Tag: Budget

Budget

  • President Murmu: “এক দশকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভারত তার ভিত্তি মজবুত করেছে”, সংসদে বাজেট অধিবেশনের বক্তৃতায় রাষ্ট্রপতি

    President Murmu: “এক দশকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভারত তার ভিত্তি মজবুত করেছে”, সংসদে বাজেট অধিবেশনের বক্তৃতায় রাষ্ট্রপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, বুধবার শুরু হয়েছে ২০২৬ সালের সংসদের বাজেট অধিবেশন (Budget Session)। এই উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (President Murmu) লোকসভা ও রাজ্যসভার যৌথ অধিবেশনে ভাষণ দেন। এই অধিবেশনের মধ্যে দিয়ে ২০২৬–২৭ অর্থবর্ষের কেন্দ্রীয় বাজেট পেশের আগে সংসদীয় কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সূচনা হল। অধিবেশনের উদ্বোধনী ভাষণে রাষ্ট্রপতি সরকারের অগ্রাধিকারের বিষয়গুলি তুলে ধরেন। তিনি অর্থনৈতিক উন্নয়ন, সামাজিক ন্যায়বিচার, জাতীয় নিরাপত্তা ও পরিকাঠামো সম্প্রসারণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেন। রাষ্ট্রপতি বলেন, “গত এক দশকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভারত তার ভিত্তি মজবুত করেছে এবং বিকশিত ভারতের লক্ষ্যে যাত্রাপথে এখন এক গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে প্রবেশ করেছে।”

    রাষ্ট্রপতির বক্তব্য (President Murmu)

    রাষ্ট্রপতি জানান, গত দশ বছরে প্রায় ২৫ কোটি মানুষ দারিদ্র্যসীমার নীচ থেকে উঠে এসেছেন এবং দরিদ্রদের জন্য প্রায় চার কোটি পাকা বাড়ি নির্মাণ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, “ভারত বর্তমানে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মাছ উৎপাদনকারী দেশ।” সামাজিক কল্যাণমূলক প্রকল্পগুলি প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপতি বলেন, “বর্তমানে সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৯৫ কোটি নাগরিক রয়েছেন, যেখানে ২০১৪ সালে এই সংখ্যা ছিল মাত্র ২৫ কোটি।” তিনি বিআর আম্বেদকরের আদর্শের কথা স্মরণ করে সমতা ও সামাজিক ন্যায়বিচারের প্রতি সরকারের অঙ্গীকারের কথাও জানান। কর্মসংস্থানের বিষয়ে রাষ্ট্রপতি জানান, প্রস্তাবিত ‘বিকশিত ভারত–গ্রাম আইন’ গ্রামীণ এলাকায় ১২৫ দিনের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করার লক্ষ্যে তৈরি করা হয়েছে (President Murmu)। নারীর ক্ষমতায়নের প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপতি জাতীয় প্রতিরক্ষা অ্যাকাডেমি (এনডিএ) থেকে প্রথম ব্যাচের মহিলা ক্যাডেটদের স্নাতক হওয়ার কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “এটি জাতীয় উন্নয়নে নারীদের ক্রমবর্ধমান ভূমিকার প্রতিফলন।”

    মাওবাদী হিংসা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে

    অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা নিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, “মাওবাদী হিংসা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে এবং বর্তমানে তা মাত্র আটটি জেলায় সীমাবদ্ধ। আগে যেসব অঞ্চল মাওবাদী সমস্যায় দীর্ণ ছিল, সেখানে এখন শান্তি ফিরছে। গত এক বছরে মাওবাদী সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত বহু ব্যক্তি আত্মসমর্পণ করেছেন (President Murmu)।” জাতীয় নিরাপত্তা প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপতি ‘অপারেশন সিঁদুরে’র কথা উল্লেখ করে বলেন, “সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতের নীতি দৃঢ় ও আপসহীন। প্রতিরক্ষা প্রস্তুতি জোরদার করতে সরকার ‘মিশন সুদর্শন চক্রে’র ওপর কাজ করছে।” রেল উন্নয়নের কথা তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি বলেন, “ভারতীয় রেল শীঘ্রই সম্পূর্ণ বিদ্যুতায়নের লক্ষ্যে পৌঁছতে চলেছে।” তিনি দিল্লি–আইজল রাজধানী এক্সপ্রেস এবং কামাখ্যা–হাওড়া বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন-সহ নতুন রেল পরিষেবার কথা উল্লেখ করে বলেন, “এই উদ্যোগগুলির মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মধ্যে যোগাযোগ আরও উন্নত হবে (Budget Session)।”

    রাষ্ট্রপতি তাঁর ভাষণের মাধ্যমে বাজেট অধিবেশনের আনুষ্ঠানিক সূচনা ঘোষণা করেন। ২৯ জানুয়ারি অর্থনৈতিক সমীক্ষা সংসদে পেশ করা হবে এবং ১ ফেব্রুয়ারি সংসদে পেশ হবে ২০২৬–২৭ অর্থবর্ষের কেন্দ্রীয় বাজেট (President Murmu)।

  • Budget 2026-27: রেলওয়ের বাজেটে বরাদ্দ বাড়ার ইঙ্গিত, পৌঁছতে পারে ২.৭-২.৭৫ লক্ষ কোটি টাকা

    Budget 2026-27: রেলওয়ের বাজেটে বরাদ্দ বাড়ার ইঙ্গিত, পৌঁছতে পারে ২.৭-২.৭৫ লক্ষ কোটি টাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় বাজেটে রেলমন্ত্রকের অর্থ বরাদ্দ বাড়তে চলেছে। ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে রেল মন্ত্রকের জন্য প্রায় ২.৭–২.৭৫ লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন শীর্ষ সরকারি আধিকারিকরা। এটি গত বাজেটের আনুমানিক ২.৬৫ লক্ষ কোটি টাকার তুলনায় প্রায় ২–৪ শতাংশ বেশি। প্রস্তাবিত এই বরাদ্দের মাধ্যমে সরকার রেল খাতে মূলধনী ব্যয়ের গতি বজায় রাখতে চায়। এর পাশাপাশি কেন্দ্র রেল নেটওয়ার্ক জুড়ে গুণগত মান উন্নয়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর জোর দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন আধিকারিকরা।

