Tag: C-295

C-295

  • C-295 Airlifter: বায়ুসেনার পর নৌসেনা ও উপকূলরক্ষী বাহিনীর হাতেও আসতে চলেছে ‘সি-২৯৫’?

    C-295 Airlifter: বায়ুসেনার পর নৌসেনা ও উপকূলরক্ষী বাহিনীর হাতেও আসতে চলেছে ‘সি-২৯৫’?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বায়ুসেনার পর এবার ভারতের নৌসেনা ও উপকূলরক্ষী বাহিনীর হাতেও কি আসতে চলেছে অত্যাধুনিক ‘সি-২৯৫’ সামরিক পণ্যবাহী বিমান (C-295 Airlifter)? কলকাতায় এসে এমনই ইঙ্গিত দিয়ে গেলেন উপকূলরক্ষী বাহিনীর (Indian Coast Guard) ডিজি রাকেশ পাল। 

    কী বললেন আইসিজি ডিজি রাকেশ পাল?

    চিন-পাকিস্তান লাগোয়া দুর্গাম সীমান্তে নিমেষে সামরিক সরঞ্জাম, রসদ পৌঁছে দিতে স্পেনের এয়ারবাস থেকে ৫৬টি ‘সি-২৯৫’ পণ্য সরবরাহকারী বিমান কিনেছে ভারতীয় বায়ুসেনা, যার ডেলিভারি শুরুও হয়ে গিয়েছে। এবার সেই পথে যেতে চলেছে নৌসেনা ও উপকূলরক্ষী বাহিনীও (Indian Coast Guard)। বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে উপকূলরক্ষী বাহিনীর ডিজি জানান, তারাও ‘সি-২৯৫’ (C-295 Airlifter) কেনার বিষয়ে অনেকটা এগিয়েছেন। তিনি বলেন, খুব শীঘ্রই এই মর্মে প্রস্তাব পেশ করা হবে কেন্দ্রের ডিফেন্স অ্যাকুইজিশন কাউন্সিলে। তিনি আশাবাদী সেই প্রস্তাব পাশ হবে। রাকেশ পাল জানান, মোট ১৫টি ‘সি-২৯৫’ বিমান কেনা হবে। এর মধ্যে ৯টি নেবে নৌসেনা আর ৬টি থাকবে উপকূলরক্ষী বাহিনীর হাতে।

    আরও পড়ুন: ভারতে পৌঁছল প্রথম ‘সি-২৯৫’ বিমান, কতটা লাভবান হবে ভারতীয় বায়ুসেনা?

    বায়ুসেনা কিনছে ৫৬টি ‘সি-২৯৫’ বিমান

    বর্তমানে ব্যবহৃত পুরনো আমলের এবং তুলনামূলক ছোট ও কম শক্তিশালী অ্যাভরো-৭৪৮ বিমানের পরিবর্তে আরও শক্তিশালী, অধিক ক্ষমতাসম্পন্ন এবং প্রযুক্তিগতভাবে বেশি উন্নত ‘সি-২৯৫’ পণ্য সরবরাহকারী বিমান ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নেয় বায়ুসেনা। মূল উদ্দেশ্য, দুর্গম সীমান্তে অল্প সময়ের মধ্যে এবং সহজেই সামরিক সরঞ্জাম থেকে প্রয়োজনীয় রসদ ও সেনা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়। সে কারণে, স্পেনের এয়ারবাস সংস্থা থেকে ৫৬টি ‘সি-২৯৫’ (C-295 Airlifter) মিডিয়াম ট্যাক্টিক্যাল ট্রান্সপোর্ট এয়ারক্র্যাফট কেনার বরাত ২০২১ সালে দেয় ভারতীয় বায়ুসেনা। চুক্তি মোতাবেক, প্রথম ১৬টি ইউনিট স্পেন থেকে একেবারে তৈরি অবস্থায় আসবে। এর মধ্যে, প্রথম বিমানটি গত সেপ্টেম্বর মাসেই স্পেন থেকে ভারতে চলে এসেছে। বাকি ৪০টি তৈরি হবে ভদোদরায় টাটার অ্যাডভান্সড সিস্টেমস-এর কারখানায়। কেন্দ্রীয় সূত্রের খবর, অদূর ভবিষ্যতে, এই ৫৬ সংখ্যাটা বাড়াতে পারে বায়ুসেনা। কারণ, অ্যাভরো-র পর রুশ-নির্মিত এন-৩২ (অ্যান্টোনভ) বিমানগুলোকেও এই ‘সি-২৯৫’ দিয়ে করার ভাবনাচিন্তা শুরু করেছে বায়ুসেনা। সেক্ষেত্রে, বাহিনীতে ‘সি-২৯৫’ বিমানের সংখ্যা ১৫০-র কাছাকাছি পৌঁছে যেতে পারে।

    নৌ ও উপকূলরক্ষীর বিমানে লাগানো থাকবে বিশেষ সেন্সর!

