Tag: C V Ananda Bose

C V Ananda Bose

  • State vs Governer: দুই বিধায়কের শপথ অসাংবিধানিক, ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি রাজ্যপালের

    State vs Governer: দুই বিধায়কের শপথ অসাংবিধানিক, ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি রাজ্যপালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উপনির্বাচনের জয়ী চার বিধায়কের  শপথ এখনও বাকি। তার আগে শেষ হয়েও শেষ হচ্ছে না, লোকসভা নির্বাচনের সময় জয়ী দুই বিধায়কের (State vs Governer) শপথ বিতর্ক। জানা গিয়েছে, সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায় ও রেয়াত হোসেন সরকারের শপথ অসংবিধানিক জানিয়ে তাঁদের চিঠি পাঠিয়েছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (C V Ananda Bose)।  

    জরিমানার হুঁশিয়ারি রাজ্যপালের (State vs Governer)

    দুই বিধায়কের জরিমানা হতে পারে বলে জানানো হয়েছে ওই চিঠিতে। স্পিকারকে ইতিমধ্যেই দুই বিধায়ক রাজভবনের চিঠির ব্যাপারে জানিয়েছেন বলে জানা গেছে। সায়ন্তিকা উপনির্বাচনে বরাহনগর কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছিলেন। ভগবানগোলা কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছিলেন রেয়াত হোসেন সরকার। রাজভবনে যাবেন না জানিয়ে টালবাহানার পর বিধানসভায় হয় তাঁদের শপথ পাঠ করানো হয়।

    রাজ্যপালের এক্তিয়ার নিয়ে প্রশ্ন স্পিকারের (C V Ananda Bose)

    রাজ্যপাল চিঠিতে জানিয়েছেন, বিধায়কের শপথ গ্রহণের বিষয়ে রাজ্যপালের নির্দেশ পালন না করা সংসদীয় পদ্ধতি এবং সাংবিধানিক প্রক্রিয়ার পরিপন্থী। পাল্টা স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, যেহেতু বিধানসভার অধিবেশন চালু আছে তাই রাজ্যপালের চিঠি মান্যতা পেতে পারে না। রুলস অফ বিজনেসের ২ নম্বর অধ্যায়ের ৫ নম্বর ধারা মেনে শপথ বাক্য পাঠ করানো হয়েছে সায়ন্তিকা এবং রেয়াতকে। রাজভবনের (C V Ananda Bose) তরফে যে চিঠি পাঠানো হয়েছে, তাতে স্পষ্ট ভাষায় বলে দেওয়া হয়েছে কোনও ভাবেই রুল বুকের ২ নাম্বার অধ্যায়ের ৫ নম্বর ধারা রাজ্যপালের (State vs Governer) ক্ষমতার ঊর্ধ্বে হতে পারে না। মোট ৩৭ টি বিষয় উল্লেখ করে এক্ষেত্রে কী কী হতে পারে, সে বিষয়ে তাঁদের জানানো হয়েছে।

    আরও পড়ুন: সুকান্ত লিড পাওয়ায় বালুরঘাটে বন্ধ নাগরিক পরিষেবা! মহকুমা শাসককে নালিশ পুরবাসীর

    সঠিক পদ্ধতিতে শপথ না নিয়ে বিধানসভার অধিবেশনে অংশগ্রহণ করলে প্রতিদিন তাঁদের ৫০০ টাকা করে জরিমানা দিতে হতে পারে। স্বাভাবিকভাবেই গোটা ঘটনায় বিপাকে তৃণমূলের দুই বিধায়ক।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: ‘চোপড়াকাণ্ডে কী পদক্ষেপ?’ নবান্নর রিপোর্ট তলব বোসের

    CV Ananda Bose: ‘চোপড়াকাণ্ডে কী পদক্ষেপ?’ নবান্নর রিপোর্ট তলব বোসের

    নিউজ ডেস্ক: ফের প্রকাশ্যে রাজভবন-নবান্ন সংঘাত। সম্প্রতি চোপড়ায় (Chopra Incident) দম্পতিকে রাস্তায় ফেলে মারার ঘটনায় সরকারের তরফ থেকে কী পদক্ষেপ করা হয়েছে, তা জানতে চেয়ে রিপোর্ট তলব করলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। একইসঙ্গে কলকাতা পুলিশের সিপি বিনীত গোয়েল এবং ডিসি সেন্ট্রাল ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে যে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক, সেই নির্দেশের পর রাজ্যের তরফে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে তার রিপোর্টও জানতে চাইলেন রাজ্যপাল।

    মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি রাজ্যপালের 

    সম্প্রতি চোপড়াকাণ্ড (Chopra Incident) ও রাজ্যের দুই শীর্ষ পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহনের প্রসঙ্গ তুলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্ধ্যোপাধ্যায়ের কাছে চিঠি পাঠিয়েছেন রাজ্যপাল (CV Ananda Bose)। চিঠিতে তিনি জানতে চেয়েছেন কলকাতা পুলিশের দুই উচ্চপদস্থ কর্তার বিরুদ্ধে নবান্ন কী ব্যবস্থা নিয়েছে। তাছাড়া মাথাভাঙা এবং চোপড়ায় দুই তরুণীকে অত্যাচারের ঘটনা ঘিরে তোলপাড় হয়েছে রাজ্য রাজনীতি। এদের বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্ত হচ্ছে কিনা তাও জানতে চাওয়া হয়েছে রাজ্যপালের তরফে। 

    আরও পড়ুন: চোপড়া থানার আইসিকে শোকজ! মহিলা নির্যাতনে নিন্দার জবাবেই কি পুলিশের পদক্ষেপ?

