Tag: Calcutta High court

Calcutta High court

  • BJP Dharna: আরজি কর-কাণ্ডে ফের পথে বিজেপি, আজ থেকে টানা ধর্না ধর্মতলায়

    BJP Dharna: আরজি কর-কাণ্ডে ফের পথে বিজেপি, আজ থেকে টানা ধর্না ধর্মতলায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করের ঘটনায় (RG Kar Incident) বিচারের দাবিতে ধর্মতলায় আজ, বৃহস্পতিবার থেকে লাগাতার ধর্নায় (BJP Dharna) বসছে বিজেপি। গতকাল বাংলা বন‍্ধের পর নির্যাতিতার বিচারের দাবিতে ফের পথে নামবে বিজেপি। ধর্মতলায় আজ থেকে ৭ দিনের ধর্নার ডাক দিয়েছেন সুকান্ত মজুমদার। বিজেপির দাবি, রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছে। সাধারণ মানুষের কণ্ঠরোধ করছে প্রশাসন। তাই শীঘ্রই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদত্যাগের দাবি জানিয়েছে গেরুয়া শিবির। 

    বিজেপির ধর্নায় অনুমতি (BJP Dharna)

    ২৯ অগাস্ট থেকে ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ওয়াই চ্যানেলে অবস্থান বিক্ষোভ করার জন্য বিজেপি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়। বিজেপির দাবি, এই ধর্নার জন্য পুলিশের কাছে অনুমতি চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু অনুমতি না মেলায় হাইকোর্টের দ্বারস্থ হতে হয়। সম্মতি দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজ জানান, বিজেপি ২৯ অগাস্ট থেকে ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ওয়াই চ্যানেলে অবস্থান বিক্ষোভ করতে পারবে। ধর্নায় (BJP Dharna) উপস্থিত থাকতে পারবেন এক হাজার জন। ২০ ফুট x ৩০ ফুটের মঞ্চ তৈরি করতে পারবেন আয়োজকরা। শান্তিপূর্ণ অবস্থান বিক্ষোভের জন্য অনুমতি দিয়েছে আদালত৷ কলকাতা হাইকোর্ট জানিয়েছে, সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত প্রতিদিন ধর্না করতে পারবে বিজেপি (RG Kar Incident)। 

    প্রতিদিন প্রতিবাদে বিজেপি 

    ধর্নার পাশাপাশি, আরজি করে (RG Kar Incident) পড়ুয়া চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার প্রতিবাদে সপ্তাহভর একগুচ্ছ কর্মসূচি (BJP Dharna) রয়েছে গেরুয়া শিবিরের। ৩০ অগাস্ট বিজেপি মহিলা মোর্চার তরফ থেকে রাজ্য মহিলা কমিশনের অফিসে অভিযান করা হবে। দলমত নির্বিশেষে এই অভিযান সমস্ত মহিলাকে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। আগামী ২ সেপ্টেম্বর রাজ্যের প্রতিটি জেলার জেলাশাসকের অফিস ঘেরাও করার ডাক দেওয়া হয়েছে। ৪ সেপ্টেম্বর রাজ্যের প্রতিটি বিডিও অফিসে দিনভর ধর্নার কর্মসূচি রয়েছে বিজেপির (BJP Dharna)। আর ৬ সেপ্টেম্বর রাজ্যের প্রতিটি মণ্ডলে দুপুর ১২টা থেকে ২টো পর্যন্ত চাক্কা জ্যাম কর্মসূচির ডাক দিয়েছে তারা। 

    আরও পড়ুন: ‘‘আমি হতাশ এবং আতঙ্কিত, যথেষ্ট হয়েছে’’, আরজি কর কাণ্ডে ক্ষুব্ধ দ্রৌপদী মুর্মু

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mohun Bagan Super Giant: হাইকোর্টে ফের ধাক্কা রাজ্যের, যুবভারতীতে সমর্থকদের টিফো ব্যবহারে অনুমতি

    Mohun Bagan Super Giant: হাইকোর্টে ফের ধাক্কা রাজ্যের, যুবভারতীতে সমর্থকদের টিফো ব্যবহারে অনুমতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যুবভারতীতে টিফো নিয়ে ঢুকতে পারবেন মোহনবাগান (Mohun Bagan Super Giant) সমর্থকরা, নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। যদিও শুধুমাত্র বিরতির সময় সেই টিফো দেখানো যাবে বলে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার ডুরান্ড সেমিফাইনালে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে বেঙ্গালুরু এফসি-র বিরুদ্ধে খেলতে নামবে মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট। ডুরান্ডের সেই ম্যাচে টিফো নিয়ে ঢুকতে পারবেন সমর্থকরা। কিন্তু, খেলা চলাকালীন সেই টিফো দেখানো যাবে না। খেলা শুরুর আগে বা বিরতির সময় দেখানো নিয়ে আপত্তি নেই হাইকোর্টের।

    হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ

    পুলিশের তরফে টিফো, ব্যানার বা পোস্টার প্রভৃতি ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। তারই বিরোধিতা করে জনস্বার্থ মামলা হয় হাইকোর্টে। পুলিশের নির্দেশিকাকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন ময়ূখ বিশ্বাস। সেই মামলার শুনানিতে রাজ্যের যুক্তি মানল না আদালত (Calcutta High Court)। সমর্থকরা টিফো ব্যবহার করতে পারবেন, কোনও বাধা নেই তাতে। নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডন ও বিচারপতি হিরন্ময় ভট্টাচার্যর ডিভিশন বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, ফুটবলের উন্মাদনা ও খেলোয়াড়দের মনোবল বৃদ্ধি করে এই টিফো। তাই তাতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা যাবে না। কিন্তু সেই টিফো ভারী কোনও বস্তু দিয়ে তৈরি করা যাবে না বলে জানায় আদালত। একইসঙ্গে আতসবাজি বা ধোঁয়া বেরোবে এমন কিছুও ব্যবহার করা যাবে না বলে জানিয়েছে হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। মামলাকারীর পক্ষে সওয়াল করেন আইনজীবী সব্যসাচী চট্টোপাধ্যায়।

