Tag: CAG

CAG

  • CAG Report of Kejriwal Govt: অব্যবহৃত অর্থ থেকে অপূর্ণ প্রতিশ্রুতি, কেজরিওয়াল সরকারের আমল নিয়ে ক্যাগ রিপোর্টে একাধিক প্রশ্ন

    CAG Report of Kejriwal Govt: অব্যবহৃত অর্থ থেকে অপূর্ণ প্রতিশ্রুতি, কেজরিওয়াল সরকারের আমল নিয়ে ক্যাগ রিপোর্টে একাধিক প্রশ্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের নেতৃত্বাধীন আম আদমি পার্টি (AAP) সরকারের আর্থিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে একাধিক গুরুতর প্রশ্ন তুলেছে ২০২৪-২৫ সালের কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল (CAG)-এর রিপোর্ট। সম্প্রতি দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা বিধানসভায় রিপোর্টটি পেশ করেন। রিপোর্টে একদিকে যেমন দিল্লির অর্থনৈতিক বৃদ্ধির গতি কমার বিষয়টি উঠে এসেছে, অন্যদিকে বিভিন্ন প্রকল্পে বরাদ্দ অর্থ অব্যবহৃত থাকা, মূলধনী ব্যয় কমে যাওয়া এবং ভর্তুকির উপর নির্ভরতা বৃদ্ধির কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

    দেশের তুলনায় পিছিয়ে দিল্লির অর্থনৈতিক বৃদ্ধি

    ক্যাগ-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, গত এক দশকে দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক বৃদ্ধির তুলনায় দিল্লির মাথাপিছু আঞ্চলিক আয়-এর বৃদ্ধির হার কম ছিল। ২০১৫-২৫ সময়ে দিল্লির মাথাপিছু জিএসডিপি-এর বার্ষিক চক্রবৃদ্ধি বৃদ্ধির হার (CAGR) ছিল ৬.৩৯ শতাংশ। একই সময়ে দেশের মাথাপিছু জিডিপি বৃদ্ধির হার ছিল ৮.১৪ শতাংশ। রিপোর্টে বলা হয়েছে, দিল্লি দীর্ঘমেয়াদি সম্পদ ও পরিকাঠামো তৈরিকে যথেষ্ট অগ্রাধিকার দেয়নি। এর ফলে ভবিষ্যতে রাজধানীর অর্থনৈতিক বৃদ্ধির উপর প্রভাব পড়তে পারে।

    অর্ধেকেরও বেশি কমেছে মূলধনী ব্যয়

    দিল্লির পরিকাঠামোগত উন্নয়নে মূলধনী ব্যয়ের পতনকে বিশেষভাবে তুলে ধরেছে ক্যাগ। ২০২১-২২ সালে দিল্লিতে মূলধনী প্রকল্পে খরচ হয়েছিল ₹৮,৩১১ কোটি। ২০২৪-২৫ সালে তা কমে দাঁড়ায় মাত্র ₹৩,৬৯৫ কোটি। শুধু সড়ক পরিবহণ পরিকাঠামোতেই ব্যয় এক বছরে ₹১,৪৪৮ কোটি থেকে কমে ₹৩৯০ কোটি হয়েছে। ২০২৪-২৫ সালে মোট ব্যয়ের মাত্র ৬.৫৩ শতাংশ মূলধনী খাতে খরচ হয়েছে। এর আগের বছর, অর্থাৎ ২০২৩-২৪ সালে এই খাতে ব্যয় হয়েছিল ₹৬,৮৫৫ কোটি।

    বরাদ্দের প্রায় ২৩ শতাংশই খরচ হয়নি

    রিপোর্টের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ হল, ২০২৪-২৫ সালে দিল্লি সরকারের জন্য মোট ₹৮০,৭৯৮.৮১ কোটি বাজেট বরাদ্দ করা হলেও খরচ হয়েছে মাত্র ₹৬১,৯১১.১৯ কোটি।অর্থাৎ ₹১৮,৮৮৭.৬২ কোটি খরচ হয়নি। এর মধ্যে ₹১১,২৬৩.৩৪ কোটি ফেরত দেওয়া হয় এবং আরও ₹৭,৬২৪.২৮ কোটি মার্চ ২০২৫-এর শেষে ল্যাপ্স করে যায়। ক্যাগ-এর হিসাবে, বিধানসভা যে অর্থ ব্যয়ের অনুমোদন দিয়েছিল তার ২৩.৩৮ শতাংশ ব্যবহার করা সম্ভব হয়নি। রিপোর্টে বলা হয়েছে, প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত ব্যয়ের হিসাব তৈরি করা দুর্বল বাজেট পরিকল্পনার ইঙ্গিত দেয়। এমনকি অর্থবর্ষের মাঝামাঝি সময়ে অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দ করা হলেও মূল বাজেটের বরাদ্দের সমপরিমাণ ব্যয়ও সরকার করতে পারেনি বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।

    এক খাত থেকে অন্য খাতে অর্থ সরিয়েও হয়নি পূর্ণ ব্যয়

    বছরের মাঝামাঝি সময়ে বিভিন্ন খাতে বরাদ্দ অর্থ এক বিভাগ থেকে অন্য বিভাগে সরানো হয়েছিল। কিন্তু সেই পুনর্বিন্যাসের পরও পুরো অর্থ ব্যয় করা সম্ভব হয়নি। ক্যাগ জানিয়েছে, ২০২৪-২৫ সালে ছয়টি অনুদানের অধীনে ১৬টি উপ-খাতে মোট ₹১,৪৪৫.৭২ কোটি অর্থ অব্যবহৃত থেকে যায়। এর মধ্যে ₹৮৮৯.১০ কোটি ছিল পুনর্বিন্যাসের মাধ্যমে সরানো অর্থ। রিপোর্টের মতে, এই ঘটনাও বাজেট তৈরির ক্ষেত্রে ত্রুটির ইঙ্গিত দেয়।

