Tag: Bus Accident

Bus Accident

  • Nepal Bus Accident: নেপালের বাস দুর্ঘটনায় মৃত ৪১ ভারতীয়, শোকবার্তা রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর

    Nepal Bus Accident: নেপালের বাস দুর্ঘটনায় মৃত ৪১ ভারতীয়, শোকবার্তা রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নেপালের বাস দুর্ঘটনায় (Nepal Bus Accident) মৃতের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। বাসটিতে ৪৩ জন যাত্রীর মধ্যে ইতিমধ্যেই ৪১ জন মৃত বলে জানা গিয়েছে। মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী গিরিশ মহাজন শুক্রবার রাতে এই কথা জানান। তিনি জানিয়েছেন, ওই বাসে অধিকাংশ যাত্রীই ছিলেন মহারাষ্ট্রের বাসিন্দা। তাঁদের দেহ দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। মহারাষ্ট্র সরকার এ বিষয়ে দিল্লির (Indian Embassy) সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। ভারতীয় বায়ুসেনা দেহগুলি কপ্টারে উড়িয়ে আনবে। বাসটি উত্তরপ্রদেশ থেকে নেপালে গিয়েছিল। 

    প্রধানমন্ত্রীর শোকবার্তা

    নেপালে বাস দুর্ঘটনায় (Nepal Bus Accident)  শোকপ্রকাশ করে দুর্ঘটনাগ্রস্ত পরিবারগুলির পাশে থাকার কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শুক্রবার বেলায় পোখরা  থেকে কাঠমান্ডুর দিকে যাচ্ছিল বাসটি। তনহুঁ জেলার মারশিয়াংড়ি নদীতে আচমকা বাস উল্টে যায়। খরস্রোতা নদীতে বাসটিকে পড়ে থাকতে দেখা গিয়েছে। দ্রুত শুরু হয় উদ্ধারকাজ। কিন্তু যাত্রীদের অনেককেই বাঁচানো যায়নি। এই ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুও। 

    হেল্পলাইন নম্বর বিদেশমন্ত্রকের

    ভারত থেকে নেপালে যাওয়া উত্তরপ্রদেশের ওই বাসে (Nepal Bus Accident) অধিকাংশ যাত্রীই ছিলেন মহারাষ্ট্রের। সেখানকার মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে জানান, তিনি নেপালের বাস দুর্ঘটনার বিষয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে কথা বলেছেন। দেহ দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে কেন্দ্র মহারাষ্ট্র সরকারকে সবরকম সাহায্য করবে বলে জানিয়েছেন তিনি। ভারতীয় বায়ুসেনা দেহগুলি শনিবারই দেশে ফিরিয়ে আনবে। প্রথমে মহারাষ্ট্রের নাসিকে নিয়ে আসা হবে দেহগুলি। সেখান থেকে পরিবারের সদস্যদের হাতে তা তুলে দেওয়া হবে। এই ঘটনায় হেল্পলাইন নম্বর চালু করেছে বিদেশমন্ত্রক। 

    নেপালের ভারতীয় দূতাবাস সূত্রে (Indian Embassy) জানা গিয়েছে, দুর্ঘটনাগ্রস্ত বাসের ভারতীয় যাত্রীরা নেপালে ঘুরতে গিয়েছিলেন। পোখরা থেকে কাঠমান্ডু যাওয়ার সময় ঘটে দুর্ঘটনা। কীভাবে বাসটি রাস্তা থেকে নদীতে পড়ে গেল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। নেপাল প্রশাসন বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। তবে ভরা বর্ষায় নেপালে গত কয়েক দিন ধরেই বৃষ্টি হচ্ছে। নানা জায়গায় ধস নেমে রাস্তা বন্ধও রয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nepal Bus Accident: ভারী বৃষ্টিতে ভয়াবহ ধস নেপালে! রাস্তা থেকে নদীতে পড়ল ২টি বাস, নিখোঁজ ৬৩ জন

