Tag: budget news

budget news

  • Budget 2023: রাত পোহালেই বাজেট, বুধবার ১১টায় সংসদে পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা

    Budget 2023: রাত পোহালেই বাজেট, বুধবার ১১টায় সংসদে পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই ১ ফেব্রুয়ারি। বাজেট (Budget 2023) পেশের দিন। নরেন্দ্র মোদি সরকারের শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ হবে এদিন। বাজেট পেশ করবেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। আগামী বছর রয়েছে সাধারণ নির্বাচন। তাই সেবার পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ হবে না। হবে ভোট অন অ্যাকাউন্ট পেশ। এবারও ভারতে তৈরি ট্যাবলেটে করে বাজেট পেশ করেন নির্মলা। সকাল এগারোটায় বাজেট পেশ করবেন তিনি।

    ভারতীয় অর্থনীতির বৃদ্ধির হার…

    এদিকে, সামান্য কমলেও ২০২৩ সালেও স্থিতিশীলই থাকবে ভারতীয় অর্থনীতির বৃদ্ধির হার। অন্তত এমনই পূর্বাভাস আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডারের। আইএমএফের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালে ভারতের বৃদ্ধির হার ৬.১ শতাংশ হতে পারে। ২০২৩ সালের মার্চ মাসে শেষ হতে চলা অর্থবর্ষে ভারতের বৃদ্ধির হার ৬.৮ শতাংশ থাকবে বলে অক্টোবর মাসেই জানিয়ে দিয়েছিল আইএমএফ। তাতে দেখা যাচ্ছে, ২০২৩ সালে বিশ্বজুড়েই আর্থিক বৃদ্ধির হার ৩.৪ শতাংশ থেকে কমে ২.৯ শতাংশ হতে পারে। ২০২৪ সালে তা বেড়ে ৩.১ শতাংশ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    আরও পড়ুুন: বিপুল জনসমাগম! নেতাইয়ের সভা থেকে মমতা-অভিষককে আক্রমণ শুভেন্দুর

    আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভাণ্ডারের প্রধান অর্থনীতিবিদ ও গবেষণা বিভাগের ডিরেক্টর পিয়ের-অলিভার গুরিঞ্চাস জানান, গত অক্টোবর মাসে আমরা ভারতের জন্য যে পূর্বাভাস দিয়েছিলাম তা কার্যত অপরিবর্তিতই রয়েছে। বর্তমান অর্থবর্ষে ভারতের বৃদ্ধির হার ৬.৮ শতাংশই থাকবে। ২০২৩ সালে ভারতের বৃদ্ধির গতি সামান্য হ্রাস পেয়ে ৬.১ শতাংশ হতে পারে বলে অনুমান। তবে আইএমএফের শীর্ষ কর্তা জানান, ২০২৪ সালে ফের ভারতের বৃদ্ধির হার ৬.৮ শতাংশে পৌঁছাবে।

    আইএমএফের মুখ্য অর্থনীতিবিদ গুরিঞ্চাস অবশ্য গোটা বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশগুলির জন্যই আশার কথা শুনিয়েছেন। তাঁর কথায়, আর্থিক মন্দার গ্রাস থেকে ধীরে ধীরে বেরিয়ে আসছে ছোট অর্থনীতির বিভিন্ন দেশ। পাশাপাশি, ২০২৩ সালে গোটা বিশ্বের আর্থিক বৃদ্ধির ৫০ শতাংশই নির্ভর করবে ভারত ও চিনের ওপরে। তুলনায় আমেরিকা ও ইউরোপের ভূমিকা থাকবে কমবেশি দশ শতাংশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

     

     

  • Union Budget: এবারও ‘পেপারলেস’ বাজেট পেশ করবেন নির্মলা সীতারামণ, কেন জানেন?

    Union Budget: এবারও ‘পেপারলেস’ বাজেট পেশ করবেন নির্মলা সীতারামণ, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কী বলবেন একে? বাজেট (Union Budget) পেশের পদ্ধতির বিবর্তন? নাকি অন্য কিছু? জানুয়ারির ৩১ তারিখে শুরু হবে বাজেট অধিবেশন। চলবে এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত। তার আগে ১ ফেব্রুয়ারি হবে বাজেট পেশ। নরেন্দ্র মোদি সরকারের এটাই শেষ পূ্র্ণাঙ্গ বাজেট। ২০২৪ সালে লোকসভা নির্বাচন। প্রথা অনুযায়ী, সাধারণ নির্বাচনের বছর পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ করা হয় না। হয় ভোট অন অ্যাকাউন্ট পেশ। তাই এবারই শেষবারের মতো পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ করতে চলেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ (Nirmala Sitharaman)।

