Tag: budget session

budget session

  • Economic Survey: বাজেটের আগেই সংসদে পেশ হবে অর্থনৈতিক সমীক্ষার রিপোর্ট

    Economic Survey: বাজেটের আগেই সংসদে পেশ হবে অর্থনৈতিক সমীক্ষার রিপোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৩ জুলাই সংসদে পেশ হবে তৃতীয় মোদি সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেট (Budget 2024)। তার আগের দিন সোমবার সংসদে অর্থনৈতিক সার্ভে (Economic Survey) রিপোর্ট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ। ভারতীয় অর্থনীতির রিপোর্ট কার্ডও বলা যেতে পারে একে। গত অর্থবর্ষে দেশের বৃদ্ধির হার কেমন ছিল, তাও জানা যাবে এই ইকনোমিক সার্ভে থেকে।

    ইকনোমিক সার্ভের রিপোর্ট (Economic Survey)

    প্রতি বছর কেন্দ্রীয় বাজেট পেশের আগেই পেশ হয় ইকনোমিক সার্ভের রিপোর্ট। তা থেকেই জানা যায় দেশের অর্থনীতির হাল কেমন, সমৃদ্ধিই বা কেমন, আর্থিক নীতিতে কোনও বদল হল কিনা, এই সব। সার্ভে রিপোর্টটি বানিয়েছে মুখ্য অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ভি অনন্ত নাগেশ্বরণের নেতৃত্বে বিশেষজ্ঞদের একটি দল। ইকনোমিক এই সমীক্ষার রিপোর্ট থেকেই জানা যায় দেশে কর্মসংস্থানের হার কত, জিডিপি গ্রোথই বা কেমন, মুদ্রাস্ফীতি এবং বাজেটে ঘাটতির পরিমাণ সম্পর্কে।

    অর্থনৈতিক বৃদ্ধির হার

    ভারতের গায়ে সেঁটে গিয়েছে দ্রুততম অর্থনৈতিক উন্নয়নশীল দেশের তকমা। বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকায় ভারতের জায়গা হয়েছে পাঁচে। দীর্ঘকাল যে জায়গাটা দখলে রেখেছিল ইংল্যান্ড। বিভিন্ন সমীক্ষার সার্ভে রিপোর্ট বলছে, অচিরেই জাপানকে সরিয়ে ভারত চলে আসবে ওই তালিকার চার নম্বরে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভান্ডারের ভবিষ্যদ্বাণী, ২০২৫ অর্থবর্ষে ভারতের (Economic Survey) অর্থনৈতিক বৃদ্ধির হার ৬.৮ শতাংশ থেকে বেড়ে হবে ৭ শতাংশ। চলতি বছরের জুন মাসে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়াও জানিয়েছিল, অর্থনৈতিক বৃদ্ধির হার ৭ শতাংশ থেকে বেড়ে হবে ৭.২ শতাংশ। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক দেখেছে, ভারতে জিডিপি বৃদ্ধির হার হতে চলেছে ৮ শতাংশ। আরবিআইয়ের গভর্নর শক্তিকান্ত দাস বলেন, “২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে বৈশ্বিক বৃদ্ধিতে ভারতের অবদান ছিল ১৮.৫ শতাংশ।”

    আরও পড়ুন: “পৃথিবী ছিল না, নিবিড় আঁধার, তখন কেবল মা নিরাকার মহাকালী—মহাকালের সঙ্গে বিরাজ করছিল”

    বাজেট অধিবেশনে ৬টি বিল

    এদিকে, ২২ জুলাই, সোমবার শুরু হওয়া বাজেট অধিবেশনে ৬টি বিল পাশ করানোর পরিকল্পনা করেছে কেন্দ্রের এনডিএ সরকার। সংসদের এই অধিবেশন চলবে ১২ অগাস্ট পর্যন্ত। সংসদের উভয় কক্ষেই পেশ হবে নয়া বিলগুলি। এই বিলগুলি হল, অর্থনৈতিক বিল, বিপর্যয় মোকাবিলা (সংশোধনী) বিল, বয়লার্স বিল, বায়ুযান বিধেয়ক বিল (Budget 2024), কফি (প্রচার ও উন্নয়ন) বিল এবং রাবার (প্রচার ও উন্নয়ন) বিল (Economic Survey)।