    Nepal Bus Accident: ভারী বৃষ্টিতে ভয়াবহ ধস নেপালে! রাস্তা থেকে নদীতে পড়ল ২টি বাস, নিখোঁজ ৬৩ জন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও বিপর্যয় নেপালে। ভারী বৃষ্টি এবং ধসের জেরে রাস্তা থেকে ছিটকে খরস্রোতা ত্রিশূলি নদীতে গিয়ে পড়ল দুটি যাত্রীবোঝাই বাস (Nepal Bus Accident)। শুক্রবার সকালে নেপালের মদন-আশ্রিত মহাসড়কে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। এখনও পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী দুর্ঘটনায় দুটি বাস মিলিয়ে নিখোঁজ ৬৩ জন যাত্রী। দুর্ঘটনার পরেই নদীতে তল্লাশি অভিযান শুরু হয়েছে। তবে একনাগাড়ে বৃষ্টির জেরে নিখোঁজ বাসগুলির সন্ধান পেতে নাজেহাল হতে হচ্ছে উদ্ধারকারী দলকে। ইতিমধ্যেই এই দুর্ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী পুষ্প কমল দাহাল ওরফে ‘প্রচণ্ড’। 

    কীভাবে ঘটল এই দুর্ঘটনা? (Nepal Bus Accident)

    উল্লেখ্য, গত কয়েক দিন ধরেই নেপালের বড় অংশে ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে। রাস্তায় ধস (Nepal Landslide) নামার ঘটনাও ঘটেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার ভোর ৪টে নাগাদ দুর্ঘটনাটি ঘটে। সেই সময় নেপালের চিতওয়ান জেলার মদন-আশ্রিত সড়ক ধরে এগোচ্ছিল দুটি বাস। দুটি বাসই নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর দিকে যাচ্ছিল। তবে ভারী বৃষ্টির কারণে রাস্তায় হঠাৎ ধস নামে। তখনই দুটি বাস ছিটকে গিয়ে পড়ে পাশ দিয়ে বয়ে চলা ত্রিশূলি নদীতে। ভেসে যান যাত্রীদের প্রায় সকলেই। দুর্ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে যান জেলা প্রশাসনের আধিকারিকেরা। তড়িঘড়ি শুরু হয় উদ্ধারকাজ। নিখোঁজদের মধ্যে ৭ জন ভারতীয় রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে৷ 

    ঘটনায় শোকপ্রকাশ নেপালের প্রধানমন্ত্রীর

    ঘটনায় (Nepal Bus Accident) শোকপ্রকাশ করেছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী পুষ্প কমল দাহাল৷ দ্রুত তল্লাশি অভিযান শেষ করে সকলকে খুঁজে বের করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি৷ এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, ‘‘নারায়ণগড়-মুগলিন সড়কে ভূমিধসের ঘটনায় নদীতে তলিয়ে গিয়েছে বাস৷ ভয়াবহ এই ঘটনায় আমি গভীরভাবে শোকাহত৷ প্রশাসনের সমস্ত সংস্থাকে দ্রুত অনুসন্ধান এবং উদ্ধারকার্যের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে৷’’

    আরও পড়ুন: সেনার নমিনি নিয়মে বদলের আর্জি ক্যাপ্টেন অংশুমান সিং-এর বাবা-মার

    দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় বাতিল সব ফ্লাইট 

    অন্যদিকে, আবহাওয়া দুর্যোগপূর্ণ থাকায় কাঠমান্ডু থেকে ভরতপুরগামী সব ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। এই দুর্ঘটনার পর নেপালের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বর্ষার মরশুম শুরু হওয়ার পর থেকে প্রাকৃতিক দুর্যোগে সারাদেশে ১ হাজার ৫৮টি পরিবার বাস্তুচ্যুত হয়েছে। পাশাপাশি নেপালে বৃষ্টিজনিত ঘটনায় কমপক্ষে ৬২ জন নিহত এবং ৯০ জন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে থেকে ভূমিধসে (Nepal Landslide) ৩৪ জন এবং টানা বৃষ্টির কারণে সৃষ্ট বন্যায় ২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়াও ভারী বৃষ্টিপাতের জেরে সম্পত্তির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। কমপক্ষে ১২১টি বাড়ি প্লাবিত হয়েছে এবং ৮২টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Accident in Unnao: দুধের গাড়িতে ধাক্কা, উল্টে গেল বাস, উত্তরপ্রদেশে পথ দুর্ঘটনায় মৃত অন্তত ১৮

