Tag: Burdwan

Burdwan

  • Birupaksha Biswas: ‘বদলির আশ্বাস দিয়ে দফায় দফায় টাকা হাতিয়েছেন বিরূপাক্ষ’, বিস্ফোরক চিকিৎসক

    Birupaksha Biswas: ‘বদলির আশ্বাস দিয়ে দফায় দফায় টাকা হাতিয়েছেন বিরূপাক্ষ’, বিস্ফোরক চিকিৎসক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাস্থ্য দুর্নীতিতে চিকিৎসক বিরূপাক্ষ বিশ্বাসের কুকীর্তি ক্রমশ সামনে আসছে। শাসকদলের ওই চিকিৎসক নেতার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে এসেছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। নিজেকে প্রভাবশালী দেখিয়ে পোস্টিং করে দেওয়ার নাম করে টাকা নেওয়ার অভিযোগ ওঠে বিরূপাক্ষের (Birupaksha Biswas) বিরুদ্ধে। এমনকী পদোন্নতির নামে বহু চিকিৎসকের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতানোর অভিযোগ উঠেছে বিরূপাক্ষের বিরুদ্ধে। প্রতারণার মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি হয়েছিল। কিন্তু, তিনি এতটাই প্রভাবশালী ছিলেন যে, প্রকাশ্যে নীলবাতি লাগানো গাড়ি নিয়ে ঘুরলেও বিরূপাক্ষকে ছোঁয়ার সাহস দেখায়নি পুলিশ। এবার এক চিকিৎসক তাঁর বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন। শুধু তাই নয় বিরূপাক্ষর বিরুদ্ধে থানায় বর্ধমান লিখিত অভিযোগও জানিয়েছেন তিনি।

    চিকিৎসকের ঠিক কী অভিযোগ? (Birupaksha Biswas)

    মুর্শিদাবাদের বেলডাঙার শক্তিপুর ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের তৎকালীন চিকিৎসক অনুপম মণ্ডল ২০২৩ সালের ১৩ মে বর্ধমান (Burdwan) থানায় বিরূপাক্ষের (Birupaksha Biswas) বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। বদলির জন্য বিরূপাক্ষ তাঁর কাছ থেকে দফায় দফায় মোটা টাকা নিয়েছেন বলেই অভিযোগ করেন তিনি। তৃণমূলের চিকিৎসক নেতা ও প্রাক্তন সাংসদ শান্তনু সেনকেও লিখিতভাবে অভিযোগের কথা জানিয়েছিলেন অনুপম। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে ২০২৩ সালের ১৮ মে তারিখে বর্ধমান থানায় বিরূপাক্ষর বিরুদ্ধে মামলা নথিভুক্ত করা হয়। অভিযোগ পত্রে অনুপম লেখেন, স্বাস্থ্য দফতরের উত্তরবঙ্গের ওএসডি, একজন বিধায়ক চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্য দফতরের বড় কর্তাদের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ আছে বলেই জানিয়েছিলেন বিরূপাক্ষ। সেই মর্মে নিশ্চিত বদলি হবে আশ্বাস পেয়েই টাকা দিয়েছিলেন অনুপম। কিন্তু, পরে তাঁর কাজ হয়নি। টাকা ফেরতের কথা বলতেই হুমকির মুখে পড়তে হয় তাঁকে। এই ঘটনার সুবিচার দাবি করেছেন ওই চিকিৎসক।

    আরও পড়ুন: ‘থ্রেট কালচার’-এর অভিযোগ! আন্দোলনকারীদের প্রবল চাপে সন্দীপ-ঘনিষ্ঠ ৫১ জনকে নোটিস

    দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি

    বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের এক চিকিৎসক বলেন, এলাকায় সিন্ডিকেট রাজ চালাতেন বিরূপাক্ষ (Birupaksha Biswas)। বহু চিকিৎসক তাঁর খপ্পরে পড়ে  প্রতারিত হয়েছে। আমরা চাই, এই সব প্রতারণার ঘটনার উপযুক্ত তদন্ত করে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা দরকার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: আরজি কর কাণ্ডের জের, কন্যাশ্রী দিবস বয়কট ছাত্রীদের, প্রশ্ন করল নিরাপত্তা নিয়ে

    RG Kar Incident: আরজি কর কাণ্ডের জের, কন্যাশ্রী দিবস বয়কট ছাত্রীদের, প্রশ্ন করল নিরাপত্তা নিয়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর কাণ্ডে (RG Kar Incident) উত্তাল রাজ্য। বুধবার রাতে কলকাতার রাজপথ সহ রাজ্যের অধিকাংশ শহরের রাস্তায় বেরিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন মহিলারা। এই আবহের মধ্যে বুধবার ছিল কন্যাশ্রী দিবস। কন্যাশ্রী (Kanyashree) দিবস নিয়ে রীতিমতো ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছে ছাত্রীরা। তাদের প্রশ্ন, যে রাজ্যে মহিলারা সুরক্ষিত নয়, সেখানে কন্যাশ্রী নিয়ে কী হবে? আর পূর্ব বর্ধমানের মালডাঙা স্কুলের ছাত্রীরা প্রকাশ্যে কন্যাশ্রী দিবস বয়কট করে তাদের ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছে। ফলে, স্কুলের ছাত্রীরাও এই ঘটনায় রীতিমতো রাজ্য সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে।

    কন্যাশ্রী দিবস বয়কট! (Kanyashree)

