস্ফোরণ (Malda Blast) ঘটে?

    মালদার ইংরেজবাজারের নেতাজি মার্কেট এলাকায় লাইন দিয়ে প্রচুর দোকান রয়েছে। সেখানে দুটি দোকানে বাজি মজুত করা ছিল। পাশাপাশি কয়েকটি দোকানে ডাঁই করে আম, লিচু মজুত ছিল। জামাইষষ্ঠীর আগে তা পাকানোর জন্য এদিন সকাল ছটা নাগাদ মার্কেটের সামনে দুটি গাড়িতে করে প্রচুর পরিমাণে কার্বাইড নিয়ে আসা হয়েছিল। সেখানেই কার্বাইড গাড়ি থেকে নামানোর সময় কোনওভাবে প্রথম বিস্ফোরণ ঘটে। আর তা থেকে মার্কেটে আগুন লেগে যায়। চারিদিক আগুন ও ধোঁয়ায় ছেয়ে যায়। এরপর আগুন ছড়িয়ে পড়ে মার্কেটের ভিতরে থাকা বাজির গুদামে। মুহূর্তের মধ্যে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। শুধু বাজির গুদামে নয়, আশপাশের দোকানে আগুন ধরে যায়। দাউ দাউ করে আগুন জ্বলতে থাকে। মার্কেটের মধ্যে একজন ভ্যান চালক ছিলেন। আগুনে ঝলসে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে দমকল ও বিশাল পুলিশ বাহিনী। দমকল কর্মীদের সঙ্গে ব্যবসায়ীদের আগুন নেভানোর কাজে হাত লাগান ব্যবসায়ীরা। দমকলের ৮ টি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে আগুন নেভানোর কাজ করে।

    কী বললেন ব্যবসায়ী সমিতির কর্মকর্তা?

    ব্যবসায়ী সমিতির অন্যতম সদস্য খোকন কুণ্ডু বলেন, প্রাথমিকভাবে কার্বাইড থেকে বিস্ফোরণ (Malda Blast) ঘটে। প্রচণ্ড গরমের কারণে হতে পারে। খবর পেয়ে আমরা ছুটে আসি। দেখি বাজারে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। ভিতরে বেশ কয়েকটি দোকানে আগুন লেগে যায়। কয়েকটি দমকলের ইঞ্জিন একযোগে কাজ করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। বাজি মজুত থাকার কারণে আগুন ভয়াবহ আকার নেয়।

    কী বললেন পুরসভার চেয়ারম্যান?

    ঘটনার পর পরই ইংরেজবাজার পুরসভার চেয়ারম্যান কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরীও ঘটনাস্থলে যান। তিনি বলেন, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আমাদের কাছে পরিষ্কার নয়। দমকল কর্মীরা সমস্ত বিষয়টি দেখছে। দাহ্য পদার্থ থাকার কারণে বিস্ফোরণের পর আগুন আশপাশের দোকানে ছড়িয়ে পড়ে। পুরসভার পক্ষ থেকে আমরা সাহায্য করার চেষ্টা করছি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “মুখ্যমন্ত্রী, পোড়া লাশের গন্ধ পাচ্ছেন?” বজবজ-বিস্ফোরণের পর বিস্ফোরক ট্যুইট শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “মুখ্যমন্ত্রী, পোড়া লাশের গন্ধ পাচ্ছেন?” বজবজ-বিস্ফোরণের পর বিস্ফোরক ট্যুইট শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের বাজি কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। এগরার পর বজবজ। ৫ দিনের ব্যবধানে আবার বিস্ফোরণের ঘটনায় আগুনে ঝলসে মৃত্যু হয়েছে এক নাবালিকা-সহ ৩ জনের। বজবজ বিস্ফোরণকাণ্ডেও এনআইএ তদন্ত দাবি করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। 

    ট্যুইটবার্তা শুভেন্দুর

    ট্যুইটবার্তায় শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) জানিয়েছেন, ‘খাদিকুল গ্রামে পোড়া মাংসের গন্ধ আর বিস্ফোরকের অবশিষ্টাংশ এখনও বাতাসে ভাসছে। আহতদের অবস্থা এখনও সঙ্কটজনক। সেই রেশ মেলানোর আগেই বজবজের নন্দরামপুরের দাসপাড়ায় আরও একটা বিস্ফোরণ। এখনও পর্যন্ত ৩ জনের পুড়ে মৃত্যু হয়েছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। এটা পুনরাবৃত্তি মনে হতে পারে, কিন্তু এক্ষেত্রেও আমি এনআইএ তদন্ত চাইছি। মুখ্যমন্ত্রী, আপনি ঘুম থেকে উঠে পোড়া লাশের গন্ধ পাচ্ছেন? আর কত মৃত্যু আপনার বিবেককে নাড়া দেবে?’ 

    সরব দিলীপ ঘোষ

    রবিবার রাত পৌনে ৮টা নাগাদ, একটি বাড়ির ছাদে অগ্নিকাণ্ড ঘটে। ভেঙে পড়ে অস্থায়ী ছাউনি। তাতেই চাপা পড়েছিলেন তিনজন। পরে তাঁদের মৃত্যু হয়। অন্যদিকে এই ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন দিলীপ ঘোষও। সোমবার সকালে প্রাতঃভ্রমণে আসেন দিলীপ ঘোষ। ইকোপার্কে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন তিনি। সেখানেই এগরার পর বজবজের বাজি কারখানায় আগুন প্রসঙ্গে তিনি জানান, যেখানে বাজির কারখানা সেখানেই ভয়ের পরিবেশ থাকে। বলেন, ‘এটা অনেকদিন ধরে চলছে। বেশিরভাগ বাজি কারখানা বেআইনি ভাবে চলে। তাদের ক্যাপাসিটি বা নিয়মকানুন কিছুই মানা হয় না। বেশিরভাগ গরিব লোক এখানে কাজ করে, তাদের জীবনহানি হয়। যেখানে বাজির কারখানা সেখানেই এইরকম ভয়ের পরিবেশ থাকে। এগরাতে অনেক মহিলা কাজ করতেন, ৭-৮ জন মহিলা যারা মারা গিয়েছেন, তাদের বাড়িতে ছোট ছোট বাচ্চা রয়েছে। তারা অনাথ হয়ে গিয়েছে। পুলিশ সব জানে। সব জায়গা থেকে টাকা খাওয়ার এইরকম অভ্যাস হয়ে গেলে এই সমস্যার কোনদিন সমাধান হবে না।’

    আরও পড়ুন: এগরার পর বজবজ! বিস্ফোরণে বাজি কারখানার মালিকের স্ত্রী, মেয়েসহ তিনজনের মৃত্যু

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share