Tag: Calcutta High court

Calcutta High court

  • Anis Khan: খুন হননি আনিস খান! সিটের রিপোর্টে হতাশ পরিবার

    Anis Khan: খুন হননি আনিস খান! সিটের রিপোর্টে হতাশ পরিবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আনিস খান (Anis Khan) খুন হননি। সোমবার SIT-এর পেশ করা চার্জশিটে (Anis Khan Chargesheet) এমনটাই দাবি করা হয়েছে। আনিসের পরিবারের দাবি খারিজ করে সিটের তরফে বলা হয়েছে, হাওড়া আমতার ছাত্রনেতা আনিসের মৃত্যু হয়েছে ছাদ থেকে পড়েই। যদিও পুলিশের গাফিলতির কথা মেনে নেওয়া হয়েছে এই  রিপোর্টে। সোমবার উলুবেড়িয়া আদালতে আনিস খান মৃত্যু মামলায় (Anis Khan Case) চার্জশিট পেশ করে তদন্তকারী SIT। পুলিশের অভিযানের পরই ছাদ থেকে পড়ে আনিসের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন তদন্তকারীরা। যদিও এই তথ্য মানতে নারাজ তাঁর পরিবার। 

    আনিসের বাবা সালেম খানের দাবি,’সিটের চার্জশিটের ওপর ভরসা নেই আমার। আমি আশাও করি না, কারণ যে পুলিশ সিট গঠন করেছে সেই পুলিশই তো আমার চোখের সামনে আমার ছেলেকে উপর থেকে মেরে ফেলে দিয়ে গেল।’ পুলিশই হত্যা করেছে তাঁর ছেলেকে। ফলে রাজ্য সরকারের গঠিত SIT-এর তদন্তে ভরসা নেই তাঁর। CBI তদন্তের দাবিতে অনড় আনিস খানের পরিবার।

    আরও পড়ুন: অমরনাথে বাঙালি ছাত্রীর মৃত্যু, আটকে ১৬, চালু হেল্পলাইন

    চলতি বছরের ১৮ ফেব্রুয়ারির রাতে, নিজের বাড়িতেই ছাত্রনেতা আনিস খানের রহস্যমৃত্যু হয়। পুলিশের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ তুলে, সিবিআই তদন্তের আর্জি জানিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় পরিবার। শুনানি চলাকালীন একাধিকবার পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল আদালত। শেষ পর্যন্ত, রাজ্য পুলিশের SIT’র তদন্তে আস্থা রাখে কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। সেই আনিস-কাণ্ডে উলুবেড়িয়া আদালতে চার্জশিট জমা দিল তদন্তকারীরা। চার্জশিটে আমতা থানার তৎকালীন ওসি দেবব্রত চক্রবর্তীর নাম রয়েছে। চার্জশিটে নাম রয়েছে এক এএসআই, এক হোমগার্ড ও দুই সিভিক ভলান্টিয়ারের। সিটের চার্জশিটে দাবি করা হয়েছে, হিজাব বিতর্ক নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছিলেন আনিস। তা নিয়ে গণ্ডগোল হওয়ার সম্ভাবনা ছিল। সেজন্য আনিসের বাড়িতে গিয়েছিল পুলিশ। তবে সেইসময় নিয়ম পালন করা হয়নি বলে চার্জশিটে জানিয়েছেন তদন্তকারী অফিসারেরা।

  • SSC scam: নবম-দশমে নয়া নিয়োগ তালিকা প্রকাশের নির্দেশ! জানুন কী বলল হাইকোর্ট

    SSC scam: নবম-দশমে নয়া নিয়োগ তালিকা প্রকাশের নির্দেশ! জানুন কী বলল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষক-নিয়োগে দুর্নীতিতে রাজ্যের মুখ কালো হয়েছে বারবার। শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে টাকার লেনদেনও দেখেছে রাজ্য। যাঁরা চাকরি পেয়েছেন বাতিল হয়েছে অনেকেরই নিয়োগ। তাই নতুন করে আবার  নবম-দশমের নিয়োগ তালিকা (Recruitment List) প্রকাশের নির্দেশ দিল  কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। আগামী ১৬ অগাস্টের মধ্যে তালিকা প্রকাশ করতে বলা হয়েছে। শুক্রবার এসএসসি নিয়োগ নিয়ে একটি মামলায় এই রায় দেন তিনি। এর পাশাপাশি বিচারপতি জানতে চান, “নির্দিষ্ট অনুপাতের বাইরে অতিরিক্ত কাদের ডাকা হয়েছিল ইন্টারভিউতে? এই অতিরিক্ত প্রার্থীদের মধ্যে কারা নিয়োগের সুপারিশপত্র পেয়েছেন?” এছাড়া “এখনই সম্পূর্ণভাবে এসএসসির ডেটারুম খুলছে না”, বলেও নির্দেশ দেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।

    আরও পড়ুন: বেনামি ফ্ল্যাটের ‘মালকিন’ অর্পিতা, ভিজিটরদের নাম-ধাম জানতে কেন নিষেধ ছিল নিরাপত্তাকর্মীদের?

