Tag: Calcutta High court

Calcutta High court

  • CBI: বিপদ বাড়ল ‘কালীঘাটের কাকু’র! সিবিআই মামলায় আগাম জামিনের আর্জি খারিজ করে দিল হাইকোর্ট

    CBI: বিপদ বাড়ল ‘কালীঘাটের কাকু’র! সিবিআই মামলায় আগাম জামিনের আর্জি খারিজ করে দিল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র ওরফে ‘কালীঘাটের কাকুর’ আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। সম্প্রতি ইডির মামলায় শর্তসাপেক্ষে জামিন পেয়েছেন সুজয়কৃষ্ণ। এরই মধ্যে সিবিআই (CBI) তাঁকে হেফাজতে নিতে চাইছে। এই অবস্থায় নতুন করে গ্রেফতার হওয়ার আশঙ্কায় হাইকোর্টে আগাম জামিনের আবেদন জানান সুজয়কৃষ্ণ। সোমবার সেই আবেদন খারিজ করে দিয়েছে হাইকোর্টের বিচারক জয়মাল্য বাগচির ডিভিশন বেঞ্চ।

    সিবিআইয়ের আইনজীবী কী বললেন?(CBI)

    নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় ইডি এবং সিবিআই (CBI) উভয় কেন্দ্রীয় সংস্থা তদন্ত চালাচ্ছে। প্রাথমিকের নিয়োগ মামলায় ইডিই তাঁকে গ্রেফতার করেছিল। সোমবার নিম্ন আদালতে নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত ইডির মামলার শুনানি হয়েছে। সিবিআইয়ের মামলায় আগে অসুস্থতার কারণে সুজয়কৃষ্ণ আদালতে উপস্থিত না থাকলেও, ইডির মামলায় ভার্চুয়ালি হাজিরা দেন। জেল হাসপাতালের বিছানা থেকে লাল কম্বল গায়ে, মাথায় মাফলার জড়িয়ে ভার্চুয়াল হাজিরা দেন তিনি। সিবিআইয়ের আইনজীবী ধীরজ ত্রিবেদী জানান, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে নিম্ন আদালত থেকে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছে। যার অর্থ, তাঁকে ইতিমধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে। ফলে তাঁকে যে কোনও মুহূর্তে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা নিজেদের হেফাজতে নিতে পারে।

    কেন সুজয়কৃষ্ণকে হেফাজতে নেওয়া হয়নি? প্রশ্ন বিচারপতির

    বিচারপতি বাগচি জানান, সিবিআই (CBI) গ্রেফতার করলে অভিযুক্তকে আদালতে পেশ করতে হবে। তা কেন সম্ভব হয়নি, জানতে চান বিচারপতি। গ্রেফতারের জন্য যে আইনি কাজগুলি করা দরকার, সেগুলি করা হয়েছে কি না, সে বিষয়েও আইনজীবীকে প্রশ্ন করেন তিনি। সিবিআইয়ের আইনজীবীকে বিচারপতির প্রশ্ন, কেন অভিযুক্তকে হেফাজতে নেওয়া হয়নি। বিচারপতি বাগচির মন্তব্য, যদি অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়, তবে জামিন পাওয়ার অধিকার থাকবে। সিবিআইয়ের আইনজীবী জানান, সুজয়কৃষ্ণ হাসপাতালে ছিলেন বলে তাঁকে গ্রেফতার করা যায়নি। জেল সুপার তাঁদের জানিয়েছিলেন, অভিযুক্ত সেই অবস্থায় নেই। বর্তমানে যেহেতু প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি হয়ে গিয়েছে এবং অভিযুক্তকে যে কোনও মুহূর্তে হেফাজতে নেওয়া যায়, তাই আগাম জামিনের আবেদন গ্রহণযোগ্য নয় বলে জানান সিবিআইয়ের আইনজীবী। সে ক্ষেত্রে অভিযুক্তকে জামিনের আবেদন করা প্রয়োজন বলে মত তাঁর।

    সুজয়কৃষ্ণের আইনজীবী কী বললেন?

    সুজয়কৃষ্ণের আইনজীবী মিলন মুখোপাধ্যায় জানান, ওই প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট এখনও কার্যকর হয়নি। তাই আগাম জামিনের আবেদন করা যেতেই পারে। হেফাজতে নেওয়ার জন্য শুধু নোটিশ জারি করা হয়েছে। তবে গ্রেফতার করা হয়নি বলেই জানান আইনজীবী। তবে শেষ পর্যন্ত ওই আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করে দিয়েছে হাইকোর্ট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: আধাসেনায় ৪৬ হাজার নিয়োগে নির্দেশ দিল হাইকোর্ট, রোজগার মেলায় নিয়োগপত্র দিতে পারবেন মোদি!

    Calcutta High Court: আধাসেনায় ৪৬ হাজার নিয়োগে নির্দেশ দিল হাইকোর্ট, রোজগার মেলায় নিয়োগপত্র দিতে পারবেন মোদি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশ জুড়ে আধাসামরিক বাহিনীতে ৪৬ হাজার ৬১৭ শূন্য পদে নিয়োগে সবুজ সঙ্কেত দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। মূল মামলাকারীরা পরবর্তী কালে যোগ্য বলে বিবেচিত হলে তাঁদের মেধা তালিকায় স্থান দিতে হবে।বৃহস্পতিবার বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী এবং পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, আধাসেনা বাহিনীর ওই নিয়োগের মেধাতালিকা প্রকাশ করা যাবে। ফলে, রোজগার মেলায় চাকরিপ্রার্থীদে নিয়োগপত্র দিতে পারবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)।  