    পূর্ব বর্ধমানের মালডাঙা রাজেন্দ্র স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয়ে বুধবার কন্যাশ্রী দিবস (Kanyashree) বয়কট করে আরজি কর কাণ্ডের (RG Kar Incident) প্রতিবাদ জানাল ছাত্রীরা। নিরাপত্তা ও সুরক্ষার দাবিতে এদিন সরব হল তারা। এই ঘটনা কার্যত সরকারের কাছে চূড়ান্ত বার্তা পৌঁছে দিল বলেই মনে করছে বিভিন্ন মহল। পরে অবশ্য শিক্ষকদের অনুরোধে কন্যাশ্রী ক্লাবের মেয়েরা এই অবস্থান বিক্ষোভ থেকে বিরত হয়। জানা গিয়েছে, মালডাঙা রাজেন্দ্র স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয়ের কন্যাশ্রী ক্লাবের ছাত্রীরা বুধবার রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে মেয়েদের ওপর অত্যাচারের কথা হাতে লেখা বিভিন্ন পোস্টার নিয়ে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে একটি র‍্যালির আয়োজন করে। পরে বিদ্যালয়ের গেটে অবস্থান বিক্ষোভ দেখিয়ে কন্যাশ্রী দিবস বয়কট করে। এই বিষয়ে কন্যাশ্রী ক্লাবের ছাত্রীদের বক্তব্য, ‘‘আরজি করে মহিলা চিকিৎসককে যেভাবে অত্যাচার করে ধর্ষণ ও খুন করা হয়েছে তাতে দোষীদের অবিলম্বে চিহ্নিতকরণ করতে হবে। পাশাপাশি, কঠোরতম শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। আজ পরিস্থিতি এমনই যে দেশের সঙ্গে এই রাজ্যেও মেয়েরা আজ নিরাপদে নেই। মেয়েরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। যেখানে মেয়েদেরই নিরাপত্তা নেই, সেখানে কন্যাশ্রী অনুষ্ঠান করার কোনও মানে হয় না। তাই আমরা মেয়েদের ওপর এই অত্যাচারের প্রতিবাদ জানিয়ে অবস্থান-বিক্ষোভ করে কন্যাশ্রী দিবস বয়কট করেছি।’’ 

    আরও পড়ুন: মধ্যরাতে আরজি করে দুষ্কৃতী তাণ্ডব, আন্দোলন থেকে দৃষ্টি ঘোরানোর ছক?

    এত আয়োজন, কন্যাদের নিরাপত্তা কোথায়?

    রাজ্যের কন্যাশ্রী (Kanyashree) দিবসের অনুষ্ঠানে বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ধনধান্যে স্টেডিয়ামে এসেছিল স্কুল ছাত্রীরা। সেখানেই আরজি কর কাণ্ড নিয়ে উৎকণ্ঠা প্রকাশ করতে দেখা গেল তাঁদের। ছাত্রীরা বলেছে, ‘‘রাজ্যে কন্যাশ্রীদের জন্য এত এত আয়োজন। কন্যাদের নিরাপত্তা কোথায়? নিরাপত্তা সুনিশ্চিত হয়েছে কি? প্রশাসনের গোটা ঘটনা খুবই গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত। এখানে কন্যাশ্রী দিবসের অনুষ্ঠান হচ্ছে আবার রাজ্যে এরকম একটা ঘটনা ঘটে যাচ্ছে। কোনওটাই মেনে নেওয়া যায় না। মা-বাবারাও চিন্তায় রয়েছেন।’’  আর এক ছাত্রী বলে, ‘‘সমাজে একজন ডাক্তার নিরাপদ নয়। এটা কী করে সম্ভব? আবার এই ঘটনা ঘটেছে আরজি করের (RG Kar Incident) মতো জায়গায়। একই সুর আরও এক ছাত্রীর গলাতেও। ক্ষোভের সঙ্গেই তাকে বলতে শোনা গেল, ‘‘আমরা কোনও জায়গাতেই সেফ নই। কাজের জায়গাতেও নিরাপদ নই।’’ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rash Behari Bose: বিপ্লবী রাসবিহারী বসুর গ্রামের জমিও হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা! হতবাক বাসিন্দারা

    Rash Behari Bose: বিপ্লবী রাসবিহারী বসুর গ্রামের জমিও হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা! হতবাক বাসিন্দারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের জমানায় রাজ্যের ভূমি দফতরের দুর্নীতি ঘুঘুর বাসায় পরিণত হয়েছে। রাজ্যজুড়ে জমি হাঙরদের চক্র জালিয়াতি করে অন্যের জমি হাতিয়ে নিচ্ছে। বিরোধীরা বার বার এই অভিযোগ করেন। এবার বিপ্লবী রাসবিহারী বসুর (Rash Behari Bose) জমিও অন্যের নামে রেকর্ড করার অভিযোগ উঠেছে। দেশকে স্বাধীন করার ক্ষেত্রে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর সঙ্গে একই সারিতে উচ্চারিত হয় রাসবিহারী বসুর নাম। তাঁর সম্পত্তি সুরক্ষিত না থাকায় গ্রামবাসীরা ক্ষোভে ফুঁসছেন। তাঁরা বলছেন, কীভাবে এমনটা হল তা প্রকাশ্যে আনা হোক। ঘটনায় নিন্দার ঝড় উঠেছে সর্বত্র।

    জমির রেকর্ড বদল! (Rash Behari Bose)