    এদিকে, সূত্রের খবর, নৌসেনা ও উপকূলরক্ষী বাহিনীর (Indian Coast Guard) জন্য যে ‘সি-২৯৫’ বিমানগুলি তৈরি করা হবে, সেগুলিতে বিশেষ সেন্সর বসানো হবে। এই বিমানগুলি মূলত মাল্টি-মিশন মেরিটাইম এয়ারক্র্যাফট হিসেবে কাজ করবে। সংক্ষেপে যাকে বলা হবে ‘এমএমএমএ’। এই বিমানগুলিতে থাকবে অ্যাকটিভ ইলেক্ট্রনিক্যালি স্ক্যানড অ্যারে (আয়েসা) রেডার। সমুদ্র সীমান্ত নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা সীমান্তাঞ্চলের মধ্যে সমুদ্রে ভাসমান যাবতীয় জাহাজ ও বোটের ওপর নজর রাখা হবে এই বিমানের প্রধান কাজ। সেই বিষয়টিকে মাথায় রেখে নৌসেনার ও উপকূলরক্ষী বাহিনীর ‘সি-২৯৫’-কে (C-295 Airlifter) বিশেষভাবে মডিফাই বা কাস্টোমাইজ়ড করা হবে। কেন্দ্রীয় সূত্রের আরও দাবি, নৌসেনা ও উপকূলরক্ষী বাহিনীর জন্য যে বিমানগুলি কেনা হবে, সেগুলো তৈরি হবে এদেশে টাটার কারখানায়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • C-295 Airlifter: ভারতে পৌঁছল প্রথম ‘সি-২৯৫’ বিমান, কতটা লাভবান হবে ভারতীয় বায়ুসেনা?

    C-295 Airlifter: ভারতে পৌঁছল প্রথম ‘সি-২৯৫’ বিমান, কতটা লাভবান হবে ভারতীয় বায়ুসেনা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবশেষে ভারতে পৌঁছল অত্যাধুনিক সামরিক পণ্য সরবরাহকারী বিমান ‘সি-২৯৫’ এয়ারলিফটার (C-295 Airlifter)। এধরনের ৫৬টি বিমান কিনছে ভারত। এর ফলে, এক ধাক্কায় ভারতীয় বায়ুসেনার (Indian Air Force) ধার ও ভার অনেকটাই বেড়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ, এবার চিন-সীমান্তের মতো দুর্গম জায়গায় অতি সহজেই অস্ত্র ও রসদ পৌঁছে দিতে পারবে বায়ুসেনা। 

    চিন-সীমান্তে নিমেষেই পৌঁছে যাবে বাহিনী, অস্ত্র-রসদ

    দীর্ঘদিন ধরেই বর্তমানে ব্যবহৃত পুরনো আমলের এবং তুলনামূলক ছোট ও কম শক্তিশালী অ্যাভরো-৭৪৮ বিমানকে অবসরে পাঠিয়ে তার জায়গায় নতুন শক্তিশালী, আরও প্রযুক্তিগত উন্নত এবং সর্বোপরি অধিক সক্ষমতার একটি পণ্য সরবরাহকারী বিমানের খোঁজে ছিল ভারতীয় বায়ুসেনা (Indian Air Force)। অনেক সময় জরুরি প্রয়োজনে সামরিক সরঞ্জাম পৌঁছে দিতে অসুবিধার মধ্যে পড়তে হয় বায়ুসেনাকে। বিশেষ করে ভারত-চিন সীমান্ত অঞ্চলে এই সমস্যা বেশি দেখা দিয়েছে। সেনা ট্রাকে করে সড়কপথে বাহিনী বা সামরিক সরঞ্জাম পৌঁছতে অনেক বিলম্ব হয়। এবার ‘সি-২৯৫’ (C-295 Airlifter) চলে আসায় অবশেষে বায়ুসেনার সেই সমস্যা আর থাকবে না। এর ফলে লাদাখ, অরুণাচল প্রদেশ, সিকিমে মতো দুর্গম অঞ্চলে অতি সহজে এবং কম সময়ের মধ্যে অস্ত্র ও রসদ পৌঁছে দিতে পারবে বায়ুসেনা।