    প্রসঙ্গত, SSC-র শিক্ষক নিয়োগে নতুন দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। বিস্তারিত মেধাতালিকা প্রকাশ হতেই দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে হাইকোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন চাকরিপ্রার্থীরা। নতুন করে মামলার অনুমতি দেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। অভিযোগ উঠেছে, SSC-র নবম-দশম শিক্ষক নিয়োগে সংরক্ষণের নিয়ম মানা হয়নি। মেধা তালিকায় নাম না থাকা এবং মেধা তালিকার নীচের দিকে থাকা বেশ কয়েকজন হাইজাম্প করে তালিকার ওপরে উঠে এসেছেন। গত ১৪ জুলাই নম্বর বিভাজন-সহ মেধাতালিকা প্রকাশ করেছিল SSC।

    আরও পড়ুন: মা স্বাভাবিক অভিভাবক, তিনিই ঠিক করবেন সন্তানের পদবি, জানাল সুপ্রিম কোর্ট

     

    এই পরিস্থিতিতে এদিন বিচারপতি জানান, “নবম দশমের যে বিস্তারিত মেধাতালিকা এসএসসি প্রকাশ করেছে সেখানে যে তথ্য বিকৃতির অভিযোগ উঠেছে, তার প্রেক্ষিতে ১৬ অগাস্টের মধ্যে হলফনামা জমা দেবে এসএসসি। সিবিআই এবং এনআইসি-র উপস্থিতিতে ডেটা রুম খুলতে পারবে এসএসসি।” অন্যদিকে এদিন যে সব চাকরিপ্রার্থীরা আন্দোলনে সামিল হননি তাদের উদ্দেশে হাইকোর্টের বার্তা, “বাড়িতে বসে আন্দোলন হয় না। আমি বঞ্চিত, অথচ আমি আন্দোলনে নেই, তাদের আবেদনে কেন সাড়া দেবে আদালত ? মোমবাতি নিয়ে মিছিল করলাম আর সামাজিক মাধ্যমে বার্তা দিলাম, এভাবে আন্দোলন হয় না।” বিচারপতি জানান,  তিনি নিজে বিচার ক্ষমতার সর্বোচ্চ প্রয়োগ করেছেন, তাতে সমালোচিতও হয়েছেন। এর জন্য কোনও আক্ষেপ নেই। কিন্তু প্রকৃত ভুক্তভোগীদের আদালতে আসতে হবে।

     

  • Calcutta High Court: শুভেন্দুকে নেতাই যেতে বাধা কেন? ডিজি, এসপির বিরুদ্ধে রুল জারি হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: শুভেন্দুকে নেতাই যেতে বাধা কেন? ডিজি, এসপির বিরুদ্ধে রুল জারি হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার আদালত অবমাননার (Court of Contempt) মামলায় রাজ্য পুলিশের ডিজি (West Bengal Police DG), ঝাড়গ্রামের পুলিশ সুপার (Superintendent of Police) ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের বিরুদ্ধে রুল (Rule) জারি করল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta Highcourt)। পশ্চিম মেদিনীপুরের নেতাই (Netai) গ্রামে যাওয়ার পথে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা (Leader of Opposition) শুভেন্দু অধিকারীকে (Suvendu) বাধা দেওয়াতেই শোকজ করা হয়েছে এই তিন আধিকারিককে। জুলাই মাসের ৩০ তারিখে বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্যের এজলাসে হাজির হয়ে জবাব দিতে হবে তাঁদের। এমনই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে আদালতের তরফে।

    আরও পড়ুন : হাইকোর্ট থেকে সুপ্রিম কোর্ট, রক্ষাকবচের জন্য ছুটছেন মন্ত্রী পার্থ, কিন্তু পাবেন কি?

    ফি-বছর ৮ জানুয়ারি দিনটি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন শুভেন্দু অধিকারী। ওই দিনেই ঘটেছিল নেতাই গণহত্যা (Netai Massacre)। সিপিএমের গুলিতে নিহত হয়েছিলেন বেশ কয়েকজন নিরীহ গ্রামবাসী। ওই ঘটনার পর থেকে প্রতিবছর দিনটি পালন করেন শুভেন্দু। প্রতি বারের মতো চলতি বছরও ৮ তারিখ সকালে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে নেতাই যাচ্ছিলেন শুভেন্দু। নেতাইয়ের ২০ কিলোমিটার আগেই আটকে দেওয়া হয় তাঁকে। ডিজি, ঝাড়গ্রামের পুলিশ সুপার এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের নির্দেশেই তাঁর গাড়ি আটকে দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। বাধ্য হয়েই নেতাই না গিয়ে ফিরতে হয়েছিল শুভেন্দুকে।

    আরও পড়ুন : ‘‌বৈবাহিক ধর্ষণ’‌ নিয়ে দ্বিধাবিভক্ত দিল্লি হাইকোর্ট, মামলা যেতে পারে শীর্ষ আদালতে

    আদালত সূত্রে খবর, এর আগে রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল (Advocate General) কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্যের (Justice Sabyasachi Bhattacharya) এজলাসে হাজির হয়ে আশ্বস্ত করেছিলেন, রাজ্যর যে কোনও প্রান্তে যেতে পারেন বিরোধী দলনেতা। রাজ্যই তাঁর প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা দেবে। তার পরেও নেতাই যাওয়ার পথে বাধা দেওয়া হয় শুভেন্দুকে। এর পরেই রাজ্য পুলিশের ডিজি মনোজ মালব্য সহ তিন আধিকারিকের বিরুদ্ধে আলাদত অবমাননার মামলা দায়ের হয়। সেই মামলায় তাঁদের বিরুদ্ধে রুল জারি করে আদালত। জুলাই মাসের ৩০ তারিখে বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্যের এজলাসে হাজির হয়ে তাঁদের জবাব দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে আদালতের তরফে।

     