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Public Examination Bill 2024: সরকারি চাকরির নিয়োগে ‘চিটিং’ করলেই শাস্তি! নতুন বিল আনছে কেন্দ্র

    Public Examination Bill 2024: সরকারি চাকরির নিয়োগে ‘চিটিং’ করলেই শাস্তি! নতুন বিল আনছে কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগের জন্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনিয়ম ও দুর্নীতি রুখতে সক্রিয় কেন্দ্র সরকার। এর জন্য ‘অ্যান্টি চিটিং বিল’ বা তঞ্চকতা বিরোধী বিল আনল কেন্দ্র সরকার। আপাতত সরকারি পরীক্ষার দুর্নীতি প্রতিরোধ করাই এই বিলের একমাত্র লক্ষ্য। শুক্রবার রাজ্যসভাতেও ধ্বনি ভোটে পাশ হয়ে গেল সরকারি পরীক্ষার দুর্নীতি দমন বিল। এর নাম ‘দ্য পাবলিক এক্সামিনেশনস (প্রিভেনশন অফ আনফেয়ার মিনস) বিল, ২০২৪’ (Public Examination Bill 2024)।

    কেন এই বিল

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি চান না দেশের ভবিষ্যৎ যে তরুণ-তরুণীরা তাঁদের ভবিষ্যৎ কিছু প্রতারক বা তঞ্চকের কুকর্মের জন্য নষ্ট হোক। বাজেট অধিবেশন চলাকালীন মঙ্গলবারই সেই বিল পাশ হয়েছিল সংসদের নিম্নকক্ষ লোকসভায়। শুক্রবার রাজ্যসভাতেও এই বিল পাশ হল। ফলে এই বিলের আইন হওয়ার পথে আর একটিই ধাপ বাকি রইল। এর পরে রাষ্ট্রপতি অনুমোদন দিলেই আইনে পরিণত হবে সরকারি চাকরির পরীক্ষার দুর্নীতি প্রতিরোধক বিল (Public Examination Bill 2024)। এই বিল আইনে পরিণত হলে এই আইন অনুযায়ী, দোষী সাব্যস্তদের সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং এক কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। এই বিলের অধীনে সমস্ত অপরাধ জামিন অযোগ্য নয়। এই অপরাধের ক্ষেত্রে পুলিশ নিজে থেকে ব্যবস্থা নিতে পারবে। পরোয়ানা ছাড়াও সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে জেরা এবং গ্রেফতার করার ক্ষমতা থাকবে পুলিশের হাতে। সরকারের দাবি, এই বিল আইন হিসাবে এলে কেন্দ্রের সরকারি চাকরিতে নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস, টুকলির মতো অনিয়মগুলি আটকানো পুরোপুরি সম্ভব হবে।

    আরও পড়ুন: ‘‘চলিয়ে, আপকো এক পানিশমেন্ট দেনা হ্যায়’’, আট সাংসদকে নিয়ে মধ্যাহ্নভোজ মোদির