    ভদোদরায় পৌঁছল ‘সি-২৯৫’

    বায়ুসেনা সূত্রে খবর, বুধবার গুজরাটের ভদোদরার বায়ুসেনাঘাঁটিতে স্পেন থেকে প্রথম বিমানটি এসে পৌঁছেছে। বাহরিন থেকে বিমানটি চালিয়ে নিয়ে এসেছেন গ্রুপ ক্যাপ্টেন পিএস নেগি। গত ১৩ তারিখ, স্পেনের সেভিয়া শহরে একটি অনুষ্ঠানে এয়ার চিফ মার্শাল ভিআর চৌধুরী এবং স্পেনে নিযুক্ত ভারতীয় রাষ্ট্রদূত দীনেশ পট্টনায়েকের উপস্থিতিতে প্রথম ‘সি-২৯৫’ (C-295 Airlifter) বিমানটি ভারতীয় বায়ুসেনার হাতে তুলে দিয়েছিল বিমান নির্মাতা সংস্থা ‘এয়ারবাস ডিফেন্স অ্যান্ড স্পেস’। বায়ুসেনার (Indian Air Force) সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর দিল্লির কাছে হিন্ডন বায়ুসেনাঘাঁটিতে নির্ধারিত একটি অনুষ্ঠানে প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং আনুষ্ঠানিকভাবে বিমানটিকে ভারতীয় বিমান বাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করবেন।

    ৫৬টি ‘সি-২৯৫’ কিনেছে বায়ুসেনা

    জানা গিয়েছে, ২ বছর আগে, ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে এয়ারবাসের সঙ্গে ৫৬টি ‘সি-২৯৫’ (C-295 Airlifter) বিমান কেনার চুক্তি করে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক, যার মূল্য প্রায় ২২ হাজার কোটি টাকা। চুক্তি মোতাবেক, ৫৬টি বিমানের মধ্যে প্রথম ১৬টি একেবারে ফ্লাই-অ্যাওয়ে কন্ডিশনে (সম্পূর্ণ তৈরি অবস্থায়) ভারতে উড়িয়ে আনা হবে। বাকি ৪০টি ভারতে তৈরি হবে প্রযুক্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে। চুক্তি অনুযায়ী, ভারতে বিমানগুলি তৈরি হবে গুজরাটের ভাদোদরায়, টাটা অ্যাডভান্সড সিস্টেমস-এর কারখানায়।

    ‘সি-২৯৫’-এর অনন্য বৈশিষ্ট্য

    বিমানটি ১৩ ঘণ্টা টানা কম জ্বালানী খরচ করে উড়তে পারে। একটি ইঞ্জিনের সাহায্য এটি সাড়ে ১৩ হাজার ফুট উচ্চতা পর্যন্ত উড়তে সক্ষম। ২টি ইঞ্জিন ব্যবহার করলে, এই বিমান ৩০ হাজার ফুট উচ্চতায় উড়তে পারে। এছাড়া, এই বিমানে মিড-এয়ার রিফুয়েলিং ব্যবস্থা রয়েছে। অর্থাৎ, যুদ্ধবিমানের মতো মাঝ-আকাশেই জ্বালানি ভরতে সক্ষম ‘সি-২৯৫’ এয়ারলিফটার (C-295 Airlifter)। টেক অফের জন্য এই বিমানের প্রয়োজন মাত্র ৪২০ মিটার রানওয়ে। ল্যান্ডিংয়ের জন্য প্রয়োজন এর অর্ধেক। ফলে, ছোট বা সম্পূর্ণ তৈরি না হওয়া এয়ারস্ট্রিপ থেকেও উড়ান দিতে পারবে এটি। এয়ারবাসের তরফে জানানো হয়েছে, কাঁচা, নরম এবং বালুকাময় অথবা ঘাসের এয়ারস্ট্রিপ থেকে অসাধারণ শর্ট টেক-অফ এবং ল্যান্ডিং (STOL) করার ক্ষমতা রয়েছে ‘সি-২৯৫’ বিমানের।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • C-295 Aircraft: আরও শক্তিশালী বায়ুসেনা, এবার ভারতের হাতে এল ‘সি-২৯৫’, কী এর বিশেষত্ব?