    ভর্তুকিতে বাড়ছে ব্যয়

    অন্যদিকে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক ও মূলধনী খাতে ব্যয় কমলেও ভর্তুকির ক্ষেত্রে দিল্লি সরকারের ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে বলে ক্যাগ রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। ২০২৪-২৫ সালে দিল্লির মোট রাজস্ব ব্যয়ের ১০.১৮ শতাংশ ভর্তুকিতে খরচ হয়েছে। এর মধ্যে বিদ্যুৎ ভর্তুকির অংশ ছিল সবচেয়ে বেশি—মোট ভর্তুকি ব্যয়ের প্রায় ৬৭ থেকে ৭৩ শতাংশ। আগের বছরের তুলনায় ২০২৪-২৫ সালে ভর্তুকি ব্যয় ₹২৫০ কোটি বা ৫.১৭ শতাংশ বেড়েছে। এর মধ্যে বিদ্যুৎ ভর্তুকিতে ₹৩৬১ কোটি, নগরোন্নয়ন ও জল ভর্তুকিতে ₹২২ কোটি এবং শিক্ষা ভর্তুকিতে ₹৩৮ কোটি বৃদ্ধি হয়েছে।

    দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক স্থায়িত্ব নিয়ে সতর্কতা

    ক্যাগ সতর্ক করেছে, ভর্তুকিতে অতিরিক্ত ব্যয় দীর্ঘমেয়াদে দিল্লির আর্থিক স্থায়িত্বের উপর চাপ তৈরি করতে পারে। এর ফলে গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়নমূলক খাতে প্রয়োজনীয় ব্যয়ের জন্য অর্থের সংকট তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। রিপোর্টে রাজস্ব বাড়ানো, ব্যয়ের উপর আরও নিয়ন্ত্রণ, কাঠামোগত সংস্কার এবং সময়মতো হিসাব ও রিপোর্টিংয়ের উপর জোর দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে ভবিষ্যতে আরও বাস্তবসম্মত ও প্রয়োজনভিত্তিক বাজেট বরাদ্দ করার পরামর্শও দিয়েছে ক্যাগ। সব মিলিয়ে, ক্যাগ-এর এই রিপোর্ট দিল্লির প্রাক্তন আপ সরকারের আর্থিক ব্যবস্থাপনা, বাজেট পরিকল্পনা এবং সরকারি অর্থের ব্যবহার নিয়ে একাধিক প্রশ্ন সামনে এনেছে। বিশেষ করে বিপুল পরিমাণ অর্থ অব্যবহৃত থাকা এবং মূলধনী ব্যয় কমে যাওয়ার বিষয়টি রাজধানীর দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি করতে পারে।

  • Charu Pandey: ১৯ সরকারি চাকরির পরীক্ষায় সাফল্য, রাষ্ট্রপতির হাত থেকে স্বর্ণপদক পাচ্ছেন চারু পান্ডে

    Charu Pandey: ১৯ সরকারি চাকরির পরীক্ষায় সাফল্য, রাষ্ট্রপতির হাত থেকে স্বর্ণপদক পাচ্ছেন চারু পান্ডে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের সরকারি চাকরির পরীক্ষার্থীদের কাছে অনুপ্রেরণার আর এক নাম ছত্তিশগড়ের তিলদা-নেওরার বছর তেইশের তরুণী চারু পান্ডে (Charu Pandey)। এক বা দু’টি নয়, সব মিলিয়ে মোট ১৯টি প্রতিযোগিতামূলক সরকারি চাকরির পরীক্ষায় (Government Exams) উত্তীর্ণ হয়ে নজির গড়েছেন তিনি। চারু এখন বিশাখাপত্তনমে ভারতের কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল (CAG) দফতরে অ্যাসিস্ট্যান্ট অডিট অফিসার হিসেবে কাজ করছেন। এটি তাঁর স্বপ্নের চাকরি।

    স্বর্ণপদক পাচ্ছেন চারু (Charu Pandey)

    চারুর এই অসাধারণ কৃতিত্বের স্বীকৃতি হিসেবে চলতি বছরের স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু তাঁর হাতে তুলে দেবেন স্বর্ণপদক। গণিতে স্নাতক চারু কলেজে পড়াশোনা করা কালীনই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি শুরু করেন। কোনও কোচিং সেন্টারে ভর্তি না হয়ে সেল্ফ-স্টাডির মাধ্যমে একের পর এক পরীক্ষায় সফল হন তিনি। চারুর সাফল্যের তালিকায় রয়েছে এসএসসি সিজিএল, এসএসসি সিএইচএসএল, এসএসসি এমটিএস, এসএসসি জিডি, এসএসসি সিপিও, এসবিআই পিও, এসবিআই ক্লার্ক, আইবিপিএস পিও, আইবিপিএস ক্লার্কের পাশাপাশি বিভিন্ন রেলওয়ে এবং রাজ্যস্তরের নিয়োগ পরীক্ষা।

    চারুর কঠোর ‘সাধনা’

    চারু জানান, প্রথমে এতগুলি পরীক্ষায় বসার কোনও পরিকল্পনা তাঁর ছিল না। একটি পরীক্ষার ফল প্রকাশে দীর্ঘ সময় লাগত, তাই অপেক্ষা না করে তিনি পরবর্তী পরীক্ষার প্রস্তুতি সেরে ফেলতেন। এভাবেই একের পর এক সুযোগ কাজে লাগিয়ে তৈরি হয়েছে তাঁর এই অনন্য সাফল্যের ইতিহাস। প্রস্তুতির জন্য চারু ছত্তিশগড়ের রায়পুরে একটি গেস্ট হাউসে ছ’মাস একা একা কাটিয়েছেন, যাতে পড়াশোনায় কোনও বাধা না আসে। সেই সময় তিনি দিনে প্রায় ২০ ঘণ্টা পর্যন্ত পড়াশোনা করতেন। তবে শুধু পড়াশোনা নয়, মানসিক ভারসাম্য বজায় রাখতে অন্যান্য কাজেও সময় দেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি। ওই সময় তিনি স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের পড়াতেন, যা তাঁর নিজের বিষয়ভিত্তিক ধারণাকেও আরও শক্তিশালী করেছিল।