    এই বিলের আওতায় কোন কোন পরীক্ষা

    দেশে সরকারি চাকরিতে নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়ম মোকাবিলা করার জন্য এত দিন কোনও আইন ছিল না। এবার তা রোধ করা সম্ভব হবে বলে অভিমত সরকারের। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং এই বিল সম্পর্কে লোকসভায় বলেন, মেধাবী ছাত্র এবং প্রার্থীদের স্বার্থ রক্ষা করার জন্যই এই বিলের বিধানগুলি তৈরি হয়েছে। জিতেন্দ্র সিং এ দিন বলেন, সরকার “সংগঠিত অপরাধের বিনিময়ে মেধাবী (প্রার্থীদের) বলি দিতে দেবে না ৷” শিক্ষার্থী এবং প্রার্থীরা এই বিলের আওতায় পড়বেন না এবং চাকরিপ্রার্থীদের এই বিলের জন্য কোনও ক্ষতি হবে না বলেও জানিয়ে দিয়েছেন তিনি। বিলের অধীনে যে সব কেন্দ্রীয় সরকারি চাকরির কথা বলা হয়েছে সেগুলি হল, ইউপিএসসি, স্টাফ সিলেকশন কমিশন, রেল, ব্যাঙ্ক, ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সির মতো পরীক্ষা (Public Examination Bill 2024)। এই বিলে প্রশ্নপত্র ফাঁস ও তার ফাঁসের চক্রান্ত, প্রশ্নপত্র বা ওএমআর শিট জোগাড় করা, উত্তর ফাঁস, পরীক্ষার প্রক্রিয়ায় কারচুপি, জাল অ্যাডমিট কার্ড বিলি, পরীক্ষার্থীদের অনৈতিক সাহায্য-সহ ১৫ রকমের অনিয়মের কথা বলা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Budget Session: প্রকাশ করা হবে ইউপিএ জমানার ‘কেলেঙ্কারি’, বাড়ছে বাজেট অধিবেশনের মেয়াদ

    Budget Session: প্রকাশ করা হবে ইউপিএ জমানার ‘কেলেঙ্কারি’, বাড়ছে বাজেট অধিবেশনের মেয়াদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাড়ছে সংসদের বাজেট অধিবেশন (Budget Session)। অধিবেশন চলার কথা ছিল ৯ ফেব্রুয়ারি, শুক্রবার পর্যন্ত। সেটা বাড়িয়ে করা হয়েছে ১০ ফেব্রুয়ারি, শনিবার পর্যন্ত। সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী জানান, বাজেট অধিবেশন বাড়ানো হয়েছে ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

    শ্বেতপত্র প্রকাশ

    ইউপিএ সরকারের আমলের আর্থিক অনিয়ম শীর্ষক একটি শ্বেতপত্র সংসদে পেশ করতে পারে নরেন্দ্র মোদির সরকার। সেই কারণেই মেয়াদ বৃদ্ধি করা হচ্ছে বাজেট অধিবেশনের। শ্বেতপত্রটির মাধ্যমে ইউপিএ আমলের অর্থনৈতিক অব্যবস্থাপনা, সেই সময়ের ভারতের অর্থনৈতিক দুর্দশা ও অর্থনীতিতে এর নেতিবাচক প্রভাবগুলি বিস্তারিত তুলে ধরতে চাইছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার। বাজেট অধিবেশন (Budget Session) শুরু হয়েছিল ৩১ জানুয়ারি। ১ ফেব্রুয়ারি পেশ হয় অন্তর্বর্তী বাজেট। যেহেতু লোকসভা নির্বাচন রয়েছে এ বছর, তাই পূর্ণাঙ্গ বাজেট নয়, পেশ করা হয়েছে ভোট অন অ্যাকাউন্ট বা অন্তর্বর্তীকালীন বাজেট। ওই দিন পেশ হয়েছে রেল বাজেটও।

    কংগ্রেসকে নিশানা

    সংসদে রাষ্ট্রপতির বৃক্তৃতার ওপর জবাবী ভাষণ দিতে গিয়ে সোমবার কংগ্রেসকে নিশানা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর জমানায় কাজের খতিয়ান তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, “কংগ্রেস ভাবতেই পারবে না কী গতিতে কাজ হয়েছে। এই সরকার ১০ বছরে যে কাজ করেছে, কংগ্রেসের তা করতে লাগবে ১০০ বছর।” ইউপিএ জমানার সঙ্গে এনডিএ জমানার তুলনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, “ভারত যে গতিতে এগোচ্ছে, তাতে আমি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলতে পারি যে আমাদের তৃতীয় মেয়াদে ভারত হবে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনৈতিক শক্তি। এটা মোদির গ্যারান্টি।”