  • Calcutta High Court: এখন থেকে মাদক উদ্ধারের ভিডিওগ্রাফি বাধ্যতামূলক, পুলিশকে নির্দেশ হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: এখন থেকে মাদক উদ্ধারের ভিডিওগ্রাফি বাধ্যতামূলক, পুলিশকে নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাদক মামলায় (Narcotics Related Case) কাউকে গ্রেফতার করা হলে কিংবা অভিযুক্তের কাছ থেকে বেআইনি কোনও সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করা হলে পুরো প্রক্রিয়াটি ভিডিওগ্রাফি (Videography) করে রাখতে হবে। সম্প্রতি এই মর্মে রায় দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। সংশ্লিষ্ট আধিকারিক এই নির্দেশ অমান্য করলে তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় পদক্ষেপ করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।  

    আরও পড়ুন : ডিএ বকেয়া থাকায় ২ রাজ্য সরকারি কর্তার বেতন বন্ধের নির্দেশ হাইকোর্টের

    আদালত সূত্রে খবর, মুর্শিদাবাদের লালগোলা থানায় মাদক সংক্রান্ত একটি অভিযোগ দায়ের হয়। সেই মামলায় অভিযুক্তের কাছ থেকে মাদক উদ্ধার করা হয়েছে বলে দাবি পুলিশের। যদিও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি ভিন্ন। তাঁরা বলছেন, অভিযুক্তের কাছ থেকে আদৌ কোনও বেআইনি সামগ্রী উদ্ধার হয়নি। পরে পুলিশ জোর করে ‘ভুয়ো’ সিজার লিস্টে সই করিয়েছে অভিযুক্তকে দিয়ে। সংশ্লিষ্ট পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে জাল নথিপত্র পেশের অভিযোগও উঠেছে। এদিন বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি ও বিচারপতি অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চে শুনানির জন্য ওঠে মামলাটি। মামলাকারীদের বক্তব্য জানার পর বেঞ্চের তরফে বলা হয়, আজকাল সব পুলিশ কর্মী ও আধিকারিকের কাছে স্মার্ট ফোন থাকে। তাই মাদক মামলায় কাউকে গ্রেফতার করা হলে কিংবা কোনও সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করা হলে পুরো প্রক্রিয়াটি ভিডিও রেকর্ডিং বা ভিডিওগ্রাফি করে রাখতে হবে পুলিশ আধিকারিকদের। কোনও পরিস্থিতিতেই এই নির্দেশ অমান্য করা চলবে না। আদালতের এই নির্দেশের বিষয়ে যাতে দ্রুত রাজ্যের সব থানাকে ওয়াকিবহাল করা হয়, তা-ও নিশ্চিত করতে ডিভিশন বেঞ্চের তরফে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে রাজ্য পুলিশের ডিজিকে। বলা হয়েছে, অবিলম্বে রাজ্যের প্রত্যেক পুলিশ সুপারের কাছে এই সংক্রান্ত নির্দেশিকা পাঠিয়ে দিতে হবে। সকলে আদালতের নির্দেশ মানছেন কিনা, পুলিশ সুপারদের সেদিকেও নজর রাখতে হবে।

    আরও পড়ুন : ডিএ বকেয়া থাকায় ২ রাজ্য সরকারি কর্তার বেতন বন্ধের নির্দেশ হাইকোর্টের

    যে মামলা ঘিরে এই রায় দিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ, লালগোলা থানা এলাকার সেই ঘটনায় মূল অভিযুক্তের নাম কবীর শেখ। তাঁর দাবি, মিথ্যা মাদক মামলায় পুলিশ ফাঁসিয়েছে তাঁকে। ‘ভুয়ো’ সিজার লিস্ট তৈরি করে জোর করে তাঁকে তাতে সই করতে বাধ্য করা হয়েছে। বিনা ‘দোষে’ তাঁকে কারাবাসও করতে হয়েছে। প্রসঙ্গত, প্রমাণের অভাবে ইতিমধ্যেই কবীরের জামিন মঞ্জুর করেছে কলকাতা হাইকোর্ট।

     

  • SSC Scam: তিনি ‘অজ্ঞ’, সব জানেন শিক্ষাসচিব, সিবিআইকে জানিয়ে এলেন পার্থ

    SSC Scam: তিনি ‘অজ্ঞ’, সব জানেন শিক্ষাসচিব, সিবিআইকে জানিয়ে এলেন পার্থ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মজার কাণ্ড সিবিআই (CBI) দফতরে। হেসেই লুটোপুটি তদন্তকারীরা। এমনও হতে পারে? কিন্তু এমনই হয়েছে। 

    কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta Highcourt) নির্দেশে এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতির (SSC Recruitment Scam) তদন্তে নেমে দুদফায় জেরা করা হয় শিল্পমন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে (Partha Chatterjee)। পার্থবাবু তদন্তকারীদের জানিয়ে এসেছেন, তিনি অজ্ঞ, এসএসসি চাকরি কীভাবে হয়েছে তা কিছুই জানেন না। কারণ এসএসসি স্বশাসিত সংস্থা, মন্ত্রীকে কিছু জানানোর প্রশ্নই ওঠে না। তবে এখানেই শেষ হচ্ছে না হাসির কারণ। তদন্তকারীরা দলিল-দস্তাবেজ খুলে বসতেই প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী জানিয়ে দেন, তিনি নন, সব জানেন স্কুল শিক্ষাসচিব (State education secretary)। এত কাণ্ড যে হয়েছে তা তাঁর জানাই ছিল না।