    মামলাকারীদের কী বক্তব্য? (Calcutta High Court)

    গত বছর দেশ জুড়ে আধাসেনার ৪৬ হাজার ৬১৭ শূন্য পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দেয় স্টাফ সিলেশন কমিশন (এসএসসি)। সেই মতো সারা দেশে তিন লক্ষের বেশি আবেদন জমা পড়ে। নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করে এসএসসি। পশ্চিমবঙ্গের কয়েক জন চাকরিপ্রার্থী তথা মামলাকারীদের বক্তব্য, আধাসেনার পদে চাকরি পেতে গেলে ১৭০ সেন্টিমিটার উচ্চতা হতে হবে বলে জানানো হয়। তাঁদের উচ্চতা ‘আধ সেন্টিমিটার’ কম রয়েছে, এই যুক্তিতে চাকরির সুযোগ থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। অথচ নিয়ম অনুযায়ী, ‘আধ সেন্টিমিটার’ উচ্চতা কম হলে ওই পদের যোগ্য বলে বিবেচনা করতে হয়। এরপরই আদালতে মামলা হয়। ওই মামলায় (Calcutta High Court) প্রথমে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য এবং পরে বিচারপতি অরিন্দম মুখোপাধ্যায়ের সিঙ্গল বেঞ্চ জানায়, ৩৮ জনের বিষয়টি বিবেচনা করতে হবে। তাঁদের পুনরায় নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সুযোগ দিতে হবে। তত দিন মেধাতালিকা প্রকাশ করতে পারবে না এসএসসি। সিঙ্গল বেঞ্চের ওই নির্দেশ পরিবর্তন করে দেয় ডিভিশন বেঞ্চ। দুই বিচারপতির বেঞ্চ জানায়, মেধাতালিকা প্রকাশ করা যাবে। নিয়োগ প্রক্রিয়ার পরবর্তী ধাপে মামলাকারীরা উত্তীর্ণ হলে জায়গা পাবেন মেধাতালিকায়।

    আরও পড়ুন: চালিয়ে খেলছে শীত! কলকাতায় ১৩ ডিগ্রির ঘরে পারদ, বঙ্গে তাপমাত্রা নামল ১০-এর নিচে

    রোজগার মেলায় হবে নিয়োগ

    ২০২২ সাল থেকে কেন্দ্র রোজগার মেলার আয়োজন করে। ওই কর্মসূচিতে কেন্দ্রীয় চাকরি প্রাপকদের সরাসরি নিয়োগপত্র দেন প্রধানমন্ত্রী। আগামী ২৩ ডিসেম্বর ওই অনুষ্ঠান হওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে আধাসামরিক বাহিনীর এই ৪৬ হাজার শূন্য পদে নিয়োগ দেওয়ার কথা। বাকি দেশে হলেও এ রাজ্যে মামলার জটে নিয়োগপ্রক্রিয়া থমকে গিয়েছিল। সুযোগ না-পেয়ে কলকাতা হাই কোর্টে মামলা করেন ৩৮ জন। তাঁদের মামলায় (Calcutta High Court)সিঙ্গল বেঞ্চ জানায়, মামলাকারীদের বিষয়টি বিবেচনা না-করে ওই নিয়োগপ্রক্রিয়া চালিয়ে নিয়ে যাওয়া যাবে না। ১০ দিনের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠান রয়েছে। এই অবস্থায় সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে তড়িঘড়ি ডিভিশন বেঞ্চে যায় কেন্দ্র। তারা দ্রুত শুনানির আর্জি জানায়। বৃহস্পতিবার ডিভিশন বেঞ্চ সেনাবাহিনীর ওই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ছাড়পত্র দেয়।

    কেন্দ্রের অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল কী বললেন?

    কেন্দ্রের অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল এএসজি অশোককুমার চক্রবর্তী বলেন, “সেনাবাহিনীর ওই নিয়োগের মেধাতালিকা প্রকাশ করা যাবে। আদালত (Calcutta High Court) নির্দেশ দিয়ে জানিয়েছে। এর ফলে ওই নিয়োগের আইনি জট কেটে গিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নিয়োগপত্র দিতে পারবেন। সব মিলিয়ে এই রায় নিয়ে আমরা খুবই খুশি। তবে কোর্টের নির্দেশ মেনে মামলাকারীদের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • OBC Certificate Case: ‘শুধু ধর্মের ভিত্তিতে কোনও সংরক্ষণ করা যায় না’, ওবিসি মামলায় রাজ্যকে সুপ্রিম-ধাক্কা

    OBC Certificate Case: ‘শুধু ধর্মের ভিত্তিতে কোনও সংরক্ষণ করা যায় না’, ওবিসি মামলায় রাজ্যকে সুপ্রিম-ধাক্কা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুধু ধর্মের ভিত্তিতে কারও সংরক্ষণ পাওয়া উচিত নয়। ওবিসি সার্টিফিকেট (OBC Certificate Case) বাতিল মামলায় হাইকোর্টের রায়ই বহাল রাখল সুপ্রিম কোর্ট। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে রাজ্যের দেওয়া কয়েক লক্ষ ওবিসি সার্টিফিকেট বাতিল হয়ে যায়। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় রাজ্য। শীর্ষ আদালত ওই নির্দেশে এখনও পর্যন্ত কোনও স্থগিতাদেশ দেয়নি। ‘ধর্মের ভিত্তিতে কোনও সংরক্ষণ করা যায় না’, সোমবার মামলা গ্রহণ করে এই মৌখিক পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court)। কীভাবে ৭৭টি সম্প্রদায়, যাঁদের মধ্যে বেশিরভাগই মুসলিম সম্প্রদায়ভুক্ত, তাঁদের ওবিসি বলে চিহ্নিত করা হচ্ছে? এই মর্মে রাজ্য সরকারের কাছে হলফনামা চাইল শীর্ষ আদালত। 

    ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণ কেন

    সোমবার সুপ্রিম কোর্টে রাজ্যের ওবিসি শংসাপত্র বাতিল (OBC Certificate Case) মামলার শুনানি ছিল। সেখানে রাজ্যের আইনজীবী কপিল সিব্বল সওয়াল করে জানান, হাইকোর্টের নির্দেশে পশ্চিমবঙ্গে ১২ লক্ষ ওবিসি সার্টিফিকেট বাতিল হয়েছে। এই রাজ্যে মোট বাসিন্দার ২৮ শতাংশ সংখ্যালঘু। তার মধ্যে ২৭ শতাংশ মুসলিম। রঙ্গনাথ কমিশন মুসলিমদের জন্য সংরক্ষণের সুপারিশ করেছিল। কলকাতা হাইকোর্ট অন্ধ্রপ্রদেশের একটি রায়কে সামনে রেখে ওবিসি শংসাপত্র বাতিলের নির্দেশ দিয়েছে। অথচ অন্ধ্রে ওই রায় স্থগিত রয়েছে। এর পরেই বিচারপতি বিআর গাভাইয়ের পর্যবেক্ষণ, শুধুমাত্র ধর্মের ভিত্তিতে কারও সংরক্ষণ পাওয়া উচিত নয়।

    আরও পড়ুন: ‘‘ঢাকা থেকে ৩ লক্ষ হাতে টানা রিকশা রওনা দিয়েছে কলকাতা দখলের জন্য’’, কটাক্ষ শুভেন্দুর

    রাজ্যকে প্রশ্ন সুপ্রিম কোর্টের

    গত ২২ মে হাইকোর্টে বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী এবং বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার ডিভিশন বেঞ্চ ২০১০ সালের পর থেকে তৈরি রাজ্যের সব ওবিসি সার্টিফিকেট বাতিল (OBC Certificate Case) করে দিয়েছিল। সুপ্রিম কোর্টে এদিন বিচারপতি বিআর গাভাই ও কেভি বিশ্বনাথনের বেঞ্চে মামলার শুনানির সময় রাজ্যের আইনজীবী জানায়, পিছিয়ে পড়া অংশকে সংরক্ষণের আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে। তার মধ্যে মুসলিম ছাড়াও অন্য সম্প্রদায় রয়েছে। এরপরই সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) রাজ্যের তৈরি সংরক্ষণের তালিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। বিচারপতি কেভি বিশ্বনাথনের পর্যবেক্ষণ, কমিশন গঠন না-করে একটি বিশ্ববিদ্যালয় কী ভাবে সংরক্ষণের তালিকা তৈরি করতে পারে। বিচারপতি গাভাই জানিয়েছেন, হাইকোর্ট বলেছে শ্রেণিবিন্যাস করে রাজ্য বিধানসভায় পেশ করুক। রাজ্য কেন নিজের ক্ষমতায় তা করতে পারবে না? রাজ্য পাল্টা দাবি করে, হাইকোর্টের নির্দেশের উপর স্থগিতাদেশ দেওয়া হোক। সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, তারা এখনই কোনও নির্দেশ দেবে না। আগামী জানুয়ারিতে এই মামলার পরবর্তী শুনানি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: “সাদা পোশাক পরলেই পুলিশ হওয়া যায় না”, চরম ভর্ৎসনা বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের

    Calcutta High Court: “সাদা পোশাক পরলেই পুলিশ হওয়া যায় না”, চরম ভর্ৎসনা বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) চরম ভর্ৎসনার মুখে বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের আধিকারিক। এক ব্যক্তির বাড়িতে হামলার ঘটনায় রাজারহাট থানার পুলিশ তদন্ত করে। সেই তদন্তে অসন্তোষ প্রকাশ করে বুধবার বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ সরকারি আইনজীবীকে রাজারহাট থানার পুলিশের ভূমিকা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন করেন।

    “সাদা পোশাক পরলেই পুলিশ হওয়া যায় না” (Calcutta High Court)

    রাজারহাটে এক মামলাকারীর (Calcutta High Court) বাড়িতে হামলার অভিযোগ উঠেছিল। তদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট দিয়ে পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার দিন ১২ জন এসেছিল হামলা করতে। আক্রান্ত ব্যক্তি তাঁদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেন। কিন্তু অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আদালত ধর্তব্যযোগ্য কি না, তা জানতে নিম্ন আদালতে আবেদন করে পুলিশ। পুলিশের এই আবেদনে ভর্ৎসনা করে বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ বলেন, “এটাই বেআইনি। যেখানে পুলিশ আদালতগ্রাহ্য অপরাধের প্রাথমিক প্রমাণ পেয়েছে, সেখানে নিম্ন আদালতের অনুমতির কোনও প্রয়োজন নেই। এই আইনটুকু যদি না জানে পুলিশ, তাহলে কীভাবে মানুষ বিচার পাবে?” এর পরই তাঁর প্রশ্ন, “আপনার মনে হয় এই পুলিশ অফিসারদের থানায় থাকার যোগ্যতা রয়েছে? কীভাবে ফৌজদারি মামলার তদন্ত করতে হয়, সেটা এরা জানে বলে মনে হচ্ছে আপনার? অভিযোগ যা আছে সেই অনুযায়ী তদন্ত কোথায়? এই অফিসারদের আইনের জ্ঞান কতটা? কমিশনারের জানা দরকার তিনি কাদের নিয়ে কাজ করছেন। সাদা পোশাক পরলেই পুলিশ (Kolkata Police) হওয়া যায় না।”

    আরও পড়ুন: ২৫ হাজার কার্ডের নম্বর এক! রাজ্যে বিপুল ডুপ্লিকেট ভোটার কার্ড আবিষ্কার কমিশনের

    মামলায় চূড়ান্ত নির্দেশ কবে?

