Tag: budget session

budget session

  • Modi in Rajya Sabha: পরিবারতন্ত্রের অভিযোগ, দেশে নয়া মডেল! রাজ্যসভায় জবাবি ভাষণে কী কী বললেন মোদি?

    Modi in Rajya Sabha: পরিবারতন্ত্রের অভিযোগ, দেশে নয়া মডেল! রাজ্যসভায় জবাবি ভাষণে কী কী বললেন মোদি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘কংগ্রেসের নীতি হল, পরিবার প্রথম৷’’ রাষ্ট্রপতির ভাষণের ধন্যবাদজ্ঞাপন বক্তৃতায় স্বভাব-সিদ্ধ ভঙ্গিতেই কংগ্রেসকে কড়া আক্রমণ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi in Rajya Sabha) ৷ রাজ্যসভায় তাঁর আক্রমণ শুরু হয় বিজেপি সরকারের ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশ’ মডেল দিয়ে৷ জবাবি ভাষণে প্রধানমন্ত্রী জানান দেশবাসী ২০১৪ সালের পরে একটা নতুন মডেল পেয়েছে, আদর্শ পেয়েছে। যা নিয়ে অমৃতকালের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে ভারত। তিনি বিজেপি সরকারের সাফল্যের কথাও বলেন।

    পরিবারতন্ত্র নিয়ে কটাক্ষ

    এদিন জবাবি ভাষণে দেশের সবচেয়ে পুরনো জাতীয় দলের বিরুদ্ধে তোপ দেগে প্রধানমন্ত্রী (Modi in Rajya Sabha) বলেন, “কংগ্রেসের থেকে সবকা সাথ, সবকা বিকাশ আশা করাই উচিত নয়। এটা যেমন ওদের ধারণার বাইরে, ঠিক তেমনই ওদের দলের আর্দশের মধ্য়ে পড়ে না। কারণ গোটা দলটাই টিকে আছে পরিবারতন্ত্রের উপর ভিত্তি করে।” জরুরি অবস্থার সময়ে দেশের পরিস্থিতির কথা স্মরণ করিয়ে প্রধানমন্ত্রী দাবি করেন, ওই সময় দেশবাসীর বাক্‌স্বাধীনতা হনন এবং সংবাদমাধ্যমের কণ্ঠরোধের চেষ্টা করা হয়েছিল। বেশ কিছু উদাহরণও তুলে ধরে মোদির অভিযোগ, শিল্পীদেরও রেহাই দেওয়া হয়নি সেই সময়। জরুরি অবস্থাকে প্রকাশ্যে সমর্থন জানাতে রাজি না হওয়ায় দেবানন্দের সিনেমা দূরদর্শনে সম্প্রচার বন্ধ করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ তোলেন মোদি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যাঁরা এখন সংবিধানের কথা বলছেন, তাঁরা বছরের পর বছর সংবিধানকে নিজেদের পকেটে ঢুকিয়ে রেখে দিয়েছিলেন।”

    আম্বেদকরকে স্মরণ

    আম্বেদকর-প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী (Modi in Rajya Sabha) বলেন, “কংগ্রেস সরকার বিআর আম্বেদকরকে ভারতরত্ন দেয়নি ৷ তাঁকে ভারতরত্নের যোগ্য মনেই করা হয়নি ৷ কিন্তু আজ তারা ‘জয় ভীম’ বলতে বাধ্য হচ্ছে৷ ভীমরাও আম্বেদকরের প্রতি কংগ্রেসের ঘৃণা, রাগের কথা ইতিহাসে খুব ভালোভাবেই নথিবদ্ধ রয়েছে৷ তাঁর প্রতিটি কথায় কংগ্রেস বিরক্ত হয়ে যেত। এর সব তথ্য রয়েছে। বাবাসাহেবকে দু’বার নির্বাচনে হারানোর জন্য তারা কী করেনি! তবে দেশবাসী আম্বেদকরের ভাবনাকে স্বীকৃতি দিয়েছে। তাই আজ বাধ্য হয়ে কংগ্রেসকে জয় ভীম বলতে হয়। এ কথা বলতে গিয়ে তাদের গলা শুকিয়ে আসে।”

    সংরক্ষণ ইস্যুতে কংগ্রেসকে তোপ

    মোদির (Modi in Rajya Sabha) বক্তৃতায় উঠে আসে আদিবাসী, দলিত, তফশিলি জাতি, জনজাতি এবং অন্য পিছিয়ে পড়া শ্রেণির প্রসঙ্গ। তাঁর সরকার যে সাধারণ শ্রেণির গরিব মানুষদের জন্য ১০ শতাংশ সংরক্ষণ এনেছে, সে কথাও মনে করিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। উঠে আসে বিশেষ ভাবে সক্ষমদের জন্য সুবিধা, তৃতীয় লিঙ্গকে আইনি স্বীকৃতির কথাও। মোদি বলেন, “গত বেশ কয়েকবছর ধরে অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণীর আওতাভুক্ত সাংসদরা দাবি করছেন, যেন ওবিসি কমিশনকে সাংবিধানিক মর্যাদা দেওয়া হয়। কিন্তু বারংবারই সেই আবেদন খারিজ হয়ে এসেছে। অবশেষে আমরা সেই সম্প্রদায়ের দাবিকে সম্মান জানিয়ে তাদের আবেদন রাখতে চলেছি।”