    সাফল্যের মূল চাবিকাঠি

    চারুর (Charu Pandey) মতে, সফলতার মূল চাবিকাঠি হল গভীরভাবে পড়াশোনা করা। তিনি বলেন, “পুরো সিলেবাস শেষ করার পেছনে না ছুটে যতটুকু পড়বেন, সেটাকে একেবারে পোক্ত করে তুলুন।” কোচিং না করেও অনলাইন প্ল্যাটফর্মকে কাজে লাগিয়েছেন চারু। বিভিন্ন শিক্ষকের ইউটিউব লেকচার দেখে প্রস্তুতি নিয়েছেন এবং কোনও বিষয়ে সন্দেহ তৈরি হলে সাহায্য নিয়েছেন এআইয়ের (AI)। পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশে তাঁর (Charu Pandey) পরামর্শ, সময়ের সঠিক ব্যবহার করতে হবে, ইতিবাচক মনোভাব বজায় রাখতে হবে এবং মানসিক চাপের বিষয়ে পরিবারের সঙ্গে খোলাখুলি আলোচনা করতে হবে (Government Exams)। চারুর বাবা-মা জানান, তাঁরা মেয়েকে খুব বেশি বইপত্র নিয়ে বসে থাকতে দেখতেন না, যদিও তাঁর ওপর সবসময়ই আস্থা ছিল। ছোট শহরের এক সাধারণ পরিবারের মেয়ে থেকে দেশের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ সরকারি চাকরিতে চারুর (Charu Pandey) পৌঁছানোর এই যাত্রা প্রমাণ করে, ব্যয়বহুল কোচিং নয়, বরং ধারাবাহিকতা, আত্মনিয়োগ এবং সঠিক কৌশলই সাফল্যের আসল (Government Exams) চাবিকাঠি।

     

  • Vanishing Lakes of Kashmir: বিপন্ন ভূস্বর্গের জীববৈচিত্র্য, লুপ্ত হয়ে গিয়েছে ৫১৮টি হ্রদ!

    Vanishing Lakes of Kashmir: বিপন্ন ভূস্বর্গের জীববৈচিত্র্য, লুপ্ত হয়ে গিয়েছে ৫১৮টি হ্রদ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৯৬৭ সাল থেকে ৬৯৭টি প্রাকৃতিক হ্রদের মধ্যে ৫১৮টি হয় সম্পূর্ণ বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে অথবা আয়তনে কমে গিয়েছে (CAG)। ফলে পরিবেশগত ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি ক্ষতি হয়েছে জীববৈচিত্র্যেরও (Vanishing Lakes of Kashmir)। ক্যাগের রিপোর্টেই উঠে এসেছে ভূস্বর্গের চাঞ্চল্যকর এই ছবি। ক্যাগের আধিকারিকরা ওপর থেকে নীচ পর্যন্ত নথিপত্র যাচাই করার ক্ষেত্রে তাঁদের সূক্ষ্মতা এবং কঠোর পর্যবেক্ষণের জন্য পরিচিত। বিভিন্ন মন্ত্রক ও দফতরের উল্লেখ করে ক্যাগের প্রতিবেদনগুলিতে ত্রুটি, ভুলভ্রান্তি এবং ঘাটতিগুলি তুলে ধরা হয়। এসব বিশদ মন্তব্য ও সুপারিশ প্রায়ই সংশোধনের পথ দেখায়। চলতি বছরের জম্মু-কাশ্মীরের ওপর ক্যাগের রিপোর্টে বহু সমস্যা চিহ্নিত হয়েছে, বিশেষ করে হ্রদগুলিকে উদ্বেগের বিষয় হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।

    লোপ পাচ্ছে একের পর এক হ্রদ (Vanishing Lakes of Kashmir)

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, জলজ এলাকা থেকে জলাভূমি, তারপর দ্বীপ এবং শেষে মানুষের বসবাসযোগ্য জমিতে রূপান্তর একটি প্রায় অপরিবর্তনীয় প্রক্রিয়া। ২০২৪ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত সংরক্ষণ সংক্রান্ত রিপোর্টে বলা হয়েছে, মোট ২৮,৯৯০ হেক্টর এলাকাজুড়ে থাকা ৬৯৭টি হ্রদের মধ্যে ৩১৫টি হ্রদ সম্পূর্ণ বিলুপ্ত হয়েছে এবং ২০৩টি হ্রদের আয়তন ১,৩১৪.১৯ হেক্টর কমেছে। রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের দখলদারিত্ব বা দুর্গম এলাকায় অনুপ্রবেশ—উভয়ই একই ফল দেয়, ক্রমেই সংকুচিত হয় উদ্ভিদ ও প্রাণীর আবাসস্থল। মোট ৫১৮টি হ্রদের ২,৮৫১.২৬ হেক্টর এলাকা হ্রাস পেয়েছে কিংবা বিলুপ্ত হয়েছে। এশিয়ার বৃহত্তম মিষ্টি জলের হ্রদ উলার হ্রদ (Wular Lake)-এর অবস্থাও একই রকম উদ্বেগজনক (Vanishing Lakes of Kashmir)। এই তালিকায়ই রয়েছে ডাল লেক এবং শ্রীনগরের অন্যান্য হ্রদগুলিও।

    ক্যাগের সুপারিশ

    কার্যকর সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার জন্য সময়সীমাবদ্ধ ও কাঠামোবদ্ধ পদক্ষেপ নেওয়ার সুপারিশ করেছে ক্যাগ। আয়তনে লেকের এই কমে যাওয়া আকার পরিবেশগত পরিষেবা ব্যাহত করেছে এবং জল, খাদ্য ও জীববৈচিত্র্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। হ্রদের আয়তন কমে যাওয়াও জলবায়ু নিরাপত্তাকেও ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। ২০১৪ সালের কাশ্মীরে বন্যার  অন্যতম কারণ ছিল উলার হ্রদের অবক্ষয়, যা স্বাভাবিকভাবে বন্যা প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে (CAG)। জানা গিয়েছে, ২০৩টি সংকুচিত হ্রদের মধ্যে ৬৩টি ৫০ শতাংশেরও বেশি আয়তন খুইয়েছে, যা তাদের বিলুপ্তির ঝুঁকিতে ফেলেছে। ক্যাগের মতে, ভূমি ব্যবহারের পরিবর্তন, বন উজাড়, জলবায়ু পরিবর্তন এবং নিয়ন্ত্রণহীন মানবিক কার্যকলাপই এই অবক্ষয়ের প্রধান কারণ (Vanishing Lakes of Kashmir)।