    সরকারি সহায়তা বৃদ্ধি

    সরকারি সূত্র অনুযায়ী, মহামারির পরবর্তী সময়েও ভারতীয় রেলে বিনিয়োগ স্থিতিশীল রয়েছে এবং নীতিনির্ধারকদের মতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য নিয়মিত সরকারি অর্থায়ন অত্যন্ত জরুরি। একজন শীর্ষ আধিকারিক বলেন, “প্রতি বছর ন্যূনতম ২.৫ লক্ষ কোটি টাকার মূলধনী ব্যয় প্রয়োজন—এ বিষয়টি সরকারের সর্বোচ্চ স্তরেও স্বীকৃত। বর্তমানে সংস্কারের মাধ্যমে প্রক্রিয়াগত আমূল পরিবর্তন, ক্রয় ব্যবস্থার গুণগত মান উন্নত করা এবং সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বিনিয়োগই প্রধান লক্ষ্য।” রেল মন্ত্রকের এক সিনিয়র আধিকারিক জানান, আসন্ন বাজেটের জন্য প্রস্তাব অর্থ মন্ত্রকে জমা দেওয়া হয়েছে, তবে গোপনীয়তার কারণে বিস্তারিত জানাতে তিনি অস্বীকার করেন। আধিকারিকরা আরও জানান, দীর্ঘমেয়াদি আধুনিকীকরণ ও পরিকাঠামো লক্ষ্যমাত্রা পূরণে ভারতীয় রেলকে ধারাবাহিক সরকারি সহায়তা প্রয়োজন।

    রেলে আরও গতি বাড়াতে চায় সরকার

    গত বছরের অক্টোবরে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব শিল্প প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে জানিয়েছিলেন যে, ক্রয় প্রক্রিয়ায় মানদণ্ড আরও কঠোর করা হবে। তিনি বলেন, “এখন আর ধাপে ধাপে সামান্য উন্নতি যথেষ্ট নয়। প্রস্তুত থাকুন—যাঁরা মানোন্নয়ন করবেন না, তাঁরা প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়বেন।” শিল্প মহলের মতে, সরকার উন্নতমানের যন্ত্রপাতিতে বেশি ব্যয়ের বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব দেখাচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, ট্র্যাক বিদ্যুতায়ন প্রায় সম্পন্ন হওয়ায় আগামী দিনে রেলের মূল নজর থাকবে জট কমানো। রেল চলাচলে গতি বাড়ানোর দিকে। এর মধ্যে নতুন রুট নির্মাণ, গেজ পরিবর্তন, ডাবল লাইন সম্প্রসারণ এবং ডেডিকেটেড ফ্রেইট করিডোরের সম্প্রসারণ অন্তর্ভুক্ত হবে। এছাড়াও, নিরাপত্তা, রক্ষণাবেক্ষণ এবং ট্রেন পরিচালনার জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও উন্নত প্রযুক্তি নিয়ে ঘোষণা করতে পারেন নির্মলা সীতারামন। আগে রেল বাজের আলাদা করে পেশ করা হতো। কিন্তু বর্তমানে অর্থ বাজেটের সঙ্গেই রেলের বাজেট পেশ করা হয়। আলাদা করে রেল বাজেট পেশ করেন না রেলমন্ত্রী। রেল নিয়ে সাধারণ মানুষের আগ্রহ থাকে। কারণ, বাজেটের মাধ্যমেই জানা যায়, নতুন কোনও ট্রেন চালু হবে কি না, রেলের ভাড়া বাড়ছে কি কমছে? ইত্যাদি।

  • Union Budget 2026: বিমা খাতে দীর্ঘমেয়াদি সংস্কারের আশা! বাজপেয়ী জমানার পর ফের রবিবারেই পেশ হবে বাজেট ২০২৬

    Union Budget 2026: বিমা খাতে দীর্ঘমেয়াদি সংস্কারের আশা! বাজপেয়ী জমানার পর ফের রবিবারেই পেশ হবে বাজেট ২০২৬

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কর্মই-ধর্ম! হোক না রবিবার, রীতি মেনে ১ ফেব্রুয়ারিই পেশ করা হবে কেন্দ্রীয় বাজেট (Union Budget 2026)। প্রত্যেক বছরই ফেব্রুয়ারির প্রথম দিনে কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ হয়। চলতি বছর ১ ফেব্রুয়ারি রবিবার পড়লেও বাজেট পেশ হবে বলে জানিয়ে দিয়েছে ক্যাবিনেট কমিটি। এই নিয়ে নবমবার বাজেট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। এই বছরের কেন্দ্রীয় বাজেট (২০২৬-২৭) অত্যন্ত বিশেষ এবং ঐতিহাসিক বলে মনে করা হয়। এর সবচেয়ে বড় কারণ হল এটি বর্তমান আয়কর আইনের অধীনে উপস্থাপিত শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট হবে। সরকার ১ এপ্রিল, ২০২৬ থেকে প্রায় ৬০ বছরের পুরনো কর আইন প্রতিস্থাপন করে নতুন আয়কর আইন ২০২৫ বাস্তবায়নের প্রস্তুতি নিচ্ছে। ফলে, এই বাজেট কেবল বর্তমান চাহিদা পূরণ করবে না বরং ভবিষ্যতের কর ব্যবস্থার ভিত্তিও স্থাপন করবে।

    কবে কখন থেকে বসবে অধিবেশন

    প্রত্যেক বছরই ফেব্রুয়ারির প্রথম দিনে কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ হয়। এই বছর ১ ফেব্রুয়ারি রবিবার পড়ায়, জল্পনা তৈরি হয়েছিল যে ওই দিন বাজেট পেশ হবে নাকি একদিন পিছিয়ে ২ ফেব্রুয়ারি বাজেট পেশ করবেন। বুধবার কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের নেতৃত্বে সংসদীয় বিষয়ক ক্যাবিনেট কমিটির বৈঠকে বাজেট অধিবেশনর দিন নির্দিষ্ট করা হয়। আর তারপরই সূত্রের খবর, ১ ফেব্রুয়ারিই বাজেট পেশ হবে। সূত্রের খবর, যুগ্ম সংসদীয় অধিবেশন হবে ২৮ জানুয়ারি। ওই দিন থেকে বাজেট অধিবেশন শুরু হবে। জানা গিয়েছে, ২৮ জানুয়ারি রাষ্ট্রপতি ভাষণ দেবেন যৌথ অধিবেশনে। পরের দিন অর্থনৈতিক সমীক্ষার (Economic Survey) রিপোর্ট পেশ হবে। কেন্দ্রীয় সূত্রে খবর, বাজেট অধিবেশনের প্রথম অংশ হবে ২৮ জানুয়ারি থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি। দ্বিতীয় অংশ হবে ৯ মার্চ থেকে ২ এপ্রিল পর্যন্ত। ইতিমধ্যেই বাজেট প্রস্তুতির কাজও শুরু হয়ে গিয়েছে।