    এক্স হ্যান্ডেলে কী লিখলেন রাজ্যপাল? (CV Ananda Bose)

    রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস নিজের এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট করেছেন। সেই পোস্টে তিনি লিখেছেন, ভারতের সংবিধানের ১৬৭ অনুচ্ছেদের অধীনে মাননীয় রাজ্যপালের উপর অর্পিত কর্তৃত্বের ভিত্তিতে মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীকে দু’টি রিপোর্ট জমা দেওয়ার জন্য বলা হচ্ছে। প্রথমত, মাননীয় রাজ্যপাল কর্তৃক ভারত সরকার এবং মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পাঠানো রিপোর্টের ভিত্তিতে পুলিশ কমিশনার এবং কলকাতার ডেপুটি পুলিশ কমিশনারের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে ? দ্বিতীয়ত, জনসমক্ষে একজন মহিলাকে বিবস্ত্র করে মারধর এবং সালিশি সভায় দম্পতিকে প্রকাশ্যে বেত্রাঘাতে পুলিশের কোনও কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যায়নি। সেক্ষত্রে ঘটনায় সিবিআই তদন্ত হওয়া উচিত কিনা।

    তবে নবান্নর তরফে পাল্টা এখনও কিছু জানানো হয়নি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: মমতার বিরুদ্ধে রাজ্যপালের মানহানি মামলা, শুনানির দিন ঠিক করল হাইকোর্ট

    Calcutta High Court: মমতার বিরুদ্ধে রাজ্যপালের মানহানি মামলা, শুনানির দিন ঠিক করল হাইকোর্ট

    নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোসের দায়ের করা মানহানি মামলার শুনানি ১০ জুলাই হবে কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta Highcourt) । মামলাটি শুনানির তালিকায় না থাকায় রাজ্যপালের আইনজীবী বৃহস্পতিবার বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তার পরেই বিচারপতি মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ঘোষণা করা হয়।

    হাইকোর্টে রাজ্যপালের মানহানির মামলার শুনানি (Calcutta Highcourt)

    মঙ্গলবার কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta Highcourt) মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেছিলেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস(C V Ananda Bose) । তৃণমূলের দুই হবু বিধায়ক সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়, রায়াত হোসেন সরকার এবং তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষকেও এই মামলায় যুক্ত করা হয়েছে রাজ্যপালের তরফে। বুধবারই সেই মামলা বিচারপতি রাওয়ের বেঞ্চে উঠেছিল। সম্প্রতি নবান্নের একটি সরকারি বৈঠক থেকে রাজ্যপালকে আক্রমণ করেছিলেন মমতা। তার জেরে ওই মানহানির মামলা দায়ের করেছিলেন রাজ্যপাল। মমতার মন্তব্যের প্রেক্ষিতে প্রতিক্রিয়া দিয়েছিলেন সায়ন্তিকা, রায়াত হোসেন সরকার এবং কুণাল ঘোষ। সেই কারণে তাদের ওই মামলাতে যুক্ত করা হয়েছে বলে রাজভবন সূত্রে খবর।

    অমিত শাহকে নালিশ রাজ্যপালের (C V Ananda Bose)

    বিধায়কের শপথ গ্রহণ নিয়েও রাজভবন বনাম সরকার পক্ষের সংঘাত চলছে। দুই বিধায়ককে রাজভবনে ডেকে পাঠানো হলে তাঁরা যাননি। শাসক দলের তরফ থেকে রাজ্যপালকে বিধানসভায় এসে শপথ পাঠের কথা বলা হয়েছে। তবে সেই আবেদন মৌখিক নাকি লিখিতভাবে করা হয়েছে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোন উত্তর নেই শাসক শিবিরে। প্রসঙ্গত রাজ্যের দুই বিধায়কের শপথ গ্রহণ নিয়ে জটিলতা প্রসঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, উনি (C V Ananda Bose) হয় স্পিকারকে নয়তো ডেপুটি স্পিকারকে (শপথ পাঠের) এই অধিকার দিন। আর তা না হলে নিজে বিধানসভায় যান। রাজভবনে কেন সকলে যাবে? রাজভবনে যা কীর্তি কেলেঙ্কারি চলছে, তাতে মেয়েরা ওখানে যেতে ভয় পাচ্ছে বলে আমার কাছে অভিযোগ করেছে। নির্দিষ্ট দিনে এবং সময়ে দুই বিধায়ক রাজভবনে না যাওয়ার ফলে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান বাতিল হয়ে যায়।

