Tag: By Election

By Election

  • Nandigram Bypoll: নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে মমতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব, তৃণমূলের দুই শিবিরে বরফ গলার ইঙ্গিত

    Nandigram Bypoll: নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে মমতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব, তৃণমূলের দুই শিবিরে বরফ গলার ইঙ্গিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নন্দীগ্রামে বিধানসভা উপনির্বাচনে (Nandigram Bypoll) মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনাকে ঘিরে তৃণমূল কংগ্রেসের দুই শিবিরের মধ্যে সম্পর্কের বরফ গলতে পারে বলে জল্পনা তৈরি হয়েছে। মমতা (Mamata Banerjee) নন্দীগ্রাম থেকে লড়াই করলে তাঁরা প্রার্থী দেবেন না বলেও জানিয়েছে তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবির। এর মধ্যেই দলের প্রতীক নিয়ে দুই পক্ষের টানাপোড়েন নির্বাচন কমিশন পর্যন্ত গড়িয়েছে।

    শনিবার নয়াদিল্লিতে বিদ্রোহী শিবিরের নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “আমাদের প্রার্থী বাছাই সম্মিলিতভাবে হয়ে গিয়েছে। তবে এখনও তা ঘোষণা করা হয়নি।”

    এর পরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করার পাশাপাশি তাঁকে নন্দীগ্রাম থেকে লড়াইয়ের সুযোগ দেওয়ার ইঙ্গিতও দেন তিনি।

    সাধারণ নির্বাচনে কখনও জেতেন না মমতা (Nandigram Bypoll)

    ঋতব্রত বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাধারণ নির্বাচনে কখনও জেতেন না। কিন্তু উপনির্বাচনে জেতেন। আর এটা ভালো দেখায় না, তাই না যে এই নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের এলাকায় হেরেছেন এবং নিজের বুথেও হেরেছেন?”

    তিনি ভবানীপুরে বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীর কাছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরাজয়ের প্রসঙ্গ উল্লেখ করছিলেন। শুভেন্দু অধিকারী নন্দীগ্রামেও জয়ী হয়ে মুখ্যমন্ত্রী হন এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ১৫ বছরের শাসনের অবসান ঘটান।

    এর পরেই ঋতব্রত বলেন, “আমরাও চাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিধানসভায় আসুন।” ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রামে উপনির্বাচন হওয়ার কথা। শুভেন্দু নন্দীগ্রামের বিধায়ক পদ ছেড়ে দেওয়ায় আসনটি শূন্য হয়েছে। যদিও এই বিষয়ে এখনও প্রকাশ্যে কিছু বলেননি মমতা।

    ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের বিপর্যয়ের পরে দলের অধিকাংশ বিধায়ক দল ছেড়ে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা হিসেবে বেছে নেন। দলের এই ভাঙনের জন্য তাঁরা মমতার ভাইপো তথা দলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দায়ী করেন। পরবর্তী সময়ে মমতার পাশ থেকে সরে যান তাঁর হাতে গড়া তৃণমূলের সিংহভাগ সাংসদও। যদিও বিদ্রোহী বিধায়কেরা বারবার দাবি করে এসেছেন, তাঁদের মূল আপত্তি মমতাকে নিয়ে নয়, অভিষেককে ঘিরে (Nandigram Bypoll)।

    তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবিরের বক্তব্য

    বছর একাত্তরের মমতার সঙ্গে নন্দীগ্রামের রাজনৈতিক সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবিরের বিধায়ক আখরুজ্জামান বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রাম থেকে কখনও সাধারণ নির্বাচনে জেতেননি।” তিনি ২০২১ সালের নির্বাচনের কথাও স্মরণ করিয়ে দেন। সেই নির্বাচনে নন্দীগ্রামে শুভেন্দুর কাছে মমতা হেরে গেলেও, রাজ্যে তৃণমূল জয়ী হয় এবং মমতা মুখ্যমন্ত্রী হন। পরে ভবানীপুরের উপনির্বাচনে জিতে বিধানসভায় প্রবেশাধিকার পান মমতা।

    আখরুজ্জামান এও বলেন, “এখন যেহেতু উপনির্বাচন হচ্ছে, আমরা বলেছি, নন্দীগ্রামে আসুন। আমরা কোনও প্রার্থী দেব না। জিতে বিধানসভায় আসুন এবং উন্নয়নের জন্য আমরা একসঙ্গে কাজ করব।”

    নন্দীগ্রামের পাশাপাশি রেজিনগর আসনেও উপনির্বাচন হতে চলেছে।

    নন্দীগ্রামে তৃণমূলের প্রার্থী পরাজিত হলেও উল্লেখযোগ্য ভোট পেয়েছিলেন। মমতার সঙ্গে নন্দীগ্রামের পুরনো রাজনৈতিক সম্পর্কও রয়েছে। ২০১১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই এলাকায় কৃষিজমি অধিগ্রহণের বিরুদ্ধে মমতার নেতৃত্বে বড় আন্দোলন গড়ে উঠেছিল। সেই আন্দোলনের পরেই রাজ্যে বামফ্রন্টের দীর্ঘ শাসনের অবসান ঘটিয়ে ক্ষমতায় আসে তৃণমূল।