    বাজপেয়ী আমলে বাজেট পেশ রবিবার

    অর্থমন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, শেষবার ১৯৯৯ সালে রবিবার বাজেট (Union Budget 2026) পেশ হয়েছিল। সেটাও ছিল এনডিএ জমানা। সেই বছর প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ীর অর্থমন্ত্রী যশবন্ত সিনহা রবিবার বাজেট পেশ করেছিলেন। তখন অবশ্য ফেব্রুয়ারির শেষ দিনে বাজেট হতো। ২০১৭ সালের পর থেকে বাজেট পেশ শুরু হয় ১ ফেব্রুয়ারি। তার আগে প্রতি বছর ২৮ ফেব্রুয়ারি বাজেট পেশ করা হত। অরুণ জেটলী অর্থমন্ত্রী থাকাকালীন বাজেটের তারিখ পরিবর্তন করা হয়, যাতে নতুন অর্থবর্ষের প্রথম দিন অর্থাৎ ১ এপ্রিল থেকে নতুন বাজেট কার্যকর করা যায়।

    রবিবার সংসদের অধিবেশন

    এর আগে ২০১২ এবং ২০২০ সালে রবিবার সংসদের অধিবেশন হয়েছিল। ৬ বছর পর ফের রবিবারে বসতে চলেছে সংসদের অধিবেশন। রবিবারে সংসদ খোলা রাখাটা রীতিমতো বিরল। এর আগে ২০২০ সালে করোনা পরিস্থিতিতে জরুরি ভিত্তিতে সংসদের অধিবেশন বসেছিল। তার আগে বসেছিল সেই ২০১২ সালে। সংসদের প্রথম অধিবেশনের ৬০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ২০১২ সালের ১৩ মে রবিবার বিশেষ অধিবেশন বসেছিল সংসদের।

    আয়কর নিয়ে প্রত্যাশা সীমিত

    কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬ (Union Budget 2026) ঘিরে আয়কর সংক্রান্ত পরিবর্তন নিয়ে করদাতাদের আগ্রহ থাকলেও, প্রত্যাশা তুলনামূলকভাবে সংযত। বিনিয়োগকারী ও উদ্যোক্তা অমিত বাইদ জানান, “বাজেট ২০২৫ ভারতের ব্যক্তিগত কর কাঠামোয় একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় এনে দিয়েছিল। নতুন কর ব্যবস্থায় স্ল্যাব পরিবর্তন ও উচ্চ রিবেটের মাধ্যমে কার্যত ১২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত এবং স্ট্যান্ডার্ড ডিডাকশন ধরলে বেতনভোগীদের ক্ষেত্রে ১২.৭৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয় করমুক্ত করা হয়েছিল।” তার মতে, ওই বাজেটের ফলে বেতনভোগী মধ্যবিত্তরা বড়সড় স্বস্তি পেয়েছেন এবং পুরনো ও নতুন কর ব্যবস্থার ব্যবধান অনেকটাই কমে এসেছে। তবে বাজেট ২০২৬-এ বড় ধরনের করছাড়ের সম্ভাবনা কম বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। অমিত বাইদ বলেন, “আগের বাজেটেই বড় ছাড় দেওয়া হয়েছে এবং সাম্প্রতিক জিএসটি হ্রাসে ভোক্তাদের খরচ কিছুটা কমেছে। তাই এ বছর আয়কর স্ল্যাবে বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা কম।” তাঁর দাবি, মুদ্রাস্ফীতির কথা মাথায় রেখে নতুন কর ব্যবস্থায় স্ট্যান্ডার্ড ডিডাকশন সামান্য বাড়ানো হতে পারে। বিডিও ইন্ডিয়ার পার্টনার সন্তোষ শিবরাজ জানান, পুরনো কর ব্যবস্থার কিছু ছাড় ও ডিডাকশন নতুন করে পর্যালোচনার আওতায় আসতে পারে।

    বিমা খাতে দীর্ঘমেয়াদি সংস্কারের প্রত্যাশা

    বাজেট ২০২৬ (Union Budget 2026) ঘিরে বিমা খাতও কেবল বরাদ্দ বৃদ্ধি বা করছাড়ের মতো স্বল্পমেয়াদি ঘোষণার বাইরে গিয়ে দীর্ঘমেয়াদি কাঠামোগত সংস্কারের দিকে তাকিয়ে রয়েছে। শিল্প বিশেষজ্ঞদের মতে, জীবন বিমা, স্বাস্থ্য বিমা এবং এমএসএমই-ভিত্তিক বিমা পণ্যে আরও গভীর কভারেজ নিশ্চিত করার জন্য স্পষ্ট নীতিগত দিকনির্দেশ প্রয়োজন। এতে বিমার প্রসার, অবসরকালীন সুরক্ষা এবং ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় সাধারণ মানুষ ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের অংশগ্রহণ বাড়বে। নতুন বিতরণ মডেল ও অর্থায়নের ব্যবস্থা সহজ করার দিকেও নজর দেওয়ার প্রত্যাশা রয়েছে, যাতে বিমা পরিষেবা আরও সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য হয়। বিমাপে ফিনসিওরের সিইও ও সহ-প্রতিষ্ঠাতা হনুত মেহতা বলেন, “বাজেট ২০২৬ বিমা প্রিমিয়াম ফাইন্যান্সিংয়ের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হতে পারে। এটি কোনও একটি বড় ঘোষণার জন্য নয়, বরং গৃহস্থালি ঋণ ও বিমা বিস্তারের ক্ষেত্রে সরকারের সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গির কারণে।” বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের নীতিগত উদ্যোগ ভারতের বিমা খাতে সুরক্ষা ঘাটতি কমাতে এবং সামগ্রিকভাবে বিমা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে সহায়ক হবে।

    চাকরিজীবীদের আশা

    সূত্রের খবর, ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের কেন্দ্রীয় বাজেটে এমপ্লয়িজ পেনশন স্কিম বা ইপিএস নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিতে পারে মোদি সরকার। বিশেষ করে সংগঠিত ক্ষেত্রের কর্মীদের জন্য পেনশনের আওতা বাড়ানো এবং মাসিক পেনশনের অঙ্ক বৃদ্ধির বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে ভাবা হচ্ছে। সূত্রের খবর অনুযায়ী, যদি মোদি সরকারের এই পরিকল্পনা (Budget 2026) বাস্তবায়িত হয়, তাহলে যাঁদের বেতন ১৫ হাজার টাকার বেশি, তাঁরাও সরকারি পেনশন প্রকল্পের সুরক্ষা পেতে পারেন। পাশাপাশি, অবসরের পর হাতে পাওয়া টাকাও আগের তুলনায় বাড়তে পারে। এই সম্ভাব্য বদল ঘিরে ইতিমধ্যেই চাকরিজীবী মহলে বাড়ছে কৌতূহল।