    আরও পড়ুন: নবান্ন অভিযানে ‘পুলিশি সন্ত্রাস’, বুধবার ১২ ঘণ্টার বাংলা বন‍্‍ধ ডাকল বিজেপি

    রাজ্যের যুক্তি মানতে নারাজ

    ডুরান্ড কাপে মোহনবাগান (Mohun Bagan Super Giant) ও বেঙ্গালুরু এফসি ম্যাচে আরজি কর হাসপাতালের ঘটনায় প্রতিবাদ হতে পারে। সেটা আটকাতে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে টিফো ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করার আবেদন জানান হয়েছিল ডুরান্ড কাপ আয়োজকদের কাছে। সেই মতো টিফোতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। তবে এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধেই কলকাতা হাইকোর্টে হয় জনস্বার্থ মামলা। সেই শুনানিতে বিচারপতি রাজ্যের আইনজীবী অমিতেশ  বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে জানতে চান, কেন টিফো ব্যবহার করা যাবে না। উত্তরে তিনি জানান, “বর্তমান পরিস্থিতি যথেষ্ট উদ্বেগজনক।” যদিও এই দাবি মানতে চায়নি আদালত (Calcutta High Court)। আরজি কর-কাণ্ড নিয়ে এর আগেও তিন প্রধানের সমর্থকদের প্রতিবাদ করতে দেখা গিয়েছিল। ১৮ অগাস্ট যুবভারতী মোহনবাগান (Mohun Bagan Super Giant) বনাম ইস্টবেঙ্গল ম্যাচ বাতিল করে দেওয়া হয়েছিল। তার পরেই কোয়ার্টার ফাইনালের ম্যাচ সরিয়ে দেওয়া হয় যুবভারতী থেকে। একটি সেমিফাইনাল এবং ফাইনাল পরে যুবভারতীতে ফিরিয়ে আনেন ডুরান্ড কর্তৃপক্ষ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Supreme Court: কিশোরীদের যৌন সংযম নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের রায় বাতিল সুপ্রিম কোর্টে

    Supreme Court: কিশোরীদের যৌন সংযম নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের রায় বাতিল সুপ্রিম কোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘কিশোরীদের যৌন ইচ্ছা নিয়ন্ত্রণ করা উচিত’’। কলকাতা হাইকোর্টের এ সংক্রান্ত মন্তব্য ও রায়কে সোমবার বাতিল করল সুপ্রিমকোর্ট (Supreme Court)। এদিনই বিচারপতি এএস ওকার নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ কিশোর-কিশোরীদের সম্পর্কিত মামলায় কীভাবে রায় লিখতে হবে, সে বিষয়েও বিচারকদের জন্য নির্দেশিকা জারি করেছে। ওই নির্দেশিকায় উল্লেখ করা হয়েছে, এ সংক্রান্ত মামলার রায় দানের ক্ষেত্রে অবশ্যই সংবেদনশীল হতে হবে। থাকতে হবে সতর্কও।

    শাস্তির ক্ষেত্রে কমিটি গঠন সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court)

    প্রসঙ্গত, গত বছর কলকাতা হাইকোর্ট এক নাবালিকা কিশোরীকে ধর্ষণের দায়ে অভিযুক্ত এক দোষীকে খালাস করে। কিশোরীর সঙ্গে ওই ব্যক্তির প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) এদিন কলকাতা হাইকোর্টের সেই রায়কেই বাতিল করেছে এবং সুপ্রিম কোর্টের বেঞ্চ এ দিন জানিয়েছে, বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি কমিটি তৈরি করা হবে। এই কমিটি ওই নাবালিকা ধর্ষণের মামলায় অভিযুক্তের শাস্তির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।

    প্রকৃত ঘটনা

    গত বছরই এক নাবালিকাকে ধর্ষণের মামলা উঠেছিল কলকাতা হাইকোর্টে। নাবালিকার সঙ্গে অভিযুক্তের প্রেমের সম্পর্ক ছিল বলে জানা যায়। ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পকসো আইনে মামলাটি দায়ের করা হয়। সেই মামলায় অভিযুক্তকে বেকসুর খালাস দেওয়ার পাশাপাশি বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন বিচাপতি চিত্তরঞ্জন দাস এবং বিচারপতি পার্থসারথি সেন। কিশোরীদের যৌন উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণ করতে হবে বলে পর্যবেক্ষণে জানিয়েছিল ডিভিশন বেঞ্চ। সাময়িক সুখের জন্য কিশোরী সমাজের চোখে গুরুত্ব হারাবে বলেও হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণে জানানো হয়েছিল। 