    পার্থবাবুর মুখে একথা শুনে মুচকি হাসি দেখা যায় তদন্তকারীদের মুখে। আপাতত দুদফায় জেরা করা হয়েছে তাঁকে। তার মাঝেই সিবিআইয়ের হাতে এসেছে আরও তথ্য। সে সব সামনে রেখে ফের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীকে জেরা করা হবে বলে তদন্তের গতি-প্রকৃতির খবর যাঁরা রাখছেন, তাঁদের একাংশ জানাচ্ছেন। শিক্ষামহলের একাংশ অবশ্য এও দাবি করছেন, এসএসসি দুর্নীতির যাবতীয় দায় শিক্ষাসচিবের উপর চাপিয়ে দিয়ে পার্থবাবু আসলে শিক্ষা দফতরের বর্তমান হর্তা-কর্তাদের দিকেই ইঙ্গিত করতে চেয়েছেন। 

    আরও পড়ুন: এসএসসি মামলায় মধ্যশিক্ষা পর্ষদের অফিস, শান্তিপ্রসাদের বাড়িতে সিবিআই

    কারণ আদালতে এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতির আসা ইস্তক বর্তমান শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু স্পষ্ট অবস্থান নিয়েছেন। তা হল, তাঁর আমলে এসব কিছু হয়নি। এমনকি আদালতে দাঁড়িয়ে সরকার বেনিয়মের প্যানেল বাতিল পর্যন্ত করতে উদ্যত হয়েছিল। যা এক প্রকার নিয়োগে দুর্নীতি মেনে নেওয়ারই সামিল। এর অর্থ বর্তমান শিক্ষা দফতরের কর্তারা দুর্নীতির দায় পুরনো মন্ত্রী-আমলাদের উপরই চাপিয়ে দিতে চাইছেন বলে বোকাসোকা মানুষেরাও বুঝতে পারছেন। 

    সেই কারণেই কি সিবিআইয়ের সামনে গিয়ে নিজের দায় ঝেরে ফেলে শিক্ষাসচিব মনীশ জৈনের (Manish Jain) সরকারি দায়িত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে এসেছেন প্রাক্তন শিক্ষা মন্ত্রী? তদন্তকারীদের একাংশ সূত্রে পাওয়া গিয়েছে, নিয়োগ যে একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া সে কথাও ঠারেঠোরে বোঝাতে চেয়েছেন পার্থবাবু। অর্থাৎ, শিক্ষামন্ত্রী বদলানোর সঙ্গেই দায় কেউ বয়ে নিয়ে যান না, সেই পদে যাঁরাই বসে থাকেন তাঁদেরও সমান দায়ভার থেকে যায়। বিকাশ ভবনে কান পাতলে শোনা যাচ্ছে, বর্তমান শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর কানেও এ কথা পৌঁছেছে। তিনি ‘কাগজপত্র’ সামলাতে বিশেষ সতর্কতাও নিয়েছেন। ঘনিষ্ঠ মহলে নাকি জানিয়েছেন, লক্ষ লক্ষ বেকার ছেলেমেয়েদের চাকরি নিয়ে দুর্নীতি হয়ে থাকলে তা সমর্থনযোগ্য নয়।

    আরও পড়ুন: কয়লা, গরুপাচার, এসএসসি দুর্নীতির তদন্তরত অফিসারকে কেন সরিয়ে দিল সিবিআই?

    তবে শুধু পার্থবাবু নন, নিয়োগ সংক্রান্ত তদারক কমিটির সদস্যরাও সিবিআইয়ের ‘বন্ধু’ হওয়ার চেষ্টাই করছেন বলে শোনা যাচ্ছে। তদন্তকারীদের সামনে তাঁদের সকলের আকুতি, সহযোগিতা করছি, কিন্তু আমাদের যেন বেশি টানাটানি না করা হয়। সরকারের আইনজীবীরা বার বার সিবিআইয়ের তলব পাওয়া অফিসারদের পাখি পড়া করে পাঠাচ্ছেন, কোনও প্রশ্নেরই যেন জবাব দেবেন না। সূত্রের খবর, কিন্তু তদন্তের শুরুতে তাঁরা সেই চেষ্টা করলেও কাগজপত্র সামনে আনতেই তাঁদের ব্যবহার হয়ে যাচ্ছে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বাধ্য ছাত্রের মতো।

    যদিও সিবিআইয়ের তদন্ত নিয়ে আদালত থেকে সাধারণ মানুষের মধ্যেও নানা প্রশ্ন উঠে যাচ্ছে। আদৌ কি কিছু হবে? এসএসসি দুর্নীতির তদন্তরত এক কর্তার কথায়, ‘রাজ্য পুলিশের দারোগাদের তদন্ত শুরু হয় অভিযুক্তকে গ্রেফতারি দিয়ে। তার পর নথি সংগ্রহ শুরু হয়। সিবিআই তদন্তের ধারা সম্পূর্ণ বিপরীত। এখানে তদন্ত শেষ করে গ্রেফতারি হয়। রাজ্যের লক্ষ লক্ষ প্রতারিত পরীক্ষার্থীকে বিচার দেওয়ার ভার দিয়েছে আদালত। সেই কাজ নিখুঁতভাবে করতে একটু সময় লাগবে।’

    (স্কুল শিক্ষা সচিব মনীশ জৈন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ভূমিকা নিয়ে তদন্তকারী কমিটির সামনে কী বলেছেন তা মাধ্যম আগামীকাল জানাবে।) 

     

  • Primary TET: প্রাথমিক টেট দুর্নীতি মামলায় সিবিআইকে ‘সিট’ গঠনের নির্দেশ হাইকোর্টের

