Tag: cabinet committee security

cabinet committee security

  • Indian Air Force: ঘুম উড়েছে চিন-পাকিস্তানের! দুই সীমান্তে উচ্চক্ষমতার রেডার, বিশেষ বন্দুক বসাচ্ছে ভারত

    Indian Air Force: ঘুম উড়েছে চিন-পাকিস্তানের! দুই সীমান্তে উচ্চক্ষমতার রেডার, বিশেষ বন্দুক বসাচ্ছে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তান ও চিন সীমান্তে (Pak China Border) নজরদারি বাড়াতে বড় পদক্ষেপ ভারতের। ১৩ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ভারতীয় বায়ুসেনার (Indian Air Force) হাতে আসতে চলেছে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন দেশীয় রেডার ও ক্লোজ-ইন উইপন সিস্টেম (সিআইডব্লুএস)। পূর্ব ও পশ্চিম—দুই প্রান্তের আকাশসীমায় নজরদারি বৃদ্ধি করতে উভয় সীমান্তে বসানো হচ্ছে এই অত্যন্ত শক্তিশালী রেডার। একইসঙ্গে খুব স্বল্প দূরত্বে শত্রুপক্ষের ড্রোন থেকে শুরু করে ক্ষেপণাস্ত্র ও বিমান হামলার মোকাবিলায় মোতায়েন করা হচ্ছে সিআইডব্লুএস। 

    মোদির নেতৃত্বে সিসিএস বৈঠকে সিদ্ধান্ত

    সম্প্রতি, নয়াদিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে বসেছিল নিরাপত্তা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভার বৈঠক। সেখানেই বায়ুসেনার  (Indian Air Force) শক্তিবৃদ্ধি করতে এই দুই অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম কেনার বিষয়ে সবুজ সঙ্কেত দেওয়া হয়েছে। এই দুটি ভারতেই উৎপাদন করবে দেশীয় সংস্থা লার্সেন অ্যান্ড টুব্রো। জানা গিয়েছে, এর মধ্যে রেডার কিনতে খরচ হবে ৬০০০ কোটি টাকা। অন্যদিকে, ৭০০০ কোটি টাকা দিয়ে কেনা হবে ক্লোজ-ইন উইপন সিস্টেম।

    উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন দেশীয় রেডার

    ভারতে তৈরি হওয়া এই সর্বাধুনিক উচ্চক্ষমতার রেডারগুলি পূর্বে চিন সীমান্তের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা এবং পশ্চিমে পাকিস্তান সীমান্ত নিয়ন্ত্রণরেখায় মোতায়েন করা হবে। এই রেডারগুলির মূল কাজ হবে উভয় দেশের (চিন-পাকিস্তান) বায়ুসেনার গতিপ্রকৃতির ওপর নজর রাখা। যেমন লাদাখ-অরুণাচলে মোতায়েন হওয়া এই রেডারগুলি চিনা বায়ুসেনার কার্যকলাপের ওপর সজাগ দৃষ্টি রাখবে। কাশ্মীর-পাঞ্জাবে মোতায়েন রেডারের মাধ্যমে পাক বায়ুসেনার গতিপ্রকৃতি সঠিকভাবে জানা যাবে।

    কেন প্রয়োজন ছিল এই রেডার?

    কেন এই নতুন অত্যাধুনিক রেডার বসানোর প্রয়োজন ছিল? বায়ুসেনা (Indian Air Force) সূত্রের দাবি, বর্তমানে মোতায়েন রেডারগুলিও শক্তিশালী। পশ্চিম সীমান্তের পাঞ্জাব, রাজস্থান ও গুজরাট সেক্টর থেকেই পাকিস্তানের ওপর নজরদারি রাখা হয়। কিন্তু, পাক-সীমান্তের জম্মু ও কাশ্মীর এবং উত্তর-পূর্বের অরুণাচল— এই জায়গাগুলির ভৌগলিক অবস্থান অত্যন্ত দুর্গম (Pak China Border)। ঘন পার্বত্য অঞ্চলে মোড়া তার ওপর আবহাওয়া প্রায়ই প্রতিকূল। ফলে, সেখান থেকে পাকিস্তান ও চিনের ওপর নজর রাখতে প্রয়োজন ছিল আরও শক্তিশালী রেডার, যা এই দুর্গম জায়গা থেকেও সমান কার্যকর হয়। যার ফলস্বরূপ, নতুন উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন রেডারগুলি বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    হাতের তালুতে চিনা যুদ্ধবিমানের গতিপ্রকৃতি!

    সম্প্রতি, লাদাখ সেক্টরে ডেমচক অঞ্চলে ভারতীয় আকাশসীমা লঙ্ঘন করে চিনা বায়ুসেনা। সঙ্গে সঙ্গে প্রত্যুত্তরে, ভারতীয় বায়ুসেনার (Indian Air Force) দুটি যুদ্ধবিমানকে পাঠিয়ে দেওয়া হয় সেখানে। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারত কত দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে, তা পরখ করার জন্যই এই আকাশসীমা-লঙ্ঘন প্রক্রিয়া চালায় চিন। একবার নতুন রেডার প্রতিস্থাপন হয়ে গেলে, চিনা বায়ুসেনা ঘাঁটি থেকে বিমান উড়লেই ভারত খবর পেয়ে যাবে। 