    ক্ষুব্ধ বিচারপতির মন্তব্য, “এই মামলায় (Calcutta High Court) অভিযোগের ভিত্তিতে যে রকম ভাবে তদন্ত হওয়ার দরকার, সেরকম তদন্ত করতে হবে। এই শেষ সুযোগ পুলিশকে। এরপর যদি এমন ত্রুটি দেখা যায় তাহলে পুলিশ অফিসারদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের নির্দেশ দিতে বাধ্য হব।” বিচারপতির আরও মন্তব্য, “নিউটাউন আর রাজারহাট থানা নিয়ে একই সমস্যা।” ৫ ডিসেম্বর এই মামলায় চূড়ান্ত নির্দেশ দেবে আদালত। প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহে একই ধরনের একটি মামলায় নিউটাউন থানার আইসি প্রসাদ রায়কে তুমুল ভর্ৎসনা করেন বিচারপতি ঘোষ। তাঁকে পদ থেকে সরিয়ে তদন্তের নির্দেশ দেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Recruitment Case: নিয়োগ মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পরেও দেড় কোটি টাকা ঢুকেছিল কুন্তলের অ্যাকাউন্টে!

    Recruitment Case: নিয়োগ মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পরেও দেড় কোটি টাকা ঢুকেছিল কুন্তলের অ্যাকাউন্টে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে (Recruitment Case) গ্রেফতার হয়েছিলেন তৃণমূলের যুবনেতা কুন্তল ঘোষ (কলঙ্ক মুছতে পরে তাঁকে বহিষ্কার করে তৃণমূল) (Kuntal Ghosh)। গ্রেফতার হওয়ার পরেও হুগলির বলাগড়ের ওই ‘নেতা’র ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে দুর্নীতির টাকা। অন্তত এমনই দাবি করলেন ইডির তদন্তকারীরা।

    টাকার উৎস কী? (Recruitment Case)

    সম্প্রতি জামিনের আবেদন করেছিলেন কুন্তল। বুধবার তাঁর জামিনের বিরোধিতা করে ইডি জানায়, কুন্তল অ্যারেস্ট হওয়ার কয়েকদিন পরেও তাঁর অ্যাকাউন্টে ঢুকেছিল ১ কোটি ৬০ লাখ টাকা। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দাবি, ওই টাকার উৎস সম্পর্কে সদুত্তর দিতে পারেননি বহিষ্কৃত তৃণমূল নেতা। এদিন কুন্তলের জামিন মামলার শুনানি শেষ হয়েছে কলকাতা হাইকোর্টে। তবে রায়দান স্থগিত রেখেছেন বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ। প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের ২১ জানুয়ারি গ্রেফতার হন কুন্তল।

    কুন্তলের অ্যাকাউন্টে কোটি কোটি টাকা

    প্রাথমিক স্কুলে নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে নাম জড়ায় কুন্তলের। তিনি প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের অপসারিত সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যের ‘ঘনিষ্ঠ’। ওই মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন জনৈক তাপস মণ্ডলও। তদন্তকারীদের সামনে মুখ খুলেছেন তিনি। জানিয়েছেন, ৩২৫ জনের কাছ থেকে কুন্তল নিয়েছেন ৩ কোটি ২৫ লাখ টাকা। ঘুরপথে তৃণমূলের তৎকালীন ওই যুবনেতার অ্যাকাউন্টে ১৯ কোটি টাকারও বেশি ঢোকে। এ সংক্রান্ত কিছু তথ্যপ্রমাণও তাপস তুলে দেন তদন্তকারীদের হাতে।

    গত প্রায় ২২ মাস ধরে জেলেই রয়েছেন কুন্তল। জামিন মামলার শুনানিতে তাঁর আইনজীবী জানান, এই মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত মানিক ভট্টাচার্য জামিন পেয়েছেন। কুন্তলকেও জামিন দেওয়া হোক। তিনি বলেন, “কুন্তল দীর্ঘদিন জেলে রয়েছেন। এই অবস্থায় জামিন পেলে (Recruitment Case) তাঁর পক্ষে তথ্যপ্রমাণ নষ্ট করাও তো সম্ভব নয়।”

    আরও পড়ুন: “রাজাকারদের লাগানো আগুনেই মৃত্যু হয়েছিল মা-বোনের”, খাড়্গেকে মনে করিয়ে দিলেন যোগী

    কুন্তলের জামিনের বিরোধিতা করেন ইডির আইনজীবী ফিরোজ এডুলজি। তিনি জানান, কুন্তলের বিরুদ্ধে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে। গ্রেফতারির পরেও তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে দেড় কোটি টাকারও বেশি। ইডির আইনজীবী বলেন, “মানিককে কেবল ইডি গ্রেফতার করেছিল। তাঁকে সিবিআই গ্রেফতার করেনি। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৪৭৯ (২) ধারায় বলা হয়েছে, কোনও ব্যক্তির বিরুদ্ধে একের বেশি মামলা বিচারাধীন থাকলে জামিন প্রযোজ্য হবে না। তিনি বলেন, “নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে কুন্তলের (Kuntal Ghosh) বিরুদ্ধে একের বেশি মামলা রয়েছে (Recruitment Case)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ। 