    C-295 Aircraft: আরও শক্তিশালী বায়ুসেনা, এবার ভারতের হাতে এল ‘সি-২৯৫’, কী এর বিশেষত্ব?

    আরও শক্তিশালী হল ভারতীয় বায়ুসেনা (Indian Air Force)। অবশেষে ভারতের হাতে এল অত্যাধুনিক সামরিক পণ্য সরবরাহকারী বিমান ‘সি-২৯৫’ এয়ারলিফটার। এই বিমানকে বলা হচ্ছে ‘মুশকিল আসান’। কিন্তু, কেন? কী আছে এই বিমানে? কী এর বিশেষত্ব? পড়ুন বিস্তারিত।

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রথম ‘সি-২৯৫’ মিডিয়াম ট্যাক্টিক্যাল ট্রান্সপোর্ট এয়ারক্র্যাফট (C-295 Aircraft) এল ভারতের হাতে। বুধবার, স্পেনের সেভিয়া শহরে ভারতীয় বায়ুসেনা প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল ভি আর চৌধুরির হাতে এই বিমানের প্রতীকী চাবি তুলে দেন এয়ারবাসের কর্মকর্তারা। এই বিমানের উৎপাদন হয়েছে স্পেনে। তৈরি করেছে এয়ারবাস ডিফেন্স অ্যান্ড স্পেস।

    ২২ হাজার কোটি টাকার চুক্তি এয়ারবাসের সঙ্গে

    বর্তমানে ব্যবহৃত পুরনো আমলের এবং তুলনামূলক ছোট ও কম শক্তিশালী অ্যাভরো-৭৪৮ বিমানকে অবসরে পাঠিয়ে তার জায়গায় নতুন শক্তিশালী, আরও প্রযুক্তিগত উন্নত এবং সর্বোপরি অধিক সক্ষমতার একটি পণ্য সরবরাহকারী বিমানের খোঁজে ছিল ভারতীয় বায়ুসেনা। সেই মোতাবেক, ২ বছর আগে, ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে এয়ারবাসের সঙ্গে ৫৬টি ‘সি-২৯৫’  (C-295 Aircraft) বিমান কেনার চুক্তি করে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক, যার মূল্য প্রায় ২২ হাজার কোটি টাকা। 

    ৫৬টির মধ্যে ৪০টি বিমান তৈরি হবে ভারতেই

    চুক্তি মোতাবেক, ৫৬টি বিমানের মধ্যে প্রথম ১৬টি একেবারে ফ্লাই-অ্যাওয়ে কন্ডিশনে (সম্পূর্ণ তৈরি অবস্থায়) ভারতে উড়িয়ে আনা হবে। বাকি ৪০টি ভারতে তৈরি হবে প্রযুক্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে। চুক্তি অনুযায়ী, ভারতে বিমানগুলি তৈরি হবে গুজরাটের ভাদোদরায়, যেখানে টাটার সঙ্গে যৌথ অংশিদারীতে টাটা অ্যাডভান্সড সিস্টেমস-এর কারখানায়। 

    এদেশে বেসরকারি সংস্থায় তৈরি হওয়া প্রথম সামরিক বিমান

    চুক্তিতে বলা হয়েছিল, স্বাক্ষর হওয়ার দিন থেকে চার বছরের মধ্যে ১৬টি ‘সি-২৯৫’ (C-295 Aircraft) বিমান ভারতের হাতে একেবারে তৈরি অবস্থায় তুলে দেবে এয়ারবাস। এদিন চুক্তির ঠিক ২ বছরের মাথায় প্রথম বিমানটি ভারতের হাতে তুলে দিল এয়ারবাস। ২০২৫ সালের অগাস্টের মধ্যে ১৬ নম্বর বিমানটি ভারতের হাতে চলে আসবে বলে এদিন আশাপ্রকাশ করেন এয়ারবাসের কর্তারা। ২০২৬ সাল থেকে ভাদোদরায় টাটাদের সঙ্গে যৌথভাবে শুরু হবে উৎপাদন, যা শেষ হওয়ার কথা ২০৩১ সালের অগাস্ট মাস নাগাদ। তেমনটা হলে, তা হবে ভারতের মাটিতে বেসরকারি সংস্থায় তৈরি হওয়া দেশের প্রথম সামরিক বিমান।

    কেন এই বিমান নিয়ে এত মাতামাতি? কী এর বিশেষত্ব?