  • Sukanta Majumdar: পড়ে রয়েছে কেন্দ্রের টাকা, সড়ক সম্প্রসারণে নিষ্ক্রিয় রাজ্য, অভিযোগ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: পড়ে রয়েছে কেন্দ্রের টাকা, সড়ক সম্প্রসারণে নিষ্ক্রিয় রাজ্য, অভিযোগ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় বাজেটে (Budget) নাকি পশ্চিমবঙ্গকে বঞ্চনা করা হয়েছে, এমনই অভিযোগ তুলেছিল তৃণমূল। শাসক দলের অভিযোগ যে একেবারেই মিথ্যা তা নিয়েই পালটা প্রচারে নামল বিজেপি। রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় প্রকল্প রূপায়ণে অসহযোগিতার অভিযোগ তুলে সরব হলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। তাঁর অভিযোগ, গাজোল – হিলি জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণের জন্য কেন্দ্র বরাদ্দ করেছিল ১,৩০০ কোটি টাকা। কিন্তু বিগত ২ বছর ধরে ওই টাকা পড়ে থাকলেও কোনও তা নিয়ে মাথা ব্যাথা নেই তৃণমূল সরকারের। রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসকে উন্নয়ন ইস্য়ুতে রাজনীতি না করতেও অনুরোধ করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি।

    ভিডিও বার্তায় কী বলেছিলেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)?

    সম্প্রতি এক ভিডিও বার্তায় সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, ‘‘গাজোল – হিলি ৫১২ নম্বর জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণের জন্য গত ২ বছর ধরে কেন্দ্রীয় বরাদ্দের প্রায় ১,৩০০ কোটি টাকা পড়ে রয়েছে। জমি অধিগ্রহণ বা রাস্তা কোথা দিয়ে যাবে তা চিহ্নিত করতে কোনও তৎপরতা দেখাচ্ছে না রাজ্য সরকার। এই রাস্তা সম্প্রসারিত হলে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার মানুষ ব্যাপক উপকৃত হবেন। আর এই প্রকল্পে রাজ্য সরকারকে এক পয়সাও খরচ করতে হবে না। তৃণমূল নেতাদের প্রতি সুকান্তবাবুর আহ্বান, উন্নয়ন নিয়ে রজনীতি করবেন না। উন্নয়নের থেকে রাজনীতিকে দূরে রাখুন।’’

    গুরুতর অভিযোগে ব্যাকফুটে তৃণমূল

    প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় বাজেটে পশ্চিমবঙ্গের প্রতি উদ্দেশপ্রণোদিতভাবে বঞ্চনা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল। পালটা গেরুয়া শিবির দাবি করে, কেন্দ্র – রাজ্য সম্পর্কের সৌজন্য বজায় রাখেনি শাসক দল। তখন রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেছিলেন, যারা বিজেপি করলে আবাস যোজনার ঘর দেয় না তারা কী করে কেন্দ্রীয় প্রকল্পের প্রত্যাশা করে? এই আবহেই সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) আরও গুরুতর অভিযোগ তুললেন। এতে বেশ ব্যাকফুটে পড়ে গেল তৃণমূল এমনটাই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। দক্ষিণ দিনাজপুরে জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণে রাজ্য সরকারের নিষ্ক্রিয়তা জনমানসে তৃণমূলের আসল ছবি তুলে ধরবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

  • PM Modi: কংগ্রেসের অস্ত্রেই কংগ্রেস বধ মোদির, খোঁচা রাহুলকেও

    PM Modi: কংগ্রেসের অস্ত্রেই কংগ্রেস বধ মোদির, খোঁচা রাহুলকেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেসের অস্ত্রেই কংগ্রেস বধ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi)! নিহত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর মন্তব্যকে অস্ত্র করেই দুর্নীতি নিয়ে কংগ্রেসকে নিশানা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সামাজিক উন্নয়নের প্রশ্নে রাহুল গান্ধীর দলকে খোঁচা দিলেন নিহত প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর স্লোগানের প্রসঙ্গ তুলে (Budget Session)।

    প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্ন (PM Modi)

    ১৯৮৫ সালে রাজীব বলেছিলেন, দিল্লির সরকার যদি মানুষের কল্যাণে ১ টাকা বরাদ্দ করে, শেষ পর্যন্ত দেখা যায়, গরিব মানুষের কাছে পৌঁছচ্ছে মাত্র ১৫ পয়সা। মঙ্গলবার বাজেট অধিবেশনের প্রথমার্ধে রাষ্ট্রপতির বক্তৃতা নিয়ে জবাবি ভাষণে রাজীবের সেই মন্তব্যের উল্লেখ করে কংগ্রেস সাংসদদের বেঞ্চের দিকে চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্ন, “তখন তো দিল্লি থেকে পঞ্চায়েত পর্যন্ত এঁদেরই রাজত্ব ছিল। বাকি পয়সা কোথায় যেত?” প্রশ্নের উত্তরও দিয়েছেন নিজেই – “ভুল হাতে যেত।” সেই হাত কংগ্রেসের, সে দিকে ইঙ্গিত করে তাঁর মন্তব্য – “আমি হাতের কথা বলেছি। কার হাত বলিনি।”

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী

    ‘গরিবি হটাও’ স্লোগান দিয়েছিলেন নিরাপত্তারক্ষীর হাতে খুন হওয়া প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী। এদিন সেই অস্ত্রও প্রয়োগ করেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। তিনি বলেন, “পাঁচ দশক আগে থেকে দেশবাসী গরিবি হটাও স্লোগান শুনেছেন। আর এখন ২৫ কোটি মানুষ দারিদ্রসীমার কবল থেকে মুক্তি পেয়েছেন।” তিনি বলেন, “আমরা শুধু জমির অধিকারের কথা বলিনি, মানুষকে জমির অধিকার দিয়েছি। এর জন্য- দূরদৃষ্টির প্রয়োজন।” রাহুলের দিকে তাকিয়ে তিনি বলেন, “কিন্তু কিছু মানুষের সেটা নেই।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যাঁরা গরিব বাড়ি গিয়ে ফোটোশেসন করেন, সংসদে গরিবদের উন্নয়নের কথা তাঁদের কাছে পানসে লাগবে।”