    আরও পড়ুুন: মমতা সরকারের ২ লক্ষ ২৯ হাজার কোটির দুর্নীতি! ক্যাগ রিপোর্ট নিয়ে দ্রুত শুনানির আর্জি বিজেপির

    মঙ্গলবার রাজ্যসভায় পাশ হয়েছে সংবিধান (তফশিলি জনজাতি) নির্দেশিকা (সংশোধন) বিল, ২০২৪ ও সংবিধান (তফশিলি জাতি ও তফশিলি জনজাতি) নির্দেশিকা (সংশোধন) বিল, ২০২৪। এদিন রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ জ্ঞাপক প্রস্তাব নিয়েও আলোচনা হয় সংসদে (Budget Session)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: রাজ্যপালের বক্তৃতার মাঝেই ‘চোর ধরো’ স্লোগান, উত্তপ্ত বিধানসভা, ওয়াকআউট বিজেপির

    BJP: রাজ্যপালের বক্তৃতার মাঝেই ‘চোর ধরো’ স্লোগান, উত্তপ্ত বিধানসভা, ওয়াকআউট বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যপালের ভাষণে দুর্নীতিকে আড়াল করা হয়েছে, এই অভিযোগ তুলে বুধবার বিধানসভা থেকে ওয়াকআউট করলেন বিজেপি (BJP) বিধায়করা। তার আগে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে বিধানসভা কক্ষেই বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন পদ্ম-বিধায়করা। বুধবার বিধানসভায় শুরু হয় বাজেট অধিবেশন (Budget Session)। এদিন ভাষণ দিচ্ছিলেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস। তিন বছর পর এবার সরাসরি সম্প্রচার করা হচ্ছিল রাজ্যপালের ভাষণ।

    রাজ্যপাল…

    রাজ্যপালের বক্তৃতায় দুর্নীতিকে আড়াল করা হয়েছে, এই অভিযোগ তুলে বিধানসভার ভিতরেই বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন বিজেপি বিধায়করা। তাঁরা স্লোগান দিতে থাকেন, পিসি চোর, ভাইপো চোর, তৃণমূলের সবাই চোর, চোর ধরো, জেল ভরো স্লোগান দিতে দিতে ওয়াক আউট করেন গেরুয়া শিবিরের বিধায়করা। তার আগে রাজ্যপালের সামনেই কাগজ ছুড়ে বিক্ষোভ দেখান তাঁরা। পরে ছিঁড়ে ফেলা হয় রাজ্যপালের ভাষণের প্রতিলিপিও। এহেন উত্তপ্ত পরিস্থিতিতেও থামেননি রাজ্যপাল। পুরো বক্তব্যই পেশ করেন তিনি। এক সময় তুমুল বিক্ষোভ ও স্লোগান দেওয়ার জেরে বক্তব্য শোনা না গেলেও, থামেননি রাজ্যপাল। লিখিত বক্তব্য পাঠ করে বিধানসভা চত্বর থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময়ও বিজেপি (BJP) বিধায়করা রাজ্যের শাসক দল তৃণমূলের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে থাকেন।  

    আরও পড়ুুন: ‘দোষী হলে টাকাও যাবে, জেলও হবে’, গ্রুপ-ডির ‘ভুয়ো’ চাকরিপ্রাপকদের উদ্দেশে বিচারপতি বসু