    সংবিধানের ২১ নং ধারা লঙ্ঘন করা হয়েছে রায়ে, আগেই বলে শীর্ষ আদালত

    এই রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) দায়ের করা হয়েছিল স্বতঃপ্রণোদিত মামলা। হাইকোর্টের (Calcutta High Court) এই রায় নিয়েই গত জানুয়ারি মাসে প্রশ্ন তুলেছিল সুপ্রিম কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। সেই সঙ্গে হাইকোর্টের রায়ে সংবিধানের ২১ নম্বর ধারায় উল্লেখিত স্বাধীনভাবে বাঁচার অধিকারও লঙ্ঘন করা হয়েছে বলে তখন জানায় সুপ্রিম কোর্ট। এদিন হাইকোর্টের বিচারপতিদের করা মন্তব্য সহ গোটা রায় খারিজ করল সুপ্রিম কোর্ট।

     
    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: ‘ফুটবলপ্রেমীদের ওপর লাঠিচার্জ লজ্জাজনক’, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে মামলা হাইকোর্টে

    RG Kar Incident: ‘ফুটবলপ্রেমীদের ওপর লাঠিচার্জ লজ্জাজনক’, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে মামলা হাইকোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবাসরীয় বিকেলে বৃষ্টির মধ্যেই তিলোত্তমার হয়ে প্রতিবাদে (RG Kar Incident) সামিল হয়েছিলেন অগণিত সমর্থক। হাওড়া, দক্ষিণ কলকাতা, উত্তর কলকাতার বিভিন্ন জায়গা থেকে ছোট ছোট মিছিল এগোতে থাকে। গন্তব্য একটাই, যুবভারতী স্টেডিয়াম। ডার্বি বাতিল হওয়ার দুঃখ নয়, আরজি করের নির্যাতিতার বিচার চাওয়াই ছিল মূল লক্ষ্য। কিন্তু শান্তিপূর্ণ সেই প্রতিবাদ মিছিলকেও ভয় পেল পুলিশ। ফুটবলপ্রেমীদের সরাতে নির্বিচারে লাঠিচার্জ করতে হল পুলিশকে। এত অসহিষ্ণু কেন পুলিশ? যুবভারতী চত্বরে রবিবার পুলিশের এই ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) জনস্বার্থ মামলা দায়ের করলেন আইনজীবী রিজু ঘোষাল।

    পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ

    মামলায় বলা হয়েছে, দুই ক্লাবের সমর্থকরা শান্তিপূর্ণভাবে মিছিল করেন। সেখানে লাঠিচার্জ করা হয় ও ১০০ জনের বেশি আন্দোলনকারীকে গ্রেফতার করা হয়। এই ইস্যুতে হাইকোর্টকে স্বতঃস্ফূর্ত মামলা গ্রহণের আর্জি জানান আইনজীবী। পুলিশের আচরণের প্রতিবাদেই এই মামলা। মামলাকারীর দাবি, পুলিশ লজ্জাজনক কাজ করছে। মামলাটি গ্রহণ করেছেন হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম। আগামী কাল, মঙ্গলবার মামলার শুনানি। রবিবার, যুবভারতীতে ছিল ডুরান্ড ডার্বি। কিন্তু আরজি কর কাণ্ডের (RG Kar Incident) জেরে উত্তপ্ত শহর, তাই ম্যাচেও অশান্তি হতে পারে এবং নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত পুলিশ নেই-এই অজুহাতেই ডার্বি বন্ধ করেছিল প্রশাসন। কিন্তু দেখা গেল, রবিবার লাল-হলুদ, সবুজ-মেরুন সমর্থকদের একযোগে প্রতিবাদ মিছিল রুখতে রাস্তায় নামল শয়ে শয়ে পুলিশ। 

    আরও পড়ুন: আরজি কর-কাণ্ডে উত্তাল যুবভারতী, সমর্থকদের গ্রেফতারি আটকে ‘নায়ক’ কল্যাণ চৌবে

    “পুলিশের জবাব চাই”

    এদিন ডার্বির লডাই নয়, মোহন-ইস্ট সমর্থকরা একযোগে আরজি কর-এর নির্যাতিতার বিচার চেয়েছিলেন। এদিন বেলা সাড়ে তিনটে নাগাদ বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের পক্ষ থেকে বলা হয়, যুবভারতী চত্বরে প্রতিবাদ মিছিল (RG Kar Incident) করতে দেওয়া যাবে না। বিএনএসএস-এর ১৬৩ ধারা (আইপিসির ১৪৪ ধারা) অনুযায়ী, সেখানে জমায়েত করতে দেওয়া হবে না। কারণ গোপন সূত্রে তাঁরা নাকি জানতে পেরেছিলেন, কিছু দুষ্কৃতী ওই শান্তিপূর্ণ মিছিলে অস্ত্র নিয়ে ঢুকে পড়তে পারে। বিশৃঙ্খলা এবং অশান্তি তৈরি করতে পারে। কিন্তু কোনওটাই হয়নি। শান্তিপূর্ণ মিছিলকে আটকায় পুলিশ। যার ফলেই বচসায় জড়িয়ে পড়েন ফুটবল প্রেমীরা। কিছুক্ষণের মধ্যেই ময়দানের ৩ প্রধান দলের সমর্থকদের উপর পুলিশের লাঠিচার্জ শুরু হয়। ছোড়া হয় কাঁদানে গ্যাস। কিন্তু, কোনও সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর বা নষ্ট না করা হলেও পুলিশ কেন এত সক্রিয় ছিল? বিষয়টি নিয়ে বিধাননগর পুলিশ এবং কলকাতা পুলিশের জবাব তলব করা হোক-এই আবেদন জানিয়ে আদালতের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ আইনজীবী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে হাইকোর্টে মিছিল আইনজীবীদের, কী দাবি উঠল?