    জানা যাচ্ছে, ২৫ সেপ্টেম্বর ভারতে আসবে প্রথম বিমানটি। বর্তমানে, স্পেনে প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন ভারতীয় বায়ুসেনার (Indian Air Force) পাইলটরা। প্রথম স্কোয়াড্রন থাকবে উত্তরপ্রদেশের হিন্ডন বায়ুসেনা ঘাঁটিতে। ‘সি-২৯৫’ বিমানগুলি প্রায় ৯ টন ওজন বহন করতে পারে। এদের গতি ঘণ্টায় ৪৮০ কিলোমিটার। মোট ৭১ জন সেনাকর্মী বা ৪৫ জন বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্যারাট্রুপারকে বইতে পারবে এই বিমান। আকাশ থেকে বাহিনী বা রসদ নামানোর জন্য রিয়ার ব়্যাম্প রয়েছে এই বিমানে।

    এই বিমানে দুটি শক্তিশালী প্র্যাট অ্যান্ড হুইটনি টার্বোপ্রপ ইঞ্জিন রয়েছে যাতে ভর করে এই বিমানটি ১৩ ঘণ্টা টানা কম জ্বালানী খরচ করে উড়তে পারে। একটি ইঞ্জিনের সাহায্য এটি সাড়ে ১৩ হাজার ফুট উচ্চতা পর্যন্ত উড়তে সক্ষম। ২টি ইঞ্জিন ব্যবহার করলে, এই বিমান ৩০ হাজার ফুট উচ্চতায় উড়তে পারে। এছাড়া, এই বিমানে মিড-এয়ার রিফুয়েলিং ব্যবস্থা রয়েছে। অর্থাৎ, যুদ্ধবিমানের মতো মাঝ-আকাশেই জ্বালানি ভরতে সক্ষম ‘সি-২৯৫’ এয়ারলিফটার।

    টেক অফের জন্য এই বিমানের প্রয়োজন মাত্র ৪২০ মিটার রানওয়ে। ল্যান্ডিংয়ের জন্য প্রয়োজন এর অর্ধেক। ফলে, ছোট বা সম্পূর্ণ তৈরি না হওয়া এয়ারস্ট্রিপ থেকেও উড়ান দিতে পারবে এটি। এয়ারবাসের তরফে জানানো হয়েছে, কাঁচা, নরম এবং বালুকাময় অথবা ঘাসের এয়ারস্ট্রিপ থেকে এর অসাধারণ শর্ট টেক-অফ এবং ল্যান্ডিং (STOL) করার ক্ষমতা রয়েছে ‘সি-২৯৫’ (C-295 Aircraft) বিমানের।

    কেন একে ‘মুশকিল আসান’ বিমান বলছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক?

    বলা বাহুল্য, এই বিমান হাতে আসায় আরও শক্তিশালী হল ভারতীয় বায়ুসেনা (Indian Air Force)। কারণ, অনেক সময় জরুরি প্রয়োজনে সামরিক সরঞ্জাম পৌঁছে দিতে অসুবিধার মধ্যে পড়তে হয় বায়ুসেনাকে। বিশেষ করে ভারত-চিন সীমান্ত অঞ্চলে এই সমস্যা বেশি দেখা দিয়েছে। সেনা ট্রাকে করে সড়কপথে বাহিনী বা সামরিক সরঞ্জাম পৌঁছতে অনেক বিলম্ব হয়। এখন ভারতের হাতে ‘মুশকিল আসান’ বিমান (C-295 Aircraft) চলে আসায় এবার থেকে সেই সমস্যায় পড়তে হবে না বলে প্রতিরক্ষামন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে। এর ফলে লাদাখ, অরুণাচল প্রদেশ, সিকিমে মতো দুর্গম অঞ্চলে অতি সহজে এবং কম সময়ের মধ্যে অস্ত্র ও রসদ পৌঁছে দিতে পারবে বায়ুসেনা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: শীঘ্রই প্যাসেঞ্জার এয়ারক্র্যাফ্ট তৈরি করবে ভারত, ট্যাগ থাকবে মেক ইন ইন্ডিয়ার, বড় ঘোষণা মোদির