    ‘একুশ শতকের ভারত’ গড়ার স্লোগান দিয়েছিলেন রাজীব। এদিন তাকেও ‘অস্ত্র’ করেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। বলেন, “আমাদেরই একজন প্রধানমন্ত্রী কথায় কথায় বিশ শতক, একুশ শতক বলতেন। প্রয়াত আরকে লক্ষ্মণ তা নিয়ে চমৎকার একটি কার্টুন এঁকেছিলেন – ঠেলার ওপর রয়েছে একটি বিমান। বিমানে বসে রয়েছেন এক পাইলট (প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগে বিমান চালাতেন রাজীব)। কেন পাইলট, তা আমি বলতে পারব না। কিন্তু সেই ঠেলাটিকে নিয়ে চলেছেন এক শ্রমিক। ঠেলার গায়ে লেখা রয়েছে একুশ শতক! আসলে ওই প্রধানমন্ত্রী বিংশ শতাব্দীর চাহিদাই বুঝে উঠতে পারেননি।” তুষ্টিকরণের রাজনীতির সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যাঁরা সংবিধান বুকে নিয়ে ঘোরেন, তাঁরা মুসলিম মহিলাদের দুর্দশা দেখতে পেতেন না। আমরা তিন তালাক প্রথা বাতিল করে মুসলিম মহিলাদের স্বস্তি দিয়েছে।” মহাত্মা গান্ধীর উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, “যাঁরা পিছিয়ে রয়েছে, তাঁদের দিকে প্রথমে নজর (Budget Session) দিতে হবে।” বিজেপি বিষের রাজনীতি করে না বলেও দাবি করেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)।

  • Budget Textile Industry: বাংলাদেশের হারানো বস্ত্রশিল্পের বাজার ধরতে ময়দানে ভারত, বাজেটে ইঙ্গিত

    Budget Textile Industry: বাংলাদেশের হারানো বস্ত্রশিল্পের বাজার ধরতে ময়দানে ভারত, বাজেটে ইঙ্গিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার বাজেট পেশ (Budget Textile Industry) করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। বাজেটে বস্ত্রশিল্পের (Bangladesh) জন্য বড় ধরনের বুস্ট ঘোষণা করেছেন। গত অর্থবর্ষের চেয়ে এবার এই খাতে বাজেট বৃদ্ধি করা হয়েছে ১৯ শতাংশ। এবার বরাদ্দ করা হয়েছে ৫ হাজার ২৭২ কোটি টাকা। গত অর্থবর্ষে এর পরিমাণ ছিল ৪ হাজার ৪১৭.০৩ কোটি টাকা। দেশে তুলোর উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে পাঁচ বছরের তুলো মিশন ঘোষণা করেছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে বিশেষ করে অতিরিক্ত লম্বা প্রধান তুলোর উৎপাদন স্থবিরতার সমস্যার সমাধান করার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

    বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের বক্তব্য (Budget Textile Industry)

    বস্ত্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ‘‘এই মিশনের অধীনে (Bangladesh) কৃষকদের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান করা হবে। এটি কৃষকদের আয় বৃদ্ধি করবে এবং গুণমানসম্পন্ন তুলোর স্থিতিশীল সরবরাহ নিশ্চিত করবে।’’ প্রসঙ্গত, ভারতের ঐতিহ্যবাহী বস্ত্রশিল্পকে পুনরুজ্জীবিত করার এই প্রচেষ্টা এমন একটা সময়ে এসেছে, যখন দেশে তুলো উৎপাদনে উদ্বৃত্ত নেই। বর্তমানে, ভারত প্রতি হেক্টরে ৪৫০ কিলোগ্রাম তুলো উৎপাদন করে, যা বৈশ্বিক গড় ৮০০ কিলোগ্রামের তুলনায় অনেক কম।

    বাংলাদেশে ডামাডোলের বাজার

    বাংলাদেশে চলছে ডামাডোলের বাজার। তার জেরে বন্ধ হয়ে গিয়েছে বস্ত্রশিল্পের বহু প্রতিষ্ঠান। ওয়াকিবহালের মতে, সেই সুযোগটাকেই কাজে লাগাতে চাইছে ভারত। বস্ত্রশিল্পে বাংলাদেশের খ্যাতি বিশ্বজোড়া। মসলিন থেকে শুরু করে জিনস ও অন্যান্য পোশাকের চাহিদা তামাম বিশ্বেই তুঙ্গে। বিদেশের বহু ব্যবসায়ীই লগ্নি করেন বাংলাদেশের বস্ত্র কারখানাগুলিতে। গত ৫ অগাস্ট প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে বাংলাদেশ ছেড়ে পালান আওয়ামি লিগ সুপ্রিমো শেখ হাসিনা। তার পর থেকে কার্যত দেশে চলছে অব্যবস্থা। ডামাডোলের বাজারে কাঁচামালের দাম আকাশছোঁয়া। ব্যবসায়ীরা যেমন খুশি জিনিসপত্রের দাম হাঁকাচ্ছেন। গত অক্টোবরে বস্ত্র শ্রমিকদের প্রতিবাদে (Budget Textile Industry) কার্যত রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে ঢাকা। পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হন দুই শ্রমিক। পড়শি দেশের এই অস্বাস্থ্যকর পরিস্থিতিই ভারতের বস্ত্রশিল্পের বাজারকে আরও চাঙা করছে।

    বাংলাদেশে সংকট

    প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশের (Bangladesh) চলমান রাজনৈতিক সংকট ভারতের পোশাক শিল্পকে রফতানি বৃদ্ধি করে সমৃদ্ধ হতে সাহায্য করছে। বাংলাদেশ একসময় বিশ্বে দ্বিতীয় বৃহত্তম পোশাক রফতানিকারক দেশ ছিল। তবে অর্থনৈতিক সংকট, বিদ্যুৎ সংকট এবং হিংসার কারণে দেশটির পোশাক শিল্প অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। শেখ হাসিনা নেতৃত্বাধীন সরকারের পতনের পর, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, ফ্রান্স, স্পেন, ইতালি, নেদারল্যান্ডস ইত্যাদি দেশে তুলোর রফতানি বাড়ানোর সুযোগ পেতে পারে ভারত।