    RG Kar Incident: আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে হাইকোর্টে মিছিল আইনজীবীদের, কী দাবি উঠল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করে (RG Kar Incident) পড়ুয়া চিকিৎসক নির্যাতন ও খুনের ঘটনায় সোমবার দুপুরে পথে নামলেন আইনজীবারা। সেই মিছিলের প্রথম সারিতেই দেখা গেল রাজ্যের একাধিক প্রাক্তন অ্যাডভোক্যাট জেনারেল (এজি)-কে। এদিন মিছিলে উপস্থিত ছিলেন বহু বর্ষীয়ান আইনজীবী (Calcutta High Court)। প্রথম সারিতেই ছিলেন রাজ্য সরকারের প্রাক্তন এজি অনিন্দ্য মিত্র, প্রাক্তন এজি জয়ন্ত মিত্র। ছিলেন আইনজীবী সৌমেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়, যিনিও এজি পদ থেকে সম্প্রতি পদত্যাগ করেছেন।

    প্রতিবাদে আইনজীবীরা

    সোমবার সকালে কালো রোব পরে হাতে পোস্টার নিয়ে মিছিল শুরু করেন হাইকোর্টের আইনজীবীরা (Calcutta High Court)। মিছিল থেকে স্লোগান ওঠে ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ (RG Kar Incident)। সোমবার দুপুরেই বার অ্যাসোসিয়েশনের তরফে একটি বৈঠকে ডাকা হয়। সেই বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে স্থির হয়, আরজি করে চিকিৎসককে ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানানো হবে। একই সঙ্গে আইনজীবীদের ওই সংগঠনের তরফে অভিযুক্তদের দ্রুত শাস্তি দেওয়ার দাবিও জানানো হয়েছে। এই মিছিলে ছিলেন জিপি অশোক বন্দ্যোপাধ্যায়, যিনি রাজ্য সরকারের হয়ে একাধিক মামলা লড়েছেন। এদিন তিনি বলেন, ‘‘বিবেকের কাছে আমি দায়বদ্ধ। ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটেছে। এর প্রতিবাদ করতেই হবে। এমন ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। আমরা নন্দীগ্রামের সময়ও লড়েছি।’’ প্রাক্তন এজি অনিন্দ্য মিত্র বলেন, ‘‘নাগরিক সুরক্ষা সব মানুষের অধিকার। এই আন্দোলন শুধুমাত্র ডাক্তারদের জন্য নয়।’’ আইনজীবীদের দাবি, সঠিক তদন্ত হচ্ছে না। কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। নির্যাতিতার পরিবারকে আর্থিক ক্ষতিপূরণ দিয়ে রাজ্য সরকার বিষয়টি লঘু করতে চাইছে।

    আরও পড়ুন: আরজি কর-কাণ্ডে উত্তাল যুবভারতী, সমর্থকদের গ্রেফতারি আটকে ‘নায়ক’ কল্যাণ চৌবে

    আন্দোলনে অবসরপ্রাপ্ত চিকিৎসকেরা

    অন্যদিকে, আরজি কর-কাণ্ডে (RG Kar Incident) আন্দোলনকারী চিকিৎসকদের পাশে দাঁড়ালেন অবসরপ্রাপ্ত চিকিৎসকরাও। প্রবীণ চিকিৎসকদের একাংশ সোমবার বেলায় আরজি কর হাসপাতালে পৌঁছন। সেখানে অবস্থানে বসা পড়ুয়াদের সঙ্গে বসে পড়েন তাঁরাও। জানান, উত্তরসূরিদের আন্দোলনে সংহতি জানাতেই তাঁদের সেখানে যাওয়া। অবসরপ্রাপ্ত এক চিকিৎসক বলেন, “আমাদের সময় আরজি কর হাসপাতাল এমন ছিল না। আর এখন কী সব খবর আসছে।” 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: আরজি করে হামলা নিয়ে প্রশ্নের মুখে পুলিশ, সন্দীপকে কড়া ধমক হাইকোর্টের

    RG Kar Incident: আরজি করে হামলা নিয়ে প্রশ্নের মুখে পুলিশ, সন্দীপকে কড়া ধমক হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর হাসপাতাল (RG Kar Incident) নিরাপদ নয়, এটা বন্ধ করে রোগীদের অন্য কোথাও পাঠিয়ে দেওয়া ভালো, এমনই অভিমত হাইকোর্টের (Calcutta High Court)। আরজি কর হাসপাতালে হামলার ঘটনায় কলকাতা হাইকোর্টের প্রশ্নের মুখে পড়ল রাজ্য পুলিশ৷ ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য সিবিআইকে নির্দেশ দিলেন প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম৷ পরবর্তী শুনানিতে হলফনামা দিয়ে তাদের রিপোর্ট আদালতে পেশ করতে বলেছেন তিনি৷ আগামী বুধবার এই মামলার পরবর্তী শুনানি৷

    পুলিশকে প্রশ্ন হাইকোর্টের

    আরজি করে (RG Kar Incident) পড়ুয়া চিকিৎসকের মৃত্যুর ঘটনায় যখন ফুঁসছে গোটা দেশ, তারই মধ্যে বুধবার রাতে হামলা। ভেঙে তছনছ করে দেওয়া হয়েছে আরজি করের ইমার্জেন্সি বিভাগ। ভেঙে দেওয়া হয়েছে আন্দোলনকারীদের মঞ্চ। পুলিশ কার্যত দর্শকের ভূমিকা পালন করেছে বলেই অভিযোগ। সেই ঘটনার পর এবার কড়া পর্যবেক্ষণ কলকাতা হাইকোর্টের। এই ঘটনায় শুক্রবার একটি জনস্বার্থ মামলার শুনানির সময়, রাজ্য তথা পুলিশের ভূমিকা নিয়ে কার্যত বিরক্ত প্রকাশ করলেন হাইকোর্টের (Calcutta High Court) প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম।

    আন্দোলনকারীদের নিরাপত্তা কোথায়?