    এদিকে, রেজিনগর আসনটি শূন্য হয় তৃণমূলের প্রাক্তন নেতা হুমায়ুন কবিরের পদত্যাগের পর। নির্বাচনের আগে তিনি নিজের দল আম জনতা উন্নয়ন পার্টি গঠন করেছিলেন। হুমায়ুন কবির নওদা এবং রেজিনগর—দুই আসন থেকেই জয়ী হয়েছিলেন। পরে তিনি নওদা আসনটি ধরে রাখেন এবং ছেড়ে দেন রেজিনগর আসনটি।

    এদিকে, বিজেপি জানিয়ে দিয়েছে, তৃণমূলের প্রতীকে (Mamata Banerjee) কে প্রার্থী হবেন, তা নিয়ে তাদের কোনও মাথাব্যথা নেই। যে-ই প্রার্থী হোন না কেন, উপনির্বাচনে বিজেপিই জয়ী হবে বলে দাবি করেছেন (Nandigram Bypoll) পদ্ম নেতারা।

     

  • Nitin Nabin: নয়া কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর প্রথম বঙ্গ সফরে নিতিন নবীন, যোগ দেবেন সাংগঠনিক বৈঠকে

    Nitin Nabin: নয়া কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর প্রথম বঙ্গ সফরে নিতিন নবীন, যোগ দেবেন সাংগঠনিক বৈঠকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর এই প্রথম পশ্চিমবঙ্গ সফরে আসছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন (Nitin Nabin)। ১৫ সেপ্টেম্বর দু’দিনের সফরে বাংলায় আসার কথা তাঁর। সঙ্গে থাকবেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) বিএল সন্তোষ (BL Santosh)। দলীয় সূত্রে খবর, এই সফরে মূলত সাংগঠনিক বৈঠকেই জোর দেওয়া হবে। রাজ্যের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি থেকে শুরু করে দলের সাংগঠনিক অবস্থান—সব কিছুই খতিয়ে দেখবেন বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব।

    সাংগঠনিক বৈঠক (Nitin Nabin)

    দলীয় সূত্রের খবর, ১৫ ও ১৬ সেপ্টেম্বর টানা দু’দিন বিভিন্ন স্তরের সাংগঠনিক বৈঠক করবেন নিতিন নবীন। রাজ্য নেতৃত্বের পাশাপাশি জেলা নেতৃত্ব এবং বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গেও বৈঠকে বসার কথা রয়েছে তাঁর। সংগঠনের কোথায় কী সমস্যা রয়েছে, বুথস্তরে দলের প্রস্তুতি কতটা এগিয়েছে, ঘাটতিই বা কোথায়—সেই সব বিষয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট নেওয়া হবে বলে খবর।

    এই সফরে আসন্ন বিধানসভা উপনির্বাচন এবং পুরসভা নির্বাচন নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হতে পারে। নির্বাচনের আগে দলের সাংগঠনিক শক্তি আরও মজবুত করা, তৃণমূল স্তরে সংগঠনকে সক্রিয় করা এবং কর্মীদের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোই মূল লক্ষ্য বলে বিজেপি সূত্রে খবর। এর পাশাপাশি জনসংযোগ কর্মসূচি কীভাবে আরও জোরদার করা যায়, সেই বিষয়েও রাজ্য নেতৃত্বকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিতে পারেন নিতিন নবীন।

    ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত এক মাস ধরে রাজ্যজুড়ে ‘সেবা সংকল্প অভিযান’ চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে বিজেপির। মুখ্যমন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদির নিরবচ্ছিন্ন কার্যকালের ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে এই কর্মসূচি পালিত হবে। নিতিন নবীনের বঙ্গ সফরে এই কর্মসূচির প্রস্তুতি এবং রূপরেখা নিয়েও আলোচনা হতে পারে।

    দু’দিনের সফরসূচি চূড়ান্ত

    উল্লেখ্য, গত অগাস্টেই জানা গিয়েছিল, সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে বাংলায় আসতে পারেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি। প্রথমে তাঁর তিন দিনের সফরের কথা থাকলেও, পরে কর্মসূচিতে কিছু পরিবর্তন আনা হয়। শেষ পর্যন্ত ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে দু’দিনের সফরসূচি চূড়ান্ত হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।

    এর আগে নিতিন নবীনের (Nitin Nabin) সফর কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গ—রাজ্যের বিস্তীর্ণ এলাকায় সাংগঠনিক কর্মসূচি রাখার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। পাহাড়, তরাই, ডুয়ার্স-সহ উত্তরবঙ্গের একাধিক এলাকা এবং দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলাতেও তাঁর যাওয়ার সম্ভাবনার কথা জানা গিয়েছিল। তবে বর্তমান সফরসূচিতে মূল গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে সাংগঠনিক বৈঠককে।

    দলীয় সূত্রে খবর, বিভিন্ন অঞ্চলভিত্তিক সাংগঠনিক পরিস্থিতি নিয়ে নিতিন নবীনকে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হবে। রাজ্য ও জেলা নেতৃত্বের কাছ থেকে সংগঠনের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে রিপোর্ট নেওয়ার পাশাপাশি কার্যকর্তাদের সঙ্গেও সরাসরি কথা বলবেন তিনি। বুথস্তরে দলের প্রস্তুতি, সাংগঠনিক দুর্বলতা এবং আগামী দিনের কর্মসূচি নিয়ে তাঁদের মতামত শোনার কথা রয়েছে।