    দেশে এক নয়া মডেল

    প্রধানমন্ত্রী (Modi in Rajya Sabha) দাবি করেন, কংগ্রেস আমলে জাতপাত প্রচারেরও চেষ্টা হয়েছে৷ তিনি বলেন, “জাতপাতের বিষ ছড়ানোর চেষ্টাও হয়েছে৷ সংরক্ষণের বিষয়টি যখনই সামনে এসেছে, তখনই দেশে একটা ঝড় উঠেছে৷ আমরা প্রথম বার, একটা মডেল দিয়েছি দেশকে৷ অর্থনৈতিক দিক দিয়ে পিছিয়ে থাকা শ্রেণিকে আমরা ১০ শতাংশ সংরক্ষণ দিয়েছি। তাদের কাছ থেকে কিছু ছিনিয়ে না নিয়েই আমরা সংরক্ষণের এই মডেল দিয়েছি৷ এসসি, এসটি, ওবিসি-রা তাকে স্বাগত জানিয়েছে৷ কারও কোনও সমস্যা হয়নি৷ এর আগে বিশেষত কংগ্রেসের সময় তোষণ ছিল সবকিছু ৷ সেটাই রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছিল৷ এতে কয়েকটি ছোট দলের অনেক সুবিধা হয়েছে৷ কিন্তু অন্যরা বঞ্চিত হয়েছে৷ নির্বাচনের সময় তারা মিথ্যা আশা জাগিয়েছিল৷ মানুষকে বোকা বানানোর রাজনীতি করেছে ওরা।”

    এনডিএ সরকারের উদ্যোগ

    বিজেপি দেশের সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহারের দিকে লক্ষ্য রেখেছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী (Modi in Rajya Sabha) ৷ তিনি বলেন, “আমরা সম্পৃক্তকরণের দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করেছি ৷ চেয়েছি, প্রকল্পগুলির একশো শতাংশই রূপায়িত হোক৷ কেউ যেন বঞ্চিত না হয়, কাউকে যেন হতাশার দিকে ঠেলে দেওয়া না হয়৷ বিগত দশকগুলিতে প্রতিটি স্তরে আমরা ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশ’ কার্যকর করার চেষ্টা চালিয়েছি৷ এখন তার ফলাফল দেখতে পাচ্ছি ৷” তাঁর বক্তব্য, কেন্দ্রের বিভিন্ন প্রকল্প এবং উদ্যোগের কারণে দরিদ্র শ্রেণির মানুষকে মধ্যবিত্তের পর্যায়ে উন্নীত করা সম্ভব হয়েছে। দরিদ্র থেকে মধ্যবিত্ত শ্রেণিতে উঠে আসা মানুষদেরই তিনি ব্যাখ্যা করছেন ‘নব্য মধ্যবিত্ত’ বলে। মোদির কথায়, “কেন্দ্রীয় সরকার মধ্যবিত্ত এবং নব্য মধ্যবিত্তের পাশে সব সময় রয়েছে। আমরা মধ্যবিত্তদের একটি বড় অংশের জন্য আয়কর শূন্য করে দিয়েছে। ২০১৩ সালে (মোদি জমানা শুরুর আগে) বার্ষিক ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়ের উপর ছাড় ছিল। আজ আমরা বার্ষিক ১২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়ের উপরে করে ছাড় দিয়েছি।”

    কেন্দ্রের একগুচ্ছ প্রকল্প

    রাজ্যসভায় মোদির (Modi in Rajya Sabha) বক্তৃতায় উঠে আসে আয়ুষ্মান যোজনা, আবাস যোজনার মতো প্রকল্পগুলির কথাও। আয়ুষ্মান যোজনায় সত্তরোর্ধ্ব বৃদ্ধদের চিকিৎসা বিমা দেয় কেন্দ্র। মোদির দাবি, এই প্রকল্পে সবচেয়ে বেশি সুবিধা পাচ্ছেন দেশের মধ্যবিত্ত প্রবীণেরাই। পাশাপাশি, মধ্যবিত্তদের জন্য কেন্দ্রের তরফে ৪ কোটি বাড়িও তৈরি করে দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া দেশের পর্যটন প্রসারিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মধ্যবিত্তেরা উপকৃত হচ্ছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর কথায়, অতীতে বিদেশিরা ভারত বলতে দিল্লি, মুম্বই বা বেঙ্গালুরুকেই চিনতেন। তবে ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে জি-২০ বৈঠক আয়োজন করানোর ফলে এখন বিশ্ববাসী ভারতকে নতুন করে চিনেছেন। দেশীয় পর্যটনেও আকর্ষণ বৃদ্ধি পেয়েছে। পর্যটনের সঙ্গে স্থানীয় ব্যবসাও বৃদ্ধি পেয়েছে এবং মধ্যবিত্তেরাই এর সুবিধা পাচ্ছেন বলে মত প্রধানমন্ত্রীর।