    এদিন শুনানির শুরু থেকেই প্রধান বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, আন্দোলনকারীদের নিরাপত্তা কোথায়? এভাবে কি আদৌ হাসপাতাল চালানো সম্ভব। এদিন প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট বলে দেন, আরজি করের (RG Kar Incident) ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিন্দনীয়। তিনি বলেন, “হাসপাতাল বন্ধ করে দিন, আমরা রোগীদের অন্যত্র স্থানান্তর করতে বলছি৷” এদিন  আদালত প্রশ্ন তুলেছে, ১০০ জন লোক জড় হলেও পুলিশের কাছে খবর থাকা জরুরি, তাহলে ৭০০০ লোকের উপস্থিতি কেন বোঝা গেল না? পুলিশের ইনটেলিজেন্সের কাছে কোনও খবর ছিল না ? এটা বিশ্বাসযোগ্য নয়।

    আরও পড়ুন: আরজি করে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি শুভেন্দু-সুকান্তর, চিঠি গেল শাহ-মন্ত্রকে

    সন্দীপ ঘোষকে ধমক

    শুক্রবার পুলিশি নিরাপত্তা চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের (RG Kar Incident) প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ। এদিনই দ্রুত শুনানি চেয়ে হাইকোর্টে (Calcutta High Court) আবেদনও জানান সন্দীপবাবু। সেই শুনানি চলাকালীন অধ্যক্ষের আইনজীবীর উদ্দেশে প্রধান বিচারপতির মন্তব্য, “সবটাই আমাদের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ। আপনি চিন্তা করবেন না। আপনি খুবই ক্ষমতাশালী। আপনি আমাদের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করছেন। বাড়িতে শান্তিতে থাকুন। না হলে বাড়িতে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করার নির্দেশ দেব।”

    “রাজ্যের গালে থাপ্পড়”

    বিজেপি নেতা শঙ্কর ঘোষ এই পর্যবেক্ষণ প্রসঙ্গে বলেন, “আদালত জানে যে আরজি কর (RG Kar Incident) হাসপাতাল বন্ধ করা যাবে না, কিন্তু পরিস্থিতি বিচার করেই এ কথা বলেছেন প্রধান বিচারপতি। এটা রাজ্যের গালে থাপ্পড় বলতে পারেন। আমরা রাজ্যের কাছে আর কিছু আশা করছি না। মানুষ এবার এই সরকার পরিবর্তন করুক।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • JP Nadda: ‘‘মহিলা মুখ্যমন্ত্রীর আমলে রাজ্যে নারীদের ওপর অত্যাচার বাড়ছে’’, আরজি কর ইস্যুতে তোপ নাড্ডার

    JP Nadda: ‘‘মহিলা মুখ্যমন্ত্রীর আমলে রাজ্যে নারীদের ওপর অত্যাচার বাড়ছে’’, আরজি কর ইস্যুতে তোপ নাড্ডার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর (RG Kar Issue) হাসপাতালে মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে তুলোধোনা করলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা (JP Nadda)। মঙ্গলবারই তিনি মমতা সরকারকে কাঠগড়ায় তুলে বলেন, ‘‘মহিলা মুখ্যমন্ত্রীর আমলে রাজ্যে নারীদের ওপর অত্যাচার বাড়ছে।’’ এই ঘটনাকে অত্যন্ত উদ্বেগজনক বলেও মন্তব্য করেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

    কী বললেন জেপি নাড্ডা (JP Nadda)?

    প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার আরজি কর কাণ্ডে সিবিআইয়ের নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। আদালতের এমন সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে জেপি নাড্ডা (JP Nadda) বলেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গের একজন তরুণী ডাক্তারকে ধর্ষণ ও খুন করা হয় যা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। গোটা দেশ হতবাক হয়ে গিয়েছে এই ঘটনায়। আমি এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি এবং গভীরভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি এই অমানবিক ঘটনার। আরজি কর হাসপাতালে এমন ঘটনাকে আড়াল করার জন্য অপচেষ্টাও করা হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গ এমন একটি রাজ্যে পরিণত হয়েছে যেখানে আইনের শাসন নেই। দুঃখের সঙ্গে বলতে হচ্ছে মহিলাদের ওপর নির্যাতন বেড়েই চলেছে পশ্চিমবঙ্গে, একজন মহিলা মুখ্যমন্ত্রী থাকার পরেও।’’ 

    পশ্চিমবঙ্গ সরকার এই ঘটনায় অনেক কিছু ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে 

    পশ্চিমবঙ্গ সরকার এই ঘটনায় অনেক কিছু ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ করেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী (JP Nadda) এবং তিনি বলেন, ‘‘আমি হাইকোর্টের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাচ্ছি, সিবিআই তদন্ত হবে এবং আমি আত্মবিশ্বাসী যে এর ফলেই সত্য উদঘাটিত হবে। গত দুদিনে অজস্র ডাক্তার সংগঠন আমাদের সঙ্গে দেখা করেছে এবং তাদের আমরা আশ্বাস দিয়েছি যে কেন্দ্রীয় সরকার প্রয়োজনীয় সমস্ত পদক্ষেপ করবে যারা এই ঘটনায় জড়িত তাদের বিরুদ্ধে। ’’

    আইএমএ-এর সভাপতি কী বললেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার পর