    শুধু রিপোর্ট নেওয়াই নয়, দলের কর্মীদের উদ্দেশেও প্রয়োজনীয় বার্তা দিতে পারেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি। নির্বাচনের আগে কীভাবে সংগঠনকে আরও সক্রিয় করা যায়, কর্মীদের মধ্যে সমন্বয় কীভাবে বাড়ানো সম্ভব এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে জনসংযোগ আরও নিবিড় করার কৌশল কী হবে—সেই বিষয়েও দিকনির্দেশ দিতে পারেন তিনি।

    দু’টি বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচনের আগে নিতিন নবীনের (Nitin Nabin) এই বঙ্গ সফরকে তাই যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর রাজ্যে তাঁর প্রথম সফরে সাংগঠনিক বৈঠকের পাশাপাশি (BL Santosh) নির্বাচনী প্রস্তুতিও যে বিশেষ গুরুত্ব পাবে, তা বলাই বাহুল্য।

  • Wayanad: মদ, টাকা বিলিয়ে ওয়েনাড়ের ভোটারদের প্রলোভন! প্রিয়াঙ্কাকে তোপ বিজেপি প্রার্থী নব্যা হরিদাসের

    Wayanad: মদ, টাকা বিলিয়ে ওয়েনাড়ের ভোটারদের প্রলোভন! প্রিয়াঙ্কাকে তোপ বিজেপি প্রার্থী নব্যা হরিদাসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মদ, টাকা বিলিয়ে ওয়েনাড়ের (Wayanad) ভোটারদের প্রলোভন! প্রিয়াঙ্কাকে তোপ বিজেপি প্রার্থী নব্যা হরিদাসের। পাল্টা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কংগ্রেস প্রার্থী। এই ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়ছে দেশ জুড়ে। উল্লেখ্য, কেরলের এই আসনে ২০২৪ সালের ভোটে জয়ী হয়েছিলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। এবার আসনে লড়বেন তাঁর বোন।

    অপর দিকে বিজেপির প্রার্থী নব্যা হরিদাস। তিনি মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার। কেরলের কোঝিকোড পুরসভার ২ বারের কাউন্সিলর ছিলেন। সেই সঙ্গে বিজেপি মহিলা মোর্চার রাজ্য সাধারণ সম্পাদকের পদের দায়িত্বও পালন করেছিলেন।

    কংগ্রেস নির্বাচনে হার বুঝতে পেরে ভয় পেয়ে গিয়েছে (Wayanad)

    মঙ্গলবার এই নির্বাচনকে (Wayanad) ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। বিজেপি প্রার্থী সকাল থেকেই বুথ পরিদর্শন করছিলেন। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, “কংগ্রেস ভোটারদের প্রলোভন দিচ্ছে। টাকা, মদ উপহার বিলি করে নির্বাচনকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে। আসলে কংগ্রেস নির্বাচনে হার বুঝতে পেরে ভয় পেয়ে গিয়েছে। এখানে এমন একজন জনপ্রতিনিধি প্রয়োজন, যিনি এলাকার মানুষের সঙ্গে থেকে কাজ করবেন, এখানকার স্থানীয় সমস্যার কথা প্রতিদিন শুনবেন এবং সংসদে গিয়ে বক্তব্যকে তুলে ধরতে পারবেন।”

    আরও পড়ুনঃ ফের কেলেঙ্কারি, সরকারি তালিকায় নাম নেই, অথচ রিষড়ার সংস্থা থেকে ৬০ লক্ষ টাকার ওষুধ আরজি করে

    কী বললেন প্রিয়াঙ্কা?

    অন্যদিকে ভোটদানের পর্ব শুরুর আগেই সামজিক মাধ্যমে সকলকে গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগের কথা জানিয়ে ওয়েনাড়ের (Wayanad) কংগ্রেস প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বলেন, “আমার প্রিয় ভাই-বোনেরা, আপনারা নির্ভয়ে নিজেদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করুন। আজ আপনাদের মতপ্রকাশের দিন। নিজেরা নিজেদের পছন্দের প্রার্থীদের বেছে নিন। সংবিধান আপনাদের যে অধিকার দিয়েছে তা প্রয়োগ করুন। চলুন আমরা একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ‘‘সুষ্ঠু ভাবে উপনির্বাচন হলে বিজেপি ভালো ফল করবে’’, তৃণমূলকে নিশানা সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: ‘‘সুষ্ঠু ভাবে উপনির্বাচন হলে বিজেপি ভালো ফল করবে’’, তৃণমূলকে নিশানা সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ উপনির্বাচন হলে বিজেপি ভালো ফল করবে। বিধানসভার উপনির্বাচনের আগে ঠিক এইভাবে তৃণমূলকে কটাক্ষ করে আক্রমণ করলেন বিজেপির (BJP) রাজ্য সভাপতি তথা বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। নাম না করে নির্বাচনী হিংসা নিয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে আগে থেকেই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। একই ভাবে লোকসভার পর ফের আরেকবার উপনির্বাচন নিয়ে বিজেপি অত্যন্ত আশাবাদী।