     

  • PM Awas Yojana: প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার টাকা নিয়ে দুর্নীতি! হাইকোর্টে ব্যর্থতা মেনে নিল রাজ্য

    PM Awas Yojana: প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার টাকা নিয়ে দুর্নীতি! হাইকোর্টে ব্যর্থতা মেনে নিল রাজ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার (PM Awas Yojana) টাকা নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগে এবার হাইকোর্টে ভর্ৎসিত রাজ্য সরকার। ঘটনাটি ক্যানিং ১ নম্বর ব্লকের ইটখোলা গ্রাম পঞ্চায়েতের। ২০২১ সালে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার টাকার জন্য আবেদন করেন ক্যানিং ১ নম্বর ব্লকের ইটখোলা গ্রাম পঞ্চায়েতের সিরাজুল মণ্ডল-সহ পাঁচ বাসিন্দা। তাঁদের দাবি, এখনও সেই টাকা পাননি তাঁরা। টাকা পেতে হাইকোর্টে মামলা করেন ওই ৫ জন। মামলাকারী ৫ জনের টাকাই ভুল অ্যাকাউন্টে গিয়েছে বলে আদালতে রিপোর্ট দিয়ে জানায় রাজ্য। এরপরই আদালতের (Calcutta High Court) ক্ষোভের মুখে পড়ে সরকার। 

    ইচ্ছাকৃত জালিয়াতি

    এই ঘটনা ইচ্ছাকৃত জালিয়াতি, বলে এদিন মত প্রকাশ করেন বিচারপতি রবি কিষাণ কাপুর। বিডিও এবং পঞ্চায়েত প্রধানের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর তলব করেন বিচারপতি। অবিলম্বে সরকারকে ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী পদক্ষেপের নির্দেশও দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। দীর্ঘদিন টাকা না আসায় পঞ্চায়েতের দ্বারস্থ হন আবাসের টাকা থেকে বঞ্চিত পাঁচজন। অভিযোগ, তখন পঞ্চায়েত থেকে বলা হয় টাকা আসেনি। পরে পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, তাঁরা টাকা পাওয়ার জন্য যোগ্য ব্যক্তি নন। এরই প্রেক্ষিতে ২০২৩ সালে আদালতে মামলা করা হলে স্বাধীন তদন্তকারী সংস্থাকে তদন্তভার দেওয়ার আর্জি জানানো হয়। সে ব্যাপারে রিপোর্ট তলব করেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রবি কিষাণ কাপুর। 

    আরও পড়ুন: সরকারের দেওয়া ট্যাব কেনার ১০ হাজার টাকা গায়েব! একের পর এক স্কুলে একই ঘটনা কীভাবে?

    কাঠগড়ায় রাজ্য সরকার

    উল্লেখ্য, প্রায়ই জেলায় জেলায় আবাস যোজনার (PM Awas Yojana) তালিকায় গরমিলের অভিযোগ সামনে আসছে। কোথাও তৃণমূলের বিরুদ্ধে সরব তৃণমূলই। কোথাও বিডিও অফিসের দরজা বন্ধ করে বিক্ষোভ। সম্প্রতি হুগলির গোঘাটে তৃণমূলের পঞ্চায়েত সমিতির বোর্ডের বিরুদ্ধে আবাস যোজনার তালিকায় স্বজনপোষণের অভিযোগ তুলেছিলেন তৃণমূলেরই পঞ্চায়েত সদস্য। আবাস যোজনার তালিকায় গরমিলের অভিযোগ তুলে বীরভূমের রামপুরহাটেও বিক্ষোভ দেখিয়েছিন স্থানীয় তিলডাঙা গ্রামের বাসিন্দারা। বিরোধীরা বারবার যে দুর্নীতির কথা বলছেন, এবার তা মেনে নিল রাজ্যও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ। 

  • Calcutta High Court: দুর্গাপুজোয় রাজ্যে একাধিক মণ্ডপে হামলা! রাজ্যের কাছে রিপোর্ট চাইল হাইকোর্ট

    Calcutta High Court: দুর্গাপুজোয় রাজ্যে একাধিক মণ্ডপে হামলা! রাজ্যের কাছে রিপোর্ট চাইল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গাপুজোর সময় রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় মণ্ডপে হামলা ও মূর্তি ভাঙার অভিযোগ (Vandalism Durga Puja Pandal) উঠেছিল। সেই ঘটনাগুলির স্বচ্ছ তদন্তের দাবিতে মামলা দায়ের হয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court)। এবার এনিয়েই রাজ্য পুলিশের ডিজির কাছে রিপোর্ট চেয়ে পাঠাল কলকাতা হাইকোর্ট। মঙ্গলবার বিচারপতি হিরন্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ এই নির্দেশ দিয়েছে। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় পুজোর সময় যে গোলমাল হয়েছে, তার প্রেক্ষিতে কতগুলি অভিযোগ দায়ের হয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ প্রশাসন কী কী পদক্ষেপ করেছে, সেই সব রিপোর্ট জেলার পুলিশ সুপার বা কমিশনারেটের সিপি-রা রাজ্য পুলিশের ডিজি-কে পাঠাবেন। সেই সসমস্ত তথ্যগুলি খতিয়ে দেখে ডিজি রাজীব কুমারকে একটি রিপোর্ট কলকাতা হাইকোর্টে পেশ করতে হবে। আগামী ১৪ নভেম্বর প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে সেই রিপোর্ট (vandalism Durga Puja pandal) রাজ্যকে জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি হিরন্ময় ভট্টাচার্য ৷