    প্রসঙ্গত, গতকাল মঙ্গলবারই দিল্লিতে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডার সঙ্গে দেখা করে আইএমএ-র প্রতিনিধি দল। তারা দাবি জানিয়েছে যে প্রতিটা হাসপাতালকে যেন সেফ জোন হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এর পাশাপাশি চিকিৎসক ও চিকিৎসা ব্যবস্থার (RG Kar Issue) সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন যাঁরা তাঁদের জন্য কেন্দ্রীয় আইন প্রণয়নের দাবি জানিয়েছে আইএমএ। আইএম-এর প্রেসিডেন্ট আরভি অশোকান কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর (JP Nadda) সঙ্গে বৈঠকের পরে বলেন, ‘‘আমাদের প্রধান দাবি যে হাসপাতালগুলিকে সেফ জোন হিসেবে ঘোষণা করতে হবে এবং সেখানে যথেষ্ট নিরাপত্তার ব্যবস্থা রাখতে হবে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Rape-Murder: ‘‘এত পাওয়ারফুল লোক’’! ‘পুরস্কৃত’ সন্দীপকে লম্বা ছুটিতে পাঠাতে নির্দেশ হাইকোর্টের

    RG Kar Rape-Murder: ‘‘এত পাওয়ারফুল লোক’’! ‘পুরস্কৃত’ সন্দীপকে লম্বা ছুটিতে পাঠাতে নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করের (RG Kar Rape-Murder) প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে লম্বা ছুটিতে যাওয়া নির্দেশ দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম। শুধু তাই নয় সময়সীমা বেঁধে দিয়ে প্রধান বিচারপতি এদিন রাজ্য সরকারকে বলেন, ‘‘বিকেল ৩টে পর্যন্ত সময় দিলাম। এর মধ্যে অধ্যক্ষকে স্বেচ্ছায় ছুটিতে চলে যেতে বলুন। না হলে আমরা নির্দেশ দিতে বাধ্য হব।’’

    প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার কলকাতা হাই কোর্টে প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চে আরজি করের চিকিৎসক খুনের ঘটনার একাধিক জনস্বার্থ মামলার একসঙ্গে শুনানি হয়। সেখানেই এক মামলাকারীর আইনজীবী বলেন, ‘‘আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ সোমবার সকালে বলেছিলেন সরকারি চাকরি ছেড়ে দিচ্ছেন। বিকেলে তাঁকেই কলকাতা ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ নিয়োগ করা হয়।’’ এনিয়ে প্রধান বিচারপতি বিস্ময়প্রকাশ করে বলেন, ‘‘১২ ঘণ্টার মধ্যে পুরস্কৃত হয়ে গেলেন?’’ উত্তরে সন্দীপের আইনজীবী আদালতে বলেন, ‘‘ইস্তফা দিয়েছিলেন। কিন্তু গ্রহণ করা হয়েছে কিনা জানা নেই।’’ পাল্টা প্রধান বিচারপতির প্রশ্ন, ‘‘অধ্যক্ষ ইস্তফা দেওয়ার পরেও কীভাবে পুরস্কৃত হলেন?’’ বিস্মিত প্রধান বিচারপতি এদিন আরও মন্তব্য করেন, ‘‘সন্দীপ ঘোষ এত পাওয়ারফুল লোক!’’

    এজলাসে হাজির মৃত চিকিৎসকের বাবা

    অন্যদিকে, এদিনই কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) হাজির হন নিহত মহিলা চিকিৎসকের বাবা। প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের এজলাসে সোজা চলে যান তিনি। সেখানেই আরজিকর (RG Kar Rape-Murder) কাণ্ডে দায়ের হওয়া একাধিক জনস্বার্থ মামলার শুনানি চলছিল। নিহত চিকিৎসকের বাবা আদালতের হস্তক্ষেপে এই খুনের ঘটনার তদন্ত দাবি করেন। নিহত মহিলা চিকিৎসকের পরিবারকে মামলায় যুক্ত করার নির্দেশ দেন প্রধান বিচারপতি।

    বিস্মিত প্রধান বিচারপতি জানতে চান, কে বলেছিলেন ওই চিকিৎসক আত্মহত্যা করেছেন? 

    প্রসঙ্গত, আরজি কর (RG Kar Rape-Murder) কাণ্ড নিয়ে একাধিক মামলা দায়ের হয়েছে কলকাতা হাইকোর্টে। এই জনস্বার্থ মামলাগুলির শুনানি এদিনই ছিল প্রধান বিচারপতির এজলাসে। সেখানেই মামলার তদন্ত ও গতিপ্রকৃতি নিয়ে অনেক প্রশ্ন ওঠে। বাড়ির লোককে প্রথমে ফোন করে কেন বলা হয় যে তাঁদের মেয়ে আত্মহত্যা করেছে? সে প্রশ্ন তোলেন মামলাকারীদের পক্ষের আইনজীবীরা। এনিয়েও বিস্ময় প্রকাশ করেন প্রধান বিচারপতি। তিনি জানতে চান, কে বলেছিলেন ওই চিকিৎসক আত্মহত্যা করেছেন?