    পোশাক শিল্পের ক্ষতি

    রাজনৈতিক অস্থিরতা বাংলাদেশের পোশাক শিল্পকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। ফলে আমদানিকারক দেশগুলি বিকল্প সরবরাহকারীদের সন্ধান করছে। এর ফলে, ভারত এই পরিবর্তনের অন্যতম প্রধান সুবিধাভোগী দেশ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। দেশটির টেক্সটাইল ও পোশাক রফতানি বৃদ্ধি পেয়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে নভেম্বরের মধ্যে ভারতের মার্কিন বাজারে পোশাক রফতানি ৪.২৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৪.৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। বাংলাদেশের মার্কিন বাজারে রফতানি ০.৪৬ শতাংশ হ্রাস পেয়ে ৬.৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে নেমে এসেছে।

    ভারতের টেক্সটাইল শিল্প

    এদিকে, ভারত সরকার টেক্সটাইল শিল্পকে শক্তিশালী করতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে আর্থিক সহায়তা দান, কাঁচামাল ও যন্ত্রপাতির ওপর শুল্ক হ্রাস, এবং স্থানীয় উৎপাদনকে উৎসাহিত করার উদ্যোগ নেওয়া (Bangladesh)। ১লা ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত অর্থনৈতিক সমীক্ষা অনুসারে, ভারত বিশ্বব্যাপী টেক্সটাইল ও পোশাক রফতানিতে ষষ্ঠ বৃহত্তম দেশ, যা দেশের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন (GDP), শিল্প উৎপাদন এবং রফতানিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে (Budget Textile Industry)।

    রফতানির খতিয়ান

    ২০২৩ সালে ভারত ৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের টেক্সটাইল পণ্য রফতানি করেছে, যেখানে পোশাক খাত রফতানি আয়ের ৪২ শতাংশ অংশ নিয়েছে। এরপরে ৩৪ শতাংশ ছিল কাঁচামাল ও আধা-সমাপ্ত সামগ্রী এবং ৩০ শতাংশ ছিল সমাপ্ত পোশাক নয় এমন সামগ্রী। ইউরোপ ও আমেরিকা মিলে ভারতের পোশাক রফতানির প্রায় ৬৬ শতাংশ দখল করেছে। ৫৮ শতাংশ সমাপ্ত পোশাক ছাড়া অন্যান্য সামগ্রী এবং ১২ শতাংশ কাঁচামাল ও আধা-সমাপ্ত সামগ্রী রফতানির অংশীদার হয়েছে। অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ দেশগুলির মধ্যে আমেরিকা এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত অন্তর্ভুক্ত। সমীক্ষায় উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২০ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে কোভিড-১৯ অতিমারির সময়েও ভারতের টেক্সটাইল রফতানি স্থিতিশীল ছিল।

    ২০২৪ সালে কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছিল, ২০৩০ সালের মধ্যে ভারতের টেক্সটাইল শিল্প ৩৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছবে এবং এতে ৩.৫ কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। ১লা ফেব্রুয়ারি সংসদে বাজেট পেশ করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। মধ্যবিত্ত শ্রেণির সুবিধার (Bangladesh) কথা মাথায় রেখে তৈরি এই বাজেটের মধ্যে কৃষি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, আইন-শৃঙ্খলা, অর্থনীতি, ব্যবসা, পরিকাঠামো-সহ বিভিন্ন খাতে উন্নতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব ও পরিকল্পনা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে (Budget Textile Industry)।

  • Budget 2025: ৮-১২ লাখ আয়ে ১০% ট্যাক্স ধার্য হলে, কীভাবে ১২ লক্ষ পর্যন্ত কর-মুক্ত আয়? রইল ব্যাখ্যা

    Budget 2025: ৮-১২ লাখ আয়ে ১০% ট্যাক্স ধার্য হলে, কীভাবে ১২ লক্ষ পর্যন্ত কর-মুক্ত আয়? রইল ব্যাখ্যা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পয়লা ফেব্রুয়ারি বাজেট পেশ করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন (Budget 2025)। তাঁর এই বাজেটে স্বস্তি পেয়েছেন মধ্যবিত্তরা। ১২ লাখ টাকা পর্যন্ত আয়ে কোনও কর (Income Tax Slab) দিতে হবে না বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। তার পরেই উঠছে প্রশ্ন, তাহলে ৪ থেকে ৮ লক্ষ টাকার আয়ে ৫ শতাংশ এবং ৮ থেকে ১২ লাখে যে ১০ শতাংশ কর দেওয়ার কথা বলা হচ্ছে, তা কীসের? সেক্ষেত্রে, কীভাবে কর-মুক্ত সম্ভব?

    স্ট্যান্ডার্ড ডিডাকশন (Budget 2025)

    নয়া কর ব্যবস্থায়, বেতনভোগীদের ক্ষেত্রে ১২ লাখ টাকার ওপর ৭৫ হাজার টাকা স্ট্যান্ডার্ড ডিডাকশন হিসেবে আয়ের ওপর কোনও কর দিতে হবে না। যদিও সরকারের দেওয়া পরিসংখ্যান থেকে জানা গিয়েছে, ৪ লাখ টাকা থেকে ৮ লাখ টাকা রোজগারে ৫ শতাংশ, ৮ থেকে ১২ লাখ টাকা পর্যন্ত ট্যাক্সের পরিমাণ ১০ শতাংশ, ১২ থেকে ১৬ লাখ টাকা পর্যন্ত আয়ে ট্যাক্স দিতে হবে ১৫ শতাংশ। ১৬ লক্ষ টাকা থেকে ২০ লক্ষ টাকাপর্যন্ত আয়ে ট্যাক্স দিতে হবে ২০ শতাংশ, ২০ লক্ষ টাকা থেকে ২৪ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়ে ট্যাক্স দিতে হবে ২৫ শতাংশ। এবং ২৪ লক্ষ টাকার উপরে বার্ষিক আয়ের উপর ৩০ শতাংশ কর দিতে হবে সবাইকে৷