    বিপ্লবী রাসবিহারী বসুর (Rash Behari Bose) জন্মভিটে পূর্ব বর্ধমানের বড়বৈনান পঞ্চায়েতের সুবলদহ গ্রাম। এই গ্রামে ছেলেবেলার বেশিরভাগ সময়টাই কাটিয়েছেন তিনি। আলিপুর বোমা বিস্ফোরণ মামলায় তিনি অভিযুক্ত হন। তাঁর পরিকল্পনায় লর্ড হার্ডিঞ্জের ওপর বোমা ছোড়া হয়েছিল। ব্রিটিশ বাহিনীর রাতের ঘুম কেড়ে নিয়েছিলেন তিনি। ছদ্মবেশে তিনি জাপানে চলে গিয়েছিলেন। গড়ে তুলেছিলেন আজাদ হিন্দ ফৌজ। পরে, নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর ওপর তার দায়িত্বভার দেন তিনি। তাঁর মতো ব্যক্তিত্বের জন্য গর্বিত দেশবাসী। সেই স্বাধীনতা সংগ্রামীর নামে থাকা জমির রেকর্ড বদলে গিয়েছে। সে কারণে তাঁর জমিতে স্মৃতি ধরে রাখার মতো কিছু করা যাচ্ছে না। গ্রামবাসীরাও প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছেন। গ্রামবাসীরা ব্লক ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতরে লিখিত অভিযোগে জানিয়েছেন। গ্রামবাসীদের দাবি, সুবলদহ মৌজায় রাসবিহারী বসু, বিজনবিহারী বসু এবং বিপিনবিহারী বসুর নামে জমির রেকর্ড ছিল। সেটির জেএল নম্বর ১৯৪। আরএস, সিএস দাগ নম্বর ৩১৫৭। সম্প্রতি ওই জমি সম্পর্কে খোঁজ নিতে গিয়ে জানা যায়, বর্তমানে এলআর রেকর্ড অনুসারে সেই জমি অন্য দু’জনের নামে রেকর্ড হয়েছে।

    আরও পড়ুন: আরজি কর-কাণ্ডে আজ পথে বুদ্ধিজীবীরা, বিচারের দাবিতে নাগরিক মিছিল রুখল পুলিশ

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    গ্রামের বাসিন্দারা বলেন, ‘‘রাসবিহারী বসু (Rash Behari Bose) শুধু আমাদের গ্রাম নয়, সারা দেশের গর্ব। তাঁদের নামে ১০ শতক জায়গা ছিল। তাঁর জমির রেকর্ড কীভাবে বদল হল তা নিয়ে তদন্ত হওয়া দরকার। দেশের জন্য তিনি নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। অথচ আমরা তাঁকে সম্মান দিতে পারছি না। তাঁর স্মৃতি ধরে রাখার জন্য গ্রামে কিছু করা দরকার ছিল। সেসব কিছুই হয়নি। জমির রেকর্ড বদল হওয়ার জন্য তাঁর জমিতে আমরাও কিছু করতে পারছি না।’’

    প্রশাসনের কর্মকর্তারা কী বলছেন?

    পূর্ব বর্ধমানের (Burdwan) জেলাশাসক কে রাধিকা আয়ার বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে। পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের জনস্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ বিশ্বনাথ রায় বলেন, ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতরের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত। নিয়ম মেনে রেকর্ড বদল না হলে পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। স্বাধীনতা সংগ্রামীর গ্রাম যাতে মডেল গ্রাম হয়ে ওঠে তার জন্য পদক্ষেপ নেওয়া হবে। পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের সভাধিপতি শ্যামাপ্রসন্ন লোহার বলেন, বটুকেশ্বর দত্ত, রাসবিহারী বসু (Rash Behari Bose) আমাদের জেলার গর্ব। সুবলদহ গ্রামে কী কী কাজ করা যেতে পারে তা দেখা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Protest Rally: বাংলাদেশে আক্রান্ত হিন্দুরা, সুরক্ষার দাবিতে বর্ধমানে প্রতিবাদ মিছিল সনাতনীদের

    Bangladesh Protest Rally: বাংলাদেশে আক্রান্ত হিন্দুরা, সুরক্ষার দাবিতে বর্ধমানে প্রতিবাদ মিছিল সনাতনীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের (Bangladesh Protest Rally) হিন্দুদের ওপর অত্যাচারের প্রতিবাদে পথে নামলেন বর্ধমান-২ নম্বর ব্লকের সনাতনী সমাজের মানুষেরা। এই মিছিল কোনও হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের পক্ষ থেকে করা হয়নি। সাধারণ মানুষ অসহায় হিন্দু বাংলাদেশিদের সুরক্ষার দাবিতে পথে নামেন। অধিকাংশের হাতে ছিল জাতীয় পতাকা। শুধুমাত্র ওপারের হিন্দুদের অধিকার রক্ষার তাগিদে এদিনের এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    মিছিলে পা মেলালেন মহিলারাও (Bangladesh Protest Rally)