    প্রসঙ্গত, যে জনস্বার্থ মামলাগুলি দায়ের হয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টে সেখানে তিনটি আবেদন করা হয়। তার মধ্যে প্রধান হল, নিরপেক্ষ সংস্থাকে দিয়ে আরজি কর কাণ্ডের (RG Kar Rape-Murder) তদন্ত করানো। মামলাকারীদের দাবি, এমন সংস্থাকে দিয়ে তদন্ত করাতে হবে, যার ওপর রাজ্যের কোনও প্রভাব নেই। এছাড়াও এই ঘটনায় আরও কেউ জড়িত রয়েছে কিনা, অবিলম্বে তা তদন্ত করে প্রকাশ্যে আনারও দাবি জানানো হয়েছে। এর পাশাপাশি, রাজ্যের সমস্ত হাসপাতালে সিসি ক্যামেরা লাগানোর দাবিও জানানো হয়েছে।

    শুনানি চলার সময়ই উঠে আসে কামদুনি প্রসঙ্গ

    আরজি কর (RG Kar Rape-Murder) কাণ্ডের শুনানি চলার সময়ই উঠে আসে কামদুনি প্রসঙ্গ। হাইকোর্টে (Calcutta High Court) দায়ের হওয়া একটি জনস্বার্থ মামলার আইনজীবী, আদালতে সওয়াল করেন, কামদুনিতে ধর্ষণ এবং খুনের মামলা যেভাবে সাজানো হয়েছিল, সেই একই কায়দায় আরজি করের মামলা সাজানো হচ্ছে। এমন যাবতীয় অভিযোগ পাওয়ার পরে রাজ্য সরকারের আইনজীবী জানিয়েছেন, আগামিকাল, অর্থাৎ বুধবার সকাল দশটার মধ্যে তাঁরা সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দেবেন।

    অন্যদিকে, যে জনস্বার্থ মামলাগুলি দায়ের হয় তার মধ্যে একটি করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর আইনজীবী আদালতে বলেন, ‘‘৩০ মিনিটের মধ্যে এক জনের পক্ষে ওই ঘটনা সম্ভব নয়। এই কোর্টের নির্দেশে সিভিক ভলান্টিয়ার নিয়ে নির্দেশিকা রয়েছে। রবিবার পর্যন্ত দেখা হবে বলা হচ্ছে। তার পরে সিবিআইকে তদন্তভার (RG Kar Rape-Murder) দেওয়া হবে। কিন্তু, প্রতি মুহূর্তে তথ্যপ্রমাণ নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।’’ মামলাকারীর দাবি, অবিলম্বে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হোক। এও জানিয়ে দেওয়া হয়, মামলার তদন্তভার নিতে প্রস্তুত রয়েছে কেন্দ্রীয় সংস্থা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Dev-Hiran: ভোট লুটের বিরুদ্ধে ফের আদালতে বিজেপি, এবার সাংসদ দেবকে নোটিশ হাইকোর্টের

    Dev-Hiran: ভোট লুটের বিরুদ্ধে ফের আদালতে বিজেপি, এবার সাংসদ দেবকে নোটিশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘাটাল লোকসভা কেন্দ্রে ভোটে কারচুপির অভিযোগ তুলে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হয়েছিলেন বিজেপি প্রার্থী হিরণ চট্টোপাধ্যায় (Dev-Hiran)। এবার এই মামলায় তৃণমূল সাংসদ দেবকে নোটিশ দিল উচ্চ আদালত। শুক্রবার বিচারপতি বিভাস পট্টনায়ক স্পষ্ট করে নির্দেশ দেন, ঘাটাল কেন্দ্রে ভোটের সমস্ত কাগজপত্র, বৈদ্যুতিন নথি এবং ভিডিও ফুটেজ সংরক্ষণ করতে হবে নির্বাচন কমিশনকে। আগামী ৬ অগাস্ট হবে মামলার পরবর্তী শুনানি।

    ‘খুল্লম-খুল্লা ছাপ্পাদাবি হিরণের (Dev-Hiran)

    ভোটের দিন থেকেই ছাপ্পা-কারচুপির অভিযোগে সরব হয়েছিলেন বিজেপি প্রার্থী হিরণ (Dev-Hiran)। তিনি এই কেন্দ্রে পুনর্নির্বাচনের দাবিও তুলেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, “নির্বাচনের দিন কেশপুরে ‘লুঙ্গি ড্যান্স’ করে রাজ্য প্রশাসনের সাহায্যে গণতন্ত্রকে প্রকাশ্যে হত্যা করা হয়েছে। এখানকার ৭১ ও ৭৪ বুথের ভিডিও ফুটেজে দেখা গিয়েছিল কীভাবে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা ভোটারদের প্রভাবিত করেছে। কমিশনের পর্যবেক্ষক বা রিটার্নিং অফিসাররা কেউ আমার অভিযোগ শোনেননি। কেশপুরে ২০০ বুথে বিজেপির এজেন্টকে বসতে দেয়নি শাসক দলের গুন্ডারা। খুল্লাম-খুল্লা ছাপ্পা মেরেছে।” হিরণের (Dev-Hiran) মামলায় রাজ্য রাজনীতিতে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

    রেখা পাত্রও হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন

    হিরণ একা নন। এর আগে, বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্রের ফলাফল নিয়ে হিরণের (Dev-Hiran) মতো আগেই ইলেকশন পিটিশেন দায়ের করেছিলেন বিজেপি নেত্রী রেখা পাত্র। তাঁর অভিযোগ ছিল, নির্বাচন কেন্দ্রে তৃণমূল ব্যাপক ছাপ্পা এবং কারচুপি করেছে। সেই মামলার শুনানিতে বিচারপতি কৃষ্ণা রাও (Calcutta High Court) ইভিএম, ব্যালট, সিসিটিভি, ডিভিআর এবং নির্বাচনী সমস্ত কাগজপত্র সংরক্ষণ করার নির্দেশ দিয়েছেন। একই ভাবে তৃণমূলের জয়ী প্রার্থী হাজি নুরুল ইসলাম এবং জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, কোচবিহারের পরাজিত প্রার্থী নিশীথ প্রামাণিক, আরামবাগে পরাজিত অরূপকান্তি দিগার এবং ডায়মন্ডহারবারের পরাজিত অভিজিৎ দাস ববি, প্রত্যেকে মামলা দায়ের করেছেন হাইকোর্টে। প্রত্যেক বিজেপি প্রার্থীর অভিযোগ ফলাফলে কারচুপি করেছে তৃণমূল।