    আরও পড়ুন: মন্ত্রীর নামে নালিশ করে গ্রেফতার, মুক্তির নির্দেশ বিচারপতির

    এরপর রাজ্যপাল দিল্লি চলে যান। ইতিমধ্যেই অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করেছেন তিনি। রাজ্যের তিন শীর্ষ আধিকারিকের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছেন। চিঠিতে তিনি কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি জানিয়েছেন। যে দুই পুলিশ আধিকারিক এবং এক আমলার বিরুদ্ধে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে রাজ্যপাল নালিশ জানিয়েছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আগেই সাংবিধানিক কার্যপ্রণালী এবং আচরণবিধির লঙ্ঘনের অভিযোগ এনেছেন বোস।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Suvendu Adhikari: অভিষেকের মতো একই জায়গায় ধর্নায় বসতে চান শুভেন্দু! কী নির্দেশ বিচারপতি সিনহার?

    Suvendu Adhikari: অভিষেকের মতো একই জায়গায় ধর্নায় বসতে চান শুভেন্দু! কী নির্দেশ বিচারপতি সিনহার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিঃসায় আক্রান্তদের নিয়ে রাজভবনের সামনে ধর্নায় বসতে চান বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। গত বছরের শেষ দিকে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যেখানে ধর্নায় বসেছিলেন, ঠিক সেখানেই এবার ধর্নায় বসতে চান তিনি। ইতিমধ্যেই ধর্নার অনুমতি চেয়ে কলকাতার পুলিশ কমিশনার বিনীত গয়ালকে চিঠি দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। উল্লেখ্য, ভোটের ফল প্রকাশের পর কর্মীদের ওপর আক্রমণের অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। একইসঙ্গে পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগও উঠেছে রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বের তরফে। এসব ইস্যু সামনে রেখেই আগামী ১৯ জুন থেকে ধর্নায় বসার পরিকল্পনা করেছেন শুভেন্দু অধিকারী।

    হাইকোর্টের নির্দেশ (Calcutta High Court) 

    এ প্রসঙ্গে, শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহার একক বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছে যে, রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের সঙ্গে দেখা করতে রাজ্যপালের কাছে নতুন করে আবেদন জানাতে পারেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা। বিচারপতি জানিয়েছেন, রাজ্যপালের অনুমতি সাপেক্ষে তাঁর সঙ্গে দেখা করতে পারবেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) ও নির্বাচন পরবর্তী অশান্তিতে ‘আক্রান্ত’ ব্যক্তিরা। তবে রাজ্যপালের সঙ্গে কতজন দেখা করতে যাবেন, সেটা পুলিশকে জানাতে হবে। পাশাপাশি বিচারপতির নির্দেশ, যদি গাড়ি নিয়ে রাজ ভবনের (Raj Bhavan) ভেতরে যাওয়া হয়, তাহলে কতগুলি গাড়ি রাজভবনের ভিতরে ঢুকবে, সেটাও জানাতে হবে পুলিশকে। 
    তবে শুভেন্দু অধিকারীর পক্ষের আইনজীবী এদিন আদালতে জানিয়ে দেন, তাঁদের কোনও গাড়ি রাজভবনের ভিতরে ঢুকবে না। সকলেই হেঁটে রাজভবনের ভিতরে প্রবেশ করবেন। অন্যদিকে রাজ্যের তরফে আবার সওয়াল করা হয়, যাঁরা রাজভবনের ভিতরে প্রবেশ করবেন, তাঁদের শনাক্তকরণের কাজ শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) পক্ষ থেকে কোনও ব্যক্তিকে করতে হবে। রাজ্যের এই দাবিতে বিচারপতি সম্মতি দিলেও, তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, কারও পরিচয় নথিবদ্ধ করা যাবে না। কারণ, সেরকম হলে পরে আবার তাঁদের হেনস্থা করার আশঙ্কা থেকে যায় বলেই মনে করছেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা।

    আরও পড়ুন: ছাত্রীকে ‘কপালে তিলক’ ও ‘গলায় মালা’ নিয়ে স্কুল প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা! শোরগোল রঘুনাথগঞ্জে

    কেন এই ধর্নার সিদ্ধান্ত? 