    এদিন প্রথা মেনে প্রথমে শোক প্রস্তাব পেশ করা হয়। তার পরেই শুরু হয়ে যায় হট্টগোল। আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকিকে জেলবন্দি করে রাখা হয়েছে কেন, সরকার পক্ষের কাছে সে ব্যাপারে কৈফিয়ত চেয়ে স্লোগান দিতে শুরু করেন বিজেপি বিধায়করা। রাজ্যপাল বক্তব্য পেশ করতে শুরু করতেই স্লোগান দিতে থাকেন তাঁরা। তাঁরা বলতে থাকেন, চাকরি চোর সরকার, আর নেই দরকার। রাজ্যপাল ন নম্বর অনুচ্ছেদ পড়তেই স্লোগান দেওয়ার মাত্রা আরও বেড়ে যায়। প্রসঙ্গত, ওই অনুচ্ছেদে লেখা ছিল, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে রাজ্যে শান্তির আবহ বজায় রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির পরিবেশ অক্ষুণ্ণ রয়েছে। বিজেপির (BJP) অভিযোগ, রাজ্যের পর্বত সমান দুর্নীতিকে আড়াল করে রাজ্যের গুণগান গাইছেন রাজ্যপাল। এর পরেই রাজ্যপালের মিথ্যা ভাষণ মানছি না, মানব না, স্লোগান দিতে থাকেন তাঁরা। বলতে থাকেন, পিসি চোর, ভাইপো চোর, তৃণমূলের সবাই চোর। এসব বলতে বলতেই ওয়াকআউট করেন বিজেপি বিধায়করা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Budget Session: আজ, রাষ্ট্রপতির ভাষণের মধ্য দিয়ে শুরু বাজেট অধিবেশন! আর্থিক সমীক্ষা পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী

    Budget Session: আজ, রাষ্ট্রপতির ভাষণের মধ্য দিয়ে শুরু বাজেট অধিবেশন! আর্থিক সমীক্ষা পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, মঙ্গলবার শুরু হচ্ছে বাজেট অধিবেশন (Budget Session 2023)। লোকসভা ও রাজ্যসভার যৌথ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর (Draupadi Murmu) ভাষণ দিয়ে এই অধিবেশনের সূচনা হবে।  রাষ্ট্রপতির ভাষণের পর সংসদে আর্থিক সমীক্ষা রিপোর্ট পেশ করবেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। 

    কী কী থাকবে

    এরপর সরকারের লক্ষ্য রাষ্ট্রপতির ভাষণে ধন্য়বাদ জ্ঞাপন ও আর্থিক বিলে অনুমোদন আদায় করা। আগামিকাল অর্থাৎ ১ ফেব্রুয়ারি লোকসভায় পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। ২০২৪ -র নির্বাচনের আগে এটাই শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট মোদি সরকারের।  সরকার এই অধিবেশনে মোট ৩৬ টি বিল নিয়ে আসতে পারে। এর মধ্যে ৪ টি এই অধিবেশনের বাজেট সংক্রান্ত। আজ থেকে শুরু করে ৬ এপ্রিল অবধি চলবে এই অধিবেশন। মোট ২৭ টি সিটিং থাকবে এই অধিবেশনে। একমাস ধরে বাজেট পেপারের পরীক্ষা করা হবে। তবে দুই ভাগে হবে এই বাজেট অধিবেশন। প্রথমা ভাগের অধিবেশন শেষ হবে ১৪ ফেব্রুয়ারি। তারপর কিছুদিনের বিরতি। আবার ১২ মার্চ থেকে শুরু হবে বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয় ভাগ।

    আরও পড়ুন: সীমান্ত সুরক্ষিত, ভয় নেই! সর্বদলীয় বৈঠকে বললেন রাজনাথ

    রাষ্ট্রপতি হিসাবে সংসদের যৌথ অধিবেশনে আজ প্রথম বক্তৃতা দেবেন দ্রৌপদী মুর্মু। গত বছরই তিনি দেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন। লোকসভা ও রাজ্যসভায় বিতর্কের পর বিরোধীদের উত্তর দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। অধিবেশন চলাকালীন, সরকারের ফোকাস রাষ্ট্রপতির ভাষণ এবং ২০২৩-২৪ আর্থিক বছরের সাধারণ বাজেটের ধন্যবাদ প্রস্তাবের উপর মসৃণ আলোচনার উপর থাকবে। অন্যদিকে, বিরোধী দলগুলি আদানি গোষ্ঠী, কয়েকটি রাজ্যে রাজ্যপালদের কাজকর্ম, জাতিভিত্তিক আদমশুমারি, মুদ্রাস্ফীতি, বেকারত্ব সংক্রান্ত বিষয়ে সরকারকে ঘেরাও করার ইঙ্গিত দিয়েছে।  বাজেট অধিবেশনের আগে সোমবার সর্বদলীয় বৈঠকের পর বিরোধীদের তরফে সেরকমই ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Budget Session: মোদি সরকারের শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট, অধিবেশন শুরু কবে জানেন?