    Accident in Unnao: দুধের গাড়িতে ধাক্কা, উল্টে গেল বাস, উত্তরপ্রদেশে পথ দুর্ঘটনায় মৃত অন্তত ১৮

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোরবেলায় ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনা উত্তরপ্রদেশের উন্নাওয়ে (Accident in Unnao)। প্রাণ গেল অন্তত ১৮ জনের। তাঁদের মধ্যে শিশুও রয়েছে। বুধবার ভোররাতে উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) উন্নাওয়ের লখনউ-আগ্রা এক্সপ্রেসওয়েতে একটি দোতলা বাস দুধবাহী ট্যাঙ্কারে ধাক্কা মারে। ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয় বহু যাত্রীর। জখম হয়েছেন অনেকে। তাঁদের মধ্যে অনেকের অবস্থাই আশঙ্কাজনক। পুলিশ সূত্রে খবর, যাত্রীবাহী দোতলা বাসটি বিহার থেকে দিল্লি যাচ্ছিল। 

    কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা (Accident in Unnao)

    প্রশাসনিক সূত্রে খবর, বুধবার ভোরে ৫টা নাগাদ দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। দূরপাল্লার বাসটি মঙ্গলবার রাতে বিহার থেকে ছাড়ে। ভোরবেলা লখনউ-আগ্রা এক্সপ্রেসওয়ে (Uttar Pradesh) দিয়ে দ্রুত গতিতে যাওয়ার সময়ই বাসটি দুর্ঘটনার (Accident in Unnao) কবলে পড়ে। বেহতা মুজাওয়ার এলাকায় এসে একটি দুধের ট্যাঙ্কারে ধাক্কা মারে বাসটি। ট্যাঙ্কার এবং বাস, দুটোই উল্টে যায় রাস্তার উপর। কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দ্রুত উদ্ধার কাজ শুরু করেছে। উদ্ধারকাজে হাত লাগিয়েছেন স্থানীয় মানুষও। প্রথমে স্থানীয়রাই নীয়েরা। তাঁরাই প্রথম উদ্ধারকাজে হাত লাগান। বাসের জানলা ভেঙে যাত্রীদের বার করার কাজ শুরু করা হয়।

    মৃত ও আহতরা অধিকাংশই বিহারের (Accident in Unnao)

    ঘটনাস্থলে আসেন এসডিএম নম্রতা সিং। দুর্ঘটনাস্থলে (Accident in Unnao) পৌঁছে গিয়েছেন উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) উপ মুখ্যমন্ত্রী ব্রজেশ পাঠক। তিনি জানিয়েছেন, আহতদের উন্নাওয়ের জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এলাকার সমস্ত হাসপাতালকে সতর্ক করা হয়েছে। ট্রমা কেয়ার সেন্টারগুলিকে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে। মৃত ও আহতদের অধিকাংশই বিহারের বাসিন্দা। সেই রাজ্যের প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। নম্রতা জানান, কী ভাবে দুর্ঘটনা ঘটল, তা খতিয়ে দেখা হবে। যাত্রীদের উদ্ধার করাই এখন প্রাথমিক কাজ। তিনি বলেন, ‘‘বিহার থেকে দিল্লি যাচ্ছিল বাসটি। বাসে ৫০ জন যাত্রী ছিলেন। প্রাথমিক ভাবে মনে হচ্ছে, বাস চালাতে চালাতে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন চালক। সেই কারণেই দুর্ঘটনা ঘটেছে। নিহত এবং আহতদের পরিচয় জানার চেষ্টাও চলছে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bus Accident: অসমে পিকনিকের বাসের সঙ্গে ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ, মৃত ১৪, আহত ২৭

    Bus Accident: অসমে পিকনিকের বাসের সঙ্গে ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ, মৃত ১৪, আহত ২৭