    বর্ধমানের স্বস্তিপল্লি ফুটবল ময়দান থেকে শুরু হয়ে পুরো এলাকা ঘুরে আবার স্বস্তিপল্লি গিয়ে শেষ হয় এই মিছিল। বাড়ির মহিলারাও মিছিলে (Bangladesh Protest Rally) পা মেলান। মিছিল থেকে মুসলিম মৌলবাদীদের হাত থেকে বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দুদের বাঁচানোর দাবিও তোলা হয়। এর আগে, আসানসোলের রাজপথে হিন্দু জাগরণ মঞ্চের পক্ষ থেকে প্রায় তিন হাজার কর্মী-সমর্থক প্রতিবাদ মিছিল করেছিলেন। বারাসতেও দুদিন আগেই হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের পক্ষ থেকে মিছিল করা হয়। অভিযুক্তদের শাস্তির দাবিতে রাস্তা অবরোধ করেছিলেন আন্দোলনকারীরা। ফলে, রাজ্য জুড়েই বাংলাদেশের নৃশংস অত্যাচারের বিরুদ্ধে জোটবদ্ধ হচ্ছেন এপার বাংলার হিন্দুরা।

    আরও পড়ুন: আরজি কর থেকে ভাতার! মমতা প্রশাসনের মদতেই কি সিভিক ভলান্টিয়ারদের দাপট?

    আন্দোলনকারীরা কী বললেন?

    সনাতনী সমাজের পক্ষে শতীশচরণ সমাদ্দার বলেন, ‘‘বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর যেভাবে অত্যাচার হচ্ছে, তাতে ভারত সরকারকে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে। যদি অত্যাচার বন্ধ না হয় তাহলে ভারত সরকারকে যা যা ব্যবস্থা করার দরকার অবিলম্বে তা ব্যবস্থা করতে হবে। দিনের পর দিন, রাতের অন্ধকারে শয়ে শয়ে লোক হিন্দুদের বাড়িতে ডাকাতি করছে, মেয়েদের ওপর অত্যাচার করছে, তারই প্রতিবাদের আমাদের এই প্রতিবাদ। এই ধরনের অত্যাচার মেনে নেওয়া যায় না। আমরা ওপার বাংলার হিন্দুদের একটাই বার্তা দিতে চাই, আপনাদের পাশে আমরা সবসময় আছি। যে কোনও পরিস্থিতিতে আমরা আপনাদের সাহায্য করতে বদ্ধপরিকর। শুধু বর্ধমান (Burdwan) নয়, আর এই ধরনের আন্দোলন (Bangladesh Protest Rally) সংগঠিত করার জন্য সকলের কাছে আমরা আবেদন রাখছি।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Snake: জ্যান্ত কেউটেকে দুধ-গঙ্গাজল দিয়ে দেবীজ্ঞানে পুজো করা হয় বর্ধমানের চার গ্রামে

    Snake: জ্যান্ত কেউটেকে দুধ-গঙ্গাজল দিয়ে দেবীজ্ঞানে পুজো করা হয় বর্ধমানের চার গ্রামে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেউ বলেন কেউটে, কারও দাবি গোখরো। গ্রামের বয়স্করা বলেন কালনাগিনী (Snake)। পূর্ব বর্ধমানের চার গ্রামে জ্যান্ত সাপকে দেবী জ্ঞানে পুজো করা হয়। এখানে তাই কেউ সাপ বলেন না, সাপ এখানে ‘ঝাঁকলাই’ নামে পরিচিত। ফি বছর ঝাঁকলাইয়ের পুজো হয়। এবার পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোটের পলসোনা গ্রামে দেখা গেল, মন্দিরে এক পুরোহিতের লাঠির মধ্যে জড়িয়ে রয়েছে বিশাল একটি সাপ। অন্য পুরোহিত তখন মন্ত্র উচ্চারণ করতে করতে সেই কেউটের মাথায় দুধ, গঙ্গাজল ঢালছেন। নিজের হাতে সিঁদুর মাখিয়ে দিচ্ছেন ফণাধারী কেউটের মাথায়। সোমবার এ ভাবেই জ্যান্ত কেউটেকে দেবীজ্ঞানে পুজো করা হল।

    কবে থেকে শুরু হয়েছে পুজো? (Snake)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় ৯০০ বঙ্গাব্দ থেকে শুরু হয়েছে এই পুজো। প্রতি বছর আষাঢ় মাসের শুক্লা প্রতিপদ তিথিতে ভাতারের বড়পোশলা, শিকোত্তর, মুকুন্দপুর এবং মঙ্গলকোটের ছোটপোশলা, পলসোনা, মুশারু, নিগন মিলে মোট সাতটি গ্রামে ঝাঁকলাইয়ের (Snake) পুজো হয়। স্থানীয়রা জানান, এক সময় সাতটি গ্রামেই দেখা যেত ঝাঁকলাই। তবে এখন বড়পোশলা, ছোটপোশলা, মুশারু এবং পলসোনা এই চার গ্রামেই শুধু দেখা মেলে এই কেউটের। সাপ এখানে ঘরের লোক। কাছের আত্মীয়। বিষধর জীব নয়, বরং দেবতা। সাপের সঙ্গে দিব্যি খেলে কচিকাঁচারা। প্রতি ঘরে সাপের বিশ্রামের জন্য বিছিয়ে রাখা হয় খড়ের গাদা। সাপে-মানুষে দিব্যি সহাবস্থান এখানে। সাপের কামড়ানোকে গ্রামবাসীরা প্রসাদ বলেন। কাউকে সাপে কামড়ালে তাঁর চিকিৎসা না করিয়ে মন্দিরের মাটি শরীরে বুলিয়ে দেওয়া হয়। 

    আরও পড়ুন: জম্মু-কাশ্মীরে জঙ্গি অনুপ্রবেশ রুখতে অভিযান সেনার, জখম এক জওয়ান

    ঝাঁকলাইয়ের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে লোককথা!