    আইনের ৮৭এ ধারা

    আমজনতার প্রশ্ন হল, বার্ষিক ১২ লক্ষ আয়ের উপর কোনও ট্যাক্স না থাকলে, ৪ থেকে ৮ লক্ষের উপর ৫ শতাংশ এবং ৮ থেকে ১২ লক্ষের উপর ১০ শতাংশ ট্যাক্স তাহলে দেখানো হচ্ছে কেন? বিষয়টা অনেকের কাছেই গোলমেলে লাগছে। তাই প্রয়োজন ব্যাখ্যার। সরকার যে ছাড়ের আইন করেছে, তা আইনের ৮৭এ ধারায়। এর অর্থ হল, আপনার আয়ের মোট ট্যাক্স যদি কোনও স্ল্যাব অনুযায়ী গণনা করা হয়, তাহলে করদাতা কিছু ছাড় পাবেন। বিষয়টা ভালো করে বোঝা যাক। যদি কারও বার্ষিক আয় ৪ থেকে ৮ লাখ টাকার মধ্যে হয়, তাহলে ওই ব্যক্তির ট্যাক্স হবে ২০ হাজার টাকা। বার্ষিক আয় ৮ থেকে ১২ লাখ টাকা হলে, কর দিতে হবে ৪০ হাজার টাকা। সব মিলিয়ে মোট কর হয় ৬০ হাজার টাকা। এবার ৮৭এ-এর আওতায় ১২ লাখ টাকার বার্ষিক আয়ের ওপর কর রিবেট বাড়িয়ে করা হয়েছে ৬০ হাজার টাকা। অর্থাৎ, কোনও ব্যক্তির বার্ষিক আয় ৪ থেকে ৮ লাখ বা বার্ষিক ৮ থেকে ১২ লাখ টাকা হয়, তাঁকে কোনও ট্যাক্স দিতে হবে না। এটাই হল ট্যাক্স রিবেট (Budget 2025)।

    প্রশ্ন হল, ট্যাক্স রিবেট কী? ট্যাক্স রিবেট হল একটি গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক আইন, যা করদাতাদের রোজগারের ওপর ধার্য কর থেকে ত্রাণ হিসেবে দেওয়া হয়। এই আইনটি তাঁদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যাঁদের বার্ষিক আয় একটি নির্দিষ্ট সীমার নীচে (Income Tax Slab)। ভারতে এই বিধানটিই আসে আয়কর আইনের ৮৭এ ধারায় (Budget 2025)।

  • Khalistani: মণিপুরে খ্রিস্টানদের আলাদা দেশ গড়তে উস্কানি দিয়েছেন পান্নুন, ট্রাইব্যুনালে জানাল কেন্দ্র

    Khalistani: মণিপুরে খ্রিস্টানদের আলাদা দেশ গড়তে উস্কানি দিয়েছেন পান্নুন, ট্রাইব্যুনালে জানাল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবারই ইউএপিএ-র একটি ট্রাইব্যুনালে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক একটি আবেদন দাখিল করে। সেখানেই খালিস্তানপন্থী সন্ত্রাসবাদী সংগঠন শিখ ফর জাস্টিসের (Sikhs for Justice) বিরুদ্ধে মারাত্মক অভিযোগ তোলা হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক জানিয়েছে, মণিপুরে মুসলিম, তামিল এবং খ্রিস্টান সম্প্রদায়কে ভারত থেকে বিচ্ছিন্ন হতে উস্কানি দিয়েছে ওই সংগঠন। গোয়েন্দা সংস্থাগুলি এ বিষয়ে তদন্ত করে সেই রিপোর্ট জমা দিয়েছে ট্রাইব্যুনালের সামনে। প্রসঙ্গত, গত ২৭ জানুয়ারি ওই ট্রাইব্যুনাল শিখ ফর জাস্টিস-এর ওপর আরও পাঁচ বছরের নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখে। খালিস্তানপন্থী এই সন্ত্রাসবাদী সংগঠন পান্নুনের (Khalistani) নেতৃত্বে চলে। ২০১৯ সালে প্রথমে পাঁচ বছরের জন্য ওই সংগঠনের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল।

    উস্কানি শিখ সৈন্যদের

    ২০২৪ সালের জুলাই মাসে এই নিষেধাজ্ঞা (Khalistani) আরও পাঁচ বছরের জন্য বাড়ানো হয়। প্রসঙ্গত, শিখ ফর জাস্টিস নামের এই সংগঠন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালকে খুনের হুমকি পর্যন্ত দিয়েছে। শুধু তাই নয়, পাঞ্জাব পুলিশের মধ্যে যে সমস্ত শিখ সম্প্রদায়ভুক্ত কর্মী রয়েছেন, তাঁদেরও উস্কানি দিয়েছে এই সংগঠন। এর পাশাপাশি ভারতীয় সেনাবাহিনীতে যে শিখ সৈন্যরা রয়েছেন, তাঁদেরও বিদ্রোহের জন্য উস্কানি দিয়েছে এই সংগঠন। পান্নুন এক উস্কানি বার্তায় জানিয়েছেন, ভারত সরকার তাঁদেরকে (শিখ সৈন্য) যে বেতন দেয় শিখ ফর জাস্টিস সংগঠনের হয়ে কাজ করলে তাঁদের আরও পাঁচ হাজার টাকা বেশি বেতন দেওয়া হবে। একই সঙ্গে লাদাখে যে সমস্ত সৈন্য মোতায়ন করা আছে, সেই সৈন্যদের উদ্দেশে পান্নুন উস্কানি দিয়েছেন যে চিনা আগ্রাসনের বিরুদ্ধে যেন ভারতের হয়ে তাঁরা লড়াই না করেন।

    দ্রাবিড়স্তান ও উর্দুস্তান গড়ার উস্কানি

    প্রসঙ্গত, পান্নুন পাঞ্জাব পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্তাদের উস্কানি দেন। তিনি সেই সময় জলন্ধর, পাঠানকোট প্রভৃতি স্থানে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে, অন্যান্য সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে উসকে দিয়ে (Khalistani) সাম্প্রদায়িক ভিত্তিতে জনগণকে বিভক্ত করার চেষ্টা করেন। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা রিপোর্ট অনুযায়ী, মণিপুরে খ্রিস্টান সম্প্রদায়কে একটি পৃথক দেশ তৈরির জন্য আওয়াজ তুলতে উস্কানি দেন পান্নুন। একইভাবে তামিল এবং মুসলমানদের জন্যও দ্রাবিড়স্তান ও উর্দুস্তান তৈরির উস্কানি দেন তিনি।