    মামলা (Calcutta High Court) করেন নদিয়ার বিশ্ব হিন্দু পরিষদের নেতা

    উল্লেখ্য, গার্ডেনরিচ-সহ রাজ্যের বেশ কয়েকটি জায়গায় পুজো মণ্ডপে হামলার ঘটনা ঘটে। সেগুলির স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে মামলা দায়ের হয় কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court)। সেখানে নিরপেক্ষ কোনও সংস্থাকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়ার আবেদন জানানো হয়। সেই মামলাটি দায়ের করেছিলেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের নদিয়া জেলার নেতা ঋতু সিং। এদিনের শুনানিতে মামলাকারীর আইনজীবী সওয়ালে বলেন, ‘‘পুজোর সময় রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে। গার্ডেনরিচ পুজো মণ্ডপে দুষ্কৃতীরা আক্রমণ করে। কোচবিহারের শীতলকুচি, হাওড়ার শ্যামপুর এবং নদিয়া জেলায় মূর্তি ভাঙার ঘটনা ঘটেছে।’’

    আদালতে সওয়াল-জবাব

    এর প্রেক্ষিতে বিচারপতি হিরন্ময় ভট্টাচার্য মামলাকারীর আইনজীবীকে প্রশ্ন করেন, ‘‘আপনারা কী চান? তদন্তের হস্তান্তর? কিন্তু, কেন?’’ যার জবাবে আইনজীবী বলেন, ‘‘রাজ্য পুলিশ ব্যর্থ হয়েছে ৷ ওই ঘটনাগুলির তদন্ত রাজ্য পুলিশ করতে পারবে না।’’ এরপর বিচারপতি জানতে চান, ‘‘কোন গ্রাউন্ডে ট্রান্সফার চাইছেন?’’ মামলাকারী আইনজীবীর বক্তব্য, ‘‘এই ঘটনা কলকাতা-সহ একাধিক জায়গায় ঘটেছে। নিরপেক্ষ তদন্ত হবে না, যদি রাজ্য পুলিশ তদন্ত করে।’’ এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিচারপতি ভট্টাচার্য অ্যাডভোকেট জেনারেলকে প্রশ্ন করেন, ‘‘এই ঘটনাগুলির ক্ষেত্রে রাজ্য কী কী ব্যবস্থা নিয়েছে?’’ তার জবাবে রাজ্য সরকারের তরফে এজি রিপোর্ট পেশ করতে কিছুটা সময় চান। অ্যাডভোকেট জেনারেলের আবেদন মেনে নিয়ে আগামী ১৪ নভেম্বরের মধ্যে ডিজি-র রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছেন বিচারপতি হিরন্ময় ভট্টাচার্য। রিপোর্ট কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের বেঞ্চে (Calcutta High Court) পেশ করতে নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Case: নির্যাতিতার ন্যায় বিচারের জন্য প্রতিবাদী গান গেয়ে সাসপেন্ড হোমগার্ড! রিপোর্ট তলব হাইকোর্টের

    RG Kar Case: নির্যাতিতার ন্যায় বিচারের জন্য প্রতিবাদী গান গেয়ে সাসপেন্ড হোমগার্ড! রিপোর্ট তলব হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর (RG Kar Case) কাণ্ডে নির্যাতিতার ন্যায় বিচারের জন্য প্রতিবাদী গান গেয়ে রাজ্য প্রশাসনের কোপের মুখে। হোমগার্ড কাশীনাথ পাণ্ডাকে কেন সাসপেন্ড করা হল, জানতে চেয়ে রিপোর্ট তলব করেছে কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। ঘটনায় শোরগোল পড়েছে রাজ্যের প্রতিবাদী আন্দোলনে। উল্লেখ্য, ন্যায় বিচারের দাবিতে আন্দোলনে নামলে প্রশাসনের রোষের মুখে পড়ার ঘটনা আগেও ঘটেছে। পশ্চিমবঙ্গ ছাত্র সমাজের ডাকে নবান্ন অভিযানে তিন বিক্ষোভকারীকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। একই ভাবে নানা সময়ে ধর্না, অবস্থান বিক্ষোভ এবং অনশনমঞ্চ থেকে প্রতিবাদীদের জোর করে তুলে দেওয়ার ঘটনা এই রাজ্যে বিরল নয়। তবে প্রবুদ্ধ নাগরিক সমাজকে প্রশাসনের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করতেও দেখা গিয়েছে।

    উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা খড়্গহস্ত (RG Kar Case)

    জানা গিয়েছে, বছর পাঁচেক আগে থেকে বেলঘড়িয়া থানায় ট্রাফিক হোমগার্ডের চাকরি করছিলেন কাশীনাথ পাণ্ডা। গত ২১ অগাস্ট তিলোত্তমার বিচারের দাবিতে (RG Kar Case) একটি গান গেয়ে সোশ্যাল মিডিয়াতে পোস্ট করেছিলেন। মূলত প্রশাসনের বিরুদ্ধে তাঁর অভিযোগ হল, এই গান গাওয়ার পর থেকেই উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা খড়্গহস্ত হন। একই ভাবে সিনিয়ররা তাঁকে হেনস্থা করেন, পোস্ট তুলে নেওয়ার জন্য ব্যাপক চাপ দেওয়া হয়। সেই সঙ্গে সাময়িক ভাবে কাজ থেকে সাসপেন্ড করা হয়। এখন এই ভাবে কেন কাশীনাথকে সাসপেন্ড করা হল, তাঁর বিরুদ্ধে প্রশাসনের কাছে কী অভিযোগ রয়েছে- এসব বিষয়ে রিপোর্ট তলব করেছেন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি কৌশিক চন্দ। পুজো অবকাশের পর হাইকোর্টে রিপোর্ট পাঠাতে নির্দেশে দেন বিচারপতি। এই ঘটনায় ফের একবার অভয়ার ন্যায় বিচারের আন্দোলনে প্রতিবাদের ভাষা, বাক স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