    সমস্যায় ডাল লেকও

    ডাল লেকের ক্ষেত্রেও দেখা গিয়েছে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন। ২০০৭ সালে ১৫.৪০ বর্গকিমি থেকে ২০২০ সালে ১২.৯১ বর্গকিমিতে নেমে এসেছে। গত ১৩ বছরে ১০.১৫ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। একই সময়ে ভাসমান উদ্ভিদ, কৃষিজমি এবং বসতিস্থানের পরিমাণ বেড়েছে। ক্যাগের রিপোর্টেই  লক্ষ্য করা গিয়েছে যে লেকস কনজারভেশন অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অথরিটি (Lakes Conservation and Management Authority ভূমি ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এছাড়া সিউয়েজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (STP) সঠিকভাবে কাজ না করা, দূষণ নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা, এবং দুর্বল নজরদারি পরিস্থিতিকে আরও খারাপ করেছে। জাতীয় হ্রদ সংরক্ষণ কর্মসূচি (NLCP) এবং প্রধানমন্ত্রীর পুনর্গঠন কর্মসূচি (PMRP)-এর বাস্তবায়নেও গুরুতর ঘাটতি দেখা গিয়েছে। STP-তে ৪৫ কোটি টাকার বেশি ব্যয় করা সত্ত্বেও বর্জ্য যথাযথভাবে শোধন করা হয়নি। ওই প্রতিবেদনই জানায় যে পরিকল্পনা, বাস্তবায়ন এবং পর্যবেক্ষণে ঘাটতি (CAG) থাকলে ডাল লেকের (Vanishing Lakes of Kashmir) পুনরুদ্ধার কঠিন হয়ে পড়বে।

     

  • CAG Report: দেনায় ডুবে যাচ্ছে তৃণমূল পরিচালিত পশ্চিমবঙ্গ সরকার, বলছে ক্যাগের রিপোর্ট

    CAG Report: দেনায় ডুবে যাচ্ছে তৃণমূল পরিচালিত পশ্চিমবঙ্গ সরকার, বলছে ক্যাগের রিপোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খয়রাতির রাজনীতি করতে গিয়ে দেনায় ডুবে যাচ্ছে তৃণমূল পরিচালিত পশ্চিমবঙ্গ সরকার (West Bengal)। ঋণের বোঝার বহর দিনের পর দিন চাপছে পাঞ্জাবের আপ পরিচালিত সরকারের ঘাড়ে। ভারতের দ্য কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল (ক্যাগ) সম্প্রতি এক অভিনব রিপোর্ট (CAG Report) প্রকাশ করেছে। তাতে দেখা যাচ্ছে, ভারতের বিভিন্ন রাজ্য কীভাবে তাদের আর্থিক ব্যবস্থা পরিচালনা করছে। শুক্রবার রাজ্যের অর্থসচিব সম্মেলনে সিএজি কে সঞ্জয় মূর্তি এই রিপোর্ট প্রকাশ করেন। রিপোর্টে বলা হয়েছে, গত এক দশকে ভারতের ২৮টি রাজ্যের মোট সরকারি ঋণ তিন গুণেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০১৩-১৪ সালে যেখানে এই দেনার পরিমাণ ১৭.৫৭ লাখ কোটি টাকা, সেখানে ২০২২-২৩ সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৯.৬০ লাখ কোটি টাকায়। ভারতের রাজ্যগুলির ঋণ থেকে রাজ্যের জিডিপির (GSDP) অনুপাত সবচেয়ে বেশি। এর অর্থ হল ওই রাজ্যগুলির অর্থনীতির আকারের তুলনায় ঋণের বোঝা ভয়ঙ্করভাবে বড়।

    পশ্চিমবঙ্গের অবস্থা (CAG Report)

    রিপোর্টে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের ৩১শে মার্চ পর্যন্ত আটটি রাজ্যের সরকারি ঋণের দায় তাদের জিএসডিপির ৩০ শতাংশেরও বেশি ছিল। ছটি রাজ্যের ক্ষেত্রে এই দায় জিএসডিপির ২০ শতাংশের কম ছিল। আর বাকি ১৪টি রাজ্যের ক্ষেত্রে সরকারি ঋণের দায় তাদের নিজ নিজ জিএসডিপির ২০ থেকে ৩০ শতাংশের মধ্যে ছিল।” রিপোর্টে বলা হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের অবস্থা ভয়াবহ। এ রাজ্যে রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত সরকার। রাজ্যের ঋণ-টু-জিএসডিপির অনুপাত এখন ৩৩.৭ শতাংশে পৌঁছেছে, যা দেশের সর্বোচ্চগুলির মধ্যে একটি (CAG Report)। পশ্চিমবঙ্গের মতো অবস্থা আর এক অ-বিজেপি শাসিত রাজ্য পাঞ্জাবেরও।