  • PM Modi: কংগ্রেসের অস্ত্রেই কংগ্রেস বধ মোদির, খোঁচা রাহুলকেও

    PM Modi: কংগ্রেসের অস্ত্রেই কংগ্রেস বধ মোদির, খোঁচা রাহুলকেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেসের অস্ত্রেই কংগ্রেস বধ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi)! নিহত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর মন্তব্যকে অস্ত্র করেই দুর্নীতি নিয়ে কংগ্রেসকে নিশানা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সামাজিক উন্নয়নের প্রশ্নে রাহুল গান্ধীর দলকে খোঁচা দিলেন নিহত প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর স্লোগানের প্রসঙ্গ তুলে (Budget Session)।

    প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্ন (PM Modi)

    ১৯৮৫ সালে রাজীব বলেছিলেন, দিল্লির সরকার যদি মানুষের কল্যাণে ১ টাকা বরাদ্দ করে, শেষ পর্যন্ত দেখা যায়, গরিব মানুষের কাছে পৌঁছচ্ছে মাত্র ১৫ পয়সা। মঙ্গলবার বাজেট অধিবেশনের প্রথমার্ধে রাষ্ট্রপতির বক্তৃতা নিয়ে জবাবি ভাষণে রাজীবের সেই মন্তব্যের উল্লেখ করে কংগ্রেস সাংসদদের বেঞ্চের দিকে চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্ন, “তখন তো দিল্লি থেকে পঞ্চায়েত পর্যন্ত এঁদেরই রাজত্ব ছিল। বাকি পয়সা কোথায় যেত?” প্রশ্নের উত্তরও দিয়েছেন নিজেই – “ভুল হাতে যেত।” সেই হাত কংগ্রেসের, সে দিকে ইঙ্গিত করে তাঁর মন্তব্য – “আমি হাতের কথা বলেছি। কার হাত বলিনি।”

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী

    ‘গরিবি হটাও’ স্লোগান দিয়েছিলেন নিরাপত্তারক্ষীর হাতে খুন হওয়া প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী। এদিন সেই অস্ত্রও প্রয়োগ করেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। তিনি বলেন, “পাঁচ দশক আগে থেকে দেশবাসী গরিবি হটাও স্লোগান শুনেছেন। আর এখন ২৫ কোটি মানুষ দারিদ্রসীমার কবল থেকে মুক্তি পেয়েছেন।” তিনি বলেন, “আমরা শুধু জমির অধিকারের কথা বলিনি, মানুষকে জমির অধিকার দিয়েছি। এর জন্য- দূরদৃষ্টির প্রয়োজন।” রাহুলের দিকে তাকিয়ে তিনি বলেন, “কিন্তু কিছু মানুষের সেটা নেই।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যাঁরা গরিব বাড়ি গিয়ে ফোটোশেসন করেন, সংসদে গরিবদের উন্নয়নের কথা তাঁদের কাছে পানসে লাগবে।”

    ‘একুশ শতকের ভারত’ গড়ার স্লোগান দিয়েছিলেন রাজীব। এদিন তাকেও ‘অস্ত্র’ করেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। বলেন, “আমাদেরই একজন প্রধানমন্ত্রী কথায় কথায় বিশ শতক, একুশ শতক বলতেন। প্রয়াত আরকে লক্ষ্মণ তা নিয়ে চমৎকার একটি কার্টুন এঁকেছিলেন – ঠেলার ওপর রয়েছে একটি বিমান। বিমানে বসে রয়েছেন এক পাইলট (প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগে বিমান চালাতেন রাজীব)। কেন পাইলট, তা আমি বলতে পারব না। কিন্তু সেই ঠেলাটিকে নিয়ে চলেছেন এক শ্রমিক। ঠেলার গায়ে লেখা রয়েছে একুশ শতক! আসলে ওই প্রধানমন্ত্রী বিংশ শতাব্দীর চাহিদাই বুঝে উঠতে পারেননি।” তুষ্টিকরণের রাজনীতির সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যাঁরা সংবিধান বুকে নিয়ে ঘোরেন, তাঁরা মুসলিম মহিলাদের দুর্দশা দেখতে পেতেন না। আমরা তিন তালাক প্রথা বাতিল করে মুসলিম মহিলাদের স্বস্তি দিয়েছে।” মহাত্মা গান্ধীর উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, “যাঁরা পিছিয়ে রয়েছে, তাঁদের দিকে প্রথমে নজর (Budget Session) দিতে হবে।” বিজেপি বিষের রাজনীতি করে না বলেও দাবি করেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)।

  • Waqf Bill: সংসদের বাজেট অধিবেশনেই পেশ হবে ওয়াকফ সংশোধনী বিল? কী বলছে জেপিসি?