    মুশারু,পলসোনা, বড়পোশলা, ছোটপোশলার সঙ্গে জুড়ে গিয়েছে মনসামঙ্গলের বেহুলা-লখিন্দরের উপাখ্যান। ঝাঁকলাই নিয়ে অনেক লোককথা। গ্রামের বাসিন্দারা বলেন, ঝাঁকলাই আসলে ‘কালনাগিনী’। লখিন্দরকে লোহার বাসরঘরে দংশন করে পালানোর সময় বেহুলা কাজললতা ছুড়ে মেরেছিলেন। সেই কাজললতার আঘাতে কালনাগিনীর (Snake) লেজ কেটে যায়। পূর্ব বর্ধমানের কয়েকটি গ্রামে যে ঝাঁকলাইয়ের দেখা মেলে, তাদেরও লেজ কাটা। মনসামঙ্গলে কালনাগিনী বেহুলার শাপে মর্ত্যে আসে। গ্রামবাসীরা আরও বলেন, ‘ঝঙ্কার’ শব্দটা এসেছে বেহুলার বালার আওয়াজ থেকে। লোহার বাসরে লখিন্দরকে ছোবল মারার পরে কালনাগিনীর (Snake) বিষ প্রয়োগের ক্ষমতা চলে যায়। বেহুলা শর্ত দেন, নির্বিষ হয়ে তাকে সাত গ্রামে লুকিয়ে থাকতে হবে। পূর্ব বর্ধমানের (Burdwan) এই সাত গ্রামেই নাকি এখন কালনাগিনীর বাস। তারই নাম ‘ঝাঁকলাই।’ তাকেই ঝঙ্কেশ্বরী দেবী রূপে পুজো করা হয় গ্রামে।

     মহারাষ্ট্রের কেউটে গ্রামের সঙ্গে মিল রয়েছে

    বর্ধমান-কাটোয়া রাস্তা ধরে বলগোনা পেরিয়ে নিগনের ঠিক আগে বাস থামে মুশারুতে। এখান থেকে ভ্যান রিকসা বা ই-রিকসা চেপে যাওয়া যায় গ্রামের ভিতরে। পলসোনাতে যাওয়ার পথও এখান থেকেই। মহারাষ্ট্রের কেউটে গ্রাম শেতপালের মতো বাংলার পূর্ব বর্ধমানের এই চারটে গ্রাম। গ্রামবাসীদের কথায়,ঝাঁকলাই (Snake) কামড়ায় না। পরোপকারী বন্ধু। বংশ পরম্পরায় সাপের পুজো করি আমরা।

    কী বললেন সর্প বিশেষজ্ঞ?

    সর্প বিশেষজ্ঞ ধীমান ভট্টাচার্য বলেন, “ঝাঁকলাই একটি বিরল প্রজাতির সাপ। এই গ্রামবাসীদের এই ভক্তি এবং শ্রদ্ধার জন্যই বিরল প্রজাতির সাপটি এখনও টিকে রয়েছে এখানে। এটা অবশ্যই এক বিরল ঘটনা। তবে, সিঁদুরে রাসায়নিক থাকে। ঝাঁকলাইয়ের পুজোর সময় সিঁদুর মাখানো এড়িয়ে যাওয়া উচিত।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Howrah: লাইনের ধারে পাঁচিল তুলছে রেল! হাওড়া-বর্ধমান কর্ড লাইনে যাত্রী সুরক্ষায় অভিনব উদ্যোগ

    Howrah: লাইনের ধারে পাঁচিল তুলছে রেল! হাওড়া-বর্ধমান কর্ড লাইনে যাত্রী সুরক্ষায় অভিনব উদ্যোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাওড়া (Howrah)-বর্ধমান কর্ড লাইনে যাত্রী সুরক্ষায় একেবারে অভিনব উদ্যোগ নিল পূর্ব রেল (Eastern Railway)। দুর্ঘটনা এড়াতে রেলের পক্ষ এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। রেল লাইনের দুপাশে অনেকটা অংশ জুড়ে রেল দফতরের জমি রয়েছে। সেই জমি এতদিন ফাঁকা পড়ে থাকত। দখল হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা ছিল। রেলের এই উদ্যোগের ফলে সেই জমি দখল হওয়ার সম্ভাবনা আর থাকবে না।

    রেলের পক্ষ থেকে কী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে? (Howrah)