    করুণ অবস্থা পাঞ্জাবের

    দীর্ঘ দিন ধরেই পাঞ্জাব সীমিত রাজস্বভিত্তি এবং ক্রমবর্ধমান ব্যয়ের সঙ্গে লড়াই করে চলেছে। সিএজির রিপোর্টে নিশ্চিত করা হয়েছে যে পরিস্থিতি ধীরে ধীরে অস্থিতিশীল হয়ে উঠছে। পাঞ্জাব এমন এক রাজ্য যেখানে ইতিমধ্যেই বেকারত্ব, কৃষিক্ষেত্রে সঙ্কট, এবং শিল্পোন্নয়নের কম সুযোগ রয়েছে। তার ওপর এত বিপুল ঋণ উন্নয়নে লগ্নি করার ক্ষমতাকে মারাত্মকভাবে পঙ্গু করে দিচ্ছে (West Bengal)। মূলধনী ব্যয়, যেমন পরিকাঠামো নির্মাণ, যা ভবিষ্যতে প্রবৃদ্ধি সৃষ্টি করে, সেদিকে মনোযোগ দেওয়ার বদলে পাঞ্জাব এখন বাধ্য হচ্ছে ঋণ করা অর্থের বড় অংশ শুধু দৈনন্দিন খরচ চালাতে। প্রায় একই দশা পশ্চিমবঙ্গেরও। গত দশকে পশ্চিমবঙ্গের ঋণের বোঝা দারুনভাবে বেড়েছে। পাঞ্জাবের মতো পশ্চিমবঙ্গও সেই ১১টি রাজ্যের মধ্যে পড়ে, যারা ঋণ করে জোগাড় করা অর্থ ব্যবহার করছে দৈনন্দিন খরচ চালাতে। এর মধ্যে রয়েছে বেতন, ভর্তুকি ও প্রশাসনিক খরচ। অথচ এই টাকা খরচ করা যেতে পারত দীর্ঘমেয়াদে রাজ্যের আর্থিক স্বাস্থ্য উন্নত করতে (CAG Report)।

    রাজস্ব প্রাপ্তি

    রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, “গড়ে রাজ্যগুলির সরকারি ঋণ তাদের রাজস্ব প্রাপ্তি বা মোট অঋণ প্রাপ্তির প্রায় ১৫০ শতাংশ। একইভাবে, সরকারি ঋণ রাজ্যগুলির মোট রাজ্য ডোমেস্টিক উৎপাদনের ১৭ থেকে ২৫ শতাংশের মধ্যে ওঠানামা করেছে এবং গড়ে জিএসডিপির ২০ শতাংশ হয়েছে। ২০১৯-২০ অর্থবর্ষে জিএসডিপির ২১ শতাংশ থেকে ২০২০-২১ অর্থবর্ষে ২৫ শতাংশে ৪ শতাংশ বৃদ্ধির প্রধান কারণ হল ২০২০-২১ সালে কোভিড অতিমারি পর্বের কারণে জিএসডিপির পতন হয়। ২০২০-২১ থেকে ২০২২-২৩ সময়ে কেন্দ্রীয় সরকারের ঋণ বৃদ্ধির পেছনে মূল কারণ ছিল ব্যাক-টু-ব্যাক ঋণ, যা রাজ্যগুলিকে পুঁজি ব্যয়ের জন্য দেওয়া বিশেষ সহায়তা ও জিএসটি ক্ষতিপূরণের ঘাটতির পরিবর্তে ছিল (CAG Report)।”

    ঋণের অর্থ ব্যয় হয়েছে ঘাটতি পূরণেই

    সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি পশ্চিমবঙ্গ, পাঞ্জাব ও নাগাল্যান্ডের। তবে অধিকাংশ অন্যান্য রাজ্যও খুব বেশি পিছিয়ে নেই। উল্টো দিকে, ওড়িশা, মহারাষ্ট্র ও গুজরাটের মতো কিছু রাজ্য তাদের ঋণের অনুপাত তুলনামূলকভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পেরেছে, যা আর্থিক শৃঙ্খলার ক্ষেত্রে একেবারেই উল্টো একটি ছবি তুলে ধরে (West Bengal)। রিপোর্টে উত্থাপিত আর একটি উদ্বেগজনক সূচক হল, ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে পাঞ্জাব, পশ্চিমবঙ্গ ও নাগাল্যান্ড-সহ ১১টি রাজ্যে পুঁজি ব্যয় তাদের নিট ঋণের চেয়ে কম ছিল। উদাহরণস্বরূপ, অন্ধ্রপ্রদেশ ও পাঞ্জাবে যথাক্রমে তাদের নিট ঋণের মাত্র ১৭ শতাংশ এবং ২৬ শতাংশ ছিল পুঁজি ব্যয়। এর মানে হল, ঋণ নেওয়া অধিকাংশ অর্থ নতুন সম্পদ তৈরিতে (West Bengal) নয়, বরং ব্যয় হয়েছে ঘাটতি পূরণেই (CAG Report)।

  • Raiganj University: রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ে লক্ষ লক্ষ টাকার আর্থিক বেনিয়ম! প্রশ্ন ক্যাগ রিপোর্টে, জবাব তলব

    Raiganj University: রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ে লক্ষ লক্ষ টাকার আর্থিক বেনিয়ম! প্রশ্ন ক্যাগ রিপোর্টে, জবাব তলব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ে (Raiganj University) বহু লক্ষ টাকার আর্থিক বেনিয়ম হয়েছে বলে দাবি করেছে কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল (ক্যাগ)। রাজ্যের প্রিন্সিপাল অ্যাকাউন্ট্যান্ট জেনারেলের তরফে চিঠিও পাঠানো হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়কে। ৯ সেপ্টেম্বর পাঠানো সেই চিঠিতে যে যে অনিয়ম ও অস্বচ্ছতার অভিযোগ মিলেছে, তার জবাব চাওয়া হয়েছে।

    প্রজেক্ট রিপোর্ট বানাতে ৩৭.৬৮ লক্ষ! (Raiganj University)

    ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় (Raiganj University) তৈরি হয়েছিল। সেই সময় থেকে অর্থাৎ, ২০১৫-১৬ আর্থিক বছর থেকে ২০২২-২৩ পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের খরচের অডিট করে ক্যাগ (CAG)। গত ২২ এপ্রিল থেকে ২৪ মে পর্যন্ত চলে অডিট। এর পরে ইন্সপেকশন রিপোর্ট তৈরি করে তা বিশ্ববিদ্যালয়কে পাঠানো হয়েছে গত ৯ সেপ্টেম্বর।  আনন্দবাজার প্রত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুয়ায়ী, ক্যাগের রিপোর্টে বলা হয়েছে, উপাচার্যের বাংলো এবং কর্মীদের আবাসন বানানোর ক্ষেত্রে নির্মাণকারী সংস্থাকে অতিরিক্ত ২৫.৮১ লক্ষ টাকা দেওয়ার কথা। নিয়ম ভেঙে ৫৫ লক্ষ টাকা অগ্রিম দেওয়া নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে ক্যাগ। ওই কাজের বরাত প্রথমে রাজ্য সরকার অনুমোদিত সংস্থাকে দেওয়া হলেও পরে তা নিয়ম ভেঙে অন্য এক সংস্থাকে দেওয়া হয় বলে দাবি ক্যাগের। বলা হয়েছে, ওই সংস্থাকে কোনও আইনি ওয়ার্ক অর্ডার দেওয়া হয়নি, বিশ্ববিদ্যালয় কোনও চুক্তিও করেনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণের প্রজেক্ট রিপোর্ট বানাতে ৩৭.৬৮ লক্ষ টাকা খরচ নিয়েও প্রশ্ন তুলে ক্যাগ। এ ছাড়াও, রাজ্য সরকারের টেন্ডার নীতি অমান্য করে কয়েকটি সংস্থাকে বারংবার বিভিন্ন কাজের বরাত দেওয়া হয়েছে। যে সব ক্ষেত্রে কোনও দরপত্রের বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়নি।

    আরও পড়ুন: শিক্ষা ছাড়া উন্নয়ন সম্ভব নয়, তবে শিক্ষাকে হতে হবে ভারত-কেন্দ্রিক, মনে করেন মোহন ভাগবত

     চেয়ার-টেবিল আনতে খরচ ৫.৪৮ লক্ষ!

    আনন্দবাজার প্রত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুয়ায়ী, ক্যাগের দাবি, সিসিটিভি ব্যবস্থা, গ্রন্থাগার, স্মার্ট ক্লাসরুম বানানো কিংবা সল্টলেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের (Raiganj University) নামে ভাড়া নেওয়া তিন কামরার ফ্ল্যাট-সহ অনেক কিছু নিয়ে ‘অস্বচ্ছতা’র অভিযোগ রয়েছে ক্যাগের রিপোর্টে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই পশ্চিমবঙ্গ সরকারের নীতি-নিয়মের তোয়াক্কা করা হয়নি বলে দাবি। এমন নানা তথ্য দেওয়ার পাশাপাশি ক্যাগের দাবি, ২০১৭ সালে বিশ্ববিদ্যালয় ৯৭ লক্ষ টাকার চেয়ার-টেবিল কেনে। যা দোকান থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে আনতে খরচ হয়েছিল ৫.৪৮ লক্ষ টাকা। এ ছাড়াও বিভিন্ন বিভাগের এমন বহু লক্ষ টাকার খরচ দেখানো হয়েছে, যারযথাযথ রসিদ নেই বিশ্ববিদ্যালয়ের। বিশ্ববিদ্যালয় এক কোটি টাকার বেশি তথ্যপ্রযুক্তি সংক্রান্ত সরঞ্জাম কেনার ক্ষেত্রেও কোনও টেন্ডার ডাকেনি। ক্যাগের দাবি,৪৩.২৯ লাখ টাকার গাড়ি কেনার ক্ষেত্রে কোনও টেন্ডার বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়নি। যদিও পশ্চিমবঙ্গ সরকারের নিয়ম অনুযায়ী একটি বিলে পাঁচ লাখ টাকার বেশি খরচ করতে হলে ই-টেন্ডার বাধ্যতামূলক।

    কী বললেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য?

    উপাচার্য দীপককুমার রায় এবং রেজিস্ট্রার দুর্লভ সরকার ক্যাগের কাছে চিঠির কথা স্বীকার করে জানিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের (Raiganj University) পরবর্তী এক্সিকিউটিভ কাউন্সিলের বৈঠকের পরে চিঠির জবাব দেওয়া হবে।  কবে হবে সেই বৈঠক? উপাচার্য দীপককুমার বলেন, ‘‘রাজ্য সরকার বা উচ্চশিক্ষা দফতরের অনুমোদন মিললেই বৈঠক হবে। তার পরেই চিঠির জবাব তৈরি হবে। যে যে দফতর, সংস্থা বা ব্যক্তিকে নিয়ে অভিযোগ উঠেছে, তাঁদের ইতিমধ্যেই চিঠি পাঠানো হয়েছে। ”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের লক্ষ লক্ষ টাকা দুর্নীতির অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

    South 24 Parganas: পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের লক্ষ লক্ষ টাকা দুর্নীতির অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্যাগ বা একশো দিনের কাজ নয়, এবার অর্থ কমিশনের লক্ষ লক্ষ টাকা নয় ছয়ের অভিযোগ সামনে এলো রাজ্যে। আবাস যোজনায় ব্যাপক দুর্নীতির পর এবার কেন্দ্রের বরাদ্দ পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের টাকায় নয়ছয় হয়েছে। আর এই ঘটনায় দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) নামখানা ব্লকে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে। যদিও বিডিও তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। সেই সঙ্গে এই দুর্নীতিকে হাতিয়ার করে সরব হয়েছে বিজেপি। অপর দিকে পালটা তৃণমূল তাদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগকে সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে। কিন্তু ফের একবার আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ উঠল রাজ্যের শাসক দল তৃণমূলের বিরুদ্ধে।

    মূল অভিযোগ কী (South 24 Parganas)?