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার কাকভোরে মর্মান্তিক বাস দুর্ঘটনা (Bus Accident) ঘটল অসমে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এই দুর্ঘটনায় অন্তত ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহতের সংখ্যা ২৭ জন। জানা গিয়েছে, এদিন অসমের দেরগাঁও এলাকায় পিকনিক করতে যাওয়া বাসটির সঙ্গে একটি ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ (Bus Accident) হয়।

    পুলিশ সূত্রে খবর, বাসটিতে প্রায় ৪৫ জন যাত্রী ছিলেন এবং তাঁরা সকলেই তিনসুকিয়ার তিলঙ্গা মন্দিরে পিকনিক করতে যাচ্ছিলেন। রাত তিনটে নাগাদ যাত্রা শুরু হয় পিকনিক যাত্রীদের। দুর্ঘটনাস্থল থেকে পিকনিক স্পট খুব বেশি দূরে নয় বলেই জানা গিয়েছে। উল্টো দিক থেকে আসা একটি কয়লা বোঝাই লরির সঙ্গে এই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।

    আহতরা ভর্তি জোড়হাট মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালে

    আহতদের জোড়হাট মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ইতিমধ্যে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফে জানা গিয়েছে, মৃত ১৪ জনেরই দেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া আহত বেশ কয়েকজনের অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলেই শোনা যাচ্ছে। তবে দুর্ঘটনার (Bus Accident) কারণ এখনও পর্যন্ত পরিষ্কার নয়। স্থানীয়দের অনুমান, কাকভোরে বাস বা ট্রাক চালকের মধ্যে কেউ একজন সম্ভবত ঘুমিয়ে পড়েছিলেন এবং তখনই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনা ঘটে।

    দুর্ঘটনার তদন্ত চলছে

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার তদন্ত চলছে। সম্পূর্ণ হলেই দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানা যাবে। স্থানীয় গোলাঘাট জেলার পুলিশ সুপার রাজেন সিং সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘‘এদিন সকালে পাঁচটা নাগাদ এই দুর্ঘটনা ঘটে৷ গোলঘাট এলাকার কামরাবান্ধা এলাকা থেকে বাসটি যাচ্ছিল তলিঙ্গা মন্দিরের দিকে৷ পর্যটকদের একটি দল ওই বাসে ছিল৷ বালিজান এলাকায় একটি ট্রাককে ধাক্কা মারে বাসটি। উল্টো দিকের ট্রাকটি জোড়হাটের (Bus Accident) দিক থেকে আসছিল।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Uttarakhand Bus Accident: বিয়েবাড়ির যাত্রী বোঝাই বাস পড়ল উত্তরাখন্ডের খাদে

    Uttarakhand Bus Accident: বিয়েবাড়ির যাত্রী বোঝাই বাস পড়ল উত্তরাখন্ডের খাদে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের ভয়াবহ দূর্ঘটনা উওরাখন্ডে তবে এবার দূর্ঘটনাটি ধসের(Avalanche) কারণে ঘটেনি। যাত্রী বোঝাই করে বিয়ে বাড়ি থেকে ফিরছিল বাসটি। মঙ্গলবার গভীর রাতে যাত্রীদের নিয়ে যাওয়ার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায় বাসটি।

    ডিজিপি (DGP) অশোককুমার জানান, বাসটিতে কমপক্ষে ৫০ জন যাত্রী ছিল যার মধ্যে একাধিক শিশুও ছিল। দূর্ঘটনায় কমপক্ষে ৩২ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ২০ জনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    পুলিশ আরও জানিয়েছেন বিয়ের জন্য বুক করা হয়েছিল বাসটি। যাত্রীরা সকলেই ছিলেন বিয়েতে আমন্ত্রিত। মঙ্গলবার রাতে উত্তরাখণ্ডের পৌড়ী (Pauri) জেলার ধুমকোট থানার এলাকার রিখিনিখাল বিরনখাল মোটোর রোড-এর উপর সিমদি গ্রামের কাছে একটি ৫০০ মিটার গভীর খাদে পড়ে যায় বাসটি।