    অশান্ত করতে পারে মুখ্যমন্ত্রীর হার্মাদরা (Sukanta Majumdar)

    আগামী ১৪ নভেম্বর রাজ্যের ৬টি বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন। প্রতিটি আসনে ইতিমধ্যে সকল রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে প্রার্থীদের নামের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এর মধ্যে উত্তরবঙ্গের মাদারিহাট এবং সিতাই কেন্দ্রের উপনির্বাচনে বিজেপি (BJP) জয়ের বিষয়ে আশাপ্রকাশ করে হিংসা-অশান্তি নিয়ে তৃণমূলকে নিশানা করেছেন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। ভোটের আবহে বলেন, “এই মাদারিহাট আসন বিজেপির দখলে রয়েছে। আমাদের দলের সাংসদও এখানে রয়েছেন। নির্বাচন কমিশন ঠিক করে শান্তিপূর্ণ ভাবে নির্বাচন করাতে পারলে এইবারও আমরা আসনে জয়ী হব। তবে মুখ্যমন্ত্রী হার্মাদ বাহিনী ঝামেলা পাকানোর চেষ্টা করবে। যদি প্রশাসন এবং আমরা ঠিক করে আটকাতে পারি তাহলে আমাদের জয় নিশ্চিত।” এই কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী রাহুল লোহারের মনোনয়নে যোগদান করেন সুকান্ত মজুমদার। সেই সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন, আলিপুর দুয়ারের সাংসদ মনোজ টিগ্গা, দার্জিলিং লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ রাজু বিস্তা এবং জেলার বিধায়করা। প্রশাসনিক ভবনের ডুয়ার্স কন্যায় মনোনয়ন জমা দেন। 

    আরও পড়ুনঃ রাস্তায় যুবতীকে চুম্বন ‘মদ্যপ’ মহিলা পুলিশকর্মীর! ভাইরাল ভিডিও, আক্রমণ বিজেপির

    জয় নিয়ে আত্মবিশ্বাসী বিজেপি

    মনোনয়নের সময় স্থানীয় বিএম ক্লাব মাঠে বিশাল মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেই মাঠে বিজেপির কর্মসূচির অনুমোদিন প্রথমে দেয়নি পুলিশ। পরে, আদালতের নির্দেশে সেখানে মিছিল করে রাজ্যের বিরোধী দল। বিজেপি উপনির্বাচনে জিতলে বীরপাড়া রেলগেটের উপর ফ্লাইওভার হবে বলেও প্রতিশ্রুতি দেন সুকান্ত। এ প্রসঙ্গে সুকান্ত (Sukanta Majumdar) এদিন বলেন, “জায়গা রেলের, গেট রেলের, তার উপর দিয়ে তৃণমূল কীভাবে বলছে তিন মাস ফ্লাইওভার করে দেবে? কাল তো বলবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাড়ি গজাবে। ২০১৬ সাল থেকে এই এলাকার মানুষ আমদের সঙ্গে রয়েছেন। এইবারও আমাদের আশীর্বাদ করবেন। বিজেপি এলাকার উন্নয়ন আরও বেশি পরিমাণে করবে, জয় নিয়ে আমরা ১০০ শতাংশ আশাবাদী।” 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • By Election: কেন্দ্রীয় বাহিনীর নজরদারিতেই বাংলায় উপনির্বাচন, সব বুথে হবে ওয়েব কাস্টিংও

    By Election: কেন্দ্রীয় বাহিনীর নজরদারিতেই বাংলায় উপনির্বাচন, সব বুথে হবে ওয়েব কাস্টিংও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের ৬ বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনেও (By Election) ১০০ শতাংশ বুথে মোতায়েন থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Forces)। পাশাপাশি, সব বুথেই থাকবে ওয়েব কাস্টিংয়ের ব্যবস্থাও। এর আগেও রাজ্যের একাধিক উপনির্বাচনেও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থেকেছে। ইতিমধ্যেই রাজ্যের বিভিন্ন বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটের কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। চলছে মনোনয়ন জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া। রাজ্যের এই ৬টি আসনের বিধায়করা চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনে জয়ের পর বিধায়ক পদে ইস্তফা দেন। তার জেরেই এই আসনগুলিতে উপনির্বাচন হচ্ছে।

    কবে আসছে বাহিনী

    জাতীয় নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, আপাতত ৮৯ কোম্পানি বাহিনী (Central Forces) পাঠানো হচ্ছে। বাহিনীতে থাকছে ২৪ কোম্পানি সিআরপিএফ, ৩০ কোম্পানি বিএসএফ, ১২ কোম্পানি সিআইএসএফ। আইআইবিপি থাকবে ১০ কোম্পানি, এসএসবি থাকবে ১৩ কোম্পানি। চলতি মাসের ২৫ তারিখের মধ্যেই বাংলার ৬টি কেন্দ্রে পৌঁছে যাবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। আগামী ১৩ নভেম্বর পশ্চিমবঙ্গে ৬টি বিধানসভা আসনে উপনির্বাচন (By Election) রয়েছে। আসনগুলি হল তালড্যাংড়া, সিতাই, নৈহাটি, হাড়োয়া, মেদিনীপুর ও মাদারিহাট। এই আসনগুলির মধ্যে মাদারিহাট ছিল বিজেপির দখলে।