    স্থানীয় (South 24 Parganas) সূত্রে জানা গিয়েছে, নামখানা ব্লকের পাঁচটি পঞ্চায়েত এলাকায় ২০২২-২৩ অর্থ বর্ষে ১৫ লক্ষ টাকার বেশি নয়ছয় হয়েছে। এই অভিযোগ দায়ের করেছেন ওই ব্লকের নামখানা পঞ্চায়েতের বাসিন্দা স্নেহাশিস গিরি। তিনি বলেন, “এক্ষেত্রে ব্লকের নামখানা, বুধাখালি, হরিপুর, শিবরামপুর ও নারায়ণপুর পঞ্চায়েত অঞ্চলে ২০২২-‌২৩ অর্থবর্ষে পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের টাকা সঠিকভাবে ব্যবহার করেনি রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল। অর্থ কমিশনের টাকা এলাকার রাস্তা, নিকাশি এবং পানীয় জলের প্রকল্পে খরচ হওয়ার কথা। কিন্তু কাজের টেন্ডার এবং লেনদেনে মোট ১৬৫টি বেনিয়ম হয়েছে।” এবার এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন এলাকার বিডিও। যদিও ব্লকের তৃণমূল নেতৃত্ব দুর্নীতি মানতে নারাজ।

    বিজেপির বক্তব্য

    বিজেপির মথুরাপুর (South 24 Parganas) সাংগঠনিক জেলার জেলা সম্পাদক বিপ্লব নায়েক বলেন, “এই যোজনার টাকা সবটাই লুট হয়েছে। অবিলম্বে চোরেদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। বিডিও দুর্নীতির বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার পরিবর্তে তৃণমূলেরই পক্ষ নিয়েছেন।”

    তৃণমূলের বক্তব্য

    নামখানার (South 24 Parganas) তৃণমূল নেতা অভিষেক দাস এই আর্থিক দুর্নীতি নিয়ে বলেছেন, “পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের টাকাকে প্রকল্পের প্রতিটি ধাপে নিয়ম মেনে কাজের জন্য খরচ করা হয়েছে। কোনও অভিযোগের বাস্তব ভিত্তি নেই। তদন্ত হলে সত্যতা প্রমাণ হবে।”     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Enforcement Directorate: ১০০ দিনের কাজে দুর্নীতি, রথীন্দ্রনাথ দে-কে সিজিওতে তলব ইডির

    Enforcement Directorate: ১০০ দিনের কাজে দুর্নীতি, রথীন্দ্রনাথ দে-কে সিজিওতে তলব ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গতকাল মঙ্গলবার সকাল থেকে রাজ্যের চারটি জায়গায় একশো দিনের কাজের দুর্নীতিতে তল্লাশি অভিযান চালায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি (Enforcement Directorate)। মুর্শিদাবাদের রথীন্দ্রনাথ দে-র বাড়িতে চলে ব্যাপক তল্লাশি। সেই সঙ্গে সাত ঘণ্টা চলেছে টানা জেরা। ইডি সূত্রে খবর, বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উদ্ধার হয়েছে। ফের তাঁকে আগামী শুক্রবার সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ওই দিন সকাল ১০টায় হাজিরা দিতে হবে। উল্লেখ্য, রাজ্যে ১০০ দিনের কাজের দুর্নীতি নিয়ে ক্যাগ রিপোর্ট দিয়েছে। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু বক্তব্য, “তৃণমূল এখন ক্যাগ আতঙ্কে ভুগছে”।

    ইডি সূত্রে খবর (Enforcement Directorate)

    ইডি (Enforcement Directorate) সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৯ সালের ৬ সেপ্টেম্বর বেলডাঙা ১ ব্লকের বিডিও বিরূপাক্ষ মিত্র এই পঞ্চায়েত কর্মীর বিরুদ্ধে আর্থিক তছরুপের অভিযোগ তুলে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তখন অবশ্য রথীন্দ্র বেলডাঙা-১ এর সুজাপুর-কুমারপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের এক্সিকিউটিভ অ্যাসিস্ট্যণ্ট পদে কাজ করেছিলেন। উল্লেখ্য, এই অভিযোগের ভিত্তিত্বে তাঁকে চাকরি থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। এই সূত্র ধরেই তাঁর বহরমপুরের বাড়িতে মঙ্গলবার সারাদিন ব্যাপী চলে তল্লাশি। এবার বোন ইতি চট্টোপাধ্যায়কেও কলকাতায় সিজিও কমপ্লেক্সে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    মঙ্গলবার হয়েছে তল্লাশি

    গতকাল মঙ্গলবার মুর্শিদাবাদের বহরমপুরের মধুপুরের কালীবাড়ি এলাকায় রাজ্যের দুই সরকারি কর্মীর বাড়িতে ইডি (Enforcement Directorate) কর্তারা জিজ্ঞাসাবাদ করেন। একশো দিনের টাকা নয়ছয়ের অভিযোগ রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তাঁদের মধ্যে একজন ছিলেন প্রাক্তন পঞ্চায়েত কর্মী এবং অপর ব্যক্তি হলেন মুর্শিদাবাদ জেলার মনরেগা প্রকল্পের বর্তমান নোডাল অফিসার সঞ্চয়ন পান।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    গতকাল ইডির (Enforcement Directorate) তদন্ত নিয়ে তৃণমূলের পক্ষ থেকে শশী পাঁজা বলেছেন, “শুভেন্দু দিল্লিতে একাধিক মন্ত্রক এবং মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে এসেছেন। আলোচনার বিষয় সম্পর্কে কিছুই বলেননি। অথচ ঠিক পরের দিন থেকেই ইডি সক্রিয় হয়ে পড়েছে। আগামী দিনে কী ইডি পরিচালনা করবে? আসলে ২০২১ সালে বিধানসভায় হারার পর থেকেই বিজেপি  প্রতিহিংসার রাজনীতি করছে।”    

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ২ লক্ষ কোটি টাকার হিসেব কোথায়? ক্যাগের রিপোর্ট দেখিয়ে প্রশ্ন সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: ২ লক্ষ কোটি টাকার হিসেব কোথায়? ক্যাগের রিপোর্ট দেখিয়ে প্রশ্ন সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দু’ লক্ষ কোটি টাকার হিসেব দেয়নি রাজ্য। সেই টাকা কোথায় গেল? ক্যাগের রিপোর্ট তুলে ধরে মোক্ষম প্রশ্নটি করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। রাজ্যের বকেয়া টাকার দাবিতে বুধবার থেকে রেড রোডে ধর্নায় বসছেন মুখমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই সময়ই কার্যত বোমা ফাটালেন সুকান্ত।