    বিজেপি জানিয়েছে, এ বছর লোকসভা ভোটের ফলাফলে কিছুটা আশাহত দলের নিচুতলার কর্মীরা। এই পরিস্থিতিতে দলের শীর্ষ নেতারা পাশে না থাকলে সংগঠন আরও দুর্বল হয়ে পড়বে। তাই শুভেন্দু অধিকারীর এই ধর্নার উদ্যোগকে দলের কর্মীদের চাঙ্গা রাখার একটি প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে। বর্তমানে দলের নেতাকর্মীদের মনোবল বাড়ানোই রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ। তাই শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)  নগরপালকে জানিয়েছেন, তিনি আক্রান্ত দলীয় কর্মীদের নিয়েই ধর্নায় বসতে চান। তবে এখনও পর্যন্ত কলকাতা পুলিশের (kolkata police) পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো উত্তর মেলেনি।

    প্রসঙ্গত, গত বছর ডিসেম্বর মাসে কেন্দ্রীয় বঞ্চনার অভিযোগ তুলে এবং রাজ্যের বকেয়া মেটানোর দাবিতে রাজভবনের সামনে টানা ধর্নায় বসেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার শাসক দলের বিরুদ্ধে ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগ তুলে ওই একই স্থানে ধর্নায় বসতে চান শুভেন্দু অধিকারী। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • C V Ananda Bose: পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে ভারত, টিম ইন্ডিয়াকে রাজভবনে আমন্ত্রণ রাজ্যপালের

    C V Ananda Bose: পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে ভারত, টিম ইন্ডিয়াকে রাজভবনে আমন্ত্রণ রাজ্যপালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  বিশ্বকাপে পাকিস্তান বধের পর কলকাতার রাজভবন থেকে রোহিত শর্মাদের কাছে গেল শুভেচ্ছা বার্তা। এর পাশাপাশি সংবর্ধনা জানানোর জন্য গোটা ভারতীয় টিমকে রাজভবনে আমন্ত্রণও জানিয়েছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (C V Ananda Bose)। পাকিস্তানকে দুরমুশ করেই পয়েন্ট তালিকায় শীর্ষ স্থান অধিকার করেছে ভারত। আপাতত তিনটি ম্যাচে তিনটিতে জিতেছে রোহিত বাহিনী। যার ফলে ভারতের সংগ্রহ ৬ পয়েন্ট।

    আমন্ত্রণ রাজ্যপালের (C V Ananda Bose)

    শনিবারে আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে বিপুল জয় পায় ভারতীয় দল। প্রথমে ব্যাট করে ১৯১ রানেই অলআউট হয়ে যায় পাকিস্তান। কুড়ি ওভার বাকি থাকতেই ম্যাচ জিতে নেয় ভারত। যদিও বা বিশ্বকাপ জিততে এখনও অনেকটা পথ চলতে হবে ভারতীয় দলকে, তবুও আগেভাগেই রাজভবনে আমন্ত্রণ কেন?  রাজ্যপালের (C V Ananda Bose) বার্তা, পাকিস্তানকে হারানোর কারণেই রাজভবনে টিম ইন্ডিয়াকে সংবর্ধনা দিতে চান তিনি। জানা গিয়েছে, রাজভবনের তরফ থেকে এক্স হ্যান্ডেলে পোস্টও করা হয়েছে এনিয়ে। সেখানে টিম ইন্ডিয়াকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

    পয়েন্ট তালিকায় কোন জায়গায় কোন দেশ

    বর্তমানে বিশ্বকাপের পয়েন্ট তালিকায় ভারতের পর রয়েছে নিউজিল্যান্ড। তিনটি ম্যাচ খেলে তাদেরও পয়েন্ট ৬। তবে টিম ইন্ডিয়ার নেট রান রেট নিউজিল্যান্ডের থেকে বেশি থাকায় শীর্ষে রয়েছে ভারত। রোহিত শর্মা বিরাট কোহলিদের নেট রান রেট ১.৮২১। অন্যদিকে নিউজিল্যান্ডের নেট ১.৬০৪। নেট রান রেটের দিক থেকে তিন নম্বরে রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। দুটি ম্যাচে তাদের পয়েন্ট চার কিন্তু নেট রান রেট ২.৩৬০। অপরদিকে গতকাল হারের পর চার নম্বরে রয়েছে পাকিস্থান। বাবর আজমদের তিন ম্যাচে পয়েন্ট ৪ এবং নেট রান রেট -০.১৩৭।

     

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • C V Ananda Bose: পিস রুমের পর ‘পিস ট্রেন’ চালুর প্রস্তাব রাজ্যপালের, কী বললেন সুকান্ত?

    C V Ananda Bose: পিস রুমের পর ‘পিস ট্রেন’ চালুর প্রস্তাব রাজ্যপালের, কী বললেন সুকান্ত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ রবিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘অমৃত ভারত স্টেশন’ প্রকল্পের উৎসবে যোগদান করে শিয়ালদহ স্টেশনে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (C V Ananda Bose) বললেন, রাজ্যে শিয়ালদহ থেকে নিউ জলপাইগুড়ি পর্যন্ত ‘পিস ট্রেন’ চালানো দরকার। কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবকে এই ট্রেনের জন্য আবেদন করেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস। তাঁর এই মন্তব্যে রাজনৈতিক মহলে বেশ শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

    কেন পিস ট্রেন (C V Ananda Bose)?