    Waqf Bill: সংসদের বাজেট অধিবেশনেই পেশ হবে ওয়াকফ সংশোধনী বিল? কী বলছে জেপিসি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঠিক ছিল সংসদের শীতকালীন অধিবেশনেই পেশ করা হবে ওয়াকফ সংশোধনী বিল (Waqf Bill)। তবে সেই সময় পেশ হয়নি বিলটি। সূত্রের খবর, আসন্ন বাজেট অধিবেশনেই (Budget Session) পেশ করা হতে পারে ওই বিল। প্রসঙ্গত, সংসদের বাজেট অধিবেশন শুরু হবে ৩১ জানুয়ারি, দুভাগে চলবে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত।

    পর্যালোচনা হয়েছে বিল (Waqf Bill)

    সূত্রের খবর, যৌথ সংসদীয় কমিটিতে বিলটি নিয়ে পর্যালোচনা হয়েছে। এবার স্টেকহোল্ডার, দল এবং অন্যান্য সংস্থার সঙ্গে আলোচনা শেষ করে ঐকমত্যে পৌঁছবে বলে আশা করা হচ্ছে। যৌথ সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যান জগদম্বিকা পাল ও অন্য সদস্যরা সম্প্রতি পাটনা সফর করেছেন। চেয়ারম্যান সংবাদমাধ্যমে বলেন, ‘‘বাজেট অধিবেশনের সময় আমাদের প্রতিবেদন জমা দিতে হবে। তাই সময় দ্রুত শেষ হয়ে যাচ্ছে।’’ সূত্রের ইঙ্গিত, সরকার জেপিসির রিপোর্ট পাওয়ার পর বিলটি উত্থাপন করতে প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা দ্রুত শেষ করতে চাইছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রবীণ বিজেপি নেতা বলেন, “বাজেট অধিবেশনে বিলটি (ওয়াকফ বিল) উত্থাপনের প্রস্তুতি চলছে। সম্প্রতি জেপিসি চেয়ারম্যান স্বীকার করেছেন যে প্রতিবেদন চূড়ান্ত এবং জমা দেওয়ার জন্য সময় সীমিত।”

    যৌথ সংসদীয় কমিটির বৈঠক

    জানা গিয়েছে, ওয়াক্‌ফ বিলের (Waqf Bill) ওপর যৌথ সংসদীয় কমিটি দিল্লিতে ৩৪টি বৈঠক করেছে। ২০৪টিরও বেশি প্রতিনিধি দল ও স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনা করেছে। চেয়ারম্যান বলেন, ‘‘সরকার উভয় কক্ষেই সংশোধনী বিল পাস করতে পারত। তবে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছিল স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রস্তুত করার।’’  

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশকে খিলাফতে পরিণত করতে চাইছে আইএসআই এবং হামাস!

    তিনি বলেন, ‘‘আমি বিহারে পৌঁছেছি। এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা এখানে ওয়াকফ বোর্ড, স্টেকহোল্ডার, প্রতিনিধিদল এবং সংখ্যালঘু কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করব। বাজেট অধিবেশন চলাকালীন আমাদের প্রতিবেদন জমা দিতে হবে, তাই সময় ফুরিয়ে যাচ্ছে।’’ তিনি বলেন, “বিবাদগুলি সমাধান করতে সংশোধনীটি চালু করা হয়েছিল, যেমন কেরলে, সেখানে একটি পুরানো গির্জাকে ওয়াকফ সম্পত্তি (Waqf Bill) হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল। এখন কুম্ভের জমি নিয়েও একই দাবি উঠছে (Budget Session)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Budget Session: বেতন বৃদ্ধি থেকে আয়কর ছাড়ের প্রত্যাশা, সংসদের বাজেট অধিবেশন শুরু ৩১ জানুয়ারি

    Budget Session: বেতন বৃদ্ধি থেকে আয়কর ছাড়ের প্রত্যাশা, সংসদের বাজেট অধিবেশন শুরু ৩১ জানুয়ারি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি মাসের শেষ দিন থেকেই শুরু হবে সংসদের (Parliament) বাজেট অধিবেশন (Budget Session)। দু’দফায় অধিবেশন চলবে দু’মাসেরও বেশি সময় ধরে৷ বাজেট অধিবেশন শুরু হবে ৩১ জানুয়ারি৷  শেষ হবে ৪ এপ্রিল৷ এর মধ্যে চিরাচরিত রীতি অনুযায়ী ১ ফেব্রুয়ারি দেশের অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন বাজেট পেশ করবেন৷ রীতি মেনে সংসদীয় বাজেট অধিবেশনের সূচনা হবে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর ভাষণ দিয়ে৷