    আরও পড়ুন: ইএসআই হাসপাতালে আগুন, ধোঁয়ায় দমবন্ধ হয়ে মৃত্যু ১ রোগীর

    মেদিনীপুর বিধানসভা উপনির্বাচনের প্রক্রিয়া

    রাজ্যের অন্য় আসনগুলির সঙ্গেই মেদিনীপুর বিধানসভা উপনির্বাচনের (By Election) প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে ৷ সেই মর্মে শুক্রবার থেকে শুরু হয়েছে মনোনয়ন জমা নেওয়ার কাজ। এদিনই জেলা নির্বাচনী আধিকারিক তথা সদর মহকুমা শাসক মধুমিতা মুখোপাধ্যায় জানান, এবারে মনোনয়ন জমা দেওয়ার আগে প্রার্থীকে ‘নো ডিউস সার্টিফিকেট’ জমা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ১৮ অক্টোবর থেকে শুরু হয়েছে মনোনয়ন জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া। চলবে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত। ইতিমধ্যেই প্রশাসনিক তৎপরতা এবং প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। জেলা নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, মেদিনীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটার সংখ্যা ২ লক্ষ ৯১ হাজার ৬৪৩ জন। মহিলা ভোটার ১ লক্ষ ৪৮ হাজার ১০০ জন। পুরুষ ভোটার ১ লক্ষ ৪৩ হাজার ৫৪২ জন। এবারে মোট ভোটগ্রহণ কেন্দ্র রয়েছে ৩০৪টি। মোট মহিলা পরিচালিত বুথের সংখ্যা দুটি। সেক্টর ২৫টি। পুরো বিধানসভায় ঘুরবে চারটি ফ্লাইং স্কোয়াড টিম। ওয়েব কাস্টিং, কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে ১০০ শতাংশ বুথে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Uttar Dinajpur: গৃহযুদ্ধ তুঙ্গে, দলীয় মিটিংয়েই এলোপাথাড়ি গুলিতে খুন তৃণমূল নেতা, গুলিবিদ্ধ আরও এক

    Uttar Dinajpur: গৃহযুদ্ধ তুঙ্গে, দলীয় মিটিংয়েই এলোপাথাড়ি গুলিতে খুন তৃণমূল নেতা, গুলিবিদ্ধ আরও এক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি করে এক তৃণমূল নেতাকে খুন করার অভিযোগ উঠল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় আরও এক তৃণমূল নেতা গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। শনিবার রাতে চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজপুরের (Uttar Dinajpur) ইসলামপুর এলাকায়। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম বাপি রায়। তিনি ইসলামপুর পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য। এছাড়া আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি আরও এক তৃণমূল নেতা। তিনি রামগঞ্জ ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামী। তাঁর নাম মহম্মদ সাজ্জাদ।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Uttar Dinajpur)

    শনিবারই উত্তর দিনাজপুরের (Uttar Dinajpur) রায়গঞ্জে ভোটের রেজাল্ট বেরিয়েছে। জয়ী হয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী কৃষ্ণ কল্যাণী। এরই মধ্যে আবার জেলায় দুই তৃণমূল (Trinamool Congress) নেতাকে গুলি করার ঘটনায় জেলাজুড়ে চর্চা শুরু হয়েছে। জানা গিয়েছে, শনিবার রাতে স্থানীয় একটি হোটেলে গ্রাম পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যরা আলোচনায় বসেছিলেন। ঠিক সেই সময় দশ জনের একটি দুষ্কৃতী দল প্রকাশ্যে তাঁদের লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি করে বলে অভিযোগ। গুলিবিদ্ধ হন বাপি ও মহম্মদ নামে দুই তৃণমূল নেতা। দ্রুত তাঁদের উদ্ধার করে ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। সেখানেই চিকিৎসকরা বাপিকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। আর গুরুতর জখম মহম্মদ সাজ্জাদকে ভর্তি করা হয়েছে ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতালে। জেলা পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, সিসি ক্যামেরর ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ৮ কোটি কর্মসংস্থান! আরবিআইয়ের রিপোর্টে মুখ বন্ধ হয়েছে বিরোধীদের, তোপ মোদির

    জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব কী বললেন?

    বিষয়টি জানার পরই হাসপাতালে পৌঁছন জেলা তৃণমূল কংগ্রেস (Trinamool Congress) সভাপতি কানাইয়ালাল আগরওয়াল। তিনি বলেন, ” দলের একটা মিটিং চলছিল। আচমকাই গুলি করেছে। কেন হঠাৎ করে গুলি করল বুঝতে পারছি না। ওখানে সিসিটিভি আছে। পুলিশ আধিকারিকরা দেখে বিষয়টির তদন্ত করুক। তবে, রাজনৈতিক কোনও কারণ বলে মনে হচ্ছে না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ranaghat: “তৃণমূলের দালালি করছে কেন্দ্রীয় বাহিনী”, বিস্ফোরক রানাঘাট দক্ষিণের বিজেপি প্রার্থী