    ব্রিফকেস সংস্কৃতি…

    এতদিন আমরা দেখতাম যিনি পার্লামেন্টে বাজেট পেশ করতে চলেছেন, তিনি নিয়ে যাচ্ছেন ব্রিফকেস (Briefcase)। দীর্ঘ দিনের এই প্রথায় ছেদ পড়ে নির্মলার জমানায়, ২০১৯ সালে। সেবার বাজেট করতে তিনি নিয়ে যান চিরাচরিত বহিখাতা। বাজেট (Union Budget) পেশের ধরনের গা থেকে ইংরেজ শাসনের গন্ধ ঝেড়ে ফেলতেই এই ব্যবস্থা করেছিলেন তিনি। স্বাধীনতা-উত্তর কালে ভারতের প্রথম অর্থমন্ত্রী আর কে শাঙ্কমুখম ছেট্টি লেদার পোর্টফোলিও ব্যাগে করে বাজেট পেশ করেছিলেন। তাঁর পরবর্তী কালের অর্থমন্ত্রীরা বাজেট পেশের জন্য নানা রকম ব্রিফকেস ব্যবহার করতেন। ২০২১ সালে ফের বাজেট পেশের ক্ষেত্রে যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নেন সীতারামণ। এবার তিনি বাজেট পেশ করেন ভারতে তৈরি ট্যাবলেটে। মোদির ডিজিটাল ইন্ডায়ার স্বপ্ন সার্থক করতেই এই পন্থা অবলম্বন করেছিলেন তিনি। তাঁর আগে ভারতের কোনও অর্থমন্ত্রী এভাবে বাজেট পেশ করেননি। চলতি বছরও ‘পেপারলেস’ বাজেট পেশ করবেন বলে ঘোষণা করে দিয়েছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী।

    আরও পড়ুুন: ‘আমি মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্মেছি, তাঁদের সমস্যা বুঝি’, বাজেট প্রসঙ্গে বললেন সীতারামন

    ব্রিফকেস সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ যখন বাজেট (Union Budget) পেশের জন্য সাবেকি বহিখাতার ওপর নির্ভর করলেন, তখন তাঁর কারণও ব্যাখ্যা করেছিলেন তিনি। সীতারামণ বলেছিলেন, আমি ভাবলাম ব্রিটিশদের অধীনতা থেকে আমাদের বেরিয়ে আসাই ভাল। আমি এটাও ভেবেছিলাম, আমাদের নিজেদের মতো করে কিছু একটা করা প্রয়োজন। তিনি বলেন, ভারতীয় এই জিনিসটি (বহিখাতা) বহন করা আমার পক্ষে সহজ ছিল। খুব বেশি করে ভারতীয় বলে মনেও হচ্ছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Nirmala Sitharaman: ‘আমি মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্মেছি, তাঁদের সমস্যা বুঝি’, বাজেট প্রসঙ্গে বললেন সীতারামন

    Nirmala Sitharaman: ‘আমি মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্মেছি, তাঁদের সমস্যা বুঝি’, বাজেট প্রসঙ্গে বললেন সীতারামন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমি মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্মেছি। এখনও নিজেকে মধ্যবিত্ত বলেই মনে করি। তাই তাঁদের আর্থিক সমস্যার কথা বুঝি। বাজেট পেশের আগে সোমবার সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে এ কথা বলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman)। চলতি মাসে শুরু হবে বাজেট অধিবেশন। ১ ফেব্রুয়ারি পেশ হবে কেন্দ্রীয় বাজেট। তার আগে বাজেট নিয়ে নিজের মতামত প্রকাশ করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। ২০২৪ সালে লোকসভা নির্বাচন। তার আগে মোদি সরকারের (PM Modi) এটাই শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট (Budget)। আগামী বছর পেশ হবে ভোট অন অ্যাকাউন্ট। এবারের বাজেট কেমন হতে চলেছে, এদিন অর্থমন্ত্রীর কথায় সেই ইঙ্গিতই মিলল।

    সীতারামন বলেন…

    এদিনের সাক্ষাৎকারে সীতারামন (Nirmala Sitharaman) বলেন, আমি নিজেই মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্মেছি। এখনও নিজেকে মধ্যবিত্ত বলেই মনে করি। তাই তাঁদের আর্থিক সমস্যার কথা বুঝি। তিনি বলেন, এটুকু বলতে পারি মোদি সরকার আজ পর্যন্ত কোনও বাজেটেই মধ্যবিত্তদের ওপর কর চাপায়নি। বার্ষিক পাঁচ লক্ষ টাকা আয়ের মানুষদের আয়কর দিতে হয় না। নির্মলা সীতারামন বলেন, মধ্যবিত্তরাই সব চেয়ে বেশি গণপরিবহন ব্যবহার করেন। সেই জন্যই দেশের মোট ২৭টি শহরে মেট্রো পরিষেবা চালু করা হয়েছে। ১০০টি স্মার্ট সিটি বানানো হচ্ছে তাঁদের বসবাসের সুবিধার জন্য। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী বলেন, আমি মধ্যবিত্ত মানুষের সমস্যা বুঝি। তাঁদের জন্য ইতিমধ্যেই অনেক কাজ করেছে সরকার। আগামী দিনেও তাই করবে।