    হাওড়া (Howrah)-বর্ধমান কর্ড লাইনে রেললাইনের (Eastern Railway) ধার বরাবর টানা পাঁচিল তৈরির উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই সেই পাঁচিল নির্মাণের কাজ অনেকটাই এগিয়েছে। মূলত এই শাখায় পর পর চারটি পাশাপাশি রেললাইন। সেই রেললাইন থেকে কিছুটা অংশ ছেড়ে দিয়ে তৈরি করা হয়েছে সেই পাঁচিল। আপ ও ডাউন দুদিকেই এই ধরনের পাঁচিল করা হয়েছে। এর জেরে সুরক্ষিত থাকবে রেললাইন। ট্রেন চালানোর ক্ষেত্রে সমস্যা অনেকটাই কমবে। দ্রুতগতিতে ট্রেন যাতায়াত করতে পারবে। রেললাইনের ওপর বাইরে থেকে কিছু উঠে আসতে পারবে না। যাত্রী সুরক্ষা সুনিশ্চিত হবে। অনেক সময় লাইনের ধার থেকে ট্রেন লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া হয়। এই উদ্যোগে সেই সম্ভাবনা অনেকটাই কমবে। রেললাইনের ধারে তৈরি করা হয়েছে কংক্রিটের পাঁচিল। তবে, কিছু প্রশ্ন উঠেছে, প্রথমত অনেকে আবার এই উদ্যোগকে টাকা নষ্ট বলে উল্লেখ করছেন। কারণ তাঁদের মতে, এই পাঁচিল তৈরি করতে প্রচুর অর্থ ব্যয় করা হয়েছে। কিন্তু, এভাবে কি রেললাইনকে সুরক্ষিত রাখা সম্ভব? এই পাঁচিল রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষেত্রেও নানা সমস্যা রয়েছে। সেই পাঁচিল আদৌ কতটা রক্ষা করা সম্ভব তা নিয়ে প্রশ্নটা থেকেই গিয়েছে। অনেকের মতে, সাধারণ মানুষও এই পাঁচিল নষ্ট করে দিতে পারে। সেটা কীভাবে আটকানো যাবে? এই বিষয়ে রেলের পক্ষ থেকে পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন।

    রেল আধিকারিকের কী বক্তব্য?

    রেলের (Eastern Railway) এক আধিকারিক বলেন, অনেক জায়গায় রেলের ফাঁকা জমি জবরদখল করে নেয়। পরে, তাদের সেখান থেকে সরাতে গিয়ে বাধার মুখে পড়তে হয়। এই উদ্যোগের ফলে একেবারে মেপে রেলের জায়গার ভিতর তৈরি হয়েছে এই পাঁচিল। এর ফলে রেলের জায়গা জবরদখল হওয়ার সম্ভাবনাও অনেকটাই কমবে। সব মিলিয়ে সুরক্ষিত থাকবে রেললাইন। রেলের এই অভিনব উদ্যোগকে ঘিরে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Burdwan: “হাসপাতালে নেই কোনও পরিষেবা”, রোগীদের ক্ষোভ মুখ বুজে হজম করলেন তৃণমূল সাংসদ

    Burdwan: “হাসপাতালে নেই কোনও পরিষেবা”, রোগীদের ক্ষোভ মুখ বুজে হজম করলেন তৃণমূল সাংসদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাস্থ্যকেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়লেন তৃণমূল (Trinamool Congress) সাংসদ তথা চিকিৎসক শর্মিলা সরকার। ঘটনাটি ঘটেছে বর্ধমান (Burdwan) শহর লাগোয়া একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। সাংসদকে কাছে পেয়ে স্বাস্থ্যকেন্দ্রের পরিষেবা নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিলেন স্থানীয় বাসিন্দা থেকে চিকিৎসা করাতে আসা রোগী এবং রোগীর আত্মীয়রা। রোগীদের বিক্ষোভের মুখে পড়ে চরম বিড়ম্বনায় পড়লেন সাংসদ।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Burdwan)

    সাংসদ হওয়ার পর পূর্ব বর্ধমানে (Burdwan) স্বাস্থ্যকেন্দ্র পরিদর্শনে যান স্থানীয় শর্মিলা সরকার। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিডিও অজয় কুমার দণ্ডপাত। পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পবিত্র রায় ও পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ বামদেব মণ্ডল। রোগীর পরিবারের লোকজন বলেন, এখন এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে বেশিরভাগ রোগী ডায়েরিয়াজনিত সমস্যা নিয়ে ভর্তি হয়েছেন। অথচ স্বাস্থ্যকেন্দ্রের যা অবস্থা তাতে রোগমুক্ত হওয়ার চেয়ে রোগাক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। গ্লাসে করে জল তুলে রোগীকে স্নান করাতে বাধ্য হচ্ছি। স্বাস্থ্যকেন্দ্রের রান্না করার ব্যবস্থা থাকলেও রান্না করা হয় না। হোম ডেলিভারি হিসেবে খাবার নেওয়া হয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। আর সেই খাবারের গুণগত মান ভালো না। আর স্বাস্থ্যকেন্দ্রের পরিষেবা খারাপ। এতটাই নিম্নমানের যে সাধারণ মানুষ বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চলে যেতে বাধ্য হচ্ছেন। প্রতিবাদ জানাতে গেলেই থানা পুলিশের ভয় দেখানো হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: গৃহযুদ্ধ তুঙ্গে, দলীয় মিটিংয়েই এলোপাথাড়ি গুলিতে খুন তৃণমূল নেতা, গুলিবিদ্ধ আরও এক

    তৃণমূল সাংসদ কী সাফাই দিলেন?

    তৃণমূল (Trinamool Congress) সাংসদ শর্মিলা বলেন, “স্বাস্থ্যকেন্দ্রের পরিষেবা ভালো নয়। রোগীদের সঙ্গে কথা বলে তা জানলাম। শৌচালয়গুলির অবস্থা এতটাই শোচনীয় যে সেখানে একটি মগ কিংবা বালতি কিছুই নেই। ইতিমধ্যেই বিডিও এবং বিএমওএইচ-এর সঙ্গে কথা বলে সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে। পুরনো কথা তুলে লাভ নেই। কী করে পরিষেবা উন্নত করা যায় তা দেখা হবে।”

    বিএমওএইচ কী বললেন?