    ক্লোজ-ইন উইপন সিস্টেমের গুরুত্ব

    দুই সীমান্তের (Pak China Border) আকাশসীমার সুরক্ষা আরও নিশ্ছিদ্র করতে রেডারের পাশাপাশি অত্যাধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন দেশীয় ক্লোজ-ইন উইপন সিস্টেম (সিআইডব্লুএস) বন্দুক বসাচ্ছে ভারত। এই নতুন প্রজন্মের এয়ার-ডিফেন্স গান সীমান্ত-লাগোয়া সামরিক ঘাঁটি ও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের ওপর আকাশপথে হওয়া হামলা প্রতিহত করতে দারুন কার্যকর হবে। ভারতীয় সেনা ও বায়ুসেনা  (Indian Air Force) যৌথ উদ্যোগে এই বিশেষ বন্দুকের নকশা করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Brahmos: আরও শক্তিশালী নৌসেনা, ১৯ হাজার কোটি টাকায় কেনা হচ্ছে ২০০ ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র

    Brahmos: আরও শক্তিশালী নৌসেনা, ১৯ হাজার কোটি টাকায় কেনা হচ্ছে ২০০ ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরও শক্তিবৃদ্ধি হতে চলেছে ভারতীয় নৌসেনার (Indian Navy)। রণতরীতে মোতায়েন করার জন্য ২০০টির বেশি ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র (Brahmos) কেনার বিষয়ে সবুজ সঙ্কেত দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। এর জন্য প্রায় ১৯ হাজার কোটি টাকার চুক্তি সম্পন্ন হতে চলেছে। সূত্রের খবর, বুধবার প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের নেতৃত্বে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসেছিল ক্যাবিনেট কমিটি অন সিকিউরিটি বা সিসিএস। সেখানেই এই মেগা চুক্তি অনুমোদন করা হয়। আগামী মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহেই প্রতিরক্ষা মন্ত্রক ও ব্রহ্মস অ্যারোস্পেসের মধ্যে প্রয়োজনীয় চুক্তি সম্পন্ন হবে।

    আরও পড়ুন: অত্যাধুনিক রেডার থেকে উন্নত অস্ত্র, আরও শক্তিশালী হচ্ছে বায়ুসেনার সুখোই-৩০

    বিশ্বের দ্রুততম ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র

    ব্রহ্মস (Brahmos) সুপারসনিক ক্রুজ মিসাইল ভারত ও রাশিয়ার যৌথ উদ্যোগ তৈরি। বর্তমানে এই ক্ষেপণাস্ত্রটি উৎপাদন করা হয় এদেশই, ব্রহ্মস অ্যারোস্পেসের কারখানায়। ব্রহ্মসের গতি শব্দের প্রায় ৩ গুণ। এটি বিশ্বের দ্রুততম ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র। তার ওপর সর্বাধুনিক প্রযুক্তির মেলবন্ধনে এটি বিশ্বের অন্যতম ভয়ঙ্কর অস্ত্র হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। এটি আকাশেই পথ পাল্টাতে সক্ষম। এমনকী, চলমান লক্ষ্যবস্তুও ধ্বংস করতে পারে এই ক্ষেপণাস্ত্র। এটি মাত্র ১০ মিটার উচ্চতায় উড়তে সক্ষম, যার অর্থ শত্রু রেডার এটি ধরা পড়ে না। এটি যে কোনও ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্তকরণ ব্যবস্থাকে ফাঁকি দিতে পারে। ফলে, এয়ার ডিফেন্স ব্যবস্থার মাধ্যমে একে আটকানো কার্যত অসম্ভব।

    পাল্লা বেড়ে ৪৫০ কিমি

    ব্রহ্মস (Brahmos) এমন একটি ক্ষেপণাস্ত্র যাকে স্থল, জাহাজ, বিমান এমনকী সাবমেরিন থেকেও নিক্ষেপ করা যায়। এই মিসাইল ২০০ কেজি ওজনের পারমাণবিক বোমা বহন করতে সক্ষম। প্রথমদিকে, ব্রহ্মসের পাল্লা ছিল ২৯০ কিমি। কিন্তু, আধুনিক সংস্করণের পাল্লা বেড়ে হয়েছে ৪৫০ কিমি। বর্তমানে, ভারতীয় নৌসেনার (Indian Navy) অন্যতম প্রধান অস্ত্র হয়ে উঠেছে ব্রহ্মস। এই ক্ষেপণাস্ত্রের সর্বশেষ অধিক পাল্লার সংস্করণই কিনতে চলেছে নৌসেনা। জাহাজ-বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র হিসেবে ভারতীয় নৌসেনার এখন প্রথম পছন্দ ব্রহ্মস। 

    আরও পড়ুন: অবসরে রুশ ‘টি-৭২’! ৫৭ হাজার কোটি ব্যয়ে সেনায় আসছে দেশীয় ‘এফআরসিভি’ যুদ্ধট্যাঙ্ক

    বিশ্বের নজর কেড়েছে ব্রহ্মস

    শুধু ভারত নয়, সারা বিশ্বের নজর কেড়েছে ব্রহ্মস (Brahmos)। ফিলিপিন্স কিনছে এই ক্ষেপণাস্ত্র। এর জন্য ৩৭৫ মিলিয়ন ডলার মূল্যের চুক্তি বেশ কিছুদিন আগেই সম্পন্ন হয়েছে। এমনকী, মার্চ মাসেই শুরু হতে চলেছে ব্রহ্মসের লঞ্চার ও কন্ট্রোল সিস্টেম পাঠানোর প্রক্রিয়া। পরবর্তীকালে, পাঠানো হবে ক্ষেপণাস্ত্র। ফিলিপিন্স ছাড়াও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একাধিক দেশ এই ক্ষেপণাস্ত্রকে নিজের অস্ত্রাগারে জায়গা দেওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশ করেছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

LinkedIn
Share