Tag: burnt

burnt

  • Katwa Train Fire Incident: কাটোয়ায় ট্রেনের কামরায় আগুন, অন্তর্ঘাত বলছে রেল! নেপথ্যে বহিরাগতরা?

    Katwa Train Fire Incident: কাটোয়ায় ট্রেনের কামরায় আগুন, অন্তর্ঘাত বলছে রেল! নেপথ্যে বহিরাগতরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাটোয়া স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনে অগ্নিকাণ্ডের (Katwa Train Fire Incident) ঘটনায় বহিরাগতদের হাত (Intentional Attack)! অন্তত এমনই অনুমান রেলকর্তাদের একাংশের। জানা গিয়েছে, কাটোয়া-আজিমগঞ্জ ট্রেনের যে কামরাটিতে আগুন লেগেছিল, তা শর্ট সার্কিট থেকে নয়, কামরার ভেতরের কোনও ত্রুটির কারণেও নয়। সেই কারণেই ক্রমশ ঘনীভূত হচ্ছে রহস্য। রেল সূত্রে খবর, প্রাথমিক তদন্তেই উঠে এসেছে এই খবর।

    বহিরাগতের আনাগোনা (Katwa Train Fire Incident)

    সিসিটিভি ফুটেজে তদন্তকারীদের নজরে এসেছে বেশ কিছু বহিরাগতের আনাগোনা। সূত্রের খবর, সোমবার কাটোয়া স্টেশনে যাবে ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞদের একটি প্রতিনিধি দল। রবিবার ভোরে আচমকাই আগুন দেখা যায় কাটোয়া স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা কাটোয়া-আজমিগঞ্জ প্যাসেঞ্জার ট্রেনে (Katwa Train Fire Incident)। ট্রেনটির ছাড়ার কথা ছিল সকাল ৬টা ৫-এ। ভোর সাড়ে ৪টে নাগাদ হঠাৎই আগুন লাগে একটি কামরায়। মূহুর্তের মধ্যেই গোটা কামরা ছড়িয়ে পড়ে বিধ্বংসী আগুন। ওই কামরায় কোনও যাত্রী না থাকায় বড়সড় কোনও বিপদ ঘটেনি। এদিন প্রথমে ট্রেনটির ওই কামরায় আগুনের লেলিহান শিখার পাশাপাশি ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখতে পান প্লাটফর্মে উপস্থিত যাত্রীরা (Intentional Attack)। খবর ছড়িয়ে পড়তেই আতঙ্কে ছুটোছুটি পড়ে যায় স্টেশন চত্বরে।

    বহিরাগতদের অদৃশ্য হাত?

    খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় জিআরপি এবং আরপিএফ। দমকলের দুটি ইঞ্জিন এসে ঘণ্টাখানেকের কিছু বেশি সময়ের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে (Katwa Train Fire Incident)। পুড়ে খাক হয়ে যাওয়া কামরাটিকে আপাতত ঢেকে রাখা হয়েছে কাপড় দিয়ে। কাটোয়া স্টেশনে রেলের কামরায় শর্ট সার্কিট থেকে আগুন ধরেনি বলে জানালেন পূর্ব রেলের হাওড়া ডিভিশনাল ম্যানেজার বিশাল কাপুর। তদন্তে নেমে আধিকারিকদের অনুমান এই ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে বহিরাগতদের অদৃশ্য হাত। যে এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে, তার কাছেই বিহার। তাহলে কি ভিন রাজ্যের কেউই এই কাণ্ডে জড়িত, নাকি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র?

    দুর্ঘটনা নয়, সাবোটাজ! দাবি রেলের

    মুখ্য জনসংযোগকারী আধিকারিক শিবরাম মাঝির কথায়, কাটোয়া স্টেশনে ভোর সাড়ে চারটে নাগাদ ঘটা এই ঘটনাটিকে নিছক দুর্ঘটনা নয়, বরং ‘সাবোটাজ’ বা অন্তর্ঘাত হিসেবেই দেখছেন তাঁরা।   যদি ষড়যন্ত্রই হয়, তাহলে ঘটনার মোটিভ কী? জানা গিয়েছে, সোমবার কাটোয়া স্টেশনে গিয়েছে ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞদের একটি প্রতিনিধি দল। সেখান থেকে তারা নমুনা সংগ্রহ করবে (Intentional Attack)। তদন্তে নেমেছেন এডিআরএম হাওড়া উদয় কেশরী-সহ ৫জন বিভাগীয় আধিকারিক (Katwa Train Fire Incident)।  খুব তাড়াতাড়ি আগুন লাগার কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • Uttar Dinajpur: রাজ্যে ফের মধ্যযুগীয় বর্বরতা, ডাইনি অপবাদে ঘর পোড়াল দুষ্কৃতীরা