    এ বিষয়ে বিএমওএইচ (Burdwan) তুষারকান্তি বিশ্বাস বলেন, “এসব অভিযোগ পুরো মিথ্যা। মূলত, অর্থ এবং পরিকাঠামোর অভাব আছে। আমি সমস্ত স্তরে বিষয়টি জানিয়েছি। আসলে ছোটখাটো বিষয় নিয়ে অকারণে জটিলতা তৈরি করা হচ্ছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Burdwan: বর্ধমানে চোর সন্দেহে গণ-পিটুনি! পুলিশের গায়ে হাত তুললেন উত্তেজিত জনতা

    Burdwan: বর্ধমানে চোর সন্দেহে গণ-পিটুনি! পুলিশের গায়ে হাত তুললেন উত্তেজিত জনতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত কয়েকদিন ধরেই ছেলে ধরা সন্দেহে গণ-পিটুনির অভিযোগ উঠছিল রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে। একাধিক জায়গায় গণ-পিটুনির জেরে মৃত্যু পর্যন্ত হয়েছে। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। ছেলে ধরার জের কাটতে না কাটতেই এবার চোর সন্দেহে আটকে মারধরের অভিযোগ উঠল পূর্ব বর্ধমানের (Burdwan) দেওয়ানদিঘি এলাকায়। আর পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে আক্রান্ত হল পুলিশও।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Burdwan)

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে পুলিশের কাছে খবর আসে আলমপুরে (Burdwan) চারজনকে ঘিরে চোর সন্দেহে মারধর করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, এলাকায় কয়েকদিন ধরে ঘর ভাড়া নিয়ে থাকছিলেন ওই ব্যক্তিরা। প্লাস্টিকের জিনিস বিক্রি করতেন তাঁরা। মূলত মুর্শিদাবাদের বাসিন্দা সকলে। তাঁদেরকে চোর সন্দেহ করে এলাকার লোকজন বেধড়ক পেটান। পুলিশ তাঁদের উদ্ধার করতে গেলে পুলিশের ওপরও চড়াও হন গ্রামের লোকজন। হেনস্থার শিকার হন পুলিশ কর্মীরা। গ্রামের লোকজনের বক্তব্য, এলাকায় এসে তাঁরা চুরির ছক কষছিলেন। আমাদের আশঙ্কা, পুলিশ উদ্ধার করে নিয়ে গিয়ে ছেড়ে দেবে। সেটা চলবে না। এটা নিয়ে পুলিশের সঙ্গে বচসা হয়। জানা গিয়েছে, চারজনকে উদ্ধারে বাধা দেন এলাকাবাসী। পরে, বিশাল বাহিনী গিয়ে পুলিশ কর্মীর পাশাপাশি চারজনকে উদ্ধার করে নিয়ে আসা হয়।

    আরও পড়ুন: ঢাকায় আওয়ামি লিগ কাউন্সিলরের নেতৃত্বে সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর হামলা, জখম ৬০

    পুলিশ-প্রশাসনের কী বক্তব্য?

    জেলা পুলিশ (Police) সুপার (Burdwan) আমন দীপ বলেন, “আমাদের কাছে খবর আসে চোর সন্দেহে গ্রামে চারজনকে মারধর করা হয়েছে। এরপরই পুলিশের দু’টো গাড়ি পৌঁছয় ঘটনাস্থলে। পুলিশ (Police) সেখানে গিয়ে চারজনকে উদ্ধারের চেষ্টা করে। সেই সময় পুলিশের ওপর হামলা করা হয়। ফলে, পরিস্থিতি সামাল দিতে ফের ডিএসপির নেতৃত্বে একটা টিম সেখানে ফের যায়। বড় বাহিনী পাঠানো হয়। পুলিশের গায়ে হাত তোলার অভিযোগে আমরা মোট ১৪ জনকে গ্রেফতার করেছি। তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। আমরা হেফাজতে নিতে চাই তাদের।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • TMC Conflict: রায়নায় পার্টি অফিস দখলকে কেন্দ্র করে হাতাহাতি, তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে

    TMC Conflict: রায়নায় পার্টি অফিস দখলকে কেন্দ্র করে হাতাহাতি, তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দলীয় পার্টি অফিস দখলকে কেন্দ্র করে আবারও প্রকাশ্যে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব (TMC Conflict) পূর্ব বর্ধমানের রায়নায়। দুই গোষ্ঠীর বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করে বর্ধমান আদালতে পাঠায় রায়না থানার পুলিশ।  তৃণমূলের ব্লক সভাপতি ও বিধায়ক গোষ্ঠীর দ্বন্দ্ব ফের প্রকাশ্যে। রায়না ১ ব্লকের সেহারা অঞ্চলের মোগলমারি গ্রামে আবারও ব্যাপক আকার নিল তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (TMC Conflict)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মোগলমারি বাজারে অবস্থিত তৃণমূলের (TMC Conflict) দলীয় কার্যালয় কোন গোষ্ঠীর অধীনে থাকবে সেই নিয়ে  প্রবল ঝামেলায় জড়িয়ে পড়েন রায়না-১ ব্লক তৃণমূলের সভাপতি বামদেব মণ্ডল ও রায়না বিধানসভার বিধায়ক শম্পা ধারার গোষ্ঠীর লোকজন। জানা গিয়েছে, বিধায়ক শম্পা ধারার গোষ্ঠীর লোকজন দলীয় কার্যালয়ে বসে নিজেদের মধ্যে খোশমেজাজে গল্প করছিলেন। ঠিক সেই মুহূর্তে ব্লক সভাপতি বামদেব মণ্ডলের লোকজন মোগলমারি বাজারে দলীয় কার্যালয়টি দখল নিতে যান। তাতে বাধা দেন বিধায়ক গোষ্ঠীর লোকজন। তখনই শুরু হয়ে যায় ঝামেলা। তার পরই শুরু হয় দু’টি গোষ্ঠীর মধ্যে হাতাহাতি। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় রায়না থানার পুলিশ। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করে পুলিশ। নামে র‍্যাফ সহ আধা সামরিক বাহিনী।

    আরও পড়ুন: আজ প্রভু জগন্নাথদেবের স্নানযাত্রা উৎসব, এর মাহাত্ম্য জানেন?