    সংসদে কবে কী

    সংসদ (Parliament) সূত্রে খবর, বাজেট অধিবেশনের (Budget Session) প্রথম অংশটি ৩১ জানুয়ারি থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারির মধ্যে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। বাজেট অধিবেশনের প্রথম ভাগে সংসদ বন্ধ থাকবে ২, ৫, ৮, ৯ এবং ১২ ফেব্রয়ারি। ৩১ জানুয়ারি রাষ্ট্রপতি ভাষণ দেবেন। এরপর ১ ফেব্রুয়ারি বাজেট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী। পাশাপাশি বাজেট সংক্রান্ত আলোচনায় ওঠা নানা প্রশ্নের উত্তরও দেবেন তিনি৷ তারপরে অধিবেশনের প্রথম অংশ জুড়ে রাষ্ট্রপতির ভাষণের উপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের উপর আলোচনা হবে উভয় কক্ষে। সংসদের উভয় কক্ষে প্রধানমন্ত্রীর জবাব দিয়ে শেষ হবে এই অধিবেশন। এরপর ২৪ দিনের বিরতি৷ এই বিরতিতে বাজেটের নানাবিধ প্রস্তাব পরীক্ষা-নিরীক্ষা হবে৷ সংসদে বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয় ভাগ শুরু হতে পারে ১০ মার্চ থেকে। তা চলতে পারে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত। এর মাঝে সংসদ বন্ধ থাকবে ১৪ থেকে ১৬ মার্চ, ২ থেকে ২৩ মার্চ, ২৯ থেকে ৩১ মার্চ। এই পর্বে বিভিন্ন মন্ত্রকের ত্রাণ মঞ্জুর থেকে আরম্ভ করে বাজেট প্রক্রিয়ার সমাপ্তি হবে৷ পুরো সংসদীয় বাজেট অধিবেশনে ২৭টি অধিবেশন হবে বলে জানা গিয়েছে৷

    আরও পড়ুন: জঙ্গি কার্যকলাপ রুখতে সিমকার্ড কেনার সময় বায়োমেট্রিক যাচাই হবে বাধ্যতামূলক

    কী কী ঘোষণা হতে পারে

    গত শীতকালীন অধিবেশনে (Budget Session) প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত নানাবিধ ইস্যুতে উত্তপ্ত ছিল সংসদ৷ লোকসভায় (Parliament) পেশ হয় ‘এক দেশ, এক ভোট’ বিল৷ এবার বাজেট নিয়েও সংসদে বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে পারেন বিরোধীরা, এমনই অনুমান বিশেষজ্ঞদের। এই নিয়ে টানা আটবার সংসদে বাজেট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। এবারের বাজেটে আয়কর ছাড় থেকে শুরু অষ্টম বেতন কমিশন সংক্রান্ত ঘোষণা করা হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। সম্প্রতি সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত উপার্জন করা করদাতাদের ছাড় দেওয়া হতে পারে বাজেটে। এর ফলে বিশেষত শহরের মধ্যবিত্ত চাকরিজীবীরা উপকৃত হবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Union Budget 2024: “সংসদের সময় নষ্ট করবেন না”, বাজেটের আগে বিরোধীদের উদ্দেশে বার্তা মোদির

    Union Budget 2024: “সংসদের সময় নষ্ট করবেন না”, বাজেটের আগে বিরোধীদের উদ্দেশে বার্তা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদকে সচল রাখতে বিরোধী সাংসদের কাছে অনুরোধ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বাজেট অধিবেশন (Union Budget 2024) শুরুর আগে সোমবার বিরোধীদের উদ্দেশে মোদির আর্জি, “আগামী পাঁচ বছর দেশের জন্য লড়তে হবে। দলগত রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠতে হবে।” রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে দেশের উন্নয়নের জন্য় সবাইকে এগিয়ে আসার অনুরোধ করেন প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi)।