    আরও পড়ুন: সাইবার ক্রাইমের বিরুদ্ধে জোরালো অভিযান চালালো সিবিআই 

    খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় ধুমকোট (Dhumakot) থানার পুলিশ। জানানো হয় রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরকেও।তাদের সঙ্গে উদ্ধারকার্যে হাত লাগাতন স্থানীয়রাও। এর পর জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীও এসে পৌঁছয়।অন্ধকারের কারণে এবং আলোর কোনও বন্দোবস্ত না থাকায় উদ্ধারকাজে সমস্যা হয়।দুর্ঘটনার খবর পাওয়া মাত্রই রাতেই রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি (Pushkar Singh Dhami), আধিকারিকদের কাছ থেকে ঘটনার বিষয়ে খোঁজখবর নেন তিনি।

    রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু টুইট করেছেন যে দুর্ঘটনায় মৃত্যুতে তিনি দুঃখপ্রকাশ করেছেন এবং আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন। 

    [tw]


    [/tw]

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কার্যালয় দুর্ঘটনাটিকে “হৃদয়বিদারক” বলে অভিহিত করেছে এবং সব ধরনের সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

    [tw]


    [/tw]

    উওরাখন্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন এবং তিনি জানিয়েছেন রাজ্য সরকার দূর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে সবরকম ভাবে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন।

    [tw]


    [/tw]

    দুর্ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী (Defence Minister) রাজনাথ সিংও।

    [tw]


    [/tw]

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Bus Accident: সেতুর রেলিং ভেঙে নদীখাতে বাস! মধ্যপ্রদেশে মৃত ২২, শোকপ্রকাশ মোদির

    Bus Accident: সেতুর রেলিং ভেঙে নদীখাতে বাস! মধ্যপ্রদেশে মৃত ২২, শোকপ্রকাশ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সেতুর রেলিং ভেঙে নদীখাতে বাস পড়ে মারা গেলেন অন্তত ২২ জন। আহতের সংখ্যা আরও ২৫। ভয়াবহ দুর্ঘটনাটি ঘটেছে মধ্যপ্রদেশের খারগোনে অঞ্চলে। দুর্ঘটনার সময় বাসটিতে প্রায় ৫০ জন যাত্রী ছিলেন৷ 

    ঠিক কী ঘটেছে?

    জানা গিয়েছে, বাসটি মধ্যপ্রদেশের শ্রীখণ্ডি থেকে ইন্দোর যাচ্ছিল। দাসাঙ্গা গ্রামের কাছে খারগোনে বোরাদ নদীর উপর সেতুর রেলিং ভেঙে প্রায় ৫০ ফিট নিচে নদীখাতে পড়ে যায় বাসটি। দুর্ঘটনার সঙ্গে সঙ্গেই উদ্ধারকাজে ঝাঁপিয়ে পড়েন স্থানীয়রা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ ও উদ্ধারকারী দল। ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান ১৫ জন। 

    আরও পড়ুন: “জ্বলেছে ১৭০০ ঘর, হিংসার বলি ৬০”, বললেন মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী

    আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। সেখানে আরও ৭ জন মারা যান। কয়েকজন আহতের অবস্থা সঙ্কটজনক। ফলে, মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে অনুমান। ঠিক কী কারণে দুর্ঘটনা ঘটেছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। বাস চালকের কোনও ভুল না কি বাসটিতে কোনও যান্ত্রিক গোলযোগ ছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে৷

    দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবার প্রতি ৪ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান। গুরুতর আহতদের জন্য ৫০ হাজার টাকা করে আর্থিক সাহায্য আর স্বল্প আহতদের জন্য ২৫ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা করা হয়েছে মধ্যপ্রদেশ সরকারের তরফে।

    শোকপ্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর

    ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। হতাহতদের জন্য ক্ষতিপূরণের ঘোষণা করেছে কেন্দ্র। নিহতদের পরিবারের জন্য ২ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেছে প্রধানমন্ত্রীর দফতর৷ আহতদেরও প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে ৫০ হাজার টাকা করে সাহায্য করা হবে৷

  • Jharkhand: ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঝাড়খন্ডে! সেতুর রেলিং ভেঙে নদীতে পড়ল বাস, মৃত ৭, শোকপ্রকাশ রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর

    Jharkhand: ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঝাড়খন্ডে! সেতুর রেলিং ভেঙে নদীতে পড়ল বাস, মৃত ৭, শোকপ্রকাশ রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনা ঘটল ঝাড়খন্ডে (Jharkhand)। সেতুর রেলিং ভেঙে যাত্রীবাহী বাস পড়ে যায় নদীতে। এই দুর্ঘটনায় অন্তত ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর পাশাপাশি আহত হয়েছেন ৪৬ জন। ঘটনাটি ঝাড়খন্ডের হাজারিগে ঘটেছে বলে জানা যায়। দুর্ঘটনার খবর পেয়েই উদ্ধারকার্যে নামে স্থানীয় প্রশাসন ও এলাকাবাসীরা। আহত যাত্রীদের উদ্ধার করে হাসপাতালেও ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটনার পর ট্যুইটে শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

    পুলিশ সুপার মনোজ রতন চোথে জানিয়েছেন, যাত্রীবাহী বাসটি গিরিডি থেকে রাঁচি যাচ্ছিল। তখনই বাসটি হাজারিবাগের তাতিঝরিয়ার সিয়ানে নদীর সেতু থেকে বাসটি পড়ে যায়। ব্রিজের ওপরেই কোনোভাবে নিয়ন্ত্রণ হারান বাসচালক। তার জেরেই এই দুর্ঘটনা বলেই মনে করা হচ্ছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, এরপর বাসটি সেতু থেকে নিচে পড়ে যায়। দুর্ঘটনার সময় বাসে ৬০ জন যাত্রী ছিলেন বলেই জানা গিয়েছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত, তাঁদের মধ্যে ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে ২ জন মহিলা রয়েছেন বলেই জানা গিয়েছে। তিনি আরও বলেন, “দুই যাত্রী ঘটনাস্থলেই মারা যান এবং আরও পাঁচজন আহত হয়ে মারা যান। বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হওয়ায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।”

    আরও পড়ুন: ন্যায্যমূল্যের দোকানে ওষুধ পাওয়া যায় না, জীবনদায়ী ওষুধ চুরি হয় হাসপাতাল থেকে, ওষুধ কিনতে হিমশিম সাধারণ মানুষ

    এক কর্মকর্তা জানান, বাসটি নদীর মাঝখানে পড়লে ক্ষয়ক্ষতি আরও বেশি হতে পারত। তবে এখনও তাদের উদ্ধারকার্য চলছে বলে জানিয়েছেন। দুর্ঘটনায় সামান্য আহত হওয়া যাত্রী মমতা সালুজা বলেছেন, “একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশ নিতে রাঁচির রাতু এলাকার একটি গুরুদ্বারে যাচ্ছিলেন তাঁরা, বাসটিতে শিখ তীর্থযাত্রীরাও ছিলেন।”

    এই দুর্ঘটনার পরেই রাষ্ট্রপতি দৌপদী মুর্মু ট্যুইটে লেখেন, “ঝাড়খণ্ডের হাজারিবাগে সড়ক দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যুর খবরে আমি গভীরভাবে শোকাহত। এই দুর্ঘটনায় যারা তাদের প্রিয়জনকে হারিয়েছে তাদের পরিবারের প্রতি আমার আন্তরিক সমবেদনা। আমি চাই সকল আহতরা শীঘ্র সুস্থ হয়ে উঠুক।”

    প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, “ঝাড়খণ্ডের হাজারিবাগ জেলায় বাস দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনায় শোকাহত। এই দুঃসময়ে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আমার সমবেদনা রইল। প্রার্থনা করছি আহতরা যেন দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠে।” 

    রাজ্যপাল রমেশ বাইস এবং মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনও মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন। সোরেন ট্যুইট করেছেন, “তাতিঝরিয়ায় সেতু থেকে একটি বাস পড়ে যাওয়ার ফলে মৃত্যুতে মর্মাহত। ঈশ্বর মৃতদের আত্মার শান্তি এবং শোকাহত পরিবারকে শক্তি দিন। আমি আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি।”

LinkedIn
Share