    Budget Session: মোদি সরকারের শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট, অধিবেশন শুরু কবে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর ঘুরলেই লোকসভা নির্বাচন। তার আগে এটাই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট। আগামী বছর নির্বাচন থাকায় পেশ হবে ভোট অন অ্যাকাউন্ট। এবারও বাজেট পেশ করবেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ (Nirmala Sitharaman)। যেহেতু সামনেই রয়েছে লোকসভা নির্বাচন এবং চলতি বছর রয়েছে অন্তত ১০টি রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন, তাই এবারের বাজেটে থাকতে পারে একাধিক চমক। এবার বাজেট অধিবেশন (Budget Session) শুরু হচ্ছে ৩১ জানুয়ারি। চলবে ৬ এপ্রিল পর্যন্ত। শুক্রবার একথা জানান সংসদ বিষয়ক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী (Pralhad Joshi)। চলতি বছরের ১ ফেব্রুয়ারি সংসদে ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষের বাজেট প্রস্তাব পেশ করবেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। ট্যুইট বার্তায় সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী বলেন, বাজেট অধিবেশন শুরু হবে ৩১ জানুয়ারি, চলবে ৬ এপ্রিল পর্যন্ত। ৬৬-রও বেশি দিনের মধ্যে অধিবেশন হবে ২৭ দিন। রাষ্ট্রপতির বক্তৃতার পর মোশন অফ থ্যাঙ্কস, কেন্দ্রীয় বাজেট এবং অন্য আইটেমগুলিও হবে।

    বাজেট অধিবেশন…

    কেন্দ্রীয় সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী বলেন, বাজেট অধিবেশন পর্বে ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ১২ মার্চ পর্যন্ত সংসদ ছুটি থাকবে। সূত্রের খবর, ৩১ জানুয়ারি শুরু হওয়া অধিবেশন চলবে ১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। তার পর ছুটি থাকবে। ফের অধিবেশন (Budget Session) শুরু হবে ১৩ মার্চ। চলবে ৬ এপ্রিল পর্যন্ত। বাজেট অধিবেশনের প্রথমার্ধে সংসদের উভয় কক্ষ মোশন অফ থ্যাঙ্কসের ওপর আলোচনা করবে। পরে আলোচনা হবে বাজেট নিয়ে। রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর যে মোশন অফ থ্যাঙ্কস হবে, তার বিতর্কের উত্তর দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আর বাজেট অধিবেশনে যে আলোচনা হবে, তার বিতর্কের উত্তর দেবেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ। অধিবেশনের দ্বিতীয়ার্ধে পাশ করানো হবে বাজেট এবং অর্থ বিল।

    আরও পড়ুুন: বিচারপতি মান্থার এজলাসের ঘটনা নিন্দনীয়! রাজ্যে আসছে বার কাউন্সিলের প্রতিনিধি দল

    এদিকে সেন্ট্রাল ভিস্তা ডেভলপমেন্টের অংশ হিসেবে তৈরি হচ্ছে নয়া সংসদ ভবন নির্মাণের কাজ। যাঁরা সংসদ ভবন নির্মাণের কাজ করছেন, তাঁরা জানান বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয়ার্ধ হবে সংসদের নয়া ভবনে। প্রসঙ্গত, গত অধিবেশনে লোকসভায় পেশ হয়েছিল ৯টি বিল। তার মধ্যে এই সভায় পাশ রয়েছিল ৭টি। আর রাজ্যসভায় পাশ হয়েছিল ৯টি বিল। গত অধিবেশনে সংসদের দুটি কক্ষে পাশ হয়েছিল ৯টি বিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