    আরও পড়ুন: “ইউক্রেন-রাশিয়ার মধ্যে শান্তি ফেরাতে আগ্রহী ভারত”, বললেন মোদি

    আগেও চিকিৎসককে তলব করেছিল পুলিশ

    অপর দিকে অভয়াকে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনার প্রতিবাদে রাজ্য রাজনীতি ব্যাপক ভাবে উত্তাল। জুনিয়র ডাক্তাররা লাগাতার আন্দোলন, ধর্না, অবস্থান-বিক্ষোভ, আমরণ অনশনের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবাদ জানিয়ে চলেছেন। রাজ্যের উৎসবের কার্নিভালের বিরুদ্ধে দ্রোহের কার্নিভাল হয়েছে। একই ভাবে প্রতীকী অনশনের (RG Kar Case) ব্যাজ লাগিয়ে প্রতিবাদে সামিল হলে কলকাতা পুরসভার এক চিকিৎসককে তলব করেছিল পুলিশ। ঘটনায় নিন্দার ঝড় ওঠে চিকিৎসক মহলে। একই ভাবে হোমগার্ড কাশীনাথের প্রতি রোষের ঘটনা অত্যন্ত নিন্দার বলে জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ।

      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Droho Carnival: রাজ্যের আপত্তি খারিজ, ‘দ্রোহের কার্নিভাল’-কে অনুমতি হাইকোর্টের

    Droho Carnival: রাজ্যের আপত্তি খারিজ, ‘দ্রোহের কার্নিভাল’-কে অনুমতি হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সময়ের আগেই শুরু হয়ে গেল ‘দ্রোহের কার্নিভাল’ (Droho Carnival)। ব্যারিকেড সরতেই উচ্ছ্বাস শুরু রানি রাসমণি রোডে। হুরমুড়িয়ে ঢুকল জনস্রোত। পুলিশের ধারা ১৬৩ খারিজ করে দিয়েছে উচ্চ আদালত (Calcutta High Court)। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রবিকিষাণ কাপুর রাজ্যকে প্রশ্ন করেন, “আপনারা কোনও শর্তেই কর্মসূচি করতে দেবেন না?” রাজ্যের আইনজীবী বলেন, “যদি অন্যদিন এই কর্মসূচি করা হয় অথবা রামলীলা ময়দানে স্থানান্তরিত করা হয়।” এরপর রাজ্য সরকারের আবেদন খারিজ করে দ্রোহের কার্নিভালকে অনুমতি দিলেন বিচারপতি। ফলে আরও একবার মুখ পুড়ল মমতা সরকারের।

    ব্যারিকেডগুলি খুলে দেওয়া হচ্ছে (Droho Carnival)

    দ্রোহকে (Droho Carnival) আটকাতে ব্যারিকেড বাঁধতে আনা হয়েছিল লোহার ভারী শিকল। হাইকোর্টের নির্দেশের পর ব্যারিকেডগুলি খুলে দেওয়া হয়। সেই শিকলের স্থান হয় ফুটপাতে। তবে পুজোর কার্নিভাল এবং দ্রোহের কার্নিভালের রুটের মাঝের রাস্তায় ব্যারিকেড থাকতে পারে। অভয়ার ন্যায় বিচারের দাবিতে কলকাতার রাজপথে দ্রোহের কার্নিভালকে রুখতে পুলিশ জারি করেছিল বিশেষ নিষেধাজ্ঞা। হাইকোর্টের নির্দেশকে পুলিশ অপব্যাখ্যা করেছে বলে আন্দোলনকারীরা অভিযোগ তুলেছেন। বিষয় তুলে ধরে সিপি মনোজ ভর্মাকে ইমেলের মাধ্যমে চিঠিও করেছিলেন চিকিৎসকরা। একই সঙ্গে ইমেল করেন প্রধান বিচারপতিকে (Calcutta High Court)। অবকাশকালীন বেঞ্চে মামলা চলাকালীন বিচারপতি বলেন, “রাজ্য কার্নিভাল ম্যানেজ করতে পারছে না?” একই ভাবে রাজ্যকে বিচারপতি বলেন, “বার বার আদালত আপনাদের নির্দেশ দিয়েছে র‍্যালির অনুমতি দিন। তারপরেও একই আচরণ।”

    আরও পড়ুনঃ পার্থকে জেরা করতে জেলে সিবিআই, পুজোর পর ফের সক্রিয় কেন্দ্রীয় সংস্থা

    পুলিশের আদেশ বাতিল

    জুনিয়র ডাক্তারদের পক্ষের আইনজীবী বলেন, “পুলিশ যে আদেশ দিয়েছিল তা বাতিল। শান্তিপূর্ণ ভাবে যাতে দ্রোহের কার্নিভাল (Droho Carnival), পুজো কার্নিভাল হয় এবং সেখানে যাতে কোনও বিরোধ না হয়, সেই জন্য আদালতের কাছে প্রস্তাব ছিল রানি রাসমণি অ্যাভিনিউ থেকে রেড রোড পর্যন্ত পুলিশ ব্যারিকেড করুক। আমাদের কোনও তাতে আপত্তি নেই। আদালত আমাদের আবেদন গ্রহণ করেছে।” তবে রাজ্য সরকারের অ্যাডভোকেট জেনারেল এই আদেশে স্থগিতাদেশ চেয়ে ছিলেন কিন্তু কলকাতা উচ্চ আদালত (Calcutta High Court) তা খারিজ করে দিয়েছে। উল্লেখ্য, দ্রোহের কার্নিভাল যেহেতু অভয়ার হত্যার বিচারের দাবিতে প্রতিবাদ কর্মসূচি, তাই তাকে আটকাতে রাজ্য সরকারের পুলিশ প্রশাসন ৯ জায়গায় জমায়েতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। অবশেষে দ্রোহের কার্নিভালে আর বাধা রইল না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Tridhra Arrest Case: ‘‘ক্ষমতা রয়েছে বলেই পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করতে পারে না’’, ত্রিধারা কাণ্ডে বলল হাইকোর্ট