    Primary TET: প্রাথমিক টেট দুর্নীতি মামলায় সিবিআইকে ‘সিট’ গঠনের নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ (TET) দুর্নীতি মামলায় সিবিআইকে এবার সিট গঠনের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। টেটে বেআইনি নিয়োগের পর্দা ফাঁস করতে হাইকোর্টের নির্দেশ, আদালতের নজরদারিতে পুরো ঘটনার তদন্ত চালাবে সিবিআই (CBI)। এর জন্য দক্ষ অফিসারদের নিয়ে একটা বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT) গঠন করতে হবে। কলকাতার একজন যুগ্ম অধিকর্তাকেও এই টিমে রাখতে হবে। কাদের নিয়ে সিবিআইয়ের বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করা হল, তার পুরো তালিকা আদালতে শুক্রবার জমা দিতে হবে। 

    আদালত জানিয়েছে, যতদিন না প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তদন্ত শেষ হচ্ছে, ততদিন এই সিটের কোনও সদস্যকে অন্য কাজে নিযুক্ত করা যাবে না। করা যাবে না বদলিও। মোট ১২ থেকে ১৩ জনকে এই সিটে রাখতে হবে বলেও জানিয়েছে হাইকোর্ট। গোয়েন্দা তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Gangyopadhyay) বলেন, সিবিআইয়ের গতি শ্লথ। তারা দ্রুত কাজ করুক। সাধারণ মানুষ তদন্তের অপেক্ষায় আছে।

    আরও পড়ুন: চাকরি গেল ২৬৯ জনের! প্রাথমিক টেট দুর্নীতি মামলাও গেল সিবিআই-এর কাছে

    প্রাথমিক টেট মামলায় এদিনই রিপোর্ট জমা দেয় সিবিআই। তদন্তকারী সংস্থার আইনজীবী জানান, এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মামলা। গুরুত্ব দিয়েই তদন্ত করছে সিবিআই। তখন বিচারপতি জানান, গত নভেম্বর থেকে আপনাদের কাজে কোনও গতি নেই কেন? আমি এই দুর্নীতির শেষ দেখতে চাই। সংবাদমাধ্যম দারুণ কাজ করছে। আমি সারদা , নারদ চাই না। তখন সিবিআই আইজীবী বলেন, ত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণভাবে এই মামলার তদন্ত করছে সিবিআই। আমরা আমাদের কাজে প্রচণ্ড সিরিয়াস। মিডিয়া আমাদের গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভ। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এই দুর্নীতির শিকড়ে যাব।

    এরপরই এজলাসে প্রাক্তন সিবিআই কর্তা উপেন বিশ্বাসকে (Upendra Biswas) ডাকেন বিচারপতি। উপেন বিশ্বাসের ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পরই চন্দন ওরফে রঞ্জনের নামে এফআইআর করে সিবিআই। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, উপেন বিশ্বাস আপনি সামনে আসুন। আপনি তো এক সময় জয়েন্ট ডিরেক্টর (CBI Joint Director) ছিলেন। আপনার পরামর্শ কী? সিবিআই কি তাদের কাজে ওয়াকিবহাল? আপনি মোবাইলে লাইভ করলেন। পুলিশে অভিযোগ করলেন না কেন?

    উপেন বিশ্বাস তখন বলেন, আমি সিবিআই-এর সঙ্গে সহযোগিতা করব। ওদের লোকসংখ্যা কম। সিবিআই অধিকর্তাকে অনেক বেশি দায়িত্ব নিতে হবে। এই দুর্নীতির কিংপিন একজন নয়। এই কেসে সিট গঠন করা হোক। সিট রিপোর্ট দিক। তারপর পরবর্তী নির্দেশ হবে।

    আরও পড়ুন: এসএসসি দুর্নীতিতে কোটি কোটি টাকার লেনদেন! গেছে কার পকেটে? তদন্তে ইডি

    বিচারপতি তখন বলেন, আপনি একসময় মন্ত্রী ছিলেন। তারপর আপনি সৎ রঞ্জন-এর পরিচয় দিচ্ছেন! উপেন বিশ্বাস তখন বলেন, আমি আমার বাবার নামে শপথ নিয়ে বলছি, রঞ্জন-ই চন্দন। যিনি সৎ পথে টাকা নিয়ে অযোগ্যদের চাকরি দেন। উপেন আরও বলেন, আপনি আমায় যে দায়িত্ব দিয়েছেন, তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করব।

    এই প্রেক্ষিতেই উপেন বিশ্বাস বলেন, রঞ্জন হচ্ছে মাঝের মাকড়শা। তাকে ধরেই ওপরে উঠতে হবে। তাহলে বৃহত্তর এই ষড়যন্ত্রের পেছনে যারা বড় মাথা আছে তাদের কাছে পৌঁছানো যাবে। এখানে দুর্নীতি হয়েছে সাজিয়ে গুছিয়ে। আমি যে ভিডিওটা আপলোড করেছি ওটা প্রথম পর্ব। পরে আরও তথ্য আছে। আমি দুর্নীতির শেষ দেখতে চাই।

    সব শুনে বিচারপতি সিবিআইকে বিশেষ তদন্তকারী দল গঠনের নির্দেশ দেন। 

  • Tapan Dutta: তৃণমূল নেতা তপন দত্ত খুনে সিবিআই হাইকোর্টের, ফাঁসতে পারেন কারা?