    রাজ্যপাল (C V Ananda Bose) এবং রাজ্যর সংঘাতে ফের বিতর্ক। রাজ্যপাল রাজ্যের পঞ্চায়েত নির্বাচনকে ঘিরে হিংসা নিয়ে সরব হয়েছিলেন। জেলায় জেলায় উত্তর থেকে দক্ষিণে হিংসার কথা, অভিযোগ জানানোর জন্য রাজভবনে পিস রুম চালু করেন। এমনকি রাজ্যপাল পশ্চিমবঙ্গে হিংসা কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন। পাশাপাশি তিনি বারবার বলেন, রাজ্যের প্রধান শত্রু হল হিংসা এবং দুর্নীতি। ইতিমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ে দুর্নীতি নিয়ে সরব হয়েছেন তিনি। রাজ্যে বেআইনি ভাবে উপাচার্য নিয়োগের বিরুদ্ধে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণের কথা তুলে ধরেছেন। উপাচার্য নিয়োগে রাজ্য পাল্টা হাইকোর্টে গেলে, রাজ্যের আবেদন খারিজ হয়ে যায়। রাজ্যেপালের রাজভবনকে ‘মোবাইল রাজভবন’ হিসাবে চিহ্নিত করেন রাজ্যপাল। ১৫ই অগাস্টের সময় রাজ্যপালের কাছে ৭১ জন বন্দির মুক্তির সুপারিশ করে রাজ্য। কিন্তু রাজ্যের এই আবেদনকে ফিরিয়ে দেন তিনি। ফলে সব মিলিয়ে রাজ্যপালের সঙ্গে রাজ্যের মতভেদ তীব্র। এই পরিস্থিতিতেই রাজ্যপাল পিস ট্রেন চালানোর কথা বলেন। আর তা নিয়ে ব্যাপক শোরগোল।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    তৃণমূলের মুখপাত্র জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, রাজ্যপাল (C V Ananda Bose) রাজ্যের সহযোগিতায় কাজ করছেন না, তিনি পিস ট্রেনের কথা কেন বলছেন! সারা দেশে কি অশান্তির ট্রেন চলছে? অন্যদিকে তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ বলেন, রাজ্যপাল বিজেপির দালাল, রাজভবনের টাকায় নিজের বই প্রকাশ করছেন। তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।

    বিজেপির বক্তব্য

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, দেশের কোথাও এত হিংসা নেই। কিছু হিংসার চিত্র কেরলে দেখা গেলেও এই রাজ্যে রাজনৈতিক হিংসার খবর সবথেকে বেশি। রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচনকে ঘিরে অনেক মানুষের প্রাণ গেছে। রাজ্যের তৃণমূল সরকার হিংসার জন্ম দিয়েছে। তিনি আরও বলেন, রাজ্যপাল (C V Ananda Bose ঠিকই বলেছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Partha Chatterjee: পার্থর বিরুদ্ধে তদন্তের অনুমোদন রাজ্যপালের! বাধাহীন বিচারপ্রক্রিয়া

    Partha Chatterjee: পার্থর বিরুদ্ধে তদন্তের অনুমোদন রাজ্যপালের! বাধাহীন বিচারপ্রক্রিয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জেলবন্দি প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee) বিরুদ্ধে ট্রায়াল চালিয়ে যাওয়ার অনুমোদন দিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। কিন্তু হঠাৎ রাজ্যপালের অনুমোদনের প্রয়োজন কেন? সংবিধান বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ‘‘ভারতীয় দণ্ডবিধির ১৯৭ নম্বর ধারা অনুযায়ী, যে কোনও মন্ত্রী বা আইন প্রণেতা বা সরকারি ব্যক্তির বিরুদ্ধে আদালতে বিচারপ্রক্রিয়া চালাতে অনুমোদন প্রয়োজন হয়। ভারতীয় সংবিধানের ১৬৩ নম্বর ধারা অনুযায়ী, নিজের ক্ষমতাবলে এই অনুমোদন দিলেন রাজ্যপাল।’’ ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে জেতার পরে পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee) পূর্ণমন্ত্রী ছিলেন মমতার মন্ত্রিসভায়। সংবিধান অনুযায়ী মন্ত্রিসভাকে শপথ বাক্য পাঠ করান রাজ্যপাল। আবার পার্থ যেহেতু বিধানসভারও সদস্য, তাই তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত করতে হলে বিধানসভার অধ্যক্ষেরও সম্মতি প্রয়োজন। এক্ষেত্রে অনুমতি নেওয়া হল সিভি আনন্দ বোসের। ওয়াকিবহাল মহল বলছে, রাজ্যপালের অনুমোদনে সিবিআই তদন্তের অগ্রগতিতে আর কোনও বাধা রইল না।

    ২০২২ সালের জুলাই মাসে গ্রেফতার হন পার্থ (Partha Chatterjee) 