    Uttar Dinajpur: রাজ্যে ফের মধ্যযুগীয় বর্বরতা, ডাইনি অপবাদে ঘর পোড়াল দুষ্কৃতীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে ফের মধ্যযুগীয় বর্বরতার চিত্র ধরা পড়ল। ডাইনি অপবাদ দিয়ে এক আদিবাসী দম্পতির ঘর জ্বালিয়ে দেওয়ার ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে এলাকায়। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজপুর (Uttar Dinajpur) জেলার রায়গঞ্জ থানার অন্তর্গত পানিশালা এলাকার ধোঁয়াবিশুয়া গ্রামে। উল্লেখ্য, আগেও দুই মহিলকে বিবস্ত্র করে মারধরের ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছিল মালদা জেলায়। 

    কীভাবে ঘটল ঘটনা (Uttar Dinajpur)?

    স্থানীয় (Uttar Dinajpur) সূত্রে জানা গিয়েছে, আদিবাসী ওই দম্পতির নাম সোম মার্ডি ও সাংজু মুর্মু। বেশ কিছুদিন ধরেই তাঁদেরকে ডাইনি অপবাদ দিয়ে কিছু দুষ্কৃতী প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছিল বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় গ্রামের মাতব্বরদের জানালে এক দফা সালিশি সভাও হয়। সেখানে কোনও মীমাংসা না হুওয়ায় হুমকি অব্যাহত ছিল। এরপরেই গত ৬ জানুয়ারি রাতে তাঁদের ঘরে আগুন ধরিয়ে দেয় দুষ্কৃতীরা৷

    কোনও মতে প্রাণে রক্ষা দম্পতির

    তাঁদের বাড়িতে (Uttar Dinajpur) আগুন ধরিয়ে দিলে চিৎকারে ছুটে আসে পাড়া-প্রতিবেশীরা। কোনও মতে প্রাণে রক্ষা পান ওই দম্পতি। কিন্তু আগুনে বসতভিটে ভস্মীভূত হয়ে যাওয়ার সঙ্গে নগদ ২০ হাজার টাকাও পুড়ে গিয়েছে বলে অভিযোগ। ফলে এই তীব্র শীতে বাড়িঘর খুইয়ে খোলা আকাশের নীচে দিন কাটাচ্ছে আদিবাসী পরিবারটি।

    থানায় অভিযোগ দায়ের

    কে বা কারা এই ঘটনা ঘটাল, তা স্পষ্ট জানা না গেলেও আক্রান্ত দম্পতি বেশ কয়েকজনের নামে রায়গঞ্জ (Uttar Dinajpur) থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। এদের নাম মংলু মার্ডি, বুধু মার্ডি, সুপ্রণ মার্ডি, জেঠা মার্ডি৷ রাতের অন্ধকারে ঘরে আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে মারার জন্যই এই ঘটনা পরিকল্পনা করে ঘটানো হয়েছে বলে অভিযোগ আক্রান্ত দম্পতির। যদিও ঘটনার পরেই গা ঢাকা দিয়েছে অভিযুক্তরা।

    আদিবাসী দম্পতির বক্তব্য

    উত্তর দিনাজপুরের পেশায় কৃষক সোম মার্ডি বলেন, “মাস দুয়েক হল ডাইনি অপবাদ দিয়ে ঘরছাড়া করার চেষ্টা চালাচ্ছে আমাদের কয়েকজন আত্মীয়। একাধিকবার আমাকে প্রাণে মারার হুমকিও এসেছে। এবারে বাড়িতে আগুন লাগিয়েছে ওরা। কীভাবে পরিবার নিয়ে বসবাস করব, তা নিয়ে দুশ্চিন্তা হচ্ছে।” আবার সোম মার্ডির স্ত্রী সাংজু মুর্মু বলেন, “রাতের অন্ধকারে দুষ্কৃতীরা এসে বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে। কোনও ক্রমে প্রাণে বেঁচে গিয়েছি। সোনা-গয়না, নগদ টাকা, জরুরি কাগজপত্র সব পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। কীভাবে আমরা এলাকায় বাস করব, তা চিন্তা করেই কুলকিনারা পাচ্ছি না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share