    Tapan Dutta: তৃণমূল নেতা তপন দত্ত খুনে সিবিআই হাইকোর্টের, ফাঁসতে পারেন কারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষমেশ বালির তৃণমূল (tmc) নেতা তপন দত্ত (tapan dutta) খুনে সিবিআই (cbi) তদন্তের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta highcourt)। বিচারপতি রাজশেখর মান্থার নির্দেশ, এরপর থেকে তদন্ত চালিয়ে নিয়ে যাবে সিবিআই। তাঁর আরও নির্দেশ, যেখানে তদন্ত করা প্রয়োজন, সেখানে ফের তদন্ত করবে সিবিআই। আদালতের নির্দেশ যারপরনাই খুশি নিহত তপনের স্ত্রী প্রতিমা দত্ত। তিনি বলেন, ১২ বছর পর সিবিআই পেলাম। আমার মনে হল এই প্রশাসনের মুখে থাপ্পড় মারতে পারলাম। 

    আরও পড়ুন : এবার কয়লা পাচারকাণ্ডে তৃণমূল বিধায়ক সওকত মোল্লাকে তলব সিবিআইয়ের

    জলাভূমি ভরাটের প্রতিবাদ করায় ২০১১ সালের ৬ মে খুন হন বালির তৃণমূল নেতা তপন দত্ত। ঘটনায় নাম জড়ায় তৃণমূলের স্থানীয় নেতাকর্মী সহ ১৩ জনের। ওই বছরই ৩৪ বছরের বাম জমানার অবসান ঘটিয়ে রাজ্যের তখতে এসেছে তৃণমূলের সরকার। স্বাভাবিকভাবেই দলীয় নেতা খুনে শোরগোল গোটা রাজ্যে। প্রথমে বালি থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করলেও, পরে তদন্তভার গিয়ে বর্তায় সিআইডির ওপর। তার পর কেটে গিয়েছে প্রায় এক যুগ। তার পরেও কিনারা হয়নি তপন খুনের। এদিন প্রতিমা বলেন, সিবিআইয়ের প্রতি আস্থা রয়েছে। ঘরে বন্দি থাকি। অপরাধীরা বাইরে ঘুরে বেড়ায়।

    আরও পড়ুন : একুশের ভোটে বনগাঁ দক্ষিণের তৃণমূল প্রার্থী আদতে বাংলাদেশি নাগরিক? বলছে হাইকোর্টের রায়

    তপন খুনের সাত দিনের মাথায় রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্তে তদন্ত শুরু করে সিআইডি। ২০১১ সালের ৩০ অগাস্ট মামলার চার্জশিট পেশ করে সিআইডি। চার্জশিটেও নাম ছিল হাওড়ার একাধিক তৃণমূল নেতার। ওই বছরেরই ২৬ সেপ্টেম্বর সিআইডি আদালতে সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট পেশ করে। সেখানে কোনও কারণ না দেখিয়েই বাদ দেওয়া হয় ন’জনের নাম। এঁরা প্রত্যেকেই হাওড়ার তৃণমূল নেতা। ২০১৪-র ডিসেম্বরে তথ্যপ্রমাণের অভাবে বেকসুর খালাস পেয়ে যান চার্জশিটে নাম থাকা বাকি পাঁচ অভিযুক্তও। প্রতিমার দাবি, খুনের ঘটনায় হাওড়ার তৃণমূল নেতা (তথা রাজ্যের মন্ত্রী) অরূপ রায়, কল্যাণ বসু, ষষ্ঠী গায়েন-সহ তৃণমূলের একাধিক নেতা ও বিধায়ক জড়িত রয়েছেন। প্রথম চার্জশিটে অরূপের নাম ছিল বলেও জানান তিনি। এদিন হাইকোর্টের রায় ঘোষণার পরে প্রতিমা বলেন, আশা করছি, এবার ন্যায়বিচার হবে। অপরাধীরা শাস্তি পাবে।

    প্রথম থেকেই সিবিআই তদন্তের দাবিতে সরব হয়েছিলেন প্রতিমা। ওই দাবিতে মামলা নিম্ন আদালত, কলকাতা হাইকোর্ট, সুপ্রিম কোর্ট ঘুরে ফের কলকাতা হাইকোর্টে আসে। এদিন বিচারপতি বলেন, হাওড়া আদালত নয়, এরপর থেকে এই মামলার শুনানি হবে সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতে। সিআইডির কাছে মামলা সংক্রান্ত যেসব নথি, তথ্যপ্রমাণ রয়েছে, তা সিবিআইকে দিতে হবে। তদন্তে কোনও খামতি থাকলে তাও ফের করতে পারবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

     

  • SSC Recruitment Scam: এসএসসি দুর্নীতিতে কোটি কোটি টাকার লেনদেন! গেছে কার পকেটে? তদন্তে ইডি

    SSC Recruitment Scam: এসএসসি দুর্নীতিতে কোটি কোটি টাকার লেনদেন! গেছে কার পকেটে? তদন্তে ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  একা রামে রক্ষে নেই, সুগ্রীব দোসর!

    কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta Highcourt) নির্দেশে স্কুল সার্ভিস কমিশনের (School Service Commission) শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি (Teachers recruitment scam) মামলা তদন্ত করে দেখছে সিবিআই (CBI)। এই প্রেক্ষিতে রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী তথা তৃণমূলের হেভিওয়েট নেতা পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee) থেকে শুরু করে বর্তমান শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারীকে (Paresh Adhikary) দফায় দফায় দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদ করেছে তারা। তাঁর মেয়ে অঙ্কিতাকে শিক্ষকতার চাকরি থেকে বরখাস্ত করেছেন হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এবার এসএসসি কাণ্ডে (SSC scam) তদন্তে ময়দানে নামতে চলেছে আরেক কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate) বা ইডি। ফলে, তৃণমূলের কপালে চিন্তার ভাঁজ আরও যে বাড়তে চলেছে, তাতে কোনও সন্দেহ নেই।