    Ranaghat: “তৃণমূলের দালালি করছে কেন্দ্রীয় বাহিনী”, বিস্ফোরক রানাঘাট দক্ষিণের বিজেপি প্রার্থী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার রানাঘাট (Ranaghat) দক্ষিণ বিধানসভা উপ-নির্বাচন ছিল। মঙ্গলবার রাত থেকেই তৃণমূলের তাণ্ডবে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। বুধবার ভোটের দিনও তৃণমূলের বাইক বাহিনী সন্ত্রাস চালায়। বিজেপির বুথ অফিস ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এদিন ভোট পর্ব চলাকালীন একাধিক বুথে গিয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন রানাঘাট দক্ষিণের বিজেপি প্রার্থী মনোজ বিশ্বাস। বাহিনীকে তুলোধনা করেন তিনি।

    তৃণমূলের দালালি করছে কেন্দ্রীয় বাহিনী (Ranaghat)

    এদিন সকাল থেকেই বিক্ষিপ্ত ভাবে বিভিন্ন বুথ থেকে অশান্তির খবর এসেছে। একটি বুথে (Ranaghat) ঢুকতে গিয়ে বাধা পান বিজেপি প্রার্থী। অভিযোগ, কেন্দ্রীয় বাহিনীর যে জওয়ান ওই কেন্দ্রে (By-Election) নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন, তিনি বিজেপি প্রার্থীর কাছে পরিচয়পত্র দেখতে চেয়েছিলেন। তাকে কেন্দ্র করেই বচসা শুরু হয়। তিনি বলেন, বুথ থেকে বেরিয়ে বিজেপি বলেন, “প্রার্থী হিসেবে আমি সকাল থেকে বিভিন্ন জায়গায় যাচ্ছি। আমাকে বুথে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়। প্রতিবাদ জানালে উনি উচ্চতর আধিকারিককে ফোন করি। তার পর আর বাধা দেননি। আসলে প্রশাসন, তৃণমূল, অপরাধীরা সকলে মিলে একজোট হয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনী কোথাও সক্রিয় নয়, আবার কোথাও অতি সক্রিয়। এই রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনীর স্বাধীনতা নেই। তারা বাংলার পুলিশ দ্বারা পরিচালিত এবং প্রভাবিত। সব কিছু দেখে মনে হচ্ছে, তৃণমূলের দালালি করছে কেন্দ্রীয় বাহিনী।”

    আরও পড়ুন: উপ-নির্বাচনেও চলল গুলি, বিজেপি কর্মীদের বাড়ি ভাঙচুর, অভিযুক্ত তৃণমূল

    তৃণমূল প্রার্থী কী বললেন?

    বিজেপি প্রার্থীর মন্তব্যকে কটাক্ষ করে তৃণমূল প্রার্থী মুকুটমণি অধিকারী বলেন, “বেশিরভাগ জায়গাতে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট হয়েছে। কোথাও কোথাও ভোটারদের প্রভাবিতও করেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। যেখানে তারা নিরপেক্ষ ভাবে কাজ করেছে, সেখানেই বিজেপির আপত্তি। কেন্দ্রীয় বাহিনী যদি নিরপেক্ষ কাজ করে, তবে কি সেটা দালালি?” প্রসঙ্গত, বুধবার রাজ্যের চার কেন্দ্রে উপনির্বাচন (By-Election) ছিল। রানাঘাট ছাড়াও ভোট হয়েছে কলকাতার মানিকতলা, উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জ এবং উত্তর ২৪ পরগনা বাগদায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: “উপ-নির্বাচনেও ভোট লুট করেছে তৃণমূল”, তোপ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: “উপ-নির্বাচনেও ভোট লুট করেছে তৃণমূল”, তোপ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের উপ-নির্বাচন নিয়ে মুখ খুললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। ভোট নিয়ে তৃণমূলকে তুলোধনা করলেন তিনি। একইসঙ্গে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের পশ্চিমবঙ্গকে নিয়ে আলাদা করে ভাবা উচিত বলে জানান তিনি। বুধবার বালুরঘাট থেকে দিল্লি যাওয়ার পথে বাগডোগরা বিমানবন্দরে উপ-নির্বাচনসহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে এক হাত নিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার।

    উপ-নির্বাচনেও ভোট লুট করেছে তৃণমূল (Sukanta Majumdar)

    এদিন রাজ্যের উপ-নির্বাচনের গতিবিধি নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন, দলদাস পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে তৃণমূল (Trinamool Congress) রাস্তায় গুন্ডা দাঁড় করিয়ে ভোট লুট করছে। বিরোধীদের মারধর, ভাঙচুর চলছে।  এটা ভোট নয়। ভোটের নামে প্রহসন। যদি  মানুষকে অবাধে ভোট দিতে দেওয়া হয় তাহলে এই উপ-নির্বাচনেও তৃণমূলের ভরাডুবি হবে। ৭০ শতাংশের ওপর ভোট পড়লেই বিজেপির সাফল্য নিশ্চিত। কিন্তু, যেভাবে ভোট লুট ও  মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ চলছে তাতে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন বিশেষভাবে ভাবা দরকার। পশ্চিমবঙ্গকে নিয়ে আলাদা করে ভাবতে হবে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনকে। দেশের অন্যান্য জায়গার সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গকে মেলালে চলবে না।