    বিরোধীদের উদ্দেশে মোদির বার্তা

    আগামিকাল, মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই যে বাজেট (Union Budget 2024) পেশ হবে সেটা অমৃতকালের জন্য বাজেট বলে দাবি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি বলেন, “আমাদের ৫ বছরের যে সুযোগ মিলেছে। এই বাজেট সেই লক্ষ্য়েই তৈরি হয়েছে। বিকশিত ভারতের স্বপ্ন পূরণ করার জন্য ওই বাজেট তৈরি হচ্ছে। ৬০ বছর পর কোনও সরকার তৃতীয়বারের জন্য ফেরত এসেছে। তৃতীয় বারের জন্য প্রথম বাজেট তৈরির সৌভাগ্য হয়েছে। এটা অত্যন্ত গৌরবের কথা।” সংসদ অধিবেশন শুরুর আগে এদিন বিরোধীদের কাছে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা, “নির্বাচিত সব সাংসদ ও রাজনৈতিক দলগুলির কর্তব্য হল আগামী ৫ বছর দেশের জন্য লড়াই করা। আসুন আমরা আগামী ৪ থেকে সাড়ে ৪ বছর রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে কাজ করি। ভোটের সময় যা করার করবেন, কিন্তু তার আগে পর্যন্ত ২০৪৭-এর স্বপ্ন পূরণের জন্য লড়াই করুন। ১৪০ কোটি দেশবাসী যে সরকারকে সেবার সুযোগ দিয়েছে, তার কণ্ঠস্বর রুদ্ধ করবেন না। সব দলের কাছে আবেদন যাঁরা প্রথম সংসদে এসেছেন তাঁদের সংসদে আলোচনার সুযোগ দিন। এই সদন দেশের জন্য, দলের জন্য নয়।”

    বিরোধীদের উদ্দেশে মোদির বার্তা

    বাজেট (Union Budget 2024) অধিবেশনের আগে একসঙ্গে কাজ করার বার্তা দিলেও বিরোধীদের হুঁশিয়ারি দিতেও ছাড়েননি প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। মোদি বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর কণ্ঠরোধ করার কোনও অধিকার তাঁদের নেই। দেশবাসী বিরোধীদের দেশের জন্য পাঠিয়েছে, দলের জন্য পাঠায়নি। দেশ নেতিবাচক রাজনীতি চায় না, উন্নতির বিচারধারা চায়।” কণ্ঠরোধ করা হলেও বিরোধীদের কোনও অনুশোচনা নেই বলেও অভিযোগ মোদির।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Economic Survey: বাজেটের আগেই সংসদে পেশ হবে অর্থনৈতিক সমীক্ষার রিপোর্ট

    Economic Survey: বাজেটের আগেই সংসদে পেশ হবে অর্থনৈতিক সমীক্ষার রিপোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৩ জুলাই সংসদে পেশ হবে তৃতীয় মোদি সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেট (Budget 2024)। তার আগের দিন সোমবার সংসদে অর্থনৈতিক সার্ভে (Economic Survey) রিপোর্ট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ। ভারতীয় অর্থনীতির রিপোর্ট কার্ডও বলা যেতে পারে একে। গত অর্থবর্ষে দেশের বৃদ্ধির হার কেমন ছিল, তাও জানা যাবে এই ইকনোমিক সার্ভে থেকে।

    ইকনোমিক সার্ভের রিপোর্ট (Economic Survey)

    প্রতি বছর কেন্দ্রীয় বাজেট পেশের আগেই পেশ হয় ইকনোমিক সার্ভের রিপোর্ট। তা থেকেই জানা যায় দেশের অর্থনীতির হাল কেমন, সমৃদ্ধিই বা কেমন, আর্থিক নীতিতে কোনও বদল হল কিনা, এই সব। সার্ভে রিপোর্টটি বানিয়েছে মুখ্য অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ভি অনন্ত নাগেশ্বরণের নেতৃত্বে বিশেষজ্ঞদের একটি দল। ইকনোমিক এই সমীক্ষার রিপোর্ট থেকেই জানা যায় দেশে কর্মসংস্থানের হার কত, জিডিপি গ্রোথই বা কেমন, মুদ্রাস্ফীতি এবং বাজেটে ঘাটতির পরিমাণ সম্পর্কে।

    অর্থনৈতিক বৃদ্ধির হার

    ভারতের গায়ে সেঁটে গিয়েছে দ্রুততম অর্থনৈতিক উন্নয়নশীল দেশের তকমা। বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকায় ভারতের জায়গা হয়েছে পাঁচে। দীর্ঘকাল যে জায়গাটা দখলে রেখেছিল ইংল্যান্ড। বিভিন্ন সমীক্ষার সার্ভে রিপোর্ট বলছে, অচিরেই জাপানকে সরিয়ে ভারত চলে আসবে ওই তালিকার চার নম্বরে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভান্ডারের ভবিষ্যদ্বাণী, ২০২৫ অর্থবর্ষে ভারতের (Economic Survey) অর্থনৈতিক বৃদ্ধির হার ৬.৮ শতাংশ থেকে বেড়ে হবে ৭ শতাংশ। চলতি বছরের জুন মাসে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়াও জানিয়েছিল, অর্থনৈতিক বৃদ্ধির হার ৭ শতাংশ থেকে বেড়ে হবে ৭.২ শতাংশ। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক দেখেছে, ভারতে জিডিপি বৃদ্ধির হার হতে চলেছে ৮ শতাংশ। আরবিআইয়ের গভর্নর শক্তিকান্ত দাস বলেন, “২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে বৈশ্বিক বৃদ্ধিতে ভারতের অবদান ছিল ১৮.৫ শতাংশ।”