    আরও পড়ুনঃ অভিষেকের কেন্দ্রে ভোট লুট নিয়ে এবার বড়সড় পদক্ষেপ শুভেন্দুর, করলেন আরটিআই

    অভিষেকের কেন্দ্রে আরটিআই শুভেন্দুর

    অন্যদিকে, ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় প্রায় ৭ লাখেরও বেশি ভোটে জয়ী হয়েছিলেন। বিজেপি এনিয়ে বার বার প্রশ্ন তুলেছে। এই কেন্দ্রে প্রায় ১০ লাখ ভোটের ছাপ্পা হয় বলে অভিযোগ করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এই লোকসভা কেন্দ্রে ভোট পরিচালনার কাজে যে সকল পোলিং অফিসার, প্রিসাইডিং অফিসার, রিটার্নিং, অ্যাসিস্ট্যান্ট রিটার্নিং অফিসার এবং কাউন্টিং স্টাফ যুক্ত ছিলেন তাঁদের সকলের নাম, পরিচয় প্রকাশের দাবিতে আরটিআই দাখিল করেছেন তিনি। নাম প্রকাশ্যে আসলেও ছবি আরও স্পষ্ট হবে বলে দাবি করেন শুভেন্দু। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: সৌরভকে ১ টাকায় ৩৫০ একর জমি লিজ! মমতাকে কাঠগড়ায় তুলে জনস্বার্থ মামলা

    Calcutta High Court: সৌরভকে ১ টাকায় ৩৫০ একর জমি লিজ! মমতাকে কাঠগড়ায় তুলে জনস্বার্থ মামলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইস্পাত কারখানার জন্য ভারতীয় ক্রিকেটের আইকন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে  (Sourav Ganguly) জমি দিয়েছে রাজ্য সরকার। এক টাকায় ৯৯৯ বছরের জন্য ৩৫০ একর জমি লিজ দেওয়া হয়েছে। কেন বা কীভাবে ওই জমি সৌরভকে দিল রাজ্য তা নিয়ে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছে হাইকোর্টে। সেই মামলার শুনানি হবে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচির ডিভিশন বেঞ্চে। বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের (Calcutta High Court) প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম ও বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের বেঞ্চ এই নির্দেশ দিয়েছে। 

    কীসের ভিত্তিতে মামলা

    অতীতে পশ্চিম মেদিনীপুরে ‘ফিল্মসিটি’ তৈরির জন্য প্রয়াগ গোষ্ঠীকে ৭৫০ একর জমি দিয়েছিল রাজ্য। ওই জমির জন্য এবং ‘ফিল্মসিটি’ প্রকল্পের কাজে প্রায় ২৭০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছিল প্রয়াগ গোষ্ঠী। কিন্তু পরবর্তী সময়ে চিটফান্ড কেলেঙ্কারি মামলায় নাম জড়ায় ওই সংস্থার। আমানতকারীদের জমানো ২৭০০ কোটি টাকা ওই ‘ফিল্মসিটি’ তৈরির কাজে ব্যবহার করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। চিটফান্ড কেলেঙ্কারি মামলায় সেই সময় অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এসপি তালুকদারের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করে দিয়েছিল হাইকোর্ট। এর পর আমানতকারীদের টাকা ফেরানোর উদ্দেশ্যে রাজ্য ও প্রয়াগ গোষ্ঠীর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল। বাজেয়াপ্ত হওয়া সম্পত্তির তালিকায় ছিল পশ্চিম মেদিনীপুরে সৌরভকে  (Sourav Ganguly) দেওয়া জমিও। রাজ্যের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে (Calcutta High Court) দায়ের হয় মামলা। জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেন শেখ মাসুদ নামে এক আমানতকারী।

    আরও পড়ুন: ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে শুক্রবারও কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের ৬ জেলায় বৃষ্টির সতর্কতা

     বাজেয়াপ্ত হওয়া সম্পত্তিই ফের হস্তান্তর

    আগের বিষয়টি নিষ্পত্তি হওয়ার আগেই কেন প্রয়াগ গোষ্ঠীর বাজেয়াপ্ত হওয়া সম্পত্তি আবার অন্যকে দেওয়া হচ্ছে, তা নিয়েই প্রশ্ন ওঠে। মামলাকারীর আইনজীবী শুভাশিস চক্রবর্তী আদালতে বলেন, “প্রয়াগ গোষ্ঠীর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে আমানতকারীদের টাকা ফেরত দেওয়ার কথা ছিল রাজ্যের। সেই মতো ওই জমি বিক্রি করে আমানতকারীদের টাকা পাইয়ে দেওয়া উচিত।” কিন্তু তা না করে রাজ্য কী ভাবে সৌরভকে (Sourav Ganguly) কারখানা তৈরির জন্য এক টাকায় ৯৯৯ বছরের জন্য ওই জমি লিজে দিল? এর সঙ্গে কী স্বার্থ জড়িয়ে রয়েছে রাজ্যের, তা নিয়েই উঠছে নানা প্রশ্ন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share