    কিন্তু, ইডি কেন তদন্ত করছে? জানা গিয়েছে, রাজ্যের শিক্ষক দুর্নীতিকাণ্ডে একের পর এক যে চাঞ্চল্যকর তথ্য ও নথি প্রকাশ্যে এসেছে, তাতে একটা বিষয় নিশ্চিত। তা হল, এই ঘটনায় কোটি কোটি টাকার বেআইনি লেনদেন হয়েছে। অন্তত এমনটাই মনে করছেন তদন্তকারীরা। সেই টাকা কার কার কাছে পৌঁছেছে তা জানতে তদন্ত শুরু করেছেন এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের গোয়েন্দারা। সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দিল্লিতে ইডির সদর দফতর থেকে কলকাতায় সিবিআই (CBI) দফতরে ইমেল করা হয়। তাতে সিবিআইয়ের কাছে এসএসসি দুর্নীতি মামলায় (SSC Recruitment Scam) দায়ের করা ৪টি এফআইআরের কপি ও অন্যান্য নথি চাওয়া হয়েছে। এখনও পর্যন্ত তদন্তে যা যা উঠে এসেছে তা সিবিআইয়ের কাছে রিপোর্ট আকারে চেয়েছে ইডি। একইসঙ্গে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি রঞ্জিতকুমার বাগের রিপোর্ট চেয়ে পাঠানো হয়েছে। এসএসসি দুর্নীতি মামলায় যাবতীয় নথি চাওয়া হয়েছে। সিবিআই সূত্রে খবর, দু-একদিনের মধ্যেই সব নথি দেওয়া হবে ইডিকে। ইতিমধ্যেই, দুই মন্ত্রী এবং এসএসসি-র নিয়োগ কমিটির আধিকারিকদের সম্পত্তির তথ্য খতিয়ে দেখা শুরু করেছে সিবিআই। এবার অর্থের তছরূপ নিয়ে তদন্ত শুরু করবে ইডি (ED)। 

  • Birbhum: সিআইডি নয়, বীরভূমে জোড়া বিস্ফোরণকাণ্ডের তদন্ত করবে এনআইএ, নির্দেশ হাইকোর্টের

    Birbhum: সিআইডি নয়, বীরভূমে জোড়া বিস্ফোরণকাণ্ডের তদন্ত করবে এনআইএ, নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার বীরভূমে জোড়া বিস্ফোরণে এনআইএ (NIA) তদন্তের নির্দেশ আদালতের। বিস্ফোরণ সংক্রান্ত সমস্ত নথিপত্র কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থাকে দিয়ে দিতে সিআইডিকে (West Bengal CID) নির্দেশও দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) ডিভিশন বেঞ্চ। ঘটনায় ফের একবার মুখ পুড়ল রাজ্য সরকারের (Mamata Government)।

    সিবিআই থেকে ইডি বা এনআইএ – রাজ্যে ঘটে যাওয়া নানা ঘটনার তদন্তের দায়ভার পড়ছে কেন্দ্রীয় এই সব এজেন্সির হাতে। বছর তিনেক আগে এক মাসের ব্যবধানে বীরভূমে ঘটে যাওয়া জোড়া বিস্ফোরণের তদন্তভার এবার হাইকোর্টের নির্দেশে বর্তাল এনআইএ-র ওপর।

    বিস্ফোরণের প্রথম ঘটনাটি ঘটে ২০১৯ সালের ২৯ অগাস্ট, বীরভূমের সদাইপুরের রেঙ্গুনি গ্রামে। বিস্ফোরণের অভিঘাতে উড়ে যায় জনৈক হাইতুন্নেশা খাতুনের গোয়ালঘরের চাল। এই ঘটনার জেরে বাতাসে লেগে থাকা বারুদের গন্ধ পুরোপুরি মিলিয়ে যাওয়ার আগেই বিস্ফোরণের দ্বিতীয় ঘটনাটি ঘটে। এবার ঘটনাস্থল বীরভূমের লোকপুরের গাংপুর। ২০ সেপ্টেম্বর স্থানীয় বাসিন্দা বাবলু মণ্ডলের বাড়ির টিনের চাল উড়ে যায়। পুলিশের হাত ঘুরে দুই বিস্ফোরণের তদন্তভার যায় সিআইডির(CID) হাতে। আদালতের নির্দেশে পরে যে দায়িত্ব বর্তায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ-র হাতে।

    তদন্তভার পাওয়ার পরেও তদন্তের কাজ বিশেষ না এগনোয় রাজ্যকেই দুষতে থাকে এনআইএ। দ্বারস্থ হয় বিশেষ আদালতের। এরপর নথি দেওয়ার জন্য রাজ্য সরকারকে নির্দেশ দেয় বিশেষ আদালত। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় রাজ্য। সেই মামলায়ই এই নির্দেশ দেয় বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি বিভাস পট্টনায়কের ডিভিশন বেঞ্চ। নির্দেশ দেওয়ার ক্ষেত্রে কলকাতা হাইকোর্টের মন্তব্য, আইন অনুযায়ী এই ধরনের ঘটনা ঘটলে রাজ্যের তদন্তকারী সংস্থা, এনআইএ-কে একটা প্রাথমিক রিপোর্ট পাঠায়। সেই রিপোর্ট বিবেচনা করে তদন্ত করা বা না করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। কিন্তু এই দুই ঘটনার ক্ষেত্রে সেই রিপোর্ট পাঠানো হয়নি। যেহেতু রাজ্যের তদন্তকারী সংস্থার চেয়ে এনআইএ-র বিস্তৃতি আরও বেশি, সেজন্য ন্যায়-বিচারের স্বার্থে দুই মামলার তদন্তভার দেওয়া হল এনআইএ-কে।