  • PM Modi: কেন্দ্রীয় বাজেটকে ‘জনগণের বাজেট’ আখ্যা প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: কেন্দ্রীয় বাজেটকে ‘জনগণের বাজেট’ আখ্যা প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রত্যেক ভারতীয়ের স্বপ্নপূরণ করবে এ বারের বাজেট (Budget)। এই বাজেটকে ‘জনগণের বাজেট’ বলে উল্লেখ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। সংসদে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন শনিবার বাজেট পেশ করেন। তারপরেই এই কথাগুলি বলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘‘১৪০ কোটি ভারতীয়ের আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য সরকারের প্রতিশ্রুতিই বাজেটে প্রতিফলিত হয়েছে।’’ প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, ‘‘মধ্যবিত্ত কর প্রদানকারী, বেতনভোগী কর্মীদের বড় সুবিধা দেবে।’’ উল্লেখ্য, এ বারের বাজেটে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী দেশের কর কাঠামোয় বড়সড় পরিবর্তনের কথা ঘোষণা করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার বেতনভোগীদের বছরে ১২ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা পর্যন্ত আয়ে শূন্য রাখা হয়েছে আয়করের পরিমাণ। সে কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘এ বারের বাজেটে সব আয় গোষ্ঠীর জন্য কর কমানো হয়েছে। যা থেকে মধ্যবিত্তেরা উপকৃত হবেন।’’

    আমরা দেশের তরুণদের জন্য অনেক পথ খুলেছি

    তিনি (PM Modi) আরও বলেন, ‘‘ভারতের উন্নয়ন যাত্রাকে আরও মসৃণ করবে কেন্দ্রীয় বাজেট। আমরা দেশের তরুণদের জন্য অনেক পথ খুলেছি।’’ ‘জনগণের বাজেট’ পেশ করার জন্য সীতারামনকে অভিনন্দনও জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। বাজেটের কথা বলতে গিয়ে মোদি বলেন, ‘‘কী ভাবে সরকারি কোষাগার ভরবে, সেটাই সাধারণত বাজেটে প্রতিফলিত হয়। কিন্তু এ বার তা উল্টো হয়েছে। এ বারের বাজেটের মূল লক্ষ্য ছিল কী ভাবে সাধারণ মানুষের পকেট ভরবে, কী ভাবে সঞ্চয় হবে। এই বাজেট এই সবের জন্য খুবই শক্তিশালী ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবে।’’ সংস্কারের ক্ষেত্রে এ বারের বাজেট খুব উল্লেখযোগ্য বলেই মনে করেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর কথায়, ‘‘আমি সেই সব সংস্কার নিয়ে আলোচনা করতে চাই যা ভবিষ্যতে একটি বড় পরিবর্তন আনতে চলেছে।’’

    কৃষক কল্যাণ নিয়ে কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    এ বারের বাজেটে দেশের সেরা ৫০টি পর্যটনস্থলের উন্নয়ন করা হবে বলেও ঘোষণা করা হয়েছে। বাজেট পেশ করার সময় সেই প্রকল্পের কথাও ঘোষণা করেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। এনিয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান, এই প্রকল্প ভবিষ্যতে কর্মসংস্থানের জন্য বড় ঘোষণা। শনিবার বাজেট পেশের সময় কৃষক কল্যাণের কথাও উল্লেখ করেন দেশের অর্থমন্ত্রী। তিনি জানান, কিষান ক্রেডিট কার্ডে ঋণ নেওয়ার পরিমাণ তিন লক্ষ থেকে বৃদ্ধি করে পাঁচ লক্ষ করা হবে। মৎস্যজীবীদের জন্য বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল তৈরি করা হবে বলেও জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, ‘‘এই ঘোষণা কৃষিক্ষেত্রে একটি নতুন বিপ্লবের ভিত্তি হয়ে উঠবে।’’

  • Union Budget 2025: “মধ্যবিত্ত শ্রেণি সর্বদা মোদির হৃদয়ে থাকে,” বাজেট প্রসঙ্গে বললেন শাহ

    Union Budget 2025: “মধ্যবিত্ত শ্রেণি সর্বদা মোদির হৃদয়ে থাকে,” বাজেট প্রসঙ্গে বললেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) সব সময় মধ্যবিত্ত শ্রেণির স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন।” ১ ফেব্রুয়ারি সংসদে বাজেট (Union Budget 2025) পেশ করেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। এই বাজেটে বার্ষিক ১২ লাখ পর্যন্ত আয়করে ছাড় দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। তার পরেই বাজেট নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে এমন মন্তব্য করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

    শাহের পোস্ট (Union Budget 2025)

    এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সব সময় মধ্যবিত্ত শ্রেণির স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন।” ২০২৫ সালের বাজেটকে মোদি সরকারের একটি নকশা হিসেবেও বর্ণনা করেন তিনি। এই নকশা প্রতিটি ক্ষেত্রে উন্নত ও সেরা ভারত গড়ার দৃষ্টিভঙ্গিকে প্রতিফলিত করে। ওই পোস্টে তিনি লিখেছেন, “মধ্যবিত্ত শ্রেণি সর্বদা প্রধানমন্ত্রীর মোদির হৃদয়ে থাকে। ১২ লাখ টাকা আয় পর্যন্ত আয়কর শূন্য। প্রস্তাবিত কর ছাড় মধ্যবিত্তের আর্থিক কল্যাণ বাড়ানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এই উপলক্ষে সকল উপকারভোগীকে অভিনন্দন।” এই বাজেটকে তিনি মোদি সরকারের উন্নত ও সর্বোত্তম ভারত গঠনের দৃষ্টিভঙ্গির নকশা হিসেবে বর্ণনা করেছেন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দাবি, নির্মলা পরবর্তী প্রজন্মের সংস্কারগুলির জন্য একটি নীল নকশা (Union Budget 2025) তৈরি করেছেন। বিমায় এফডিআইয়ের সীমা বাড়ানো, কর আইনের সরলীকরণ এবং একাধিক পদক্ষেপের জন্য বর্ধিত আর্থিক সহায়তা প্রদানের সময় মধ্যস্থতাকারীদের ওপর শুল্ক কমানোর মতো একাধিক বিষয়ের উল্লেখ আছে বাজেটে।

    বাজেট নিয়ে প্রতিক্রিয়া মোদির

    বাজেট প্রসঙ্গে এক ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, “আজ ভারতের উন্নয়নযাত্রার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এটি ১৪০ কোটি ভারতীয়ের আকাঙ্খার বাজেট। এটি এমন একটি বাজেট, যা প্রতিটি ভারতীয়ের স্বপ্ন পূরণ করে। আমরা যুব সমাজের জন্য অনেক খাত খুলে দিয়েছি। সাধারণ নাগরিকই বিকশিত ভারতের মিশনকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।”

    প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং বলেন, “অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের পেশ করা বাজেট উন্নত ভারতের স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য একটি দুর্দান্ত বাজেট। এই বাজেটে সমাজের সব অংশের মানুষের কথা ভাবা হয়েছে। এই বাজেট দেশের উন্নয়নের প্রচার (Union Budget 2025) করতে চলেছে (PM Modi)।”

LinkedIn
Share