    আরও পড়ুুন: ‘লড়াই চলবে’, বঙ্গ বিজেপির প্রশংসা করে জানিয়ে দিলেন মোদি

    কৃষকদের আয় দ্বিগুণ করার পরিকল্পনাও যে কেন্দ্রের রয়েছে, এদিন তাও জানান কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী (Nirmala Sitharaman)। তিনি বলেন, কৃষকদের আয় দ্বিগুণ করার পরিকল্পনা রয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের। একাধিক কর্মসূচিও নেওয়া হয়েছে। সাম্প্রতিক অতীতে একাধিক রাজ্য সরকারের খয়রাতির বিরোধিতা করেছে কেন্দ্রের শাসক দল। সে প্রসঙ্গে নির্মলা বলেন, প্রতিটি রাজ্যের উচিত আর্থিক পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই এহেন প্রতিশ্রুতি দেওয়া। তাছাড়া কোন পথে এই খয়রাতির টাকা আসছে, তা নিয়েও স্বচ্ছতা থাকতে হবে। জানা গিয়েছে, যেহেতু মোদি সরকারের এটাই শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট, তাই কর ছাড় দেওয়া হতে পারে। অবসর নেওয়ার আগে রাজস্ব সচিব তরুণ বাজাজও ইঙ্গিত দিয়েছেন, ট্যাক্স স্ল্যাবগুলিতে পরিবর্তন আনা হবে এই বাজেটে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Income Tax Slab: নয়া বাজেটে পরিবর্তন হতে পারে আয়কর স্ল্যাবের!

    Income Tax Slab: নয়া বাজেটে পরিবর্তন হতে পারে আয়কর স্ল্যাবের!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনা (Covid-19) পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠেছে দেশ। অতিমারির এই পরিস্থিতিতে অর্থনীতির হাঁড়ির হাল হয়েছিল গোটা বিশ্বেই। তার পর থেকে ক্রমেই ছন্দে ফিরছে তামাম বিশ্বের বিভিন্ন দেশ। ভারতও (India) ঘুরে দাঁড়াচ্ছে। এহেন আবহে নতুন বছরের গোড়ার দিকে পেশ হবে ২০২৩ সালের কেন্দ্রীয় বাজেট। এই বাজেটে আয়করের স্ল্যাবের (Income Tax Slab) পরিবর্তন হতে পারে। ট্যাক্স এক্সপার্টদের মতে, এটা হতে পারে বিশেষ করে যাঁরা উচ্চ হারে কর প্রদান করেন, তাঁদের ক্ষেত্রে।

    বাজেট…

    যাঁরা বাজেট নিয়ে চর্চা করেন, তাঁদেরই একজন জানান, বর্তমানে কর দেওয়ার যে স্ল্যাব রয়েছে, সেই স্ল্যাব মেনেই কর দেন আয়কর দাতারা। বর্তমানে আয়করের যে স্ল্যাব রয়েছে, তার উচ্চতম স্ল্যাব হল ভারতীয় মুদ্রায় ৫ কোটি টাকার বেশি। এর মধ্যে সারচার্জ এবং সেসও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। শতাংশের হিসেবে এটি দাঁড়ায় ৪২.৭৪৪। এই যে স্ল্যাবটি রয়েছে, ২০১৭-১৮ অর্থবর্ষ থেকে এটি পরিবর্তিত হয়নি। তাই যাঁরা উচ্চতম হারে কর প্রদান করেন, তাঁদের ক্ষেত্রে ৩০ শতাংশ থেকে ছাড় দিয়ে ২৫ শতাংশ করা হতে পারে। ক্রয় ক্ষমতা বাড়াতেই বাজেটে এটা করা হতে পারে। কারণ আমরা জানি, ক্রয় ক্ষমতা বাড়লে বাজার চাঙা হয়। করোনা অতিমারি পরিস্থিতিতে যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সর্বোচ্চ ট্যাক্স রেট (Income Tax Slab) বাড়িয়ে ভারতীয় মুদ্রায় করা হতে পারে ১০ থেকে ২০ লক্ষ টাকা। সেক্ষেত্রে প্রস্তাবিত সর্বোচ্চ স্ল্যাব রেট (সারচার্জ ও সেস ধরে) হ্রাস পেতে পারে ৩৫.৬২ শতাংশ।

    ১ ফেব্রুয়ারি বাজেট পেশ করবেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ। বিশেষজ্ঞদের মতে, আগামী বছর বাজেট হতে পারে নিম্নরূপ।