    আরও পড়ুন: উপ-নির্বাচনেও চলল গুলি, বিজেপি কর্মীদের বাড়ি ভাঙচুর, অভিযুক্ত তৃণমূল

    দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি নিয়ে সরব সুকান্ত

    সব্জি সহ নিত্য প্রয়োজরীয়  জিনিসের দাম চড়চড়িয়ে বাড়ছে। সব জিনিসের  আকাশছোঁয়া দাম। বাজারে আগুন।  মধ্যবিত্তের নাভিশ্বাস উঠেছে।  এই মূল্য বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করতে রাজ্য সরকারের টাস্কফোর্স গঠন নিয়ে এদিন কটাক্ষ করেন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। তিনি বলেন, যা কিছু হচ্ছে প্রকাশ্যে, সকলের সামনে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কি জানতেন না। টাস্কফোর্স গঠন কেন করা হবে। তাহলে মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর সরকার সারাবছর কী করেন?

     বিশ্ববিদ্যালয়গুলির অচলাবস্থা নিয়ে মুখ খুললেন সুকান্ত

    উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়সহ রাজ্যের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়গুলির অচলাবস্থা নিয়ে এদিন রাজ্যের তৃণমূল সরকারের সমালোচনা করেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলি দুর্নীতিতে বেহাল হয়ে পড়েছে। রাজ্যপাল ও রাজ্য শিক্ষামন্ত্রী, এই দুইয়ের লড়াইয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। তৃণমূল সরকার সবসময়ই রাজ্যপালের বিরুদ্ধে একটা জটিলতা তৈরি করার চেষ্টা করে চলেছে। রাজ্যপালের বিরুদ্ধে রাজ্য সরকারের এই যুদ্ধের মনোভাবের কারণেই বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে আজ শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হতে বসেছে। রাজ্যপাল সাংবিধানিক বলে প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য। তাই তাকে স্বাধীনভাবে কাজ করতে দিবে। তাতে রাজ্য সরকারের হস্তক্ষেপ করা উচিত নয়। কিন্তু, সেটাই করছে রাজ্যের তৃণমূল (Trinamool Congress) সরকার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ranaghat: রানাঘাটে বিজেপির বুথ অফিসে ভাঙচুর চালিয়ে কর্মীদের বেধড়ক মার, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    Ranaghat: রানাঘাটে বিজেপির বুথ অফিসে ভাঙচুর চালিয়ে কর্মীদের বেধড়ক মার, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রানাঘাট (Ranaghat) দক্ষিণ বিধানসভা উপ-নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ফের উত্তজনা ছড়াল। জানা গিয়েছে, তৃণমূলের বাইক বাহিনীর বিরুদ্ধে বিজেপির নির্বাচনী বুথ অফিস ভেঙে ভোটার স্লিপ ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। বুধবার বুথ অফিসে বসে থাকা বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের বেধড়ক মারধর করা হয়। পরে, পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Ranaghat)

    বুধবার রানাঘাট (Ranaghat) দক্ষিণ বিধানসভার জগপুরে নির্বিঘ্নে ভোট (By-Election) চলছিল। বুথ অফিস থেকে সাধারণ মানুষকে ভোটার স্লিপ দিচ্ছিলেন বিজেপি কর্মীরা। হঠাৎই বাইকে করে বেশ কয়েকজন তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এসে বিজেপির বুথ অফিসে চড়াও হয়। বিজেপি কর্মীদের মারধর করা হয়। ভেঙে ফেলা হয় বুথ অফিস। প্রত্যক্ষদর্শী এক যুবক বলেন, এদিন সকাল থেকেই এলাকায় শান্তিপূর্ণ ভোট হচ্ছিল। কোনও সমস্যা হয়নি। আচমকা বাইকে করে ২০ জন তৃণমূল কর্মী এসে বিজেপির বুথ অফিসে চড়াও হয়। পুলিশের সামনেই বিজেপি কর্মীদের বেধড়ক মারধর করে। ভোটার স্লিপ কেড়ে রাস্তায় ফেলে দেয়। বুথ অফিসে ভাঙচুর চালায়। পরে, বিজেপি কর্মীরা বুথ অফিস ছেড়ে পালিয়ে যান। গোটা এলাকা তৃণমূলের ছেলেরা দখল করে নেয়। পুলিশ নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করে।

    আরও পড়ুন: উপ-নির্বাচনেও চলল গুলি, বিজেপি কর্মীদের বাড়ি ভাঙচুর, অভিযুক্ত তৃণমূল

    কী বললেন বিজেপি প্রার্থী?

    খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান রানাঘাট (Ranaghat) দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী মনোজ কুমার বিশ্বাস। তিনি বলেন, “পুলিশ থাকা সত্ত্বেও পুলিশের সামনেই এই ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ এবং রাজ্য সরকার একত্রিতভাবে তৃণমূল কংগ্রেসকে সহায়তা করছে। বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের মারধর করার পাশাপাশি বাড়িতে ভাঙচুর চালিয়েছে। তৃণমূল বুঝে গিয়েছে, রানাঘাট দক্ষিণে (By-Election) বিজেপির জয় অনিবার্য, তাই এরকম অপরাধমূলক ঘটনা ঘটাচ্ছে।” যদিও ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছায় রানাঘাট পুলিশ জেলার উচ্চ পদস্থ পুলিশ আধিকারিকরা। তাঁরা বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bagda: বাগদায় বিজেপি প্রার্থীর গাড়ি ভাঙচুর, সরকারি গাড়িতে ঘুরে বিতর্কে তৃণমূল প্রার্থী

    Bagda: বাগদায় বিজেপি প্রার্থীর গাড়ি ভাঙচুর, সরকারি গাড়িতে ঘুরে বিতর্কে তৃণমূল প্রার্থী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাগদা বিধানসভা উপ-নির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থীর বিরুদ্ধে সরকারি গাড়িতে করে বুথে বুথে ঘুরে বেড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনা সামনে আসতেই বিতর্ক তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি, এই কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী বিনয় বিশ্বাসের গাড়ি ভাঙচুর এবং তাঁকে হেনস্থা করার অভিযোগ ওঠে তৃণমূল কর্মীদের বিরুদ্ধে। সবমিলিয়ে এদিন দিনভর সরগরম ছিল বাগদা (Bagda) বিধানসভা এলাকা।

    বিজেপি প্রার্থীর গাড়ি ভাঙচুর! (Bagda)

    জানা গিয়েছে, বাগদা (Bagda) গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার ১৮৮ নম্বর বুথে ছাপ্পা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান বিজেপি প্রার্থী বিনয় বিশ্বাস। সঙ্গে সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিরাও ছিলেন। বিজেপি প্রার্থী বুথের সামনে নামতেই তাঁকে ঘিরে ধরে তৃণমূল কর্মীরা “জয় বাংলা” স্লোগান দেন। একইসঙ্গে তাঁর গাড়ি ভাঙচুর করে বলে অভিযোগ। ভাঙচুর করা হয় সাংবাদ মাধ্যমের গাড়িও। পাশপাশি, দেয়ালদহ ৮২ নম্বর বুথে উপ-নির্বাচনে তৃণমূলের বিরুদ্ধে বুথ জ্যাম করার অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি জানার পরই বিজেপি প্রার্থী বিনয় বিশ্বাস সেখানে যান। বিজেপি প্রার্থীকে দেখে তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী-সমর্থকরা হেনস্থা করে বলে অভিযোগ। বিজেপি প্রার্থী বলেন, বুথ জ্যাম করে রেখেছিল তৃণমূলের লোকজন। আমি ঘটনাস্থলে যেতে ওরা আমাকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে। এসব করে কোনও লাভ নেই। মানুষ আমাদের সঙ্গেই রয়েছে।

    আরও পড়ুন: উপ-নির্বাচনেও চলল গুলি, বিজেপি কর্মীদের বাড়ি ভাঙচুর, অভিযুক্ত তৃণমূল

    সরকারি গাড়িতে তৃণমূল প্রার্থী!

    জানা গিয়েছে, এদিন সকাল থেকে তৃণমূল প্রার্থী (Bagda) মধুপর্ণা ঠাকুর তাঁর মায়ের সঙ্গে ঘুরছেন। মমতা বালা ঠাকুর ঘুরছেন তাঁর সাংসদ গাড়ি নিয়ে। গাড়িতে লেখা রয়েছে গভর্নমেন্ট অফ ইন্ডিয়া। এমপি। এই ধরনের লেখা একটা গাড়িতে কীভাবে তৃণমূল প্রার্থী ঘুরতে পারেন, তা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধীরা। যদিও মমতা বালা ঠাকুর বলেন, এই গাড়ির নম্বর দিয়েই আমরা নির্বাচন কমিশন থেকে উপ-নির্বাচনে (By-Election) পাস তুলেছি। তখন তো কমিশনের কেউ আপত্তি করেনি। আমার মেয়ে কনিষ্ঠতম একজন প্রার্থী। সেই জায়গায় মেয়েকে ‘গাইড’ করতেই পারি। তাঁকে পাশে নিয়ে গাড়িতে বেরিয়েছি। আমার মেয়ে তো এই গাড়িতে থাকতেই পারে। গাড়ি তো বুথের ভিতর ঢুকছে না। কিংবা গাড়িতে বুথে গিয়েও ভোট দিচ্ছে না। এতে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কী সম্পর্ক থাকে?

    তৃণমূল প্রার্থী কী বললেন?

    মধুপর্ণা ঠাকুর বলেন, “মায়ের গাড়িতে কি সন্তান ঘুরতে পারে না, এটা কি অপরাধ? বিজেপি জানে যে ওরা হেরে বসে রয়েছে। তাই এখন কাঠিবাজি করছে। নাটক করছে। প্রার্থীকে পিছনে করার ষড়যন্ত্র। মানুষ কি সরকারি দেখে ভোট (By-Election) দেবে, তৃণমূলের চিহ্ন দেখে ভোটে দেবে। যদিও বিজেপি প্রার্থী চিকিৎসক বিনয় বিশ্বাস বল, “নিশ্চয়ই এটা অন্যায়। জনতার মধ্যে প্রভাব ফেলছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share