  • Data Protection Bill: বাজেট অধিবেশনের মধ্যেই পাশ হবে তথ্য সুরক্ষা বিল, আশা অশ্বিনী বৈষ্ণবের

    Data Protection Bill: বাজেট অধিবেশনের মধ্যেই পাশ হবে তথ্য সুরক্ষা বিল, আশা অশ্বিনী বৈষ্ণবের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাজেট অধিবেশনের (Budget Session) মধ্যেই ডেটা প্রোটেকশন বিল (Data Protection Bill ) বা তথ্য সুরক্ষা বিল পাশ হবে। এমনই আশা প্রকাশ করলেন কেন্দ্রীয় তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব (Ashwini Vaishnaw)। এদিন লোকসভায় মন্ত্রী বলেন, ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা বিল ২০১৯ আপাতত প্রত্যাহৃত হল। সরকার আগামী দিনে একটি সংশোধিত নয়া বিল আনবে যা আইন সম্মত এবং যৌথ সংসদীয় কমিটির সুপারিশ সম্মত। মন্ত্রী বলেন, যৌথ সংসদীয় কমিটির তরফে বিলটি খুঁটিয়ে দেখা হয়েছে। বিলটিতে ৮১টি সংশোধনী ও ১২টি সুপারিশের কথা বলা হয়েছে। তার পরেই বিল প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। 

    ২০২১ সালের ডিসেম্বরে ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা বিল নিয়ে ৫৪২ পাতার এখটি রিপোর্ট জমা দেয় সংসদের যৌথ কমিটি। সেখানে সব মিলিয়ে ৯৩টি সুপারিশ ও ৮১টি সংশোধনের কথা বলা হয়েছিল। নয়া প্যানেলের মূল আলোচ্য বিষয় ছিল, প্রস্তাবিত তথ্য সুরক্ষার বিষয়টি সাংবিধানিক বৈধতা পাবে কিনা এবং রাজ্যগুলির নিজেদের তথ্য সুরক্ষার অধিকার থাকবে কিনা।

    আরও পড়ুন : ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় ইয়ং ইন্ডিয়ার অফিস সিল করল ইডি

    প্রসঙ্গত, এই বিলের বিষয়টি সামনে আসার পর শুরু হয় ব্যাপক সমালোচনা। এই বিল মৌলিক অধিকারে হস্তক্ষেপের শামিল বলেও দাবি করা হয় কোনও কোনও মহল থেকে। অনেকের মতে, এই বিল আইনে পরিণত হলে নাগরিকদের ব্যক্তিগত মতামতের ওপর নেমে আসবে সরকারি হস্তক্ষেপ। সরকার যাকে খুশি এই আইনের আওতায় নিয়ে আসতে পারবে। সরকারের সমালোচনা করা হলে, তাকেও রাষ্ট্রদ্রোহ বলে মামলায় জড়িয়ে দেওয়া হতে পারে।

    এদিন লোকসভায় মন্ত্রী বলেন, আমরা নয়া বিলের একটি খসড়া প্রস্তুত করেছি। এদিনই পার্লামেন্টের পদ্ধতি শেষ হয়েছে। খুব শীঘ্রই অ্যাপ্রুভাল পদ্ধতির মধ্যে দিয়ে আমরা নয়া খসড়া নিয়ে আসছি। তিনি বলেন, আশাকরি, বাজেট অধিবেশনের মধ্যেই আমরা নয়া বিলটিকে পাশ করিয়ে নিতে পারব।

    আরও পড়ুন : অক্টোবর থেকে বড়সড় পরিবর্তন আসছে জিএসটি নিয়মে, জেনে নিন

LinkedIn
Share