    প্রসঙ্গত, এক বছর আগে নিজের নাকতলার বাড়ি থেকে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee)। তখনই তাঁর বান্ধবী অর্পিতার বাড়িতেও হানা দেয় ইডি। সেখান থেকে মেলে ২২ কোটি টাকা। পরে আবারও অর্পিতার অন্য ফ্ল্যাট থেকে পাওয়া যায় ২৮ কোটি টাকা। ইডি গ্রেফতার করলেও পরে তাঁকে হেফাজতে নিয়ে জেরা করে সিবিআই। পার্থর বিচারের ক্ষেত্রে রাজ্যপালের অনুমোদন জরুরি ছিল। সিবিআইয়ের সেই আবেদনেই সিলমোহর দিলেন রাজ্যপাল। বিচার প্রক্রিয়ায় আর কোনও বাধা রইল না।

    প্রেসিডেন্সি জেল যেন তৃণমূলের মন্ত্রী-বিধায়কদের পর্যটন কেন্দ্র 

    প্রেসিডেন্সি জেল যেন তৃণমূলের নেতাদের কাছে পর্যটন কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee) ছাড়াও জেলে আছেন আরও দুই তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্য এবং জীবনকৃষ্ণ সাহা। রয়েছেন স্কুল শিক্ষা দফতরের আধিকারিকরাও। এঁদের সবাই গ্রেফতার হয়েছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার হাতে। পার্থর বিরুদ্ধে একাধিক তথ্যপ্রমাণ পেয়েছে তারা, এমনটাই দাবি সিবিআইয়ের। তা আদালতে ইতিমধ্যে পেশও করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: “দুষ্কৃতীরা বন্দুক-বোমা নিয়ে নির্বাচনকে রক্তাক্ত করেছে!” হতাশ রাজ্যপাল

    North 24 Parganas: “দুষ্কৃতীরা বন্দুক-বোমা নিয়ে নির্বাচনকে রক্তাক্ত করেছে!” হতাশ রাজ্যপাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোটের দিন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস পৌঁছালেন উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) কদম্বগাছিতে। ভোটের দিন মৃত্যু হয়েছে নির্দল প্রার্থীর। পঞ্চায়েত নির্বাচন শুরুর পর থেকেই সারা রাজ্য জুড়ে সন্ত্রাসের আবহ শুরু হয়েছে। নির্বাচনের দিনই এখনও পর্যন্ত প্রায় ১২ জনের প্রাণ গেছে। ব্যালট লুট, ছাপ্পা, বুথ দখল, ব্যালট বাক্স ছিনতাই সবটাই ঘটল অবাধে। নির্বাচন কমিশনের সক্রিয়তা চোখে পড়েনি বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। রাজ্যপাল আক্রান্ত এলাকায় গিয়ে বুলেটে নয়, ব্যালটে গণতন্ত্র রক্ষার কথা বললেন। ভোটের দিন রাজ্যে ভোট চলাকালীন সময়ে হিংসার বিষয়ে স্পষ্ট মন্তব্য করলেন রাজ্যপাল।

    রাজ্যপাল কী বললেন (North 24 Parganas)? 

    ভোটের দিন কদম্বগাছিতে হিংসায় নিহত নির্দল প্রার্থীর বাড়িতে আব্দুল্লাহের স্ত্রী-কন্যার সঙ্গে দেখা করে সব রকম সাহায্যের আশ্বাস দেন সিভি আনন্দ বোস। রাজ্যপাল (North 24 Parganas) ভোটের দিন সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, আমি ভেবেছিলাম নির্বাচন অনেক শান্তিপূর্ণ হবে। সাধারণ মানুষ নিজের অধিকার এবং পছন্দকে ভোটের মাধ্যমে প্রতিফলন ঘটাবে। কিন্তু দুঃখজনক! দুষ্কৃতীরা বন্দুক, বোমা নিয়ে নির্বাচনকে রক্তাক্ত করেছে। তিনি আরও বলেন, নির্বাচন অবশ্যই বুলেটে নয় ব্যালটে হতে হবে। মানুষ নিজের মত প্রকাশ করুক ভোটদানের মাধ্যমে। সরকার, রাজ্য নির্বাচন কমিশনের উচিত সাধারণ মানুষের জন্য ভোট প্রদানের পরিবেশ তৈরি করা। মানুষের অধিকারকে প্রয়োগ করার ব্যাপারে প্রশাসনকে আরও সক্রিয় হতে হবে। ভারতীয় সমাজের কাছে আমাদের দায়বদ্ধতা রয়েছে।

    কেন গেলেন উত্তর ২৪ পরগনায় (North 24 Parganas)?