    আরও পড়ুন: “পৃথিবী ছিল না, নিবিড় আঁধার, তখন কেবল মা নিরাকার মহাকালী—মহাকালের সঙ্গে বিরাজ করছিল”

    বাজেট অধিবেশনে ৬টি বিল

    এদিকে, ২২ জুলাই, সোমবার শুরু হওয়া বাজেট অধিবেশনে ৬টি বিল পাশ করানোর পরিকল্পনা করেছে কেন্দ্রের এনডিএ সরকার। সংসদের এই অধিবেশন চলবে ১২ অগাস্ট পর্যন্ত। সংসদের উভয় কক্ষেই পেশ হবে নয়া বিলগুলি। এই বিলগুলি হল, অর্থনৈতিক বিল, বিপর্যয় মোকাবিলা (সংশোধনী) বিল, বয়লার্স বিল, বায়ুযান বিধেয়ক বিল (Budget 2024), কফি (প্রচার ও উন্নয়ন) বিল এবং রাবার (প্রচার ও উন্নয়ন) বিল (Economic Survey)।

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Public Examination Bill 2024: সরকারি চাকরির নিয়োগে ‘চিটিং’ করলেই শাস্তি! নতুন বিল আনছে কেন্দ্র

    Public Examination Bill 2024: সরকারি চাকরির নিয়োগে ‘চিটিং’ করলেই শাস্তি! নতুন বিল আনছে কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগের জন্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনিয়ম ও দুর্নীতি রুখতে সক্রিয় কেন্দ্র সরকার। এর জন্য ‘অ্যান্টি চিটিং বিল’ বা তঞ্চকতা বিরোধী বিল আনল কেন্দ্র সরকার। আপাতত সরকারি পরীক্ষার দুর্নীতি প্রতিরোধ করাই এই বিলের একমাত্র লক্ষ্য। শুক্রবার রাজ্যসভাতেও ধ্বনি ভোটে পাশ হয়ে গেল সরকারি পরীক্ষার দুর্নীতি দমন বিল। এর নাম ‘দ্য পাবলিক এক্সামিনেশনস (প্রিভেনশন অফ আনফেয়ার মিনস) বিল, ২০২৪’ (Public Examination Bill 2024)।

    কেন এই বিল

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি চান না দেশের ভবিষ্যৎ যে তরুণ-তরুণীরা তাঁদের ভবিষ্যৎ কিছু প্রতারক বা তঞ্চকের কুকর্মের জন্য নষ্ট হোক। বাজেট অধিবেশন চলাকালীন মঙ্গলবারই সেই বিল পাশ হয়েছিল সংসদের নিম্নকক্ষ লোকসভায়। শুক্রবার রাজ্যসভাতেও এই বিল পাশ হল। ফলে এই বিলের আইন হওয়ার পথে আর একটিই ধাপ বাকি রইল। এর পরে রাষ্ট্রপতি অনুমোদন দিলেই আইনে পরিণত হবে সরকারি চাকরির পরীক্ষার দুর্নীতি প্রতিরোধক বিল (Public Examination Bill 2024)। এই বিল আইনে পরিণত হলে এই আইন অনুযায়ী, দোষী সাব্যস্তদের সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং এক কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। এই বিলের অধীনে সমস্ত অপরাধ জামিন অযোগ্য নয়। এই অপরাধের ক্ষেত্রে পুলিশ নিজে থেকে ব্যবস্থা নিতে পারবে। পরোয়ানা ছাড়াও সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে জেরা এবং গ্রেফতার করার ক্ষমতা থাকবে পুলিশের হাতে। সরকারের দাবি, এই বিল আইন হিসাবে এলে কেন্দ্রের সরকারি চাকরিতে নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস, টুকলির মতো অনিয়মগুলি আটকানো পুরোপুরি সম্ভব হবে।

    আরও পড়ুন: ‘‘চলিয়ে, আপকো এক পানিশমেন্ট দেনা হ্যায়’’, আট সাংসদকে নিয়ে মধ্যাহ্নভোজ মোদির