    PM Modi: শীঘ্রই প্যাসেঞ্জার এয়ারক্র্যাফ্ট তৈরি করবে ভারত, ট্যাগ থাকবে মেক ইন ইন্ডিয়ার, বড় ঘোষণা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দোরগোড়ায় গুজরাট (Gujarat) বিধানসভা নির্বাচন। তার আগেই রাজ্যবাসীকে গুচ্ছ উপহার দিতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। রবিবার তিনি যান গুজরাটের ভাদোদরায়। সেখানে শিলান্যাস করেন সি-২৯৫ (C-295) সামরিক ট্রান্সপোর্ট এয়ারক্রাফ্ট ম্যানুফ্যাকচারিং প্ল্যান্টের। এদিনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং, এয়ারবাস সিসিও ক্রিস্টিয়ান স্কেহরার এবং টাকা সন্সের চেয়ারপার্সন এন চন্দ্রশেখরনের। প্রসঙ্গত, রবিবার তিন দিনের গুজরাট সফরে গিয়েছেন মোদি। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বেশ কিছু প্রকল্পের শিলান্যাস ও উদ্বোধন করবেন তিনি।

    এদিনের অনুষ্ঠানে মোদি (PM Modi) বলেন, ভারত সৌরশক্তি এবং মহাকাশ ক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নতি করেছে। এই ক্ষেত্রে ভারতের সাফল্য দেখে বিস্মিত তামাম বিশ্ব। প্রধানমন্ত্রী বলেন, গ্লোবাল অ্যাভিয়েশন হাব হিসেবে ভারত বিশ্বে একটা নিজস্ব পরিচিতি গড়ে তুলবে। এখানে যে ট্রান্সপোর্ট এয়ারক্র্যাফ্ট তৈরি হবে, সেগুলি যে কেবল সেনাবাহিনীকে শক্তি জোগাবে তাই নয়, এয়ারক্র্যাফ্ট ম্যানুফ্যাকচারিংয়ের একটা ইকোসিস্টেমও গড়ে তুলবে। শীঘ্রই ভারত প্যাসেঞ্জার এয়ারক্র্যাফ্ট তৈরি করবে বলেও উপস্থিত জনতাকে আশ্বস্ত করেন মোদি। বলেন, ওই প্যাসেঞ্জার এয়ারক্র্যাফ্টে মেক ইন ইন্ডিয়া ট্যাগ থাকবে। প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, আগামী দিনে ভারতকে আত্মনির্ভর করতে দুটি মজবুত পিলার হবে প্রতিরক্ষা এবং এরোস্পেস। তিনি বলেন, ২০২৫ সালের মধ্যে দেশে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনের পরিমাণ ২৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে। উত্তর প্রদেশ এবং তামিলনাড়ুর মতো রাজ্যে ডিফেন্স করিডর গড়ে তোলা হবে। সেখান থেকে রফতানি করা হবে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম।

    সরকার যে প্রাইভেট এবং পাবলিক সেক্টরকে সমান গুরুত্ব দিচ্ছে, এদিন তারও উল্লেখ করেন মোদি (PM Modi)। বলেন, ভারতের অগ্রগতিতে বর্তমান সরকার পাবলিক ও প্রাইভেট সেক্টরকে সমান গুরুত্ব দিচ্ছে। তিনি বলেন, ম্যানুফ্যাকচারিং ক্ষেত্রে একটি নতুন মানসিকতা এবং নয়া কর্ম সংস্কৃতি নিয়ে কাজ করছে দেশ।

    আরও পড়ুন: জম্মু এবং কাশ্মীরকে নয়া উচ্চতায় নিয়ে যাব, রোজগার মেলায় ঘোষণা মোদির

    আগামিকাল, সোমবার একতা দিবস। এদিন সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের জন্মদিন। এদিন স্ট্যাচু অফ ইউনিটিতে গিয়ে পুষ্পার্ঘ্য দিয়ে তাঁকে শ্রদ্ধা জানাবেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। তার পরের দিন যাবেন পাঁচমহল জেলায়। সেখানে কয়েকটি প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন তিনি। সন্ধেয় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে গুজরাতের ১৮২টি কেন্দ্রের কর্মীদের উদ্দেশে ভাষণ দেবেন। পরে যোগ দেবেন দলীয় কর্মীদের নিয়ে দিওয়ালি মিলানে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
     
  • Tata-Airbus C-295: এবার দেশে তৈরি হবে সামরিক পণ্যবাহী বিমান, চুক্তি স্বাক্ষর টাটা-বোয়িংয়ের