    শনিবার পঞ্চায়েত নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরুর সময় থেকেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) কদম্বগাছি এলাকা। ভোট প্রক্রিয়া শুরু হতেই  শাসক ও নির্দলের মধ্যে গোষ্ঠী সংঘর্ষ বেড়ে যায়। দুই পক্ষ হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে। এর জেরে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান নির্দল প্রার্থী আব্দুল্লাহ। অভিযোগের তীর শাসক দলের বিরুদ্ধে। এর পরই উত্তেজিত জনতা ভোট কেন্দ্রে তালা লাগিয়ে দেয়। ভোট প্রক্রিয়া শুরুর এক ঘন্টা পর্যন্ত ভোটদান বন্ধ থাকে। পরে ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছায় সেনাবাহিনী। তার পরে উত্তপ্ত এবং হিংসা কবলিত এলাকায় এসে পৌঁছান রাজ্যপাল। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali Incident: শান্তি ফেরানোর আর্জি রাজ্যপালের, সন্দেশখালির মেয়েদের জন্য মিশন ‘সন্তোষ কালী’ 

    Sandeshkhali Incident: শান্তি ফেরানোর আর্জি রাজ্যপালের, সন্দেশখালির মেয়েদের জন্য মিশন ‘সন্তোষ কালী’ 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির মা-বোনেদের জন্য মিশন ‘সন্তোষ কালী’ চালু করলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (C V Ananda Bose)। সোমবার রাজভবনের তরফে বাংলার জনগণের কাছে রাজ্যপালের পঞ্চমতম রিপোর্ট কার্ড প্রকাশ করা হয়। সেই রিপোর্ট কার্ডে মিশন ‘সন্তোষ কালী’র বিষয়ে বলা হয়েছে। রাজ্যপালের মতে, “সন্দেশখালি অস্থিরতা, নৈরাজ্যের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। সেখানে শান্তি ফেরাতে হবে। সন্দেশখালির ব্যথিত মহিলাদের পাশে দাঁড়াতে হবে।” তাঁর আর্জি, প্রতারণা ও বিশ্বাসঘাতকতার অন্ধকার থেকে জেগে উঠুক সন্দেশখালি (Sandeshkhali Incident) ৷

    মিশন সন্তোষ কালী কী

    সন্দেশখালির নারী-‘লাঞ্ছনা’র পটভূমিতে রাজ্যের তরুণীদের নিয়ে এ দিন ‘মিশন সন্তোষ কালী’ কর্মসূচির ডাক দিয়েছেন বোস। রাজ্যপাল জানান, এই কর্মসূচিতে নারী-শক্তি, নারীর মর্যাদার সচেতনতা ও প্রসার আরও বাড়াতে হবে। তাঁর বক্তব্য, “এ বিষয়ে কেন্দ্র, রাজ্যের প্রকল্প এবং স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাগুলির উদ্যোগের সদ্ব্যবহার করতে হবে। এর মধ্যে মেয়েদের সুরক্ষা এবং ক্ষমতায়নের জন্য নির্দিষ্ট পদক্ষেপ করতে হবে।” রাজভবনের বেশ কয়েকজন মহিলা কর্মীর উপস্থিতিতে মিশন ‘সন্তোষ কালী’ চালু করা হয়েছে। এই প্রকল্পে নারীদের ক্ষমতায়নের উপর জোর দেওয়া হয়েছে। নারীদের স্বনির্ভর করে তোলার কথা বলা হয়েছে। বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা যাঁরা নারীদের নিয়ে কাজ করে তাঁদেরকে মিলিতভাবে কর্মসূচী নেওয়ার কথআও বলা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালিতে ১৪৪ ধারা বাতিল, হাইকোর্টের নির্দেশকে স্বাগত জানালেন রাজ্যপাল

    রাজ্যপালের রিপোর্ট কার্ড

    রাজ্যপাল রিপোর্ট কার্ডে স্পষ্ট লিখেছেন,”নারী শক্তিকে একত্রিত করতে হবে ৷ নারীদের মর্যাদাকে অক্ষুন্ন রাখতে হবে ৷ আত্মনির্ভর ভারত ও বিকশিত ভারতের লক্ষ্য নারীদের উন্নয়ন ৷ নারী শক্তিকে একত্রিত করার প্রচেষ্টার পটভূমিতে পশ্চিমবঙ্গের উত্তর 24 পরগনা জেলার সন্দেশখালি থেকে পাওয়া রিপোর্ট বিরক্তিকর ৷ নারীর মর্যাদা ও সম্মানের ওপর বেপরোয়া আক্রমণ হচ্ছে সেখানে । ঘটনাগুলি সমগ্র জাতির চোখ খুলে দিয়েছে । আমরা বৈদিক ধারণা নিয়ে গর্ব করি ‘যত্র নার্যস্তু পূজ্যন্তে রমন্তে তত্র দেবতা’ অর্থাৎ যেখানে নারীদের সম্মান করা হয়, সেখানে দেবতারাও আনন্দ করেন । কিন্তু সন্দেশখালিতে নারীদের শ্লীলতাহানি, হয়রানি ও ভীতি প্রদর্শন বা জমি দখল এবং এলাকার নারীদের অসহায়বোধের রিপোর্ট এসেছে । সন্দেশখালির ক্ষতিগ্রস্থদের সঙ্গে মতবিনিময়ের ভিত্তিতে আমি মিশন সন্তোষ কালীকে ভারতের মহিলাদের মর্যাদা ও সম্মানের উপর ভবিষ্যতের আক্রমণের বিরুদ্ধে একটি ঢাল হিসাবে প্রণয়ন করেছি ।”