    এই বিলের আওতায় কোন কোন পরীক্ষা

    দেশে সরকারি চাকরিতে নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়ম মোকাবিলা করার জন্য এত দিন কোনও আইন ছিল না। এবার তা রোধ করা সম্ভব হবে বলে অভিমত সরকারের। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং এই বিল সম্পর্কে লোকসভায় বলেন, মেধাবী ছাত্র এবং প্রার্থীদের স্বার্থ রক্ষা করার জন্যই এই বিলের বিধানগুলি তৈরি হয়েছে। জিতেন্দ্র সিং এ দিন বলেন, সরকার “সংগঠিত অপরাধের বিনিময়ে মেধাবী (প্রার্থীদের) বলি দিতে দেবে না ৷” শিক্ষার্থী এবং প্রার্থীরা এই বিলের আওতায় পড়বেন না এবং চাকরিপ্রার্থীদের এই বিলের জন্য কোনও ক্ষতি হবে না বলেও জানিয়ে দিয়েছেন তিনি। বিলের অধীনে যে সব কেন্দ্রীয় সরকারি চাকরির কথা বলা হয়েছে সেগুলি হল, ইউপিএসসি, স্টাফ সিলেকশন কমিশন, রেল, ব্যাঙ্ক, ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সির মতো পরীক্ষা (Public Examination Bill 2024)। এই বিলে প্রশ্নপত্র ফাঁস ও তার ফাঁসের চক্রান্ত, প্রশ্নপত্র বা ওএমআর শিট জোগাড় করা, উত্তর ফাঁস, পরীক্ষার প্রক্রিয়ায় কারচুপি, জাল অ্যাডমিট কার্ড বিলি, পরীক্ষার্থীদের অনৈতিক সাহায্য-সহ ১৫ রকমের অনিয়মের কথা বলা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Budget Session: প্রকাশ করা হবে ইউপিএ জমানার ‘কেলেঙ্কারি’, বাড়ছে বাজেট অধিবেশনের মেয়াদ

    Budget Session: প্রকাশ করা হবে ইউপিএ জমানার ‘কেলেঙ্কারি’, বাড়ছে বাজেট অধিবেশনের মেয়াদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাড়ছে সংসদের বাজেট অধিবেশন (Budget Session)। অধিবেশন চলার কথা ছিল ৯ ফেব্রুয়ারি, শুক্রবার পর্যন্ত। সেটা বাড়িয়ে করা হয়েছে ১০ ফেব্রুয়ারি, শনিবার পর্যন্ত। সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী জানান, বাজেট অধিবেশন বাড়ানো হয়েছে ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

    শ্বেতপত্র প্রকাশ

    ইউপিএ সরকারের আমলের আর্থিক অনিয়ম শীর্ষক একটি শ্বেতপত্র সংসদে পেশ করতে পারে নরেন্দ্র মোদির সরকার। সেই কারণেই মেয়াদ বৃদ্ধি করা হচ্ছে বাজেট অধিবেশনের। শ্বেতপত্রটির মাধ্যমে ইউপিএ আমলের অর্থনৈতিক অব্যবস্থাপনা, সেই সময়ের ভারতের অর্থনৈতিক দুর্দশা ও অর্থনীতিতে এর নেতিবাচক প্রভাবগুলি বিস্তারিত তুলে ধরতে চাইছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার। বাজেট অধিবেশন (Budget Session) শুরু হয়েছিল ৩১ জানুয়ারি। ১ ফেব্রুয়ারি পেশ হয় অন্তর্বর্তী বাজেট। যেহেতু লোকসভা নির্বাচন রয়েছে এ বছর, তাই পূর্ণাঙ্গ বাজেট নয়, পেশ করা হয়েছে ভোট অন অ্যাকাউন্ট বা অন্তর্বর্তীকালীন বাজেট। ওই দিন পেশ হয়েছে রেল বাজেটও।

    কংগ্রেসকে নিশানা

    সংসদে রাষ্ট্রপতির বৃক্তৃতার ওপর জবাবী ভাষণ দিতে গিয়ে সোমবার কংগ্রেসকে নিশানা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর জমানায় কাজের খতিয়ান তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, “কংগ্রেস ভাবতেই পারবে না কী গতিতে কাজ হয়েছে। এই সরকার ১০ বছরে যে কাজ করেছে, কংগ্রেসের তা করতে লাগবে ১০০ বছর।” ইউপিএ জমানার সঙ্গে এনডিএ জমানার তুলনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, “ভারত যে গতিতে এগোচ্ছে, তাতে আমি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলতে পারি যে আমাদের তৃতীয় মেয়াদে ভারত হবে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনৈতিক শক্তি। এটা মোদির গ্যারান্টি।”

    আরও পড়ুুন: মমতা সরকারের ২ লক্ষ ২৯ হাজার কোটির দুর্নীতি! ক্যাগ রিপোর্ট নিয়ে দ্রুত শুনানির আর্জি বিজেপির

    মঙ্গলবার রাজ্যসভায় পাশ হয়েছে সংবিধান (তফশিলি জনজাতি) নির্দেশিকা (সংশোধন) বিল, ২০২৪ ও সংবিধান (তফশিলি জাতি ও তফশিলি জনজাতি) নির্দেশিকা (সংশোধন) বিল, ২০২৪। এদিন রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ জ্ঞাপক প্রস্তাব নিয়েও আলোচনা হয় সংসদে (Budget Session)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share