    Tata-Airbus C-295: এবার দেশে তৈরি হবে সামরিক পণ্যবাহী বিমান, চুক্তি স্বাক্ষর টাটা-বোয়িংয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার দেশেই তৈরি হবে C-295 এয়ারক্রাফট, ভারতীয় সেনার জন্য বিমান বানাবে টাটা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তার রাজ্য গুজরাটের ভদোদরায় রবিবার এই কারখানাটির শুভ সূচনা করবেন। বারংবারই প্রধানমন্ত্রী মেড ইন ইন্ডিয়ার (Made In India) দিকে জোর দিয়েছেন।

    দেশীয় পদ্ধতিতে দেশের ভিতরেই এই বিমানগুলি নির্মাণ করলে বাইরে থেকে এই বিমানগুলির আমদানি করতে হবে না ফলে সেনা বাজেটে কিছুটা হলেও চাপ কমবে। সংবাদ সূত্রে জানা গিয়েছে, এই কারখানা নির্মাণে খরচ হচ্ছে প্রায় ২২ হাজার কোটি টাকা।এছাড়াও প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, হালকা এবং মাঝারি মাপের C-295 বিমানটি যে কোনও মিশনে ব্যবহার করা যেতে পারে। যেকোনও আবহাওয়ায় সমানভাবেই কার্যকর এয়ারবাসের এই বিমান। মরুভূমির চরম-গরম বা বরফঢাকা পাহাড়ি এলাকায় অপারেশনের ক্ষেত্রে জুড়ি মেলা ভার এই বিমানের। অত্যাধিক গরমের মধ্যে যে কোনও উচ্চতায় এই বিমান বিপুল পরিমাণ ওজন বয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রেও সক্ষম। পাশাপাশি এই বিমানের জ্বালানির খরচ অন্যান্য বিমানের থেকে কমপক্ষে ৪ শতাংশ কম।

    ডিফেন্স সেক্রেটারি, অজয় কুমার বলেন, “প্রথমবারের মতো C-295 বিমানগুলি ইউরোপের বাইরে তৈরি করা হবে।” গত বছরের সেপ্টেম্বরে, ভারত Airbus Defence and Space -এর সঙ্গে মিলে প্রায় ২১ হাজার কোটি টাকার চুক্তি করেছে, চুক্তিতে বলা আছে, মোট ৫৬ টি C-295 ট্রান্সপোর্ট এয়ারক্রাফ্ট কেনার জন্য এবং ভারতীয় বায়ু সেনার পুরনো Avro-748 প্লেনগুলিকে প্রতিস্থাপন করার জন্য, একটি বেসরকারি কোম্পানির প্রকল্পের অধীনে ভারতে মিলিটারি বিমান তৈরি করা হবে, এবং ভারতে এমনটি এই প্রথমবার হবে।

    এই চুক্তির অধীনে, এয়ারবাসগুলি চার বছরের মধ্যে স্পেনের সেভিলে তার ফাইনাল অ্যাসেম্বলি লাইন থেকে ‘ফ্লাই-অ্যাওয়ে’ অবস্থায় প্রথম 16টি বিমান সরবরাহ করবে এবং পরবর্তীতে আরও 40টি বিমান ভারতে টাটা অ্যাডভান্সড সিস্টেম (TASL) দ্বারা তৈরি করা হবে।উদ্দেশ্যটি সফল করার লক্ষ্যে দুটি কোম্পানির মধ্যে ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্টনারশিপ তৈরি করা হয়েছে।ইতিমধ্যেই রেগুলেটরটির অনুমোদন দিয়েছে ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ অ্যারোনটিক্যাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স (DGAQA)।

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে, ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাস থেকে ওই কারখানায় প্রথম ‘মেড ইন ইন্ডিয়া’ বিমান তৈরি হবে।এই প্রকল্পের মধ্যে দিয়ে ভারতের বেসরকারি ক্ষেত্র উচ্চ প্রযুক্তির ও তীব্র প্রতিযোগিতামূলক বিমান তৈরির ক্ষেত্রে প্রবেশ করবে। এর ফলে এই ধরনের বিমান আমদানি কমবে, বরং তা রফতানি করা হবে।২০২৬ থেকে ২০৩১ পর্যন্ত এই বিমান বিদেশে রফতানি করা হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
     
LinkedIn
Share