    দুই গোষ্ঠীর ১০ জনকে গ্রেফতার

    বিভিন্নভাবে অভিযান চালিয়ে এলাকায় অশান্তি সৃষ্টি করার অপরাধে দু’ই গোষ্ঠীর মোট ১০ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ধৃতদের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে শুক্রবার বর্ধমান আদালতে পাঠায় পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে বিধায়ক গোষ্ঠী এবং ব্লক সভাপতির গোষ্ঠীর লোকজন রয়েছে। উল্লেখ্য, ব্লক সভাপতি ও বিধায়কের গোষ্ঠীর দ্বন্দ্ব এই প্রথম নয়। এটি দীর্ঘদিনের, তবে ক্রমাগত দু’টি গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব চূড়ান্ত আকার নিলেও উচ্চ নেতৃত্ব কোনও ব্যবস্থা না নেওয়ায় দুশ্চিন্তায় এলাকার তৃণমূল নেতৃত্ব ও কর্মীসহ সাধারণ মানুষ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Diarrhea: জামালপুরে ডায়ারিয়ায় আক্রান্ত ১০০জন, মৃত্যু হল এক মহিলার, আতঙ্ক

    Diarrhea: জামালপুরে ডায়ারিয়ায় আক্রান্ত ১০০জন, মৃত্যু হল এক মহিলার, আতঙ্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পেটের গোলমাল,বমি-সহ ডায়ারিয়ার (Diarrhea) নানা উপসর্গ নিয়ে অসুস্থ প্রায় ১০০ জন গ্রামবাসী। ডায়ারিয়ায় আক্রান্ত হয়ে একজনের মৃত্যু পর্যন্ত হয়েছে। আর এই ঘটনায় পূর্ব বর্ধমানের  জামালপুর ব্লকের পাঁচড়া গ্রামে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। কী করে একসঙ্গে এতজন ডায়ারিয়ায় আক্রান্ত হল তা নিয়ে স্বাস্থ্য দফতরে চর্চা শুরু হয়ে গিয়েছে।

    আক্রান্তের সংখ্যা ১০০! (Diarrhea)

    স্থানীয় সূত্রে খবর, গত তিন-চারদিন ধরেই ওই গ্রামে ডায়ারিয়ার (Diarrhea) প্রকোপ দেখা দেয়। ঘরে ঘরে বমি, পায়খানা। গ্রামের লোকজনকে নিয়ে হাসপাতালে ছোটাছুটি চলে। সূত্রের খবর, মোট ৩২ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। সন্ধ্যা রায় নামে ৫৪ বছরের এক মহিলার মৃত্যু হয়। জামালপুর স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে বর্ধমান নিয়ে যাওয়ার পথেই মারা যান তিনি। গ্রামবাসীদের দাবি, ডায়ারিয়াতে মারা গিয়েছেন তিনি। দিনের পর দিন আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। বহু মানুষ অসুস্থ হয়ে বাড়িতে রয়েছেন। সবমিলিয়ে বর্তমানে প্রায় ১০০ জন আক্রান্ত হয়েছেন। গ্রামবাসীদের বক্তব্য, কী কারণে গ্রামের এতজন মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়ল তা আমরা বুঝতে পারছি না। আমরা চরম আতঙ্কে রয়েছি। অবিলম্বে স্বাস্থ্য দফতরের পক্ষ থেকে পদক্ষেপ গ্রহণ না করা হলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে। আক্রান্তের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

    আরও পড়ুন: “স্বামীকে বেধড়ক মারল তৃণমূল, মাথা ফাটিয়ে দিল আমার,” মুখ খুললেন বিজেপি কর্মীর স্ত্রী

    ভারপ্রাপ্ত বিএমওএইচ কী বললেন?

    এই বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত বিএমওএইচ চন্দন মজুমদার বলেন, “আশা কর্মী, মেডিক্যাল অফিসার, মেডিক্যাল টিম সবই গ্রামে পাঠানো হয়েছে। জলও পাঠানো হয়েছে। সংক্রমণ একটা ছিল, তবে তা কমেছে। ফুড সেফটি অফিসার, বিডিও, ওসি এসেছিলেন।” ডায়ারিয়ায় (Diarrhea) আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ” ডায়ারিয়ায় আক্রান্ত ওই রোগী স্থিতিশীলই ছিলেন। তাঁকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়ারও পরিকল্পনা ছিল। এই অবস্থায় রোগীর আচমকাই শ্বাসকষ্ট, বুকে ব্যথা শুরু হয়। এমার্জেন্সি হিসাবে যা যা মেডিক্যাল সাপোর্ট দেওয়া দরকার ছিল, দেওয়াও হয়। তবে, দুর্ভাগ্যজনিত কারণে তিনি মারা যান। কার্ডিও রেসপিরেটরি ফেলিওর হয়ে যায় তাঁর।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share