     

  • Kaliachak: কালিয়াচকে জোর করে ধর্ম পরিবর্তন করাচ্ছে পুলিশ! সিবিআই, এনআইএ-কে যৌথ তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

    Kaliachak: কালিয়াচকে জোর করে ধর্ম পরিবর্তন করাচ্ছে পুলিশ! সিবিআই, এনআইএ-কে যৌথ তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  মালদার (Malda) কালিয়াচকের (Kaliachak) ধর্মান্তরনের বিরুদ্ধে বৃহস্পতিবার ঐতিহাসিক রায় দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta high court)। এই মামলায় সিবিআই (CBI) এবং এনআইএ-কে (NIA) যৌথভাবে তদন্ত করবে এবং আদালতকে স্ট্যাটাস রিপোর্ট দেবে।

    সম্প্রতি, কালিয়াচকে কয়েকটি গরিব হিন্দু পরিবারকে ধর্ম পরিবর্তনের (forceful conversion) জন্য ক্রমাগত চাপ দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ ওঠে। বলপূর্বক ধর্মান্তরণের প্রতিবাদে ধর্নায় বসেন ওই হিন্দু পরিবারগুলির মহিলা ও শিশুরা। পরিবারগুলির অভিযোগ, তাদের পরিবারের পুরুষ সদস্যদের গ্রেফতার করে ধর্ম পরিবর্তনের জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে। ওই এলাকায় আগেও দুই হিন্দু পরিবারকে জোর করে ধর্মান্তরিত করা হয় বলে অভিযোগ। তাঁদের অভিযোগ, কালিয়াচক থানার আইসি-ই তাঁদের ধর্ম পরিবর্তন করতে চাপ দিচ্ছেন।

    সোশ্যাল মিডিয়ায় এই সংক্রান্ত একটি পোস্ট করে ধর্মান্তরণের বিরুদ্ধে সরব হন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিনি জানান, কালিয়াচক থানার পুলিশ জোর করে ধর্মান্তকরণের চেষ্টা চালাচ্ছে। অভিযোগের নিশানায় ছিলেন কালিয়াচক থানার আইসি। অভিযোগ, ধর্ম পরিবর্তন না করলে পুরুষদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। আরও অভিযোগ, এর আগেও ২ জনকে চাপ দিয়ে ধর্মান্তকরণ করা হয়েছে।

    একজন সরকারি আধিকারিকের এহেন আচরণে যারপরনাই বিস্মিত বিজেপি নেতা। সোশ্যাল মিডিয়ায় সুকান্ত লেখেন, গণতান্ত্রিক দেশ ভারতবর্ষ সংবিধান অনুসারে চলে। সংবিধানের ২৫ নম্বর অনুচ্ছেদ ভারতের প্রত্যেকটি নাগরিককে তাঁর ধর্ম পালনের স্বাধীনতা দিয়েছে। সেই স্বাধীনতা রক্ষা করার দায়িত্ব রাষ্ট্রের অর্থাৎ ক্ষমতায় বসে থাকা সরকারের। সেখানে একজন সরকারি পুলিশ অফিসার যিনি থানার ইন্সপেক্টর তিনি কীভাবে ধর্মান্তরিত হওয়ার জন্য কোনও মানুষকে চাপ দিতে পারেন? এটা পুরোপুরি শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

    পশ্চিম বাংলায় ধর্মীয় স্বাধীনতাও বিপন্ন হওয়ায় ক্ষুব্ধ বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তিনি লেখেন,  পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে চাকরি নেই, শিল্প নেই, সুশাসন নেই, বাক্ স্বাধীনতাও নেই। এছাড়াও নানা সমস্যা রয়েছে। এর পরেই তাঁর প্রশ্ন, তাই বলে সাধারণ মানুষের ধর্ম পালনের স্বাধীনতাটুকুও থাকবে না? তাঁর আশঙ্কা, তৃতীয়বার ক্ষমতালাভের পর কিছু নিষিদ্ধ গোষ্ঠী ক্ষমতার অলিন্দে থেকে মুখোশের আড়ালে তাদের স্বার্থ কায়েম করতে চাইছে না তো?

    হিন্দু সম্প্রদায়ের সুরক্ষাও দাবি করেন সুকান্ত। তিনি লেখেন, সরকারকে পশ্চিমবঙ্গের হিন্দু সম্প্রদায়ের সুরক্ষা সুনিশ্চিত করতে হবে। এই পরিবারগুলোর অভিযোগ প্রশাসনকে যথাযথ গুরুত্ব সহকারে দেখতে হবে। দোষী প্রমাণিত হলে অভিযুক্ত পুলিশ অফিসারকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করতে হবে। তার পরেও সরকার কোনও পদক্ষেপ না করলে ভবিষ্যতে পথে নেমে এর প্রতিবাদ করবে বিজেপি।

    থানার আইসি-র নেতৃত্বে জোর করে ধর্মান্তরণের ঘটনায় আলোড়ন পড়ে যায়। জল গড়ায় আদালত পর্যন্ত। বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টে এই মামলার শুনানি ছিল। সেখানেই বিচারপতি নির্দেশ দেন, সিবিআই ও এনআইএ যৌথ তদন্ত করবে অভিযোগের ভিত্তিতে। আগামী ২১ জুনের মধ্যে দুই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকেই তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে স্ট্যাটাস রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি। 

     

LinkedIn
Share