    বার্ষিক ২০ লাখের বেশি আয়ের কর ছাড়ের পরিমাণ কমানো উচিত ৩০ থেকে ২৫ শতাংশ। যাঁদের আয় ১০ থেকে ২০ থেকে লাখের মধ্যে তাঁদের ক্ষেত্রে ছাড় হওয়া উচিত ৩০ থেকে ২০ শতাংশ। নয়া কর ব্যবস্থায় যাঁদের আয় ১০ থেকে ২০ লক্ষ টাকা, তাঁদের স্ল্যাব কমানো উচিত ৩০ থেকে ২০ শতাংশ। নয়া কর ব্যবস্থায় যাঁদের আয় ২০ লক্ষ টাকার ওপরে, তাঁদের স্ল্যাব (Income Tax Slab) কমানো উচিত ৩০ থেকে ২৫ শতাংশ।

     

     

  • Personal Income Tax: অর্থমন্ত্রীকে ব্যক্তিগত আয়করের হার কমানোর আবেদন বণিক মহলের

    Personal Income Tax: অর্থমন্ত্রীকে ব্যক্তিগত আয়করের হার কমানোর আবেদন বণিক মহলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনকে পার্সোনাল ইনকাম ট্যাক্স (Personal Income Tax) বা ব্যক্তিগত আয়করের হার কমানোর অনুরোধ জানাল কনফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রিজ, সংক্ষেপে সিআইআই (CII)। এর পাশাপাশি জিএসটির (GST) অপরাধীকরণ এবং ক্যাপিটেল ট্যাক্স রেট খতিয়ে দেখার আবেদনও করা হয়েছে এই বণিক মহলের তরফে। সোমবার বাজেট নিয়ে আলোচনা শুরু করার কথা কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের (Nirmala Sitharaman)। তার ঠিক আগেই তাঁর কাছে এই অনুরোধ করল সিআইআই।

    সাধারণ বাজেট…

    ২০২৩-২৪ সালের বাজেট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। ২০২৩ সালে ১ ফেব্রুয়ারি বাজেট করবেন তিনি। ২০২৪ সালে দেশজুড়ে হবে সাধারণ নির্বাচন। তার আগে এটাই মোদি সরকারের শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট। পরের বছর যেহেতু সাধারণ নির্বাচন, তাই পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ করতে পারবে না মোদি সরকার। তাদের পেশ করতে হবে ভোট অন অ্যাকাউন্ট। নির্বাচনের বছরে ভোট অন অ্যাকাউন্ট পেশ করাই রীতি। সিআইআই কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীকে এই প্রস্তাবও দিয়েছে যে কেন্দ্রীয় সরকারের উচিত নির্দিষ্ট কিছু পণ্যের ওপর ২৮ শতাংশ হারে জিএসটি হ্রাস করা। বণিক মহলের বক্তব্য, ব্যক্তিগত আয়করের হার কমানো হলে উপকৃত হবেন প্রায় ৫ কোটি ৮৩ লক্ষ মানুষ। এঁরা আয়করের আওতায় পড়েন।

    আরও পড়ুন: ভারতে তৈরি ৫জি প্রযুক্তি ভবিষ্যতে অন্য দেশকেও দেওয়া হবে! অভিমত নির্মলা সীতারমনের

    ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে এঁরা আইটি রিটার্ন দাখিল করেছেন। সিআইআই প্রেসিডেন্ট সঞ্জীব বাজাজ বলেন, পার্সোনাল ইনকাম ট্যাক্স (Personal Income Tax) কমানোর ওপর সরকারের ধ্যান দেওয়া উচিত। তাতে বাড়বে চাহিদা। আদতে লাভ হবে বাজারের। নির্দিষ্ট কিছু ভোগ্যপণ্যের ওপর ২৮ শতাংশ হারে জিএসটি ছাড়ের অনুরোধও জানান তিনি। গ্রামাঞ্চলের পরিকাঠামো উন্নয়নমূলক প্রজেক্টও হাতে নেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি। সঞ্জীব বলেন, সিভিল কেসে গ্রেফতারি কিংবা আটকের প্রয়োজন নেই। যতক্ষণ না পর্যন্ত ব্যবসায় অপরাধ প্রমাণিত হচ্ছে। ইন্ডাস্ট্রি ক্যাপটেনদের সঙ্গে বৈঠকের পাশাপাশি সীতারামন কথা বলবেন পরিকাঠামো বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে। জলবায়ু পরিবর্তন বিশেষজ্ঞদের সঙ্গেও কথা বলবেন তিনি। কৃষি এবং অ্যাগ্রো-প্রোসেসিং সেক্টরের মানুষদের সঙ্গেও কথা বলবেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share