    দুর্নীতির নয়া পন্থা

    বিজেপির রাজ্য সভাপতির অভিযোগ, বিভিন্ন প্রকল্পের টাকা নেওয়া হয়েছে ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে। তিনি বলেন, “দুর্নীতির এটি একটি নয়া পন্থা। সাধারণ মানুষের টাকা কোথায় গিয়েছে, তা কেউ জানে না।” বালুরঘাটের সাংসদ বলেন, “কোনও প্রকল্পের কাজ শেষ হলে ইউটিলাইজেশন সার্টিফিকেট দিতে হয় রাজ্য সরকারকে। তা থেকেই বোঝা যায়, প্রকল্পের জন্য যে টাকা বরাদ্দ হয়েছে, তা খরচ হয়েছে কোন খাতে, খরচই বা হয়েছে কত। কিন্তু ক্যাগের রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে, ১.৯৫ লক্ষ কোটি টাকার কোনও ইউটিলাইজেশন সার্টিফিকেট জমা করা হয়নি। সুকান্তর (Sukanta Majumdar) দাবি, কন্টিজেন্সি ফান্ড থেকেও প্রায় তিন হাজার চারশো কোটি টাকা তোলা হয়েছে। তার মধ্যে এক হাজার ১৬৯ কোটি টাকা খরচ করা হয়েছে স্বরাষ্ট্র দফতর থেকে। তবে কোনও খরচেরই বিল জমা দেওয়া হয়নি।

    সব চেয়ে বেশি দুর্নীতি

    সুকান্তর অভিযোগ, শিক্ষা থেকে গ্রামোন্নয়ন সব দফতরে দুর্নীতি হয়েছে। গ্রামীণ বিকাশ, নগর উন্নয়ন ও শিক্ষা দফতরে সব চেয়ে বেশি দুর্নীতি হয়েছে বলেও দাবি তাঁর। সুকান্তর (Sukanta Majumdar) পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করেছেন বিজেপি নেতা গৌরব ভাটিয়া। তিনি বলেন, “বাংলায় যা হয়েছে, তা মাদার অব অল স্ক্যাম।” কংগ্রেসের মনমোহন সিং সরকারের আমলে যে টু জি স্ক্যামের অভিযোগ উঠেছিল, তার সঙ্গেও বাংলার তুলনা করেছেন গৌরব।

    আরও পড়ুুন: বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হল জেএমএম সুপ্রিমো হেমন্তকে

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • PM Poshan Scheme: প্রধানমন্ত্রী পোষণ প্রকল্পের টাকা নয়ছয়! এবার রাজ্যে আসছে ক্যাগের বিশেষ টিম

    PM Poshan Scheme: প্রধানমন্ত্রী পোষণ প্রকল্পের টাকা নয়ছয়! এবার রাজ্যে আসছে ক্যাগের বিশেষ টিম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী পোষণ প্রকল্পের টাকা নয়ছয় করা হয়েছে বাংলায়, এই অভিযোগ জানিয়ে কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল বা ক্যাগকে অডিটের অনুরোধ করল শিক্ষামন্ত্রক। এবার তাই পিএম পোষণ প্রকল্পের আর্থিক খরচের হিসেব দেখতে রাজ্যে আসছে ক্যাগের বিশেষ দল। প্রধানমন্ত্রী পোষণ প্রকল্পের টাকায় রাজ্যে মিড ডে মিল পায় ছাত্রছাত্রীরা। সেখানেই ধরা পড়েছে আর্থিক গরমিল। নবান্ন সূত্রে খবর শিক্ষা দফতরের আধিকারিকদের পাশাপাশি রাজ্যের অর্থ দফতরের আধিকারিকদের নিয়েও বৈঠক করবে সিএজি অডিটের এই বিশেষ টিম।

    প্রধানমন্ত্রী পোষণ প্রকল্প 

    রাজ্যে প্রধানমন্ত্রী পোষণ প্রকল্পের পরিচালনা করে থাকে স্কুল শিক্ষা দফতর। এই প্রকল্পে সরকারি স্কুলে পাঠরত প্রথম শ্রেণি থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত প্রত্যেক ছাত্রছাত্রীকে মিড ডে মিল দেওয়া হয়। মিড ডে মিল ছাড়াও প্রধানমন্ত্রী পোষণ প্রকল্পে বালভাতিকা পেয়ে থাকে ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা। এর মাধ্যমে প্রাক-প্রাথমিক স্তরেও পড়ুয়াদের গরম খাবার পরিবেশন করা হয়। সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই প্রকল্পের মাধ্যমে গোটা দেশে ১১ লক্ষ ২০ হাজার সরকারি স্কুলের প্রায় ১১ কোটি ৮০ লক্ষ পড়ুয়া উপকৃত হয়ে থাকে।

    আরও পড়ুন: কবি সুভাষ থেকে রুবি, নতুন লাইনে মেট্রো চলবে চলতি মাসেই! জুড়ে যাবে দুটি ভিন্ন লাইন

    কেন্দ্রের অভিযোগ

    কেন্দ্রের দাবি, রাজ্যে গত ৩ বছর ধরে এই প্রকল্পের টাকা নয়ছয় করা হয়েছে। তাই ক্যাগকে বিশেষ ভাবে হিসাব নিকেশ করার অনুরোধ জানিয়েছে কেন্দ্র। বলা হয়েছে, ক্যাগের রিপোর্ট অনুযায়ী এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে। সম্প্রতি রাজ্যে এসে জেলা থেকে শহরের বিভিন্ন স্কুলে মিড ডে মিল প্রকল্প পরিদর্শন করে গেছে কেন্দ্রীয় দল। জয়েন্ট রিভিউ মিশনের অধীনে ১১ সদস্যের প্রতিনিধি দল রাজ্যে এসেছিল কয়েক দিন আগেই। স্কুলগুলি পরিদর্শন করার পাশাপাশি রাজ্যের মিড ডে মিল কেমন ভাবে চলছে তা দেখতে একাধিক জেলাও ঘুরেছিল ওই প্রতিনিধি দল। তারপরই সেই প্রতিনিধি দল দিল্লিতে কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের কাছে রিপোর্ট জমা দেয়। মনে করা হচ্ছে সেই রিপোর্টের প্রেক্ষিতেই কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী সিএজি অডিট করার নির্দেশ দিয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share