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: “জঙ্গলরাজ-গুন্ডাগিরি মুর্খের স্বর্গেই চলতে পারে”, সন্দেশখালিকাণ্ডে তোপ রাজ্যপালের

    CV Ananda Bose: “জঙ্গলরাজ-গুন্ডাগিরি মুর্খের স্বর্গেই চলতে পারে”, সন্দেশখালিকাণ্ডে তোপ রাজ্যপালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বর্বোচিত আক্রমণ এবং তাণ্ডব রুখতে ব্যবস্থা নিতে হবে সভ্য সমাজের গণতান্ত্রিক সরকারকে।” শুক্রবার সন্দেশখালিকাণ্ডে এমনই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (C V ananda Bose)। তিনি বলেন, “সরকার তার ন্যূনতম কর্তব্যপালনে ব্যর্থ হয়েছে। জঙ্গলরাজ ও গুন্ডাগিরি মুর্খের স্বর্গেই চলতে পারে। বাংলায় নয়।”

    ‘মগের মুলুক নয়’

    তিনি বলেন, “বাংলা কোনও মগের মুলুক নয়। সরকারের উচিত তার কর্তব্য করা। যাঁরা ভাবছেন, আমি ডনের মাধ্যমে শাসন করছি, আর তাঁরা শীঘ্রই নিজেদের ‘ডন কুইকজোট’ (স্প্যানিশ মহাকাব্য) হিসেবে দেখতে পাবেন। এটা প্রাক নির্বাচনী পর্বের হিংসা। অবিলম্বে এই হিংসায় লাগাম টানা প্রয়োজন। সমাজের এই হিংসা নিহিত সরকারের সঙ্গেই। চারদিকে আইন-শৃঙ্খলার অবনতি হচ্ছে।” রাজ্যপাল বলেন, “হিংসা ও গুন্ডাগিরিতে রাশ টানার সময় এসে গিয়েছে। বাংলায় হিংসার অবসান ঘটবে। অপশাসন চলবে না। সরকারের দায়িত্ব গণতান্ত্রিক কাঠামোয় বর্বরতা ও নৈরাজ্যকে কঠোর হাতে দমন করা। সরকার তার দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে সংবিধান চলবে নিজের পথে।”

    রিপোর্ট তলব রাজ্যপালের

    সন্দেশখালির ঘটনার প্রেক্ষিতে রাজ্যের মুখ্যসচিব ভগবতী প্রসাদ গোপালিকা ও স্বরাষ্ট্রসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীকে তলব করেছেন রাজ্যপাল। রাজভবন সূত্রে খবর, অবিলম্বে ঘটনাটি খতিয়ে দেখে রাজভবনে রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে নবান্নকে। ডেকে পাঠানো হয়েছে রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমারকেও। প্রসঙ্গত, এদিন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস যখন এই বিবৃতি দিচ্ছেন, তার কিছুক্ষণ আগেই কলকাতা হাইকোর্টে সন্দেশখালির মামলার শুনানি (C V ananda Bose) পর্বে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় প্রশ্ন তুলেছিলেন, “রাজ্যপাল কেন ঘোষণা করছেন না যে এ রাজ্যে সাংবিধানিক পরিকাঠামো ভেঙে পড়েছে?”

    আরও পড়ুুন: “তদন্তকারীরা মার খেলে তদন্ত কীভাবে?” সন্দেশখালিকাণ্ডে প্রশ্ন বিচারপতির

    রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারির গভীরে পৌঁছতে শুক্রবার সাত সকালে ইডির আধিকারিকরা যান সন্দেহখালিতে। এখানে তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের বাড়িতে তল্লাশি চালাতে গিয়েছিলেন তাঁরা। ঘণ্টাখানেক ধরে ডাকাডাকি করা সত্ত্বেও দোরে খিল এঁটে বসেছিলেন ওই তৃণমূল নেতার পরিবারের সদস্যরা। এর পরেই দরজা ভেঙে শাহজাহানের বাড়িতে ঢোকার চেষ্টা করেন ইডির আধিকারিকরা। সেই সময় ওই তৃণমূল নেতার অনুগামীরা তাঁদের লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ছুড়তে থাকে। জখম হন ইডির দুই আধিকারিক। তাঁদের সঙ্গে থাকা সিআরপিএফের কয়েকজন জওয়ানও জখম হন। এদিকে, রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, ডামাডোলের (C V ananda Bose) বাজারে গা-ঢাকা দিতে পারেন শাহজাহান। সরিয়ে ফেলা হতে পারে তাঁর বাড়িতে থাকা (যদি থাকে) কাগজপত্রও।  

     

      দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

LinkedIn
Share