    Tridhra Arrest Case: ‘‘ক্ষমতা রয়েছে বলেই পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করতে পারে না’’, ত্রিধারা কাণ্ডে বলল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতার ত্রিধারা পুজো (Tridhra Arrest Case) মণ্ডপের সামনে আরজি কর-কাণ্ডের প্রতিবাদ জানানোয় নয় ছাত্রকে গ্রেফতার করে কলকাতা পুলিশ। এনিয়েই হাইকোর্টের প্রশ্নের মুখে পড়তে হল কলকাতা পুলিশ এবং রাজ্যকে। উচ্চ আদালতের মন্তব্য, ‘‘ক্ষমতা রয়েছে বলেই পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করতে পারে না।’’ প্রসঙ্গত, সপ্তমীর সন্ধ্যায় ওই প্রতিবাদের মধ্যে হুড়োহুড়িতে তিন জন পুলিশকর্মী নাকি আহত হয়েছে বলে দাবি করে প্রশাসন। এনিয়ে উচ্চ আদালত পর্যবেক্ষণে বলেছে, ‘আহতদের’ কেবল ব্যথানাশক এবং হজমের ওষুধ দেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, ধৃত ৯ জনকেই আলিপুর আদালতে তোলা হয়, সেখানে তাঁদের ৭ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়। এরপরেই হাইকোর্টে জামিনের আবেদন জানানো হয়। ত্রিধারা-কাণ্ডে (Tridhra Arrest Case) কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি শম্পা সরকার ধৃতদের জামিনের নির্দেশ দেন।

    হাইকোর্টের শুনানি (Tridhra Arrest Case)

    শুনানির শুরুর দিকে উচ্চ আদালত  (Calcutta High Court) প্রশ্ন তোলে কী ভাবে অভিযুক্তদের নাম জানতে পেরেছিলেন অভিযোগকারী বিট্টুকুমার ঝা, যার ভিত্তিতে রবীন্দ্র সরোবর থানায় দায়ের হল অভিযোগ? রাজ্য জবাব দেয়, অভিযুক্তরা একে অপরের নাম ধরে ডাকছিলেন! রাজ্যের আরও দাবি, ধৃতদের মাধ্যমে নাকি বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছে। তদন্ত চালিয়ে নিয়ে যাওয়ার আর্জিও জানায় রাজ্য। অন্য দিকে, ধৃতদের আইনজীবী সওয়াল করেন, ‘‘পুলিশি হেফাজতে নিয়ে ‘কেস সাজানো হচ্ছে, ‘ন’জনের অপরাধ কী? প্রতিবাদ জানানো কি অপরাধ (Tridhra Arrest Case)? পুলিশ কী ভাবে প্রতিবাদে হস্তক্ষেপ করে?’’ শুনানির শেষে ধৃতদের ১ হাজার টাকা বন্ডে অন্তর্বর্তী জামিন মঞ্জুর করে উচ্চ আদালত। বিচারপতির আরও পর্যবেক্ষণ, ‘‘ত্রিধারার পুজোমণ্ডপের ঘটনায় শুধুমাত্র হোয়াট্‌সঅ্যাপ চ্যাট এবং প্ল্যাকার্ড উদ্ধার করেছে পুলিশ। ধৃতদের স্লোগানে ঘৃণাভাষণ ছিল না। ধর্মীয় ভাবে কাউকে তাঁরা কাউকে আঘাত করেননি। অনেক সাধারণ মানুষই ওই স্লোগান দিচ্ছিলেন।’’ বিচারপতির আরও পর্যবেক্ষণ, ‘‘ধৃতদের প্রত্যেকের কম বয়স। বেশির ভাগেরই বয়স ২০-২৫ বছর। অত্যুৎসাহী হয়ে তাঁরা ওই কাজ করে থাকতে পারেন।’’

    আন্দোলনকারীদের পরিচয় (Tridhra Arrest Case)

    প্রসঙ্গত, সপ্তমীতে ত্রিধারা সম্মিলনীর মণ্ডপে জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলনকে সমর্থন করে স্লোগান দেওয়ায় গ্রেফতার হন, আসানসোলের কুলটির বাসিন্দা সুজয় মণ্ডল, কলকাতার দমদমের বাসিন্দা উত্তরণ সাহা রায়, ট্যাংরার বাসিন্দা কুশল কর, দক্ষিণ ২৪ পরগনার নরেন্দ্রপুরের বাসিন্দা জহর সরকার এবং সাগ্নিক মুখোপাধ্যায়, পূর্ব বর্ধমানের বাসিন্দা নাদিম হাজারি, হাসনাবাদের বাসিন্দা ঋতব্রত মল্লিক, উত্তর ২৪ পরগনার খড়দহের বাসিন্দা চন্দ্রচূড় চৌধুরী এবং রহড়ার বাসিন্দা দৃপ্তমান ঘোষ। জামিনের আবেদনে (Calcutta High Court) শুক্রবার দুপুরে শুরু হয় শুনানি।

      

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share